শ্রুতি সাংস্কৃতিক একাডেমি Shruti Shangskritik Academy

  • Home
  • Bangladesh
  • Narayanganj
  • শ্রুতি সাংস্কৃতিক একাডেমি Shruti Shangskritik Academy

শ্রুতি সাংস্কৃতিক একাডেমি Shruti Shangskritik Academy Shruti Shangskritik Acedemy is a renowned nonprofitable Institution & Cultural Organization.

It offers instruction in, and conducts Research, Training & Schooling on Recitation, Music, Dance, Drama, Art, Painting & promoting Artists & Performers.

নজরুল সংগীত আর আধুনিক গানে নিজেকে তৈরি করা এক তরুণী কেবল তার গুরুর অনুরোধে, অনেকটা ‘তাচ্ছিল্যের’ মনোভাব নিয়ে মঞ্চে উঠেছি...
14/09/2025

নজরুল সংগীত আর আধুনিক গানে নিজেকে তৈরি করা এক তরুণী কেবল তার গুরুর অনুরোধে, অনেকটা ‘তাচ্ছিল্যের’ মনোভাব নিয়ে মঞ্চে উঠেছিলেন লালন ফকিরের গান গাইতে। তিনি গেয়েছিলেন 'সত্য বল সুপথে চল' শিরোনামের গানটি।

ওই গানেই বাঁক বদলে যায়, তরুণী অনুভব করেন এক ‘ঐশ্বরিক অনুরণন’। তার উপলব্ধি হয়, থেমে গেল চলবে না, মিশে যেতে হবে সাঁইজির গানে।

সেই থেকে শুরু। সেই তরুণী এখন লালনের গানের কিংবদন্তি শিল্পী ফরিদা পারভীন। তিনি কেবল লালনের গানকে কণ্ঠে ধারণ করেননি, সাঁইজির গানকে উত্তরসূরীদের মাধ্যমে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন পাঁচ দশক ধরে। তৈরি করেছেন লালনের গানের পাঠশালা 'অচিন পাখি সংগীত একাডেমি'।

সংগীতের এই দীর্ঘ যাত্রায় একুশে পদক পাওয়া ফরিদা পারভীনের আক্ষেপ, নতুন প্রজন্ম ‘শুদ্ধভাবে লালন চর্চা করছে না’। লালনের গান উপস্থাপনার হালের প্রবণতাও ‘সঠিক নয়’ বলে তার ভাষ্য। তার মতে, হৃদয়ের গভীর উপলব্ধি থেকে লালন চর্চার কোনো বিকল্প হতে পারে না।

এক ছুটির দিনে 'অচিন পাখি সংগীত একাডেমিতে' গিয়ে ফরিদা পারভীনের সঙ্গে কথা হয়। গানের ধারা বদলে কীভাবে তিনি নিজেকে সমর্পণ করেছিলেন লালনের বাণীতে, সেই গল্প শুনিয়েছেন তিনি।

প্রশ্ন: বাসায় সময় কীভাবে কাটে?

ফরিদা পারভীন: কেটে যায়, বাসায় মোবাইল আছে না! খবর শুনি, বাচ্চাদের সাথে এটা সেটা সেসব দেখতে দেখতেই সময় কেটে যায়। কোথাও যাই না, বের হওয়া হয় না। মাঝে মধ্যে অচিন পাখিতে (ফরিদা পারভীনের সংগীত প্রতিষ্ঠান) যাই। বাচ্চারা খুব পছন্দ করে আমাকে, ভালোবাসে।

প্রশ্ন: লালনের গানে শুরুটা কীভাবে হয়েছিল?

