তারুণ্যের প্রচেষ্টা,বাংলাদেশ

তারুণ্যের প্রচেষ্টা,বাংলাদেশ সর্বদা মানুষের কল্যাণে।

“পঞ্চগড়ে আপনি কাকে চান?”
30/01/2026

“পঞ্চগড়ে আপনি কাকে চান?”

*Collected*মাইলস্টোন ট্র‍্যাজেডিতে হিউম্যান সাইকোলজির একটা কঠিন দিক রিয়েলাইজ করলাম। সেটা হচ্ছে হিংসার আগুন জেট প্লেন এর ...
29/07/2025

*Collected*
মাইলস্টোন ট্র‍্যাজেডিতে হিউম্যান সাইকোলজির একটা কঠিন দিক রিয়েলাইজ করলাম।

সেটা হচ্ছে হিংসার আগুন জেট প্লেন এর ব্লাস্ট হওয়ার আগুন থেকেও ভয়ংকর!

২১ তারিখ দুপুরে আমি অফিসেই ছিলাম, তখন প্রথম যখন নিউজটা শুনি, ফার্স্ট ম্যাসেজটা দেখি এমন— মাইলস্টোন স্কুলের উপর প্লেন ক্রাশ করছে, মিনিমাম ২০+ ডেড। আসলে তখনও বুঝে উঠতে পারিনি।

মাইলস্টোন শব্দটা খুব আপন, আমার আপন ছোটো ভাই সহ মোট ৫ জন কাজিন এই স্কুলে পড়ছে। আমার ছোট ফুপুর ছোট মেয়েটা এখনো ওখানেই পড়ে। আমি সবার আগে ওকে ফোন দিলাম, শুনলাম ওদের নাকি আগেই ছুটি হয়ে গেছিলো।

ততক্ষণে ফেসবুকে ভিডিও আসতে শুরু করছে। ২/১ টা ভিডিও দেখে আমি আর অফিসে বসে থাকতে পারিনি। যদিও আমি এক অন্য শহরে, তাও সকাল বেলা আমার ছোট্ট মেয়েকে নিজের হাতে সাজিয়ে, স্কুলের মিস এর হাতে দিয়ে, অফিসে আসছি।

ও ঠিক আছে কিনা দেখার জন্য অফিস থেকে দৌড়ে বাসায় চলে আসি।

ওকে দেখার পর, যোহরের নামাযে আল্লাহর কাছে দু'আ করি— আল্লাহ এই মৃত্যু সংখ্যা যেনো কম হয়। এরপর থেকে আসলে আমাদের কারোরই স্বাভাবিক দিন যাপন আর হচ্ছেনা।

কিন্তু দেখেন খুব অদ্ভুত ভাবে একদল মানুষ চাচ্ছে মৃত্যু সংখ্যাটা বাড়ুক! ৩০ এর জায়গায় ৩০০ হোক!

তারা কি আসলে চায় যে এতো বাচ্চা মরুক?

না আসলে তারা তা চায়না।

শুধুমাত্র যেনো তারা এই তর্কে জিতে যায়, তাই তারা এখনো চাচ্ছে কোনো ভাবে এই নিউজ আসুক যে আরো অনেক বাচ্চা মরে গেছে।

কী অদ্ভুত হিউম্যান সাইকোলজি হ্যাঁ!

মানুষ যাদের হিংসা করে, প্রচন্ড কঠিন মূহুর্তেও তার কাছে সবার আগে হিংসার ফিলিংস টাই আগে। এই হিংসার আগুনের কাছে অন্যান্য মানবিক আবেগ ও কতো ছোট!

কিছু মানুষকে দেখলাম যারা জনম জনম ভরে আর্মিকে দেখতে পারেনা।

এখানে দেখতে না পারার অনেক কারণ থাকতে পারে ব্যক্তিগত, সামাজিক, রাজনৈতিক বা কঠিন ভাবে পুষে রাখা কোনো হিংসা। যাই হোক, থাকতে পারে।

কিন্তু এই ঘটনায় আর্মির শুধুই প্রশংসা পাওয়ার কথা ছিলো। মাত্র ২-৩ মিনিটের মধ্যে আর্মি ঘটনাস্থলে পৌঁছে অসংখ্য বাচ্চা উদ্ধার করেছে যার ভিডিও আমরা দেখছি।

১ টা ১০ মিনিটে প্লেন ক্র‍্যাশ হলো, ১ টা ৩০ মিনিট থেকেই ফেসবুকে সেনাবাহিনীর উদ্ধারের ভিডিও আসা শুরু করেছে, মানে ভিডিও করা হইছে আরো মিনিমাম ৫/১০ মিনিট আগে।

অথচ আর্মি নাকি আগে গিয়ে ঐ বিধ্বস্ত জলন্ত বিল্ডিংয়ের সিসিটিভি খুলে নিয়েছে, তারপর উদ্ধার শুরু করেছে!

