Shaheed Abrar Fahad Foundation

Call Directions Website Contact the organization

Shaheed Abrar Fahad Foundation শহীদ আবরার ফাহাদ ফাউন্ডেশন
রায়ডাঙ্গা, কয়া, কুমারখালী, কুষ্টিয়া।

Big shout out to my newest top fans! 💎 Khaleda Akter, Lutfunnahar Popy, Zakaria Parvaze Zakaria Parvaze, Mushfiqur Rahma...
18/10/2026

Big shout out to my newest top fans! 💎 Khaleda Akter, Lutfunnahar Popy, Zakaria Parvaze Zakaria Parvaze, Mushfiqur Rahman Anas, Md Rabiul Alam, Rafika Islam Ruma, Imtiyaz Adnan

Drop a comment to welcome them to our community,

 #আলহামদুলিল্লাহআজ আবরার ফাহাদ হত্যা মামলাসহ তিনটি আলোচিত হত্যা মামলার সুপ্রিম কোর্টে চূড়ান্ত আপিল শুনানির তারিখ ঘোষণা ক...
18/10/2026

#আলহামদুলিল্লাহ
আজ আবরার ফাহাদ হত্যা মামলাসহ তিনটি আলোচিত হত্যা মামলার সুপ্রিম কোর্টে চূড়ান্ত আপিল শুনানির তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আবেদন গ্রহণ করার পর অ্যাটর্নি জেনারেল এক ব্রিফিংয়ে শুনানির তারিখগুলো ঘোষণা করেন।

শুনানির নির্ধারিত তারিখ:

১৭ই নভেম্বর: নারায়ণগঞ্জ সাত খুন মামলা
#২৪শে_নভেম্বর: আবরার ফাহাদ হত্যা মামলা
১লা ডিসেম্বর: মেজর সিনহা হত্যা মামলা

যদিও অনেকেই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন, শেষ পর্যন্ত এই তারিখগুলো বহাল থাকবে কি না, তবুও রাষ্ট্রের এই উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই।

একই সঙ্গে প্রত্যাশা করি, নির্ধারিত সময়ে মামলাগুলোর শুনানি সম্পন্ন করে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হবে ইনশাআল্লাহ।

14/10/2026

Thanks for being a top engager and making it on to my weekly engagement list! 🎉 Shila Ghosh, Nusrat Bhuiyan Nitu, Saffan Ahmed, Mili Mili, Sohani Sultana, Zakaria Parvaze Zakaria Parvaze

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার প্রেক্ষিতে আজ ১৪ অক্টোবর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সরেজমিনে কুষ্টিয়ায় এসে...
14/10/2026

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার প্রেক্ষিতে আজ ১৪ অক্টোবর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সরেজমিনে কুষ্টিয়ায় এসে শহীদ আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত করেন। পরবর্তীতে আবরার ফাহাদ মসজিদের নির্মাণকাজ ও গড়াই নদের ওপর একটি সেতু নির্মাণের বিষয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে আলোচনা করেন এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা সম্পর্কে অবগত করেন। একইসঙ্গে মসজিদের নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করারও নির্দেশ দেন।

সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এমন আন্তরিকতার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। একইসঙ্গে কয়েকটি বিষয় পরিষ্কার করাও প্রয়োজন।

১. গড়াই নদের ওপর সেতু নির্মাণ প্রসঙ্গে:

গড়াই নদের ওপর ঘোড়াঘাট-বড়বাজার সংযোগ সেতুটি যেকোনো মূল্যে প্রয়োজন। শুষ্ক মৌসুমে শিশু ও নারীরা কী অমানবিক কষ্ট করে রোদে পুড়ে বালুর চর হেঁটে নদী পার হন, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।

তাই আমাদের মূল চাওয়া সেতুটি নির্মিত হোক। সেটি কার নামে হলো বা না হলো, তা সম্পূর্ণ গৌণ বিষয়। এ বিষয়ে এলাকার মানুষ ও সরকার যে সিদ্ধান্ত নেবে, তাতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।