ফরিদা পারভীন: ১৯৭২ কিংবা ৭৩ সালের দিকে। অর্থাৎ স্বাধীনতার পর কুষ্টিয়ার ছেঁউরিয়াতে দোল পূর্ণিমার উৎসব হচ্ছিল, আমার গুরু মোকছেদ সাঁই বললেন, “মা লালনের মহাউৎসব হবে, সেখানে তোকে একটা গান গাইতে হবে।”

আমি বললাম, ধূর এসব গান গায় নাকি মানুষ। না কাকা আমি এসব গান করব না। আমার ভালো লাগে না।

আমি তখন খুব ভালো নজরুলের গান করি, দেশের গান করি, ক্লাসিক্যাল চর্চা করি, আধুনিক গান করি। মানুষের হৃদয়ের কাছে পৌঁছানোর গান করি। আমি মানা করে দিলাম এই গান করব না।

তারপরও গুরু খুব বিনয়ের সঙ্গে আমাকে বললেন, “দেখ মা এটা আমাদের এখানকার সংস্কৃতি, অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিরা আসেন এখানে দোল পূর্ণিমা অনুষ্ঠান দেখতে। তুই একটা গান কর, সবাই পছন্দ করবে।”

তখন আমি খুব তাচ্ছিল্যের সঙ্গে বললাম ঠিক আছে আমাকে একটা গান শিখিয়ে দেন ৷

প্রশ্ন: কোন গান দিয়ে শুরু?

ফরিদা পারভীন: লালন সাঁইজির 'সত্য বল সুপথে চল' এই গান দিয়ে প্রথম আমার লালন গীতি শেখা। সেদিন যখন আমি স্টেজে গানটি করলাম, তখন সবাই খুব আন্তরিকতার সঙ্গে বললেন আরেকটা গান গাও। আমি বললাম, ভাই আমি তো আর গান শিখিনি, আবার শিখে আসি, তখন আবার শোনাব।

সেদিন ফিরে এসে আমার আর ঘুম হচ্ছিল না। আমার মা আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, “তোর কি আজ গান ভালো হয়নি?” কারণ মা জানতেন গান ভালো না হলে আমার মনটা খারাপ থাকে। আমি বললাম গান তো গাইলাম, উনারা এত প্রশংসা করলেন আমি তো তাদের আর গান শোনাতে পারিনি।

তখন আমার প্রাণের মধ্যে মনের মধ্যে এক ধরনের অনুরণন ঘটেছিল, যেটা ঐশ্বরিক অনুরণন। আমি শান্তি পাচ্ছিলাম না। আমার মনে হল আমাকে এই গান আরও করতে হবে, এই গান শিখতে হবে।

গান গাইতে না পেরে ঘুম হারাম হয়েছিল, সেদিনই বুঝেছিলাম লালনই আমার পথ। এরপর গুরু আমাকে একটা একটা করে গান শেখাতে লাগলেন। আর এভাবেই লালন গানের শুরু। এখন এই লালন ফকিরই আমাকে সবার প্রাণের মধ্যে উপস্থাপন করেছে। এই গান দিয়ে আমাকে প্রতিষ্ঠিত করবেন বলেই সেদিন 'সত্য বল সুপথে চল' গানটি আমাকে দিয়ে করিয়েছিলেন।

প্রশ্ন: আপনার বেড়ে ওঠা কুষ্টিয়ায়, তখন গানের পরিবেশ কেমন ছিল?

ফরিদা পারভীন: আমি বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান ছিলাম। পড়ালেখা আর গান এই দুই নিয়েই আমার জীবন। আমার বাবা প্রয়াত দেলোয়ার হোসেন পেশায় সরকারি চিকিৎসক ছিলেন। একটা মেয়ে হলে যেটা হয়, মা বাবার কাছে যাই চাচ্ছি তাই দিচ্ছে, বিশেষ করে গানের ক্ষেত্রে।

বাবা অসম্ভব আমাকে সহযোগিতা করেছেন, মা সহযোগিতা করেছেন। তাই আশপাশের মানুষের কথা আমরা গায়ে লাগাতাম না। বাবা বলতেন আমার একটা মেয়ে, সে গান করুক। তাতে সমস্যা নেই। তবে আমি ছিলাম মারমুখো স্বভাবের মেয়ে। কিছু কিছু ছেলেমেয়ে বাজে মন্তব্য করত, তবে আমার সাথে পারত না। আমি গালাগাল দিয়ে চুপ করিয়ে দিতাম।

প্রশ্ন: আপনাকে লালন সংগীতের 'রাণী বা সম্রাজ্ঞী' বলা হয়, এই পরিচয়টা আপনি কীভাবে দেখেন?