এটা কি কোনো ভাবে সম্ভব?

এখন আর্মি অফিসারদের অনেকের বক্তব্য আসতেছে, কারো কথায় আক্রোশ দেখছেন?
তারা ছাত্রদের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছে বারবার যে তারা অনেক হেল্প করেছে।

এখনো পর্যন্ত কোনো অভিভাবক, স্কুলের শিক্ষকের পক্ষ থেকে এমন অভিযোগ গুলা আসছে ?

অভিযোগ আসতেছে কিছু ছাত্রদের কাছ থেকে, যারা অভিযোগ দিচ্ছে সবাই বলতেছে সে নিজে দেখছে, ২০০/৩০০ লাশ নাকি বের হইছে।

আচ্ছা আর্মিরা কিন্তু এই কঠিন ডিউটির মধ্যে কেউ ফোন বের করে ভিডিও করেনি। আর্মিদের যেই ভিডিও গুলা আসতেছে এগুলা অন্যরাই করেছে।

এখনো পর্যন্ত একটা ভিডিও দেখছেন যেখানে এক সাথে বেশি না, ১০ টা লাশ দেখা গেছে?

হ্যাঁ বিক্ষিপ্ত ভাবে আমরা লাশ দেখেছি।

এখন সব অভিভাবকদের সাক্ষাৎকারও আসতেছে।

সব মিলায়ে আপনারা এতো সংখ্যা পাচ্ছেন?

কেনো আপনারা চাচ্ছেন ২০০ বাচ্চা মরুক?

হাসপাতালে যারা চিকিৎসাধীন আছে তারা কি মৃত?

না আমরা দু'আ করি তারা সুস্থ হয়ে ফিরে আসুক?

শুধুমাত্র আর্মিকে দেখতে পারেননা বলে কেনো এই অহেতুক তর্কে জিততে চাচ্ছেন?

আপনারা জিতে গেলে হেরে যাবে অসংখ্য বাবা-মা, অসংখ্য মাসুম বাচ্চা।

তর্কে হেরে গিয়েও যদি মৃত্যুর সংখ্যা কম হয় সেটাই কি বড় আনন্দের বিষয় না?

সত্য অলরেডি সামনে আসা শুরু করছে। এখন অনেক শিক্ষক, অনেক প্রত্যক্ষদর্শী অভিভাবক স্বাক্ষী দিচ্ছেন।

ছোট বাচ্চারা যারা বলছে ২০০/৩০০ লাশ দেখছে তাদের কোনো দোষ দিচ্ছিনা। তারা হয়তো এমন পরিস্থিতিতে ট্রমাটাইজড হয়ে বলে ফেলেছে। আর এক শয়তান দল এই সুযোগে নিজেদের ফায়দা হাসিল করছে।

কিন্তু আমরা যখন শিক্ষক, অভিভাবক আরো বিভিন্ন মহল থেকে প্রমাণ পাচ্ছি মৃতের সংখ্যা এতো না, আমরা এমনই অধম।

"আলহামদুলিল্লাহ" টা আগে মুখে আসতেছে না।

আগে আসতেছে আমার ঐ বহুদিনের পুষে রাখা হিংসা।

প্লেনে ক্রাশের আগুন অর্ধশত বাচ্চাকে মারতে না পারলেও তাদের হিংসার আগুন ঠিকই মেরে ফেলতেছে!

@আফিয়া আদিবা


29/07/2025
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা!সময়টা ২০১৩ সালের ১১ মার্চ। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন গর্বিত অফিসার, লেফটেন্যান...
28/07/2025

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা!

সময়টা ২০১৩ সালের ১১ মার্চ। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন গর্বিত অফিসার, লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাছাওয়ার রাজা হঠাৎই এক মারাত্মক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চলে যান গভীর কোমায়।তারপর দীর্ঘ ৮ বছর, চোখ খুলেননি তিনি। শুধু নিঃশ্বাস চলেছে, জীবন থেমে থেকেও বেঁচে ছিল এক হাসপাতালের বিছানায়, নিঃশব্দ সংগ্রামে।

আর এই দীর্ঘ সময় ধরে, তার প্রিয় মানুষরা, স্ত্রী-সন্তান, আর সহকর্মীরা অপেক্ষা করেছে হয়তো একদিন তিনি ফিরে আসবেন, একটা শব্দ বলবেন, একবার চোখ তুলে তাকাবেন…
কিন্তু তিনি ফিরলেন না।
ফিরলেন তাঁর সম্মানে।

২০২০ সালের ১২ অক্টোবর যেদিন তাঁর চাকরি জীবনের শেষ দিন, সেদিন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তাঁকে “কর্নেল” পদে পদোন্নতি দেয়।
হ্যাঁ, কোমায় শুয়ে থাকা অবস্থাতেই তাঁর কাঁধে পরিয়ে দেওয়া হয় কর্নেলের ব্যাজ।

কেন?

