Smith & Dipa Adhikary Memorial Foundation

Smith & Dipa Adhikary Memorial Foundation S & D Memorial Foundation (est. Feb 28, 2018) is a non-profit, non-political, and charitable organization founded in memory of Rev. McDonald M. Dipa Adhikary.

Smith & Dipa Adhikary, dedicated to education, humanity, and social development. The S & D Memorial Foundation, officially known as the Rev. Smith & Dipa Adhikary Memorial Foundation, was established by Rev. Adhikary on February 28, 2018, in loving memory of Rev. Smith Adhikary and Mrs. The foundation was created to honor their prestigious and valuable legacy—a life dedicated to faith, education,

and service to humanity. It stands as a non-profitable, non-political, charitable, voluntary, humanistic, and non-governmental organization, committed to the social, economic, and environmental development of communities through education and humanitarian work. The S & D Memorial Foundation exists as a platform to disseminate education, extend hospitality, and support orphans and underprivileged individuals from all walks of life. Rooted in ecumenical values, it seeks to involve both men and women in activities that uplift human dignity. Our mission is to improve the quality of life for the underprivileged and vulnerable through education, healthcare, counseling, and awareness programs—fostering equality, compassion, and dignity for all.

একটা প্লাস্টিকের বোতল মাটিতে টিকে থাকে ৪৫০ বছর। এই সময়ের মধ্যে সেটা পুরোপুরি মিশে যায় না, বরং ভেঙে ভেঙে অতিক্ষুদ্র মাই...
23/08/2026

একটা প্লাস্টিকের বোতল মাটিতে টিকে থাকে ৪৫০ বছর। এই সময়ের মধ্যে সেটা পুরোপুরি মিশে যায় না, বরং ভেঙে ভেঙে অতিক্ষুদ্র মাইক্রোপ্লাস্টিকে পরিণত হয়।

গবেষকরা ইতোমধ্যে মানুষের রক্ত, ফুসফুস, এমনকি গর্ভবতী মায়ের প্লাসেন্টাতেও এই কণা খুঁজে পেয়েছেন। শরীরে জমতে থাকা এই মাইক্রোপ্লাস্টিক একটা সময় পর রক্তের সংক্রমণ, হরমোনজনিত সমস্যা, এমনকি ক্যান্সারও ঘটাতে পারে।

ভয়ের বিষয় হল, এই কণা প্রতিদিন আমাদের খাবারে, পানিতে, এমনকি শ্বাসের বাতাসেও মিশে যাচ্ছে, ধীরে ধীরে, নিঃশব্দে।
অথচ এর সমাধান কিন্তু জটিল কিছু না। আজ থেকেই ৩টি অভ্যাস শুরু করতে পারেন যা পরিবেশে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিস্তার কমাতে সাহায্য করবে:

১. বাজারে গেলে কাপড়ের ব্যাগ সাথে রাখুন। একটা ব্যাগ বছরে শত শত পলিথিন বাঁচায়।

২. সবজির খোসা, ডিমের খোসা ফেলবেন না। ছোট একটা মাটির টবে পুঁতে রাখুন, কয়েক সপ্তাহে হয়ে যাবে প্রাকৃতিক সার।

৩. প্লাস্টিকের বোতল ফেলে দেওয়ার আগে ভাবুন, এটা কি গাছের টব বা কোন স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহার করা যায়?

বড় পরিবর্তনের জন্য বড় বাজেট লাগে না। আজকের এই ছোট অভ্যাসগুলোই কালকের সুস্থ পরিবেশের ভিত্তি।

আপনি কি এমন কোন ছোট অভ্যাস মেনে চলেন, যা পরিবেশের যত্ন নেয়? কমেন্টে জানান।

নিজে মুক্ত হয়ে থেমে যাননি তিনি। উনিশ শতকে যখন দাসত্ব থেকে একজন মানুষের পালিয়ে বাঁচাটাই ছিল সবচেয়ে বড় সাফল্য, তখন হ্য...
22/08/2026

নিজে মুক্ত হয়ে থেমে যাননি তিনি। উনিশ শতকে যখন দাসত্ব থেকে একজন মানুষের পালিয়ে বাঁচাটাই ছিল সবচেয়ে বড় সাফল্য, তখন হ্যারিয়েট টাবম্যান বারবার ফিরে গিয়েছিলেন সেই বিপদের মধ্যেই, শুধু আরেকজনকে মুক্ত করার জন্য। স্মিথ অ্যান্ড দীপা অধিকারী মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন সমাজে সক্রিয় সহমর্মিতার যেসব উদাহরণকে সম্মান করে, তিনি তাঁদের মধ্যে অন্যতম। আজ থাকছে তাঁর জীবনের কিছু অজানা দিক।

📌 জন্ম ও প্রাথমিক জীবন:
হ্যারিয়েট টাবম্যানের (Harriet Tubman) জন্ম আনুমানিক ১৮২২ সালে, যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড রাজ্যের ডরচেস্টার কাউন্টিতে একটি কৃষ্ণাঙ্গ পরিবারে। জন্মের সময় তাঁর নাম ছিল আরামিন্টা রস, পরিবারে ডাকা হত "মিন্টি" নামে। তিনি যখন জন্মেছিলেন তখন আমেরিকায় দাসপ্রথা তুমুল জনপ্রিয়। সে সময় কৃষ্ণাঙ্গদের সম্পত্তি হিসেবে গণ্য করা হত। পরিবার থেকে একজন মানুষ যে কোন মুহূর্তে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারত, বিক্রি হয়ে যেতে পারত ক্রীতদাস হিসেবে। শৈশব থেকেই তাঁকে বিভিন্ন পরিবারে কাজ করতে পাঠানো হয়েছিল, সহ্য করতে হয়েছিল কঠোর শারীরিক নির্যাতন, ক্ষুধা এবং অবিরাম পরিশ্রম।

কৈশোরে একটি ঘটনা তাঁর জীবন চিরতরে বদলে দেয়। একজন সুপারভাইজার অন্য একজনকে লক্ষ্য করে একটি ভারী ধাতব বস্তু ছুঁড়ে মারলে পর ভুলবশত সেটা তাঁর মাথায় আঘাত করে। এই আঘাতের ফলে সারাজীবন তাঁকে খিঁচুনি ও তীব্র মাথাব্যথায় ভুগতে হয়েছিল। কিন্তু এই শারীরিক দুর্বলতা তাঁর মানসিক দৃঢ়তাকে এতটুকু কমাতে পারেনি।

📌 মুক্তির পথে যাত্রা:
১৮৪৯ সালে টাবম্যান বুঝতে পারেন, তাঁকে আরও দক্ষিণের কোন স্টেটে আরও নিমর্ম কোন পরিবেশে বিক্রি করে দেওয়া হতে পারে। এই আশঙ্কায় তিনি পালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। প্রথমবার আরও কয়েকজনের সাথে মিলে পালানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ার পর, তিনি একাই রাতের অন্ধকারে তারার আলো অনুসরণ করে যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

কিন্তু এখানেই তাঁর গল্প থেমে থাকেনি। বরং সত্যি বলতে গল্পের শুরুটা এখানেই। নিজে মুক্ত হয়ে তিনি নিরাপদে কোথাও থাকতে পারতেন। কিন্তু তিনি বারবার ফিরে গিয়েছিলেন সেই বিপজ্জনক জায়গায়। তাঁর যে সঙ্গীসাথীদের তিনি সেই বন্দীদশায় ফেলে এসেছেন, তাদের মুক্ত করার জন্য তিনি ফিরে গেছেন একাধিকবার। এখানেই তাঁর জীবন থেকে আমাদের জন্য গভীরতম শিক্ষা লুকিয়ে আছে। প্রকৃত সহমর্মিতা যার অন্তরে আছে, তিনি শুধু নিজের কথা ভাবেন না। বরং অন্যের মুক্তির জন্য নিজের জীবন ঝুঁকিতে ফেলতেও তিনি পিছপা হন না।

📌 আন্ডারগ্রাউন্ড রেলরোড:
আন্ডারগ্রাউন্ড রেলরোড কোন স্বীকৃত রেলপথ ছিল না। এটি ছিল পালিয়ে আসা ক্রীতদাসদের গোপন আশ্রয়স্থল ও লোকচক্ষুর আড়ালে যাতায়াতের একটি জটিল নেটওয়ার্ক। মাটির নিচে থাকা এই রেলরোডের মাধ্যমে দাসত্ব থেকে পালিয়ে আসা মানুষদের আমেরিকার উত্তরাঞ্চলে পৌঁছে দেওয়া হত। কারণ সেখানে দাসপ্রথার প্রকোপ তেমন ছিল না এবং কৃষ্ণাঙ্গরা স্বাধীনভাবে বসবাস করতে পারতেন।

