uniaid_muktagachha

uniaid_muktagachha To spread knowledge. বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং

03/01/2025

হায়ার স্টাডিজ-এর জন্য কি কি ডকুমেন্ট লাগে এবং সেগুলো গুছাইতে কেমন সময় লাগে?
১। প্রথমেই বলি- কিছু ডকুমেন্ট একদম বেসিক ;এগুলো জীবনের সব কাজেই প্রয়োজন।
-জাতীয় পরিচয়পত্র
-সার্টিফিকেট এবং ট্রান্সক্রিপ্ট
-পাসপোর্ট
এই তিনটা ডকুমেন্টে আপনার নিজের নাম এবং বাবা-মায়ের নাম ; যেন একই বানানে হয়। এইটা খুবই জরুরি।
ধরুন, আপনার সব ডকুমেন্টে আপনার বাবার নাম আব্দুর রহমান। অন্যদিকে আপনার বাবার আইডিতে উনার নাম রহমান ভূঁইয়া। এটা কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তবে যদি আপনার বাবা স্পন্সর হয় ; সেক্ষেত্রে সমস্যা হবে।

সার্টিফিকেট সংশোধন করা একটু জটিল প্রক্রিয়া। সেক্ষেত্রে ভুল-ত্রুটি থাকলে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করে ; ওই অনুযায়ী পাসপোর্ট করাই ভালো। জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের বেলায় অন্তত মাসখানেক সময় লেগে যাবে। বড় সংশোধনের ক্ষেত্রে যেমন পুরো নামটাই পরিবর্তন হবে ; এক্ষেত্রে ৬-৮ মাস সময় লেগে যেতে পারে।

নতুন পাসপোর্ট করতে সাধারণত ২১ কার্য দিবস অর্থাৎ এক মাসের মত সময় লাগে। তবুও পুলিশ ভেরিফিকেশন এবং নানা ডকুমেন্ট জটিলতায়; হয়ত একটু সময় বেশি লাগতে পারে। যাদের পাসপোর্ট আছে কিন্তু সংশোধন করবেন ; এক্সপ্রেস ডেলিভারির মাধ্যমে দুই দিনেই নতুন পাসপোর্ট পাওয়া সম্ভব।
সার্টিফিকেট আর ট্রান্সক্রিপ্ট তো সাধারণত ভার্সিটিতে গেলেই পাওয়ার কথা। তবুও মাঝে মাঝে এমন কিছু সিচুয়েশন তৈরি হয় ; অবশ্যই অন্তত এক সপ্তাহ হাতে রাখবেন।

বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সাধারণত আবেদন করার সময় আন-অফিশিয়াল ট্রান্সক্রিপ্ট দিলেই চলে এবং অ্যাডমিশন ডিসিশন হয়ে গেলে এরপর অফিশিয়ালটা পাঠাতে পারবেন।
(আপনি নিজে ডকুমেন্ট স্ক্যান করে পিডিএফ পাঠালে সেটা আন-অফিশিয়াল ; বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার অফিসের মেইল থেকে কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের খামে করে কুরিয়ারে পাঠালে ; সেটা বলে অফিশিয়াল)। এই প্রক্রিয়ার জন্য ১৫ দিন সময় রাখতে পারে।
কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয় আবেদন করার সময় ট্রান্সক্রিপ্টের ইভালুয়েশন চাইতে পারে অর্থাৎ আপনার ট্রান্সক্রিপ্ট সেটা ইউএসএ এডুকেশন সিস্টেম অনুসারে ইভালুয়েশন করতে হবে। WES,IEE etc দিয়ে করা যায়। IEE আমার কাছে ভালো অপশন মনে হয়েছে। সব মিলিয়ে ২২ হাজার টাকার মতো যাবে ; ১৫ দিনেই রিপোর্ট হাতে পেয়ে যাবেন।

২। IELTS, GRE, SOP, LOR, Writing Sample, SOP
আবেদন করার সময় বিশ্ববিদ্যালয় ভেদে স্কোর পাঠানোর নিয়মাবলি ভিন্ন হতে পারে। কোন কোন ভার্সিটি জাস্ট আপনার Test Report Form (TRF) স্ক্যান কপি দিতে বলে, ওরা নিজেরা ভেরিফাই করে নেয়। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ব্রিটিশ কাউন্সিল/IDP থেকে পাঠাতে হয়। পোর্টালে ঢুকলেই যেখানে রেজাল্টটা দেখতে পান ; সেখানে দেখবেন ইনস্টিটিউশনের সাথে শেয়ার করার অপশন আছে।
যেসব বিশ্ববিদ্যালয় electronic Test Report Form (eTRF) গ্রহণ করে ; মুহূর্তেই তাদেরকে পাঠিয়ে দেওয়া যায়। সর্বোচ্চ ১/২ দিন লাগে।আমার ব্যাকগ্রাউন্ডে বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে GRE প্রয়োজন হয় না তাই GRE নিয়ে ধারণা নেই।

Letter of Recommendation (LOR)-
আবেদন করার সময় অ্যাপ্লিকেশন পোর্টালে যারা আপনাকে রিকমেন্ডেশন লেটার দিবে ; তাদের নাম, পজিশন এবং ই-মেইল নাম্বার দিলে সাথে সাথেই তাদের কাছে একটা লিংক চলে যায় ; যেটাতে উক্ত ব্যক্তি আপনাকে রিকমেন্ড করবেন।
যারা আপনাকে রিকমেন্ডেশন দেবে তাদেরকে আগেই বলে রাখবেন ; কারণ উনাদের নানান ব্যস্ততা থাকতে পারে।
Writing Sample- অনেক বিশ্ববিদ্যালয় চেয়ে থাকে। এটা আপনার প্রকাশিত কিংবা অপ্রকাশিত যেকোনো স্কলারলি রাইটিং হতে পারে। আর্টিকেলে অন্য কোন অথর থাকা যাবে না। অর্থাৎ যে লেখাটা আপনার একান্তই নিজের এমন লেখার রাইটিং স্যাম্পল হিসেবে দিতে হবে।
Statement of Purpose (SOP)- এটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট। আপনার নিজের সম্পর্কে এবং যে প্রোগ্রামে আবেদন করছেন সে প্রোগ্রামে কেন আবেদন করছেন বা আপনার ক্যারিয়ার গোল কি? এই সবকিছু মিলে ৩-৪ পেজের একটি লেখা জমা দিতে হবে। আপনার মোটিভেশন,অ্যাচিভমেন্ট ইত্যাদি যাবতীয় বিষয়গুলো এখানে গল্প আকারে থাকবে।

সাধারণত মাস্টার্স কিংবা পিএইচডির জন্য এই ডকুমেন্টগুলো প্রয়োজন হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রিকোয়ারমেন্ট ভেদে কিছুটা কমবেশি হতে পারে।তথ্যগুলো যারা ইউএস-তে আবেদন করবেন তাদের জন্য লেখা তবে ইউরোপেও অলমোস্ট সেম প্রসিডিউর।
সবার জন্য শুভকামনা।

12/05/2024

এখানে বাংলাদেশের সকল শিক্ষা বোর্ডের সকল পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া যায়। প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করে সহজেই গ্রেড.....

✅মার্কশীট সহ এস এস সি রেসাল্ট দেখুন এই ওয়েবসাইট থেকে- https://eboardresults.com/bn/ebr.app/home/(Temporary Post)
12/05/2024

✅মার্কশীট সহ এস এস সি রেসাল্ট দেখুন এই ওয়েবসাইট থেকে-

https://eboardresults.com/bn/ebr.app/home/

(Temporary Post)

এখানে বাংলাদেশের সকল শিক্ষা বোর্ডের সকল পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া যায়। প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করে সহজেই গ্রেড.....

https://www.prothomalo.com/education/admission/xm0498i9yr
10/02/2024

https://www.prothomalo.com/education/admission/xm0498i9yr

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষার জন্য ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড ক...

