বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য গবেষণা

  • Home
  • Bangladesh
  • Patgram
  • বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য গবেষণা

বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য গবেষণা It is a Research Group for the development of Bangladesh by mixed research activities. The research g

https://dailyinqilab.com/international/news/851846
12/01/2026

https://dailyinqilab.com/international/news/851846

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করে আবারও বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন মালয়েশ....

05/01/2026

২০২৬ সালের বর্তমান প্রেক্ষাপটে বৈজ্ঞানিক গবেষণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর ব্যবহার কেবল ডেটা বিশ্লেষণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি এখন নতুন আবিষ্কারের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। গবেষণায় এআই-এর প্রধান প্রয়োগগুলো নিচে দেওয়া হলো:

ওষুধ আবিষ্কার ও উন্নয়ন (Drug Discovery): নতুন ওষুধের সংকেত বা মলিকিউল ডিজাইন করতে আগে যেখানে বছরের পর বছর সময় লাগত, এখন এআই তা কয়েক মাস বা সপ্তাহে নামিয়ে এনেছে। এটি সম্ভাব্য ওষুধের কার্যকারিতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আগেভাগেই নিখুঁতভাবে প্রেডিক্ট করতে পারে।
হাইপোথিসিস বা তত্ত্ব প্রদান: উন্নত এআই মডেলগুলো এখন আর কেবল উত্তর দেয় না, বরং বিদ্যমান বৈজ্ঞানিক তথ্য বিশ্লেষণ করে নতুন গবেষণার ধারণা বা হাইপোথিসিস তৈরি করতে পারে। এটি বিজ্ঞানীদের জন্য একজন 'ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট' হিসেবে কাজ করছে।
জলবায়ু মডেলিং ও আবহাওয়ার পূর্বাভাস: প্রথাগত সুপার কম্পিউটারের তুলনায় এআই ১০০ গুণ দ্রুতগতিতে এবং কম খরচে জলবায়ু পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদী মডেল এবং তাৎক্ষণিক আবহাওয়ার পূর্বাভাস তৈরি করতে সক্ষম।
জটিল ডেটা বিশ্লেষণ: মহাকাশ বিজ্ঞান (যেমন এক্সোপ্ল্যানেট খোঁজা) এবং জেনেটিক্স গবেষণায় এআই বিশাল পরিমাণের ডেটা থেকে এমন সব প্যাটার্ন খুঁজে বের করছে যা মানুষের পক্ষে শনাক্ত করা অসম্ভব ।
স্বয়ংক্রিয় গবেষণাগার (Self-driving Labs): এআই চালিত রোবটগুলো এখন মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই ল্যাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সপেরিমেন্ট চালানো, ডেটা সংগ্রহ এবং ফলাফল বিশ্লেষণ করতে পারে।
প্রোটিন স্ট্রাকচার প্রেডিকশন: প্রোটিনের ত্রিমাত্রিক গঠন বুঝতে এআই-এর ব্যবহার (যেমন আলফাফোল্ড প্রযুক্তি) জীববিজ্ঞানে এক বিশাল বিপ্লব এনেছে, যার জন্য সম্প্রতি নোবেল পুরস্কারও প্রদান করা হয়েছে।

https://www.facebook.com/share/17eHVcunSL/
23/12/2025

https://www.facebook.com/share/17eHVcunSL/

আলবার্ট আইনস্টাইন তাঁর পড়ার টেবিলের সামনে তিনজন মানুষের ছবি ঝুলিয়ে রাখতেন। তাঁদের একজন আইজাক নিউটন, দ্বিতীয়জন ম্যাক্সওয়েল এবং শেষজন হলেন মাইকেল ফ্যারাডে। ফ্যারাডে হলেন বিজ্ঞানের ইতিহাসের সবচেয়ে বিস্ময়কর চরিত্র! প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশুনা না করে দুনিয়ায় কবি-সাহিত্যিক, চিত্রশিল্পী, গায়ক, খেলোয়াড় হওয়া যায়। কিন্তু বিজ্ঞানী হওয়া যায়, সে উদাহরণ খুব বেশি নেই। ফ্যারাডে হলেন ইতিহাসের সেই বিরল উদাহরণ।

ফ্যারাডে তাঁর কৈশোরে কাজ করতেন বই বাঁধাইয়ের দোকানে। তাঁর পরিবার ছিলো গরীব। বেশ গরীব। তাঁর বাবা তাকে বইয়ের দোকানে কাজ শিখতে দিয়েছিলেন। পুত্রকে পড়ানোর টাকা ছিলো না। ফ্যারাডে যখন বিশ বছর বয়সের তরুণ, তখন একদিন এক লেকচার শুনতে গেলেন। সে লেকচারের বক্তার নাম হামফ্রে ডেভি—ইতিহাসের এক সেরা বিজ্ঞানী। ফ্যারাডের জীবন ঘুরে যায় সেদিন থেকে, সেই লেকচার শুনার পর। তিনি ডেভির কাজকে গভীরভাবে জেনে, একসময় নিজেই অসাধারণ বিজ্ঞানী হয়ে উঠলেন। তড়িৎ ও চৌম্বকত্ব (Electricity and Mag-netism) নিয়ে গবেষণা করে, ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন।

