Save Environment Save Life

Save Environment Save Life We will save our environment. Then we'll be fine.

17/01/2026

১। ১২-১৩ এপ্রিল ১৯৭১ — শান্তি কমিটির সমাবেশ ও মিছিল (ঢাকা)
তারিখ: ১২-১৩ এপ্রিল ১৯৭১
কার্যক্রম:
পিস কমিটি ঘোষণা ও সহায়ক মিছিল।
পুলিশের অনুমতি/সেনাবাহিনীর পৃষ্ঠপোষকতায় বাইতুল মোকাররম মসজিদ থেকে পুরান ঢাকায় মিছিল।
এই মিছিলে পাকিস্তান অখণ্ড রাখার পক্ষে শ্লোগান “Pakistan Zindabad” উচ্চারণ করা হয় এবং পাকিস্তানীয় সেনাবাহিনীকে সমর্থন জানানো হয়।
প্রধান বক্তা/নেতা: গোলাম আজম (জামায়াত ও পিস কমিটি-র পক্ষ), সাদ উদ্দিন (জামায়াত), অন্যান্য পিস কমিটি-র সদস্যরা।
প্রেক্ষাপট: এতে জামায়াত ও অন্যান্য সহযোগী দলের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন এবং মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধায় জনমত গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চালানো হয়।
songramernotebook.com +1
২. ১৪ জুন ১৯৭১ — জামায়াতের অফিসিয়াল সভা (জামালপুর)
তারিখ: ১৪ জুন ১৯৭১
কার্যক্রম:
ইসলামী ছাত্র সংঘ (ICS)-এর সভায় জামায়াতের আমীর মতিুর রহমান নিজামী প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।
তিনি দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দেন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সহায়তায় “ইসলাম রক্ষা” করতে এবং মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী অবস্থান নিতে।
প্রধান বক্তব্য:
“পাকিস্তানীয় সৈন্যরা আমাদের ভাই” এবং “ইসলাম রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।”
রেফারেন্স:
জার্নালে প্রকাশিত গোপন সরকারি নথি অনুযায়ী এই সভায় স্বাধীনতা-বিরোধী এবং পাকিস্তানবিরোধী ন্যারেটিভে বক্তৃতা হয়েছে।
The Daily Star
৩. অগাস্ট ১৯৭১ — জেলা-স্তরের সভা ও জনসমাবেশ
তারিখ: দ্বিতীয় সপ্তাহে আগস্ট ১৯৭১
কার্যক্রম:
কুষ্টিয়া জেলা-স্তরের জামায়াত কাউন্সিল সভায় গোলাম আজম বক্তব্য রাখেন।
তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের “অপরাধী” বলে আখ্যায়িত করেন এবং দলীয় কর্মীদের “বিচ্ছিন্নতাবাদীদের” বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
এছাড়া তিনি পিস কমিটি গঠন করে প্রতিটি গ্রামে তা বিস্তারের নির্দেশ দেন।
উদ্দেশ্য:
এই সভাগুলো মূলত রাজনৈতিক জনমত গড়ে তোলা এবং পাকিস্তানপন্থী ন্যারেটিভকে বিধিবদ্ধ করে স্থানীয় কার্যক্রম চালানো।
The Daily Star
৪. সেমিনার এবং জেলা-মাঠে বক্তৃতা
২ আগস্ট ১৯৭১ — চট্টগ্রাম সেমিনার
কার্যক্রম:
নিজামী একটি সেমিনারে বলেন, “ patriotic people had come forward since March 1 … Allah has given faithful Muslims duty to protect Pakistan.”
তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে না থেকে পাকিস্তানবিরোধী শক্তি হিসেবে ভারতের ইঙ্গিত দেওয়া ন্যারেটিভ তুলে ধরেন।
স্থান: চট্টগ্রাম
রেফারেন্স:
সাংগ্রাম পত্রিকা ও ঐ নথির উদ্ধৃতি অনুযায়ী তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়।
The Daily Star
৫. সমগ্র ১৯৭১ — স্থানীয় স্তরের মিছিল ও জনবন্ধন
ঢাকা বা বড় শহরগুলিতে যেমন ১২-১৩ এপ্রিল মিছিল হয়েছিল, তেমনি গ্রাম ও জেলার বিভিন্ন স্থানে জামায়াত/ICS ও পিস কমিটির যৌথ উদ্যোগে ক্ষুদ্র মিছিল ও জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
বৈশিষ্ট্য:
ছোট-মধ্যম আকারের মিছিল, পিস কমিটি-র পতাকা ও পোস্টার সহ।
পাকিস্তান অখণ্ড রাখার পক্ষে কিছু বক্তব্য ও পুস্তিক প্রচার।
পিস কমিটি, জামায়াত, মুসলিম লীগ-এর নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে মাঠ-সমর্থন উন্নয়ন।
তথ্যসূত্র: ইতিহাস-বিদ ও ১৯৭১-এর সংবাদপত্র Sangram-এর রেকর্ডে উল্লেখ আছে এই ধরনের কর্মসূচি চলমান ছিল।
The Daily Star
৬. সামরিক সহযোগিতা-ভিত্তিক সভা ও পরিচালনা
জামায়াত ও ইসলামী ছাত্র সংঘ-র নেতারা মাঝেমধ্যেই যুদ্ধকালে রাজাকার, আল-বদর এবং আল-শামস-এর মতো সহযোগী বাহিনী গঠনের উদ্যোগে সভা-সমাবেশও করেছেন।
ইসলামি ছাত্র সংঘের সভায় উদাহরণস্বরূপ আল-বদর বাহিনী গঠনে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এসব সভায় মূল বক্তব্য ছিল “মুক্তিযুদ্ধ প্রতিরোধ” ও “পাকিস্তান সহায়তা”।
প্রমাণ: সামরিক তথ্যভাণ্ডারের এক নথিতে ইসলামী ছাত্র সংঘ-এর দায়িত্বশীলদের সভা এবং নির্দেশের উল্লেখ পাওয়া যায়।
The Daily Star +1
৭. ভাবমূর্তি ও বার্তা
সকল সভা/মিছিলগুলোতে যে ধরনের বার্তা দেওয়া হতো তার সারসংক্ষেপ:
“Pakistan Zindabad” বা “Pakistan অখণ্ড রাখা উচিত।”
songramernotebook.com
পাকিস্তানী সেনাবাহিনীকে সমর্থন ও “ইসলাম রক্ষা” ভাষণ।
The Daily Star
স্বাধীনতাবিরোধিতাকে “ভারতীয় ষড়যন্ত্র” বা “বিচ্ছিন্নতাবাদ” হিসেবে প্রচার।
The Daily Star
পিস কমিটি ও সহযোগী বাহিনী গঠনের সমর্থন।
The Daily Star
৮. পরে যুদ্ধশেষকালীন পর্যায়ে প্রভাব
যুদ্ধ চলাকালে ও পরে ১৯৭১ সালের সময় পিস কমিটি ও সহযোগী বাহিনী-র কর্মকাণ্ডের অংশ হিসাবে হামলা, গণহত্যা এবং সহিংসতা-র প্রেক্ষাপট দেখা গেছে। যেমন:
বাগবাটি ও ডাকরা-সহ বিভিন্ন গ্রামে গণহত্যা-তে রাজাকার/পিস কমিটি-র অংশগ্রহণ।
Wikipedia +1
তার মানে এই জনসভা/মিছিলের উদ্দেশ্য ছিল শুধু রাজনৈতিক সমর্থন নেয়া নয়, বরং পাকিস্তানপন্থী ন্যারেটিভকে দৃঢ় করে রাখার পাশাপাশি সহায়ক বাহিনী গঠন, লোক সমর্থন ও পার্থিব সহায়তা সংগ্রহ করা।

