Al Madania Foundation Bangladesh-আল মাদানীয়া ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ

  • Home
  • Bangladesh
  • Mirpur
  • Al Madania Foundation Bangladesh-আল মাদানীয়া ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ

Al Madania Foundation Bangladesh-আল মাদানীয়া ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক দ্বীনি-সামাজিক ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান।

আমাদের কার্যক্রম ও লক্ষ্যসমূহঃ-
১. সকল জেলায় পর্যায়ক্রমে আদর্শ হিফজ মাদ্রাসা (এতিমখানা) গড়ে তোলা।
ক, মাদ্রাসাগুলোতে কুরআন শিক্ষার পাশাপাশি একাডেমিক শিক্ষার ব্যবস্থা করা।
খ, মেধাবী ছাত্রদের হাফেজ পরবর্তী শিক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
গ, শিক্ষা পরবর্তী সময়ে তাদের উপার্জন অক্ষম করে গড়ে তুলতে সহায়তা করা।
২. প্রতি মাসে ১ থেকে ৫ তারিখের মধ্যে সকল কমিটির উপস্থিতিতে সকল লেনদেন উপস্থাপন করা, এবং সকল মু

তাওয়াল্লী ও সদস্যদের অবগত করা। উনাদের নিয়ে প্রতি বছর সদস্য সম্মেলন করা। (বাৎসরিক যাবতীয় হিসাব-নিকাশ উপস্থাপন করা)
৩. প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে খাবার ও যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করা।
৪. বাৎসরিক তালিম মাহফিল ও দোয়া মাহফিল বাস্তবায়ন করা।
৫. দুঃস্থ অসহায়দের সামাজিকভাবে পাশে থেকে সহায়তা করা।

তাহাজ্জুদের আমল ছোট মনে হলেও এর মর্যাদা অপরিসীম। যে আল্লাহর নিকট প্রিয় হতে চায়, এই নফল ইবাদত তার জন্য অপূর্ব এক উপহার। ত...
26/11/2025

তাহাজ্জুদের আমল ছোট মনে হলেও এর মর্যাদা অপরিসীম। যে আল্লাহর নিকট প্রিয় হতে চায়, এই নফল ইবাদত তার জন্য অপূর্ব এক উপহার। তাহাজ্জুদের তিন রকম অবস্থা আছে।

১. সর্বোত্তম হলো, রাতের শেষ তৃতীয়াংশে ঘুম ভেঙে নামায আদায় করা।

২. যদি আশঙ্কা থাকে যে রাত জেগে ওঠা সম্ভব হবে না, তাহলে ঘুমানোর আগে—ইশার পরপরই হলেও—তাহাজ্জুদ পড়ে নেওয়া যায়।

৩. আর যদি কোনো কারণে রাতে আদায় করা না যায়, তাহলে পরদিন দুপুরের আগেই এই নামায আদায় করে নেওয়া যায়।
নবীজি ﷺ এই ইবাদতে এতটাই অটল ছিলেন যে, অসুস্থতা বা প্রবল ঘুমের কারণে যদি রাতে মিস হয়ে যেত, তবে দিনে বারো রাকাত পড়ে তা পূরণ করতেন—ইবাদতের ধারাবাহিকতা যেন ভেঙে না যায়, শুধু এজন্যই। [কানযুল উম্মাল : ৮/২৮৮]

এখন একটি ব্যাপার ভালোভাবে বুঝে নিন। ধরা যাক কেউ ব্যাংকে গিয়ে মাত্র পাঁচশ’ টাকা জমা দিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট খুলল। ব্যাংক যদি মালিকদের তালিকা প্রস্তুত করে, যেখানে কোটি টাকার মালিক, লক্ষ টাকার মালিক, হাজার টাকার মালিক—সবাই থাকবে, তাহলে সেই পাঁচশ’ টাকার অ্যাকাউন্টধারীর নামও অবশ্যই সেই তালিকায় থাকবে। কারণ তার অ্যাকাউন্ট তো খোলা আছে!
আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের তালিকাও ঠিক এমনই। যেখানে থাকবেন হাসান বসরী রহ., যিনি সারা রাত নামাযে দাঁড়িয়ে থাকতেন; রাবেয়া বসরীয়া রহ., যিনি দীর্ঘ সিজদায় রাত পার করতেন; ইমাম আবু হানিফা রহ., যিনি ইশার ওযু দিয়ে ফজর পর্যন্ত নামায পড়তেন—এরা হবেন আধ্যাত্মিক অর্থে ‘কোটি টাকার মালিক’।
কিন্তু যদি আমরা প্রতিদিন ঘুমানোর আগে মাত্র দু-চার রাকাত তাহাজ্জুদ পড়ে রাখি, তাহলে আমরাও সেই তালিকার অংশ হয়ে যাব। আমলের পরিমাণ কম—কিন্তু আমাদের হিসাব তো খোলা আছে!

কিয়ামতের দিন যখন আল্লাহর প্রেমিকদের নাম ঘোষণা করা হবে, তখন যে বান্দা নিয়মিত তাহাজ্জুদের সামান্য আমলও করেছে, তাকে কখনোই শত্রুদের সারিতে দাঁড় করানো হবে না। আল্লাহর অফুরন্ত দয়া এমনটি হতে দেয় না। যে ব্যক্তি প্রতিদিন কিছু রাকাত তাহাজ্জুদ পড়ে আল্লাহর প্রেমিকদের দলে নিজের নাম যুক্ত করে রাখে, ফেরেশতারা তাকে কখনোই বলবে না—“চল, আল্লাহর শত্রুদের সঙ্গে দাঁড়াও।” বরং তাকে ডাকা হবে প্রিয় বান্দাদের কাতারে, যেখানে বর্ষিত হবে দয়া, রহমত ও অগণিত পুরস্কার।

তাই এমন কোনো রাত যেন না যায়, যাতে অন্তত কয়েক রাকাত নফল পড়ে নিজেদের নাম তাহাজ্জুদগোযারদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না করি। যারা এখনও ঘুমাননি—আজকের রাত থেকেই সেই সম্মানিত তালিকায় নিজের নাম লিখে নেওয়ার দৃঢ় সিদ্ধান্ত হোক আমাদের সবার।

- মাওলানা ওমায়ের কোব্বাদী হাফিজাহুল্লাহ

24/11/2025
পনেরটি অপরাধের কারণে ভুমিকম্প আসবে, সবগুলোই আমাদের মাঝে বিরাজমান। তাই পাপ থেকে ফিরে আসা সময়ের দাবি।  عَنْ أَبِي هُرَيْر...
24/11/2025

পনেরটি অপরাধের কারণে ভুমিকম্প আসবে, সবগুলোই আমাদের মাঝে বিরাজমান। তাই পাপ থেকে ফিরে আসা সময়ের দাবি।

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

إِذَا اتُّخِذَ الْفَىْءُ دُوَلاً
যখন গানীমাতের (যুদ্বলব্দ) মাল ব্যক্তিগত সম্পদে পরিণত হবে,

وَالأَمَانَةُ مَغْنَمًا
আমানতের মাল লুটের মালে পরিণত হবে,

وَالزَّكَاةُ مَغْرَمًا
যাকাতকে জরিমানা মনে করা হবে,

وَتُعُلِّمَ لِغَيْرِ الدِّينِ
ধর্ম বিবর্জিত শিক্ষার প্রচলন হবে,

وَأَطَاعَ الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ
পুরুষ স্ত্রীর অনুগত হয়ে যাবে

وَعَقَّ أُمَّهُ
কিন্তু নিজ মায়ের অবাধ্য হবে,

وَأَدْنَى صَدِيقَهُ
বন্ধু-বান্ধবকে কাছে টেনে নিবে,

وَأَقْصَى أَبَاهُ
কিন্তু পিতাকে দূরে ঠেলে দিবে,

وَظَهَرَتِ الأَصْوَاتُ فِي الْمَسَاجِدِ
মসজিদে কলরব ও হট্টগোল করবে,

وَسَادَ الْقَبِيلَةَ فَاسِقُهُمْ
পাপাচারীরা গোত্রের নেতা হবে,

وَكَانَ زَعِيمُ الْقَوْمِ أَرْذَلَهُمْ
নিকৃষ্ট লোক সমাজের কর্ণধার হবে,

وَأُكْرِمَ الرَّجُلُ مَخَافَةَ شَرِّهِ
কোন মানুষের অনিষ্ট হতে বাঁচার জন্য তাকে সম্মান দেখানো হবে,

وَظَهَرَتِ الْقَيْنَاتُ وَالْمَعَازِفُ
গায়িকা-নর্তকী ও বাদ্য যন্ত্রের বিস্তার ঘটবে,

وَشُرِبَتِ الْخُمُورُ
মদ পান করা হবে,

وَلَعَنَ آخِرُ هَذِهِ الأُمَّةِ أَوَّلَهَا
এই উম্মাতের শেষ যামানার লোকেরা তাদের পূর্ববতী মনীষীদের অভিসম্পাত করবে,

فَلْيَرْتَقِبُوا عِنْدَ ذَلِكَ رِيحًا حَمْرَاءَ وَزَلْزَلَةً وَخَسْفًا وَمَسْخًا وَقَذْفًا وَآيَاتٍ تَتَابَعُ كَنِظَامٍ بَالٍ قُطِعَ سِلْكُهُ فَتَتَابَعَ ‏"‏
তখন তোমরা অগ্নিবায়ু, ভূমিধস, ভূমিকম্প, চেহারা বিকৃতি ও পাথর বর্ষণরূপ শাস্তির এবং আরো আলামতের অপেক্ষা করবে যা একের পর এক নিপতিত হতে থাকবে, যেমন পুরানো পুঁতিরমালা ছিড়ে গেলে একের পর এক তার পুঁতি ঝরে পড়তে থাকে।

জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ২২১১।

আলহামদুলিল্লাহ,,, সারাদেশ ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে
25/10/2025

আলহামদুলিল্লাহ,,, সারাদেশ ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে

শিক্ষকের সাথে অভিভাবকদের ব্যবহার: 👉সন্তানের ভবিষ্যতের ভিত্তি! 🤝---------------------------------------------------------...
24/10/2025

শিক্ষকের সাথে অভিভাবকদের ব্যবহার:
👉
সন্তানের ভবিষ্যতের ভিত্তি! 🤝
-------------------------------------------------------------------
শিক্ষক হলেন আপনার সন্তানের দ্বিতীয় অভিভাবক, যিনি তার জ্ঞান ও নৈতিকতার ভিত্তি তৈরি করে সত্যিকারের করেন।
শিক্ষকের প্রতি আমাদের আচরণ ও ব্যবহার কেমন হবে, তা সন্তানের মনে গভীরভাবে প্রভাব ফেলে।
আসুন, সন্তানের কল্যাণের জন্য শিক্ষকের সাথে অভিভাবক হিসেবে আমাদের ব্যবহার কেমন হওয়া উচিত, তা জেনে নিই:

১. শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করুন:
শিক্ষক যে প্রতিষ্ঠানেই থাকুন না কেন, তিনি আপনার সন্তানের শিক্ষার জন্য সময় দিচ্ছেন। সব সময় তাঁর প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করুন। মনে রাখবেন, আপনার সন্তানও কিন্তু আপনার আচরণ থেকে শিখছে।
আপনি শিক্ষককে সম্মান দেখালে, সন্তানও তাঁকে সম্মান করতে শিখবে। এজন্য দেখা যায় যে সকল বাচ্চারা শিক্ষককে সম্মান করে না তাদের অভিভাবকগনও শিক্ষকদের সম্মান করে না।

২. গঠনমূলক সম্পর্ক রাখুন:
শুধুমাত্র প্রয়োজন হলেই নয়, সন্তানের অগ্রগতি নিয়ে শিক্ষকের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন। তবে সেটি যেন অযাচিত বা বিরক্তিকর না হয়। শিক্ষকের মূল্যবান সময়কে মূল্য দিন।
সন্তানের দুর্বলতা বা সমস্যা নিয়ে কথা বলার সময় নম্র ও বিনয়ী হোন।
শিক্ষকের কোনো সিদ্ধান্ত বা পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন থাকলে, সেটি একান্তে ও শালীনতার সাথে আলোচনা করুন। জনসমক্ষে বা অন্য অভিভাবকদের সামনে সমালোচনা করবেন না। এটা একদিকে আপনি গিবতের মত মারাত্মক গুনাহের ভাগীদারি হচ্ছেন ওপর দিকে আপনার চরিত্র!! নিয়ে অন্যান্য অভিভাবক যারা রয়েছেন তাদের মনের প্রশ্ন তুলছেন।

৩. শিক্ষকের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করুন:
মাদরাসা বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কিছু নিয়মকানুন থাকে। শিক্ষকের নেওয়া যেকোনো গঠনমূলক সিদ্ধান্ত বা শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে তাঁকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করুন। বাড়িতে গিয়ে শিক্ষকের সমালোচনা করলে সন্তানের মনে তাঁর প্রতি অশ্রদ্ধা জন্মায়, যা আপনার সন্তানের শিক্ষার জন্য ক্ষতিকর।

৪. সমস্যা সমাধানের মনোভাব রাখুন:
যদি সন্তানের পক্ষ থেকে কোনো ভুল বোঝাবুঝি বা অভিযোগ থাকে, তবে আগে শিক্ষকের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। আবেগপ্রবণ না হয়ে, সমস্যাটি দ্রুত সমাধানের জন্য শিক্ষকের সাথে একযোগে কাজ করুন।

💡 মনে রাখবেন: শিক্ষকের সাথে আপনার সুসম্পর্ক আপনার সন্তানের জন্য একটি নিরাপদ ও ইতিবাচক শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করে। আপনার বিনয় ও সহযোগিতা শিক্ষকের প্রচেষ্টাকে আরও অর্থবহ করে তোলে।

আসুন, আমরা আমাদের সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষকের প্রতি যথাযথ সম্মান বজায় রাখি। মনে রাখবেন এক হাতে যেমন তালি বাজে না ঠিক তেমনি ভাবে শিক্ষক এবং অভিভাবক যদি মৌলিক সঠিক কাজে একমত না হয় তাহলে বাচ্চা মানুষ হয় না।
শিক্ষকের প্রতি আপনার শ্রদ্ধা প্রকাশ করতে আপনি কী করেন? কমেন্টে জানান। 👇

#শিক্ষক #শিক্ষকেরসাথেব্যবহার #অভিভাবক #সন্তানপালন #শ্রদ্ধা #প্যারেন্টিং

ইশরাক, দোহা (চাশত) এবং আওয়াবীন সালাত সম্পর্কে বিশদ আলোচনা❖ ১. ইশরাক সালাতঅবস্থান ও সময়: সূর্যোদয়ের প্রায় ১৫–২০ মিনিট পর ...
12/10/2025

ইশরাক, দোহা (চাশত) এবং আওয়াবীন সালাত সম্পর্কে বিশদ আলোচনা

❖ ১. ইশরাক সালাত

অবস্থান ও সময়: সূর্যোদয়ের প্রায় ১৫–২০ মিনিট পর থেকে পড়া যায়।

রাকআত সংখ্যা: সর্বনিম্ন ২ রাকআত।

হানাফী ফিকহে হুকুম: মুস্তাহাব (পড়া ভালো, না পড়লে গোনাহ নেই)।

ফজিলত: সহিহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত — “যে ব্যক্তি ফজর জামাতে পড়ে সূর্যোদয় পর্যন্ত যিকর করে, তারপর ২ রাকআত পড়ে, তার জন্য হজ ও উমরার পূর্ণ সওয়াব।” (তিরমিযী, হা/৫৮৬)

ইমাম আবু হানিফা (রাহ.) ও হানাফী ফুকাহা: একে “দুহার প্রথম অংশের নামাজ” হিসেবেই গণ্য করেছেন, অর্থাৎ ইশরাক = দোহার প্রথম সময়ের সালাত।

❖ ২. দোহা বা চাশতের সালাত

সময়: সূর্য কিছুটা উঁচু হয়ে গেলে (প্রায় সকাল ৮টা থেকে দুপুরের আগে পর্যন্ত)।

রাকআত: সর্বনিম্ন ২, সর্বাধিক ১২ (কোনো সীমা নেই)।

হানাফী ফিকহে হুকুম: মুস্তাহাব।

ফজিলত: “মানুষের প্রতিটি অঙ্গের সাদাকাহের বিকল্প হিসেবে দু’ রাকআত দোহার সালাত যথেষ্ট।” (মুসলিম, হা/৭২০)

ইমাম আবু হানিফা (রাহ.): এ সালাতকে “ইশরাকের সময় থেকে শুরু হয়ে দুপুর পর্যন্ত” একটিই সালাত বলেছেন, শুধু সময়ভেদে নাম আলাদা।

❖ ৩. সালাতুল আওয়াবীন

সময়: হানাফী মাযহাব অনুযায়ী দুইটি ব্যাখ্যা পাওয়া যায়:

1. অনেক হানাফী আলেম বলেন — এটি দোহা (চাশত) সালাতের আরেক নাম। (ইবনুল হাম্মাম, ফাতহুল কদীর, ২/৪৩৭)

2. আবার অনেকে বলেন — মাগরিবের পর ৬ রাকআত পর্যন্ত নফল সালাতকেও আওয়াবীন বলা হয়।
(হিদায়া, ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া, মিরকাতুল মাফাতীহ)

ফজিলত: দুর্বল হাদীস দ্বারা বর্ণিত যে, “যে মাগরিবের পরে ছয় রাকআত নামাজ পড়ে, আল্লাহ তাকে ১২ বছরের নফল ইবাদতের সওয়াব দেন।” (তিরমিযী, হা/৪৩৫ — যঈফ)।
তবে হানাফী আলেমগণ একে “ফযিলতপূর্ণ নফল” হিসেবে গ্রহণ করেছেন, কিন্তু নির্দিষ্ট নামাজ হিসেবে নয়।

🔹 সারসংক্ষেপ (হানাফী দৃষ্টিকোণ থেকে)

নাম সময় রাকআত হানাফী অবস্থান মন্তব্য

ইশরাক সূর্যোদয়ের ১৫-২০ মিনিট পর ২ মুস্তাহাব দোহার প্রথম অংশ
দোহা/চাশত সকাল ৮টা–যোহরের আগে ২–১২ মুস্তাহাব ইশরাকের সম্প্রসারিত সময়
আওয়াবীন (১) দোহা সময়, বা (২) মাগরিব পর ৬ রাকআত ৬ বা তার বেশি মুস্তাহাব দু’ভাবে বর্ণিত; হাদীস দুর্বল

👉 হানাফী মাযহাব মতে,
ইশরাক ও দোহা মূলত একই সালাত, সময়ের পার্থক্যে নাম ভিন্ন।
আওয়াবীন শব্দটি কখনো দোহা/চাশতের অর্থে ব্যবহৃত, কখনো মাগরিবের পর নফল নামাজ অর্থে।
👇👇👇👇👇
বিস্তারিত ফার্স্ট কমেন্টে

মাইয়্যাত কবরে রেখে তালক্বীন করা সুন্নাত। হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে:যখন মৃত ব্যক্তির উদ্দেশ্যে কবরে তালক্বীন দেওয়া হয় তখন ম...
10/10/2025

মাইয়্যাত কবরে রেখে তালক্বীন করা সুন্নাত।

হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে:
যখন মৃত ব্যক্তির উদ্দেশ্যে কবরে তালক্বীন দেওয়া হয় তখন মুনকার ও নকীর ফেরেশতাদ্বয় পরস্পর পরস্পরের হাতে ধরে বলেন যে, তাকে প্রশ্ন করে কি হবে, তাকে তো সব শিখিয়ে দেওয়া হয়েছে। চলো আমরা চলে যাই। অর্থাৎ তালক্বীনের কারণে সে সওয়াল-জাওয়াব থেকে নাযাত পায় অথবা তার জবাব দিতে সহায়ক হয়। (সুবহানাল্লাহ্)।

(দলীলসমূহঃ- ত্বাষ্কানী মুজামুল কবীর, বুলুগুল মারাম, ফিকাহুস সুনান, কবীরি, নূরুচ্ছুদুর, আরকানে আরবায়া, ফতওয়ায়ে রশিদীয়া, ইত্যাদি।)

তালক্বীনের ব্যাপারে পবিত্র হাদীস শরীফে প্রমাণ পাওয়া যায়। রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন-

اذ مات احدکم من اخوانکم فسویتم التراب علی قبرہ فلیقم احدکم علی رأس قبرہٖ ثم لیقل یا فلان بن فلانۃ فانہ یسمعہ ثم یقول یا فلان بن فلانۃ فانہ یستوی قاعدًا ثم یقول یا فلان بن فلانۃ فانہ یقول ارشدنا یرحمک اللہ ولکن لاتشعرون فلیقل اذکر ما خرجت علیہ من الدنیا شھادۃ ان لّا الٰہ الا اللہ وان محمدًا عبدہٗ ورسولہٗ وانک رضیت باللّٰہ ربًا وّبالاسلام دینًا وّبمحمّدٍ نبیًا وّبالقراٰن اماما فان منکرا و نکیرًا یأخذ کل واحد منھما بیدصاحبہ ویقول انطلق بنا ماقعدنا عند من لقن حجتہ۔ وقال رجل یارسول اللہ فان لم یعرف امہ قال فینسبہ الی امہ حواء یقول یا فلان بن حوٓاء (رواہ الطّبرانی)
অর্থাৎ- তোমাদের কোন মুসলমান ভাই ইন্তেকাল করলে তাকে কবরস্থ করে উপরে মাটি ঠিকঠাক করে দিয়ে তোমাদের কেউ যেন তার শিয়রের কাছে দাঁড়িয়ে এভাবে আহবান করে বলে, হে অমুকের সন্তান অমুক! তখন মৃত লোকটি ঐ আওয়াজ শুনতে পাবে। একই ভাবে দ্বিতীয়বার ডাক দিবে তখন সে সোজা হয়ে বসবে। তারপর আবার ডাক দিলে সে কবরের ভিতর থেকে বলবে আমাকে কিছু উপদেশ দিন; আল্লাহ্‌ তায়ালা আপনাকে রহম করুন। নবীজি এরশাদ করেন- যদিও তোমরা সে আওয়াজ শুনতে পারবে না। অতঃপর শিয়রের কাছে দাঁড়ানো ব্যক্তি যেন বলে- তুমি দুনিয়া হতে যে কালেমায়ে শাহাদাত নিয়ে বিদায় নিয়েছ তা স্মরণ করো। আর স্মরণ করো এ কথা যে, আমি রব হিসেবে আল্লাহর উপর সন্তুষ্ট এবং দ্বীন হিসেবে ইসলামের উপরে রাজি; নবী হিসেবে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর সন্তুষ্ট এবং পথ প্রদর্শক হিসেবে পবিত্র কুরআনের উপর সন্তুষ্ট।
নবীজি এরশাদ করেন- তালক্বীনের পর মুনকার-নাকীর ফেরেশ্‌তাদ্বয় বলাবলি করে চলো যাই। 👇👇👇
বিস্তারিত ফাস্ট কমেন্টে,, 👇👇👇👇👇

দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি
05/10/2025

দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি

18/08/2025

#আখেরী_চাহার_শোম্বাহ্
#প্রশ্নঃ আখেরী চাহার শোম্বাহ্ কী ও কেন? এ বিষয়ে এক এক স্থানে এক এক রকম বলতে শুনা যায়। কেউ পক্ষে আর কেউ বিপক্ষে। সুতরাং বিস্তারিত আলোচনার নিবেদন রইল।

#উত্তরঃ সফর মাস আরবী হিজরি মাসের ২য় মাস। আর মাহে সফরের শেষ বুধবারকে ইসলামী পরিভাষায় মুসলিম সমাজে আখেরী চার শম্বাহ্ হিসেবে বুঝায়। যেহেতু এক সময়ে ফার্সী ভাষা প্রচলিত ছিল আর ফার্সী ভাষায় বুধবারকে চার শম্বাহ্ বলা হয়।

মুসলিম সমাজে সফর মাসের শেষ বুধবারকে গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়। এর পেছনে যে প্রেক্ষাপট রয়েছে তা হলো ‘দুনিয়াবী সকল বাতিল অপশক্তি প্রয়োগ করে ব্যর্থ হয়ে ইহুদীগণ হুযূর করিম সাল্লাল্লাহু তা’আলা আলায়হি ওয়াসাল্লামকে যাদু করেছিল। কিন্তু তাদের যাদু শক্তি প্রিয়নবীর মধ্যে কোন প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি।
অবশেষে ৭ম হিজরীতে হুদায়বিয়ার সন্ধির পর মহররম মাসে মদিনায় ইহুদী নেতৃবৃন্দ লবীদ ইবনে আসম ইয়াহুদীকে বলল, তুমি ও তোমার কন্যাগণ তো যাদু বিদ্যায় পারদর্শী।

সুতরাং মুসলমানের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লামকে ধবংস ও ক্ষতি সাধনের জন্য যাদু করো। লবীদ কৌশলে প্রিয় রাসূলের এক ইহুদী গোলামের মাধ্যমে মহানবী সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লামার ব্যবহৃত চিরুনীর ভাঙ্গা দাঁত ও চুল মোবারক সংগ্রহ করে নিলো। তারপর মোমের একটা পুতুল তৈরি করে তাতে এগারোটি সুঁচ ঢুকিয়ে দিল। একটি সুতায় ১১টি গিরা দিলো।
এসব কিছু ওই পুতুলের ভেতর স্থাপন করে প্রবহমান কূপের পানির ভিতর একটা পাথরের নিচে চাপা দিয়ে রেখে দিলো। এর প্রভাবের ফলে হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম দীর্ঘ চল্লিশ রাত বা ছয় মাস অথবা এক বছরকাল শারীরিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছিলেন।

অতঃপর জিব্রাইল আমীন আলায়হিস্ সালাম সূরা ফালাক্ব ও সূরা নাস এ দুটি সূরা প্রিয় নবীর উপর নাজিল/অবতীর্ণ করলেন। আর এ দু’টি সূরা মিলে আয়াত সংখ্যা হয় ১১টি।

হুযূর সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লামকে ওহীর মাধ্যমে এ বিষয়ে সংবাদ দেয়া হল। আল্লাহর হাবীব হযরত আলী রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহুকে উক্ত কূপে পাঠিয়ে ছিলেন, তিনি কূপের পানি ফেলে দিয়ে যাদুর সব সমগ্রী পাথরের নীচ থেকে বের করে নিয়ে আসলেন। হুজুর আলায়হিস্ সালাম এ সূরা ২টি পাঠ করলেন প্রতিটি আয়াত পাঠের সদকায় একেকটি করে গিরা খুলে গেল। ফলে আল্লাহর প্রিয় হাবীব হুযূর করীম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম আরোগ্য লাভ করলেন এবং গোসল করলেন। ওলামায়ে কেরামের মধ্যে কেউ কেউ বলেছেন সে দিনটি ছিল সফর মাসের শেষ বুধবার।

তাই বালা-মুসিবত, রোগ-শোক থেকে আল্লাহর কাছে পানাহ্ চাইতে মুসলিম সমাজ এ দিবসটি গোসল ও দোয়া দরূদের মাধ্যমে ভাল ও উত্তমপন্থা হিসেবে পালন করে থাকে। ওয়াজিব ও জরুরি হিসেবে নয়।

ইমামে আহলে সুন্নাত আল্লামা গাজী সৈয়দ আজিজুল হক শেরে বাংলা আলকাদেরী রহমাতুল্লাহি আলায়হি ‘ #জাওয়াহেরুল_কুনুজ’ কিতাবের ৫ম খণ্ডের ৬১৬ পৃষ্ঠার বরাতে স্বীয় রচিত ‘ফতোয়ায়ে আজিজীতে উল্লেখ করেন সফর মাসের শেষ বুধবার সূর্যোদয়ের পূর্বে গোসল করা উত্তম। আর সূর্যোদয়ের পর দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করা ভাল ও সওয়াবের কাজ। উক্ত কিতাবের ৬১৭ পৃষ্ঠায় আরও উল্লেখ রয়েছে- মাহে সফরের শেষ বুধবার সাতটি আয়াতে সালাম লিখে তা পানিতে ধুয়ে পানিটুকু পান করা উত্তম ও শেফা।

‘ #তাজকিরাতুল_আওরাদ’ কিতাবে উল্লেখ আছে, যে ব্যক্তি আখেরি চার শম্বাহ্ তথা মাহে সফরের শেষ বুধবারে প্রত্যেক ওয়াক্ত নামাজের পর আয়াতে রহমত (সাত সালাম বিশিষ্ট আয়াতে করিমা) পাঠ করে নিজের শরীরে ফুঁক দেবে বা তা পানের উপর লিখে ধুয়ে পানি পান করবে আল্লাহ্ পাক তাকে সব রকম বালা-মুসিবত ও রোগ-ব্যাধি হতে নিরাপদে রাখবেন।

‘‘ #আনওয়ারুল_আউলিয়া’ কিতাবে উল্লেখ রয়েছে, যে ব্যক্তি আখেরী চার শম্বাহ্র দিন দু’রাকাত নফল নামায আদায় করবে আল্লাহ্ তাকে হৃদয়ের প্রশান্তি দান করবেন।

‘ #ফতোয়ায়ে_আজিজী শরীফে’ ইমামে আহলে সুন্নাত মুজাহিদে মিল্লাত আল্লামা গাজী সৈয়দ আজিজুল হক শেরে বাংলা আলকাদেরী রাহমাতুল্লাহি আলায়হি এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করেছেন।

সুতরাং মাহে সফরের শেষ বুধবার নফল নামাজ, দোয়া-দরুদ পড়া, কলা পাতায়/কাগজে আয়াতে শেফাসমূহ লিখে গোসল করা এবং আয়াতে সালামসমূহ লিখে পানিতে দিয়ে তা পান করা ভাল ও উত্তম আমল। এতে শরীয়তের দৃষ্টিতে বাধা নেই।

তদুপরি ‘ াহিকুল_মাখতুম্’ আরবী সীরাত গ্রন্থে সফিউর রহমান মোবারকপুরী বর্ণনা করেন-
ويوم الاربعاء قبل خمسة ايام من الوفاة اثقلت حرارة العلة فى بدنه فاشتد به الوجع وغمى فقال هريقوا علّى سبع قرب من ابارتشى حتى اخرج الى الناس فاعهد اليهم فافعدوه فى مخضب وصبوا عليه الماء حتى طفق يقوله حسبكم حسبكم وعند ذالك احس بخفةٍ فدخل المسجد وهو معصوب الرأس حتى جلس على المنبر وخطب الناس والناس مجتمعون حوله الخــ الرحيق المختوم لصفى الرحمن المباركفورى ـ الصف ……….৪৬৫
অর্থাৎ হুজুর নবী করীম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম ইনতিকাল শরীফের পাঁচদিন পূর্বে (প্রিয় নবীর দুনিয়াবী হায়াতের শেষ বুধবারে (চার শম্বাহ্ দিবসে) প্রিয় নবীর নূরানী শরীর মোবারকের উত্তাপ অত্যন্ত বেড়ে গেল। এতে তাঁর কষ্ট বেশী হয়ে গেল। বেঁহুশের মত হয়ে গেলেন। এ সময় তিনি বললেন, তোমরা বিভিন্ন কূপের সাত মশক পানি আমার উপর ঢাল, যাতে আমি সাহাবায়ে কেরামের নিকট যেতে পারি এবং প্রতিশ্র“তি নিতে পারি।

অতঃপর উপস্থিত সাহাবায়ে কেরাম তাঁকে (প্রিয় রাসূলকে) বসালেন এবং তাঁরা তাঁর শরীর মোবারকে পানি প্রবাহিত করলেন। তিনি বলতে লাগলেন, যথেষ্ট, যথেষ্ট। তিনি সুস্থতা বোধ করলেন এবং মসজিদে নববী শরীফে মাথা মোবারকে পট্টি বাঁধাবস্থায় তাশরীফ নিলেন, তারপর মিম্বর শরীফে বসে উপস্থিত সাহাবায়ে কেরামের সম্মুখে বক্তব্য পেশ করলেন, তখন সাহাবায়ে কেরাম তাঁর চতুর্পার্শে সমবেত ছিলেন। [আর রাহিকুল মাখতুম, পৃ. ৪৬৫]

উপরিউক্ত বর্ণনা মতে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম দুনিয়াবী হায়াতের শেষ বুধবার সাত মশক পানি দ্বারা গোসল করেছেন এবং সুস্থতা অনুভব করে মসজিদে নববী শরীফে প্রবেশ করেছেন এবং খুতবা (বয়ান) প্রদান করেছেন।

এ বর্ণনা দ্বারা সফর মাসের আখেরী চাহার শোম্বাহ্ বা বুধবার বুঝা যায় না, তাই ওলামায়ে কেরামের মধ্যে কেউ কেউ আখেরী চার শম্বাহ্ বা মাহে সফরের শেষ বুধবার গুরুত্বসহ পালন করা ভিত্তিহীন বলেছেন, হয়তো ‘জাওয়াহেরুল কুনজ’ এর বর্ণনাসমূহ তাঁদের দৃষ্টিগোচর হয়নি, বিধায় এ বিষয়ে বাড়াবাড়ি ও ফিতনা ফ্যাসাদ না করে জাওয়াহেরুল কুনজ, ফতোয়ায়ে আজিজী এর বর্ণনাসমূহ দেখার ও অনুধাবন করার আহ্বান রইল।

[মাসিক তরজুমান প্রশ্নোত্তর পর্ব, ফতোয়ায়ে আজিজী, কৃত. ইমামে আহলে সুন্নাত আল্লামা গাজী শেরে বাংলা আজিজুল হক আলকাদেরী রহ.]

সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবদুল্লাহ শাহেব

হিফজ পড়াতে ইচ্ছুক সম্মানিত অভিভাবকদের প্রতি পরামর্শ। 🔴🔷🔹এক : বাচ্চা মেধাবী হলে হিফজে দিন। মেধা দুর্বল হলে হিফজে না দেওয়া...
05/08/2025

হিফজ পড়াতে ইচ্ছুক সম্মানিত অভিভাবকদের প্রতি পরামর্শ।

🔴🔷🔹এক : বাচ্চা মেধাবী হলে হিফজে দিন। মেধা দুর্বল হলে হিফজে না দেওয়াই ভালো ।

🔴🔷🔹দুই : মেধা ভালো। হিফজে দিয়েছেন। কিন্তু সে হিফজে পড়তে বিলকুল আগ্রহী না। অসহ্য লাগে। পালিয়ে আসে। হিফজের চিন্তা বাদ দিয়ে ক্লাসে ভর্তি করে দিন।

🔴🔷🔹তিন : মেধা দুর্বল। তবুও আশা করে হিফজে দিয়েছেন, পারছে না। শত চেষ্টা করেও হচ্ছে না। অতিরিক্ত চাপ না দিয়ে ক্লাসে ভর্তি করে দিন।

🔴🔷🔹চার : মাদ্রাসায় থেকে পড়তে দিন। বাসায় হিফয সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। বিয়ে-শাদির দাওয়াত, বেড়াতে যাওয়া ইত্যাদি অহেতুক কারণে ছুটি নেয়া বন্ধ করুন।

🔴🔷🔹পাঁচ : হাফেজ হওয়া ফরয, ওয়াজিব কিছুই না। অতিরিক্ত আবেগী হয়ে বাচ্চার সময় নষ্ট করবেন না।

🔴🔷🔹ছয় : উস্তাদের দোয়া নিন। উস্তাদকে সর্বোচ্চ সম্মান করুন। উস্তাদের দোয়া ও আন্তরিক প্রচেষ্টা ছাড়া বাচ্চার পড়ার উন্নতি হবে না।

🔴🔷🔹সাত : আল্লাহর খাস রহমত ও বাচ্চার স্বতস্ফুর্ত অবিরাম চেষ্টা সাধনা ছাড়া হাফেজ হওয়া যায় না। এজন্য হালাল হারাম মেনে চলুন। বেশি বেশি দোয়া ও আমল করতে থাকুন।

🔴🔷🔹আট : হাফেজ হওয়া সম্মানের, সৌভাগ্যের। তবে বাচ্চার অবস্হা বিবেচনা করতে হবে। অভিভাবকের ভুলের কারণে বাচ্চার জীবন যেন হুমকির মুখে না পড়ে।

🔴🔷🔹নয় : হাফেজ হওয়ার পর ভালো আলেম বানানোর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করুন। শুধু হাফেয হওয়ার মধ্যে পরিপূর্ণ কল্যাণ নেই।

🔴🔷🔹দশ অভিভাবকদের প্রতি ছোট একটি আবেদন,,,,,,,,,,
এই ভুল কেউ করবেন না,,,,,,,

ইলম আসার জন্য উস্তাদের দুআ নিন। উস্তাদকে সর্বোচ্চ সম্মান করুন। উস্তাদের দুআ ও আন্তরিক প্রচেষ্টা ছাড়া বাচ্চার লেখা পড়ার উন্নতি হয় না।
উস্তাদের সাথে যে গার্ডিয়ান যত ভদ্র আচরণ করবে, তার সন্তান উস্তাদকে তত বেশি সম্মান করবে। এমনকি যে গার্ডিয়ান উস্তাদের সাথে খারাপ আচরন করবে, তার সন্তানের ভবিষ্যৎ জীবন নষ্ট করার জন্য তিনি নিজেই দায়ী থাকবেন ।

আল্লাহ আমাদের সকলকে সহীহ বুঝ দান করুন।আমীন
Al Madania Foundation Bangladesh-আল মাদানীয়া ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ

সবার প্রতি বিশেষ বিপ্লবী দাওয়াত -
04/08/2025

সবার প্রতি বিশেষ বিপ্লবী দাওয়াত -

Address

Dhaka
Mirpur
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Madania Foundation Bangladesh-আল মাদানীয়া ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Al Madania Foundation Bangladesh-আল মাদানীয়া ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ:

Share