কারণ তিনি সেটা প্রাপ্য ছিলেন।
কারণ তিনি লড়েছেন, দেশের জন্য, মানুষের জন্য, আর কর্তব্যের প্রতি নিজের অঙ্গীকারে কখনোই পিছপা হননি।
Bangladesh Army Bangladesh Armed Forces Division

Repost #*২১ জুলাই ২০২৫ — এক দুপুরের অগ্নিপরীক্ষা*১৯ জুলাই ২০২৪ থেকে ২১ জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত দীর্ঘ এক বছর দুই দিন অতিক্রান্...
28/07/2025

Repost
#*২১ জুলাই ২০২৫ — এক দুপুরের অগ্নিপরীক্ষা*
১৯ জুলাই ২০২৪ থেকে ২১ জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত দীর্ঘ এক বছর দুই দিন অতিক্রান্ত হয়েছে সেনাবাহিনীর রাস্তায় নামার।
আর্মির ডিপ্লয়মেন্ট নিয়ে অনেক কথা বলার ছিল, কিন্তু কখনো বলা হয় নাই। ভেবেছিলাম, মানুষ নিজের চোখে দেখে বুঝে নিক, কী ভূমিকা ছিল আর্মির ১৯ জুলাই ২০২৪ থেকে শুরু করে ২২ জুলাই বা ৩/৪ আগস্ট, ৫ আগস্ট, কিংবা তারও পরে ৬ আগস্ট থেকে আজ পর্যন্ত।
এ যেন এক বছরের এক মহাকাব্য, যেটা হয়তো অন‍্য কোনো একদিন বলা যাবে।
কিন্তু আজ শুধু ২১ জুলাই ২০২৫ এর গল্পটুকু বলি।

সময় দুপুর ১:১৮। লাঞ্চের টেবিলে খাবার সাজানো, হয়তো আর ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই খাওয়া শুরু করবো।
ঠিক তখনই একটা ফোন এলো—“মাইলস্টোন কলেজে একটা বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে।”
শুধু এইটুকুই জানতাম, কিছুই স্পষ্ট না। এটা কি হেলিকপ্টার, না ফাইটার জেট, না কমার্শিয়াল ফ্লাইট—কিছুই জানতাম না।
এই সময়টা সাধারণত সবাই যোহরের নামাজ পড়ে। আমার পাশের মসজিদে জামাত শুরু হয় ১:১৫-তে, অর্থাৎ জামাত তখনো চলছিল।
সর্বোচ্চ সংখ্যক সৈনিক তখন নামাজে, কেউ কেউ হয়তো দুপুরের খাবার খাচ্ছিল, কিন্তু অধিকাংশই তখনও লাঞ্চ শুরু করেনি।

শুধু একটি কল, আর তারপরই আদেশ আসে—যে যেমন অবস্থায় আছে, গাড়িতে উঠে পড়ো।
সেদিন কর্মদিবস ছিল, তাই সবাই ইউনিফর্ম পরা অবস্থায়ই ছিল।
আদেশের সাথে সাথেই সবাই দৌড়ে এল, বারবার বাঁশি বাজানো হচ্ছে, গাড়ি প্রস্তুত করা হচ্ছে।

সময় ১:৩০—আমরা মাইলস্টোন কলেজের দিকে রওনা দিলাম। দূরত্ব প্রায় ৫ কিমি, স্বাভাবিক সময়ে লাগার কথা ১৫ মিনিট।
কিন্তু সেদিন আমরা পৌঁছে যাই মাত্র ১০ মিনিটেই।

১:৪০ বাজে।
গাড়ি থেকে নামার পর সরাসরি ঘটনাস্থলে চলে যাই। আর সেখানেই শুরু হয় আমাদের যুদ্ধ।
এটা কোনো সীমানার যুদ্ধ না, এটা আগুনের সঙ্গে যুদ্ধ।
এটা জীবন বাঁচানোর যুদ্ধ।

কিছুই জানি না—বিমানটা কোথায় পড়েছে, ভিতরে কে ছিল—শুধু জানি, কিছু জীবন বাঁচাতে হবে।
বিমানটা তখনো দাউ দাউ করে জ্বলছে।
ফায়ার সার্ভিস এখনো আসেনি।

আমাদের আগেই, দুপুর ১:২০ মিনিটে, সেখানে পৌঁছে গেছে কিছু মানুষ—আমাদের মতোই জলপাই রঙের পোশাকে।
কারো শরীর ঘামে ভিজে, কারো ইউনির্ফম খুলে সেটা দিয়ে ঢেকে রাখা দগ্ধ লাশ।
হঠাৎ খেয়াল করলাম এক মহিলার লাশের উপর ছিল শাপলা ফুল সংবলিত জলপাই রঙের উর্দি—যেটা দিয়ে সে মহিলার সম্ভ্রম বাচানো হচ্ছে।

