Md. Rubel Mridha

Md. Rubel Mridha Rubel Mridha

12/07/2023

Old is gold

৪ সন্তানের জননী হলেন রুমানা ইসলাম (১৯)। রুমানা মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার, শিমুলিয়া ইউনিয়নাধীন ধামধারা গ্রামের নয়ন শেখ ...
11/07/2023

৪ সন্তানের জননী হলেন রুমানা ইসলাম (১৯)।
রুমানা মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার, শিমুলিয়া ইউনিয়নাধীন ধামধারা গ্রামের নয়ন শেখ এর স্ত্রী।
আজ সকাল সাড়ে ৭ টার সময় মুন্নু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিজারের মাধ্যমে ৪ জন সন্তান (২ জন মেয়ে ২ জন ছেলে) জন্ম দেন রুমানা।
মা সুস্থ আছেন, বাচ্চাদের ICU তে রাখা হয়েছে। নবজাতকদের জন্য সকলের কাছে দোয়ার দরখাস্ত রইলো। আল্লাহ্ যেনও সবাই কে হেফাজত করেন। আমিন

Follow my page
10/07/2023

Follow my page

10/07/2023

মন জুরানো ওআজ

বাংলাদেশ (এই শব্দ সম্পর্কেশুনুন) দক্ষিণ এশিয়ার একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র। বাংলাদেশের সাংবিধানিক নাম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ...
10/07/2023

বাংলাদেশ (এই শব্দ সম্পর্কেশুনুন) দক্ষিণ এশিয়ার একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র। বাংলাদেশের সাংবিধানিক নাম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশের পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয়, পূর্ব সীমান্তে আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম, দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে মিয়ানমারের চিন ও রাখাইন রাজ্য এবং দক্ষিণ উপকূলের দিকে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।[১২] ভৌগোলিকভাবে পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপের সিংহভাগ অঞ্চল জুড়ে বাংলাদেশ ভূখণ্ড অবস্থিত। জনসংখ্যার বিবেচনায় ১৬ কোটিরও অধিক মানুষ নিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বের ৮ম বৃহত্তম দেশ।[১৩] নদীমাতৃক বাংলাদেশ ভূখণ্ডের উপর দিয়ে বয়ে গেছে ৫৭টি আন্তর্জাতিক নদী। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বে ও দক্ষিণ-পূর্বে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় ছেয়ে আছে। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য সুন্দরবন ও দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সৈকত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশে অবস্থিত।

দক্ষিণ এশিয়ার প্রাচীন ও ধ্রুপদী যুগে বাংলাদেশ অঞ্চলটিতে বঙ্গ, পুণ্ড্র, গৌড়, গঙ্গাঋদ্ধি, সমতট ও হরিকেল নামক জনপদ গড়ে উঠেছিল। মৌর্য যুগে মৌর্য সাম্রাজ্যের একটি প্রদেশ ছিল অঞ্চলটি। জনপদগুলো নৌ-শক্তি ও সামুদ্রিক বাণিজ্যের জন্য বিখ্যাত ছিল। মধ্যপ্রাচ্য, রোমান সাম্রাজ্যে মসলিন ও সিল্ক রপ্তানি করতো জনপদগুলো। প্রথম সহস্রাব্দিতে বাংলাদেশ অঞ্চলকে কেন্দ্র করে পাল সাম্রাজ্য, চন্দ্র রাজবংশ, সেন রাজবংশ গড়ে উঠেছিল। বখতিয়ার খলজির গৌড় জয়ের পরে ও দিল্লি সালতানাত আমলে এ অঞ্চলে ইসলাম ছড়িয়ে পড়ে। ইউরোপীয়রা শাহী বাংলাকে পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী বাণিজ্য দেশ হিসেবে গণ্য করতো।[১৪]