ফরিদা পারভীন: লালনের গানের সম্রাজ্ঞী হওয়া যায় না, অবগাহন করা যায়, আত্মস্থ করা যায়। এসব সম্রাজ্ঞী, রাণী, লালন কন্যা এসব উপাধি অযথা। এসব আমি একদমই পছন্দ করি না। কেউ যদি লালনের বাণীগুলো অন্তর থেকে আত্মস্থ করতে পারে সে সামনের দিকে এগিয়ে যাবেন। এসব নাম দেওয়ার কোনো যুক্তি নেই। আমি লালনের গান অন্তর আত্নার সাথে আত্মা মিলিয়ে এই পর্যন্ত এসেছি। তাই এসব নাম আমার ভালো লাগে না।

প্রশ্ন: লালনের দর্শন ব্যক্তি জীবনে কেমন প্রভাব ফেলেছে?

ফরিদা পারভীন: ব্যক্তিগত জীবনে নানান ধরনের পরীক্ষা হয়, ওগুলো নিয়ে আমি কখনো মাথা ঘামাইনি। আর পেশাগত জীবনে আমি সুরের সঙ্গে সুর মিলিয়েছি, লালনের গান গেয়ে দর্শক শ্রোতার আশ্বস্ততা অর্জন করেছি।

প্রশ্ন: লালনের কোন গানটি আপনার সব থেকে পছন্দের?

ফরিদা পারভীন: প্রতিটা গানই আমার সন্তানতুল্য। ধরেন আমার পাঁচটা ছেলেপুলে আছে, আমি কী পাঁচজনকে একটু বেশি পছন্দ, কম পছন্দ করে ভাগ করতে পারি? পারি না তো। কারণ সব কয়টাই আমার ছেলেমেয়ে। সাঁইজির যত গুলো গান আমি গেয়েছি, আন্তরিকতার সঙ্গে গাওয়ার চেষ্টা করেছি। তাই সবই আমার পছন্দের গান।

প্রশ্ন: লালনের গান এখন ব্যান্ড সংগীত বা আধুনিক ধারায় নিয়ে আসছেন অনেকে। বিষয়টা আপনি কীভাবে দেখেন?

ফরিদা পারভীন: না, ওইভাবে লাফালাফি করে লালনের গান হয় না। আমার কাছে একটা কথাই বারবার ঘুরে ফিরে আসে, লালনের গানে অবগাহন কর। সুন্দর করে বুঝে মানুষের কাছে পৌঁছে দাও। এটা লালনের বাণী, গান নয়। নাচবে গাইবে এভাবে সেভাবে গান করবে এসব আসলে হয় না। আধুনিকভাবে লালনের গান উপস্থাপন করার যে প্রবণতা সেটা সঠিক নয়। এই গানগুলো নিভৃতে বসে গাইতে হয়, গভীর উপলব্ধি থেকে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হয়।

প্রশ্ন: লালনের গান আজকের প্রজন্ম কীভাবে গ্রহণ করছে বলে মনে করেন?

ফরিদা পারভীন: আজকাল অনেকেই লালন ফকিরের গান গাইছেন। এটা আশার কথা হলেও দুঃখজনক এই যে, এদের অনেকেই গানের বাণী ঠিকমতো উচ্চারণ করতে পারেন না। আবার, অনেকেরই তাল, লয় ঠিক নেই। আমরা গুরুর প্রতি ভালোবাসা থেকে গানটি গ্রহণ করার প্রয়োজন অনুভব করতাম। এখনকার অনেকের মধ্যে সেই আন্তরিকতা আর ভক্তি নেই। লালনের গানের চর্চাপ্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দিতে আমি সংগীত একাডেমিও প্রতিষ্ঠা করেছি। আমার স্কুলের সন্তানদের শিখিয়েছি ভালোবাসা থেকে গানগুলো গ্রহণ করছে। সত্য কথা সত্যভাবে শিখানোর চেষ্টা করি। সংগীত নিয়ে কোনো প্রতারণা নেই। নতুনদের বলব যতক্ষণ গানটা সঠিক না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত ভিতরে গান করার যন্ত্রণা থাকতে হবে, সঠিক ভাবে গাইতে হবে।

প্রশ্ন: লালনের গান সংরক্ষণে ১০০ গান নিয়ে একটা বই তৈরির কথা ছিল, সেই উদ্যোগ কতদূর এগিয়েছে?

