Md. Azizul Islam Foundation

Md. Azizul Islam Foundation Md. Azizul Islam was manager of Agrani Bank. He was elder son of Hazi Attab Uddin Sardar and Altajan

26/08/2025

আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, মৃত ব্যক্তিকে দাফন করার পর কবরে তালক্বীন করা সুন্নত।

তালক্বীন করার কয়েকটি নিয়ম রয়েছে।হযরত আবু উমামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন- আখেরী রসূল হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন-“

যখন তোমাদের কোন মুসলমান ভাই ইন্তেকাল করবে তখন তাকে কবরে রেখে তার উপর ভালভাবে মাটি দিয়ে অর্থাৎ দাফন করে তার মাথার নিকট দাঁড়িয়ে বলবে- “হে অমুকের সন্তান অমুক” তখন মৃত ব্যক্তি ইহা শুনবে কিন্তু কোন জবাব দিবেনা।

তারপর বলবে- “হে অমুকের সন্তান অমুক” ইহা শুনে মৃত ব্যক্তি উঠে বসবে। অতঃপর আবার বলবে- “হে অমুকের সন্তান অমুক” ইহা শুনে মৃত ব্যক্তি বলবে কি বলছেন?

(যদিও তার কথা শুনা যাবেনা) তখন তোমরা বলবে তুমি এই সময় বলো দুনিয়ায় থাকাকালীন অবস্থায় তুমি যার উপর কায়েম ছিলে) অর্থাৎ আল্লাহ্ পাক ব্যতীত অন্য কোন মাবুদ নাই, তিনিই একমাত্র প্রতিপালক। ইসলাম তোমার দ্বীন, হযরত মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তোমার নবী, কোরআন শরীফ তোমার পথ প্রদর্শক।

এসময় মুনকার এবং নাকীর একে অপরের হাত ধরে বলবে- এখান হতে চল, এর নিকট বসে কি করব? একেতো আখেরাতের দলীল শিখিয়ে দেয়া হচ্ছে।অতঃপর আল্লাহ্ পাক তার এই কথাগুলো লিখে নেন।

অমুকের পুত্র অমুকের স্থলে মৃত ব্যক্তি ও তার মাতার নাম উল্লেখ করবে।এক ব্যক্তি উঠে জিজাসা করল- ইয়া রসূলাল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যদি তার মাতার নাম জানা না থাকে তখনু উপায় কি?

হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উত্তর দিলেন- তাহলে হযরত হাওয়া আলাইহাস সালাম-এর নাম উল্লেখ করে বলবে- হে হযরত হাওয়া আলাইহাস সালামএর পুত্র অমুক।

আর কোন কোন বর্ণনায় রয়েছে মাইয়্যেতকে দাফন করার পর উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ থেকে একজন প্রশ্ন করবে,

من ربك.উচ্চারণঃ মার রাব্বুকা?অন্যান্য সকলেই বলবে- ربى الله.উচ্চারণঃ রব্বিইয়াল্লাহু।এরপর বলবে- ومن نبيك.উচ্চারণঃ ওয়া মান নাবিয়্যুকা?

অন্যান্য সকলেই বলবে,ونبى محمد صلى الله عليه وسلم উচ্চারণঃ নাবিয়্যী মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। অতঃপর বলবে, وما دينك.উচ্চারণঃ ওয়ামা দ্বীনুকা?সকলেই বলবে, دينى الاسلام.উচ্চারণঃ দ্বীনিয়্যাল ইসলাম।

হাদীস শরীফে রয়েছে, যখন মৃত ব্যক্তির উদ্দেশ্যে কবরে তালক্বীন দেয়া হয় তখন মুনকার ও নকীর ফেরেশতাদ্বয় পরস্পর পরস্পরের হাতে ধরে বলেন যে, তাকে প্রশ্ন করে কি হবে, তাকে তো সব শিখিয়ে দেয়া হয়েছে। চল আমরা চলে যাই।

অর্থাৎ তালক্বীনের কারণে সে সুওয়াল-জাওয়াব থেকে নিস্কৃতি ও নাযাত পায়। (সুবহানাল্লাহ্)( দলীলসমূহঃ- ত্বাষ্কানী মুজামুল কবীর, বুলুগুল মারাম, ফিকাহুস সুনান, কবীরি, নূরুচ্ছুদুর, আরকানে আরবায়া, ফতওয়ায়ে রশিদীয়া, ইত্যাদি।)

উনার নাম সৈয়দ আলী। উনি ইরানের খোমাইন শহরে জন্ম গ্রহন করেন তাই তাকে আয়াতুল্লাহ আলী খোমেনি বলা হয়। উনি ইসলামী সর্বোচ্চ শিক...
18/06/2025

