আত্ম জাগরণ

আত্ম জাগরণ সত্যান্বেষী'দের জন্য সর্বদা উন্মুক্ত।

🌺শ্রী দত্ত মালা মন্ত্র🌺শ্রী গণেশায় নমঃ ।পার্বত্যুবাচমালামন্ত্রং মম ব্রূহি প্রিয়ায়স্মাদহং তব ।ঈশ্বর উবাচশৃণু দেবি প্রব...
25/05/2026

🌺শ্রী দত্ত মালা মন্ত্র🌺

শ্রী গণেশায় নমঃ ।

পার্বত্যুবাচ
মালামন্ত্রং মম ব্রূহি প্রিয়ায়স্মাদহং তব ।

ঈশ্বর উবাচ
শৃণু দেবি প্রবক্ষ্যামি মালামন্ত্রমনুত্তমম্ ॥

ওঁ নমো ভগবতে দত্তাত্রেয়ায়, স্মরণমাত্রসন্তুষ্টায়,
মহাভয়নিবারণায় মহাজ্ঞানপ্রদায়, চিদানন্দাত্মনে,
বালোন্মত্তপিশাচবেষায়, মহাযোগিনে, অবধূতায়, অনঘায়,
অনসূয়ানন্দবর্ধনায় অত্রিপুত্রায়, সর্বকামফলপ্রদায়,

ওঁ ভববন্ধবিমোচনায়, আং অসাধ্যসাধনায়,
হ্রীং সর্ববিভূতিদায়, ক্রোং অসাধ্যাকর্ষণায়,
ঐং বাক্প্রদায়, ক্লীং জগত্রয়বশীকরণায়,
সৌঃ সর্বমনঃক্ষোভণায়, শ্রীং মহাসম্পৎপ্রদায়,
গ্লৌং ভূমণ্ডলাধিপত্যপ্রদায়, দ্রাং চিরঞ্জীবিনে,

বষট্ বশীকুরু বশীকুরু, বৌষট্ আকর্ষয় আকর্ষয়,
হুং বিদ্বেষয় বিদ্বেষয়, ফট্ উচ্চাটয় উচ্চাটয়,
ঠঃ ঠঃ স্তম্ভয় স্তম্ভয়, খেং খেং মারয় মারয়,

নমঃ সম্পন্নায় সম্পন্নায়, স্বাহা পোষয় পোষয়,
পরমন্ত্র পরযন্ত্র পরতন্ত্রাণি ছিন্ধি ছিন্ধি,
গ্রহান্ নিবারয় নিবারয়, ব্যাধীন্ বিনাশয় বিনাশয়,
দুঃখং হর হর, দারিদ্র্যং বিদ্রাবয় বিদ্রাবয়,
দেহং পোষয় পোষয়, চিত্তং তোষয় তোষয়,

সর্বমন্ত্রস্বরূপায়, সর্বযন্ত্রস্বরূপায়,
সর্বতন্ত্রস্বরূপায়, সর্বপল্লবস্বরূপায়,

ওঁ নমো মহাসিদ্ধায় স্বাহা ।

ইতি দত্তাত্রেয়োপনিষদি শ্রীদত্তমালামন্ত্রঃ সম্পূর্ণঃ ।

--------

🌺**শ্রী দত্ত মালা মন্ত্রের পূর্ণ বাংলা অনুবাদ**🌺

শ্রী গণেশায় নমঃ।

পার্বতী বললেন:
হে প্রিয়, তুমি আমার জন্য এই মালামন্ত্র বলে দাও।

শিব বললেন:
হে দেবি, শোনো। আমি তোমাকে এই উত্তম মালামন্ত্র বলছি।

---

ওঁ ভগবান দত্তাত্রেয়কে নমস্কার।
যিনি শুধু স্মরণ করামাত্র সন্তুষ্ট হন,
মহা ভয় দূর করেন, মহাজ্ঞান দান করেন,
চিৎস্বরূপ আনন্দময় আত্মা,
বালকের মতো উন্মত্ত পিশাচের বেশধারী, মহাযোগী, অবধূত, পাপহীন,
অনসূয়ার আনন্দ বর্ধনকারী, অত্রির পুত্র,
সকল কামনার ফল প্রদানকারী।

ওঁ তিনি সংসারের বন্ধন থেকে মুক্তি দেন।
তিনি অসাধ্যকে সাধন করেন।
তিনি সকল ঐশ্বর্য দান করেন।
তিনি অসাধ্যকে আকর্ষণ করেন।
তিনি বাকশক্তি প্রদান করেন।
তিনি ত্রিভুবনকে বশীভূত করেন।
তিনি সকল মনকে ক্ষুব্ধ করেন।
তিনি মহাসম্পদ প্রদান করেন।
তিনি পৃথিবীমণ্ডলের অধিপত্য দান করেন।
তিনি চিরজীবী।

বশ করো বশ করো, আকর্ষণ করো আকর্ষণ করো,
বিদ্বেষ সৃষ্টি করো বিদ্বেষ সৃষ্টি করো,
উচ্চাটন করো উচ্চাটন করো,
স্তম্ভিত করো স্তম্ভিত করো,
মারো মারো।

সম্পন্ন করো সম্পন্ন করো, পুষ্ট করো পুষ্ট করো,
সকল পরমন্ত্র, পরযন্ত্র ও পরতন্ত্র ছিন্ন করো ছিন্ন করো,
গ্রহদোষ দূর করো দূর করো,
সকল রোগ বিনাশ করো বিনাশ করো,
দুঃখ হরণ করো হরণ করো,
দারিদ্র্য দূর করো দূর করো,
দেহকে পুষ্ট করো পুষ্ট করো,
চিত্তকে তুষ্ট করো তুষ্ট করো।

তিনি সকল মন্ত্রের স্বরূপ, সকল যন্ত্রের স্বরূপ,
সকল তন্ত্রের স্বরূপ, সকল শাখা-প্রশাখার স্বরূপ।

ওঁ মহাসিদ্ধকে নমস্কার। স্বাহা।

---

**ইতি দত্তাত্রেয়োপনিষদে শ্রীদত্তমালামন্ত্র সম্পূর্ণ।**

এটি সম্পূর্ণ বাংলা অনুবাদ। জপের সময় মূল সংস্কৃত মন্ত্র ব্যবহার করাই শ্রেয়।🙏

#আত্ম_জাগরণ

25/05/2026

কারো নীরবতাকে দুর্বলতা ভেবো না, ওটা ঝড়ের আগের স্তব্ধতা।🌺🙏

#আত্ম_জাগরণ

24/05/2026

অহংকারের বড়াই চিরদিনের জন্য নয় 🌺🙏

#আত্ম_জাগরণ

🌺শ্রী কাল ভৈরব স্তোত্রম্-এর সম্পূর্ণ সংশোধিত ও সঠিক সংস্করণ🌺 অথ সংকল্পঃওং ঐং শিব শক্তি সায়ি সিদ্ধগুরু শ্রী রমণানন্দ মহর্...
24/05/2026

🌺শ্রী কাল ভৈরব স্তোত্রম্-এর সম্পূর্ণ সংশোধিত ও সঠিক সংস্করণ🌺

অথ সংকল্পঃ
ওং ঐং শিব শক্তি সায়ি সিদ্ধগুরু শ্রী রমণানন্দ মহর্ষি গুরুভ্যো নমঃ ।
ওং শ্রী দশ মহাবিদ্যা দেবতাভ্যো নমঃ ।
ওং শ্রী দশ ভৈরব দেবতাভ্যো নমঃ ।

**অথ চতুর্বেদ জ্ঞান ব্রহ্ম সিদ্ধগুরু শ্রী রমণানন্দ মহর্ষি বিরচিত**
**চতুর্বিংশতি শ্লোকাত্মক শ্রী কাল ভৈরব স্তোত্রম্**

শিবায় পরমাত্মনে মহতে পাপনাশিনে ।
নীললোহিতদেহায় ভৈরবায় নমো নমঃ ॥

ব্রহ্মশিরোবিখণ্ডিনে ব্রহ্মগর্বনিপাতিনে ।
কালকালায় রুদ্রায় নমো ভৈরব শূলিনে ॥

বিষ্ণুমোহবিনাশিনে বিষ্ণুসেবিতশম্ভবে ।
বিষ্ণুকীর্তিতসোমায় কালভৈরব তে নমঃ ॥

সর্বভূষিতসর্বেশং চতুর্ভুজং সুতেজসে ।
শিবতেজোদ্ভবং হরং শ্রীভৈরবীপতিং ভজে ॥

সদ্রূপং সকলেশ্বরং চিদ্রূপং চিন্ময়েশ্বরম্ ।
তপোবন্তং মহানন্দং মহাভৈরব তে নমঃ ॥

নীলায় নীলকণ্ঠায় অনন্তায় পরাত্মনে ।
ভীমায় দুষ্টমর্দিনে কালভৈরব তে নমঃ ॥

নমস্তে সর্ববীজায় নমস্তে সুখদায়িনে ।
নমস্তে দুঃখনাশিনে ভৈরবায় নমো নমঃ ॥

সুন্দরং করুণানিধিং পাবনং করুণাময়ম্ ।
অঘোরং করুণাসিন্ধুং শ্রীভৈরবং নমাম্যহম্ ॥

জটাধরং ত্রিলোচনং জগত্পতিং বৃষধ্বজম্ ।
জগন্মূর্তিং কপালিনং শ্রীভৈরবং নমাম্যহম্ ॥

অসিতাঙ্গঃ কপালশ্চ উন্মত্তঃ ভীষণো রুরুঃ ।
ক্রোধঃ সংহারচণ্ডশ্চ অষ্টভৈরব তে নমঃ ॥

কৌমারী বৈষ্ণবী চণ্ডী ইন্দ্রাণী ব্রাহ্মণী সুধা ।
অষ্টমাতৃকা চামুণ্ডা শ্রীবারাহী মহেশ্বরী ॥