ফরিদা পারভীন: লালনের অনেক গান এদিকে সেদিক হয়ে গেছে। সেগুলো খুঁজে বের করতে হচ্ছে। অনেক গান মিলিয়ে ফেলেছে, অর্থাৎ এক গানের লাইন আরেক গানে নিয়ে গেছে। শারীরিক অসুস্থতা, বিভিন্ন কারণে সেটি করা শেষ হচ্ছে না। এখন পর্যন্ত আমার গাওয়া সাঁইজির ৭৫ টা গান লিপিবদ্ধ হয়েছে, আরও ২৫টা গান একসঙ্গে করা হবে। কাজ এগোচ্ছে।

কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে সুকান্ত জন্মশতবর্ষ উদযাপন পর্ষদ'র আয়োজনে আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় 'ক' বিভাগ ( শি...
17/08/2025

কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে সুকান্ত জন্মশতবর্ষ উদযাপন পর্ষদ'র আয়োজনে আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় 'ক' বিভাগ ( শিশু থেকে তৃতীয় শ্রেণি) থেকে প্রথম স্থান অর্জন করেছে আমাদের শ্রুতি'র ছোট্ট বন্ধু তাহির উল ইসলাম রোজান। এবং 'ঘ' বিভাগ (কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও সর্বসাধারণ) থেকে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে শ্রুতির আরেক বন্ধু মেঘ মেলা।

বহে যতীন অনন্তে, বিভার মহাতরঙ্গে  নদীর মতো গভীর জ্ঞান, আকাশের মতো বিস্তৃত চিন্তা—এভাবেই বলা যায় বাংলার এই অনন্য চিন্তক, ...
13/08/2025

বহে যতীন অনন্তে, বিভার মহাতরঙ্গে


নদীর মতো গভীর জ্ঞান, আকাশের মতো বিস্তৃত চিন্তা—এভাবেই বলা যায় বাংলার এই অনন্য চিন্তক, শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক ও লেখকের সাহিত্যজীবনকে। শব্দ আর চিন্তার অবারিত প্রান্তরে, তিনি বপন করেছেন প্রজ্ঞার বীজ। যা আজও অঙ্কুরিত হয়ে দিচ্ছে জ্ঞানের শস্য, মননের ফুল। তাঁর কলমে ফুটে উঠত ইতিহাসের আলো আর ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির গভীর অন্বেষণ। তিনি কেবল লেখক নন, ছিলেন সময়ের সাক্ষী, প্রজন্মের শিক্ষক এবং একজন সত্যান্বেষী।

১৯৩৬ সালের ১৮ আগস্ট নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার চন্দপাড়া গ্রামে জন্মেছিলেন জ্ঞানবৃক্ষ যতীন সরকার। শৈশব থেকেই শিক্ষার প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ, আর সমাজ-সংস্কৃতি-ইতিহাসের প্রতি অদম্য কৌতূহল তাঁকে গড়ে তুলেছিল এক সৃজনশীল ও প্রজ্ঞাময় ব্যক্তিত্বে। ১৯৫৪ সালে মেট্রিকুলেশন পাসের পর ভর্তি হন নেত্রকোনা কলেজে। পরবর্তীতে ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী আনন্দমোহন কলেজ থেকে স্নাতক শেষে স্নাতকোত্তর হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে, বিষয় বাংলা ভাষা ও সাহিত্য। স্নাতকোত্তরের বছরেই ময়মনসিংহের গৌরীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে ময়মনসিংহের নাসিরাবাদ কলেজে অধ্যাপনায় যোগ দেন। শিক্ষকতা তাঁর কাছে ছিল শুধু পেশা নয়, বরং প্রজন্ম গঠনের একটি দায়িত্বশীল অঙ্গীকার। ক্লাসরুমে যেমন, তেমনি লেখালেখিতেও তিনি ছিলেন স্পষ্টভাষী, সত্যনিষ্ঠ ও নির্মোহ।