ততক্ষণে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছাত্র, সাংবাদিক আর কিছু ভদ্র লোক—যারা সেই মহিলার লাশ না ঢেকে ভিডিও করতে ব্যস্ত।

এরপর আমরা শুরু করলাম আমাদের আসল কাজ—জীবন বাঁচানো।
প্রথমেই নিচতলার ক্লাসরুমগুলো থেকে জীবিত ছাত্রদের বের করে আনতে শুরু করলাম।
কেউ ৮/৯ বছরের শিশু, কেউ শিক্ষক, কেউ আবার ১৩/১৪ বছরের কিশোর-কিশোরী।

ও হ্যাঁ, একটা কথা বলা হয়নি—আমরা তো সেই ‘বেকার উর্দিধারী’ লোক, যাদের হাতে নেই কোনো সরঞ্জাম, নেই কোনো অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, নেই কোনো রেসকিউ টুলস।
আমাদের আছে শুধু একটা রাইফেল আর মানুষ মারার ট্রেনিং—তাও যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য।

তবুও, অবাক করা ব্যাপার—সবার মতো আমিও ঝাঁপিয়ে পড়লাম।
রাইফেল রেখে খালি হাতে শুরু করলাম উদ্ধারের কাজ।
আগুনের যতটুকু কাছে যাওয়া যায়, যতোজনকে বের করা যায়, বের করছি।

আমাদের মধ্যে ছিল ২০–২২ বছরের কিছু তরুণ সৈনিক, যাদের নিয়ে মাঝেমাঝে হাসি-তামাশা করা হয়, বলা হয় তাদের বুদ্ধি হাটুতে।
তারা সেই উর্দি খুলে একেবারে আগুনের মধ্যে ঝাঁপ দিলো—রুমের ভিতরে ঢুকে ৪/৫ জনকে একসাথে উদ্ধার করলো।
তাদের একজন সৈনিক বেরিয়ে এসে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে, প্রচন্ড তাপে।
অথচ তখনো আশেপাশে দাঁড়িয়ে থাকা তথাকথিত “১৬০ IQ” জনগণ, ছাত্র, সাংবাদিক—তারা ব্যস্ত ভিডিও করতে, ব্যস্ত কনটেন্ট বানাতে।

অবশেষে ফায়ার সার্ভিস এলো।
তারা এসে পানি ছিটাতে শুরু করলো, কিন্তু তখনো সেই জলপাই উর্দির মানুষগুলোই আগে এগিয়ে গেলো।
নিজ হাতে পাইপ নিয়ে আগুনের সামনে ছুটে গেলো।

ফায়ার সার্ভিস আসার পরে আমরা দ্বিতীয় তলা থেকে আরও মানুষ উদ্ধারে মনোনিবেশ করি।

ততক্ষণে ৩০ মিনিট কেটে গেছে।—তখনও খোঁজ পাওয়া যায়নি আমাদের আরেক সহযোদ্ধার, যিনি এই যুদ্ধ বিমানের পাইলট হিসেবে বিমানটি চালাচ্ছিলেন।
তিনি আমাদেরই একজন ভাই, একজন সহকর্মী।
আমরা ভাবছিলাম হয়তো তিনি ককপিটের ভেতরে পুড়ে যাওয়া কোনো দেহ হয়ে পড়ে আছেন।কিন্তু না কিছুক্ষণ পর হঠাৎ মানুষের চিৎকারে বাঁ পাশে তাকালাম।
দৌড়ে গেলাম কিছুটা দূরের একটি টিনশেড বিল্ডিংয়ের দিকে।
দেখলাম—আমাদের সেই সহকর্মী পড়ে আছেন, তার দেহটা ধুলায় মলিন, অজ্ঞান।
বেঁচে আছেন কি না জানি না।
এক পা ভেঙে গেছে, মাথায় প্রচণ্ড আঘাত।
সেই মুহূর্তেই একটা রেসকিউ হেলিকপ্টার এসে পৌঁছায়। তাঁর শরীরটাকে দ্রুত হেলিকপ্টারে তুলে পাঠিয়ে দেওয়া হয় সিএমএইচে।

আর এদিকে আমরা নিজেরাই ভুলে যাই আমাদের ব্যথা, ক্লান্তি, ক্ষুধা-পিপাসা—উদ্ধার অভিযান আবার শুরু হয়।
এই মাঝখানে আগুন, ধোঁয়া, আর উত্তাপে আমাদেরই ৫–৭ জন জলপাই উর্দি পরা লোক অসুস্থ হয়ে পড়ে।