২. আবরার ফাহাদ মসজিদের নির্মাণকাজ প্রসঙ্গে:

আমাদের এলাকায় একটি মসজিদের নির্মাণকাজ গত প্রায় ৫ বছর ধরে চলছে। আমাদের দাদি মৃত্যুর আগে মসজিদের জন্য জমি দান করে যান। পরবর্তীতে বিভিন্ন জায়গা থেকে সহযোগিতার ভিত্তিতে দোতলা পর্যন্ত ছাদ ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন হয়।

তবে অবশিষ্ট নির্মাণকাজ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ থাকার পরও কেন যেন ঠিকাদারের কাজের গতি অত্যন্ত ধীর। এক মাস কাজ করলে পরবর্তী ছয় মাস আর কাজ হয় না, এমন অবস্থা চলছে।

মূলত আজ প্রতিমন্ত্রী এই নির্মাণকাজই দ্রুত শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের কঠোরভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন।

আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা কে যদি বলতে হয়, আমি সবার প্রথমেই বলবো মেহেদী হাসান রবিনের কথা। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রবিনে...
11/10/2026

আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা কে যদি বলতে হয়, আমি সবার প্রথমেই বলবো মেহেদী হাসান রবিনের কথা। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রবিনের হাইকোর্টের আইনজীবী কতৃক আদালতের রায় বিতর্কিত করার চেষ্টার প্রেক্ষিতে রবিনের সম্পৃক্ততার কিছু তথ্য জানানো প্রয়োজন।

আসামী মোঃ মেহেদী হাসান রবিনের নিজের ১৬৪ ধারার জবানবন্দি এবং আসামী ইফতি মোশাররফ সকালের জবানবন্দিতে উঠে আসা রবিনের ভূমিকার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক:

১. আবরারকে সন্দেহ করা ও হত্যার আগেই মারার নির্দেশ: রবিনের নিজের জবানবন্দি অনুযায়ী, ৪ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে শেরে বাংলা হলের ছাত্রলীগ-সংশ্লিষ্ট ১৫ ও ১৬ ব্যাচের মেসেঞ্জার গ্রুপে সে লেখে, আগামী দুই দিনের মধ্যে আবরারকে যাচাই করে শিবির প্রমাণিত হলে তাকে মেরে হল থেকে বের করে দিতে হবে। আবরারের ফেসবুক মন্তব্যের স্ক্রিনশটও সে ওই গ্রুপে পোস্ট করে।

২. আবরারের ওপর সরাসরি শারীরিক নির্যাতন: রবিনের নিজের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, ৬ অক্টোবর রাতে হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে গিয়ে সে আবরারের মোবাইলে পাওয়া ভিডিও দেখে। এরপর আবরারকে চশমা খুলতে বলে তার গালে ডান হাতে কয়েকটি জোরে চড় মারে। রবিনের বক্তব্য অনুযায়ী, এরপর মেফতাহুল ইসলাম জিয়নও আবরারকে অনেকগুলো চড়-থাপ্পড় মারে এবং ক্রিকেট স্ট্যাম্প দিয়ে মারধর শুরু করে। অনিক সরকারও আরেকটি স্ট্যাম্প দিয়ে আবরারের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করতে থাকে।

৩. মারধরে উসকানি ও অন্যদের নির্দেশ: আসামী ইফতি মোশাররফ সকালের জবানবন্দি অনুযায়ী, রবিন আবরারের বিরুদ্ধে কী কী তথ্য পাওয়া গেছে তা জানতে চায়। আবরার শিবির করে না বলার পরও রবিন তাকে শিবির আখ্যা দিয়ে বলে, “ও শিবির, ওরে পিটা।” সে আরও বলে, শিবির ধরতে বেশি প্রমাণ লাগে না। বুয়েটে আর কারা শিবির করে, আবরারের কাছ থেকে তাদের নাম বের করার নির্দেশও দেয় রবিন।