মুঘল আমলে বিশ্বের মোট উৎপাদনের (জিডিপি'র) ১২ শতাংশ উৎপন্ন হতো সুবাহ বাংলায়,[১৫][১৬][১৭] যা সে সময় সমগ্র পশ্চিম ইউরোপের জিডিপি'র চেয়ে বেশি ছিল।[১৮] ১৭৬৫ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ভূখণ্ডটি প্রেসিডেন্সি বাংলার অংশ ছিল। ১৯৪৭-এ ভারত বিভাজনের পর বাংলাদেশ অঞ্চল পূর্ব বাংলা (১৯৪৭–১৯৫৬; পূর্ব পাকিস্তান, ১৯৫৬–১৯৭১) নামে নবগঠিত পাকিস্তান অধিরাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। ১৯৪৭ থেকে ১৯৫৬ পর্যন্ত বাংলা ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশ হলে পশ্চিম পাকিস্তানের বিবিধ রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক শোষণ, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ভারতের সহায়তায় গণতান্ত্রিক ও সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তান বাংলাদেশ নামক স্বাধীন ও সার্বভৌম জাতিরাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে দারিদ্র্যপীড়িত বাংলাদেশে বিভিন্ন সময় ঘটেছে দুর্ভিক্ষ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ; এছাড়াও প্রলম্বিত রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও পুনঃপৌনিক সামরিক অভ্যুত্থান এদেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বারংবার ব্যাহত করেছে। নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ১৯৯১ সালে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় যার ধারাবাহিকতা আজ অবধি বিদ্যমান। সকল প্রতিকূলতা সত্ত্বেও গত দুই দশকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রগতি ও সমৃদ্ধি সারা বিশ্বে স্বীকৃতি লাভ করেছে।

জনসংখ্যায় বিশ্বে অষ্টম বৃহত্তম দেশ বাংলাদেশ, যদিও আয়তনে বিশ্বে ৯২ তম।[১৯] ৬টি ক্ষুদ্র দ্বীপ ও নগররাষ্ট্রের পরেই বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ। মাত্র ৫৬ হাজার বর্গমাইলেরও কম এই ক্ষুদ্রায়তনের দেশটির প্রাক্কলিত (২০১৮) জনসংখ্যা ১৮ কোটির বেশি অর্থাৎ প্রতি বর্গমাইলে জনবসতি ২৮৮৯ জন (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ১১৪০ জন)।[২০] দেশের জনসংখ্যার প্রায় ৯৯% মানুষের মাতৃভাষা বাংলা; সাক্ষরতার হার প্রায় ৭৫.২% ।

২০১৭–১৮ অর্থবছরে চলতি বাজারমূল্যে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) পরিমাণ ছিল ২২,৫০,৪৭৯ কোটি টাকা[২১] (২৬১.২৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার), যা ২০১৮–১৯ অর্থবছরে বৃদ্ধি লাভ করে ২৮৫.৮২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার উন্নীত হবে বলে প্রাক্কলন করা হয়েছে।[২২] ২০১৭–১৮ অর্থবছরে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু গড় বার্ষিক আয় ছিল ১৭৫২ ডলার। সরকার প্রাক্কলন করেছে যে, ২০১৮–১৯ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে ১৯৫৬ ডলার বা ১ লাখ ৬০ হাজার ৩৯২ টাকা।[২৩] দারিদ্রের হার ২০.৫ শতাংশ, অতিদরিদ্র মানুষের সংখ্যা ১০.৫ শতাংশ এবং বার্ষিক দারিদ্র হ্রাসের হার ১.৫ শতাংশ। এই উন্নয়নশীল দেশটি প্রায় দুই দশক যাবৎ বার্ষিক ৫ থেকে ৬.২ শতাংশ হারে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অর্জনপূর্বক পরবর্তী একাদশ অর্থনীতিসমূহের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। রাজধানী ঢাকা ও অন্যান্য শহরের পরিবর্ধন বাংলাদেশের এই উন্নতির চালিকাশক্তিরূপে কাজ করছে। এর কেন্দ্রবিন্দুতে কাজ করেছে একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ত্বরিত বিকাশ এবং একটি সক্ষম ও সক্রিয় উদ্যোক্তা শ্রেণির আর্বিভাব। বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্প সারা বিশ্বে বিশেষভাবে প্রসিদ্ধ। জনশক্তি রপ্তানিও দেশটির অন্যতম অর্থনৈতিক স্তম্ভ। বিশ্ব ব্যাংকের প্রাক্কলন এই যে ২০১৮–২০ এই দুই অর্থ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রতি বছর গড়ে ৬.৭ শতাংশ হারে বৃদ্ধি লাভ করবে।[২৪]

গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্রের উর্বর অববাহিকায় অবস্থিত এই দেশটিতে প্রায় প্রতি বছর মৌসুমী বন্যা হয়; আর ঘূর্ণিঝড়ও খুব সাধারণ ঘটনা। নিম্ন আয়ের এই দেশটির প্রধান সমস্যা পরিব্যাপ্ত দারিদ্র গত দুই দশকে অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে, সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি পেয়েছে দ্রুত, জন্ম নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে অর্জিত হয়েছে অভূতপূর্ব সফলতা। এছাড়া আন্তর্জাতিক মানব সম্পদ উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশ দৃষ্টান্তমূলক অগ্রগতি অর্জনে সক্ষম হয়েছে।[২৫] তবে বাংলাদেশ এখনো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে যার মধ্যে রয়েছে পরিব্যাপ্ত পরিবারতন্ত্র, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দুর্নীতি, বিশ্বায়নের প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রতলের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলশ্রুতিতে তলিয়ে যাবার শঙ্কা। তাছাড়া একটি সর্বগ্রহণযোগ্য নির্বাচন ব্যবস্থার রূপ নিয়ে নতুন ভাবে সামাজিক বিভাজনের সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশে সংসদীয় গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা ও বিমসটেক-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। এছাড়া দেশটি জাতিসংঘ, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা, বিশ্ব শুল্ক সংস্থা, কমনওয়েলথ অফ নেশনস, উন্নয়নশীল ৮টি দেশ, জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন এবং ওআইসি ইত্যাদি আন্তর্জাতিক সংস্থার সক্রিয় সদস্য।

উইকিপিডিয়ার ইতিহাস-জিমি ওয়েলস এবং ল্যারি স্যাঙ্গারLogo reading "Nupedia.com the free encyclopedia" in blue with large ...
10/07/2023

উইকিপিডিয়ার ইতিহাস-

জিমি ওয়েলস এবং ল্যারি স্যাঙ্গার
Logo reading "Nupedia.com the free encyclopedia" in blue with large initial "N".
উইকিপিডিয়া মূলত নুপিডিয়া নামের অন্য একটি বিশ্বকোষের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছিল

উইকিপিডিয়া শুরু করা হয়েছিল নুপিডিয়া'র একটি বর্ধিত প্রকল্প হিসাবে। নুপিডিয়া হল ইংরেজি ভাষার একটি মুক্ত বিশ্বকোষ যেখানে অভিজ্ঞরা লিখে থাকেন এবং একটি সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুযায়ী লেখাগুলি সম্পাদনা করা হয়। Bomis, Inc নামের একটি ওয়েব পোর্টাল প্রতিষ্ঠান ৯ মার্চ ২০০০ নুপিডিয়ার কার্যক্রম শুরু করে। এখানে মূল ব্যক্তিত্ব ছিলেন Bomic-এর নির্বাহী পরিচালক জিমি ওয়েলস এবং প্রধান সম্পাদক ল্যারি স্যাঙ্গার, যারা পরবর্তীকালে উইকিপিডিয়া কার্যক্রমের সাথে যুক্ত হন। নিউপিডিয়া মুক্ত তথ্য লাইসেন্সের অধীনে পরিচালনা করা হচ্ছিল; তবে রিচার্ড স্টলম্যান উইকিপিডিয়া কার্যক্রমের সাথে যুক্ত হবার পর গণ্যু মুক্ত ডকুমেন্টেশন লাইসেন্সে পরিবর্তন করা হয়।[২২]
বহিঃস্থ অডিও
audio icon গ্রেট বুক অব নলেজ, অংশ ১, পল কেনেডি, সিবিসি-এর ধারণানুসারে, জানুয়ারি ১৫. ২০১৪।