উদ্ধার অভিযান চলতে থাকে বিকেল ৩:৩০ পর্যন্ত। অর্থাৎ প্রায় ২ ঘণ্টা। ততক্ষণে আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে।
কিছু সৈনিক দাঁড়িয়ে আছে পাশে—পুরো শরীর ঘামে আর পানিতে ভেজা।
কারো মাথা নুয়ে আছে হাঁটুর উপর, কেউ মাটিতে বসে পড়েছে, কেউ আবার ভেতরে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে। কারো হাতে জীবিত কেউ, কারো হাতে নিথর দেহ, আবার কেউ শুধু হাড়ের অংশ উদ্ধার করছে —যেখানে গোশত গলে গিয়েছে।

যারা কাজ করছিল, তাদের সবার চোখেই পানি। কিন্তু এর মধ্যেই কিছু “ভদ্র”, “শিক্ষিত” লোক এসে হাজির। তাদের তখন মনে হলো, আগুন নিভে গেছে, এখন ভেতরে ঢোকা যায়। তারা ঢুকতে চাইল।

সেখানে উপস্থিত কিছু উর্দি পরা লোক তাদের বাধা দিল।
বললো, “ভিতরে এখনো প্রচণ্ড তাপ। ভিতরে যাওয়া যাবে না। আপনারা দয়া করে একটু দূরে থাকুন, আমাদের উদ্ধার কাজ শেষ করতে দিন।”

কিন্তু ভদ্রলোক বলে কথা, এসব তারা শুনবে না।
তারা বললো, “আমরা ছাত্র, আমরা যেখানে খুশি যেতে পারি।”

এ কথা শোনার পর, পাশে দাঁড়ানো এক উর্দি পরা ব্যক্তি নরম ধমকের সুরে বললো,
“এই ছেলে, তুমি এমন কথা বলছো কেন? আমাদের কাজটা শেষ করতে দাও।”

এইটুকু শোনার পরই সেই ভদ্র ছাত্র আরো ভদ্র হয়ে উঠলো।
সে শুধু না, সঙ্গে থাকা ৮–১০ জনকে নিয়ে এগিয়ে এল, আর ওই উর্দি পরা লোককে ধাক্কা দিয়ে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করলো।
তারপর কীই বা করবার থাকে?
এইসব উর্দি পরা লোকদের তো নাকি বুদ্ধি হাঁটুর নিচে—তাই কিছু না ভেবে লাঠিচার্জ করলো।
আর এতেই যেন শুরু হলো নতুন নাটক—সব দোষ এখন এই উর্দি পরা লোকদের।

তারপর সেই ‘ভদ্র’, ‘শিক্ষিত’ ছাত্র সবার সামনে দাঁড়িয়ে গলা চড়িয়ে বললো—
“উর্দি পরা লোকেরা নাকি লাশ গুম করছে! তারা নাকি ইচ্ছে করে জীবিতদের উদ্ধার করছে না!”

এই কথা শুনে জনতার রক্ত যেন গরম হয়ে গেল। উদ্ধার অভিযান, মৃত্যু, দুঃখ—সব যেন ছাপিয়ে গেল।

তাদের তখন একটাই উদ্দেশ্য—এই উর্দি পরা লোকদের ‘শিক্ষা’ দিতে হবে।
তারা রাস্তায় বসে পড়লো, ব্যারিকেড দিলো,
পাথর ছোড়া শুরু করলো, ইট পটকেল দিয়ে বলিং প্র্যাকটিস শুরু করলো।

তারা বুঝতেও পারলো না—এর ফলে তাদের ছোট ভাই-বোনদের ঝলসে যাওয়া দেহ আর হাসপাতাল পর্যন্ত পৌঁছাতে পারছে না।
কোনো অ্যাম্বুলেন্স আসতে পারছে না।

এরপর আবার লাঠিচার্জ করতে হলো।
উর্দি পরা লোকেরা আবার সেই ভদ্র, শিক্ষিত মানুষদের ঠেলে সরিয়ে দিতে বাধ্য হলো—
কারণ তাদের ভদ্র আচরণ রুখতে না পারলে উদ্ধারকাজ পুরোপুরি থেমে যাবে।