৪. মারধরের সময় উপস্থিতি ও অন্যদের নির্যাতন: রবিনের নিজের জবানবন্দি অনুযায়ী, রাত আনুমানিক ১১টার দিকে আবার ২০১১ নম্বর কক্ষে গিয়ে সে আবরারকে মারধর হতে দেখে। সেখানে মাহমুদ সেতুর কথার পর অনিক সরকার ক্রিকেট স্ট্যাম্প দিয়ে আবরারের মাথা বাদে পিঠ, পাঁজর, বুক ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে সর্বশক্তি দিয়ে আঘাত করতে থাকে। রবিনের বক্তব্য অনুযায়ী, আবরার তখন চিৎকার করে বাঁচার আকুতি জানাচ্ছিল। সে আরও জানায়, ইফতি মোশাররফ সকাল আবরারকে লাথি মারছিল এবং মুজাহিদুর রহমান স্কিপিং রোপ দিয়ে তার পায়ে আঘাত করছিল।

৫. অন্যদের দিয়ে তথ্য আদায়ের নির্দেশ: সকালের জবানবন্দি অনুযায়ী, রাত আনুমানিক ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে রবিন, অনিক ও জিয়ন কক্ষ থেকে বের হয়ে বাইরে থাকা ১৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ডাকে। রবিন সকাল, মনিরুজ্জামান মনির, মুজাহিদুর রহমান ও তানভীরকে আবরারের কাছ থেকে বুয়েটে আর কারা শিবির করে, তাদের নাম বের করার নির্দেশ দেয়। একই জবানবন্দিতে সকাল জানায়, রবিন ফোনে রাসেলের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং রাসেল তথ্য বের করতে বলেছে বলে জানায়। রবিন আবরারকে বলে, তার জন্য ২০০ কিলোমিটার দূর থেকে মুন্না ভাই আসছে।

৬. আবরারের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও নাটক বলার ঘটনা: রবিনের নিজের জবানবন্দি অনুযায়ী, আবরার অসুস্থ হয়ে পড়ার খবর পেয়ে সে আবার ২০১১ নম্বর কক্ষে যাওয়ার পথে জানতে পারে, আবরারকে ২০০৫ নম্বর কক্ষে নেওয়া হয়েছে। পরে নিচে অন্যরা আবরারের অবস্থা খারাপ বলে জানালে রবিন বলে, “তার কিছু হয়নি, সে নাটক করছে।” সকালের জবানবন্দিতেও আবরারের অবস্থা খারাপ হওয়ার পর রবিনের এমন মন্তব্যের কথা রয়েছে।

৭. চিকিৎসার বদলে পুলিশে সোপর্দ করার উদ্যোগ: রবিনের নিজের জবানবন্দি অনুযায়ী, সে মেহেদী হাসান রাসেলের ৩০১২ নম্বর কক্ষে গিয়ে ঘটনার বিষয়ে কথা বলে। রাসেল আবরারকে পুলিশে সোপর্দ করার নির্দেশ দেয় বলে রবিন উল্লেখ করে। পরে রবিন নিরাপত্তাকর্মীকে অ্যাম্বুলেন্স ডাকতে ও প্রভোস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলে। তার জবানবন্দি অনুযায়ী, অ্যাম্বুলেন্স ও প্রভোস্টদের আসতে দেরি হয়। অন্যদিকে, সকালের জবানবন্দি অনুযায়ী, আবরারের অবস্থা গুরুতর হওয়ার পরও রবিন ও অনিক তাকে দেখে বলে, সে ঠিক আছে। পরে রবিন ও অনিক ১৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নিচে নামতে বলে এবং আবরারকে পুলিশের হাতে দেওয়ার জন্য নিচে নামানোর নির্দেশ দেয়। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসক এসে আবরারকে মৃত ঘোষণা করেন।

সংযুক্ত গ্রুপে দেওয়া মেহেদী হাসান রবিনের মেসেজের স্ক্রিনশট।

09/10/2026

গত পরশু মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে আমরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করি। কুশলাদি বিনিময়ের পাশাপাশি আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের মামলার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করি।

পাশাপাশি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি ও অনুরোধ জানাই:

১. আইন অনুযায়ী দ্রুত বিচার শেষ করতে সরকারের অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা এবং পলাতক ৪ আসামির বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া।