ল্যারি স্যাঙ্গার এবং জিমি ওয়েলস হলেন উইকিপিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা।[২৩][২৪] সকলে সম্পাদনা করতে পারে এমন একটি বিশ্বকোষ তৈরির জন্য এর লক্ষ্যগুলি নির্ধারণের কাজটি করেন জিমি ওয়েলস[২৫][২৬] এবং উইকি প্রকল্প প্রয়োগের মাধ্যমে এটি সার্থকভাবে সম্পাদনের কৌশল নির্ধারণের কৃতিত্ব দেয়া হয় ল্যারি স্যাঙ্গারকে[২৭]। ১০ জানুয়ারি ২০০১ জিমি ওয়েলস নুপিডিয়ার মেইলিংলিস্টে নুপিডিয়ার সহপ্রকল্প হিসাবে একটি উইকি তৈরির প্রস্তাব করেন।[২৮] আনুষ্ঠানিকভাবে ২০০১ সালের ১৫ জানুয়ারি শুধুমাত্র ইংরেজি ভাষার জন্য www.wikipedia.com ওয়েবসাইটটি চালু করা হয়[২৯] এবং স্যাঙ্গার এটি নুপিডিয়ার মেইলিংলিস্টে ঘোষণা করেন।[২৫] উইকিপিডিয়া কাজ শুরু করার কিছুদিনের মধ্যেই "নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি" সংক্রান্ত নিয়মটি চালু করা হয়, এই নিয়মটি নুপিডিয়ার "পক্ষপাত এড়িয়ে চলা" সংক্রান্ত নিয়মটির সাথে অনেক সাদৃশ্যপূর্ণ। এছাড়াও এই বিশ্বকোষটি সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য প্রাথমিকভাবে আরও কিছু নীতিমালা ও নির্দেশাবলী তৈরি করা হয়েছিল এবং সেইসাথে উইকিপিডিয়া নুপিডিয়া থেকে আলাদা একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠানের মত কাজ শুরু করেছিল।[২৫]
লেখচিত্রের মাধ্যমে ইংরেজি উইকিপিডিয়ার নিবন্ধ সংখ্যার বৃদ্ধি দেখানো হচ্ছে, এখানে ১০ জানুয়ারি ২০০১ থেকে ৯ সেপ্টেম্বর ২০০৭ (যেদিন ইংরেজি উইকির নিবন্ধ সংখ্যা ২০ লক্ষ অতিক্রম করেছিল) পর্যন্ত দেখানো হয়েছে

উইকিপিডিয়ার প্রথমদিকের নিবন্ধগুলি নুপিডিয়া, স্ল্যাসডট পোস্টিং এবং সার্চ ইঞ্জিন ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে তৈরি করা হয়। ২০০১ সালের মধ্যে উইকিপিডিয়ায় ১৮ ভাষার প্রায় ২০,০০০ নিবন্ধ তৈরি করা হয়। ২০০৩ সালের শেষের দিকে ২৬টি ভাষায় কাজ শুরু হয় এবং ২০০৩ সালের মধ্যে মোট ৪৬ ভাষার উইকিপিডিয়া চালু হয়। ২০০৪ সাল শেষ হবার আগেই ১৬১টি ভাষার উইকিপিডিয়া প্রকল্প শুরু করা হয়।[৩০] ২০০৩ সালে সার্ভারে সমস্যা হবার আগ পর্যন্ত নিউপিডিয়া ও উইকিপিডিয়া আলাদা ছিল এবং এরপর সকল নিবন্ধ উইকিপিডিয়ার সাথে সমন্বয় করা হয়। ৯ সেপ্টেম্বর ২০০৭ ইংরেজি উইকিপিডিয়া ২০ লক্ষ নিবন্ধের সীমানা পার করে। এটি তখন ১৪০৭ সালে তৈরি করা ইয়ংলে এনসাইক্লোপিডিয়াকে ম্লান করে দিয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বিশ্বকোষে পরিণত হয়। গত ৬০০ বছরের মধ্যে ইয়ংলে এনসাইক্লোপিডিয়া ছিল পৃথিবী সবচেয়ে সমৃদ্ধ বিশ্বকোষ।[৩১]

Wikipedia is a free online encyclopedia, created and edited by volunteers around the world and hosted by the Wikimedia Foundation.