দারিদ্রকে জয় করা মানুষের এমন উদাহরণ নেহায়েত কম নয়। নজরুল তাঁর দারিদ্রতাকে জয় করেছেন। জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি-মুন এতোই দরিদ্র ছিলেন যে তাদের একটি টয়লেট ছিলো না। দক্ষিণ ভারতের এক অখ্যাত গরীব ঘরের সন্তান ছিলেন রামানুজন। ভারতবর্ষ ছাড়িয়ে সারা দুনিয়ায় খ্যাত হয়েছিলো। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় শ্রীনিবাস রামানুজন যখন ইংল্যান্ডে পৌঁছলেন, তখন তাঁর আশেপাশে দুনিয়ার খ্যাতনামা গণিতবিদগণ। তাঁরা এসেছিলেন রামানুজনের লেকচার শুনতে। অথচ রামানুজনের কোন প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রীই ছিলো না। গণিতে তাঁর অসমান্য মেধার জন্য তাকে নির্বাচিত করা হয়েছিলো রয়েল সোসাইটির ফেলো।

ভারতের আম্বেদকার জন্মেছিলেন ‘দালিত’ সমাজে। দালিত গোষ্ঠির মানুষদের এখনো ভারতে ‘নিচু ও অচ্ছুৎ’ হিসেবে অবহেলা করা হয়। মেথর-মুচি ইত্যকার কাজ করে বলে, তাঁরা সমাজে চরম অবহেলিত। অথচ সেই আম্বেদকার, আমেরিকার কলোম্বিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি করে গিয়ে স্বাধীন ভারতের আইনমন্ত্রী হয়েছিলেন। তাছাড়া তিনি ছিলেন ভারতের সংবিধান প্রণেতাদের একজন। আমার প্রিয় এক গণিতবিদের নাম কার্ল ফ্রেডরিক গাউস। তিনি জন্মেছিলেন জার্মানিতে। খুবই গরীব পরিবারে। বাবা-মা কেউই পড়াশুনা করেননি। তাঁর জন্মতারিখটাও মনে রাখতে পারেনি। কিন্তু সেই ছেলেই, উনিশ শতকে গণিতের দেবতা হয়ে উঠেছিলেন।

জন্ম হলো পৃথিবীতে আসার নিছক সূত্র। এর উপর কারো নিয়ন্ত্রণ নেই। মানুষের যেটার উপর নিয়ন্ত্রণ আছে, সেটা হলো কর্ম। মানুষ দরিদ্র পরিবারে জন্মালেই সম্ভাবনাহীন হয় না। দারিদ্রতা মানুষের বড়ো হওয়ার পথে অন্তরায়, তবে একমাত্র বাধা নয়। আর জন্ম যেহেতু মানুষকে বড়ো করে না, সেটা নিয়ে ভেবে সময় নষ্ট করেও লাভ নেই। বাগানের ফুলকে যেমন মানুষ হাতে নেয়, পথের ধারে ফোটা ফুলকেও মানুষ হাতে নেয়, খোঁপায় গুঁজে। প্রস্ফুটিত ফুলে কী আর জন্ম-কথা লেখা থাকে?

দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে বলে অনেকেই দুঃখ করে। দারিদ্রতা নিয়ে হাপিত্যেশ করে। দারিদ্রতাকে জয় করতে ভয় পায়। আমার কাছে যারা এই দুঃখ করে, তাঁদেরকে আমি পাথর থেকে ভাস্কর্য হয়ে যাওয়ার কথা বলি। পথের ধারে পড়ে থাকা পাথর কেউ লক্ষ্য করে না। অথচ সে পাথর দিয়েই যখন ভাস্কর্য তৈরি করা হয়, মানুষ সেটিকে শিল্পের চোখে দেখে। দূর-দূরান্ত থেকে সে ভাস্কর্য দেখতে যায়। একটা মানুষের কর্ম ঠিক তেমনই। কর্ম মানুষের মধ্যে শিল্পের রূপ দেয়। মানুষকে পরিপূর্ণ করে তোলে। তাই পাথর হয়ে না থেকে, কর্মগুণে ভাস্কর্য হও যাও।

বাংলাদেশর অসংখ্য ছেলে-মেয়ের বাবা-মা কোনদিন স্কুলে যায়নি। ছেলে-মেয়েদের ঠিকমতো খাবার দিতে পারেনি। জামা-কাপড় দিতে পারেনি। অথচ সেইসব ছেলে-মেয়েরা আজ পৃথিবী জয়ের পথে নেমেছে। আমি দিগ্বিদিক এমন মানুষদের জয় দেখছি। আমি দেখছি তাঁরা কি করে জন্মকে জয় করছে। তাঁরা কি করে ফুলের মতো প্রস্ফুটিত হওয়ার চেষ্টায় মগ্ন হয়ে আছে। ফুটতে জানলে, কলির গল্পটা হয়ে যায় উপাখ‍্যান। তাই ফোটতে চেষ্টা করো। মানুষ হাতে নিবেই। জন্ম নিয়ে বৃথা দুঃখ করো না। প্রতিটি মানুষ মহাবিশ্বের নক্ষত্রের মতো। কর্মগুণে যে আলোকিত, তাকেই মানুষ দেখতে পায়। ভালোবেসে দেয় নাম। .......................
RAUFUL ALAM
Oriyet-অরিয়েট

https://www.facebook.com/share/1C2WgkMZFC/
14/12/2025

https://www.facebook.com/share/1C2WgkMZFC/

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ইন্সটিটিউট অব এনার্জি টেকনোলজি (আইইটি)–এর গবেষণাগার পরিদ.....

ভূমিকম্পে বিল্ডিং নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য অধিক পরিমাণে এই ব্যাপারে গবেষণা বাড়ানো দরকার।
13/12/2025

ভূমিকম্পে বিল্ডিং নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য অধিক পরিমাণে এই ব্যাপারে গবেষণা বাড়ানো দরকার।

https://www.facebook.com/share/1DHbUdUtfR/
11/12/2025

https://www.facebook.com/share/1DHbUdUtfR/

চীন দ্রুত এগোচ্ছে লো-অ্যালটিটিউড ইকোনমির দিকে। ড্রোন, eVTOL এবং স্মার্ট অ্যাভিয়েশন অবকাঠামো মিলিয়ে গড়ে উঠছে ভবিষ্যতের আকাশ–শিল্প। জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এই খাত আগামী দশকে বিলিয়ন-ডলারের বাজারে রূপ নিতে পারে।

AERO Asia 2025 এ ২২ টি দেশের অংশগ্রহণ, ৭ বিলিয়ন ইউয়ানের চুক্তি এবং ৮৩৭টি বিমান বিক্রি- এসবই উদীয়মান এ খাতের গতিশীলতাকে আরো স্পষ্ট করেছে। Zero Gravity, AEROFUGIA এবং XPENG AEROHT-এর মতো কোম্পানিগুলো শহুরে পরিবহন, জরুরি সাড়া প্রদান ও বাণিজ্যিক চলাচলের জন্য নকশা করা নতুন ছয় আসনের eVTOL উন্মোচন করেছে। তবে বৈশ্বিক সম্প্রসারণের সবচেয়ে বড় বাধা এখনো কঠোর আকাশযান যোগ্যতা (airworthiness) সার্টিফিকেশন।

XPENG এবং AEROFUGIA মধ্যপ্রাচ্য ও থাইল্যান্ডে অর্ডার পেলেও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পেরোতে সময় লাগবে। এই দৌড়ে এগিয়ে আছে EHang। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের প্রথম পাইলটবিহীন যাত্রীবাহী eVTOL এর পূর্ণ অনুমোদন পেয়েছে এবং ইতোমধ্যে ইউএই, জাপান ও থাইল্যান্ডে ডেমো ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, উৎপাদনের পাশাপাশি মান, প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল অবকাঠামো এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার সমন্বয়েই তৈরি হবে চীনের ভবিষ্যৎ লো-অ্যালটিটিউড ইকোসিস্টেম।

China is rapidly advancing toward a low-altitude economy, where drones, eVTOL aircraft and smart aviation infrastructure are shaping a new era of aerial industries. With strong inclusion in national and provincial development plans, the sector is poised to grow into a billion-dollar market within the next decade.

At AERO Asia 2025, participation from 22 countries, contracts worth 7 billion yuan and the sale of 837 aircraft underscored the momentum behind this emerging field. Companies such as Zero Gravity, AEROFUGIA and XPENG AEROHT unveiled new six-seat eVTOL models designed for urban transport, emergency response and commercial mobility. Yet, the biggest obstacle to global expansion remains stringent airworthiness certification.

Although XPENG and AEROFUGIA have secured orders from the Middle East and Thailand, meeting international standards will take time. Leading the race is EHang, the world's first company to obtain full approval for a pilotless passenger-carrying eVTOL. It has already conducted demonstration flights in the UAE, Japan and Thailand.
Experts believe that beyond manufacturing capacity, the future of China’s low-altitude ecosystem will depend on coordinated progress in standards, training, digital infrastructure and regional cooperation.

https://www.facebook.com/share/p/1HAjfWMKPz/
11/12/2025

https://www.facebook.com/share/p/1HAjfWMKPz/

প্রায় ৬ টি ভিন্ন দেশ থেকে অন্তত ৩৫০ জন শিক্ষক, গবেষক, বিজ্ঞানী ও উদ্যোক্তারা এ সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন বলে জানা যায়।
বিস্তারিত কমেন্টে....

https://www.facebook.com/share/p/1DLaEEb3TN/
10/12/2025

https://www.facebook.com/share/p/1DLaEEb3TN/

Interview with Lumiere . It’s a 12 weeks program, one-on-one advanced mentorship, with structured milestones and comprehensive support for highly selective publication. Please pray for me.

10/12/2025

Address

Md. Ainul Hoque Home, Tepur Gari, Lily Plant Nursery (লিলি গাছের নার্সারি)
Patgram
5540

Telephone

+8801536465432

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য গবেষণা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য গবেষণা:

Share