উনার নাম সৈয়দ আলী। উনি ইরানের খোমাইন শহরে জন্ম গ্রহন করেন তাই তাকে আয়াতুল্লাহ আলী খোমেনি বলা হয়। উনি ইসলামী সর্বোচ্চ শিক্ষা অর্জন করেছেন ইরাক ও ইরানের বিখ্যাত মাদ্রাসা হতে। তার উপাধী আয়াতুল্লাহ যা ফিকাহবিদ/ মুজতাহিদ/ আল্লামা সমতূল্য। তাছাড়াও তিনি নবী সাঃ এর ৩৮ তম বংশধর।
নবী সাঃ এর দৌহিত্র ইমাম হুসাইন রাঃ এর ছেলে ইমাম জয়নাল আবেদীন এর বংশধর। উনার মাথায় কালো পাগড়ী তাঁর চিহ্ন বহন করে। উনি শিয়া মাজহাবে প্রচলিত
বেশ কিছু বিতর্কিত বিষয় সমাধান করে শিয়া ও সুন্নী মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য তৈরি করতে ভালো কিছু ফতোয়া জারি করেছেন।
যার মধ্যে রয়েছে সাহাবীদের গালি না দেয়া, মহরমে শরীর থেকে রক্ত না ঝরানো, সকল মাজহাবের মুসলিম একই মসজিদে নামাজ পরার তাগিদ ইত্যাদি যা মুসলিম ভাতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় অনন্য অবদান হয়ে থাকবে।
আল্লাহ্ আপনাকে ইসলামের খাদেম হিসেবে কবুল করুক

17/03/2023

যে ব্যক্তি সাওয়াবের আশায় রমজানে রোজা রাখবে,
তার অতীতের সমস্ত গোনাহ্
ক্ষমা করা হবে।
সহীহ বুখারী- ১৯০১

17/03/2023

কে লিখেছেন জানি না, কিন্তু অসাধারণ👌
১. মা ৯ মাস বহন করেন, বাবা ২৫ বছর ধরে বহন করেন, উভয়ই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না।
২. মা বিনা বেতনে সংসার চালায়, বাবা তার সমস্ত বেতন সংসারের জন্য ব্যয় করেন, উভয়ের প্রচেষ্টাই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না।
৩. মা আপনার যা ইচ্ছা তাই রান্না করেন, বাবা আপনি যা চান তা কিনে দেন, তাদের উভয়ের ভালবাসা সমান, তবে মায়ের ভালবাসা উচ্চতর হিসাবে দেখানো হয়েছে। জানিনা কেন বাবা পিছিয়ে।
৪. ফোনে কথা বললে প্রথমে মায়ের সাথে কথা বলতে চান, কষ্ট পেলে ‘মা’ বলে কাঁদেন। আপনার প্রয়োজন হলেই আপনি বাবাকে মনে রাখবেন, কিন্তু বাবার কি কখনও খারাপ লাগেনি যে আপনি তাকে অন্য সময় মনে করেন না? ছেলেমেয়েদের কাছ থেকে ভালবাসা পাওয়ার ক্ষেত্রে, প্রজন্মের জন্য, বাবা কেন পিছিয়ে আছে জানি না।
৫. আলমারি ভরে যাবে রঙিন শাড়ি আর বাচ্চাদের অনেক জামা-কাপড় দিয়ে কিন্তু বাবার জামা খুব কম, নিজের প্রয়োজনের তোয়াক্কা করেন না, তারপরও জানেন না কেন বাবা পিছিয়ে আছেন।
৬. মায়ের অনেক সোনার অলঙ্কার আছে, কিন্তু বাবার একটাই আংটি আছে যেটা তার বিয়ের সময় দেওয়া হয়েছিল। তবুও মা কম গহনা নিয়ে অভিযোগ করতে পারেন আর বাবা করেন না। তারপরও জানি না কেন বাবা পিছিয়ে।
৭. বাবা সারাজীবন কঠোর পরিশ্রম করেন পরিবারের যত্ন নেওয়ার জন্য, কিন্তু যখন স্বীকৃতি পাওয়ার কথা আসে, কেন জানি না তিনি সবসময় পিছিয়ে থাকেন।
৮. মা বলে, আমাদের এই মাসে কলেজের টিউশন দিতে হবে, দয়া করে আমার জন্য উৎসবের জন্য একটি শাড়ি কিনবে অথচ বাবা নতুন জামাকাপড়ের কথাও ভাবেননি। দুজনেরই ভালোবাসা সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছে জানি না।
৯. বাবা-মা যখন বুড়ো হয়ে যায়, তখন বাচ্চারা বলে, মা ঘরের কাজ দেখাশোনা করার জন্য অন্তত উপকারী, কিন্তু তারা বলে, বাবা অকেজো।
১০. বাবা পিছনে কারণ তিনি পরিবারের মেরুদণ্ড। আর আমাদের মেরুদণ্ড তো আমাদের শরীরের পিছনে। অথচ তার কারণেই আমরা নিজেদের মতো করে দাঁড়াতে পারছি। সম্ভবত, এই কারণেই তিনি পিছিয়ে আছেন...!!!!

সমস্ত বাবাদেরকে উৎসর্গ করছি *
সালাম জানাই পৃথিবীর সকল বাবাদেরকে!
~সংগৃহীত~

19/01/2023
26/12/2022

চারজন পুলিশ এক যুবককে আটক করলো নবি করিম সা.-এর কবরের পাশ থেকে।

পুলিশ কোনো কথা না বলেই সাথে সাথে যুবকের পিঠের পেছনে দড়ি দিয়ে তার হাত বেঁধে ফেললো। যুবক পুলিশদের বলতে লাগলো : তোমাদের কি হয়েছে!? আমিতো চো/রও নই, ডা/কাতও নই, তবে কেন আমার সাথে এই আচরণ!?

দূর থেকে এক বৃদ্ধ মুরব্বি এই অবস্থা অবলোকন করছিলেন। মুরব্বি কাছে এসে পুলিশদের বললেন : আমি এই যুবককে চিনি।
পুলিশরা মুরব্বিকে বললো : আপনি তাকে কীভাবে চিনেন?

মুরব্বি বললেন : আমি তাকে দেখি সে সবসময় রসুলুল্লাহ সা.-এর রওজার সামনে দাঁড়িয়ে, বসে দরূদ পড়ে, সালাম দেয়, কান্নাকাটি করে। তোমরা তাকে আটক করেছ কেন? সে কি চো/র?

যুবকটি ছিলো আলবেনিয়ার, বয়স ৩৫ অথবা ৩৬ হবে, ঘন বাবরি চুল, মুখে হালকা দাড়ি।

পুলিশ বললো : না, সে চো/র নয়। এই যুবক আলবেনিয়ার অধিবাসী, সে মদিনায় ৬ বছর ধরে বসবাস করছে এবং এখানে তার কোনো বসবাসের কাগজপত্র নেই। আমরা তাকে ধরে আলবেনিয়ায় পাঠিয়ে দিতে চাচ্ছি ৬ বছর যাবৎ কিন্তু প্রতিবারই তাকে ধরার পর, সে আমাদের থেকে পালিয়ে যায়। আমরা তাকে প্রতিবারই রসুল সা. এর মসজিদ থেকে ধরি। এবারও তাই হলো। তাকে এবার পাওয়া মাত্রই সাথে সাথে দড়ি দিয়ে বাঁধা ছাড়া আমাদের কোনো উপায় ছিলনা!

মুরব্বি পুলিশদের বললেন : এখন তোমরা তাকে নিয়ে কি করবে?

তারা বললো : রাষ্ট্রীয় আইন প্রয়োগ করবো। আমরা তাকে এখন ধরে নিয়ে প্লেনে উঠিয়ে দিবো এবং তারপর সে আলবেনিয়ায়...

যুবকটি তখন কাঁদছিল আর ভাবছিল এবার মনে হয় তাকে সত্যি সত্যিই রসুল সা.-এর মসজিদ ছেড়ে যেতে হবে! রসুল সা.-এর স্মৃতি বিজড়িত মদিনার শহর ছেড়ে যেতে হবে! কিছুক্ষণ ভেবে যুবকটি পুলিশদের বলতে লাগলো : দেখুন ভাই, আমি এখানে চু/রি, ডা-কাতি, ছি/নতাই ও কারো সাথে প্রতারণা করি না। আমি এখানে এসেছি আল্লাহর রসুল সা.-এর ভালোবাসার টানে, এ ছাড়া অন্য কোনো দুনিয়াবি উদ্দেশ্য আমার নেই!

পুলিশরা বললো : না, এটা গ্রহণযোগ্য কথা নয়, আপনাকে অবশ্যই দেশে ফিরে যেতে হবে।বহিরাগতদের রাষ্ট্রীয় আইনে এখানে থাকার সুযোগ নেই।

পুলিশরা যুবককে নিয়ে মসজিদে নববি থেকে বের হয়ে গেলো। যুবক পথিমধ্যে তাদের বললেন : আমার একটি শেষ অনুরোধ রাখবেন? পুলিশরা তার অনুরোধ শুনলেন এবং সুযোগ দিলেন।

যুবকটি তখন সবুজ গম্বুজের দিকে তাকিয়ে আবেগতাড়িত কণ্ঠে বললো :
هل هكذا كان الإتفاق بيننا ؟!
"ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমাদের মধ্যে চুক্তিটা কি এমন হয়েছিল!"

হে রসুল সা.! আপনার প্রতিবেশী হবো, তাই আমি আমার দোকান, ব্যবসা, মা-বাবাকে ছেড়ে এখানে এসেছি! কিন্তু তারা আমাকে আর থাকতে দিচ্ছে না! এই কথা বলতে বলতে যুবক মাটিতে লুটিয়ে পড়লো।

পুলিশরা বলেছে : আমরা ভাবলাম, যুবক ইচ্ছাকৃতভাবে মাটিতে লুটিয়ে পড়ছে, সে জ্ঞান হারানোর ভান করছে, হয়তো আবার পালানোর পাঁয়তারা।

পুলিশ সদস্যরা কিছুক্ষণ পর যুবককে মাটি থেকে টেনে উঠালো, দেখল সে সত্যিই অচেতন! মুখে পানি ঢেলে দিলেও যুবক আর নড়ছে না!

তাদের একজন বললো : তার হয়তো স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাক হয়েছে, এক্ষুনি অ্যাম্বুলেন্স আনো।

অ্যাম্বুলেন্স এসেছিল এবং যুবককে হাসপাতালেও নেয়া হয়েছিল, ডাক্তার তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর বললেন : আরো দেড় ঘণ্টা আগে যুবক এই পৃথিবী থেকে চলে গেছে! সে বেঁচে নেই।

পুলিশ সদস্যরা তখন কান্নায় ভেঙে পড়েছিল এবং বলছিল : আল্লাহর শপথ! আমরা আমাদের দায়িত্ব পালনকালে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসার নমুনা অনুভব করতে পারিনি!

এরপর, গোসল ও জানাযা শেষে যুবককে অ্যাম্বুলেন্সে করে জান্নাতুল বাকিতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে দাফন করা হয়।

আলবেনিয়ার পথে রওনা দেয়া যুবক, জান্নাতুল বাকিতে চলে গেলেন। রেখে গেলেন পৃথিবীবাসীর জন্যে রসুল সা.-এর প্রতি মহব্বতের অনন্য দৃষ্টান্ত!

|। রসুলুল্লাহ সা.-এর মহব্বত ।|

ইতিহাসটি লিখেছেন : درر_النابلسي
অনুবাদ : মুহাম্মদ ইউসুফ

Muslim's Diary

10/12/2022

আদম আলাইহিস সালামকে যে প্রথমে জান্নাতে রাখা হয় এবং এরপর দুনিয়াতে প্রেরণ করা হয় এ ব্যাপারটার মাঝে আমাদের জন্য প্রচুর উইজডম রয়েছে। বিজ্ঞতা রয়েছে।

আর সে বিজ্ঞতাটি হলো: এটা আমাদের আশাবাদী করে তোলে। ব্যাপারটা যেন এমন— আল্লাহ আমাদেরকে জান্নাতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। ব্যাপারটা আমাকে প্রত্যাশা দান করে। আমাকে সত্যিকার অর্থে আশাবাদী করে তোলে এ অর্থে যে, ইনশাআল্লাহ আমিও একদিন সেখানে যাবো। যদি আল্লাহ আমাদের পিতা আদমকে কোনো কিছু না করার কারণেও জান্নাত দিতে পারেন। তাহলে শেষ বিচারের দিন যখন আমি আল্লাহর সামনে উপস্থিত হবো, আপনি যখন আল্লাহর সামনে উপস্থিত হবেন, হ্যাঁ আমাদের অগণিত ভুল রয়েছে, কিন্তু আমাদের কিছু ভালো আমলও আছে। ইনশাআল্লাহ কিছু নেক আমল তো আমরা করেছি। তাই আমি আশাবাদী। যে মহান রব আমাদের পিতাকে জান্নাতে রেখেছিলেন, তিনি কোনো কিছু না করা সত্ত্বেও, সে মহান রব আমার পাপগুলোও ক্ষমা করে দিবেন এবং আমাকেও জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। কিছু ভালো কাজ করার কারণে। ইনশাআল্লাহ।

তাই, এ ব্যাপারটার মাঝে বিশাল মনস্তাত্ত্বিক উপকার রয়েছে। আমাদের বাবা আদম এবং মা হাওয়া জান্নাতেই ছিলেন। তাই, মানব জাতি যদি জাস্ট মিনিমাম কিছু চেষ্টাও আল্লাহর জন্য করতে পারে তাহলে ইনশাআল্লাহ তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে। যদি তারা এর জন্য নিজ প্রচেষ্টার কিছু অংশও ব্যয় করে।

আল্লাহ তায়ালা বলেন- وَ مَنۡ اَرَادَ الۡاٰخِرَۃَ وَ سَعٰی لَهَا سَعۡیَهَا وَ هُوَ مُؤۡمِنٌ فَاُولٰٓئِکَ کَانَ سَعۡیُهُمۡ مَّشۡکُوۡرًا - আর যে আখিরাত কামনা করে এবং তার জন্য যথাযথ চেষ্টা করে মুমিন অবস্থায়, এরাই হল তারা যাদের চেষ্টা সাধনা সাদরে গৃহীত হবে। (১৭:১৯)

আপনার কাছে শুধু এতটুকুই চাওয়া হচ্ছে, আপনি জান্নাত পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা করবেন। শুধু এটুকুই। আর আল্লাহ বলছেন সত্যিকারের আকাঙ্ক্ষা হলো—
১. আপনি এটা পাওয়ার জন্য চেষ্টা করবেন এবং
২. এতে বিশ্বাস করবেন।
আল্লাহ বলছেন এমন লোকের প্রচেষ্টাকে পুরস্কৃত করা হবে।

- ড. ইয়াসির কাদির

02/12/2022

বাচ্চাদের বুঝাবেন, You are the part of this home. তুমি এই ফ্যামিলির একটা পার্ট। কিছু ডিউটি তোমারও আছে। এটা করতে হবে তোমাকে । মশারিটা টাঙাও, ঘরটা পরিষ্কার করো, কাপড়টা গোছাও । আমিতো আমার অভিজ্ঞতায় বলি, মা-বোনদের প্রতি, এমনকি আমাদের স্ত্রীদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ নই। একদিন আপনাকে দিলাম একটি ওয়ারড্রোব গোছাবেন, একটি আলনা গোছাবেন, প্রত্যেকটা জিনিস ঠিকঠাক করে রাখবেন। এরপর আপনার বাচ্চা যখন ওর নিজের জামাকাপড় খুঁজতে যায়, একটা টান দিয়ে তিনটা ফেলবে, পিটিয়ে লাল করে দিতে মন চাইবে। ঠিক কি-না? আপনারা ‘ঠিক’ বলবেন কেমন করে? কারণ আপনারা তো এ কাজ করেন না। ঠিক বললে তো হবে না, প্রিয় ভাইয়েরা, করে দেখেন, It is a tough job. আমরা মনে করি, এটা তো বৌদের ডিউটি, এখনও জিনিসগুলো এলোমেলা করে রেখে দিয়েছ? ওরে বাবা! কি একটা ভাব আমরা নিয়ে আছি। গোছান না আপনি একদিন। আপনিও তো পরিবারের একটা পার্ট, করে দেখেন না একদিন। প্রিয় ভাইয়েরা, করলে বুঝতে পারবেন, এটা মেয়েদের জন্য কত কঠিন ডিউটি! কিছু না, তিন দিন শুধু রান্না করে খেয়ে দেখেন। শুধু খেয়ে দেখেন ৩ দিন! আপনি আমি বিরক্ত হয়ে যাই। আজকে কী রান্না করব বলো তো? করো একটা, করো যেটা মন চায় করো, এতো শোনার কি আছে? ফ্রিজ ভর্তি জিনিস আছে তো! ওরে বাবা, উনি রান্না করবেন, উনি খাওয়াবেন, আপনাকে জাস্ট একটু বলেছে, আজকে কী রান্না করলে ভালো হয়? আপনার সেটা বলতেও রুচে না! তিন দিন রান্না করেন আপনি। একদম ধারাবাহিক রান্না- সকালের নাস্তা ঠিকমতো, দুপুরের খাবার ঠিকমতো, রাতের খাবার ঠিকমতো। তিন দিনে আপনি বুঝতে পারবেন ঠেলা কি জিনিস! সঠিক সময়ে আমার সামনে খাবার চলে আসছে...। আমি তো মনে করি, আমিই কামাই করি, আমি সর্বেসর্বা। আমি না করলে কে করবে? বিরাট একটা ভাব নিয়ে আছেন। কিন্তু উল্টো একটু দুয়েকদিন খেয়ে দেখেন ভাই । সুতরাং কৃতজ্ঞ হওয়ার এখানেও জায়গা আছে। এই কৃতজ্ঞ যদি না হই..., কেন এ কথা বলছি...
من لم يشكر الناس لم يشكر الله.
আপনি যদি মানুষের কৃতজ্ঞ হতে না শেখেন, মানুষকে যদি ধন্যবাদ বলতে না শিখেন, আপনি কখনও প্রপারলি আপনার ক্রিয়েটর আল্লাহ রাব্বুল
আলামিনের প্রপার কৃতজ্ঞ হতে পারবেন না।
সুনান তিরমিযি, হাদীস : ১৯৫৫।

