National Children's Task Force Noakhali

National Children's Task Force Noakhali Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from National Children's Task Force Noakhali, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি,নোয়াখালী, Maijdee Court.

আগামী ২০ তারিখ আমাদের জেলা কমিটি নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।Venus: নোয়াখালী শিশু একাডেমী সময়ঃ সকাল ১০টা সবার স্ব...
19/11/2020

আগামী ২০ তারিখ আমাদের জেলা কমিটি নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
Venus: নোয়াখালী শিশু একাডেমী
সময়ঃ সকাল ১০টা
সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করছি

08/03/2019

♥ HAPPY WOMEN'S DAY ♥

(Chabazar tragedy)  এর জন্য আমরা গভীরভাবে শোকাহত।নিহত মানুষদের আত্নার শান্তি কামনা করছি😞
22/02/2019

(Chabazar tragedy) এর জন্য আমরা গভীরভাবে শোকাহত।
নিহত মানুষদের আত্নার শান্তি কামনা করছি😞

শিশুরা হচ্ছে ফুলের সমান নিষ্পাপ💕.আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যত. আজকের শিশুরা কিন্তু  আমাদের দেশের আগামী দিনের ভবিষৎ । আ...
30/01/2019

শিশুরা হচ্ছে ফুলের সমান নিষ্পাপ💕.
আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যত.
আজকের শিশুরা কিন্তু আমাদের দেশের আগামী দিনের ভবিষৎ । আজকে শিশু যারা তারাই আগামীতে বড় হবে এবং সমাজের দায়িত্ব গ্রহন করিবে । সে জন্য আজকে শিশু যারা তাদের কে নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে এবং তাদের কে জাতির বড় ধরনের স্বার্থে যোগ্য নাগরিক হিসেবে বেড়ে ওঠার সুযোগ ও সুবিধা দিতে হবে । পৃথিবীর অন্যনান্য উন্নত মানের দেশ গুলোতে শিশুদের কল্যান ও বিকাশের জন্য নানান ধরনের পরিচর্যার ক্রেন্দ্রের ব্যবস্থা করে রেখেছেন। আমাদের দেশে অশিক্ষা ও দারিদ্র্যর কারনে বেশির ভাগ শিশুদের উপযুক্ত কোন পরিচর্যা করা হয় না । আমাদের দেশের বেশির ভাগ পরিবারে দেখা যায় দরিদ্র ও অসহায়ৎ কারনে শিশুদের যে বয়ছে বই ,খাতা হাতে নিয়ে স্কুলে যাওয়ার কথা সেখানে তারা স্কুলের পরিবর্তে সাংসারিক অভাব মেটানোর জন্য তাদের কর্ম জীবনে ব্যস্থ হয়ে যেতে হচ্ছে । এবং নিয়োজিত হতে হচ্ছে কোন না কোন ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে ।

শিশুশ্রম তাই আমাদের দেশে এখন খুব সাধারন ব্যপার হয়ে দাড়িয়েছে । আমরা কেউই আমাদের দেশের এই শিশু গুলোর আগামী সর্বনাশা ভবিষৎতের কথা ভাবি না ।

আমাদের দেশে অর্থে অভাব যে পরিবার সে পরিবারের শিশুদের খুব ছোট থেকেই অর্থের তাগিদে কর্ম জীবনে মনযোগ দিতে হয় । অভাবি পরিবারে এমনি হয় পরিবারে অধিক ছেলে মেয়ে হওয়ার কারনে অসচ্চল বাবা,মা, তাদের ছেলে, মেয়েদের ঠিকমতো খাবার দাবার দিতে পারেন না ও অভাবি পরিবার তাদের ছেলে,মেয়েদের শিক্ষার কোন ব্যবস্তা করে দিতে পারেন না । বাবা,মা র আর্থিক অভাবের কারনে শিশুরা অল্প বয়সেই শ্রমদিতে বাধ্য হয় । যে কোন কাজে অল্প বেতনে শিশুরা নিয়োজিত হয়ে যান । শিশুদের কাজের ক্ষেত্র গুলো বেশির ভাগ এমনই হয় যেমন,বাসাবাড়ির কাজ,,হোটেলে ধোয়ামোছার কাজ,,গ্যারেজে ওয়ার্কসপে গাড়ি মেরামতের কাজ,,এবং গ্যাস ওয়েল্ডিংয়ের মত ঝুঁকিপূর্ণ কাজ ও নালা নর্দমায় টোকাইর কাজ,ইট ভাংঙ্গা,পাথর ভাংঙ্গা সহ আর নানান ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ আমাদের দেশের শিশুদের দিয়ে করানো হয় । আমাদের সমাজে এক ধরনের অসৎ লোক আছে যারা শিশুদের দিয়ে নানান অসৎ কাজ করান ও অসৎ কাজে লিপ্ত করেন । আবার হয়ত বা সমাজের কিছু অসাধু চক্র আছেন যারা অর্থের লোভ প্রনয় দেখিয়ে শিশুদেরকে দুরে কাজে দেওয়ার কথা বলে বিদেশে পাচার করে দেয় । বিদেশে সেই শিশুদের দিয়ে উটের জকিন সহ নানা ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করানো হয় ।

