Madaripur Intelligent Students Association- MISA

Madaripur Intelligent Students Association- MISA We are a single entity : Students of Madaripur.

05/05/2026

সূরা আনকাবূত–এর প্রথম সাতটি আয়াত অত্যন্ত গভীর জীবনদর্শন ও ঈমানের পরীক্ষা সম্পর্কে আলোচনা করে।
১ম আয়াত: (الم)
এটি “হরফে মুকাত্তাআত” — অর্থাৎ বিচ্ছিন্ন অক্ষর। এর প্রকৃত অর্থ আল্লাহই ভালো জানেন।
তবে এটি মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং কুরআনের অলৌকিকত্বের ইঙ্গিত দেয়।
২য় আয়াত:
“মানুষ কি মনে করে যে, তারা শুধু বললেই—‘আমরা ঈমান এনেছি’—তাদেরকে পরীক্ষা করা হবে না?”
এখানে আল্লাহ বলছেন— শুধু মুখে ঈমান দাবি করলেই হবে না, বরং তা প্রমাণ করতে হবে।
জীবনে নানা সমস্যা, কষ্ট, বিপদ—এসবই হলো ঈমানের পরীক্ষা।
৩য় আয়াত:
“আমি তাদের পূর্ববর্তীদেরও পরীক্ষা করেছি…”
আল্লাহ জানান— এটা নতুন কিছু না। আগের নবী-রাসূল ও মুমিনরাও কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছেন।
পরীক্ষার মাধ্যমে সত্যিকারের মুমিন ও মিথ্যাবাদী আলাদা হয়ে যায়।
৪র্থ আয়াত:
“যারা মন্দ কাজ করে, তারা কি মনে করে তারা আমাকে ছাড়িয়ে যাবে?”
যারা পাপ করে, তারা যদি ভাবে আল্লাহর শাস্তি থেকে পালাতে পারবে— এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা।
আল্লাহর বিচার থেকে কেউই রেহাই পাবে না।
৫ম আয়াত:
“যে আল্লাহর সাক্ষাতের আশা করে, তার জন্য নির্ধারিত সময় আসবেই…”
এখানে আখিরাতের কথা বলা হয়েছে।
যারা আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ (কিয়ামত) বিশ্বাস করে, তারা জানে— একদিন অবশ্যই হিসাব দিতে হবে।
তাই সে অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করতে হবে।
৬ষ্ঠ আয়াত:
“যে চেষ্টা করে, সে নিজের জন্যই চেষ্টা করে…”
তুমি যদি ভালো কাজ করো—তার উপকার তোমার নিজের জন্যই।
আল্লাহ আমাদের ইবাদতের মুখাপেক্ষী নন।
তিনি সৃষ্টিজগতের ঊর্ধ্বে, স্বয়ংসম্পূর্ণ।
৭ম আয়াত:
“যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, আমি তাদের পাপসমূহ দূর করে দেব…”
এখানে সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে— যারা সত্যিকারের ঈমান রাখে এবং ভালো কাজ করে।
আল্লাহ তাদের গুনাহ মাফ করে দিবেন এবং উত্তম প্রতিদান দেবেন।

এই ৭টি আয়াতের মূল শিক্ষা হলো—
• ঈমান মানে শুধু মুখের কথা নয়, বাস্তব পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়
• দুনিয়ার কষ্ট ও বিপদ আসলে পরীক্ষা
• পাপ করলে কেউ আল্লাহর হাত থেকে বাঁচতে পারবে না
• আখিরাত নিশ্চিত
• সৎকর্মের ফল নিজের জন্যই
• ঈমান ও আমল থাকলে আল্লাহ ক্ষমা ও পুরস্কার দেন

প্লেটো গণতন্ত্র পছন্দ করতেন না। কারণ তিনি ‘জনতা’র মনস্তত্ত্ব বুঝতে পেরেছিলেন।তিনি একটি চমৎকার রূপক ব্যবহার করেছিলেন —‘দ্...
02/05/2026

প্লেটো গণতন্ত্র পছন্দ করতেন না। কারণ তিনি ‘জনতা’র মনস্তত্ত্ব বুঝতে পেরেছিলেন।

তিনি একটি চমৎকার রূপক ব্যবহার করেছিলেন
—‘দ্য শিপ অফ স্টেট’।

মাঝসমুদ্রে একটি জাহাজ বিপদে পড়েছে। সামনে ঝড়, চারদিকে ডুবোপাহাড়। এদিকে জাহাজের নাবিকরা তর্কে মত্ত। প্রত্যেকেই হাল ধরতে চায়, কিন্তু জাহাজ চালানো সম্পর্কে কারও বিশেষ ধারণা নেই। তারা তখন ভোটের আয়োজন করল। সেই ভোটে কে জিতল? যে গলাবাজি করতে পারে আর বাকিদের মিষ্টি কথায় তুষ্ট করতে পারে। যে নক্ষত্র দেখে পথ চিনতে পারে সে বেচারা তখন অবহেলিত, বিদ্রূপের শিকার। তাকে 'এলিটিস্ট' তকমা দিয়ে একপাশে সরিয়ে রাখা হল। ফলাফল যা হওয়ার তাই হল—জাহাজ ডুবল।

প্লেটোর মতে, এটাই গণতন্ত্রের আসল চেহারা। এখানে প্রজ্ঞার চেয়ে জনপ্রিয়তা বেশি গুরুত্ব পায়। মনে রাখা দরকার, এথেন্সের মানুষ গণতান্ত্রিক ভোটের মাধ্যমেই সক্রেটিসকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। সত্য হেরে গিয়েছিল কেবল গাণিতিক সংখ্যার কাছে।

প্লেটো স্বৈরতন্ত্রের চেয়েও বেশি ভয় পেতেন ক্ষমতার হাতে থাকা অজ্ঞতাকে। কারণ যখন ভোটের মাধ্যমে সত্য নির্ধারিত হয়, হাততালির মাধ্যমে নেতৃত্ব বাছাই করা হয়, তখন রাষ্ট্র যোগ্যতা খোঁজা বাদ দিয়ে শুধু জনপ্রিয়তা খুঁজতে থাকে।

প্লেটো সতর্ক করেছিলেন, শুরুতে আসে নীতিহীন স্বাধীনতা। এরপর দক্ষতার জায়গা দখল করে নেয় মানুষের সাধারণ মতামত। এরপর আসে চাটুকার রাজনীতিবিদদের দাপট, যারা অবাস্তব সব স্বপ্ন দেখায়। স্বভাবতই সমাজে যখন চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়, তখন মানুষ একটু শান্তির জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। আর ঠিক তখনই জনমতের মুখোশ পরে হাজির হয় চরম স্বৈরতন্ত্র।

প্লেটো গণবিরোধী ছিলেন না, তিনি ছিলেন বিভ্রম-বিরোধী। তাঁর মতে, রাষ্ট্র চালানো উচিত তাদেরই যাদের দেশ পরিচালনার সঠিক প্রশিক্ষণ আছে।

প্লেটোর প্রায় আড়াই হাজার বছর পরেও সমুদ্র আগের মতোই উত্তাল আছে; কেবল আমাদের রাষ্ট্র নামক জাহাজটি আরও বিপন্ন হয়ে পড়ছে সময়ের সাথে।

22/04/2026

যারা নিজেরা ভাঙে, কষ্ট ভোগ করে,
কিন্তু
অন্যদের ভাংতে দেয় না,
বরং ভাংগা মানুষকে জোড়া লাগায়!!!

বেশিরভাগ মানুষই নিজে কষ্ট পেলে অন্যকে কষ্ট দিতে চায়
নিজে কিছু না পেলে, অন্যকেও পেতে দিতে চায় না।
নিজে উপরে না উঠতে পারলে, অন্যকে টেনে ধরে, নিচে নামাতে!!

