28/05/2026
বিক্রমপুর জাদুঘরের ১৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী আজ 🎉
***************
ঐতিহ্য, ইতিহাস ও সংস্কৃতির গৌরবময় ধারক বিক্রমপুর জাদুঘর সফলতার সাথে অতিক্রম করেছে গৌরবময় ১৩ বছরের পথচলা। আজ আমরা আনন্দ ও গর্বের সাথে পদার্পণ করেছি ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে।
১৩ বছরের গৌরবময় পথচলা পেরিয়ে ১৪ বছরে পদার্পণ করেছে ‘বিক্রমপুর জাদুঘর’।
এটি শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের বার্ষিকী নয়, বরং বিক্রমপুরের হাজার বছরের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের এক অবিরাম অঙ্গীকারের উদযাপন।
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিক্রমপুর জাদুঘর ইতিহাস সচেতন মানুষ, গবেষক, শিক্ষার্থী ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের জন্য হয়ে উঠেছে এক গুরুত্বপূর্ণ মিলনকেন্দ্র। প্রাচীন নিদর্শন, লোকজ ঐতিহ্য, মুক্তিযুদ্ধের স্মারক, প্রত্নতাত্ত্বিক সংগ্রহ এবং বিক্রমপুরের গৌরবময় অতীতের নানা উপাদান সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের মাধ্যমে জাদুঘরটি নতুন প্রজন্মকে শিকড়ের সন্ধান দিয়ে চলেছে।
এই দীর্ঘ যাত্রাপথ কখনোই সহজ ছিল না। নানা সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছাতে জাদুঘরের সঙ্গে সম্পৃক্ত সকল মানুষের আন্তরিক প্রচেষ্টা, ত্যাগ ও ভালোবাসা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বিশেষ করে আমাদের সম্মানিত দর্শনার্থী, শুভাকাঙ্ক্ষী, গবেষক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং স্থানীয় জনগণের নিরন্তর সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার শক্তি যুগিয়েছে।
১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই শুভক্ষণে আমরা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি সেইসব স্বপ্নদ্রষ্টা ও সংস্কৃতিসেবীদের, যাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রমে বিক্রমপুর জাদুঘরের ভিত্তি রচিত হয়েছে। তাঁদের দূরদৃষ্টি ও ঐতিহ্যপ্রেমই আজকের এই অর্জনের মূল প্রেরণা।
আমরা বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতেও বিক্রমপুর জাদুঘর ইতিহাস ও সংস্কৃতিচর্চার এক উজ্জ্বল কেন্দ্র হিসেবে দেশ-বিদেশের মানুষের কাছে আরও সমাদৃত হবে। নতুন প্রজন্মকে নিজেদের ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত করতে এবং বিক্রমপুরের সমৃদ্ধ ইতিহাস বিশ্বদরবারে তুলে ধরতে জাদুঘরটি আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই আনন্দঘন মুহূর্তে বিক্রমপুর জাদুঘরের সঙ্গে সম্পৃক্ত সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
সবার ভালোবাসা, সহযোগিতা ও সমর্থন নিয়েই এগিয়ে যাক আমাদের প্রিয় বিক্রমপুর জাদুঘর। 🌿✨
প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালনায়: অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশন