29/12/2023
আপনি যে সমস্যা বা কষ্টে আছেন, লক্ষ্য করলে দেখবেন সেই একই সমস্যায় আপনার আশেপাশে আরও বহু মানুষ আছে। যদি চান আপনার সমস্যাটা কেটে যাক, তাহলে একই সমস্যায় নিপতিত কাউকে হেল্প করুন।
সাংসারিকভাবে যদি আপনি অশান্তিতে থাকেন, তাহলে এরকম কষ্টে যারা আছে, তাদের সংসার জোড়া লাগানোর চেষ্টা করুন। আপনি যদি অসুস্থ থাকেন, তাহলে এমন অসুস্থ ব্যক্তিকে হেল্প করুন, যে অর্থের অভাবে চিকিৎসা করতে পারছে না।
যদি আপনি চান, আল্লাহর ঘরে আসবেন, তাহলে এমন কাউকে এই ঘরে আসার ব্যবস্থা করুন, যার এখানে আসার তীব্র ইচ্ছা থাকলেও আসতে পারছে না।
আমাকে অনেকেই জিজ্ঞেস করে, ভাই আপনি যে এতবার মক্কা মদিনাতে আসেন, কী আমলের কারনে আসেন। বিশ্বাস করেন, আমার এমন বিশেষ কোনই আমল নেই। এতটাই গুনাহে জর্জরিত এক মানুষ আমি, আমার গুনাহগুলো যদি আল্লাহ ঢেকে না রাখতেন, কারো সামনে মুখ দেখানোর উপায় থাকতো না।
কিন্ত তারপরও আল্লাহ যে মেহেরবানী করে নিয়ে আসেন, তার একটা কারন আমার মনে হয়, উপরে বর্ণিত আমলটি। এই বছর আল্লাহর ঘরে এমন একজন ভাই এসেছেন, যার এখানে আসার উসিলা আমি। সামনেও এক ভাই আমার উসিলাহতেই উমরাহতে আসবেন ইন শা আল্লাহ। না, আমি কোন টাকা পয়সা দেই নি। এক টাকাও দেই নি। কেবল পরিচিত কয়েকজন সম্পদশালী ভাইকে বলেছি, এই সমস্ত ব্যক্তিদের কথা। তাদেরকে জানিয়েছি, এই মানুষগুলো বাইতুল্লাহতে আসার জন্য কতটা পাগলপ্রায়। আল্লাহ তাআলা আপনাদের অর্থ সম্পদ দিয়েছেন, আপনারা একটু হিম্মত করলেই এই লোকগুলো আল্লাহর ঘর জিয়ারত করতে পারে।
আল্লাহর কসম! রিয়ার জন্য নয়, এ কথাগুলো এজন্য শেয়ার করা, যাতে করে কিছু ভাই বোনের ফায়দা হয়। অনেক সহিহ হাদিসেই এ কথাগুলো পাওয়া যাবে, যে ভাই কোন মুসলিম ভাইয়ের বিপদ/কষ্ট দূর হওয়ার চেষ্টা করে, দুআ করে, ফিরিশতারা তার জন্য দুআ করে বলে, আল্লাহ! তোমার কষ্টও দূর করে দিক।
কেবল কিছু বাক্য ব্যয় আর সামান্য পরিশ্রম করেই যদি ফিরিশতাদের দুআ পাওয়া যায়, তাহলে সেটা লুফে নেয়াই কি বুদ্ধিমানের কাজ নয়?…
© Rizwanul Kabir