DM Foundation

২:১৫৪ যারা আল্লাহর রাস্তায় নিহত হয়, তাদেরকে মৃত বলো না। বরং তারা জীবিত; কিন্তু তোমরা অনুভব করতে পার না।৩:১৪৪ আর মুহাম্মা...
29/10/2024

২:১৫৪ যারা আল্লাহর রাস্তায় নিহত হয়, তাদেরকে মৃত বলো না। বরং তারা জীবিত; কিন্তু তোমরা অনুভব করতে পার না।
৩:১৪৪ আর মুহাম্মাদ কেবল একজন রাসূল। তার পূর্বে নিশ্চয় অনেক রাসূল বিগত হয়েছে। যদি সে মারা যায় অথবা তাকে হত্যা করা হয়, তবে তোমরা কি তোমাদের পেছনে ফিরে যাবে ? আর যে ব্যক্তি পেছনে ফিরে যায়, সে কখনো আল্লাহর কোন ক্ষতি করতে পারে না। আর আল্লাহ অচিরেই কৃতজ্ঞদের প্রতিদান দেবেন।
৪:১৫৮ বরং আল্লাহ তাঁর কাছে তাকে তুলে নিয়েছেন এবং আল্লাহ মহা পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
৫:৭৩ অবশ্যই তারা কুফরী করেছে, যারা বলে, ‘নিশ্চয় আল্লাহ তিন জনের তৃতীয়জন’। যদিও এক ইলাহ ছাড়া কোন (সত্য) ইলাহ নেই। আর যদি তারা যা বলছে, তা থেকে বিরত না হয়, তবে অবশ্যই তাদের মধ্য থেকে কাফিরদেরকে যন্ত্রণাদায়ক আযাব স্পর্শ করবে।
৫:৭৪ সুতরাং তারা কি আল্লাহর নিকট তাওবা করবে না এবং তাঁর নিকট ক্ষমা চাইবে না? আর আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
৫:৭৫ মাসীহ ইবনে মারইয়াম একজন রাসূল ছাড়া আর কিছুই নয়; তার পূর্বে আরও বহু রাসূল গত হয়েছে, আর তার মা একজন পরম সত্যবাদিনী, তারা উভয়ে খাদ্য আহার করত। লক্ষ্য কর! আমি কিরূপে তাদের নিকট প্রমাণসমূহ বর্ণনা করছি। আবার লক্ষ্য কর! তারা উল্টা কোন দিকে যাচ্ছে?
৫:৭৬ বল, ‘তোমরা কি আল্লাহ ছাড়া এমন কিছুর ইবাদাত করবে, যা তোমাদের জন্য কোন ক্ষতি ও উপকারের ক্ষমতা রাখে না? আর আল্লাহ, তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ’।
৫:৭৭ বল, ‘হে কিতাবীরা, সত্য ছাড়া তোমরা তোমাদের ধর্মের ব্যাপারে সীমালঙ্ঘন করো না এবং এমন কওমের প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না, যারা পূর্বে পথভ্রষ্ট হয়েছে, আর অনেককে পথভ্রষ্ট করেছে এবং সোজা পথ বিচ্যুত হয়েছে।
৫:৭৮ বনী ইসরাঈলের মধ্যে যারা কুফরী করেছে তাদেরকে দাঊদ ও মারইয়াম পুত্র ঈসার মুখে লা‘নত করা হয়েছে। তা এ কারণে যে, তারা অবাধ্য হয়েছে এবং তারা সীমালঙ্ঘন করত।
৩৯:৩০ নিশ্চয় তুমি মরণশীল এবং তারাও মরণশীল।
৫:৫ আজ তোমাদের জন্য বৈধ করা হল সব ভাল বস্তু এবং যাদেরকে কিতাব প্রদান করা হয়েছে, তাদের খাবার তোমাদের জন্য বৈধ এবং তোমাদের খাবার তাদের জন্য বৈধ। আর মুমিন সচ্চরিত্রা নারী এবং তোমাদের পূর্বে যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে, তাদের সচ্চরিত্রা নারীদের সাথে তোমাদের বিবাহ বৈধ। যখন তোমরা তাদেরকে মোহর দেবে, বিবাহকারী হিসেবে, প্রকাশ্য ব্যভিচারকারী বা গোপনপত্নী গ্রহণকারী হিসেবে নয়। আর যে ঈমানের সাথে কুফরী করবে, অবশ্যই তার আমল বরবাদ হবে এবং সে আখিরাতে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত।