তাঁর জীবন ছিল সরলতার এক মূর্ত প্রতীক—যেন নদীর শান্ত স্রোত, অমলিন অথচ গভীর। বিলাস-বহুলতার মোহ তাঁর কাছে ছিল অনর্থক; বরং তিনি খুঁজে পেতেন আনন্দ এক কাপ চায়ের ধোঁয়ায়, ছাত্রের চোখে কৌতূহলের আলোয়, কিংবা বইয়ের পাতায় লুকানো সময়ের গন্ধে। পরিমিত চাহিদা, মিতভাষিতা ও নির্মোহ মনোভাব তাঁর জীবনের প্রতিটি দিনকে গড়ে তুলেছিল এক নীরব মহিমায় ভরা কবিতায়, যা পড়তে হয় হৃদয়ের ভাষায়, উচ্চারণ ছাড়াই। সদা হাস্যোজ্জ্বল এই মানুষটির মধ্যে বিরাজ করত এক অদ্ভুত প্রাণশক্তি, যা ছড়িয়ে যেত তাঁর চারপাশের মানুষের মাঝে।

তাঁর সাহিত্য ও গবেষণার বিস্তার ছিল বহুমুখী—বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের নানা দিক, লোকসংস্কৃতি, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, সাম্প্রদায়িকতা-বিরোধী চেতনা এবং বাঙালি জাতিসত্তার প্রশ্নে তাঁর কলম ছিল তীক্ষ্ণ, বিশ্লেষণধর্মী ও সাহসী। রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলকে ভুল ব্যাখ্যার শিকার হওয়ার বিপদ তিনি যেমন দেখিয়েছেন, তেমনি সমকালীন সমাজে অসাম্প্রদায়িক চেতনার অবক্ষয় নিয়েও লিখেছেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনাসমূহ— ‘বাংলাদেশের কবিগান’, ‘বাঙালির সমাজতান্ত্রিক ঐতিহ্য’, ‘সংস্কৃতির সংগ্রাম’, ‘মানবমন’, ‘মানবধর্ম ও সমাজবিপ্লব’, ‘দ্বিজাতিতত্ত্ব’, ‘নিয়তিবাদ ও বিজ্ঞান-চেতনা’, ‘সংস্কৃতি ও বুদ্ধিজীবী সমাচার’, ‘আমাদের চিন্তাচর্চার দিক-দিগন্ত’, ‘রাজনীতি ও দুর্নীতি বিষয়ক কথাবার্তা’, ‘ধর্মতন্ত্রী মৌলবাদের ভূত ভবিষ্যৎ’, ‘পাকিস্তানের ভূত দর্শন’, ‘ভাষা-সংস্কৃতি উৎস নিয়ে ভাবনা চিন্তা’, ‘প্রাকৃতজনের জীবনদর্শন’, ‘সত্য যে কঠিন’, ‘আমার রবীন্দ্র অবলোকন’, ‘কালের কপোল তলে’, ‘প্রান্তিক ভাবনা পুঞ্জ’, ‘ব্যাকরণের ভয় অকারণ’। শিশুসাহিত্য ও ব্যাকরণে ‘গল্পে গল্পে ব্যাকরণ’, বাংলা একাডেমির জীবনী গ্রন্থমালায় ‘কেদারনাথ মজুমদার’, ‘চন্দ্রকুমার দে’, ‘হরিচরণ আচার্য’, ‘সিরাজউদ্দিন কাসিমপুরী’। সম্পাদিত গ্রন্থ—‘রবীন্দ্রনাথের সোনার তরী’, ‘প্রসঙ্গ মৌলবাদ’, ‘জালাল গীতিকা সমগ্র’, যা বাংলা সাহিত্যে অনন্য।

পাকিস্তানের ইতিহাস ও বাঙালির চেতনা বিকাশে সমর্পিত তাঁর চিন্তাধারা, বিশেষ করে ‘পাকিস্তানের জন্মমৃত্যু দর্শন’, পাঠকের মনকে নাড়া দিয়েছে। তাঁর আত্মজৈবনিক-দার্শনিক লেখায় পাকিস্তানের জন্ম ও পতনের প্রেক্ষাপট, সমাজতন্ত্রের উত্থান-পতনের বিশ্লেষণ, এবং মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশের সামাজিক রূপান্তর ধরা পড়েছে নির্মোহ অথচ হৃদয়স্পর্শী ভঙ্গিতে। তাঁর লেখায় ইতিহাস, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমাজবোধের এক অনন্য সংমিশ্রণ মেলে।

তাঁর চিন্তার বিশেষত্ব ছিল নিরপেক্ষতা— যেখানে তিনি নিজের রাজনৈতিক অবস্থান অটুট রেখেও দলীয় তোষামোদের বাইরে থেকে সত্য উচ্চারণ করেছেন। নীতির প্রশ্নে তিনি কখনও আপস করেননি, যা তাঁকে সমসাময়িক সাহিত্যিক ও চিন্তাবিদদের ভিড়ে আলাদা মর্যাদায় স্থাপন করেছে। সাম্যবাদী দর্শনের অদম্য পতাকা হাতে, তিনি হেঁটেছেন সারা জীবন—তার বিস্তৃত ও মননশীল সাহিত্যসাগরের ঢেউয়ে সেই দর্শনের ছাপ অম্লান। ছিলেন বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের এক সাহসী যোদ্ধা, মহান স্বাধীনতাযুদ্ধেও তার বৌদ্ধিক অবদান অবিস্মরণীয়।

বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক একুশে পদক, স্বাধীনতা পদক, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, ডাক্তার মোহাম্মদ এনামুল হক স্বর্ণ পদক, জহুর হোসেন চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার, শ্রুতি পুরস্কার, ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল সাহিত্য পুরস্কার, প্রথম আলো বর্ষসেরা গ্রন্থ পুরস্কার, ময়মনসিংহ প্রেস ক্লাব লিটারারি অ্যাওয়ার্ড, খালেকদাদ চৌধুরী সাহিত্য পুরস্কার এবং মনিরুদ্দিন ইউসুফ সাহিত্য অ্যাওয়ার্ড তাঁর সাহিত্য, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক অবদানের উজ্জ্বল স্বীকৃতি। তবে পুরস্কারের চেয়ে বড় ছিল তাঁর চিন্তা ও সৃজনশীলতার প্রভাব—যা ছাত্র, পাঠক ও সহকর্মীদের মনে গভীরভাবে স্থায়ী হয়ে থাকবে চিরকাল।

যতীন সরকার হচ্ছেন এক আলোকবর্তিকা, যার আলো শুধু তাঁর সময়কেই আলোকিত করেনি, বরং আগামী প্রজন্মকেও পথ দেখাবে—জ্ঞান, সততা ও সংস্কৃতির পথে। সমাজতন্ত্র, অসাম্প্রদায়িকতা ও মানবিকতার যে মূল্যবোধ তিনি লালন করতেন, তা আজও সমান প্রাসঙ্গিক। সমকালীন বাংলাদেশে তাঁর মতো পড়াশোনায় গভীর, চিন্তায় মুক্ত ও নীতিতে অবিচল মানুষ সত্যিই বিরল।

১৩ আগস্ট, বুধবারের দুপুর আড়াইটায়, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শয্যা ছেড়ে তিনি পাড়ি দিলেন অনন্তের পথে—দীপ্তিময় এক অম্লান জীবন ছেড়ে। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি আমাদের মাঝে শারীরিকভাবে নেই, তবু তার শব্দ, তার চিন্তা, তার আলোর শিখা জ্বলে থাকবে চিরকাল, বাংলার জ্ঞানভুবনে এবং আমাদের হৃদয়ের অন্তস্তলে। শ্রুতি সাংস্কৃতিক একাডেমি আর দাদার (রনজিত কুমার) কারণে পেয়েছি অসংখ্য গুণী ব্যক্তির সান্নিধ্য, যার মাঝে রয়েছেন যতীন সরকারও; সরাসরি তাঁর কথা শোনা, তাঁর সঙ্গে আড্ডা দেওয়া— আমার মতো ক্ষুদ্রের জন্য ছিল পরম পাওয়া। শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় স্মরণ করছি এই গুণী প্রাজ্ঞজনকে! মঙ্গলময় হোক আপনার অনন্তযাত্রা! আমাদের জন্য আশীর্বাদ করবেন, আমরাও যেন সত্য ও সুন্দরের পাল তুলে বিভার মহাতরঙ্গে ভাসতে পারি...!