আর পরে জানা গেলো—
যে ছেলেটি উর্দি পরা লোকদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করছিল,
যে ভিতরে ঢুকতে মরিয়া ছিল,
সে আসলে ভিডিও বানাতে চাচ্ছিল।
কিছু উর্দি পরা লোক তার ‘মহামূল্যবান’ ভিডিও বানানোর পথে দাঁড়িয়ে ছিল,
তাই সে ঢুকতে চাচ্ছিল, আর তাই এই কান্ড ঘটিয়েছিলো।
এই হলো সেই দিনের গল্পের শেষ অধ্যায়।
মানুষ যখন চোখে দেখে না, কানে শোনে না,
তখন মিথ্যা আর বিভ্রান্তি সত্যের মতো গর্জে উঠে।
তবু আমরা, যারা সেই আগুনে পুড়ে, ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে, জলে-ঘামে ভিজে উদ্ধারকাজ চালিয়েছিলাম—
তারা জানি কী সত্য, কী মিথ্যা।
আর সেই সত্যই একদিন ইতিহাস হবে—ইন শা আল্লাহ।
এর পর এভাবেই চলতে থাকে আমাদের উদ্ধার অভিযান, বিকেল পেরিয়ে সন্ধ্যার পর, সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত।
এখন আমি নিজের চোখে দেখা কিছু বাস্তবতা বলি—সেখানে কতগুলি লাশ পাওয়া গিয়েছিল? কতজন আহত বা দগ্ধ হয়েছিল?
৪/৫টি একেবারে গলিত লাশ পাওয়া যায়, যাদের চিনে ফেলা বা পরিচয় নির্ধারণ করা ছিল অত্যন্ত কঠিন। এর বাইরে প্রায় ১৫–২০ জনের লাশ পাওয়া যায়। এই হিসেবটা কমবেশি হতে পারে, তখন হয়তো গোনার মতো সময় ছিল না, হয়তো সময় ছিল শুধু ভিডিও করতে ব্যস্ত লোকদের।

এর মাঝেই আবার কিছু অর্ধদগ্ধ দেহ পাওয়া যায়—যাদের শরীরে তখনো প্রাণ ছিল, তাদের সাথে সাথেই অ্যাম্বুলেন্সে করে পাঠানো হয়। এমন অনেক দেহ ছিল, যেগুলোকে দেখে মৃত মনে হলেও, পরে দেখা যায় হৃদস্পন্দন তখনো ছিল। তাদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আমরা সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাই, তারপর সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে বিমানটির অবশিষ্টাংশ উদ্ধারের কাজ।

কিন্তু সবশেষে কিছু কথা না বললেই নয়। কিছু ছাত্র, কিছু সাধারণ মানুষ ছিল, যারা সত্যিই অনেক পরিশ্রম করেছে, আন্তরিকতা দিয়ে কাজ করেছে। তারা উদ্ধার কাজে সাহায্য করেছে, রাস্তা পরিষ্কার করেছে অ্যাম্বুলেন্স যাওয়ার জন্য, আহত বা দগ্ধদের গাড়িতে তুলে দিয়েছে। আর যারা এসব করেছে, সত্যি বলতে তাদের হাতে এক মুহূর্তও ছিল না ভিডিও করার বা উর্দি পরা লোকদের গায়ে ধাক্কা দেওয়ার মতো। তারা নীরবে কাজ করেছে, আর কাজ শেষে কোনো প্রতিদান না নিয়েই চলে গেছে।

আর এদিকে কিছু ভিডিও ব্লগার, ইউটিউব আর ফেসবুক থেকে ইনকামের ধান্ধাবাজ এসেছে—এইসব নিয়ে বিতর্ক তৈরি করছে, যাতে করে ফেসবুক বা ইউটিউব থেকে কিছু টাকা আয় করতে পারে।

আমার প্রশ্ন—যদি লাশ গুম করতেই হয়, তাহলে সেই সকল অভিভাবকরা কোথায় গেলেন?

চারপাশে হাজার হাজার মানুষ ভিডিও করেছে, রাস্তা ব্লক করে রেখেছে—তাদের কাছে ভিডিও বা ছবি কোথায়? কেউ কি একটা ভিডিও পর্যন্ত করতে পারলো না লাশ গুম করার?

একটা ছেলে, যিনি ছাত্র পরিচয় দিয়েছেন, সেনাবাহিনীর গায়ে হাত তুলেছে, কাজে বাধা দিয়েছে—সে কে? তার পরিচয় কি #? সে কিভাবে সবাইকে উস্কে দিলো?

এখনও হাসপাতালে ছোট ছোট বাচ্চারা মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে—তাদের জন্য কিছু না করে কিছু নামধারী অ্যাক্টিভিস্ট মিথ্যা তথ্যের সুযোগ নিচ্ছে, মানুষের আবেগ নিয়ে খেলা করছে।

The Tragic accident of Fighter jet crash at Milestone School campus has taken a huge death toll. The latest  updated lis...
27/07/2025

The Tragic accident of Fighter jet crash at Milestone School campus has taken a huge death toll. The latest updated list of Death so far. May Almighty Allah keep them in the highest place of Jannah

মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় হতাহতের সর্বশেষ তালিকা তারিখ: ২৫ জুলাই ২০২৫সময়: বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটকিছু মান...
26/07/2025

মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় হতাহতের সর্বশেষ তালিকা

তারিখ: ২৫ জুলাই ২০২৫
সময়: বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট

কিছু মানুষ অনেক চেষ্টা করেছে মিথ্যা তথ্য এবং গুজব রটানোর জন্য।
আলহামদুলিল্লাহ তারা ব্যার্থ