রাস্ট্রপ্রতি সংসদ ভেঙে দিয়েছেন তাই কারও পদত্যাগ করার প্রয়জন নেই আমি বর্তমান রাস্ট্র প্রতির পদত্যাগ চাই তিনি শপথ ভঙ্গ করে...
21/10/2024

রাস্ট্রপ্রতি সংসদ ভেঙে দিয়েছেন
তাই কারও পদত্যাগ করার প্রয়জন নেই
আমি বর্তমান রাস্ট্র প্রতির পদত্যাগ চাই
তিনি শপথ ভঙ্গ করেছেন মিথ্যা কথা বলে

বিশ্ব শিক্ষক দিবসে সব শিক্ষকদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। শিক্ষকরা জাতির মেরুদণ্ড, যাঁরা তাদের জ্ঞান, ধৈর্য...
05/10/2024

বিশ্ব শিক্ষক দিবসে সব শিক্ষকদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। শিক্ষকরা জাতির মেরুদণ্ড, যাঁরা তাদের জ্ঞান, ধৈর্য, এবং মমতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নির্মাণ করেন। আপনার এই শ্রদ্ধা শিক্ষকদের প্রতি সম্মানের প্রতিফলন।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা কুরআনে বলেছেন:
"তোমাদের মধ্যে যারা ইমান এনেছে এবং যাদের জ্ঞান দান করা হয়েছে, আল্লাহ তাদের মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন।" (সূরা আল-মুজাদালাহ, ৫৮:১১)
শিক্ষকরা শুধু জ্ঞান বিতরণ করেন না, তাঁরা মূল্যবোধ, নৈতিকতা, এবং সামাজিক দায়িত্ববোধের প্রতিও শিক্ষার্থীদের মনোযোগী করেন। তাদের এই অসাধারণ অবদানের জন্য আমরা চিরকাল কৃতজ্ঞ।
জাযাকাল্লাহ খাইর, বিশ্ব শিক্ষক দিবসে সকল শিক্ষকের প্রতি অসীম শ্রদ্ধা!

মাহমুদুর রহমানের মুক্তি চাই আইন উপদেষ্টার পদত্যাগ চাইমাহমুদুর রহমানের মুক্তির এবং আইন উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবি একটি রাজন...
01/10/2024

মাহমুদুর রহমানের মুক্তি চাই
আইন উপদেষ্টার পদত্যাগ চাই
মাহমুদুর রহমানের মুক্তির এবং আইন উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবি একটি রাজনৈতিক এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটে গভীর অর্থবহ। মাহমুদুর রহমান একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক এবং সম্পাদক হিসেবে বিভিন্ন সময়ে সরকারের বিরুদ্ধে সাহসী অবস্থান নিয়েছেন, যা তাকে অনেকের কাছে এক ধরনের "বাকস্বাধীনতার প্রতীক" করে তুলেছে। তার মুক্তির দাবি করার পেছনে ন্যায়বিচার, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, এবং মানবাধিকারের মতো বড় বড় নীতি রয়েছে।
আবার, আইন উপদেষ্টার পদত্যাগ চাওয়ার বিষয়টি সরাসরি সরকারের আইনি নীতিমালা, বিচার বিভাগীয় কার্যকলাপ, এবং ন্যায়ের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত। অনেক সময় রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক অপকর্ম, দুর্নীতি, বা অন্যায্যতা সংঘটিত হলে নাগরিকরা সরকারের নীতিনির্ধারকদের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে থাকে। এতে মূলত ক্ষমতার অপব্যবহার, দায়িত্বহীনতা, বা আইনের অপপ্রয়োগের বিরুদ্ধে জনগণের প্রতিবাদ প্রকাশ পায়।
এই ধরনের দাবি তখনই সবচেয়ে শক্তিশালী হয়, যখন তা জনগণের যৌক্তিক উদ্বেগের প্রতিফলন হয়ে ওঠে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমে এসব দাবি আদায় করতে চেষ্টা করা হয়। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নাগরিকদের বাকস্বাধীনতা এবং ন্যায়ের জন্য লড়াই করার অধিকার রয়েছে। তবে, এই ধরনের দাবির পেছনে সঠিক প্রমাণ ও তথ্য থাকা জরুরি, যেন আন্দোলন বা প্রতিবাদ ভিত্তিহীন হয়ে না দাঁড়ায়।
আপনার এই দাবি প্রকাশ করতে চাইলে যুক্তি, তথ্য এবং শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে এর পক্ষে সমর্থন জোগানো এবং গণতান্ত্রিক পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