শুধু মাত্র ক্ষুধা ,,অভাব অনতন,,দারিদ্র,,অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপের জন্যই আমাদের দেশের শিশুরা শ্রমসাধ্য কাজে নিয়োজিত হচ্ছে ।আন্তরজাতিক শিশু বিষয় আইনঃ এখন পৃথিবীর সব দেশে শিশু-অধিকার একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে আন্তরজাতিক পর্যায় বিবেচিত হয়েছে । জাতিসংঘ এ বিষয় শিশু-অধিকার সংক্রান্ত নীতিমমালা পনয়ন বা ঘোষনা করেছেন । জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশেও এই সনদ পত্রে স্বাক্ষরকারী একটি দেশ । সে জন্য আমাদের দেশে শিশুদের উন্নয়ন ও নিরাপত্তার প্রতি বাংলাদেশের রাষ্ট্র সরকারের বিশেষ গুরুত্ব বা বিশেষ ভূমিকা পালন করা অতি জরুরী বা প্রয়োজন । শিশু অধিকারের আইনের আওতায় আঠারো বছরের নিচ পযন্ত বয়সী সকলকে শিশু হিসেবে গন্য করা হয়েছে । শিশু অধিকার আইনে স্পষ্ট লেখা বা উল্লেখ আছে যে কোন ঝুঁকি পূর্ণ কাজ ,,অর্থনৈতিকভাবে শোষন করছে এবং শিশুদের ভবিষৎ অনিশ্চয়তার দিকে ঝুঁকে পড়ছে । আমাদের দেশের শিশুদের সামাজিক উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করবে যেসব বিপদ সেসব বিপদ থেকে আমাদের দেশের শিশুদের রক্ষা করতে হবে আর এ রক্ষার আমাদের দেশের রাষ্ট্রিয় সরকার ও সরকারের পাশ্বে পাশ্বে আমাদের সকলকে এগীয়ে আসতে হবে ।দেশের সকল শিশুদের সকল প্রকার হয়রানি ও নির্যাতন থেকে রক্ষা করতে হবে।

সকল শিশুকে শিক্ষা লাভের অধিকারকে স্বীকৃতি দিতে হবে ।

শিশুদের মৌলিক অধিকার গুলো শুধু সনদ পত্র পযন্তই সীমাবদ্ধ । আমাদের দেশের শিশুগুলো ভবিষৎ গড়ে উঠছে অমানবিকতায় ।বর্তমান সময়ে অনেকদেশেরই হাজার হাজার শিশুদের প্রতিতা দিন প্রতিতা মুহুত্ত কার্টছে বা পাড় হচ্ছে অনিশ্চয়তার ভিতরে।

যেমন ধরে নেওয়া যাক এখন বাংলাদেশের জনসংখার ৪৮%দ্রারিদ্রসীমার নিচে বাস করছে । পরিবারের আর্থিক চাপের কারনে শিশুরা শ্রমে নিয়োজিত হচ্ছে ।হতে পারে দ্ররিদ্র পরিবারে অধিক শিশু জম্মের হারের কারনে শিশুশ্রমের অন্যতম কারন ।

বাংলাদেশের সরকার শিশুশ্রম প্রতিরোধের জন্য সীমিত আকারে কিছু পদক্ষেপ গ্রহন করেছিলেন ।

যেমনঃ---- (ক) শিশুদের শিক্ষার বিনিময় খাদ্য কর্মসূচি ।

(খ)মেয়েদের জন্য কমপক্ষে এস এসসি পযন্ত অবৈতনি শিক্ষা পবর্তন ।

(গ) বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা এবং বিনা মূল্যে শিক্ষা সামগ্রী প্রদান করা ।