— অরিন্দম পাল ঝিনুক
১৩ আগস্ট, ২০২৫

ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণহানি হয়েছে বহু...
22/07/2025

ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণহানি হয়েছে বহু মানুষের, যার মধ্যে রয়েছে অনেক শিশুও। আমরা আমাদের গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি সেই সকল পরিবারের প্রতি, যারা তাদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন। একইসঙ্গে আহতদের দ্রুত এবং সম্পূর্ণ সুস্থতা কামনা করছি।

আবদুর রহমান (২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৫ - ১৫ জুন ২০২৪)।আবদুর রহমান নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়ার নয়াপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। বাবা শাহেদ...
15/06/2025

আবদুর রহমান (২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৫ - ১৫ জুন ২০২৪)।
আবদুর রহমান নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়ার নয়াপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। বাবা শাহেদ আলী, মা আমেনা বেগম। তিনি বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত থেকে সমাজে বিরাজমান অন্যায়, নিপীড়ন ও দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে আমৃত্যু লড়াই করে গেছেন। তিনি যেমনি ছিলেন সাহসী তেমনি নিষ্ঠাবান। নীতি ও আদর্শের প্রতি একনিষ্ঠ, অবিচল ও সোচ্চার।
তিনি যখন ক্লাস এইটের শিক্ষার্থী তখনি ছাত্র ইউনিয়নের মাধ্যমে ছাত্র-রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। পরে ছাত্রলীগের সাথে যুক্ত হয়ে সে সংগঠনের বৃহত্তর ঢাকা জেলার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৬ সালে ৬ দফা আন্দোলনে তিনি নারায়ণগঞ্জে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। আবদুর রহমান ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির মাধ্যমে জাতীয় রাজনীতি শুরু করেন। মুক্তিযুদ্ধে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ১৯৭৫ সালে রাজনীতিতে রক্তাক্ত পরিবর্তনের পরে তিনি মহিউদ্দিন আহমেদ ও আবদুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে বাকশাল গঠিত হলে বাকশালে যোগ দান করেন এবং নারায়ণগঞ্জ শহর কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব নেন। আশির দশকে তিনি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং কারাবরণ করেন। আবদুর রহমান দীর্ঘদিন শ্রমিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি পাটকল শ্রমিক ও রিক্সা শ্রমিকদের নিয়ে সংগঠন গড়ে তোলেন।
আবদুর রহমান বহু সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষা, পেশাজীবী ও ধর্মীয় সংগঠনের সাথে যুক্ত থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১৯৯২ সালে জেলায় একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি গঠন কালে তিনি সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সাথে যুক্ত থেকে সাংস্কৃতিক অঙ্গণকে সমৃদ্ধ করেছেন। তিনি ছিলেন শ্রুতি সাংস্কৃতিক একাডেমির সভাপতি। ২০০৬ সালে নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটি গঠিত হলে শুরু থেকে তিনি অসুস্ব হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় এক যুগ সে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। শহরে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে গঠিত সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের সাথে তিনি সাহসকিতার সাথে যুক্ত ছিলেন। জাতীয় সম্পদ লুণ্ঠনের বিরুদ্ধে গঠিত তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি নারায়ণগঞ্জ জেলার সাথে যুক্ত ছিলেন। যাত্রীদের অধিকার রক্ষায় গঠিত যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ ফোরাম এবং ভূমি দুস্যুদের হাত থেকে সরকারী জমি রক্ষায় গঠিত সংগঠন সম্মিলিত ভূমি রক্ষা নাগরিক পরিষদের সাথে যুক্ত থেকে সাহসী ভূমিকা রেখেছেন।
আবদুর রহমান জশনে জুলুস ঈদে মিলাদুন্নবী, সুন্নী ঐক্য পরিষদ, বাইতুল ইজ্জত জামে মসজিদ, দেওভোগ মাদ্রাসা সহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত ঠিছলেন। তিনি ছিলেন আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তিনি যুক্ত ছিলেন সামাজিক সংগঠন উত্তরণ, উন্মেচন সহ বিভিন্ন সংগঠনের সাথে। চারুগঞ্জ একাডেমি অব ফাইন আর্টস এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন তিনি। মৃত্যুর পুর্ব পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্বে পালন করে গেছেন।
আবদুর রহমান একজন নির্ভীক, অকুতোভয়, সাহসী, সৎ, ন্যায়পরায়ণ, আদর্শে অবিচল ব্যক্তিত্ব। আজ তাঁর প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী। আমরা তাঁর আত্মার শান্তি ও মঙ্গল কামনা করি।