আপনি ন্যূনতম জায়গাতে ক্ষমা করতে পারেন না, ন্যূনতম জায়গাতে মানুষের সঙ্গে কৃতজ্ঞ হতে পারেন না, আপনি আবার রহমানুর রাহীমের কৃতজ্ঞ কেমন করে হবেন? আপনাদের কাছে বলেছি কিনা, হজের সময় একজন এসে বলছে, হুজুর, দোআ করেন, আল্লাহ যেন আমার পাপ-টাপ ক্ষমা করে দেন। আমি বললাম, তার আগে আপনার ডিউটি আপনি দুনিয়ার সব মানুষকে ক্ষমা করে দেন। হুজুর, সবাইকে ক্ষমা করতে পারব, একটা লোক, হুজুর! ইশ! এমন একটা কথা আমারে বলেছিল, কলিজাটা আমার ছিঁড়ে গেছে হুজুর, সবাইকে মাফ করলেও একে আমি মাফ করতে পারব না। আপনি মেহেরবানি করে এটা বাদ দিয়ে যা বলেন আমি সব করব। আমি বললাম, দুনিয়ার একটা সাধারণ মানুষ একটা কথা আপনাকে বলেছে, এই কথা আপনি মাফ করতে পারছেন না। আর আপনি আপনার রহমান রাহীমের ১ থেকে ৬২ বছর পর্যন্ত লক্ষ কোটি হুকুম মেনেছেন, লক্ষ কোটি হুকুম অমান্য
করেছেন, আল্লাহর লক্ষ কোটি নির্দেশে যা বলার ছিল সেটা না বলে অন্যদিকে বলেছেন, কীভাবে আপনার রহমান আপনাকে মাফ করবেন? আপনার মাফ পাওয়া সম্ভব নয়। লোকটা ভাবছে, সত্যিই এই কথাটা...। আমি মাফ না পাওয়ার সম্ভবনার কথা বলার কে ভাই? কিন্তু ওনার যেন একটু ধাক্কা লাগে, এজন্য এই রকম করে আমি বলেছি। এরপর বলছে, হুজুর, আমি ওরে মাফ করে দিলাম, আমি মনের মধ্যে কারও ব্যাপারে ধরে রাখলাম না। আমি বললাম, ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ আপনাকে মাফ করে দিবেন। হাদিসে তার প্রমাণ আছে। একজন সাহাবি এলেন। আল্লাহর নবী বললেন, যে আসবে সে জান্নাতি। সুবহানাল্লাহ। সাহাবায়ে কিরাম দেখলেন, অপরিচিত মানুষ, আননোন পারসন, আমরা চিনি না। তিনি ওমর, উসমানের মতো ফেমাস
সাহাবি নন, তারপরও কিন্তু? পরের দিন আল্লাহর নবী বললেন, এখন তোমাদের বেশে একজন জান্নাতি আসবে। সুবহানাল্লাহ। সেই লোকই আবার এসেছে! তৃতীয় দিনও বললেন একজন জান্নাতি...। সেই লোকই আবার এসেছে! একজন সাহাবি সঙ্গে সঙ্গে তার পিছু লেগে গেলেন। সুবহানাল্লাহ, আমরা চিনি না, এত বেশি পপুলার নয়। উনি আল্লাহর নবীর কাছে ৩ দিন পরপর এই জান্নাতের সুসংবাদ পেয়ে গেল! আমি একটু খুঁজতে চাই, দেখি তো তার এমন কী আমল আছে। দীর্ঘ ঘটনা...। তার বাড়িতে থাকলেন, খবর নেওয়ার চেষ্টা করলেন, কিন্তু না, সারারাতে উঠে না, তাহাজ্জুদেও উঠে না, বেলাল যখন ফজরের আজান দিয়েছেন তখন মসজিদে নববিতে চলে গেলেন। এর আগে কোনো খবরই নেই। এশারনামাজের পর ঘুম দিয়েছেন ফজর পর্যন্ত, নাকডাকা অবস্থা। তিন দিন পর বলছে যে, ভাই, এসেছিলাম ভিন্ন উদ্দেশ্যে, আপনার মেহমান হওয়ার জন্য আসিনি | কিন্তু এখন চলে যাচ্ছি মনে বড় বেদনা নিয়ে। আল্লাহর নবী বললেন, আপনি জান্নাতি, কোনো একটা এক্সট্রা আমল দেখলাম না। শুধু ফরজ নামাজ পড়েন, আল্লাহর নবীর কথা শুনেন, বাড়িতে আসেন, সংসার করেন, এশার পরে ঘুমিয়ে পড়েন। কী ব্যাপার? উনি বলছেন, ভাই, আসলেও আমার এক্সট্রা কোনো আমল নেই। তবে একটি প্র্যাকটিস আমার জীবনে করি। আমি যখন রাতে শুতে যাই, ও আমার প্রিয়। হিংসা-বিদ্বেষ ধরে রাখি না। সবার কল্যাণ কামনা করে আমি ওই রাতে দুনিয়ার সব মানুষকে আমি মাফ করে দেই। কারও জন্য অন্তরে কোনো ঘুমাতে যাই। আমি জানি না, এটা আমার আমল কিনা। সাহাবি বললেন, 'ওয়াল্লাহি ওয়াল্লাহি ওয়াল্লাহি'। আল্লাহ আপনার এই আমল এত পছন্দ করেছেন যে, তাহাজ্জুদ না পড়ার পরও, রাত্রে এক্সট্রা আমল না করার পরও, অতি কমন সাহাবি হওয়া সত্ত্বেও আল্লাহর রাসূল তিন দিন আপনার ব্যাপারে জান্নাতি ঘোষণা করে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ। দেখুন, আপনার আমার অন্তরের কেমন অবস্থা। ওই অন্তর যদিতৈরি না হয় কেমন করে আমরা কৃতজ্ঞ হব। আমরা কৃতজ্ঞ হতে পারছি না। প্রিয় ভাইয়েরা, এজন্য কৃতজ্ঞ হতে হবে। কৃতজ্ঞ হলে অন্তর তৈরি হবে, অন্তর তৈরি হলে বিদ্বেষ থাকবে না, বিদ্বেষ নেই তো জান্নাতে যাওয়ার রাস্তা মসৃণ হবে, ইনশাআল্লাহ।
“আপনি যদি মানুষের কৃতজ্ঞ হতে না শেখেন, মানুষকে যদি ধন্যবাদ বলতে না শিখেন, আপনি কখনও প্রপারলি আপনার ক্রিয়েটর আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের প্রপার কৃতজ্ঞ হতে পারবেন না।।

#ইনসাইড_ইসলাম
Abdul Hi Muhammad Saifullah

"গনিম-আল-মুফতাহ্" কাতারের সবচেয়ে প্রতিষ্ঠিত এবং বিখ্যাত একজন ব্যক্তি।কারণ, এনার হাত ধরেই বেজে উঠলো ফিফা বিশ্বকাপের দামাম...
22/11/2022

"গনিম-আল-মুফতাহ্"
কাতারের সবচেয়ে প্রতিষ্ঠিত এবং বিখ্যাত একজন ব্যক্তি।

কারণ, এনার হাত ধরেই বেজে উঠলো ফিফা বিশ্বকাপের দামামা।

2022 সালের বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ফুটবলের আসরের উদ্বোধন করলেন গনিম-আল-মুখতাহ্।

"আল বাইয়াত ষ্টেডিয়ামের এই অনুষ্ঠান উপভোগ করলো গোটা বিশ্বের ফুটবল প্রেমী মানুষ।

"গনিম-আল-মুখতাহ্" এর শরীরের নিচের অংশ নেই, জন্মের আগেই দুটো পা হারিয়ে ফেলেন।

"কোডাল রিগ্রেশন সিনড্রোম" রোগে আক্রান্ত গনিমের শরীরের নিম্নাংশ না থাকা সত্বেও তিনি গোটা কাতার তথা আরব দুনিয়ার একজন রোল মডেল।

আরবের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে তাঁর ভক্ত, সমর্থকবৃন্দ।

তিনি একজন বিশ্ববিখ্যাত মোটিভেশনাল স্পীকার।

তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে উজ্জীবিত, বর্ণময় হয়ে ওঠে হাজার বর্ণহীন জীবন।

গনিম যখন মাতৃগর্ভে রয়েছেন, তখনই আলট্রা-সাউন্ড মেশিনে ধরা পড়ে তাঁর শরীরের অবিকশিত অংশ।