(ঘ) উপবৃত্তি কার্যক্রম প্রনয়ন ও বাস্তবায়ন করা ।

(ঙ) পোষাক শিল্প প্রতিষ্ঠানে শিশু শ্রমিকদের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থা বা চালু করা।

সরকারের এসব নীতিমালার পাশে আর কিছু পদক্ষেপ গ্রহন করা যেতে পারে

যেমনঃ------(ক) আমাদের দেশে ভিবিন্ন যে (এন জি ও N G O ) প্রতাষ্ঠান গুলো আছেন তারা অপ্রতিষ্ঠানিক ভাবে শিক্ষা-কার্যক্রম নিয়ে এগিয়ে আসতে পারেন । এ ব্যবস্থায় পথ শিশু ও অবহেলিত শিশুদের সম্পৃক্ত করতে পারেন ।

(খ) কারিগরি বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসার ঘটাতেও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোকে বিশেষ মর্যাদা দিতে হবে ।

(গ) আমাদের সকলকে লক্ষ্য রাখতে হবে শিশুদের যে কোন ঝুঁকিপূণ্য কাজ থেকে বিরত রাখতে হবে । আর এ বিষয়ে সরকারের শিশু মন্ত্রণালয়ে মনিটারিং ব্যবস্থা গ্রহন করিতে হবে ।

(ঘ) আমাদের সকলকে শিশুশ্রমের ক্ষতিকর বিষয় গুলোর ব্যপারে গন সচেতন বাড়াতে হবে ।

(ঙ) শিশু পাচারের ব্যপারে আমাদের সকলকে সচেতন হতে হবে । শিশু পাচারকারীদের কঠর শাস্তি প্রাধান করিতে হবে।

(চ) দ্রারিদ্র বিমোচন কর্মসূচিতে দরিদ্র শিশুদের সম্পৃক্ত করতে হবে । এদের সাহায্যের জন্য অন্য কোন কর্মসূচির ব্যবস্থা নিতে হবে ।

(ছ) দরিদ্র শিশুদের মৌলিক অধিকার অন্ন,বস্ত্র,শিক্ষা,চিকিৎসা,আশ্রয় নিশ্চিত করতে হবে । সরকারকে ও তার পাশে দেশের সকল জন সাধারনকে শিশু অধিকার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে ।

(জ) শিশু নির্যাতন বন্ধ করতে হবে । বিশেষ করে অনেক সময় দেখা যায় শিশুদের কোন আচরনের কারনে শিশুটির পিতা,মাতা,শিশুটির উপরে শাসন নামে যে নির্যাতন চালাচ্ছেন এতাও বন্ধ করতে হবে । এই বিষয় গুলোর ব্যপারে আমাদের সাধারন মানুষের
সচেতন ও সতর্ক অবলম্বন করতে হবে ।

বাংলাদেশে শ্রমবাজারে শিশুশ্রম একটি বিরাট অংশ জুড়ে আছে । তাই হঠাৎ করে শিশুশ্রম বন্ধ বা নিষিদ্ধ করা সম্ভব নয় সুতারাং এর জন্য বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিতে হবে ।

শিশুশ্রম নিষিদ্ধ করার আগে দেখতে হবে শিশুরা কেন শ্রম দিতে বাধ্য হচ্ছে এর কারন গুলো চিহ্নিত করতে হবে । আর সেই কারন গুলো চিহ্নিত করে বাস্তবমুখী কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুশ্রম হ্রাস করতে হবে । বাংলাদেশ জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষরকারী দেশ সই হিসেবে বাংলাদেশের সরকারকে যথাযথ উদ্যোগ ও ব্যবস্থা গ্রহন করিতে হবে ,তেমনি জনগনকে শিশুশ্রমের ভবিষৎ পরিণতি ও ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে অবহিত করতে হবে তবেই বাংলাদেশে শিশুশ্রম প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে বলে মনে করি ।

আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ তাই শিশুশ্রম বন্ধ করা আমাদের দায়িত্ব।
এই শিশুদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে NCTF.
National children task force💚
শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে NCTF.
আপনাদের সাহায্য আরো ভালোভাবে এগিয়ে যেতে পারবো আমরা💚.SAVE THE CHILDREN💚
#শিশুশ্রমবন্ধ করুন
#শিশু অধিকার আইন মেনে চলুন