10/07/2023

জ্ঞানের সেবক ছিলেন যে মুসলিম রাজকন্যা
আলেমা হাবিবা আক্তার
০৯ জুলাই, ২০২৩ ১৯:২৭
শেয়ার

জ্ঞানের সেবক ছিলেন যে মুসলিম রাজকন্যা

রাবেয়া খাতুন বিনতে আইয়ুব (রহ.) ছিলেন আইয়ুবীয় রাজবংশের বিখ্যাত রাজকন্যা। তিনি বহু কল্যাণমুখী কাজ করেছেন। বিশেষত তিনি ছিলেন জ্ঞানের সেবক। ধর্মীয় শিক্ষার প্রচার-প্রসারে রাবেয়া (রহ.) বহুমুখী অবদান রাখেন।
তাঁর প্রতিষ্ঠিত মাদরাসাতুস সাহিবাহ এখনো সমাজে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া তিনি মাদরাসাতুল খাতুনিয়্যাহ জাওয়ানিয়্যা প্রতিষ্ঠায় পৃষ্ঠপোষকতা করেন। তৈরি করেন একাধিক খানকা।

রাবেয়া বিনতে আইয়ুব (রহ.) ছিলেন সুলতান সালাহ উদ্দিন আইয়ুবি (রহ.)-এর বোন।
সালাহ উদ্দিন আইয়ুবি (রহ.) প্রথমে তাঁকে সাআদুদ্দিন আমির মাসউদ বিন মুঈনুদ্দিনের সঙ্গে বিয়ে দেন। আমির সাআদুদ্দিন মারা গেলে তিনি কুর্দিস্তানের ইরবিল অঞ্চলের শাসক মুজাফফার উদ্দিন কাউকাবরির সঙ্গে বিয়ে দেন। ইরবিলে তাঁর সঙ্গে ৪০ বছরের চেয়েও বেশি সময় সংসার করেন। ৬৩০ খ্রিস্টাব্দে মুজাফফার উদ্দিন ইন্তেকাল করলে তিনি দামেস্কে ফিরে আসেন এবং ৬৪৩ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।
তখন তাঁর বয়স ৮০ বছর অতিক্রম করেছিল এবং কাসিয়ুনে তাঁকে দাফন করা হয়।

রাবেয়া বিনতে আইয়ুব (রহ.) ছিলেন আমাতুল লফিত বিনতে নাসিহ হাম্বলি (রহ.) শিষ্য। তিনি ছিলেন সময়ের বিখ্যাত পণ্ডিত ব্যক্তিত্ব ও লেখিকা। তাঁর পিতা নাসিহ উদ্দিন আবুল ফরজ হাম্বলি (রহ.)-ও ছিলেন হাম্বলি মাজহাবের নেতৃস্থানীয় আলেম। আমাতুল লতিফ (রহ.) তাঁকে হাম্বলি মাজহাবের অনুসারীদের জন্য একটি মাদরাসা নির্মাণ করে দেওয়ার অনুরোধ করেন।
তাঁর আবেদনে সাড়া দিয়ে তিনি কাসিয়ুনে মাদরাসাতুস সাহিবাহ প্রতিষ্ঠা করেন এবং মাদরাসা পরিচালনার জন্য বিপুল পরিমাণ সম্পদ ওয়াকফ করেন। সাহিবাহ ছিল আইয়ুবীয় রাজকন্যাদের উপাধি। মূলত রাবেয়া (রহ.)-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত করেই মাদরাসাতুস সাহিবাহর নামকরণ করা হয়। সিরিয়ায় মাদরাসাটি এখনো টিকে আছে।

রাবেয়া বিনতে আইয়ুব (রহ.) শুধু হাম্বলি মাজহাবের অনুসারীদের জন্য মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেননি, বরং তিনি শাফেয়ি ও হানাফি মাজহাবের অনুসারীদের জন্য পৃথক মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। সব মাজহাবের প্রতি উদারনীতি তিনি পারিবারিকভাবেই লাভ করেন। তাঁর ভাই সালাহ উদ্দিন আইয়ুবি ও স্বামী মুজাফফার উদ্দিন উভয়ে মাজহাব বিষয়ে উদার ছিলেন। সুলতান সালাহ উদ্দিন আইয়ুবি (রহ.)-এর আমলে সব মাজহাবের আলেমরা সমান মর্যাদা ও সুযোগ লাভ করতেন। আর মুজাফফার উদ্দিন নিজে শাফেয়ি মাজহাবের অনুসারী হলেও ইরবিলে শাফেয়ি ও হানাফি মাজহাবের অনুসারীদের জন্য পৃথক দুটি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন।