বিপ্লব বা কোনো গণআন্দোলন সফল হলে অনেকেই নিজেদেরকে সেই আন্দোলনের সমন্বয়ক, মাস্টারমাইন্ড, কিংবা সমর্থক হিসেবে উপস্থাপন করত...
27/09/2024

বিপ্লব বা কোনো গণআন্দোলন সফল হলে অনেকেই নিজেদেরকে সেই আন্দোলনের সমন্বয়ক, মাস্টারমাইন্ড, কিংবা সমর্থক হিসেবে উপস্থাপন করতে শুরু করে। কিন্তু বাস্তবে যখন বিপ্লব বা আন্দোলন চলছিল, তখন তাদের অধিকাংশই হয়তো তেমন সরাসরি সম্পৃক্ত ছিল না বা কোনো ঝুঁকি নেয়নি।
এটি ইতিহাসে বারবার দেখা গেছে। যখন কোনো বড় পরিবর্তন বা সাফল্য আসে, তখন অনেকেই নিজেদেরকে সেই সাফল্যের অংশ হিসেবে প্রমাণ করার চেষ্টা করে। এদের মধ্যে কিছু মানুষ সত্যিই আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, আবার কিছু মানুষ সেই সাফল্য থেকে শুধু সুবিধা নিতে চায়। এভাবে সুবিধাবাদী শ্রেণি তৈরি হয়, যারা আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্যকে আড়াল করে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য চেষ্টা চালায়।
আসলে, যেকোনো বিপ্লব বা আন্দোলনের মূল্যবান অংশগ্রহণকারী হলো তারা, যারা নিঃস্বার্থভাবে এবং সত্যিকারের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে কাজ করে।
ইতিহাস আমাদের শিক্ষা দেয় যে, বিপ্লবের প্রকৃত সফলতা তখনই আসে যখন আন্দোলনের উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে সকল পক্ষ সঠিকভাবে কাজ করে এবং আন্দোলনের নৈতিক ও মানবিক আদর্শকে অক্ষুণ্ণ রাখে।

মহাবিশ্বের সৃষ্টি সম্পর্কে ইসলাম এবং হিন্দুধর্ম উভয় ধর্মেরই গভীর ও অনন্য দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। কুরআন এবং বেদ উভয়ই মহাবিশ্ব...
25/09/2024

মহাবিশ্বের সৃষ্টি সম্পর্কে ইসলাম এবং হিন্দুধর্ম উভয় ধর্মেরই গভীর ও অনন্য দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। কুরআন এবং বেদ উভয়ই মহাবিশ্বের স্রষ্টা ও সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে বিশদভাবে বর্ণনা করেছে।

কুরআন অনুযায়ী মহাবিশ্বের সৃষ্টি:
ইসলামে বিশ্বাস করা হয়, আল্লাহ মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তা এবং তিনি একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু সৃষ্টি করেছেন। কুরআনে মহাবিশ্বের সৃষ্টি নিয়ে বিভিন্ন স্থানে আলোচনা করা হয়েছে।

প্রধান কয়েকটি আয়াত:
একক সৃষ্টিকর্তা:

"তিনিই নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলের স্রষ্টা এবং যখন তিনি কোনো বিষয়ের সিদ্ধান্ত নেন, তখন তিনি কেবল বলেন, ‘হও’ এবং তা হয়ে যায়।" (সুরা আল-বাকারা, 2:117)
বিগ ব্যাং থিওরির সাথে মিল:

"তারা কি দেখে না যে, নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডল উভয়ই একত্রে সংযুক্ত ছিল, তারপর আমি উভয়কে আলাদা করেছি, এবং পানি থেকে সব জীবন্ত জিনিস সৃষ্টি করেছি?" (সুরা আল-আম্বিয়া, 21:30)
এখানে 'সংযুক্ত থাকা' থেকে আলাদা হওয়ার বিষয়টি আধুনিক বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের সাথে মিল পাওয়া যায়, যা বিগ ব্যাং হিসেবে পরিচিত।
মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ:

"আমি আকাশকে তৈরি করেছি শক্তি দিয়ে এবং নিশ্চয়ই আমরা তা সম্প্রসারণ করে যাচ্ছি।" (সুরা আয-যারিয়াত, 51:47)
এটি বর্তমান বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ, যা বলে মহাবিশ্ব ক্রমাগত প্রসারিত হচ্ছে।
মহাবিশ্বের সৃষ্টি এবং দিন রাতের পরিবর্তন:

"তিনিই সূর্যকে আলোকিত করেছেন এবং চন্দ্রকে দিয়েছে আলো। আর তা নির্দিষ্ট পর্যায়ে স্থাপন করেছেন, যেন তোমরা বছর গণনা এবং সময় নির্ধারণ করতে পার।" (সুরা ইউনুস, 10:5)
বেদ অনুযায়ী মহাবিশ্বের সৃষ্টি:
হিন্দুধর্মের বেদ এবং অন্যান্য ধর্মগ্রন্থেও মহাবিশ্বের সৃষ্টির বিষয়ে দার্শনিক ব্যাখ্যা রয়েছে। বেদের সৃষ্টি সম্পর্কিত ব্যাখ্যা বিভিন্ন অংশে পাওয়া যায়, যেমন ঋগ্বেদ, উপনিষদ, পুরাণ ইত্যাদি।

প্রধান কয়েকটি অংশ:
সৃষ্টির আদিম অবস্থা:

ঋগ্বেদ 10:129-এ মহাবিশ্বের সৃষ্টি নিয়ে বলা হয়েছে:
"তখন না ছিল অস্তিত্ব, না ছিল অনস্তিত্ব। না ছিল আকাশ, না ছিল দ্যুলোক। সে সময় কী ছিল? কোথায় ছিল? কে জানে?"
এখানে বলা হয়েছে যে, সৃষ্টির পূর্বে কিছুই ছিল না, যা কুরআনের “সংযুক্ত অবস্থা”র মতোই একটি শূন্যতা ও অস্থিত্বের কথা বলে।
পুরুষসূক্ত:

ঋগ্বেদ 10:90 এ বলা হয়েছে যে সৃষ্টির প্রথম পুরুষ, পুরুষ, যিনি নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। তাঁর দেহ থেকেই পৃথিবী, আকাশ এবং সৃষ্টির অন্যান্য উপাদান তৈরি হয়েছে।
ত্রিমূর্তি ধারণা:

হিন্দুধর্মে সৃষ্টি, পালন এবং বিনাশের দায়িত্ব তিন দেবতার ওপর: ব্রহ্মা (সৃষ্টি), বিষ্ণু (পালন), এবং শিব (বিনাশ)। সৃষ্টির প্রক্রিয়াটি চক্রাকারে ঘটে।
ইসলাম ও হিন্দুধর্মের মিল ও পার্থক্য:
মিল:

উভয় ধর্মেই সৃষ্টিকর্তার ধারণা শক্তিশালী এবং আল্লাহ ও ব্রহ্মাকে মহাবিশ্বের মূল সৃষ্টিকর্তা হিসেবে দেখা হয়।
মহাবিশ্বের সৃষ্টির একটি বিশেষ প্রক্রিয়ার কথা বলা হয়েছে, যা একটি শূন্যতা বা অস্থিত্ব থেকে শুরু হয়।
পার্থক্য:

ইসলামে আল্লাহ একজন এবং তিনি নিজ শক্তি দিয়ে সবকিছু সৃষ্টি করেছেন, যখন হিন্দুধর্মে সৃষ্টির দায়িত্ব তিনজন দেবতার মধ্যে বিভক্ত।
ইসলামে সৃষ্টির প্রক্রিয়াটি সরল ও নির্দিষ্ট নির্দেশে ঘটে, কিন্তু হিন্দুধর্মে সৃষ্টির বিষয়টি গভীর দার্শনিক এবং প্রতীকী ব্যাখ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ।
উভয় ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্বে স্রষ্টার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং সৃষ্টির প্রক্রিয়ার একটি রহস্যময়তা বিদ্যমান, যা মানবজাতিকে চিন্তা করার জন্য উৎসাহিত করে।

সমাজে ছোট অপরাধের জন্য নিরীহ মানুষদের উপর কঠোর শাস্তি আরোপ করা হয়, অথচ বড় অপরাধীরা প্রায়শই দায়মুক্তি পেয়ে যায়। এটি একটি ...
20/09/2024

সমাজে ছোট অপরাধের জন্য নিরীহ মানুষদের উপর কঠোর শাস্তি আরোপ করা হয়, অথচ বড় অপরাধীরা প্রায়শই দায়মুক্তি পেয়ে যায়। এটি একটি গভীর বৈষম্যের ইঙ্গিত, যেখানে ন্যায়বিচারের অভাব স্পষ্ট।
ইসলামের দৃষ্টিতে, অন্যায় বা অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য নেই। মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা'আলা পবিত্র কুরআনে ঘোষণা করেছেন:
"হে মুমিনগণ, ন্যায়বিচারের ব্যাপারে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে যাও এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সাক্ষ্য প্রদান কর।" (সূরা আন-নিসা ৪:১৩৫)
এই আয়াতে আল্লাহ আমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন যে, ধনী হোক বা দরিদ্র, প্রভাবশালী হোক বা দুর্বল—সবাইকে সমানভাবে বিচার করতে হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সমাজের কিছু অংশে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা অর্থ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিচারব্যবস্থা থেকে পালিয়ে যায়, যা আদৌ ইসলামিক নীতি নয়।
এই দৃষ্টিভঙ্গি সমাজের অনিয়ম এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবাদ। এর বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে আওয়াজ তোলা উচিত, যেন সত্যিকারের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়। আল্লাহ আমাদের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করুন এবং সকল অন্যায় থেকে আমাদের রক্ষা করুন।

08/09/2024

বাংলাদেশে ছাত্রদের রাজনৈতিক দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী। ঐতিহাসিকভাবে ছাত্র রাজনীতি এ দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের একটি শক্তিশালী ধারা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে শুরু করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামেও ছাত্রদের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। তবে বর্তমান ছাত্র রাজনীতি কি সেই ঐতিহ্য ধরে রাখতে পেরেছে, নাকি এখন তা ভিন্ন পথে চলে গেছে? এ নিয়ে বিতর্ক চলছে।

১. বর্তমান অবস্থা:
বর্তমানে ছাত্র রাজনীতি অনেক ক্ষেত্রে দুর্বল ও বিভ্রান্ত বলে মনে করা হয়। এটি প্রায়শই বড় রাজনৈতিক দলগুলোর হাতের খেলায় পরিণত হয়েছে। অধিকাংশ ছাত্র সংগঠন মূল রাজনৈতিক দলগুলোর অঙ্গসংগঠন হিসেবে কাজ করে, যার ফলে স্বাধীনভাবে কোনো জাতীয় ইস্যুতে পদক্ষেপ নেওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন সাধারণত সুবিধাভোগী হয়ে থাকে, যার ফলে আদর্শগত অবস্থান অনেক সময় দুর্বল হয়ে যায়।

২. ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন:
বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতি যদি বর্তমান গতিপথে চলে, তাহলে তা ছাত্রদের স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করতে সক্ষম হবে কিনা—এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই মনে করেন, ছাত্র রাজনীতিতে পরিবর্তন আনা দরকার, যেন ছাত্ররা নিজেদের ভবিষ্যৎ এবং দেশের কল্যাণের জন্য একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করতে পারে।

