20/08/2026
আল্লাহ প্রদত্ত রিযিক সর্বরোগের ঔষুধ।
মিসকিন, দারিদ্র্যগ্রস্ত, লাঞ্ছিত ও কয়েদীদের নিকৃষ্টতর বস্তু ভাত ও রুটি কম খান (২:৬১; ১২:৩৬-৩৭; ৬৯:৩৪; ৮৯:১৮; ৯০:১৪-১৬; ১০৭:৩), সকাল-সন্ধ্যা (১৯:৬২)- আল্লাহর নির্দেশ উৎকৃষ্টতর বস্তু সর্বপ্রকার কাঁচা-পাকা ফল খান (২:২২, ২৫; 2:266; 7:57; 13:3; 16:10-11; 28:57)। আল্লাহ খেতে বলেছেন তাজা। খাদ্যের মধ্যে না খাওয়ার উদাহরণ মাছ (১৬:১৪; ৩৫:১২; ১৮:৬৩) ও কাবাব বা ভাজা মাংস (১১:৬৯; ৫১:২৬)।
আপনার ঘরে সংরক্ষিত আল কুরআন খুলে প্রথমটি সূরা নং : দ্বিতীয়টি আয়াত নং মিলিয়ে দেখুন। যেমন- ২:২ এর অর্থ ২ নং সূরা বাকারার ২ নং আয়াত। আল কিতাব অর্থ কিতাবটি।
সালামুন আলাইকুম।
বিশ্বের শতভাগ মানুষ আল কিতাব অর্থাৎ, আল কুরআন (২:২; ১০:৩৭), মাত্র একটি কিতাব (১৪:১; ২:২৫৭; ৭:২-৩; ৬:৫৫; ২১:১০; ৩৮:২৯; ৩৯:২৩; ৪২:১৩-১৫), আল্লাহর উপদশ (১৩:২৮; ৬২:১০; ১৫:৯; ৪১:৪১) বর্জন করে বিকৃত বাইবেলের অনুসরণ (৫:৪৮) করে। আমরা যারা শুধু আল কুরআনের কথা বলি তারাও আল কিতাবের আংশিক মানি (২:৮৫)। কারণ শতভাগ মানুষ রাসূলের (৭:১৫৮; ৬:৫০; ৭:২০; ১০:১৫; ৪৬:৯) নিকট অর্জিত সম্পদের এক-পঞ্চমাংশ সদকা (৮:৪১; ৯:৬০, ১০৩; ৫৮:১২-৩ ) না দিয়ে আখেরাতে অবিশ্বাসী (২:৩-৪; ২৭:২-৫; ৩১:৪; ৪১:৭; ১৭:৪৫-৪৬; ২:২-৭; ৯২:১৪-২১)। দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ (৭:১৫৬; ৩০:৩৯), ক্ষমার অযোগ্য (৩:৯১; ৫:৩৬; ১০:৫৪; ১৩:১৮; ৩৯:৪৭; ৫৭:১৫), জান্নাতের কর্ম বর্জন করে (১৩:২২-২৩; ১৪:৩১; ৩৫:২৯), জাহান্নাম নিশ্চিত করেছি ‘সদকা না দিয়ে (৬৩:১০; 29:7; 2:258; ), আমেলিন না হয়ে (৯:৬০; 3:130-136; 29:58; 37:22-61; 39:71-74) অর্থাৎ আমেলূস সালেহ না করে (২:২৫, ৮২; 3:57; ৪:৫৭, ১২২, ১২৪, 157; 5:9, 93; ৭:৪২; 10:4, ৯; 11:11, ২৩; 13:29; ১৪:২৩; 17:9; 18:2-৩, 30-৩১, 46, ১০৭; 19:76, 96; 20:75-৭৬, 112; 21:94; ২২:১৪, ২৩, 50, ৫৬; 24:55; 26:227; ২৯:৫৮; ৩০:১৫; 30:45; ৩১:৮; ৩২:১৯; 34:4; 35:7; 38:24, 28; 40:58; 41:8; ৪২:২২, 23, 26; 45:21, 30; 47:2, ১২; 48:29; ৬৫:১১; 84:25; ৮৫:১১; 95:6; 98:7; 103:3)। আবার দীনার-দিরহাম ব্যবহার না করে কাগজের মুদ্রা ব্যবহার করি (৩:৭৫; ১২:২০), ব্যাংকে টাকা রেখে আমানতের (২:২৮৩; ৪:৫৮; ৮:২৭; ২৩:৮; ৩৩:৭২) উপর সুদ গ্রহণ করি (২:২৭৫-২৭৮; ৩:১৩০; ৪:৬১; ৩০:৩৯)। রোগমুক্তির জন্য ডাক্তারের নিকট যাই (১৪:১; ২:২৫৬-২৫৭; ২৬:৭৯-৮০)। ১২ মাসে বছর (৯:৩৬) মানি; কিন্তু ৩০দিনে মাস (৪:৯২; ৫৮:৪), ৬ দিনে সপ্তাহ (৭:৫৪; ১০:৩; ১১:৭; ২৫:৫৯; ৩২:৪; ৫০:৩৮; ৫৭:৪) মনি না। আল্লাহর সুন্নতের অনুসরণ করি না (৩৩:৩৮-৩৯, ৬২; ৩৫:৪৩; ৪০:৮৫; ৪৮:২৩)। দাব্বাতাম মিনাল আরদ (২৭:৮২) অর্থাৎ, AI আমাদের সাথে কথা বলে, তা আমরা বিশ্বাস করি; কিন্তু আল্লাহর আয়াত বিশ্বাস করি না। পৃথিবীর ৮২০ কোটি মানুষের প্রত্যেকেই জানে সালাতের পদ্ধতি (২৪:৪১); কিন্তু তারা মুশরিক (১২:১০৬; ৪:৪৮, ১১৬)। আল্লাহ আমাদের নাম রেখেছেন মুসলেমিন (২২:৭৮)। রাসূলের মত (৩:৬৪; ৬:১৬৩) আমরা সেই উত্তম নাম মুসলেমিন (৪১:৩৩) হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেই না।
আল্লাহর প্রকৃতির/ সঠিক দীনের অনুসরণ করুন (৩০:৩০; ৯৮:৫; ৬:১৬১; ৪২:১৩)।
আল্লাহ বলেন, ‘তুমি একনিষ্ঠ হয়ে নিজকে দীনে প্রতিষ্ঠিত করো। আল্লাহর প্রকৃতির অনুসরণ করো, যে প্রকৃতি অনুযায়ী তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন; আল্লাহর সৃষ্টির কোন পরিবর্তন নেই। এটাই সঠিক দীন; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না (সূরা-৩০, রূম, আয়াত-৩০)।
আল্লাহ বলেন, ‘৬০. কিন্তু তারা নয়—যারা তওবা করেছে, ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে। তারা তো জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাদের প্রতি কোন যুলুম করা হবে না।
৬১. ইহা স্থায়ী জান্নাত, যে অদৃশ্য বিষয়ের প্রতিশ্রুতি রহমান তাঁর বান্দাদেরকে দিয়েছেন। তাঁর প্রতিশ্রুত বিষয় অবশ্যম্ভাবী।
৬২. সেখানে তারা ‘শান্তি’ ব্যতীত কোন অসার বাক্য শুনবে না এবং সেখানে সকাল-সন্ধ্যা তাদের জন্য থাকবে রিযক (সূরা-১৯, মারইয়াম, আয়াত: ৬০-৬২)।
জান্নাতের খাদ্য, আর দুনিয়ার খাদ্য একই। এ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, ‘আর সুসংবাদ দাও, যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে, নিশ্চয়ই তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত- যার নিম্নদেশে নহর প্রবাহিত। যখনই তাদেরকে ফলমুল খেতে দেওয়া হবে তখনই তারা বলবে, ‘আমাদেরকে পূর্ব রিযিকরূপে যা দেওয়া হতো এ তো তা-ই। আর তাদেরকে অনুরূপ ফলই দেওয়া হবে এবং তাদের জন্য সেখানে পবিত্র যুগল রয়েছে, আর তারা সেখানে স্থায়ী হবে (সূরা-২, বাকারা, আয়াত-২৫)।
২:২৫ আয়াত অনুসারে জান্নাতের খাদ্য, আর দুনিয়ার খাদ্য একই।
উক্ত আয়াত অনুসারে সকাল-সন্ধ্যা (১৯:৬২) [আনুমানিক সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে] আল্লাহ প্রদত্ত ফল খান (২:২৫; ৪৭:১৫)। কিছুটা বিরতি দিয়ে মোহর করা পানীয় (৮৩:২৫) ডাবের পানি; বিশুদ্ধ পানি বা দুধ (৪৭:১৫) পান করুন।
বিশ্বাকাপ ফুটবল বা ক্রিকেট চার বছর অনুশীলন করার পরে খেলে। আমরা বিকৃত ইঞ্জিল শরীফ অনুসারে বলবো ‘আস সালামু আলাইকুম (মথি-২৬:৪৯; ২৮:৯; লূক-২৪:৩৬; ইউহোন্না-২০:১৯, ২১, ২৭), আর জান্নাতে গিয়ে বলবো ‘সালামুন আলাইকুম [৬:৫৪(43:89); ৭:৪৬; ১৩:২৪; ১৫:৩২; ১৬:৩২; ৩৯:৭৩]। এখন খাবো ভাজা-পোড়া, অর্থাৎ প্রসেস ফুড (১৬:১৪; ১৮:৬৩; ১১:৬৯; ৫১:২৬)। আর জান্নাতে গিয়ে সকাল-সন্ধ্যা খাবো-ফল (২:২৫; ১৯:৬২)।
দরিদ্র ও লাঞ্ছিতদের খাবার শাক-সব্জি, কাঁকর, গম, মশুর, পেঁয়াজ (২:৬১); অন্ন/ভাত (৪:৫; ৫৫:১২; ৬৯:৩৪; ৮৯:১৮; ৯০:১৪-১৬; ১০৭:৩); কয়েদীদের খাদ্য রুটি (১২:৩৬-৩৭) কম খান।
আন ইয়াশা আল্লাহ (১৮:২৩-২৪) ডায়াবেটিস, হাই প্রেসার ও হৃদরোগ এক সপ্তাহেরসহ সকল প্রকার রোগ (৬ দিনের) মধ্যেই কমে যাবে (২৬:৭৮-৮০) এবং রক্ত কণিকার পরিবর্তনের মধ্যেই অর্থাৎ ৪ মাসের মধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠবেন।