ডাক্তার গর্ভপাতের নিদান দেন।

কারণ, অপূর্ণাঙ্গ সন্তানের জন্ম দেওয়ার চেয়ে তাকে জঠরে হত্যা করে দেওয়া শ্রেয়।

গনিমের মাতা-পিতা এই সিন্ধান্ত মেনে নিতে পারলেন না।

কারণ, ইসলামের নিদান অনুযায়ী গর্ভপাত হলো চূড়ান্ত অপরাধ।

মাতা "ইমান-উল-আবদেলি" এবং পিতা "মুহাম্মদ-আল-মুফতাহ্" এটাকে মহান আল্লাহর সিন্ধান্ত হিসেবে মেনে নিয়ে, বিকলাঙ্গ সন্তানের জন্ম দিলেন।

মাতা পিতার উদ্দেশ্যে বলেন - "আমি হবো সন্তানের বাম পা, আর তুমি হবে তার ডান পা।

আমরা দুজনে সন্তানকে কখনো নিম্নাংশের অভাব টের পেতে দেবো না।"

5-ই মে 2002 সালে পৃথিবীর আলো দেখেন গনিম।

শিশুকাল থেকেই পদে পদে সামাজিক বঞ্চনার শিকার হয়ে পড়েন তিনি।

স্কুল, খেলার মাঠ সহ বিভিন্ন জায়গায় তাঁকে অপমানিত করা হতো।

তিনি এসবের তোয়াক্কা না করেই এগিয়ে যেতেন নিজ পথে, একেবারে নিজস্ব ছন্দে।

বন্ধুদের বোঝাতেন-তাঁর অসম্পূর্ণ শরীরের জন্য তিনি মোটেও দোষী নন।

আল্লাহ তাঁকে যে পরিমাণ অঙ্গ-প্রতঙ্গ প্রদান করে পাঠিয়েছেন, এর জন্য তিনি কৃতজ্ঞ।

নিজের সহপাঠী, বন্ধুবান্ধব-কে এসব বোঝাতে বোঝাতে নিজের অজান্তেই তিনি হয়ে ওঠেন একজন মোটিভেশনাল স্পীকার।

একদিন যাঁর ভুমিষ্ট হওয়া নিয়েই যথেষ্ট সন্দেহ ছিলো, তাঁর হাতে উদ্বোধন হতে চলেছে বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত এক প্রতিযোগিতার আসর।

কাতারের 20 বছর বয়সী প্রতিবন্ধী যুবক আজ সেদেশের শান্তির দূত হিসাবে গোটা বিশ্ব দরবারে পৌঁছে গেছেন।

এছাড়া তিনি একজন মোটিভেশনাল স্পীকার, কবি, সাহিত্যিক, দারুণ বক্তা হিসাবে আরব দুনিয়া তথা গোটা বিশ্বের কাছে সমাদৃত।

আজ তিনি কাতার সরকারের প্রধান প্রতিনিধি হিসাবে বিশ্বের দরবারে নিজের পরিচিতি তুলে ধরলেন।

ধন্যবাদ, গনিম-আল-মুফতাহ্।"

আপনি প্রমাণ করে দিলেন, শারিরীক প্রতিবন্ধকতা সাফল্যের পথে কোনো অন্তরাল হয়ে উঠতে পারে না।

‘আউফ ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃতিনি বলেন, আমি তাবুক যুদ্ধে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিক...
14/11/2022

‘আউফ ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি তাবুক যুদ্ধে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলাম। তিনি তখন একটি চামড়ার তৈরী তাঁবুতে ছিলেন। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ক্বিয়ামাতের আগের ছয়টি নিদর্শন গণনা করে রাখো। আমার মৃত্যু, অতঃপর বায়তুল মুকাদ্দাস বিজয়, অতঃপর তোমাদের মধ্যে ঘটবে মহামারী, বকরীর পালের মহামারীর মত, সম্পদের প্রাচুর্য, এমনকি এক ব্যক্তিকে একশ’ দীনার দেয়ার পরেও সে অসন্তুষ্ট থাকবে। অতঃপর এমন এক ফিত্‌না আসবে যা আরবের প্রতিটি ঘরে প্রবেশ করবে। অতঃপর যুদ্ধ বিরতির চুক্তি-যা তোমাদের ও বানী আসফার বা রোমকদের মধ্যে সম্পাদিত হবে। অতঃপর তারা বিশ্বাসঘাতকতা করবে এবং আশিটি পতাকা উড়িয়ে তোমাদের বিপক্ষে আসবে; প্রত্যেক পতাকার নীচে থাকবে বার হাজার সৈন্য।


সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৩১৭৬

Address

Hossainbad, Daulatpur
Kushtia
7052

Telephone

+8801711023434

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md. Azizul Islam Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Md. Azizul Islam Foundation:

Share