কাশীক্ষেত্রসদা স্থিতং কাশীক্ষেত্রসুপালকম্ ।
কাশীজনসমারাধ্যং নমামি কালভৈরবম্ ॥

অষ্টভৈরবস্রষ্টারং অষ্টমাতৃসুপূজিতম্ ।
সর্বভৈরবনাথং চ শ্রীকালভৈরবং ভজে ॥

বিষ্ণুকীর্তিতবেদেশং সর্বঋষিনমস্কৃতম্ ।
পঞ্চপাতকনাশকং শ্রীকালভৈরবং ভজে ॥

সম্মোহনমহারূপং চতুর্বেদপ্রকীর্তিতম্ ।
বিরাট্পুরুষমহেশং শ্রীকালভৈরবং ভজে ॥

অসিতাঙ্গঃ চতুর্ভুজঃ ব্রাহ্মণীমাতৃকাপতিঃ ।
শ্বেতবর্ণো হংসারূঢ়ঃ প্রাক্ দিশা রক্ষকঃ শিবঃ ॥

শ্রীরুরুং বৃষভারূঢ়ং আগ্নেয়দিক্ সুপালকম্ ।
নীলবর্ণং মহাশূরং মহেশ্বরীপতিং ভজে ॥

ময়ূরবাহনঃ চণ্ডঃ কৌমারীমাতৃকাপ্রিয়ঃ ।
রক্তবর্ণো মহাকালঃ দক্ষিণদিক্ সুরক্ষকঃ ॥

গরুড়বাহনঃ ক্রোধঃ বৈষ্ণবীমাতৃকাপ্রভুঃ ।
ঈশানো নীলবর্ণশ্চ নৈঋতিদিক্ সুরক্ষকঃ ॥

উন্মত্তঃ খড্গধারী চ অশ্বারূঢ়ো মহোদরঃ ।
শ্রীবারাহীমনোহরঃ পশ্চিমদিক্ সুরক্ষকঃ ॥

কপালো হস্তিবাহনঃ ইন্দ্রাণীমাতৃকাপতিঃ ।
স্বর্ণবর্ণো মহাতেজাঃ বায়ব্যদিক্ সুরক্ষকঃ ॥

ভীষণঃ প্রেতবাহনঃ চামুণ্ডামাতৃকাবিভুঃ ।
উত্তরদিক্ সুপালকঃ রক্তবর্ণো ভয়ঙ্করঃ ॥

সংহারঃ সিংহবাহনঃ শ্রীচণ্ডীমাতৃকাপতিঃ ।
অষ্টভুজঃ প্রাক্রমী ঈশান্যদিক্ সুপালকঃ ॥

তন্ত্রযোগীশ্বরেশ্বরং তন্ত্রবিদ্যাপ্রদায়কম্ ।
জ্ঞানদং সিদ্ধিদং শিবং মোক্ষদং ভৈরবং ভজে ॥

**ইতি চতুর্বেদ জ্ঞান ব্রহ্ম সিদ্ধগুরু শ্রী রমণানন্দ মহর্ষি বিরচিত**
**চতুর্বিংশতি শ্লোকাত্মক শ্রী কাল ভৈরব স্তোত্রম্ ॥**

---

**✅ শ্রী কাল ভৈরব স্তোত্রম্-এর সম্পূর্ণ বাংলা অনুবাদ✅**

অথ সংকল্পঃ
ওং ঐং শিব শক্তি সায়ি সিদ্ধগুরু শ্রী রমণানন্দ মহর্ষি গুরুদেরকে নমস্কার।
ওং শ্রী দশ মহাবিদ্যা দেবতাদেরকে নমস্কার।
ওং শ্রী দশ ভৈরব দেবতাদেরকে নমস্কার।

**চতুর্বেদ জ্ঞান ব্রহ্ম সিদ্ধগুরু শ্রী রমণানন্দ মহর্ষি বিরচিত**
**চতুর্বিংশতি শ্লোকাত্মক শ্রী কাল ভৈরব স্তোত্রম্**

শিবস্বরূপ পরমাত্মা মহান পাপনাশকারী, নীললোহিত দেহধারী ভৈরবকে বারবার নমস্কার ॥

ব্রহ্মার মস্তক ছেদনকারী, ব্রহ্মার অহংকার ধ্বংসকারী, কালেরও কাল স্বরূপ রুদ্র ভৈরব শূলপাণিকে নমস্কার ॥

বিষ্ণুর মোহ নাশকারী, বিষ্ণুসেবিত শম্ভু, বিষ্ণুকীর্তিত সোমরূপী কালভৈরবকে নমস্কার ॥

সর্বালংকারে ভূষিত, সর্বেশ্বর, চতুর্ভুজ, অত্যন্ত তেজস্বী, শিবতেজোদ্ভব হর শ্রীভৈরবীপতিকে ভজনা করি ॥

সৎস্বরূপ, সকলেশ্বর, চিদানন্দময়, চিন্ময়েশ্বর, তপস্বী, মহানন্দময় মহাভৈরবকে নমস্কার ॥

নীলবর্ণ, নীলকণ্ঠ, অনন্ত, পরমাত্মা, ভীম, দুষ্টদমনকারী কালভৈরবকে নমস্কার ॥

সর্ববীজস্বরূপ তোমাকে নমস্কার, সুখদায়ক তোমাকে নমস্কার, দুঃখনাশক ভৈরবকে বারবার নমস্কার ॥

সুন্দর, করুণার নিধি, পবিত্র, করুণাময়, অঘোর, করুণাসাগর শ্রীভৈরবকে আমি নমস্কার করি ॥

জটাধারী, ত্রিনয়ন, জগতের পতি, বৃষধ্বজ, জগন্মূর্তি, কপালধারী শ্রীভৈরবকে নমস্কার করি ॥

অসিতাঙ্গ, কপালী, উন্মত্ত, ভীষণ, রুরু, ক্রোধ, সংহারচণ্ড — এই অষ্টভৈরবকে নমস্কার ॥

কৌমারী, বৈষ্ণবী, চণ্ডী, ইন্দ্রাণী, ব্রাহ্মী, চামুণ্ডা, বারাহী, মহেশ্বরী — এই অষ্টমাতৃকা ॥

কাশীক্ষেত্রে সদা অবস্থিত, কাশীক্ষেত্রের সুপালক, কাশীবাসীদের আরাধ্য কালভৈরবকে নমস্কার করি ॥

অষ্টভৈরবের স্রষ্টা, অষ্টমাতৃকা দ্বারা সুপূজিত, সর্বভৈরবের নাথ শ্রীকালভৈরবকে ভজনা করি ॥

বিষ্ণুকীর্তিত বেদেশ্বর, সর্বঋষিগণ কর্তৃক নমস্কৃত, পঞ্চপাতক নাশক শ্রীকালভৈরবকে ভজনা করি ॥

সম্মোহন মহারূপ, চতুর্বেদে প্রকীর্তিত, বিরাট পুরুষ মহেশ্বর শ্রীকালভৈরবকে ভজনা করি ॥

অসিতাঙ্গ চতুর্ভুজ, ব্রাহ্মী মাতৃকার পতি, শ্বেতবর্ণ, হংসবাহন, পূর্বদিকের রক্ষক শিব ॥

শ্রীরুরু বৃষভবাহন, আগ্নেয় দিকের সুপালক, নীলবর্ণ মহাশূর, মহেশ্বরীর পতিকে ভজনা করি ॥

ময়ূরবাহন চণ্ড, কৌমারী মাতৃকার প্রিয়, রক্তবর্ণ মহাকাল, দক্ষিণ দিকের সুরক্ষক ॥

গরুড়বাহন ক্রোধ, বৈষ্ণবী মাতৃকার প্রভু, নীলবর্ণ ঈশান, নৈঋতি দিকের সুরক্ষক ॥

উন্মত্ত খড্গধারী, অশ্বারূঢ় মহোদর, শ্রীবারাহীর মনোহর, পশ্চিম দিকের সুরক্ষক ॥

কপালী হস্তিবাহন, ইন্দ্রাণী মাতৃকার পতি, স্বর্ণবর্ণ মহাতেজস্বী, বায়ব্য দিকের সুরক্ষক ॥

ভীষণ প্রেতবাহন, চামুণ্ডা মাতৃকার বিভু, উত্তর দিকের সুপালক, রক্তবর্ণ ভয়ঙ্কর ॥

সংহার সিংহবাহন, শ্রীচণ্ডী মাতৃকার পতি, অষ্টভুজ প্রাক্রমী, ঈশান্য দিকের সুপালক ॥

তন্ত্রের যোগীশ্বরেশ্বর, তন্ত্রবিদ্যা প্রদায়ক, জ্ঞানদাতা, সিদ্ধিদাতা, মোক্ষদাতা শিব ভৈরবকে ভজনা করি ॥

**ইতি চতুর্বেদ জ্ঞান ব্রহ্ম সিদ্ধগুরু শ্রী রমণানন্দ মহর্ষি বিরচিত**
**চতুর্বিংশতি শ্লোকাত্মক শ্রী কাল ভৈরব স্তোত্রম্ সমাপ্তম্ ॥**

---

**জয় কাল ভৈরব!** 🙏
প্রতিদিন শ্রদ্ধার সাথে পাঠ করলে ভয়, শত্রু, পাপ ও বাধা থেকে রক্ষা পাবে।

------

**✅ শ্রী কাল ভৈরব স্তোত্রম্-এর মাহাত্ম্য ও পাঠের নিয়ম✅**

# # # 🌟 **মাহাত্ম্য (উপকারিতা ও গুরুত্ব)**
শ্রী কাল ভৈরব স্তোত্র অত্যন্ত শক্তিশালী তন্ত্র-মন্ত্রময় স্তোত্র। এটি পাঠ করলে:

- **ভয় ও শত্রু নাশ** — সকল প্রকার ভয় (মৃত্যুভয়, অপঘাত, শত্রু, ব্ল্যাক ম্যাজিক, ভূত-প্রেত) দূর হয়।
- **পাপমুক্তি** — পঞ্চপাতক, ব্রহ্মহত্যা, গুরুতর পাপ থেকে মুক্তি লাভ হয়।
- **রক্ষা ও সুরক্ষা** — আট দিকের রক্ষা (দশদিকপালের মাধ্যমে), শরীর, মন ও আত্মার সুরক্ষা।
- **জ্ঞান, সিদ্ধি ও মোক্ষ** — তন্ত্রবিদ্যা, জ্ঞান, সিদ্ধি, আধ্যাত্মিক উন্নতি এবং মোক্ষ লাভের পথ প্রশস্ত হয়।
- **কাশীবাসীদের বিশেষ আরাধ্য** — কালভৈরব কাশীধামের রক্ষক, তাই এই স্তোত্র পাঠে কাশী যাত্রার ফল লাভ হয়।
- **অষ্টভৈরব ও অষ্টমাতৃকার কৃপা** — সকল ভৈরব ও মাতৃকাশক্তির আশীর্বাদ লাভ।
- **দুঃখ-দারিদ্র্য নাশ** — করুণাসিন্ধু ভৈরবের কৃপায় সুখ, সমৃদ্ধি ও শান্তি আসে।

নিয়মিত পাঠে ভক্তের জীবন থেকে নেগেটিভ শক্তি দূর হয় এবং ইষ্টদেবের সরাসরি রক্ষা লাভ হয়।

# # # 📜 **পাঠের নিয়ম (বিধি)**
1. **শুদ্ধাচার** — স্নান করে পরিষ্কার কাপড় পরে পূজাস্থানে বসুন। পূর্ব বা উত্তর দিকে মুখ করে বসা শ্রেয়।
2. **পূজা** — শ্রী কালভৈরবের ছবি/মূর্তির সামনে ধূপ, দীপ, ফুল, সিন্দুর, মদ্য-মাংস (তান্ত্রিক পদ্ধতিতে), কালো তিল, ধূপকাঠি অর্পণ করুন। তুলসী এড়িয়ে চলুন।
3. **সংকল্প** — শুরুতে দেওয়া সংকল্প অংশটি পড়ুন।
4. **পাঠ** —
- প্রতিদিন **১ বার** করে পাঠ করুন (সন্ধ্যা বা রাত্রি কালে বিশেষ উপকারী)।
- বিশেষ প্রয়োজনে **৩, ৭, ১১ বা ২১ বার** জপ করুন।
- ভৈরব অষ্টমী, কালরাত্রি, মঙ্গলবার, শনিবার ও অমাবস্যায় বিশেষ ফলদায়ী।
5. **জপ** — পাঠের আগে-পরে **“ওং কালভৈরবায় নমঃ”** বা **“ওং ভৈরবায় নমঃ”** মন্ত্র ১০৮ বার জপ করতে পারেন।
6. **নিয়মিততা** — অন্তত ২১ বা ৪০ দিন নিয়মিত পাঠ করলে দ্রুত ফল পাওয়া যায়।
7. **সতর্কতা** — পাঠের সময় পূর্ণ শ্রদ্ধা ও একাগ্রতা রাখুন। তান্ত্রিক স্তোত্র হওয়ায় মন অশুদ্ধ থাকলে ফল কম হয়। মাংস-মদ্য নৈবেদ্য দিতে না পারলে ফল-মিষ্টি দিয়েও পূজা করা যায়।

**ধারণ** — স্তোত্র লিখে তাবিজ করে গলায় বা হাতে ধারণ করা যায় (বিশেষ করে কালো সুতোয়)।

**জয় কাল ভৈরব!** 🙏
নিয়মিত পাঠ করলে জীবনের সকল বাধা ও ভয় দূর হয়ে যাবে।

#আত্ম_জাগরণ

🌺শ্রী রাম কবচম্🌺বাংলা অনুবাদ, মাহাত্ম্য ও নিয়ম সহ**অগস্তিরুবাচ**  আজানুবাহুমরবিংদদলায়তাক্ষ-  মাজন্মশুদ্ধরসহাসমুখপ্রসাদম্...
24/05/2026

🌺শ্রী রাম কবচম্🌺বাংলা অনুবাদ, মাহাত্ম্য ও নিয়ম সহ

**অগস্তিরুবাচ**
আজানুবাহুমরবিংদদলায়তাক্ষ-
মাজন্মশুদ্ধরসহাসমুখপ্রসাদম্ ।
শ্যামং গৃহীতশরচাপমুদাররূপং
রামং সরামমভিরামমনুস্মরামি ॥ ১ ॥

**অস্য শ্রীরামকবচস্য অগস্ত্য ঋষিঃ অনুষ্টুপ্ ছন্দঃ সীতালক্ষ্মণোপেতঃ শ্রীরামচন্দ্রো দেবতা শ্রীরামচন্দ্রপ্রসাদসিদ্ধ্যর্থে জপে বিনিয়োগঃ ।**

**অথ ধ্যানং**
নীলজীমূতসংকাশং বিদ্যুদ্বর্ণাংবরাবৃতম্ ।
কোমলাঙ্গং বিশালাক্ষং যুবানমতিসুন্দরম্ ॥ ১ ॥

সীতাসৌমিত্রিসহিতং জটামুকুটধারিণম্ ।
সাসিতূণধনুর্বাণপাণিং দানবমর্দনম্ ॥ ২ ॥

যদা চোরভয়ে রাজভয়ে শত্রুভয়ে তথা ।
ধ্যাত্বা রঘুপতিং ক্রুদ্ধং কালানলসমপ্রভম্ ॥ ৩ ॥

চীরকৃষ্ণাজিনধরং ভস্মোদ্ধূলিতবিগ্রহম্ ।
আকর্ণাকৃষ্টবিশিখকোদণ্ডভুজমণ্ডিতম্ ॥ ৪ ॥

রণে রিপূন্ রাবণাদীংস্তীক্ষ্ণমার্গণবৃষ্টিভিঃ ।
সংহরন্তং মহাবীরমুগ্রমৈন্দ্ররথস্থিতম্ ॥ ৫ ॥

লক্ষ্মণাদ্যৈর্মহাবীরৈর্বৃতং হনুমদাদিভিঃ ।
সুগ্রীবাদ্যৈর্মহাবীরৈঃ শৈলবৃক্ষকরোদ্যতৈঃ ॥ ৬ ॥

বেগাত্করালহুংকারৈর্ভুভুক্কারমহারবৈঃ ।
নদদ্ভিঃ পরিবাদদ্ভিঃ সমরে রাবণং প্রতি ॥ ৭ ॥

শ্রীরাম শত্রুসংঘান্মে হন মর্দয় খাদয় ।
ভূতপ্রেতপিশাচাদীন্ শ্রীরামাশু বিনাশয় ॥ ৮ ॥

এবং ধ্যাত্বা জপেদ্রামকবচং সিদ্ধিদায়কম্ ।
সুতীক্ষ্ণ বজ্রকবচং শৃণু বক্ষ্যাম্যনুত্তমম্ ॥ ৯ ॥

**অথ কবচম্**
শ্রীরামঃ পাতু মে মূর্ধ্নি পূর্বে চ রঘুবংশজঃ ।
দক্ষিণে মে রঘুবরঃ পশ্চিমে পাতু পাবনঃ ॥ ১০ ॥

উত্তরে মে রঘুপতির্ভালং দশরথাত্মজঃ ।
ভ্রুবোর্দূর্বাদলশ্যামস্তয়োর্মধ্যে জনার্দনঃ ॥ ১১ ॥

শ্রোত্রং মে পাতু রাজেন্দ্রো দৃশৌ রাজীবলোচনঃ ।
ঘ্রাণং মে পাতু রাজর্ষির্গণ্ডৌ মে জানকীপতিঃ ॥ ১২ ॥

কর্ণমূলে খরধ্বংসী ভালং মে রঘুবল্লভঃ ।
জিহ্বাং মে বাক্পতিঃ পাতু দন্তপঙ্ক্তী রঘূত্তমঃ ॥ ১৩ ॥

ওষ্ঠৌ শ্রীরামচন্দ্রো মে মুখং পাতু পরাত্পরঃ ।
কণ্ঠং পাতু জগদ্বন্দ্যঃ স্কন্ধৌ মে রাবণান্তকঃ ॥ ১৪ ॥

ধনুর্বাণধরঃ পাতু ভুজৌ মে বালিমর্দনঃ ।
সর্বাণ্যঙ্গুলিপর্বাণি হস্তৌ মে রাক্ষসান্তকঃ ॥ ১৫ ॥

বক্ষো মে পাতু কাকুত্স্থঃ পাতু মে হৃদয়ং হরিঃ ।
স্তনৌ সীতাপতিঃ পাতু পার্শ্বং মে জগদীশ্বরঃ ॥ ১৬ ॥

মধ্যং মে পাতু লক্ষ্মীশো নাভিং মে রঘুনায়কঃ ।
কৌসল্যেয়ঃ কটী পাতু পৃষ্ঠং দুর্গতিনাশনঃ ॥ ১৭ ॥

গুহ্যং পাতু হৃষীকেশঃ সক্থিনী সত্যবিক্রমঃ ।
ঊরূ শার্ঙ্গধরঃ পাতু জানুনী হনুমত্প্রিয়ঃ ॥ ১৮ ॥

জঙ্ঘে পাতু জগদ্ব্যাপী পাদৌ মে তাটকান্তকঃ ।
সর্বাঙ্গং পাতু মে বিষ্ণুঃ সর্বসন্ধীননাময়ঃ ॥ ১৯ ॥

জ্ঞানেন্দ্রিয়াণি প্রাণাদীন্ পাতু মে মধুসূদনঃ ।
পাতু শ্রীরামভদ্রো মে শব্দাদীন্বিষয়ানপি ॥ ২০ ॥

দ্বিপদাদীনি ভূতানি মত্সংবন্ধীনি যানি চ ।
জামদগ্ন্যমহাদর্পদলনঃ পাতু তানি মে ॥ ২১ ॥

সৌমিত্রিপূর্বজঃ পাতু বাগাদীনীন্দ্রিয়াণি চ ।
রোমাঙ্কুরাণ্যশেষাণি পাতু সুগ্রীবরাজ্যদঃ ॥ ২২ ॥

বাঙ্মনোবুদ্ধ্যহঙ্কারৈর্জ্ঞানাজ্ঞানকৃতানি চ ।
জন্মান্তরকৃতানীহ পাপানি বিবিধানি চ ॥ ২৩ ॥