রাবেয়া বিনতে আইয়ুব (রহ.) ছিলেন অত্যন্ত বুদ্ধিমান ও বিচক্ষণ একজন নারী। স্বামীকে তিনি রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনায় বুদ্ধি ও পরামর্শ দিতেন। ব্যক্তিগত জীবনে ছিলেন আল্লাহভীরু ও অধিক পরিমাণ ইবাদতকারী। রাত জেগে নামাজ আদায় ও কোরআন তিলাওয়াত করা ছিল তাঁর প্রিয় আমল। আল্লাহর রাস্তায় খরচ করতে তিনি কখনো কুণ্ঠাবোধ করতেন না। পিতা ও স্বামীর কাছ থেকে যে বিপুল পরিমাণ সম্পদ তিনি লাভ করেছিলেন তার বেশির ভাগই তিনি ধর্মীয় শিক্ষার বিস্তারে ব্যয় করেন। তিনি সুফিবাদ দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন। তিনি নিজেকে তাসাউফ ও আধ্যাত্মিক সাধনায় আত্মনিয়োগ করেছিলেন। সময়ের প্রসিদ্ধ সুফিদের জন্য একাধিক খানকা তৈরি করে দিয়েছিলেন তিনি। বিখ্যাত আলেম ও মুহাদ্দিসদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতেন।

সূত্র : মারেফা ডটকম ও কিসসাতুল ইসলাম

অ্যাশেজ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী স্টোকসঅ্যশেজ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী স্টোকসহেডিংলিতে ইংল্যান্ড হারলেই অ্যাশেজ অস্ট্রেলিয়ার- ...
10/07/2023

অ্যাশেজ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী স্টোকস

অ্যশেজ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী স্টোকস

হেডিংলিতে ইংল্যান্ড হারলেই অ্যাশেজ অস্ট্রেলিয়ার- এই সমীকরণে দাঁড়িয়ে অবশেষে ঘুরে দাঁড়াল ইংল্যান্ড। টানা দুই ম্যাচ হারের পর হেডিংলি টেস্টে তারা ৩ উইকেটে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে। পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-১ ব্যবধানে পিছিয়ে আছে ইংল্যান্ড। তবে দলটির অধিনায়ক বেন স্টোকস বিশ্বাস করেন, এখান থেকেও অ্যাশেজ জিততে পারে তারা।

ম্যাচ শেষে স্টোকসকে প্রশ্ন করা হয়, ইংল্যান্ড এই পরিস্থিতি থেকেও অ্যাশেজ জিততে পারবে কি? স্টোকসের সংক্ষিপ্ত এবং আত্মবিশ্বাসী উত্তর, ‘একদমই পারে। কোনো সন্দেহ নেই।’ ম্যাচে ৭ উইকেট পাওয়া মার্ক উডের প্রশংসা করে স্টোকস বলেন, ‘ঘণ্টায় দেড় শ কিলোমিটার বেগে বল করে এমন একজনের দলে থাকা কতটা সুবিধার সেটা বুঝতে পেরেছি। ব্যাট করার সময় উড অনেক খোলামনে খেলে।
কোনো ব্যাখ্যা করা যায় না ওর ব্যাটিং দেখলে। আমার মতে, প্রথম ইনিংসে ওর ৮ বলে ২৪ রান ম্যাচের গতিপথ বদলে দিয়েছিল। ওর ব্যাট করার ধরন সবসময় কাজে আসে না ঠিকই। কিন্তু সাফল্য পাওয়ার সুযোগ সব সময় বেড়ে যায়।


স্টোকস আরো বলেন, ‘আরো একটা রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ খেললাম। টসে জিতে ব্যাট করতেই পারতাম। কারণ উইকেট দেখে ভালই মনে হয়েছিল। পরে মিচেল মার্শের খেলা দেখে অনেকেই আমায় সেটা বলেছেন। কিন্তু উড এবং উকসির (ক্রিস ওকস) জন্যে আমরা বল হাতেও ভালো পারফরম্যান্স করেছি।