প্রায় ১১ বছর ধরে টাবম্যান এই নেটওয়ার্কের একজন "কন্ডাক্টর" হিসেবে কাজ করেন। ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, তিনি ব্যক্তিগতভাবে অন্তত ৭০ জন মানুষকে সরাসরি এই পথ ধরে উদ্ধার করেছিলেন। তাঁর নিজের বৃদ্ধ বাবা-মাও ছিলেন এদের মধ্যে। এছাড়া আরও অসংখ্য মানুষকে তিনি নিজে পথ দেখিয়ে নিরাপদে পালানোর উপায় শিখিয়েছিলেন।

তিনি নিজেই বলেছিলেন, তাঁর "ট্রেন" কখনও পথ হারায়নি, কখনও কোন যাত্রী হারাননি। এটি নিছক সাহসিকতার গল্প না। এটি প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতার একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ। কীভাবে সীমিত সম্পদ নিয়েও মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য একটি সুশৃঙ্খল ও নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়, সেটা তাঁর জীবন থেকে আমরা শিখতে পারি।

📌 সিভিল ওয়ারের সময়ে ভূমিকা:
আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় টাবম্যান শুধু একজন সাবেক পলাতক দাস হিসেবে নীরব থাকেননি। তিনি ইউনিয়ন বাহিনীর হয়ে একজন স্কাউট, গুপ্তচর এবং নার্স হিসেবে কাজ করেন। এই কাজগুলোর জন্য তিনি খুব সামান্যই স্বীকৃতি পেয়েছিলেন, অথচ তাঁর অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যুদ্ধ পরবর্তী দশকগুলোতে তিনি বহু বছর ধরে সরকারি ভাতার জন্য আবেদন করেছিলেন। প্রায় ৩০ বছর পর কংগ্রেসের একটি বিশেষ বিলের মাধ্যমে সামান্য কিছু মাসিক ভাতা মঞ্জুর হয়েছিল।

📌 জীবনের শেষ অধ্যায়: প্রাতিষ্ঠানিক স্টুয়ার্ডশিপের এক দৃষ্টান্ত:
গৃহযুদ্ধের পর টাবম্যান নিউ ইয়র্কের অবার্নে বসতি স্থাপন করেন। এখানেই তাঁর জীবনের এক অসাধারণ দিক ফুটে ওঠে, তিনি অনাথ শিশু ও বয়স্ক মানুষদের নিজের বাড়িতে আশ্রয় দিতে শুরু করেন। এই উদ্যোগ পরবর্তীতে রূপ নেয় একটি স্থায়ী প্রতিষ্ঠানে। ১৯০৮ খ্রীষ্টাব্দের ২৩শে জুন প্রতিষ্ঠিত হয় "হ্যারিয়েট টাবম্যান হোম ফর এজেড অ্যান্ড ইনডাইজেন্ট নিগ্রোস" (Harriet Tubman Home for Aged and Indigent Negroes)। এমনকি জীবনের শেষ দিকে তিনি নিজেই এই আশ্রমের একজন বাসিন্দা হয়ে ওঠেন এবং ১৯১৩ সালের ১০ মার্চ সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। যিনি নিজে দাসত্বের নিষ্ঠুরতা থেকে মুক্তি খুঁজেছিলেন, তিনিই পরবর্তীতে বয়স্ক ও অসহায় মানুষদের জন্য একটি স্থায়ী কাঠামো তৈরি করে রেখে যান এবং নিজের তাদেরই একজন হয়ে জীবনযাপন করেন। এছাড়া তিনি নারী ভোটাধিকার আন্দোলনেও সক্রিয় ভূমিকা রাখেন এবং প্রমাণ করেন যে, মর্যাদার লড়াই কখনও একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীতে সীমাবদ্ধ থাকে না।

আপনার চেনা এমন কোন মানুষ কি আছেন, যিনি নিজে কঠিন সময় পার করার পর থেমে না গিয়ে অন্যদের জন্য পথ তৈরি করেছেন? কমেন্টে তাঁর গল্প শেয়ার করুন।

শিশুদের শুধু বইয়ের পড়া শেখালেই চলে না। জীবনের ছোট ছোট ব্যক্তিগত অভ্যাসগুলো যত্ন নিয়ে শিখিয়ে দেওয়াটাও কিন্তু শিক্ষারই অংশ...
09/08/2026

শিশুদের শুধু বইয়ের পড়া শেখালেই চলে না। জীবনের ছোট ছোট ব্যক্তিগত অভ্যাসগুলো যত্ন নিয়ে শিখিয়ে দেওয়াটাও কিন্তু শিক্ষারই অংশ। পরিচ্ছন্ন থাকা যে কেবল রোগের হাত থেকে বাঁচায় না, বরং নিজের আত্মবিশ্বাসও বাড়িয়ে তোলে, এই সহজ সত্যটাই আমরা প্রতিদিন আমাদের শিশুদের মনে গেঁথে দেওয়ার চেষ্টা করি।

​এস অ্যান্ড ডি মেমোরিয়াল স্কুল-এ নিয়মিত স্বাস্থ্য ও হাইজিন ক্লাসের মাধ্যমে শিশুদের শরীর সুরক্ষার অভ্যাসগুলো হাতকলমে শেখানো হয়। আমাদে টিচাররা পরম স্নেহে খুদে শিক্ষার্থীদের নখ কেটে দেওয়া, দাঁত ব্রাশের সঠিক নিয়ম কিংবা নিয়মিত হাত ধোয়ার চর্চাগুলো দেখিয়ে দেন। ক্লাসে শেখা এই ছোট অভ্যাসগুলো তারা যেন ঘরে গিয়েও নিয়মিত মেনে চলে ও সুস্থ জীবন যাপন করে, সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।

বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমাদের মা-বাবারা এক সূক্ষ্ম মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে যান। অনেক সময় সন্তানরা নিজেদের প্রাপ্...
07/08/2026

বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমাদের মা-বাবারা এক সূক্ষ্ম মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে যান। অনেক সময় সন্তানরা নিজেদের প্রাপ্তবয়স্ক ও সচেতন মনে করে অজান্তেই মা-বাবার ওপর অভিভাবকত্ব ফলাতে শুরু করে, যাকে বলা হয় 'রিভার্স প্যারেন্টিং'। বিশেষ করে নিজেদের ব্যাংক সঞ্চয়, পুরনো কোন ভিটেমাটি আগলে রাখা কিংবা নিজস্ব অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তাদের মতামতের গুরুত্ব না দেওয়া বা সেগুলোকে 'অবাস্তব' মনে করা মা-বাবার আত্মসম্মানে গভীর আঘাত করে।

​সন্তান হিসেবে আমাদের দায়িত্ব মা-বাবার সুরক্ষার খেয়াল রাখা, কিন্তু সেই সুরক্ষার অজুহাতে তাদের জীবনের স্বায়ত্তশাসন বা সিদ্ধান্তের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া নয়। তারা জীবনের দীর্ঘ পথ পার হয়ে এসেছেন নিজেদের অভিজ্ঞতার ওপর ভর করে। বয়স হলেও তারা নিজেদের পছন্দ ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নিজেরা নিতে ভালোবাসেন। অভিভাবকত্বের নামে অধিকার খর্ব না করে, মা-বাবার নিজস্ব সিদ্ধান্তগুলোকে সম্মান জানানোর মধ্যেই তাদের প্রকৃত মর্যাদা রক্ষা পায়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এই যুগে কারো কোন ট্র্যাজেডি, শোক বা কঠিন ব্যক্তিগত বিপদের কথা জানতে পারা মাত্রই আমরা অভ্যাসবশত ...
06/08/2026

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এই যুগে কারো কোন ট্র্যাজেডি, শোক বা কঠিন ব্যক্তিগত বিপদের কথা জানতে পারা মাত্রই আমরা অভ্যাসবশত একটা 'Sad React' (😢) দিয়ে স্ক্রল করে এগিয়ে যাই।

কিন্তু আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি, স্ক্রিনের ওপাশে চরম মানসিক যন্ত্রণায় থাকা মানুষটির কাছে এই যান্ত্রিক রিঅ্যাক্টগুলো কতখানি অর্থহীন?