তানি সর্বাণি দগ্ধ্বাশু হরকোদণ্ডখণ্ডনঃ ।
পাতু মাং সর্বতো রামঃ শার্ঙ্গবাণধরঃ সদা ॥ ২৪ ॥

ইতি শ্রীরামচন্দ্রস্য কবচং বজ্রসম্মিতম্ ।
গুহ্যাদ্গুহ্যতমং দিব্যং সুতীক্ষ্ণ মুনিসত্তম ॥ ২৫ ॥

যঃ পঠেচ্ছৃণুয়াদ্বাপি শ্রাবয়েদ্বা সমাহিতঃ ।
স যাতি পরমং স্থানং রামচন্দ্রপ্রসাদতঃ ॥ ২৬ ॥

মহাপাতকয়ুক্তো বা গোঘ্নো বা ভ্রূণহা তথা ।
শ্রীরামচন্দ্রকবচপঠনাচ্ছুদ্ধিমাপ্নুয়াত্ ॥ ২৭ ॥

ব্রহ্মহত্যাদিভিঃ পাপৈর্মুচ্যতে নাত্র সংশয়ঃ ।
ভো সুতীক্ষ্ণ যথা পৃষ্টং ত্বয়া মম পুরা শুভম্ ।
তথা শ্রীরামকবচং ময়া তে বিনিবেদিতম্ ॥ ২৮ ॥

**ইতি শ্রীমদানন্দরামায়ণে মনোহরকাণ্ডে সুতীক্ষ্ণাগস্ত্যসংবাদে শ্রীরামকবচম্ ॥**

---

🌺**✅ শ্রী রাম কবচম্-এর সম্পূর্ণ বাংলা অনুবাদ✅**🌺

**অগস্ত্য বললেন**
যাঁর বাহু আজানু পর্যন্ত লম্বিত, যাঁর চোখ পদ্মপাতার মতো বিস্তৃত, জন্ম থেকেই যাঁর মুখে পবিত্র হাস্য ও প্রসন্নতা বিরাজ করে, যিনি শ্যামবর্ণ, হাতে ধনুক-বাণ ধারণ করেছেন এবং অতি উদার রূপধারী — সেই সীতাসহিত অভিরাম শ্রীরামচন্দ্রকে আমি স্মরণ করি ॥১॥

**এই শ্রীরাম কবচের** ঋষি অগস্ত্য, ছন্দ অনুষ্টুপ্, দেবতা সীতা-লক্ষ্মণসহিত শ্রীরামচন্দ্র। শ্রীরামচন্দ্রের কৃপা লাভের জন্য জপ করার উদ্দেশ্যে বিনিয়োগ।

**এখন ধ্যান**
নীল মেঘের মতো শ্যামবর্ণ, বিদ্যুতের মতো উজ্জ্বল পীতাম্বর পরিহিত, কোমল অঙ্গ, বিশাল নয়ন, যুবক ও অতি সুন্দর ॥১॥

সীতা ও লক্ষ্মণসহিত, জটামুকুটধারী, তূণীর, ধনুক ও বাণ হাতে ধারণ করে দানবদের দমনকারী ॥২॥

যখন চোরের ভয়, রাজার ভয় অথবা শত্রুর ভয় হয়, তখন রঘুপতিকে ক্রুদ্ধ অবস্থায় কালানলের সমান তেজস্বী রূপে ধ্যান করবে ॥৩॥

বৃক্ষের ছাল ও কৃষ্ণাজিন পরিহিত, শরীরে ভস্ম মাখা, কান পর্যন্ত টানা ধনুকে বাণ যোজনা করে অলংকৃত ॥৪॥

রণক্ষেত্রে রাবণাদি শত্রুদের প্রতি তীক্ষ্ণ বাণের বৃষ্টি বর্ষণ করে সংহার করছেন, মহাবীর, উগ্র ও ঐন্দ্র রথে অবস্থিত ॥৫॥

লক্ষ্মণ প্রভৃতি মহাবীর ও হনুমান প্রমুখ বীরদের দ্বারা পরিবৃত, সুগ্রীব প্রমুখ মহাবীরেরা পর্বত ও বৃক্ষ হাতে তুলে ধরে আছেন ॥৬॥

ভয়ঙ্কর হুঙ্কার ও গর্জনধ্বনি করে, সমরক্ষেত্রে রাবণের দিকে ধাবিত হচ্ছেন ॥৭॥

হে শ্রীরাম! আমার শত্রুসমূহকে হনন কর, মর্দন কর, ভক্ষণ কর। ভূত, প্রেত, পিশাচ প্রভৃতিকে শ্রীরাম অতি শীঘ্র বিনাশ করুন ॥৮॥

এইরূপ ধ্যান করে সিদ্ধিদায়ক রামকবচ জপ করবে। হে সুতীক্ষ্ণ! এখন আমি তোমাকে অতুলনীয় বজ্রতুল্য কবচ বলছি ॥৯॥

**এখন কবচ**
শ্রীরাম আমার মাথা রক্ষা করুন, পূর্ব দিকে রঘুবংশজাত।
দক্ষিণে রঘুবর, পশ্চিমে পাবন (পবিত্রকারী) রক্ষা করুন ॥১০॥

উত্তরে রঘুপতি, ললাটে দশরথের পুত্র রক্ষা করুন।
ভ্রু-দ্বয়ের মধ্যে দূর্বাদলশ্যাম জনার্দন রক্ষা করুন ॥১১॥

কান দু’টি রাজেন্দ্র রক্ষা করুন, চোখ দু’টি রাজীবলোচন রক্ষা করুন।
নাসিকা রাজর্ষি রক্ষা করুন, গাল দু’টি জানকীপতি রক্ষা করুন ॥১২॥

কর্ণমূলে খরধ্বংসী, ললাটে রঘুবল্লভ।
জিহ্বা বাক্পতি রক্ষা করুন, দাঁতের সারি রঘূত্তম রক্ষা করুন ॥১৩॥

ওষ্ঠদ্বয় শ্রীরামচন্দ্র রক্ষা করুন, মুখ পরাত্পর রক্ষা করুন।
কণ্ঠ জগদ্বন্দ্য রক্ষা করুন, স্কন্ধদ্বয় রাবণান্তক রক্ষা করুন ॥১৪॥

ধনুর্বাণধারী ভুজদ্বয় রক্ষা করুন, বালিমর্দন হাত দু’টি রক্ষা করুন।
সমস্ত আঙ্গুলের গ্রন্থি ও হাত রাক্ষসান্তক রক্ষা করুন ॥১৫॥

বক্ষঃস্থল কাকুত্স্থ রক্ষা করুন, হৃদয় হরি রক্ষা করুন।
স্তনদ্বয় সীতাপতি রক্ষা করুন, পার্শ্বদ্বয় জগদীশ্বর রক্ষা করুন ॥১৬॥

মধ্যদেশ লক্ষ্মীশ রক্ষা করুন, নাভি রঘুনায়ক রক্ষা করুন।
কৌসল্যানন্দন কটিদেশ রক্ষা করুন, পৃষ্ঠদেশ দুর্গতিনাশন রক্ষা করুন ॥১৭॥

গুহ্যদেশ হৃষীকেশ রক্ষা করুন, উরুর দু’পাশ সত্যবিক্রম রক্ষা করুন।
ঊরুদ্বয় শার্ঙ্গধর রক্ষা করুন, জানুদ্বয় হনুমানপ্রিয় রক্ষা করুন ॥১৮॥

জঙ্ঘাদ্বয় জগদ্ব্যাপী রক্ষা করুন, পাদদ্বয় তাটকান্তক রক্ষা করুন।
সমস্ত অঙ্গ বিষ্ণু রক্ষা করুন, সকল সন্ধি অনাময় রক্ষা করুন ॥১৯॥

জ্ঞানেন্দ্রিয়সমূহ ও প্রাণাদি মধুসূদন রক্ষা করুন।
শ্রীরামভদ্র আমার শব্দাদি বিষয়সমূহ রক্ষা করুন ॥২০॥

দ্বিপদী প্রভৃতি সমস্ত প্রাণী যা আমার সঙ্গে সম্পর্কিত, জামদগ্ন্যের (পরশুরামের) মহাদর্প দলনকারী সেগুলি রক্ষা করুন ॥২১॥

সৌমিত্রির অগ্রজ (রাম) বাক্ প্রভৃতি ইন্দ্রিয়সমূহ রক্ষা করুন।
সমস্ত রোমকূপ সুগ্রীবের রাজ্যদাতা রক্ষা করুন ॥২২॥

বাক্, মন, বুদ্ধি, অহংকার দ্বারা জ্ঞান-অজ্ঞানবশতঃ কৃত এবং জন্মান্তরে কৃত নানাবিধ পাপসমূহ ॥২৩॥

সেই সমস্ত পাপ শীঘ্র দগ্ধ করে হরকোদণ্ডখণ্ডন (শিবধনু ভঙ্গকারী) সর্বত্র থেকে আমাকে রক্ষা করুন। শার্ঙ্গবাণধারী রাম সদা আমাকে রক্ষা করুন ॥২৪॥

**ফলশ্রুতি**
এই শ্রীরামচন্দ্রের বজ্রতুল্য কবচ অতি গুহ্য ও দিব্য। হে সুতীক্ষ্ণ মুনিশ্রেষ্ঠ!
যে ব্যক্তি একাগ্রচিত্তে এটি পাঠ করে, শোনে অথবা শোনায়, সে রামচন্দ্রের কৃপায় পরম স্থান লাভ করে ॥২৬॥

মহাপাতকী হোক, গো-হত্যাকারী হোক অথবা ভ্রূণহত্যাকারী হোক — শ্রীরামচন্দ্রের কবচ পাঠ করলে শুদ্ধি লাভ করে ॥২৭॥

ব্রহ্মহত্যাদি পাপ থেকে মুক্তি লাভ করে, এতে কোনো সন্দেহ নেই।
হে সুতীক্ষ্ণ! তুমি যেমন পূর্বে আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলে, তেমনই আমি তোমাকে এই শ্রীরাম কবচ প্রদান করলাম ॥২৮॥

