"সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য"
(০১) এটি একটি সম্পূর্ণ অলাভজনক ও অরাজনৈতিক সংগঠন।
(০২) এই সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সমাজের কল্যানমূলক কর্ম যা আমাদের সংগঠনের সকল সদস্যদের মধ্যে ঐক্য ও পারস্পরিক সু-সম্পর্কের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে।
(০৩) সকল সদস্যগণের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হবে।
(০৪) পূর্ব নির্ধারিত সভায় প্রত্যেকের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।
(০৫) সংগঠনের উন্নয়নের জন্য প্রত্যেকের স্বেচ্ছায় অংশগ
্রহণ করতে হবে।
(০৬) সকল সদস্য পরিছন্ন মনের ও সমমনা হয়ে সংগঠনের আদর্শ ও কর্মসূচির সাথে সম্মিলিতভাবে একমত পোষণ করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে সংগঠনের কোনরূপ প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টি না হয়।
(০৭) সংগঠনের সদস্যদের যখন যে দায়িত্ব দেয়া হবে সকল কাজ সঠিক ভাবে পালন করতে হবে।
(০৮)প্রতি বছর শীতে গরীব অসহায় পরিবারের মাঝে শীতবস্র প্রদান করা।
(১০)স্বেচ্ছায় রক্ত দান ও সামাজিক বিভিন্ন কর্মকান্ড পরিচালনা করা।
(১১) এলাকাবাসির মধ্যে আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের প্রত্যয় সৃষ্টি করা।
(১২) এলাকার গরীব, অসহায় মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের পড়া লেখা চালিয়ে যেতে সহায়তা বা উদ্ভুদ্ব করা।
(১৩) ছাত্র-ছাত্রীদের মেধা ও সৃজনশীলতার সর্বাধিক বিকাশের লক্ষ্যে তাদেরকে প্রণোদিত ও সংগঠিত করা ।
(১৪) রমজান মাসে অসহায় গরিবদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরন করা ও ইফতারি পার্টি আয়োজন করা।
(১৫) “ঈদ উৎসব” ঈদের আগের দিন অসহায় গরিব পরিবারের মাঝে ঈদ প্যাকেজ (খাদ্য সামগ্রী) বিতরন করা।
(১৬) সমাজের সবার মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা বোধ সৃষ্টি করে সমাজে সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।
(১৭) সামাজিক সংগঠনের প্রতিটি সদস্যকে কাজের মাধ্যমে সফল, স্বয়ংক্রিয় ও স্বেচ্ছাসেবী হয়ে ওঠার লক্ষ্যে কাজ করা।
(১৮) শিশু কল্যাণঃ এলাকার গরীব শিশু-কিশোরদের অক্ষরদান দেয়ার জন্য গণশিক্ষা কেন্দ্র/পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করা এবং দরিদ্র শিশুদের খেলাধুলার পাশাপাশি সু-স্বাস্থ্য নিশ্চিত কল্পে ফ্রি চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং বাল্যবিবাহ/যৌতুক প্রথা রোধে সভা-সেমিনার ও গনসচেতনতা সৃষ্টি করা।
(১৯) এলাকার মাদকাসক্ত, বখাটে ও অপরাধীদের সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে বিনোদন, গনসচেতনতা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং কর্মসংস্থানের জন্য উৎসাহ প্রদান করা।
(২০) মাদক মুক্ত এলাকা গড়তে প্রশাসনকে সহযোগিতা করা।
(২১) সমাজ বিরোধী কার্যকলাপ হইতে জনগণকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে চিত্ত-বিনোদন ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচীর ব্যবস্থা করা।
(২২) যে কোন সেবামূলক কাজে জনগনকে উদ্ভুদ্ব করা এবং জনগনকে সেবামূলক কাজে সহযোগিতা করা। এমনকি খাদ্য দ্রব্যকে বিষ মুক্ত রাখা ও কৃষকদেরকে কেমিক্যাল ব্যতিত ফসল উৎপাদানের ব্যপারে পরামর্শ দেয়া।
(২৩) দেশের দুর্ভিক্ষ, বন্যা, ঘুর্ণিঝড়, ভূমিকম্প, মহামারী, অনাবৃষ্টি, অতিবৃষ্টি, সকল প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগে সাহায্য সামগ্রী নিয়ে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে এগিয়ে যাওয়া।
(২৪) ফুটবল, ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা।