05/08/2025
চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন এনজিও কর্মী বশির-বাঁচতে চান তিনি, প্রয়োজন মাত্র ৫ লক্ষ টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া: "আমি বাঁচতে চাই, দয়া করে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন"— হৃদয়বিদারক এই আকুতি নিয়ে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন মো. হাফিজুল ইসলাম বশির, পেশায় একজন এনজিও কর্মী। কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের পুটিয়া গ্রামের মৃত মিরাজ আলীর ছেলে বশির এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে।
২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর হঠাৎ স্ট্রোক করেন তিনি। টানাপোড়েনের সংসারে টাকার অভাবে সামান্য চিকিৎসা নিয়েই বাড়ি ফিরতে হয়। এরপর চলতি বছরের জুলাই মাসে আবারও স্ট্রোক হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানান, তার হৃদযন্ত্রে ৩টি ব্লক রয়েছে, যার মধ্যে একটি ৯৯% পর্যন্ত বন্ধ।
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বশিরকে দ্রুত বাইপাস সার্জারি বা রিং পরাতে হবে। দেরি হলে ঘটতে পারে মারাত্মক দুর্ঘটনা।
কিন্তু দরিদ্র এই পরিবারের পক্ষে প্রয়োজনীয় প্রায় ৫ লক্ষ টাকা জোগাড় করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জানা যায়, বশির এর আগে কুষ্টিয়ার পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. রাজীব কুমার সাহার শরণাপন্ন হন। পরবর্তীতে ১১ জুলাই ভর্তি হন ঢাকা হার্ট ইনস্টিটিউটে এবং ১৩ জুলাই এনজিওগ্রাম করালে ধরা পড়ে হার্টের মারাত্মক সমস্যা। বশির বলেন,
“আমি ছোটবেলায় বাবাকে হারিয়েছি। সংসারে আমার বৃদ্ধা মা, স্ত্রী ও ছোট সন্তান—এদের একমাত্র ভরসা আমি। শরীরের চিকিৎসা করতে গিয়ে সহায়-সম্বল সব হারিয়েছি। এমনকি অসুস্থ হওয়ার পর আমি যে এনজিওতে (এশিয়া আর্সেনিক নেটওয়ার্ক) চাকরি করতাম, সেখান থেকেও আমাকে ছাঁটাই করা হয়েছে।”
বশিরের মা বলেন,
“আমার ছেলে ছাড়া সংসারে হাল ধরার মতো আর কেউ নেই। আমরা নিঃস্ব হয়ে গেছি। ডাক্তার বলেছেন বাইপাস না করালে আমার ছেলেকে আর বাঁচানো যাবে না। দেশের সবার কাছে আমার ছেলের জন্য সাহায্য চাই।”
বশিরের চিকিৎসায় সাহায্য পাঠাতে বা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন নিচের নম্বরে:
নাম: মো. হাফিজুল ইসলাম বশির
মোবাইল (বিকাশ/নগদ): ০১৭১৭৬১০৯৮২
প্রতিবেদক:
সাংবাদিক: সোহাগ মাহবুদ