- রফিউর রাব্বি
১৫.০৬.২০২৫

'বাবা মানে জীবনজুড়ে প্রেরণা,যার ছায়াতেই গড়ে ওঠে ভবিষ্যতের সূচনা!'- আজ বিশ্ব বাবা দিবসে শ্রুতি পরিবারের পক্ষ থেকে সকল বাব...
15/06/2025

'বাবা মানে জীবনজুড়ে প্রেরণা,
যার ছায়াতেই গড়ে ওঠে ভবিষ্যতের সূচনা!'
- আজ বিশ্ব বাবা দিবসে শ্রুতি পরিবারের পক্ষ থেকে সকল বাবাদের প্রতি রইলো শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

চাঁদের আলোয় জেগে উঠুক ত্যাগের গল্প, ঈদ হোক শান্তি, ভালোবাসা আর বিশ্বাসে ভরপুর। শ্রুতি পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই পব...
06/06/2025

চাঁদের আলোয় জেগে উঠুক ত্যাগের গল্প, ঈদ হোক শান্তি, ভালোবাসা আর বিশ্বাসে ভরপুর। শ্রুতি পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদ-উল-আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক!

শিশুদের জায়গা স্কুলে, কারখানায় নয়। শ্রমিকের ঘামে গড়া উন্নয়নকে সম্মান করুন, অবহেলা-বঞ্চনা নয়। এভাবেই গড়ে উঠুক ন্যায়ের সমা...
01/05/2025

শিশুদের জায়গা স্কুলে, কারখানায় নয়। শ্রমিকের ঘামে গড়া উন্নয়নকে সম্মান করুন, অবহেলা-বঞ্চনা নয়। এভাবেই গড়ে উঠুক ন্যায়ের সমাজ, মানবতার বাংলাদেশ। সকলকে মহান মে দিবসের সংগ্রামী শুভেচ্ছা!

'বাংলা বর্ষবরণ ১৪৩২' উদযাপন উপলক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট-র মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে সাজসজ্জায় তৃতীয় স্থান অ...
14/04/2025

'বাংলা বর্ষবরণ ১৪৩২' উদযাপন উপলক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট-র মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে সাজসজ্জায় তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে শ্রুতির বন্ধুরা।
সকলকে অভিনন্দন 🦁

শ্রুতি সাংস্কৃতিক একাডেমি'র পক্ষ থেকে সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা!
14/04/2025

শ্রুতি সাংস্কৃতিক একাডেমি'র পক্ষ থেকে সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা!

'বর্ষবরণ ১৪৩২' বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রায়শ্রুতি'র ছোট্ট বন্ধুদের অংশগ্রহণে বিশেষ সাজ
14/04/2025

'বর্ষবরণ ১৪৩২' বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রায়
শ্রুতি'র ছোট্ট বন্ধুদের অংশগ্রহণে বিশেষ সাজ

চাঁদের আলো হাসছে চোখে, খুশির রঙে রঙিন রাতে,ঈদের সুখে ভরে উঠুক সবার মনের উঠোনেতে।ভালোবাসা ছড়িয়ে যাক, কাটুক গ্লানি, দুঃখ-ভ...
30/03/2025

চাঁদের আলো হাসছে চোখে, খুশির রঙে রঙিন রাতে,
ঈদের সুখে ভরে উঠুক সবার মনের উঠোনেতে।
ভালোবাসা ছড়িয়ে যাক, কাটুক গ্লানি, দুঃখ-ভার,
ঈদের দিনে হৃদয় জুড়াক, সুখে সময় কাটুক সবার!

Address

BB Road, Chasara
Narayanganj
1400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শ্রুতি সাংস্কৃতিক একাডেমি Shruti Shangskritik Academy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to শ্রুতি সাংস্কৃতিক একাডেমি Shruti Shangskritik Academy:

Share