২. গত ১৭ বছরে ঘটে যাওয়া গুম-খুনের শিকার ব্যক্তিদের নাম ও ঘটনাগুলোর তালিকা তৈরি করার অনুরোধ করি। পাশাপাশি আবরার ফাহাদের মতো ঘটনাগুলো যেন পরবর্তী প্রজন্ম জানতে পারে, সেজন্য পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ করি।

৩. দীর্ঘদিন ধরে নির্মাণাধীন আবরার ফাহাদ মসজিদের কাজ দ্রুত শেষ করার ব্যবস্থা করা। উল্লেখ্য, ইন্টেরিমের সময়ে জেলা পরিষদ সরকারি উদ্যোগে মসজিদটির নির্মাণকাজের দায়িত্ব নেয়। কিন্তু বরাদ্দ থাকার পরেও কোনো অজানা কারণে প্রায় ৬ মাস ধরে কাজ বন্ধ রয়েছে।

৪. কুষ্টিয়ার গড়াই নদীর ওপর একটি ব্রিজ নির্মাণের দীর্ঘদিনের দাবি জানিয়ে তাকে অনুরোধ করি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তা গ্রহণ করেন এবং নিজেই বলেন, আবরার ফাহাদের নামেই ব্রিজ হবে।

৫. বুয়েটে একটি নতুন হল নির্মাণের বিষয়ে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে অনুরোধ করি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি আমলে নিয়ে শিক্ষা সচিবের সাথে কথা বলেন এবং দ্রুত তাঁর সঙ্গে দেখা করে বিস্তারিত পরিকল্পনা জানাতে বলেন।

এছাড়াও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বুয়েটে এসে বর্তমান পরিবেশ দেখার জন্য আমন্ত্রণ জানাই।

রাকিব ভাই ও নাসির ভাই পুরো সময় আমাদের সঙ্গে উপস্থিত থেকে নিজেরাও আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও জানান, তিনি লন্ডনে থাকার সময় তাঁর পরিচিত একজন তাঁর সন্তানের নাম আবরারের নামে রেখেছিলেন।

“অনন্ত মহাকালে মোর যাত্রা, অসীম মহাকাশের অন্তে!”—শহীদ আবরার ফাহাদ
08/10/2026

“অনন্ত মহাকালে মোর যাত্রা,
অসীম মহাকাশের অন্তে!”

—শহীদ আবরার ফাহাদ

07/10/2026

স্মরণে আর বরণে আবরার ফাহাদ কে যারা মনে রেখেছে তাদের প্রতি আমাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।।

৭ বছর...৬ অক্টোবর ২০১৯-এর সেই রাতটি বুয়েটের ইতিহাসে এক গভীর বেদনার অধ্যায় হয়ে আছে। পরদিন আমরা হারিয়েছিলাম আমাদেরই একজন, ...
07/10/2026

৭ বছর...

৬ অক্টোবর ২০১৯-এর সেই রাতটি বুয়েটের ইতিহাসে এক গভীর বেদনার অধ্যায় হয়ে আছে। পরদিন আমরা হারিয়েছিলাম আমাদেরই একজন, বুয়েট ১৭ ব্যাচের আবরার ফাহাদ ভাইকে।

নিজের মত প্রকাশের কারণে বর্তমানে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সদস্যদের নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে অকালে ঝরে গিয়েছিল একটি তরুণ প্রাণ।
সেই স্মৃতি আজও আমাদের হৃদয়ে গভীর শোক ও বেদনা জাগায়।

আবরার ভাইয়ের মৃত্যুর পর বুয়েটের শিক্ষার্থীরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। সেই প্রতিবাদ ও আত্মত্যাগের পথ ধরে বুয়েটের পরিবেশে এসেছিল অভূতপূর্ব পরিবর্তন। আমরা যারা পরবর্তী সময়ে বুয়েটে এসেছি, তারা পেয়েছি নিরাপদ ও স্বাধীন একটি ক্যাম্পাস।

এই স্বাভাবিক পরিবেশের পেছনে যে কত মানুষের ত্যাগ, কত অশ্রু ও কত বেদনা জড়িয়ে আছে, তা আমাদের কখনোই ভুলে যাওয়া উচিত নয়।

আবরার ভাইকে শুধু তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ নয়, বরং তাঁর স্মৃতিকে ধারণ করতে চাই এমন একটি বুয়েট গড়ে তোলার মাধ্যমে, যেখানে কোনো শিক্ষার্থীকে নিজের মত প্রকাশের জন্য ভয় পেতে হবে না, যেখানে কোনো অন্যায় সহ্য করা হবে না, এবং যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থীর জীবন ও মর্যাদা সর্বোচ্চ সম্মানের সঙ্গে রক্ষা করা হবে।

আজ আবরার ফাহাদ ভাইয়ের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা।

আপনাকে আমরা ভুলিনি।
আপনার স্মৃতি আমাদের পথ দেখাক।

“অনন্ত মহাকালে মোর যাত্রা,
অসীম মহাকাশের অন্তে।”

07/10/2026

৭ অক্টোবর ২০২৬

আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের ৭ বছর হয়ে গেল। সম্ভবত আমি বুয়েটে থাকা অবস্থায় এটাই শেষ অক্টোবর। আজ প্রায় পুরোদিনই রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন সংগঠনকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে একের পর এক সভা ও দোয়ার আয়োজন করতে দেখলাম আবরার ফাহাদকে স্মরণ করে।

হঠাৎ মনে পড়লো ২০১৯ সালের কিছু কথা। একের পর এক আসামী গ্রেপ্তার হচ্ছিল, আর ধীরে ধীরে মনে আশা জাগছিল, হয়তো বিচারটা পাবো। আব্বুকে তখন বলেছিলাম, মানুষের ক্ষোভের কারণে মনে হয় বিচারটা খুব দ্রুতই শেষ হবে। আব্বু বলেছিলেন, “না, ৫-৭ বছরের আগে বিচার শেষ হবে না।”

আমি তখন হিসাব করে দেখেছিলাম, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হতে আমার প্রায় ৭ বছর লাগবে। তাই অন্তত বের হওয়ার আগে বিচার শেষ হয়ে রায় কার্যকর হতে দেখবো।

অথচ আজ সেই ৭ বছরও পার হয়ে গেল। বিচার এখনো শেষ হয়নি।

২০১৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিচার বিলম্বিত হতে পারে, এমনটা স্বাভাবিকই ছিল। কিন্তু সরকার পরিবর্তনেরও প্রায় ২৬ মাস হয়ে গেছে। একটি গণঅভ্যুত্থান হয়ে গেছে। যারা আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদ করতে গিয়ে মিছিল-মিটিং করেছে, হামলা ও গ্রেপ্তারের শিকার হয়েছে, তাদের অনেকেই রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে গিয়েছেন। ১৭ বছর ধরে যারা ভুক্তভোগী ছিল, তারাই এখন ক্ষমতার অংশ। ২১ জন আসামী এখনো কারাগারে।

তারপরও মামলাটি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে চূড়ান্ত শুনানির অপেক্ষায় পড়ে আছে।

সবকিছুর পরও একটা প্রশ্ন থেকেই যায়, আর কতদিন? এই মামলারই বিচারের যদি এ অবস্থা হয়, তাহলে মানুষ কিভাবে বিচার ব্যবস্থার উপরে আস্থা ফিরে পাবে?

আমাদের এখন শুধু চাওয়া একটাই। আগামী ৭ অক্টোবর যেন দেশের মানুষকে আর এই লজ্জা নিয়ে লিখতে না হয় যে, আবরার ফাহাদ হত্যার বিচার এখনো শেষ হয়নি, রায় কার্যকর হয়নি।

পরের বছর যেন আমরা বলতে পারি, অন্তত এই একটি বিচারের অপেক্ষার অবসান হয়েছে।
Abrar Faiyaj

Address

Kushtia
7000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shaheed Abrar Fahad Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Shaheed Abrar Fahad Foundation:

Shortcuts

Share