25/07/2025

আপনাদের এতো "সেনাবাহিনী" লাগে কেন??
নিজেরা কি করেন?
এতো শত মিনিস্ট্রি... কি বা★ ফেলান।
আগুন লাগছে সেনাবাহিনী
ব্রীজ বানাতে হবে সেনাবাহিনী
৩০০ ফুট রাস্তা বানাতে হবে সেনাবাহিনী
ইলেকশন ফ্রি এন্ড ফেয়ার করতে সেনাবাহিনী।
নিজেদের মধ্যে পুন্দাপুন্দি করে... গোলমাল পাকায় ... এখন চাই সেনাবাহিনী।

নিজেরা কোটি কোটি টাকা খরচ করে হাসপাতাল বানায় "কোভিডের" সময় সেনাবাহিনীর সিএমএইচ চাই ।

পাত্র খুজতে গিয়া "জুয়ান ক্যাপ্টেন" অথবা "ইয়ং ম্যাজুর" চাই।
পরিচিত হতে গেলে "আমাদের পরিবারেও একজন " কন্নেল" আছে..."

খবরদার জনগণের ট্যাক্সের টাকায় সেনাবাহিনী চলে... বলতে আসবেন না।
ট্যাক্স সেনাবাহিনীও দেয় এবং কোন কিছু গোপন না করে। সরকার যা দেয় এবং "নিয়ম মাফিক" এবং "সময়মতো" সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য ট্যাক্স দেয় এবং দিন শেষে প্রতিবেদন পাঠানো হয়।
আপনাদের মতো ট্যাক্সের উকিল ধরে "মাছের ঘের" দেখায় ট্যাক্স ফাকি দেয় না।


সেনাবাহিনীর জিনিস ভালো থাকে কারন সেনাবাহিনী "রক্ষনাবেক্ষনের" টাকা মেরে খায় না। যথাযথ এবং উপযুক্ত ব্যবহার সেনাবাহিনী করতে জানে।
কাজ না করে বিল তুলে সেনাবাহিনী খায় না। রাস্তা ছাড়া সেতু সেনাবাহিনী নির্মান করে না।।

সেনাবাহিনীর স্কুলেই ভর্তি করাতে হবে... তাহলে আপনারা কি করেন। একই বই খাতা, একই ট্রেনিং প্রাপ্ত টিচার কিন্তু দিন শেষে ক্যান্ট বোর্ড আর ক্যান্ট পাব্লিক চাই।

"কাউলাকালি" করেন আপনারা। আর গত বারো মাস সেনাবাহিনী ব্যারাক ছাড়া।
এখন সেনাবাহিনীর দোষ দেন ক্যান...

সেনাবাহিনী লাশ গুম করে!! 😡
ফালতু জিনিস আপনাদের মাথায় আসতে পারে সেনাবাহিনীর নয়।

সেনাবাহিনীর ব্যারাকে ফেরত আসা দরকার।
তখন বুঝবে... 🙄🙄

Collected

“চলুন দেশপ্রেম আর সামরিক জীবন নিয়ে কথা বলি। চলুন দেখি আপনি কতটা দেশপ্রেমিক, আর একজন সামরিক ব্যক্তি কতটা দেশপ্রেমিক—”১.আ...
25/07/2025

“চলুন দেশপ্রেম আর সামরিক জীবন নিয়ে কথা বলি।
চলুন দেখি আপনি কতটা দেশপ্রেমিক, আর একজন সামরিক ব্যক্তি কতটা দেশপ্রেমিক—”

১.
আপনি কি কখনও দেশের কাঁদা-মাটি গায়ে মেখেছেন?
এই দেশের ধুলিকণা কিংবা কাঁদার ভেতর সময় কাটিয়েছেন?

২.
আপনি কি কখনও খোলা আকাশের নিচে, হাজারো তারার ভিড়ে,
শিশির ভেজা ঘাসের উপর শুয়ে দেশমাতৃকার কথা ভেবে কাটিয়েছেন কোনো নিঃসঙ্গ রাত?

৩.
আপনি কি কখনও দেশের বুক চিরে বয়ে যাওয়া হাজারো নদী-নালা, হাওর-খাল-বিলের পানি পান করে তৃষ্ণা মেটিয়েছেন?
বা সেই খালের কাদা পানিতে হাঁটতে হাঁটতে পায়ে ফোস্কা ফেলেছেন?

৪.
আপনি কি কখনও সাত দিন না খেয়ে, সবুজ শ্যামল বাংলার মাটিতে জন্মানো লতা-পাতা খেয়ে দিন পার করেছেন?

৫.
আপনি কি কখনও উড়েছেন বাংলার মুক্ত আকাশে?
বা মাসের পর মাস, বছরের পর বছর প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে বাংলার অফুরন্ত জলসীমায় ভেসে থেকেছেন দেশের রক্ষা কাজে?