১২ ফেব্রুয়ারি সারাদিন ধানের শীষে ভোট দিন 🌾🌾🌾
11/12/2025

১২ ফেব্রুয়ারি সারাদিন
ধানের শীষে ভোট দিন 🌾🌾🌾

26/11/2025

জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার ব্যাতিত, সংকর জাতিকে কেউ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।
আন্দোলনের শহর ঢাকা শহর।

20/11/2025

কোরআনে পুরুষের চারটি বিয়ের বিধান সূরা আন-নিসা (Surah An-Nisa), আয়াত ৩।

(ক)
আপনি যদি সেই ইয়াতিম মেয়েকে অন্য কারও সাথে বিয়ে দেন, এটি সর্বোত্তম কাজ:
*** ইয়াতিম মেয়ের মঙ্গল চিন্তা করে তাকে উপযুক্ত অবিবাহিত পুরুষের সাথে বিয়ে দেওয়া ইসলামে অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও সওয়াবের কাজ।
*** এতে তার নিরাপত্তা, ভবিষ্যৎ, সম্মান সবই নিশ্চিত হয়।
*** এটিই আয়াতের চেতনার সাথে সবচেয়ে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
(খ) চার বিয়ে বাধ্যতামূলক বা আদর্শ নয়।

ইসলামে:

❌ চার বিয়ে করতেই হবে — বলা নেই
❌ চার বিয়েই উত্তম — এ কথাও নেই
✔ প্রয়োজন, সামাজিক ন্যায় ও দায়িত্ববোধ থাকলে — অনুমতি আছে।

(গ) তাহলে কোরআনে চারটি বিয়ের অনুমতি কেন?

৪টি বিয়ের অনুমতি মূলত একটি সামাজিক বাস্তবতার সমাধান:
১।
আয়াতটি মূলত “ইয়াতিম মেয়েদের ন্যায়বিচার” বিষয়ে সূরা আন-নিসা ৩ নম্বর আয়াতটির প্রেক্ষাপট হলো:
ইয়াতিম মেয়েদের প্রতি অন্যায় প্রতিরোধ করা।
সেই সময়ে অনেক পুরুষ ইয়াতিম মেয়েদের সম্পত্তি ভোগ করার জন্য তাদেরকে জোর করে বিয়ে করত, কিন্তু ন্যায়বিচার করত না।
তখন আল্লাহ বলেন:
> যদি ভয় কর যে ইয়াতিম মেয়েদের ব্যাপারে ন্যায় করতে পারবে না,
তবে তাদের বাদ দিয়ে তোমাদের পছন্দমতো অন্যান্য নারীদের মধ্যে দুই, তিন বা চার জনকে বিয়ে করো।
আর যদি ন্যায়বিচারের ভয় থাকে, তবে একটিই যথেষ্ট।
২।
যুদ্ধ, সমাজিক সংকট ও নারীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়া
ইসলাম নাজিলের সময়ে যুদ্ধে বহু পুরুষ মারা যেত।
ফলে:
স্বামীবিহীন নারী
বিধবা
ইয়াতিম
পরিবারহীন নারী
সংখ্যা বেড়ে যেত।
ছাড়পত্র ছাড়া তাদের জীবন অনিরাপদ হয়ে পড়ত—দারিদ্র্যে, নির্যাতনে, শোষণে।
এক সময়ে পুরুষ কম এবং নারী বেশি হলে, চারটি বিয়ের সীমা ছিল প্রতিকারমূলক সামাজিক ব্যবস্থা।
(ঘ)--------------
ভয়ংকর নিষেধাজ্ঞা আরোপ: ন্যায়বিচার না করলে ১টিই সীমা
আসলে আয়াতটি বহু-বিবাহ উৎসাহিত করে না।
বরং:
>কঠোর শর্ত দেয়: ন্যায়বিচার
>আর বলে: “ন্যায় না পারলে মাত্র একটিই”
অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন:
> তোমরা কখনোই একাধিক স্ত্রীর মধ্যে ন্যায় করতে সক্ষম হবে না…
(সূরা আন-নিসা 129)

উপসংহার :
>ইয়াতিম মেয়েকে উপযুক্ত বিয়ে দেওয়া সর্বোত্তম কাজ।
>চার বিয়ের বিধান ঐতিহাসিক সামাজিক সংকটের প্রতিকারের জন্য।
> বাধ্যতামূলক নয়, বরং শর্তযুক্ত অনুমতি।
>ন্যায়বিচার না পারলে একটিই।

08/11/2025

নতুন বাংলাদেশে কোন ধর্মের ব্যবসা চলবে না🚫

আর ভালো লাগছে না।দ্রুত নির্বাচন দিয়ে চলে যান।
18/10/2025

আর ভালো লাগছে না।
দ্রুত নির্বাচন দিয়ে চলে যান।

18/10/2025

লালন ফকির শুধু একজন বাউল গায়কই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন দার্শনিক (Philosopher), আধ্যাত্মিক চিন্তাবিদ এবং মানবতাবাদী।

17/10/2025

বাংলাদেশে আন্দোলনের ক্লান্তি: আমরা কি পথ হারিয়েছি?
Md Ariful Hoque

বাংলাদেশে এখন আন্দোলন, প্রতিবাদ আর সংঘাত যেন নিত্যদিনের বিষয়। আজ এই দল, কাল ওই সংগঠন রাস্তায়, সামাজিক মাধ্যমে বা রাজনীতির ময়দানে একের পর এক সংঘাত চলছে। কিন্তু কেন যেন অনেক মানুষের মতো আমারও মনে হয়, এই আন্দোলনগুলো এখন আর আশার আলো জ্বালাতে পারে না। বরং মনে হয়, “আমরা বাঙালিরা কি তবে সত্যিই খারাপ হয়ে গেছি?”