26/12/2023

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি শুরু করার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কমিটির এক সভায় এ সুপারিশ করা হয়। পরে শিক্ষা পরিষদের (একাডেমিক কাউন্সিল) সভায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে।

ভর্তি কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. জীবন পোদ্দার এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

এবারও দুই ধাপে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ধাপে ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পদ্ধতিতে প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের নিয়ে বুয়েট ক্যাম্পাসে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় নেগেটিভ মার্কিং থাকবে। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য প্রাপ্ত নম্বর থেকে প্রশ্নের মানের ২৫ শতাংশ কেটে নেয়া হবে।
সূত্রঃ the daily campus

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি
24/12/2023

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি

29/11/2023

উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে ফুল-ব্রাইট স্কলারশিপ নিয়ে যেতে চান? তাহলে সম্পূর্ণ লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

১) যদি ফ্যামিলি এখন বিদেশে পড়াশুনা করতে পাঠাইতে ফাইনান্সিয়ালি সাপোর্ট করতে পারে এবং নিজের বিদেশে পড়াশুনা করার ইচ্ছা থাকে, তাহলে এখনি IELTS এর জন্য উঠেপড়ে লাগা উচিত। যদি ফ্যামিলির এফোর্ডিবিলিটি না থাকে তাহলে যে সকল দেশে ফুল স্কলারশিপ অফার করে সেইসব দেশে ট্রাই করা উচিত। আমাদের বড় স্বপ্ন দেখতে হবে তবে সেটা যেন ধরা-ছোয়ার নাগালে থাকে সেটা মাথায় রাখতে হবে।

২) যদি আন্ডারগ্রাজুয়েটের পরে মাস্টার্স করতে আসার প্লান থাকে তাহলে এখনি একটা ভাল ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির প্রিপারেশন নেয়া উচিত। প্রিপারেশন বাসায়, কোচিং বা গ্রুপ স্ট্যাডির মাধ্যমে হতে পারে। পাশাপাশি পার্ট-টাইম কাজ করে মাস্টার্সের টিউশন ফিসে যেন নিজের একটা কন্ট্রিবিউশন থাকে সেটার সর্বোচ্চ চেস্টা করা উচিত। তাছাড়া এতে মাল্টিটাস্কিং, মানি ম্যানেজমেন্ট, সোস্যাল স্কিলসহ আরো বেশকিছু স্কিল ডেভেলপ করবে যা পরবর্তীতে অনেক ক্ষেত্রে হেল্প করবে।

৩) যদি দেশের পড়াশুনা শেষ করে সরাসরি ইমিগ্রেশন নিয়ে আসার ইচ্ছা থাকে, তাহলে সেটা খুবই অপটিমিস্টিক এবং লং-টার্ম প্ল্যান হয়ে যাবে। এটার এক্সিকিউসন আদৌ সফলতার মুখ দেখবে কিনা সেটা এই স্টেজে বলা মুসকিল। তবে এতটুকু বলা যায় যে দিন দিন সব ফার্স্ট-ওয়ার্ল্ড কান্ট্রিগুলোর ইমিগ্রেশন পলিসি কঠিন থেকে কঠিনতর হবে।

৪) Always have a Plan-B and Plan-C ready. জীবনে সবকিছু নিজের প্ল্যানমত হবে সেটা এক্সপেক্ট করা নিতান্তই বোকামি এবং ছেলেমানুষী। তাই সবসময় একাধিক ব্যাক-আপ প্ল্যান রাখতে হবে। প্ল্যান-এ ফেইল করলে সাথে সাথেই যেন প্ল্যান-বি তে ঝাপিয়ে পড়া যায় সেভাবে মেন্টালি প্রিপেয়ারড থাকতে হবে।