,Noakhali💚

29/01/2019

⭕আঠারোর আগে বিয়ে নয় 🔞
🔵বাল্যবিবাহ বন্ধ করুন✔
🔷সচেতনমূলক দেশ ও সমাজ গড়ুন🇧🇩
🔹Prevent child marraige✔
🔻Build conscious countries and society✴

,NOAKHALI💚

❤২০১৯ এর ফেব্রুয়ারি ❤
29/01/2019

❤২০১৯ এর ফেব্রুয়ারি ❤

 #ধর্ষণ১.ধর্ষণ কেন হবে না?দোষ তো মেয়েদেরই!তারাই তো অশালীন পোশাক পরে বের হয়!! আমাদের তাদের ফিগার দেখে "ইয়ে" হয় না? তাই তো...
28/01/2019

#ধর্ষণ

১.ধর্ষণ কেন হবে না?
দোষ তো মেয়েদেরই!
তারাই তো অশালীন পোশাক পরে বের হয়!! আমাদের তাদের ফিগার দেখে "ইয়ে" হয় না? তাই তো ধর্ষণ করি!

২. এই মেয়েটার ধর্ষণ হবে না তো কি আমার হবে!? ছিঃ!! কি চরিত্র!!

৩. আজকে যদি মেয়েটা বোরকা পরে বের হত তাহলে আর ধর্ষিত হত না! ধর্মকর্ম নাই বলেই আজকে এ অবস্থা!

-- এই হলাম আমরা। 🙂
এই হল আমাদের মানসিকতা!
আমরা একটা ধর্ষণের ঘটনা শোনার পর ধর্ষকের শাস্তি যতটা না কামনা করি তার থেকে বেশি সমালোচনা করি ধর্ষিতার!

আমরা ধর্ষিত হওয়া মেয়েটার পাশে দাঁড়ায় না বরং ধর্ষিত হওয়ার জন্য তার পোশাক - চরিত্রকে দায়ী করে মৃত্যুর দিয়ে ঠেলে দিই তাকে!!
যেন ধর্ষিতা মনের সুখেই তার ধর্ষণ করিয়েছে!! 🙂
ধর্ষণ কি জানেন?
কি হয় তাতে?
ধর্ষণে শুধু নাটক সিনেমার মতো কপালের টিপ আর ঠোঁটের লিপস্টিক লেপ্টে যায় না! 🙂
ধর্ষণে থাকে না মিলনের সুখ! ধর্ষণে প্রেম থাকেনা!
ধর্ষণে থাকে শুধু একটি মেয়ের তীব্র প্রতিবাদ, আর্তনাদ আর একটা পশুর লালসা। অনেক সময় পশুর সংখ্যা একাধিক ও থাকে।
যখন মেয়েটির জামাকাপড় টেনে ছিঁড়ে ফেলা হয়, শরীরের সব স্থানে অকথ্য নির্যাতন করা হয়, জোরপূর্বক মেয়েটির শরীরে প্রবেশ করা হয় তখন ঠিক কেমন লাগে ভাবতে পারেন??

শরীর আর শরীর থাকে না তখন।
মন আর মন থাকে না।

ইচ্ছে করেই কেউ ধর্ষিত হয় না!
কোনো মেয়েই চাই না সে ধর্ষিত হোউক! তাই ধর্ষনের জন্য কোন ভাবেই একটি মেয়েকে দায়ী করা যায় না!
আপনিই বলুন না,

কেমন লাগে যখন কেউ ভীড় বাসে আপনার বুকে হাত দেয়? কেমন লাগে লাগে যখন রাস্তার ভীড়ে কেউ নিতম্ব গুতা দেয়! তখন নিশ্চয় আপনি দায়ী থাকেন না!

আপনার সামনেই যখন কেউ আপনার ছোট্ট বোনটিকে উপর থেকে নিচ পর্যন্ত তাকিয়ে নিরীক্ষণ করে তখন নিশ্চয় আপনার সহ্য হবে না!
যদি কেউ আপনার মাকেই ধর্ষণ করে তখন নিশ্চয় ধর্ষককে খুন করতেও আপনার দ্বিধা হবে না!
নাকি তখনও বলবেন আপনার মা বোনেরই দোষ ছিল!

শুধুমাত্র গত ১ বছরে আমাদের দেশে ৯৪২ টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার ৬৯৭ জন, গণ ধর্ষণের শিকার ১৮২ জন,ধর্ষণের পর হত্যার শিকার ৬৩ জন!