**ইতি শ্রীমদানন্দ রামায়ণে মনোহর কাণ্ডে সুতীক্ষ্ণাগস্ত্য সংবাদে শ্রীরাম কবচম্ সমাপ্তম্।**

জয় শ্রীরাম 🙏
প্রতিদিন নিয়মিত পাঠ করলে অত্যন্ত উপকার পাবে।

**✅ শ্রী রাম কবচম্-এর মাহাত্ম্য (গুরুত্ব/উপকারিতা) ও পাঠের নিয়ম✅**

# # # 🌟 **মাহাত্ম্য (উপকারিতা)**
শ্রী রাম কবচ অত্যন্ত শক্তিশালী বজ্রতুল্য রক্ষাকবচ। এটি পাঠ করলে:
- **সকল প্রকার ভয় দূর হয়** — চোর, শত্রু, রাজা, ভূত-প্রেত-পিশাচ, দুর্ঘটনা ইত্যাদি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
- **শত্রু নাশ ও বিজয়** — শত্রুসমূহ হনন, মর্দন ও বিনাশ হয়।
- **পাপমুক্তি** — ব্রহ্মহত্যা, গোহত্যা, ভ্রূণহত্যা, মহাপাতকসহ সকল পাপ থেকে মুক্তি লাভ হয়।
- **সমৃদ্ধি ও সিদ্ধি** — ভক্তি, মুক্তি, ভোগ, সিদ্ধি, দীর্ঘায়ু, সন্তান, জয় ও মঙ্গল লাভ হয়।
- **সর্বাঙ্গীণ রক্ষা** — শরীরের প্রতিটি অঙ্গ, ইন্দ্রিয়, মন, বুদ্ধি রক্ষা পায়।
- **পরম স্থান লাভ** — নিয়মিত পাঠে শ্রীরামের কৃপায় মোক্ষ লাভের পথ প্রশস্ত হয়।
- বিশেষ করে ভয়, দুঃখ, বাধা, রোগ ও নেগেটিভ শক্তি থেকে সুরক্ষা দেয়।

যে ব্যক্তি শ্রদ্ধা ও একাগ্রতার সাথে পাঠ করে, সে রামচন্দ্রের সরাসরি আশীর্বাদ লাভ করে।

# # # 📜 **পাঠের নিয়ম (বিধি)**
1. **শুদ্ধাচার** — সকালে স্নান করে পরিষ্কার পোশাক পরুন। পূর্ব বা উত্তর দিকে মুখ করে বসুন।
2. **পূজা স্থান** — শ্রীরামের ছবি বা মূর্তির সামনে একটি ছোট্ট পূজা করুন। ধূপ, দীপ, ফুল, ফল, তুলসী পাতা অর্পণ করুন।
3. **ধ্যান** — প্রথমে কবচের শুরুর ধ্যান অংশটি মনে মনে পড়ুন এবং শ্রীরামের রূপ ধ্যান করুন।
4. **পাঠ** —
- প্রতিদিন **১ বার** করে পাঠ করুন (বিশেষ করে সকালে বা সন্ধ্যায়)।
- বিশেষ প্রয়োজনে **১১ বা ২১ বার** জপ করুন।
- রামনবমী, নবরাত্রি, মঙ্গলবার বা বৃহস্পতিবারে বিশেষ উপকারিতা।
5. **মন্ত্র জপ** — পাঠের আগে-পরে **“ওঁ শ্রী রামায় নমঃ”** বা **“জয় শ্রীরাম”** ১০৮ বার জপ করতে পারেন।
6. **নিয়মিততা** — অন্তত ৪০ দিন নিয়মিত পাঠ করলে দ্রুত ফল পাওয়া যায়।
7. **বিশেষ সতর্কতা** — পাঠের সময় মন অশুদ্ধ বা ক্রোধ থাকলে ফল কম হয়। শ্রীরামের আদর্শ (সত্য, ধর্ম, করুণা) অনুসরণ করুন।

**কবচ ধারণ** — কাগজে লিখে লকেটে রেখে গলায় ধারণ করা যায়, তবে নিয়মিত পাঠই সবচেয়ে শক্তিশালী।

**ফলাফল দ্রুত পেতে** — বিশ্বাস, ভক্তি ও নিয়মানুবর্তিতা সবচেয়ে জরুরি।

জয় শ্রীরাম 🙏
নিয়মিত পাঠ করুন, দেখবেন জীবনে অদ্ভুত শান্তি ও সুরক্ষা অনুভব করবেন।

#আত্ম_জাগরণ

শনি দেবের মহাশক্তিশালী মন্ত্র"ওঁ প্রাং প্রীং প্রৌং সঃ শনৈশ্চরায় নমঃ"পুরাণে শনি দেবকে সূর্যপুত্র, কর্মফলের বিচারক ও ন্যায়...
23/05/2026

শনি দেবের মহাশক্তিশালী মন্ত্র

"ওঁ প্রাং প্রীং প্রৌং সঃ শনৈশ্চরায় নমঃ"

পুরাণে শনি দেবকে সূর্যপুত্র, কর্মফলের বিচারক ও ন্যায়ের প্রতীক বলা হয়েছে। এই মন্ত্র জপ করলে শনির সকল অশুভ প্রভাব (সাড়ে সাতি, দশা) দূর হয় এবং কর্মে সফলতা আসে।
জপের বিধি: শনিবারে ভোরবেলা বা সন্ধ্যায় ১০৮ বার জপ করুন। কালো তিল, সরিষার তেল, লোহা দান করলে শনি দেব তাড়াতাড়ি প্রসন্ন হন।
শনি দেব সকল ভক্তের উপর আশীর্বাদ বর্ষণ করুন, রক্ষা করুন ও উন্নতি দান করুন 🙏 জয় শনি দেবের জয়
#আত্ম_জাগরণ #শনি

🌺শ্রী রাধা কৃষ্ণ অষ্টকম্🌺**যঃ শ্রীগোবর্ধনাদ্রিং সকলসুরপতীংস্তত্র গোগোপবৃন্দং**  স্বীয়ং সংরক্ষিতুং চেত্যমরসুখকরং মোহয়ন্...
23/05/2026

🌺শ্রী রাধা কৃষ্ণ অষ্টকম্🌺

**যঃ শ্রীগোবর্ধনাদ্রিং সকলসুরপতীংস্তত্র গোগোপবৃন্দং**
স্বীয়ং সংরক্ষিতুং চেত্যমরসুখকরং মোহয়ন্ সংদধার ।
তন্মানং খণ্ডয়িত্বা বিজিতরিপুকুলো নীলধারাধরাভঃ
**কৃষ্ণো রাধাসমেতো বিলসতু হৃদয়ে সোঽস্মদীয়ে সদৈব ॥ ১ ॥**

**যং দৃষ্ট্বা কংসভূপঃ স্বকৃতকৃতিমহো সংস্মরন্ মন্ত্রিবর্যান্**
কিং বা পূর্বং ময়েদং কৃতমিতি বচনং দুঃখিতঃ প্রত্যুবাচ ।
আজ্ঞপ্তো নারদেন স্মিতযুতবদনঃ পূরয়ন্ সর্বকামান্
**কৃষ্ণো রাধাসমেতো বিলসতু হৃদয়ে সোঽস্মদীয়ে সদৈব ॥ ২ ॥**

**যেন প্রোদ্যত্প্রতাপা নৃপতিকুলভবাঃ পাণ্ডবাঃ কৌরবাব্ধিং**
তীর্ত্বা পারং তদীয়ং জগদখিলনৃণাং দুস্তরং চেতি জগ্মুঃ ।
তত্পত্নীচীরবৃদ্ধিপ্রবিদিতমহিমা ভূতলে ভূপতীশঃ
**কৃষ্ণো রাধাসমেতো বিলসতু হৃদয়ে সোঽস্মদীয়ে সদৈব ॥ ৩ ॥**

**যস্মৈ চোদ্ধৃত্য পাত্রাদ্ দধিয়ুতনবনীতং করৈর্গোপিকাভিঃ**
দত্তং তদ্ভাবপূর্তৌ বিনিহিতহৃদয়স্ সত্যমেবং তিরোধাত্ ।
মুক্তাগুঞ্জাবলীভিঃ প্রচুরতমরুচিঃ কুণ্ডলাক্রান্তগণ্ডঃ
**কৃষ্ণো রাধাসমেতো বিলসতু হৃদয়ে সোঽস্মদীয়ে সদৈব ॥ ৪ ॥**

**যস্মাদ্ বিশ্বাভিরামাদিহ জননবিধৌ সর্বনন্দাদিগোপাঃ**
সংসারার্তের্বিমুক্তাঃ সকলসুখকরাঃ সম্পদঃ প্রাপুরেব ।
ইত্থং পূর্ণেন্দুবক্ত্রঃ কলকমলদৃশঃ স্বীয়জন্ম স্তুবন্তঃ
**কৃষ্ণো রাধাসমেতো বিলসতু হৃদয়ে সোঽস্মদীয়ে সদৈব ॥ ৫ ॥**

**যস্য শ্রীনন্দসূনোঃ ব্রজযুবতিজনাশ্চাগতা ভর্তৃপুত্রান্**
ত্যক্ত্বা শ্রুত্বা সমীপে বিচকিতনয়নাঃ সপ্রমোদাঃ স্বগেহে ।
রন্তুং রাসাদিলীলা মনসিজদলিতা বেণুনাদং চ রম্যম্
**কৃষ্ণো রাধাসমেতো বিলসতু হৃদয়ে সোঽস্মদীয়ে সদৈব ॥ ৬ ॥**

**যস্মিন্ দৃষ্টে সমস্তে জগতি যুবতয়ঃ প্রাণনাথব্রতায়াঃ**
তা অপ্যেবং হি নূনং কিমপি চ হৃদয়ে কামভাবং দধত্যঃ ।
তত্স্নেহাব্ধিং বপুশ্চেদবিদিতধরণৌ সূর্যবিম্বস্বরূপাঃ
**কৃষ্ণো রাধাসমেতো বিলসতু হৃদয়ে সোঽস্মদীয়ে সদৈব ॥ ৭ ॥**