৫) বাবা-মা'র আর্থিক অপারগতার জন্য তাদের ব্লেইম না করে নিজের চেস্টায় সামনে এগিয়ে যেতে হবে। পৃথিবীর বেশিরভাগ সফল মানুষই সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মায়নি। আজকাল অনেকেই স্মার্টফোন, পিসি বা অন্যান্য গ্যাজেটকে কাজে লাগিয়ে ফ্রি-ল্যান্সিং করে সেল্ফ ফান্ডেড বা স্কলারশিপ নিয়ে নিজ খরচে বিদেশে পড়তে যাচ্ছে। আবার অনেকে দেশে বড় বড় আইটি ফার্মের উদ্যোক্তা হিসেবে সফল হচ্ছে। বিল গেটসের একটা কথা এখানে কোট করি- “If you are born poor its not your mistake, but if you die poor its your mistake.“

৬) যদি সবকিছু নিজের প্ল্যানমত না হয় সেক্ষেত্রে "Why Me?” বলে ডিপ্রেশনে চলে গেলে চলবে না। সময়ের সাথে সাথে জীবনে আরও অনেক কঠিক পরীক্ষার মোকাবেলা করতে হবে। জীবনের এই স্টেজে এসেই গিভ-আপ করে দিলে সামনের সোনালি দিনগুলোর দেখা কখনোই মিলবে না। জীবনে যত কঠিন পরীক্ষার মুখেই ফেলুক না কেন, এটাকে মোকাবেলা করে "Move-on” করার মত পজিটিভ মাইন্ডসেট নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।

৭) SSC/HSC এর একাডেমিক রেজাল্ট খারাপ হলে সেটা নিয়ে মন খারাপ না করে সামনে কিভাবে ভাল করা যায় সেদিকে ফোকাস করা উচিত। মজার ব্যাপার হচ্ছে এই রেজাল্টগুলো পরবর্তীতে প্রফেসনাল সিভিতে জায়গাই পাবে না আর মাস্টার্স বা পিএইচডি'র এডমিশনে তেমন কোন রোল প্লে করবে না। তাই পরের পরীক্ষাগুলোতে কিভাবে আরও ভাল করা যায় সেদিকে সর্বোচ্চ ইফোর্ট দেয়া উচিত। যে সাবজেক্ট নিয়ে পড়ার ইচ্ছা সেটা নিয়ে রিসার্চ করে, মেন্টরদের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে, বাবা-মাকে কনভিন্স করে তারপর সেই প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়া উচিত। নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বাবা-মা'র পছন্দের সাবজেক্টে ভর্তি হলে থ্রি-ইডিয়েটস মুভির মত থার্ড বা ফোর্থ ইয়ারে গিয়ে আবার নতুন করে শুরু করতে হবে। লিউনেল মেসি বা সাকিব-আল-হাসান যদি সমাজের মন রক্ষার্থে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হয়ে যেত তাহলে তারা "The Lionel Messi” বা “The Shakib-Al-Hasan” হতে পারতেন না। তাই নিজের স্ট্রেনথ খুজেঁ বের করতে সর্বোচ্চ মনোযোগী হওয়া উচিত।

সামনের দিনগুলোর জন্য অনেক শুভকামনা।

Masum Chowdhury
Regulated Canadian Immigration Consultant (RCIC),
CEO, Chowdhury Immigration & Visa Services Inc.
Lecturer, Canadian Immigration Law
Academy of Learning College.

26/10/2023
12/10/2023

Address

মন্ডার দোকান সংলগ্ন(২য় তলা)
Muktagachha
মন্ডারদোকানসংলগ্ন,MUKTAGACHHA,MYMENSINGH

Telephone

+8801717250730

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when uniaid_muktagachha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to uniaid_muktagachha:

Share