01/01/2026
লালমনিরহাটের নদী নিয়ে আজ লিখেছেন শিক্ষক, নদী গবেষক ও সংগঠক তুহিন ওয়াদুদ স্যার।
২০২৫ সালে বাংলাদেশ পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের করা তালিকা অনুযায়ী লালমনিরহাটে নদীর সংখ্যা ১৬। সেগুলো গিদারি, চেনাকাটা, টেংরামারী, মরাসতী, রত্নাই, ভাটেশ্বরী, স্বর্ণামতী, সতী, সানিয়াজান, সিংগীমারী, সুতী, কালীবাড়ি, কোটেশ্বর,খাটুমারা, সাঙ্গুলী ও খেংটি। এই তালিকার বাইরে আমি যে নদীগুলো দেখেছি, সেগুলো সাকোয়া (দহগ্রাম), সাকোয়া (সদর), চুঙ্গাদারা, বুকশুইল্যা, ডারাবিল, বুড়াধরলা, ঝিনাইকুড়ি, পানাকুড়ি এবং মালদহ আছে।
এ হিসাবে লালমনিরহাটে নদীর সংখ্যা দাঁড়ায় ২৫টি। এর মধ্যে ১০টি আন্তসীমান্ত নদী। ভারতের সঙ্গে আন্তসীমান্ত নদীগুলো তিস্তা, ধরলা, সানিয়াজান, সুতী, গিদারী, টেংরামারী, সাঙ্গুলী, খেংটি, সাকোয়া (দহগ্রাম) এবং মালদহ আন্তসীমান্ত নদী।
এগুলোর মধ্যে তিস্তা নদীর অবস্থা কমবেশি সবারই জানা। উজানের দেশ ভারতের একতরফা পানি প্রত্যাহারের কারণে নদীটি চরম সংকটাপন্ন। এ নদীর ভাঙনে দিশাহারা তিস্তাপারের মানুষ। অযত্নে থাকায় তলদেশ ভরাট হয়ে গেছে। ফলে সামান্য পানিতে বন্যাও ভাসিয়ে নিয়ে যায় কৃষকের ফসল। তিস্তা নদীর জন্য না আছে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিদেশীয় ব্যবস্থা, না আছে নিজ দেশীয় ব্যবস্থা।...