কোথায় যাচ্ছে মানবতা?
দেশে যেন ধর্ষনের বাম্পার ফলন চলছে!!
চারদিকে শুধু ধর্ষণ ধর্ষণ আর ধর্ষণ!!
২২ মাসের শিশু থেকে শুরু করে ৮০ বছরে বৃদ্ধা কেউই রেহাই পাচ্ছে না পশুগুলোর হাত থেকে!

চলতি বছরের প্রথম আঠারো দিনে প্রায় ২৩ টির মত ধর্ষণের ঘটনা সংবাদ মাধ্যমগুলোতে উঠে আসে।এর মধ্যে ১৫ জনই শিশু - কিশোরী। যার মধ্যে দুই বছরের ছোট্ট এক শিশু ও আছে।

সাতক্ষীরায় দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ উঠেছে গৃহশিক্ষকের ভাইয়ের বিরুদ্ধে। নীলফমারীর সৈয়দপুরে পঞ্চম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ডেমরায় প্রতিবেশী এক যুবকের ফ্ল্যাটে চাঁর ও পাঁচ বছরের দুই শিশুকে ধর্ষণ করা হয়েছে লিপস্টিকের লোভ দেখিয়ে।

আপনারা নিশ্চয় ভুলে যাননি কিভাবে ব্লেড দিয়ে কেটে যৌনাঙ্গের প্রবেশ পথ বড় করে রাতভর ধর্ষন করা হয়েছিল দিনাজপুরের ছোট্ট শিশু পূজাকে 😭 এই ঘটনা মনে পড়লেই ভয়ে বুকটা কেঁপে উঠে!
কি নির্মম নিষ্ঠুর আচরণ করা হয়েছে বাচ্চা মেয়েটার সাথে!

আপনারা ওই কাহিনী ভুলে গেছেন??
বাসায় মা-মেয়েকে একা পেয়ে কিছু জানোয়ার বাসায় ঢুকে মা'কে বেঁধে রেখে ৭ বছরের ছোট্ট মেয়েটিকে কিভাবে ধর্ষণ করেছিলো?

নিরুপায় মা সেদিন বারবার চিৎকার করে বলেছিলো, 'বাবারা, ও ছোট, এক জন একজন করে যাও'
কেউই শুনেনি সেই মায়ের আর্তনাদ!!

এসবের বিচার কখনোই হয়নি...
হয়েছে শুধু ইতিহাস...

এই ঘটনাগুলোর পর আমরা হয়ত ফেসবুকের প্রোফাইলে ২ দিন কালো ছবি ঝুলিয়ে ছিলাম কিংবা 'Justice for অমুক, তমুক' লিখে পোস্ট করেছিলাম...
ব্যাস, তারপর সব ভুলে গিয়েছি!

ছিঃ!!
কোথায় যাচ্ছে মনুষ্যত্ব??
আমাদের দেশ ৫ মাসের মেয়ে শিশু ধর্ষিত হচ্ছে, ৬ বছরের স্কুলছাত্রী ধর্ষিত হচ্ছে, ধর্ষিত হচ্ছে ১১ বছর বয়সী ফ্রকপরা ছোট্ট মেয়েটিও।

এখানে শিক্ষক ধর্ষণ করছে ছাত্রীকে, যুবক ধর্ষণ করছে বন্ধুর প্রেমিকাকে, মামা ধর্ষণ করছে ভাগ্নিকে, দুলাভাই ধর্ষণ করে শ্যালিকাকে, মধ্যবয়সী ধর্ষণ করছে পাশের বাসার কিশোরিকে, গৃহকর্তা ধর্ষণ করছে কাজের মেয়েকে, অফিসের দারোয়াণ ধর্ষণ করছে উচ্চপদস্থ মহিলা কর্মকর্তাকে, দিনমজুর ধর্ষণ করে গার্মেন্টস কর্মীকে,

আরবী পড়ানো মাওলানা ধর্ষণ করছে কায়দা পড়তে আসা শিশুকে, রাজনৈতিক কর্মী ধর্ষণ করছে প্রতিপক্ষে ভোটপ্রদাণকারী অমুসলিম পরিবারের কিশোরিকে, ক্ষমতাসীন ছাত্রনেতা ধর্ষণ করছে নিরীহ তরুণিকে, পুলিশ ধর্ষণ করছে ইয়াসমিনদের, বাঙালি ধর্ষণ করছে আদিবাসী তরুণিকে এবং ধর্ষণের পর প্রায়ই হত্যা করা হচ্ছে!!