অনলাইন জগতের এই তাড়াহুড়ো অনেক সময়ই একজন মানুষের ব্যক্তিগত শোক ও মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করে।

​প্রকৃত সহমর্মিতা দেখানোর জন্য সবসময় জনসমক্ষে ইমোজি বা কমেন্টের ঝড় তোলার প্রয়োজন নেই। কখনো কখনো নিঃশব্দে মানুষটিকে কিছুটা সময় ও স্পেস দেওয়া, আর খুব প্রয়োজনে তার ইনবক্সে "আমি তোমার পাশে আছি, কোনো প্রয়োজন হলে জানিও", এতটুকু আন্তরিক মেসেজ পৌঁছে দেওয়াটাই যথেষ্ট।

ডিজিটাল যুগের নাগরিক হিসেবে আমাদের শব্দ ও আচরণের এই সংযমটুকু বজায় রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন।

​সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কারো শোক বা কঠিন সময়ে আপনি ব্যক্তিগতভাবে কীভাবে তার প্রতি আপনার সাপোর্ট প্রকাশ করেন? কমেন্টে আমাদের জানান।

আমরা যখন 'সাহায্য' বা 'দান' করার কথা ভাবি, তখন চোখ বুজলেই কেবল টাকা-পয়সা, পুরনো জামাকাপড় কিংবা খাবার বন্টনের ছবি মাথায...
05/08/2026

আমরা যখন 'সাহায্য' বা 'দান' করার কথা ভাবি, তখন চোখ বুজলেই কেবল টাকা-পয়সা, পুরনো জামাকাপড় কিংবা খাবার বন্টনের ছবি মাথায় আসে। কিন্তু আজকের ডিজিটাল ও আধুনিক যুগে কারো জীবনে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আনতে সবসময় মোটা অঙ্কের অর্থ বা জিনিসপত্রের প্রয়োজন হয় না। আমাদের নিজেদের বাসাতেই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকে এমন অনেক অপ্রতুল সুযোগ ও অব্যবহৃত সম্পদ, যা একটু শেয়ার করে নিলেই অনায়াসে আলো ছড়াতে পারে অন্য কারো গৃহকোণে।

​আপনার অ্যাপার্টমেন্টের সিকিউরিটি গার্ডের সন্তানটি হয়তো রাতে সিঁড়ির আবছা আলোয় পড়াশোনা করছে। তাকে বাসায় পড়ে থাকা অপ্রয়োজনীয় একটি টেবিল ল্যাম্প এনে দেওয়া, কিংবা নিজের ওয়াইফাইয়ের পাসওয়ার্ডটুকু তার সাথে শেয়ার করার মত একদম অপ্রচলিত কিন্তু ছোট্ট একটি সিদ্ধান্ত তার শিক্ষার যাত্রাকে কতখানি সহজ করে দিতে পারে, তা আমরা ভাবতেও পারি না।

অলস পড়ে থাকা সম্পদকে এভাবে অন্যের প্রয়োজনে কাজে লাগানোই হল আধুনিক জীবনের সচেতন দায়িত্ববোধ।

মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের পাশাপাশি শিশুদের শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করা প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রধান দায়...
31/07/2026

মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের পাশাপাশি শিশুদের শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করা প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। প্রান্তিক বা নগর জীবনে স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাব যেন কোন শিশুর সুন্দর ভবিষ্যতের অন্তরায় না হয়ে দাঁড়ায়, সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে আমাদের বিদ্যালয়।

ঢাকা উত্তর ​সিটি কর্পোরেশনের সার্বিক সহযোগিতায় সম্প্রতি 'এস অ্যান্ড ডি মেমোরিয়াল স্কুল'-এর কাজীপাড়া শাখায় আয়োজিত হয় একটি বিশেষ স্বাস্থ্য সুরক্ষামূলক টিকাদান কর্মসূচি। যেখানে ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রীদের জরায়ু মুখ ক্যান্সার প্রতিরোধী (HPV) ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়।

​শিক্ষকদের পরম স্নেহ, স্বাস্থ্যকর্মীদের আন্তরিকতা এবং অভিভাবকদের সহায়তায় অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে এই টিকাদান সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

সময়মত সঠিক টিকাদান ও সচেতনতাই পারে আমাদের শিশুকন্যাদের আগামীর দিনগুলোকে রোগমুক্ত ও নিরাপদ রাখতে। আসুন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্বাস্থ্য ও মর্যাদা রক্ষায় আমরা আরও বেশি দায়িত্বশীল হই।

বাংলাদেশে বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষার হার প্রায় ৯৮% হলেও, মাধ্যমিক পর্যায়ে পৌঁছাতে না পৌঁছাতেই ঝরে পড়ে প্রায় ২২% শিক্ষার্থ...
29/07/2026

বাংলাদেশে বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষার হার প্রায় ৯৮% হলেও, মাধ্যমিক পর্যায়ে পৌঁছাতে না পৌঁছাতেই ঝরে পড়ে প্রায় ২২% শিক্ষার্থী।

অন্যদিকে, আমাদের প্রতি ৩ জন তরুণের মধ্যে ১ জন প্রয়োজনীয় কর্মমুখী বা ডিজিটাল দক্ষতার অভাবে মানসম্মত কর্মসংস্থান থেকে বঞ্চিত।

স্বাস্থ্যখাতে অগ্রগতি হলেও, গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বিশাল এক অংশ এখনও নিয়মিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও সঠিক পুষ্টি নির্দেশনার আওতার বাইরে রয়ে গেছে।

​এই বাস্তবতাই আমাদের কাজের মূল ক্ষেত্র নির্ধারণ করে দেয়। স্মিথ অ্যান্ড দীপা অধিকারী মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন (SDAMF) তাই সরাসরি এই তিনটি মৌলিক জায়গায় কাজ করছে।

✅ ঝরে পড়া রোধে মানসম্মত ও আনন্দময় প্রাথমিক শিক্ষা
✅ তরুণদের স্বাবলম্বী করতে আধুনিক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ
✅ প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া।

পরিসংখ্যান কেবল একটি সংখ্যা নয়, এর পেছনে লুকিয়ে থাকা মানুষগুলোর জীবনযাত্রার গুণগত পরিবর্তন আনাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

​আমাদের উদ্যোগ ও সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে আপনার মতামত বা পরামর্শ কমেন্টে শেয়ার করতে পারেন।



Data Sources:
📌 BANBEIS Education Statistics
📌 BBS Labor Force Survey
📌 NIPORT BDHS Reports

মিষ্টি মেয়েটির নাম আরাধ্য। এস অ্যান্ড ডি মেমোরিয়াল স্কুল (হেমায়েতপুর শাখা)-এর ক্লাস থ্রির মেধাবী ছাত্রী। সম্প্রতি আমাদের...
29/07/2026

মিষ্টি মেয়েটির নাম আরাধ্য। এস অ্যান্ড ডি মেমোরিয়াল স্কুল (হেমায়েতপুর শাখা)-এর ক্লাস থ্রির মেধাবী ছাত্রী। সম্প্রতি আমাদের কো-কারিকুলাম ক্লাস চলাকালীন সময়ে সবাই যখন হ্যান্ডিক্রাফট তৈরিতে ব্যস্ত, তখন ছোট্ট আরাধ্য নিজের মনের মাধুরী মিশিয়ে তৈরি করেছে এই সুন্দর ছবিটি। শিক্ষকদের প্রতি ওর গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ আমাদের সবাইকে মুগ্ধ করেছে।

​শিশুমনের বিকাশে এমন সৃজনশীলতা ও আবেগপূর্ণ বহিঃপ্রকাশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আরাধ্যর এই ছবিটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, কেন আমরা শিশুদের জন্য একটি সুন্দর ও আনন্দদায়ক শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

​আপনার সন্তানের আঁকা কোন ছবি বা এমন কোন আবেগপূর্ণ স্মৃতি কি আপনার মনে পড়ে? কমেন্টে আমাদের সাথে শেয়ার করুন।

Address

38, Dilu Road (3rd Floor), New Eskaton, P. S: Hatirjheel
Maghbazar
1217

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Smith & Dipa Adhikary Memorial Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share