**যঃ স্বীয়ে গোকুলেঽস্মিন্ বিদিতনিজকুলোদ্ভূতবালৈঃ সমেতো**
মাতর্যেবং চকার প্রসৃততমগুণান্ বাললীলাবিলাসান্ ।
হত্বা বত্সপ্রলম্বদ্বিবিদবকখরান্ গোপবৃন্দং জুগোপ
**কৃষ্ণো রাধাসমেতো বিলসতু হৃদয়ে সোঽস্মদীয়ে সদৈব ॥ ৮ ॥**

**কৃষ্ণারাধাষ্টকং প্রাতরুত্থায় যঃ পঠেন্নরঃ ।**
**য এবং সর্বদা নিত্যং স প্রাপ্নোতি পরাং গতিম্ ॥ ৯ ॥**

**ইতি শ্রীরঘুনাথচার্যবিরচিতং শ্রীরাধাকৃষ্ণাষ্টকম্ ।**

---

**✅ শ্রী রাধা কৃষ্ণ অষ্টকম্ – বাংলা অনুবাদ✅**

**১।**
যিনি শ্রীগোবর্ধন পর্বতকে সকল দেবতাদের রক্ষার জন্য সেখানে গোপ-গোপীদের সঙ্গে নিজেকে ধারণ করে মোহ সৃষ্টি করেছিলেন, যিনি অমর সুখ প্রদানকারী, যিনি শত্রুপক্ষকে পরাজিত করে নীল মেঘের ন্যায় শ্যামবর্ণ ধারণ করেন — সেই **শ্রীকৃষ্ণ রাধাসহ** আমার হৃদয়ে চিরকাল বিলাস করুন।

**২।**
যাঁকে দেখে কংসরাজ নিজের পূর্বকৃত কর্ম স্মরণ করে মন্ত্রীদের স্মরণ করতে করতে দুঃখিত হয়ে বলেছিলেন, “আমি পূর্বে এ কী করেছি!” নারদের আদেশে যিনি হাস্যমুখে সকলের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করেন — সেই **শ্রীকৃষ্ণ রাধাসহ** আমার হৃদয়ে চিরকাল বিলাস করুন।

**৩।**
যাঁর প্রতাপে পাণ্ডবগণ কৌরব সাগর অতিক্রম করে ওপারে পৌঁছেছিলেন এবং জগতের সমস্ত মানুষের জন্য দুর্গম সেই পথ অতিক্রম করেছিলেন। যাঁর মহিমা পত্নীদের বস্ত্ররক্ষার ঘটনায় প্রসিদ্ধ, যিনি পৃথিবীতে রাজাদের অধীশ্বর — সেই **শ্রীকৃষ্ণ রাধাসহ** আমার হৃদয়ে চিরকাল বিলাস করুন।

**৪।**
যাঁকে গোপীগণ পাত্র থেকে দই-মাখন তুলে হাতে দিয়েছিলেন, যিনি তাদের ভক্তিপূর্ণ ভাব পূর্ণ করতে হৃদয়ে স্থান দিয়ে তা গ্রহণ করেছিলেন। মুক্তা ও গুঞ্জামালায় অত্যন্ত শোভিত, কুণ্ডলশোভিত গণ্ডদেশযুক্ত — সেই **শ্রীকৃষ্ণ রাধাসহ** আমার হৃদয়ে চিরকাল বিলাস করুন।

**৫।**
যাঁর জন্মের কারণে বিশ্বের সকলকে আকর্ষণকারী নন্দ প্রভৃতি গোপগণ সংসারের দুঃখ থেকে মুক্ত হয়ে সকল সুখ ও সম্পদ লাভ করেছিলেন। পূর্ণচন্দ্রের ন্যায় মুখমণ্ডল ও পদ্মের ন্যায় চক্ষুবিশিষ্ট যাঁর জন্মকে গোপগণ স্তব করেন — সেই **শ্রীকৃষ্ণ রাধাসহ** আমার হৃদয়ে চিরকাল বিলাস করুন।

**৬।**
শ্রীনন্দনন্দনের কাছে এসে ব্রজের যুবতীগণ স্বামী-পুত্রকে ত্যাগ করে আনন্দের সাথে রাসলীলা ও মনোহর বেণুনাদ শ্রবণ করতে যান — সেই **শ্রীকৃষ্ণ রাধাসহ** আমার হৃদয়ে চিরকাল বিলাস করুন।

**৭।**
যাঁকে দেখামাত্র জগতের সমস্ত যুবতীগণ প্রাণনাথের প্রতি ব্রতধারিণী হয়েও হৃদয়ে কামভাব ধারণ করেন। যাঁর স্নেহসাগররূপ শরীর সূর্যমণ্ডলের ন্যায় ধরণীতে প্রকাশিত — সেই **শ্রীকৃষ্ণ রাধাসহ** আমার হৃদয়ে চিরকাল বিলাস করুন।

**৮।**
যিনি নিজ গোকুলে জাত বালকদের সঙ্গে মাতার ন্যায় বাললীলার অসংখ্য গুণময় বিলাস প্রকাশ করেছিলেন। বৎসাসুর, প্রলম্বাসুর, দ্বিবিদ, বক ও খর প্রভৃতি রাক্ষসদের বধ করে গোপবৃন্দকে রক্ষা করেছিলেন — সেই **শ্রীকৃষ্ণ রাধাসহ** আমার হৃদয়ে চিরকাল বিলাস করুন।

**৯।**
যে ব্যক্তি প্রাতঃকালে উঠে এই শ্রীকৃষ্ণারাধাষ্টকম্ নিত্য পাঠ করেন, তিনি অবশ্যই পরম গতি (মোক্ষ) লাভ করেন।

**ইতি শ্রীরঘুনাথ চার্য বিরচিতং শ্রীরাধাকৃষ্ণাষ্টকম্।**

জয় শ্রী রাধা কৃষ্ণ! 🪷
প্রতিদিন সকালে পাঠ করলে অত্যন্ত উপকার হয়।

**✅ শ্রী রাধা কৃষ্ণ অষ্টকম্ – মাহাত্ম্য ও পাঠের নিয়ম✅**

# # # **মাহাত্ম্য (গুরুত্ব ও ফল):**
এই অষ্টকম্ শ্রীঘুনাথ চার্য বিরচিত। এতে শ্রীকৃষ্ণের বিভিন্ন লীলা (গোবর্ধন ধারণ, কংসের ভয়, পাণ্ডবদের রক্ষা, গোপীদের সাথে মাখন চুরি, ব্রজের রাসলীলা, অসুর বধ ইত্যাদি) বর্ণনা করা হয়েছে রাধারানীর সাথে যুগলরূপে।

**পাঠের ফল (ফলশ্রুতি):**
- প্রাতঃকালে নিয়মিত পাঠ করলে **পরম গতি** (মোক্ষ, বৈকুণ্ঠ বা শ্রীকৃষ্ণের নিত্যধাম) লাভ হয়।
- হৃদয়ে রাধাকৃষ্ণের ভক্তি, প্রেম ও শান্তি জাগ্রত হয়।
- সংসারের দুঃখ-ক্লেশ থেকে মুক্তি, মনের শুদ্ধি এবং রাধাকৃষ্ণের কৃপা লাভ হয়।
- ভক্তির উন্নতি ঘটে এবং জীবনে সুখ-সমৃদ্ধি আসে।

# # # **পাঠের নিয়ম (বিধি):**
1. **সময়:** সবচেয়ে উত্তম **প্রাতঃকালে** (সকালে উঠে, স্নান করে)। তবে যেকোনো শুভ সময়ে পাঠ করা যায়।
2. **শুদ্ধতা:** স্নান করে, পরিষ্কার কাপড় পরে, একাগ্রচিত্তে পাঠ করুন। মনে রাধাকৃষ্ণের চিন্তা রাখুন।
3. **আসন:** পূর্ব বা উত্তরমুখী হয়ে বসুন। রাধাকৃষ্ণের ছবি বা মূর্তির সামনে পাঠ করলে আরও ভালো।
4. **পদ্ধতি:**
- প্রথমে **ওঁ** বা **হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র** জপ করে শুরু করুন।
- ধীরে ধীরে, স্পষ্ট উচ্চারণে পুরো অষ্টকম্ পাঠ করুন।
- শেষে ফলশ্রুতি পড়ুন এবং প্রণাম করুন।
5. **নিয়মিততা:** প্রতিদিন পাঠ করাই সর্বোত্তম। অন্তত সপ্তাহে ৩-৪ দিন করুন।
6. **অতিরিক্ত:** পুরুষোত্তম মাস, জন্মাষ্টমী, রাধাষ্টমী বা একাদশীতে বিশেষভাবে পাঠ করলে অধিক ফল পাওয়া যায়।

**জয় শ্রী রাধা কৃষ্ণ!**
নিয়মিত পাঠ করলে আপনার হৃদয়ে যুগলের অপার্থিব প্রেম অনুভব করবেন। 🪷

#আত্ম_জাগরণ

🌺**দুর্গা পঞ্চরত্নম্**🌺**॥ দুর্গা পঞ্চরত্নম্ ॥**তে ধ্যানযোগানুগতা অপশ্যন্  ত্বামেব দেবীং স্বগুণৈর্নিগূঢাম্ ।  ত্বমেব শক্...
23/05/2026

🌺**দুর্গা পঞ্চরত্নম্**🌺

**॥ দুর্গা পঞ্চরত্নম্ ॥**

তে ধ্যানযোগানুগতা অপশ্যন্
ত্বামেব দেবীং স্বগুণৈর্নিগূঢাম্ ।
ত্বমেব শক্তিঃ পরমেশ্বরস্য
মাং পাহি সর্বেশ্বরি মোক্ষদাত্রি ॥ ১ ॥

দেবাত্মশক্তিঃ শ্রুতিবাক্যগীতা
মহর্ষিলোকস্য পুরঃ প্রসন্না ।
গুহা পরং ব্যোম সতঃ প্রতিষ্ঠা
মাং পাহি সর্বেশ্বরি মোক্ষদাত্রি ॥ ২ ॥

পরাস্য শক্তির্বিবিধৈব শ্রূয়তে
শ্বেতাশ্ববাক্যোদিতদেবি দুর্গে ।
স্বাভাবিকী জ্ঞানবলক্রিয়া তে
মাং পাহি সর্বেশ্বরি মোক্ষদাত্রি ॥ ৩ ॥

দেবাত্মশব্দেন শিবাত্মভূতা
যত্কূর্মবায়ব্যবচোবিবৃত্যা
ত্বং পাশবিচ্ছেদকরী প্রসিদ্ধা
মাং পাহি সর্বেশ্বরি মোক্ষদাত্রি ॥ ৪ ॥

ত্বং ব্রহ্মপুচ্ছা বিবিধা ময়ূরী
ব্রহ্মপ্রতিষ্ঠাস্যুপদিষ্টগীতা ।
জ্ঞানস্বরূপাত্মতয়াখিলানাং
মাং পাহি সর্বেশ্বরি মোক্ষদাত্রি ॥ ৫ ॥

**ইতি পরমপূজ্য শ্রীচন্দ্রশেখরেন্দ্র সরস্বতী স্বামি কৃতং দুর্গাপঞ্চরত্নং সম্পূর্ণম্ ।**

---

**✅ দুর্গা পঞ্চরত্নম্ - বাংলা অনুবাদ✅**

**॥ দুর্গা পঞ্চরত্নম্ ॥**

**১.**
যাঁরা ধ্যানযোগের দ্বারা অনুগত হয়ে দেখেছেন,
তাঁরা তোমাকেই দেখেছেন, হে দেবী, যিনি নিজ গুণে গূঢ়ভাবে বিরাজিত।
তুমিই পরমেশ্বরের শক্তি।
হে সর্বেশ্বরি, হে মোক্ষদাত্রি, তুমি আমাকে রক্ষা করো ॥

**২.**
দেবাত্মশক্তি, যা বেদবাক্যে গীত হয়েছে,
মহর্ষিদের সম্মুখে প্রসন্না রূপে অবস্থিত।
গুহার মতো গোপন, পরম ব্যোমে সত্যের প্রতিষ্ঠা।
হে সর্বেশ্বরি, হে মোক্ষদাত্রি, তুমি আমাকে রক্ষা করো ॥

**৩.**
পরমাত্মার শক্তি বলে বিবিধভাবে শ্রুত হয়,
হে শ্বেতাশ্বতর বাক্যে উদ্ভাসিতা দেবী দুর্গে।
তোমার স্বাভাবিক জ্ঞান, বল ও ক্রিয়া।
হে সর্বেশ্বরি, হে মোক্ষদাত্রি, তুমি আমাকে রক্ষা করো ॥

**৪.**
দেবাত্মশব্দ দ্বারা শিবাত্মভূতা,
কূর্ম ও বায়ব্য বচনে যা বিবৃত হয়েছে।
তুমি পাশ (বন্ধন) ছেদনকারী রূপে প্রসিদ্ধা।
হে সর্বেশ্বরি, হে মোক্ষদাত্রি, তুমি আমাকে রক্ষা করো ॥

**৫.**
তুমি ব্রহ্মের পুচ্ছস্বরূপা, বিবিধ ময়ূরী,
ব্রহ্মপ্রতিষ্ঠা বলে উপদিষ্ট গীতায় বর্ণিতা।
জ্ঞানস্বরূপা আত্মারূপে সকলের মধ্যে বিরাজমানা।
হে সর্বেশ্বরি, হে মোক্ষদাত্রি, তুমি আমাকে রক্ষা করো ॥

**ইতি পরমপূজ্য শ্রীচন্দ্রশেখরেন্দ্র সরস্বতী স্বামী কৃতং দুর্গাপঞ্চরত্নং সম্পূর্ণম্ ।**

---

জয় মা দুর্গা 🙏

**✅ দুর্গা পঞ্চরত্নম্ - মাহাত্ম্য ও নিয়ম✅**

# # # 🌸 **মাহাত্ম্য (গুণ ও ফল)**

শ্রীচন্দ্রশেখরেন্দ্র সরস্বতী স্বামীজি (শৃঙ্গেরি মঠ) রচিত **দুর্গা পঞ্চরত্নম্** মা দুর্গার অত্যন্ত শক্তিশালী ও গূঢ় স্তোত্র। এর মাহাত্ম্য নিম্নরূপ:

- **বিপদ থেকে রক্ষা**: ভয়, শত্রু, অশুভ শক্তি, রোগ ও দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করে।
- **শক্তি ও সাহস**: মনে বল, আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ়তা বৃদ্ধি করে।
- **জ্ঞান ও মোক্ষ**: জ্ঞান, বুদ্ধি ও আধ্যাত্মিক উন্নতি ঘটায়। শেষে মোক্ষ লাভের পথ প্রশস্ত করে।
- **বাধা নাশ**: সকল প্রকার বাধা, ক্লেশ ও অজ্ঞানতা দূর করে।
- **কৃপা লাভ**: মা দুর্গার বিশেষ অনুগ্রহ লাভ হয়। বিশেষ করে দুর্গা পূজা, নবরাত্রি ও অষ্টমী তিথিতে পাঠ করলে অধিক ফল।
- **পারিবারিক মঙ্গল**: পরিবারের সুরক্ষা, শান্তি ও সমৃদ্ধি আনে।

যাঁরা নিয়মিত ভক্তিভরে পাঠ করেন, মা তাঁদের “পাশবিচ্ছেদকরী” (বন্ধন ছেদনকারী) রূপে রক্ষা করেন।

---

# # # 📜 **পাঠের নিয়ম (বিধি)**

1. **শুদ্ধতা**: পাঠের আগে স্নান করে শুদ্ধ হয়ে নিন। পরিষ্কার লাল বা সাদা কাপড় পরুন।
2. **আসন**: পূর্ব বা উত্তর দিকে মুখ করে বসুন। আসনের উপর লাল কাপড় বিছিয়ে বসলে ভালো।
3. **সময়** (উত্তম):
- **নবরাত্রির** সময় (বিশেষ করে অষ্টমী ও নবমী)
- প্রতিদিন সকালে বা সন্ধ্যায়
- মঙ্গলবার ও শুক্রবার
- দুর্গা পূজার সময়
4. **সংখ্যা**: প্রথমে **১ বার**, পরে নিয়মিত **৩, ৫, ৭ বা ২১ বার** পাঠ করুন। ইচ্ছা করলে ১০৮ বারও করা যায়।
5. **ধ্যান**: পাঠের আগে মা দুর্গার রূপ ধ্যান করুন (দশভুজা, সিংহবাহিনী)। শ্লোকগুলো ধীরে ধীরে স্পষ্ট উচ্চারণে পড়ুন।
6. **সমাপ্তি**: পাঠের শেষে **“ওঁ ঐং হ্রীং ক্লীং চামুণ্ডায়ৈ বিচ্চে”** বা **“জয় মা দুর্গা”** বলে প্রণাম করুন।
7. **নিষেধ**: অশুদ্ধ অবস্থায়, মাংস-মদ্য সেবনের পর বা রাগের সময় পাঠ করবেন না।

---

**সবচেয়ে সহজ নিয়ম**:
প্রতিদিন সন্ধ্যায় শান্ত মনে ১ বার পুরো স্তোত্র পাঠ করুন। ধীরে ধীরে অভ্যাস করলে মায়ের কৃপা নিজেই অনুভব করবেন।

**জয় মা দুর্গা 🙏**
**জয় ভবানী, জয় অম্বে!**

#আত্ম_জাগরণ

🌺নারায়ণ স্তোত্রম্ (আদি শঙ্করাচার্য বিরচিত)🌺নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে ॥  নারায়ণ নারায়ণ জয় গোপাল হরে ॥করুণাপারাবার বরুণ...
23/05/2026

🌺নারায়ণ স্তোত্রম্ (আদি শঙ্করাচার্য বিরচিত)🌺

নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে ॥
নারায়ণ নারায়ণ জয় গোপাল হরে ॥

করুণাপারাবার বরুণালয়গম্ভীর নারায়ণ ॥ ১ ॥
ঘননীরদসংকাশ কৃতকলিকল্মষনাশন নারায়ণ ॥ ২ ॥
নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে...

যমুনাতীরবিহার ধৃতকৌস্তুভমণিহার নারায়ণ ॥ ৩ ॥
পীতাংবরপরিধান সুরকল্যাণনিধান নারায়ণ ॥ ৪ ॥
নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে...

মঞ্জুলগুঞ্জাভূষ মায়ামানুষবেষ নারায়ণ ॥ ৫ ॥
রাধাধরমধুরসিক রজনীকরকুলতিলক নারায়ণ ॥ ৬ ॥
নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে...

মুরলীগানবিনোদ বেদস্তুতভূপাদ নারায়ণ ॥ ৭ ॥
বারিজভূষাভরণ রাজীবরুক্মিণীরমণ নারায়ণ ॥ ৮ ॥
বর্হিনিবর্হাপীড নটনাটকফণিক্রীড় নারায়ণ ॥
নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে...

জলরুহদলনিভনেত্র জগদারম্ভকসূত্র নারায়ণ ॥ ৯ ॥
পাতকরজনীসংহার করুণালয় মামুদ্ধর নারায়ণ ॥ ১০ ॥
নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে...

অঘবকহয়কংসারে কেশব কৃষ্ণ মুরারে নারায়ণ ॥ ১১ ॥
হাটকনিভপীতাংবর অভয়ং কুরু মে মাঽবর নারায়ণ ॥ ১২ ॥
নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে...

দশরথরাজকুমার দানবমদসংহার নারায়ণ ॥ ১৪ ॥
গোবর্ধনগিরিধর গোপীমানসহরণ নারায়ণ ॥ ১৫ ॥
নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে...

সরয়ূতীরবিহার সজ্জনর্ষিমন্দার নারায়ণ ॥ ১৬ ॥
বিশ্বামিত্রমখত্র বিবিধবরানুচরিত্র নারায়ণ ॥ ১৭ ॥
নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে...

ধ্বজবজ্রাঙ্কুশপাদ ধরণীসুতসহমোদ নারায়ণ ॥ ১৮ ॥
জনকসুতাপ্রতিপাল জয় জয় সংস্মৃতিলীল নারায়ণ ॥ ১৯ ॥
নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে...

দশরথবাগ্ধৃতিভার দণ্ডকবনসংচার নারায়ণ ॥ ২০ ॥
মুষ্টিকচাণূরসংহার মুনিমানসবিহার নারায়ণ ॥ ২১ ॥
নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে...

বালিবিনিগ্রহশৌর্য বরসুগ্রীবহিতার্থ নারায়ণ ॥ ২২ ॥
মাং মুরলীকর ধীবর পালয় পালয় শ্রীধর নারায়ণ ॥ ২৩ ॥
নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে...

জলনিধিবন্ধনধীর রাবণকণ্ঠবিদার নারায়ণ ॥ ২৪ ॥
তাটকামর্দন রাম নটগুণবিবিধসুরাম নারায়ণ ॥ ২৫ ॥
নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে...

গৌতমপত্নীপূজন করুণাঘনাবলোকন নারায়ণ ॥ ২৬ ॥
সংভ্রমসীতাহার সাকেতপুরবিহার নারায়ণ ॥ ২৭ ॥
নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে...

অচলোদ্ধৃতচঞ্চত্কর ভক্তানুগ্রহতৎপর নারায়ণ ॥ ২৮ ॥
নৈগমগানবিনোদ রক্ষিতসুপ্রহ্লাদ নারায়ণ ॥ ২৯ ॥
নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে...

নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে নারায়ণ ॥
নারায়ণ নারায়ণ জয় গোপাল হরে নারায়ণ নারায়ণ নারায়ণ ॥

**ইতি শ্রীমচ্ছংকরাচার্যবিরচিতং নারায়ণস্তোত্রং সম্পূর্ণম্ ॥**

**✅ নারায়ণ স্তোত্রম্ - বাংলা অনুবাদ✅**

নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে ॥
নারায়ণ নারায়ণ জয় গোপাল হরে ॥

**১.** করুণার অতল সাগর, বরুণালয়ের মতো গম্ভীর নারায়ণ।
**২.** ঘন নীল মেঘের মতো শ্যামবর্ণ, কলির সমস্ত পাপ নাশকারী নারায়ণ।

নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে...

**৩.** যমুনাতীরে বিহারকারী, কৌস্তুভ মণিহার ধারণকারী নারায়ণ।
**৪.** পীতাম্বর পরিহিত, দেবতাদের কল্যাণের আধার নারায়ণ।

নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে...

**৫.** সুন্দর মাল্য ও গুঞ্জা দিয়ে ভূষিত, মায়াময় মানুষরূপী নারায়ণ।
**৬.** রাধার অধরের মধুরসে আসক্ত, চন্দ্রকুলের তিলক নারায়ণ।

নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে...

**৭.** মুরলীর গানে আনন্দিত, বেদস্তুত পাদপদ্মযুক্ত নারায়ণ।
**৮.** পদ্মের মতো চক্ষু বিশিষ্ট, রুক্মিণীর স্বামী নারায়ণ।
বর্হিনিবর্হাপীড় নটনাটকফণিক্রীড় নারায়ণ।

নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে...

**৯.** পদ্মপত্রের মতো নয়নযুক্ত, জগতের সৃষ্টির সূত্রস্বরূপ নারায়ণ।
**১০.** পাপরূপী রজনীকে সংহারকারী, করুণার আধার — আমাকে উদ্ধার করো নারায়ণ।

নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে...

**১১.** অঘ, বক, হয়, কংসের বিনাশকারী, কেশব কৃষ্ণ মুরারি নারায়ণ।
**১২.** সোনার মতো পীতাম্বরধারী, আমাকে অভয় দান করো নারায়ণ।

নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে...

**১৪.** দশরথের রাজকুমার, দানবদের দর্পহারী নারায়ণ।
**১৫.** গোবর্ধন গিরি ধারণকারী, গোপীদের মন হরণকারী নারায়ণ।

নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে...

**১৬.** সরযূতীরে বিহারকারী, সজ্জন ও ঋষিদের মন্দার নারায়ণ।
**১৭.** বিশ্বামিত্রের যজ্ঞরক্ষক, নানাবিধ বরদানের চরিত্র নারায়ণ।

নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে...

**১৮.** ধ্বজ, বজ্র ও অঙ্কুশ চিহ্নিত পাদযুক্ত, ধরণীপুত্রের সাথে আনন্দিত নারায়ণ।
**১৯.** জনকনন্দিনীর রক্ষক, জয় জয় স্মৃতিলীলাময় নারায়ণ।

নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে...

**২০.** দশরথের বাক্য পালনের ভার বহনকারী, দণ্ডকবনে সঞ্চারী নারায়ণ।
**২১.** মুষ্টিক ও চাণূরের সংহারকারী, মুনিদের মনের বিহারস্থল নারায়ণ।

নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে...

**২২.** বালির বিনাশে শৌর্য প্রকাশকারী, সুগ্রীবের হিতকারী নারায়ণ।
**২৩.** হে মুরলীধারী শ্রীধর, আমাকে পালন করো, পালন করো নারায়ণ।

নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে...

**২৪.** সমুদ্রবন্ধনে ধীর, রাবণের কণ্ঠবিদারক নারায়ণ।
**২৫.** তাড়কা বধকারী রাম, নাট্যগুণে বিভূষিত সুর নারায়ণ।

নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে...

**২৬.** গৌতমপত্নী অহল্যার পূজনকারী, করুণাঘন দৃষ্টিদাতা নারায়ণ।
**২৭.** সীতাহরণে সংভ্রমিত, অযোধ্যাপুরীতে বিহারকারী নারায়ণ।

নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে...

**২৮.** অচলকে উদ্ধার করে চঞ্চল করকারী, ভক্তদের অনুগ্রহে তৎপর নারায়ণ।
**২৯.** বেদগানে আনন্দিত, প্রহ্লাদকে রক্ষাকারী নারায়ণ।

নারায়ণ নারায়ণ জয় গোবিন্দ হরে নারায়ণ ॥
নারায়ণ নারায়ণ জয় গোপাল হরে নারায়ণ নারায়ণ নারায়ণ ॥

**ইতি শ্রীমচ্ছংকরাচার্যবিরচিত নারায়ণস্তোত্রম্ সম্পূর্ণম্।**

🙏 জয় শ্রীনারায়ণ।

**✅ নারায়ণ স্তোত্রম্ - মাহাত্ম্য ও নিয়ম✅**

# # # 🌸 **নারায়ণ স্তোত্রম্ মাহাত্ম্য (গুণ ও ফল)**

শ্রীমচ্ছংকরাচার্য বিরচিত এই নারায়ণ স্তোত্রটি অত্যন্ত শক্তিশালী। এর মাহাত্ম্য নিম্নরূপ:

- **পাপ নাশ**: কলির সমস্ত পাপ, অজ্ঞানতা ও দুঃখ দূর হয়।
- **মুক্তি লাভ**: ভক্তের মনকে বিষ্ণুর প্রতি আকৃষ্ট করে এবং শেষে মোক্ষ প্রদান করে।
- **সুরক্ষা**: ভয়, শত্রু, বিপদ, রোগ ও দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করে।
- **সমৃদ্ধি**: ধন, সন্তান, সুখ-শান্তি ও ঐশ্বর্য বৃদ্ধি করে।
- **ভক্তি বৃদ্ধি**: শ্রীকৃষ্ণ / শ্রীবিষ্ণুর প্রতি গভীর ভক্তি জাগ্রত হয়।
- **মানসিক শান্তি**: চিন্তা, উদ্বেগ, ঘুমের সমস্যা দূর হয়।
- বিশেষ করে **সন্ধ্যাকালে** বা **রাত্রে** পাঠ করলে অধিক ফল পাওয়া যায়।

যারা নিয়মিত এই স্তোত্র পাঠ করেন, তাদের জীবনে বিষ্ণুর কৃপা সবসময় বিরাজ করে।

---

# # # 📜 **পাঠের নিয়ম (বিধি)**

1. **শুদ্ধতা**: পাঠের আগে গোসল বা হাত-মুখ ধুয়ে শুদ্ধ হয়ে নিন। পরিষ্কার কাপড় পরুন।
2. **আসন**: পূর্ব বা উত্তরমুখী হয়ে বসুন। পাতা, কম্বল বা আসনের উপর বসবেন।
3. **সময়**:
- সকালে ব্রহ্মমুহূর্তে (ভোর ৪-৬ টা)
- সন্ধ্যায় (সূর্যাস্তের সময়)
- রাত্রে ঘুমানোর আগে (সবচেয়ে উত্তম)
4. **সংখ্যা**: নিয়মিত **১১, ২১, ৫১ বা ১০৮ বার** পাঠ করুন। শনি-মঙ্গলবার বিশেষ ফলদায়ক।
5. **মন্ত্র জপ**: পাঠের আগে ও পরে **“ওঁ নমো নারায়ণায়”** মন্ত্র ১০৮ বার জপ করলে ফল শতগুণ বেড়ে যায়।
6. **ভাব**: মনে মনে শ্রীনারায়ণের রূপ ধ্যান করতে করতে পাঠ করুন। শুধু মুখস্থ নয়, ভক্তিসহকারে পড়ুন।
7. **নিষেধ**: অশুদ্ধ অবস্থায়, রাগ-ঝগড়ার সময় বা মাংস-মদ্য সেবনের পর পাঠ করবেন না।

---

**সবচেয়ে সহজ নিয়ম**: প্রতিদিন রাতে শুয়ে শুয়ে একবার পুরো স্তোত্র পাঠ করুন। ধীরে ধীরে উচ্চারণ করে পড়বেন।

জয় শ্রীনারায়ণ 🙏
জয় শ্রীকৃষ্ণ 🙏

#আত্ম_জাগরণ

Address

Narsingdi
80333

Telephone

+8801634301175

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আত্ম জাগরণ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to আত্ম জাগরণ:

Share