‘জওয়ান’-এর ঝলকে ঝড় তুললেন শাহরুখ, ‘পাঠান’-এর রেকর্ডও কি ভেঙে দেবে?বিনোদন ডেস্কআপডেট: ১০ জুলাই ২০২৩, ১৪: ৩৬‘জওয়ান’–এর ঝলক...
10/07/2023

‘জওয়ান’-এর ঝলকে ঝড় তুললেন শাহরুখ, ‘পাঠান’-এর রেকর্ডও কি ভেঙে দেবে?
বিনোদন ডেস্ক
আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৩, ১৪: ৩৬
‘জওয়ান’–এর ঝলকে শাহরুখ খান
‘জওয়ান’–এর ঝলকে শাহরুখ খানছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

‘জওয়ান’-এর প্রিভিউ মুক্তির দিনক্ষণ জানানোর পর থেকেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলেন ভক্তরা। আজ সোমবার সকালে প্রিভিউ মুক্তির পর শাহরুখ খান বুঝিয়ে দিলেন, কেন এ ছবির ঝলক দেখতে এত মরিয়া সবাই। ২ মিনিট ১২ সেকেন্ডের প্রিভিউ বা ঝলকে যেন ঝড় তুললেন অভিনেতা। আর সেই ঝড়ে লন্ডভন্ড নেট–দুনিয়া। খবর বলিউড হাঙ্গামার

আজ সকালে মুক্তির পর কেবল রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্টের ইউটিউব চ্যানেল থেকেই মাত্র ২ ঘণ্টায় ‘জওয়ান’-এর ঝলক দেখেছেন ১১ লাখের বেশি দর্শক।
‘জওয়ান’–এর ঝলকে শাহরুখ খান
‘জওয়ান’–এর ঝলকে শাহরুখ খানছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, টুইটারের ভিউ হিসাব করলে তা এর কয়েক গুণ হবে।
‘জওয়ান’ যে পুরোদস্তুর অ্যাকশন সিনেমা হতে চলেছে, সেটা আগেই জানা ছিল।
আরও পড়ুন
আবার মুক্তি পাচ্ছে ‘পাঠান’, চলবে ৩ হাজারের বেশি হলে
আবার মুক্তি পাচ্ছে ‘পাঠান’, চলবে ৩ হাজারের বেশি হলে

কিন্তু সেটা যে এত ব্যাপক আকারে, তা অনেক দর্শকের ধারণার বাইরে ছিল। ছবিতে যেভাবে অ্যাকশন কোরিওগ্রাফি, শাহরুখের লুকের ঝলক দেখা গেছে, তাতে মুগ্ধ দর্শকেরা। ইউটিউবের ট্রেলারের নিচে মন্তব্যের ঘরে অনেক দর্শকই লিখেছেন, এই ছবি ‘পাঠান’-এর রেকর্ড ভেঙে দেবে। কেউ লিখেছেন, ছবিতে শাহরুখকে যেভাবে দেখা গেছে, সেটা তাঁদের চমকে দিয়েছে।

ছবির একটি লুকে শাহরুখের মাথায় ব্যান্ডেজ বাধা দেখা গেছে, যা আগেই প্রকাশ করা হয়েছিল। মেট্রোর মধ্যে আরেকটি দৃশ্যে তাঁকে দেখা গেছে মাথা কামানো লুকে। ছবির ঝলকের সংলাপও মনে ধরেছে ভক্তদের।
‘জওয়ান’–এর ঝলকে শাহরুখ খান
‘জওয়ান’–এর ঝলকে শাহরুখ খানছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

একটি দৃশ্যে শাহরুখকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি যদি খলনায়ক বনে যাই, কোনো নায়কের সাধ্য নেই সামনে দাঁড়ানোর।’

অ্যাটলি কুমার পরিচালিত এ ছবি দিয়েই প্যান-ইন্ডিয়ান ছবিতে নাম লেখাচ্ছেন শাহরুখ খান। ছবির গুরুত্বপূর্ণ দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন নয়নতারা ও বিজয় সেতুপতি। আগামী ৭ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাবে ছবিটি।

Address

Manikganj
1850

Telephone

+8801681594641

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md. Rubel Mridha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share