কিন্তু
সব মানুষ এক রকম না।।।
কিছু মানুষ আছে,
যারা নিজেরা অনেক ভেঙেছে
তবুও
অন্যদের ভাঙতে দেয় না।

একে বলে,
Butterfly Healing Personality।।।

এর পেছনে একটি ব্যাখ্যা আছে, তা হলো :

প্রজাপতি মনোমুগ্ধকর দেখতে,
নানান রঙের পাখা,
উড়ে উড়ে ভেড়ায় আনন্দের।
কিন্তু এই প্রজাপতি সরাসরি সুন্দর হয়ে জন্মায় না,

সে আগে কোকুনে বন্দি থাকে,
অন্ধকারে থাকে,
এক অসহনীয় চাপ সহ্য করে,
তারপর ধীরে ধীরে বদলায়,
এবং এই রুপ ধারন করে।।।

ঠিক তেমন কিছু মানুষ আছে,
যারা কষ্ট নিয়ে চলতে চলতে শক্ত না হয়ে বরং নরম হয়ে যায়।
তারা কষ্ট থেকে শেখে কিভাবে এর মোকাবিলা করা যায়, অথবা কি করলে হয়তো তাকে কষ্ট টা পেতে হতো না।।।
এবং অন্যরা যেনো একই ভাবে suffer না করে সেই সাহায্যে নিজেকে এগিয়ে দেয়।।।

এই ধরনের মানুষগুলো সাধারনত
খুব empathetic হয়
অন্যের কষ্ট টা দ্রুত বুঝে ফেলে
কঠোর না হয়ে নরম ভাবে অন্যদের deal করে।
judgement করে না, কেননা তারা অন্যের দিকটা গভীরভাবে বোঝার চেষ্টা করে।
এবং যখনই সুযোগ পায়,
ভাঙা মানুষদের পাশে দাঁড়ায়।।।

কিন্তু এখানে একটা কঠিন সত্য আছে,
সব Butterfly personality র মানুষ healthy না।

কারণ অনেক সময় তারা
নিজেদের healing শেষ হওয়ার আগেই
অন্যদের heal করতে শুরু করে।

ফলে
তারা অন্যকে protect করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পরে,
অন্যের জন্যে করতে করতে শুন্য হয়ে যায়,
নিজেকে অন্যের কাছে strong দেখাতে গিয়ে ভিতরে আসলে ভেঙে পড়ে।।।

তারা মুখে ঠিকই বলে,
"আমি ভাল আছি"
কিন্তু আসলে তারা emotionally exhausted, drained!!!

Butterfly healing personality-র একটা অন্ধকার দিক আছে,

তারা boundaries দিতে পারে না
toxic মানুষদেরও সাহায্য করে ফেলে
নিজের প্রয়োজনকে ignore করে
rescuer role-এ ঢুকে পড়ে নিজের pain চেপে রাখতে থাকে।।।

তারা নিজেকে নিজে ধোকা দিতে থাকে এই বলে যে,
"আমি তো strong"!!!

কিন্তু বাস্তবতা হলো strong মানুষেরও বিশ্রাম দরকার হয়।

মনে রাখবেন
সবাইকে heal করা আপনার দায়িত্ব না।।।

আপনি therapist না,
আপনি savior না,
আপনি মানুষ।।।

Real Butterfly healing personality তখনই healthy হয়
যখন সে জানে
কখন পাশে দাঁড়াতে হবে,
কখন দূরে যেতে হবে,
কখন সাহায্য চাইতে হবে
কখন শুনবে,
কখন শোনাবে।
আর, কখন বলবে "আমি পারছি না"।।।

তবে, সব থেকে বড়ো সত্য৷ কথা,

সব broken মানুষ healer হতে পারেনা।
আর সব healer-ই strong হয় না।

খুব কম মানুষ শুধু,
নিজেদের ভাঙা ডানায় উড়তে শেখে
আর অন্যদেরও বলতে থাকে
"তুমিও পারবে, উড়তে
আমি আছি তুমি পড়ে গেলে তোমাকে ধরতে!!!"

31/03/2026

শুয়োরের বাচ্চার যখন নতুন দাঁত গজায়, বাপের পাছায় কামড় দিয়ে শক্তি পরীক্ষা করে।
-আহমদ ছফা

31/03/2026

সাদ্দাম হোসেনকে ফাঁসি দেওয়ার পর যখন তাঁর মরদেহ বাহিরে রাখা হল,,,

তখন একদল মানুষ সেখানে এসে এই মানুষটার মৃতদেহের ওপরে থুতু ছিটিয়েছিল,

যারা প্রত্যেকেই ইরাকের নাগরিক;

পক্ষান্তরে তার নিরাপত্তায় নিয়োজিত সেই ১২ জন আমেরিকান সেনা সদস্যের প্রত্যেকেই কেঁদেছিল।

ইন্দিরা গান্ধীর পরিণতি হয়েছিল আরও করুণ।

শত্রুর গুলিতে না, তার মৃত্যু হয়েছিল নিজেরই দেহরক্ষীর গুলিতে।

শেখ মুজিবের পিতা শেখ লুৎফর রহমানের দেহ নামাতে যে লোকটি কবরে নেমেছিল, শেখ মুজিবের মাতার মৃত্যুতে যে লোকটি মাটিতে শুয়ে কান্নায় গড়াগড়ি করেছিলো, শেখ কামালের বিয়ের উকিল বাপ যে মানুষটি ছিলো, ১৯৭৫ সালের ১৪ই আগস্ট দুপুরে যে লোকটি বাসা থেকে তরকারী রান্না করে নিয়ে গিয়ে বঙ্গবন্ধুকে খাইয়েছিলো তারপরের দিন ১৫ই আগষ্ট শেখ মুজিবকে স্বপরিবারে সেই লোকই খুন করেছিল যার নাম খন্দকার মোশতাক...

ইতিহাসের পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠায়, এক একটা সাম্রাজ্যের পতন হয়েছে তাদের সব চাইতে কাছের মানুষদের হাত ধরে। সৌদি আরবের বাদশা ফয়সাল যখন তার ভাইপোকে আলিঙ্গন করার উদ্দেশ্যে দু হাত বাড়িয়ে দিলেন, প্রতি উত্তরে হঠাৎই পকেট থেকে পিস্তল বের করে পরপর তিনটা গুলি করে বসলেন।

গোয়েন্দারা আসামী সনাক্ত করার জন্য অনেক গুলো পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকে,

তার একটি হল প্রত্যেককেই সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখা।

সব চাইতে বেশি সন্দেহ তাকে করা যাকে মনে হবে সব চাইতে কম সন্দেহজনক।

ইতিহাস আমাদের বার বার শিখিয়ে গেছে,

মানুষের জীবনের সব চাইতে বড় যে শত্রু তাকে কখনোই চেনা যায় না,

সে থাকে সব থেকে কাছের বন্ধুর মত করে।

আপনার ব্যক্তিগত জীবনেও তাই...

আপনি সব চাইতে বেশি প্রতারিত হবেন আপনার কাছের মানুষদের কাছ থেকে।

আপনাকে সব চাইতে বেশি কষ্ট দেয়া মানুষের তালিকা করলে সেখানে শত্রু না, আপন মানুষদের নাম দেখতে পাবেন।

শত্রু কখনো বিশ্বাস ঘাতক হয় না, বিশ্বাস ঘাতকতা করে কেবল আপন মানুষরাই।

মৃত্যুর পরও ব্যাংকে আমাদের কত টাকা রয়ে যায়, অথচ বেঁচে থাকতে আমরা টাকা খরচ করি না। সেদিন এক ধনকুবের মারা গেলেন। বিধবা স্ত...
17/03/2026

মৃত্যুর পরও ব্যাংকে আমাদের কত টাকা রয়ে যায়, অথচ বেঁচে থাকতে আমরা টাকা খরচ করি না। সেদিন এক ধনকুবের মারা গেলেন। বিধবা স্ত্রী মৃত স্বামীর ২০০ কোটি টাকার ওয়ারিশ হয়েই (স্বামীর) ড্রাইভারকে বিয়ে করে ফেলল। ড্রাইভার মনে মনে ভাবল, এতদিন জানতাম আমি আমার মালিকের জন্য কাজ করছি, এখন দেখি আমার মালিকই আমার জন্য শ্রম দিয়ে গেছেন!

নিরেট সত্যটি হচ্ছে, অনেক টাকার মালিক হওয়ার চেয়ে সুস্থ শরীর এবং দীর্ঘজীবন লাভ করা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই অন্ধের মতো টাকার পিছনে না ছুটে সুস্থ জীবন যাপন করার চেষ্টা করা উচিত।

জীবনের নানা ঘটনা প্রবাহে আমার এই কথার সত্যতা উপলব্ধি করা যায়। যেমন:

১. দামি এবং অনেক ফাংশন ওয়ালা মোবাইল ফোনের ৭০%-ই অব্যবহৃত থেকে যায়।

২. একটি বিলাসবহুল ও দ্রুতগতি সম্পন্ন গাড়ির ৭০% গতি কখনোই দরকার হয় না।

৩. প্রাসাদতুল্য মহামূল্যবান অট্টালিকার ৭০% অংশে কেউ বসবাস করে না।

৪. আলমারি ভর্তি পোশাক পরিচ্ছদের বেশিরভাগই কোনোদিন পরা হয়ে ওঠে না।

৫. মানুষের সারা জীবনের পরিশ্রমলব্ধ অর্থ সম্পদের ৭০%-ই আসলে অন্যের জন্য। জমানো অর্থ যাদের জন্য আপনি রেখে যাবেন, আপনার জন্য বছরে একবার প্রার্থনা করার সময়ও তাদের হবে না।

তাহলে করণীয় কী?

১. অসুস্থ না হলেও নিয়ম করে মেডিকেল চেকআপ করান।

২. পিপাসার্ত না হলেও পানি পান করুন।

৩. কারো ওপর রাগ পুষে রাখবেন না। মানুষকে ক্ষমা করতে শিখুন।

৪. আপনার সিদ্ধান্ত সঠিক জেনেও কখনো কখনো ছাড় দিন।

৫. যতই ব্যস্ততা থাকুক না কেন, মাঝে মাঝে সঙ্গীর সাথে নিরিবিলি কোথাও বসে গল্প করুন, বাইরে খেতে নিয়ে যান।

৬. ক্ষমতাবান হলেও বিনয়ী হোন।

৭. সুযোগ পেলেই পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরতে বেড়িয়ে পড়ুন।

৮. ভালো ভালো বই পড়ুন, মজার মজার সিনেমা দেখুন, পছন্দের গান শুনুন।

৯. মাঝে মাঝে সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত, চাঁদের আলো, কুয়াশা, খোলা আকাশ দেখুন। বছরে একবার হলেও বৃষ্টিতে ভিজুন। আর দিনে অন্তত কিছুটা সময় গায়ে রোদ লাগান।

১০. টাকা-পয়সা কম থাকলেও তৃপ্ত থাকুন। মনে রাখবেন, পৃথিবীর অধিকাংশ ধনী লোক মানসিক অশান্তিতে থাকে।

সবশেষে বলি, জীবন তো একটাই, তাই মন খুলে বাঁচুন।

23/01/2026

সূরা আনআম এর ১১৬ নং আয়াতে আল্লাহ তাঁর রাসূল-কে বলেছেন, "তুমি যদি দুনিয়ার বেশিরভাগ লোকের কথামতো চলো, তা হলে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে সরিয়ে ভুল পথে নিয়ে যাবে; তারা কেবল আন্দাজ-অনুমানের অনুসরণ করে, আর কেবল ধারণা করে কথা বলে।" হাল-আমলে দুনিয়ার প্রায় সব দেশই গণতন্ত্র মানে। আর গণতন্ত্রের মোদ্দাকথা মোটামুটি সবারই জানা। দেশের বেশিরভাগ লোক যেটার পক্ষে মত দেবে, সেটাই বাস্তবায়ন হবে। সংসদে ৩০০ আসনের মধ্যে ১৫১ জন কোনো বিষয়ে একমত হয়েছে, তো ব্যস! আইন বানিয়ে ফেলো! অথচ আল্লাহ তাআলা কুরআনে স্পষ্ট করে বলছেন-বেশিরভাগ লোক আন্দাজ-অনুমানের অনুসরণ করে। তাই অধিকাংশের মতামত কখনো ঠিক-বেঠিকের মাপকাঠি হতে পারে না। মূর্খরা সব একজোট হয়ে সিদ্ধান্ত একটা নিয়ে ফেলবে, তারপর চাপিয়ে দেবে বাকি সবার ওপর। তা হলে সমাধান কী? পথের দিশা রয়েছে কুরআন এবং সুন্নাহর মাঝে। কুরআনের আলোকে আমাদের প্রিয় নবি ও তাঁর সাহাবিগণ যেভাবে একটি আদর্শ সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে তুলেছিলেন, আমাদেরকেও সেভাবেই এগুতে হবে। অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন-ইসলামি-শাসনব্যবস্থা যদি এতই ভালো হয় বা শ্রেষ্ঠ হয়, তা হলে সেই ব্যবস্থা ধসে পড়ল কেন? এর উত্তরটাও সহজ। ইসলামি-ব্যবস্থা ধসে পড়বার পেছনে কিন্তু ইসলামি আইন বা সিস্টেম দায়ী নয়। দায়িত্বশীলদের উদাসীনতা আর নৈতিক অবক্ষয়ই এর প্রধান কারণ। কিন্তু গণতন্ত্র এমনই এক জঞ্জাল, এখানে আপনি যত ভালো মানুষকেই ক্ষমতায় বসান না-কেন, দিনশেষে সে স্বৈরাচারী হিসেবে বেরিয়ে আসবে। কারণ, এই গণতন্ত্রই হলো স্বৈরাচার তৈরির মেশিন।

বাহাদুরপুর শরীয়াতিয়া কামিল মাদ্রাসার-  সৃজনশীল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের দেয়াল লিখন।
02/01/2026

বাহাদুরপুর শরীয়াতিয়া কামিল মাদ্রাসার-
সৃজনশীল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের দেয়াল লিখন।

একাডেমিক ভবন বাহাদুরপুর শরীয়াতিয়া কামিল মাদ্রাসা।
27/12/2025

একাডেমিক ভবন
বাহাদুরপুর শরীয়াতিয়া কামিল মাদ্রাসা।

12/12/2025

Celebrating my 14th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

02/11/2025

কৃত্তিকা দুঃখের কথাও বলি,
মানুষ কখনো দুঃখ-কষ্টের চুক্তিপত্রে স্বেচ্ছায় স্বাক্ষরও করে,
খুব স্থায়ী একটি দুঃখকে একান্ত আপন করে নেয়।
জন্মের আগেই ঝরে গেল যে গভীর ক্ষত,
সে রইল স্বাতী,
ওই তো, কী তীব্র জ্বলে আছে
মেঘেদের আসা-যাওয়া সদর্পে উপেক্ষা করে।
বিশাখাকে দেখো, স্কুলের উঠোনে ওর সঙ্গে...
সেবারই প্রথম,
কিছু হয়েছিল বুঝি?
বুঝে উঠবার আগেই চম্পট।
শুনে রাখো রোহিণীর কথাটিও,
ওর চুলে মেঘনা নদীর উত্তাল তরঙ্গ ছিল,
ঢেউ ওকে টেনে নিল নাভির গভীরে;
এ দেশের মেয়েরা রোহিণী হয়ে যায় কৈশোরোত্তীর্ণ কালেই...
চিত্রা, অনুরাধা, থাক...
রাত্রি দীর্ঘ এবং ঘন হচ্ছে,
কষ্টাম্বরে ফুটে উঠছে অসংখ্য উজ্জ্বল দুঃখ।

Address

Madaripur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Madaripur Intelligent Students Association- MISA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share