দেশজুড়ে চলছে অবাধ ও 'শান্তিপূর্ণ' ধর্ষণযজ্ঞ।
সভ্যতার অগ্রগতি, এবং সামাজিক অর্থনীতির উদারনীতির এ যুগে একজন নারী কি পারবে না নিরাপদে চলতে? তাকে কেন সর্বদা ভয়ে আতঙ্কে দিনাতিপাত করতে হবে??

আচ্ছা..এভাবে আর কতদিন?
আর কতদিন চোখের সামনে ঘটে যাওয়া এত এত অন্যায় মেনে নিতে হবে?? আর কতদিন প্রত্যেকটা নিঃশ্বাসে ধর্ষণের ভয় জড়িয়ে থাকবে??
৮০ বছরের বৃদ্ধাটিকেও যখন আমরা নিরাপত্তা দিতে পারছি না তখন এই লজ্জা কোথায় রাখি??😭

এত অন্যায় সহ্য করে আমরা বেঁচে আছি কেন?
এভাবে বেঁচে থাকাকে কি বেঁচে থাকা বলে?
একের পর এক আমাদেরই চোখের সামনেই হারিয়ে যাচ্ছে এক একটা প্রাণ ধর্ষণের শিকার হয়ে...
কারো হয়ত দেহের মৃত্যু হচ্ছে, কারো হয়ত মনের...

আমরা মরি না কেন?
আমাদেরও মরে যাওয়াই উচিত!

হ্যাঁ...এসব প্রতিরোধ/প্রতিকার করতে না পারলে আমাদের মরে যাওয়াই উচিত!!

বেঁচে থাকার অন্তত কোনো অধিকার আমাদের
নেই। 🙂

এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের সোচ্চার হতেই হবে!
নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে। আওয়াজ তুলতে হবে।
ধর্ষণকে মনে প্রাণে ঘৃণা করতে হবে। ধর্ষিতার দোষ না দিয়ে বরং ধর্ষকের শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সকলকে সচেতন হতে হবে।

#আওয়াজ_তোলো ✊

National children task force(nctf)Noakhaliএর বার্ষিক সভা ❤
19/01/2019

National children task force(nctf)Noakhali
এর বার্ষিক সভা ❤

18/01/2019

আগামী ১৯ জানুয়ারি, ২০১৯ শনিবার National children task force(nctf) Noakhali এর বার্ষিক সভা
অনুষ্ঠিত হবে।
সবাইকে আসার অনুরোধ রইল।
নতুন মেম্বাররা আসতে চাইলে আসতে পারো❤

16/12/2018

জেলা পর্যায়ে শিশু অধিকার পরিস্থিতি মনিটরিং,এডভোকেসি,নিউজলেটার প্রকাশনা,লিডারশিপ,ইনক্লুশন এবং এনসিটিএফ অপারেশন বিষয়ক প্রশ...
06/12/2018

জেলা পর্যায়ে শিশু অধিকার পরিস্থিতি মনিটরিং,এডভোকেসি,নিউজলেটার প্রকাশনা,লিডারশিপ,ইনক্লুশন এবং এনসিটিএফ অপারেশন বিষয়ক প্রশিক্ষণ - ২০১৮
তারিখ: ৩ ডিসেম্বর এবং ৭ ডিসেম্বর ২০১৮
স্থান:বাংলাদেশ শিশু একাডেমি
আয়জনে: National Children Task Force (NCTF)

National Children's Task Forceআজ ২৭ই মার্চ ১০ ঘটিকায় মাসিক সভা অনুষ্টিত হয়েছেসভার আলোচনার মাধম্যে কিছু পরিকল্পনা করা হয়ে...
27/03/2018

National Children's Task Force
আজ ২৭ই মার্চ ১০ ঘটিকায় মাসিক সভা অনুষ্টিত হয়েছে
সভার আলোচনার মাধম্যে কিছু পরিকল্পনা করা হয়েছে,যা কিছু দিনের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে
সবার সহায্য কামনা করছি 😊

Address

বাংলাদেশ শিশু একাডেমি,নোয়াখালী
Maijdee Court

Telephone

01703858105

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when National Children's Task Force Noakhali posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to National Children's Task Force Noakhali:

Share