18/04/2026
বাংলাদেশে লোডশেডিং পরিস্থিতি (মার্চ ২০২৬ vs এপ্রিল ২০২৬)
মার্চ ২০২৬
মার্চের মাঝামাঝি বড় প্রযুক্তিগত সমস্যায় (আশুগঞ্জ প্ল্যান্ট) প্রায় ৮৫০ MW উৎপাদন হঠাৎ বন্ধ হয়। এর ফলে জাতীয় গ্রিডে তাৎক্ষণিক ঘাটতি তৈরি হয় → লোডশেডিং বেড়ে যায়
একই সময়ে জ্বালানি সংকট ও গ্যাস রেশনিংয়ের কারণে উৎপাদন কমে
কিছু দিনে রিপোর্ট অনুযায়ী লোডশেডিং ৫০ MW এর নিচে ছিল (শুরুতে সীমিত)। কিন্তু মাসজুড়ে ঝুঁকি ছিল বেশি (কারণ fuel supply uncertainty)
এপ্রিল ২০২৬
সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী:
দিনে ৩০০–৫০০ MW লোডশেডিং নিয়মিত হচ্ছে
গ্রামাঞ্চলে ~৭০০ MW পর্যন্ত প্রভাব (বিশেষ করে দিনে)
স্পষ্ট সিদ্ধান্ত:
এপ্রিল ২০২৬-এ লোডশেডিং আরও খারাপ ও স্থায়ী আকার নিয়েছে
ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের উপর প্রভাবঃ
১। গ্রামিন SMEs সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত
২। সার্ভিস ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত (ICT, freelancers, small IT অফিস)
৩। food processing / dairy / agro sector
৪। হালকা শিল্প (plastic recycling, agro-processing, printing, workshops)
৫। ইত্যাদি
সরকার জ্বালানি রেশনিং, বিদ্যুৎ সাশ্রয় নীতি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ, পাওয়ার সেক্টর ঋণ পরিশোধ উদ্যোগসহ অনেক পদক্ষেপ নিয়েছে।
ফলাফলঃ জনগন ঠিক করবেন।