আসলে এই প্রশ্নটা হতাশা থেকে জন্ম নেয়। আন্দোলন দেখে মানুষ ক্লান্ত, কারণ তারা দেখেছে পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি আসে, কিন্তু ফল আসে না। অনেক আন্দোলনের লক্ষ্য অস্পষ্ট, নেতৃত্বে আস্থা নেই, আর শেষ পর্যন্ত সহিংসতা, ভাঙচুর আর দোষারোপের চক্রে পড়ে দেশটা আরও বিভক্ত হয়। ফলে জনগণের মনে জন্ম নেয় এক ধরনের "movement fatigue" মানে আন্দোলন দেখলেই বিরক্তি আসে।

কিন্তু বাঙালি জাতি “খারাপ” নয়। ইতিহাস সাক্ষী এই জাতিই ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে, মুক্তিযুদ্ধে আত্মাহুতি দিয়েছে, দুর্যোগে একে অপরের পাশে দাঁড়িয়েছে। সমস্যা হলো, আমরা দিকনির্দেশনা হারিয়েছি। রাজনীতিতে সততা ও জবাবদিহিতা কমে গেছে, সমাজে সহনশীলতা ও শ্রদ্ধার সংস্কৃতি ক্ষয়ে গেছে। মানুষ এখন দল বা মতের চেয়ে “নিজের সুবিধা”কে বড় করে দেখছে। এভাবে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে জাতীয় চেতনার ঐক্য।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিক চাপ, বেকারত্ব, দুর্নীতি আর অস্থির রাজনীতি সাধারণ মানুষকে আরও হতাশ করছে। বিশেষ করে তরুণদের।

তবু আশার জায়গা আছে। পরিবর্তন সব সময় ক্লান্তির পরেই আসে। যখন মানুষ বিরক্ত হয়, তখনই নতুন চিন্তার জন্ম হয়। এখন দরকার মূল্যবোধ নির্ভর নাগরিক চেতনা, সহনশীল রাজনীতি। আন্দোলনের চেয়ে প্রয়োজন এখন প্রজ্ঞা ও সংলাপের রাজনীতি যেখানে ভিন্নমতকে শত্রু নয়, সহযাত্রী হিসেবে দেখা হয়।

বাংলাদেশের জনগণ খারাপ নয়, বরং তারা বিভ্রান্ত। আমাদের কেবল নতুন পথ দেখানোর মতো নেতৃত্ব দরকার যারা মানুষকে বিভক্ত নয়, ঐক্যবদ্ধ করবে।
যেদিন সেই নেতৃত্ব আসবে, সেদিন আন্দোলন নয়, আমরা দেখব পরিবর্তনের শান্ত বিপ্লব।

বাংলাদেশের জনগণ মনে করেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে #তারেক রহমানের মতো নেতা সেই নতুন দিকনির্দেশনা দিতে পারেন, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে সংলাপ, গণতন্ত্রের পুনর্গঠন ও জাতির ঐক্য পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে। তিনি যদি বাস্তব অভিজ্ঞতা ও নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশাকে একত্র করতে পারেন, তার নেতৃত্বে দেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু হবে ইনশাআল্লাহ।
#তারেক রহমান, আপনার অপেক্ষায় বাংলাদেশের মানুষ।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।

17/10/2025

সবাই শুধু নিজেদের স্বার্থে লড়ছে, দেশের জন্য নয়।
বাংলাদেশের এখন প্রয়োজন “প্রতিবাদের চেয়ে প্রজ্ঞা”

14/10/2025

সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্নাতকোত্তর পাশের শিক্ষার্থীদের "PhD" সার্টিফিকেট দিতে হবে। অন্যথায় কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবো।
#কোনকিছু ড.ইউনুসের নিয়ন্ত্রণে নেই।

Address

Dhaka
Pabna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Save Environment Save Life posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Save Environment Save Life:

Share