৬.
আপনি কি কখনও দশটি পাহাড় পেরিয়ে পঞ্চাশ কিলোমিটার হেঁটে
কোনো প্রত্যন্ত পাহাড়ি গ্রামের জননী কিংবা বোনদের পাশে থেকে তাদের বুকভরা ভালোবাসা পেয়েছেন দেশের জন্য?

৭.
আপনারা তো এক মুহূর্ত ইন্টারনেট ছাড়া চলেন না,
কখনও কি মাসের পর মাস ইন্টারনেট ছাড়াই দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছেন সীমান্তে দাঁড়িয়ে?

৮.
আমরা তো ঘুমপ্রিয় জাতি, তাই না?
কখনও কি একটানা সাত দিন না ঘুমিয়ে, না খেয়ে, না বিশ্রাম নিয়ে দেশের জন্য নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন?

৯.
কখনও কি নিজের প্রিয় জামাটা খুলে কোনো মা-বোনের ইজ্জত রক্ষা করেছেন?
ভাবুন তো, কেউ একজন নিজের প্রাণপ্রিয় ইউনিফর্মটাই খুলে দিয়েছেন শুধু সেই মা-বোনের সম্মানের জন্য।

১০.
আপনি কি কখনও আগুনে ঝাঁপ দিয়ে নিজের ছোট বোনকে বাঁচিয়েছেন?
আর সেই সৈনিক, আপনার-আমার বোনকে বাঁচাতে গিয়ে নিজেই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন?

১১.
আপনি কি কখনও রাত-বিরাতে, না খেয়ে না ঘুমিয়ে, দেশের ডাক পেয়ে ছুটে গেছেন মাঠে-ময়দানে?



আপনি তো ব্যস্ত ছিলেন ভিডিও বানাতে আর অশ্লীল কথাবার্তা বলে ইউটিউব-ফেসবুক থেকে টাকা কামাতে—
কখনও কি সেই টাকা দেশের গরিব-দুঃখীদের মাঝে বিলিয়েছেন?



ভাই, এই কাজগুলো যদি কখনও না করে থাকেন, তাহলে অনুরোধ রইল—
এই জলপাই উর্দিধারীদের নিয়ে মন্তব্য করার আগে নিজেকে একবার এই আয়নায় দেখুন।
কারণ তারা এসব কাজ প্রতিনিয়ত করে চলেছেন—নীরবে, নিভৃতে, গর্বে।

হ্যা, ভাই এইটাই তাদের দায়িত্ব, এইটা পালন করতে তারা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

আর আপনি তোহ ভাই দেশের আইন মানতেও বাধ্য না, তাই আপনি চেষ্টা চালিয়ে যান দেশকে অস্থিতিশীল করতে, আমার দেশের সূর্য সন্তানেরা আছে দেশকে রক্ষায়। আমরা নিশ্চিন্তে ঘুমালাম।

Bangladesh Army, Bangladesh Air Force, Bangladesh Navy

স্যালুট, বাংলার সূর্য সন্তানেরা
25/07/2025

স্যালুট, বাংলার সূর্য সন্তানেরা

Salute to the Bangladesh Army.Every word spoken by that man in combat uniform touches our hearts. The emotion in his voi...
24/07/2025

Salute to the Bangladesh Army.
Every word spoken by that man in combat uniform touches our hearts. The emotion in his voice, the respect in his manner, the sense of duty and responsibility for the motherland and her people reflected in his eyes — and finally, the grief in his voice for the loss of innocent children — all of it gave us goosebumps.
It brought tears to my eyes; my whole body shivered with emotion.

Sir, we will forever remain grateful to you and your team.
Perhaps, for the first time in the history of Bangladesh, a rescue team reached the scene within just two minutes of the incident.
This stands as living proof that the Bangladesh Army always upholds its noble motto:
“In war, in peace — we are everywhere for our country.”

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে স্যালুট।
কামব্যাট পোশাক পরা সেই মানুষটির প্রতিটি কথা আমাদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়।
তার কণ্ঠে আবেগ, আচরণে শ্রদ্ধা, চোখে মাতৃভূমি ও জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধ — আর সবশেষে শিশুদের মৃত্যু নিয়ে তার বেদনা — এই সবকিছুই আমাদের শরীরে কাঁটা দেয়।
আমার চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ে, পুরো শরীর যেন শিহরে ওঠে।

স্যার, আমরা চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকব আপনাদের এবং আপনাদের দলের প্রতি।
হয়তো এটাই বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার, যখন কোনো উদ্ধারকারী দল মাত্র ২ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
এটি প্রমাণ করে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় তার মহৎ আদর্শ ধরে রেখেছে:
“সমরে আমরা, শান্তিতে আমরা — সর্বত্র আমরা দেশের তরে”

24/07/2025

Bangladesh Army

Address

Panchagarh

Telephone

01741459005

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when তারুণ্যের প্রচেষ্টা,বাংলাদেশ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share