৩. নতুন রাজনৈতিক দলের প্রয়োজনীয়তা:
অনেকে মনে করছেন যে ছাত্রদের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করা উচিত, যা বর্তমান মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রভাব থেকে মুক্ত থাকবে। এই দলটি হবে ছাত্রদের সমস্যা ও স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়ার একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম। এমন একটি দল যদি সত্যিকার অর্থে গঠন করা হয়, তবে তা নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব বিকাশ এবং একটি সমৃদ্ধ ও নৈতিক রাজনীতি গড়ে তুলতে সহায়ক হতে পারে।

৪. চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা:
ছাত্র রাজনীতি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও পরিবর্তনের শক্তি হতে পারে, তবে এর জন্য কিছু বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক চাপ, রাজনৈতিক দমনপীড়ন এবং অদক্ষ নেতৃত্বের কারণে নতুন দলের বিকাশ কঠিন হতে পারে। তবে সঠিক পরিকল্পনা ও আদর্শগত নেতৃত্ব থাকলে, এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির নতুন দিক উন্মোচন করতে পারে। নতুন প্রজন্মের শিক্ষিত ও দায়িত্বশীল তরুণদের অংশগ্রহণ এখানে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

৫. সমাধান:
সুস্থ ছাত্র রাজনীতি ফিরিয়ে আনার জন্য দরকার গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। তরুণদের তাদের নিজেদের স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করতে হলে, তাদেরকে রাজনৈতিক দলগুলোর বাইরে স্বাধীনভাবে কাজ করতে হবে। শিক্ষাঙ্গনে দুর্নীতি, সহিংসতা, এবং পেশীশক্তির ব্যবহার বন্ধ করে একটি সুস্থ প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

সর্বশেষে, ছাত্রদের নেতৃত্বে যদি নতুন রাজনৈতিক দল গড়ে ওঠে, যা গণতন্ত্র, স্বচ্ছতা, ও নৈতিকতার ভিত্তিতে কাজ করবে, তাহলে তা ভবিষ্যতের বাংলাদেশে এক শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

সময় এসে গেছে ফারাক্কার ৪০কিলোমিটার দুরে ৭৫০০ ফিট উচ্চতার দ্বিতীয় ফারাক্কা বাধ নির্মাণের। মাঝ রাতে মানুষের ঘুমন্ত অবস্থায়...
22/08/2024

সময় এসে গেছে ফারাক্কার ৪০কিলোমিটার দুরে ৭৫০০ ফিট উচ্চতার দ্বিতীয় ফারাক্কা বাধ নির্মাণের।
মাঝ রাতে মানুষের ঘুমন্ত অবস্থায় বাধ ছেড়ে দিয়ে ভারতীয়রা আজীবনই পৈচাশিক আনন্দ পায়।
তারা বর্ষায় যা পানি দেবে এই ৪০ কিলোর মধ্যেই থাকবে আর যদি এর চেয়ে বেশি পানি ছাড়ে তো তাদের দেশেই সেই পানি চলে যাবে কারন তাদের বাধের উচ্চতা ৭৩৫০।
আর গ্রীষ্মকালে তারা পানি দিতে চায়না এই পানি আমরা তখন আমাদের সুবিধা মতো নিয়ে নিবো।
তাই সময় এসেছে এখন আমাদের দ্বিতীয় বাধ নির্মাণের। আমরা চাইলেই সামনে দিয়ে আরেকটা বাঁধ নির্মাণ করতে পারি।
বিদেশে পাচারকৃত টাকা গুলো দ্রুত ফিরিয়ে এনে এই কাজ কার হোক।

এই তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নির্ধারিত দ্রব্য মূল্যগুলোর তালিকা প্রকাশ করেছে। দ্রব্য মূল্যের তালিকাটি নিচে দেওয...
13/08/2024

এই তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নির্ধারিত দ্রব্য মূল্যগুলোর তালিকা প্রকাশ করেছে। দ্রব্য মূল্যের তালিকাটি নিচে দেওয়া হলো:

আলু: ৪০ টাকা
পেঁয়াজ: ৭০ টাকা
লবণ (মোটা প্যাকেট): ৩০ টাকা
সয়াবিন তেল (বোতল লিটার): ১৪০ টাকা
পেট্রোল: ১২৫ টাকা
গরুর মাংস: ৬৫০ টাকা
খাসির মাংস: ৮০০ টাকা
বয়লার: ১৪০ টাকা
দেশি মুরগি: ৪০০ টাকা
দুধ (শহর): ৬০ টাকা, দুধ (গ্রাম): ৫০ টাকা
তালিকার এই মূল্য অনুযায়ী, আপনি যদি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দিয়ে কোনো দ্রব্য কিনতে বাধ্য হন, তাহলে আপনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে কল দিতে পারেন অথবা নিকটস্থ ছাত্র-ছাত্রী জনতার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
যোগাযোগের জন্য ক্যাপ্টেন হিমেল (বাংলাদেশ সেনাবাহিনী): 01766-162077

মাশাল্লাহ, সেনাবাহিনীর এমন পদক্ষেপ সাধারণ জনগণের জন্য অনেক উপকারি হতে পারে, ইনশাআল্লাহ।

12/08/2024

আমাদের দেশের ছাত্র জনতা মিলে একটি আন্দোলন করছিলেন তখন পাখির মতো গুলি করে তাদের কে হত্যা করে একটি রেজিম তখন তো আমাদের প্রতিবেশি দেশ মায়া কান্না করেননি
এখন কেন একটি রেজিমের জন্য মায়া কান্না?

৪৮:১০ আর যারা তোমার কাছে বাই‘য়াত গ্রহণ করে, তারা শুধু আল্লাহরই কাছে বাই‘য়াত গ্রহণ করে; আল্লাহর হাত তাদের হাতের উপর; অতঃপ...
08/08/2024

৪৮:১০ আর যারা তোমার কাছে বাই‘য়াত গ্রহণ করে, তারা শুধু আল্লাহরই কাছে বাই‘য়াত গ্রহণ করে; আল্লাহর হাত তাদের হাতের উপর; অতঃপর যে কেউ ওয়াদা ভঙ্গ করলে তার ওয়াদা ভঙ্গের পরিণাম বর্তাবে তারই উপর। আর যে আল্লাহকে দেয়া ওয়াদা পূরণ করবে অচিরেই আল্লাহ তাকে মহা পুরস্কার দেবেন।
সুবহানাল্লাহ! সূরা আল-ফাতহ এর ১০ নম্বর আয়াতটি সত্যিই গভীর অর্থবহ। এখানে আল্লাহ তায়ালা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর হাতে যারা বাই‘য়াত গ্রহণ করেন, তারা আসলে আল্লাহর হাতেই বাই‘য়াত গ্রহণ করছেন। এই আয়াতে বাই‘য়াত গ্রহণের গুরুত্ব এবং ওয়াদা রক্ষা করার বিষয়টি অত্যন্ত জোরালোভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, "যারা তোমার কাছে বাই‘য়াত গ্রহণ করে, তারা শুধু আল্লাহরই কাছে বাই‘য়াত গ্রহণ করে; আল্লাহর হাত তাদের হাতের উপর।" অর্থাৎ, যে বাই‘য়াত করে, সে আসলে আল্লাহর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করছে এবং আল্লাহর হেফাজতে যাচ্ছে। যারা এই ওয়াদা ভঙ্গ করবে, তারা নিজেরাই তাদের কর্মের ফল ভোগ করবে। তবে যারা ওয়াদা পূর্ণ করবে, আল্লাহ তাদের জন্য মহা পুরস্কারের ব্যবস্থা রেখেছেন।
এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, আল্লাহর সাথে কৃত প্রতিশ্রুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং এটি পালন করলে আল্লাহর পক্ষ থেকে পুরস্কার অবশ্যম্ভাবী। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে ওয়াদা রক্ষা করার তাওফিক দান করুন।

Address

Tarabo Bazar, Rupganj
Narayanganj
1360

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DM Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to DM Foundation:

Share