যারা আখিরাতে বিশ্বাসী (২:২-৪; ৮:২-৮; ২৭:৩-৫; ৩১:৪-৫; ৪১:৭; ৯২:১৪-২১; ৮:৪১; ৯:৬০, ১০৩; ৫৮:১২-১৩) তাদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ (৭:১৫৬; ১০:২৬-২৭, ৬২-৬৪; ১৬:৩০, ৪১; ৪১:৩১; ৩৯:১০, ১৭-১৮; ৫৩:৩১)।
কুরআনুন কারীমে (৫৬:৭৭) দেখুন-
কৃতকর্মের ফল- ৪২:৩০। রোগাক্রান্ত-রোগমুক্ত-২৬:৭৮-৮১; অসুস্থ- ৩৭:৮৯। রুগ্ন-৩৭:১৪৫। পরীক্ষা-২:১৫৫-১৫৬।
প্রকৃতির অনুসরণ-৩০:৩০। আরগ্য-৯:১৪; ১০:৫৭; ১৬:৬৮-৬৯; ১৭:৮২; ২৬:৮০; ৪১:৪৪।
ফল-২:২৫; ৬:১৪; ১৬:১১; ২৩:১৯; ৩৬:৫৭; ৫২:২২; ৫৫:৬৮; ৫৬:৩২; ৮০:২৭-৩১।
খেজুর-২:২৬৬; ৬:৯৯, ১৪১; ১৩:৪; ১৬:১১, ৬৭; ১৭:৯১; ১৮:৩২; ১৯:২৩, ২৫; ২০:৭১; ২৩:১৯; ২৬:১৪৮; ৩৬:৩৪; ৫০:১০; ৫৪:২০; ৫৫:১১, ৬৮; ৬৯:৭; ৮০:২৯। আঙ্গুর-২:২৬৬; ৬:৯৯; ১৩:৪; ১৬:১১, ৬৭; ১৭:৯১; ১৮:৩২; ২৩:১৯; ৩৬:৩৪; ৭৮:৩২; ৮০:২৮। যায়তুন-৬:৯৯, ১৪১; ১৬:১১; ৮০:২৯; ৯৫:১। যায়তুন তৈল-২৩:২০; ২৪:৩৫। ডালিম/আনার-৬:৯৯, ১৪১; ৫৫:৬৮। কলা-৫৬:২৯। তীন-৯৫:১। কুল/বরই-৫৬:২৮। শাক-সবজি-২:৬১; ৮০:২৮। শস্য-৬:৯৯, ১৪১; ১৩:৪; ১৬:১১; ১৮:৩২; ৩৬:৩৩; ৮০:২৭। লাউ- ৩৭:১৪৬। গোশত-৫২:২২। পাখির গোশত-৫৬:২১। বিশুদ্ধ পানি-৪৭:১৫। মোহর করা পানীয়-৮৩:২৫। দুধ-১৬:৬৬; ৪৭:১৫।মধু-১৬:৬৮-৬৯; ৪৭:১৫।
গাভী-২:৬৭, ৬৮, ৬৯, ৭০, ৭১, ৭২, ৭৩, ৭৪; ১২:৪৩, ৪৬। গরু-ছাগল-৬:১৪৬; মেষপাল (ছাগল-ভেড়া)-৬:১৪৩; ২০:১৮; ২১:৭৮। ভেড়া-৩৮:২৩-২৪। উট-৭:৪০; ৮৮:১৭। উটনী-৭:৭৩; ১১:৬৪; ১৭:৫৯; ৯১:১৩। মোটা-তাজা পশু-২২:৩৬। মাছ-১৬:১৪; ৭:১৬৩; ১৮:৬১, ৬৩; ৩৭:১৪২; ৬৮:৪৮।
আল্লাহ আমাদেরকে রিজিক হিসেবে কাঁচা ফল খেতে বলেছেন-2:22, 25, 126, 155, 266; 6:99, 141; 7:130; 14:32, 37; 16:67-69; 18:34, 42; 35:27; 36:35; 41:47; 47:15. সর্বপ্রকার ফল-2:266; 7:57; 13:3; 16:10-11; 28:57.
আগুনের ব্যবহার- ১৩:১৭; ২০:১০; ২১:৬৯; ২৭:৭-৮; ২৮:২৯; ৩৬:৮০; ৫৬:৭১-৭২।
আল্লাহ বলেন, ‘আর অবশ্যই আমরা এ কুরআনে মানুষের জন্য সর্বপ্রকার দৃষ্টান্ত উপস্থিত করেছি, যাতে তারা চিন্তা করে (সূরা-৩৯, যুমার, আয়াত: ২৭)। সর্বপ্রকার মাসালা/উদাহরণ-১৭:৮৯; ১৮:৫৪; ৩৯:২৭; ২৪:৩৪—৬:৮৩-৯০ আয়াত।
মাছ-মাংস না খাওয়ার উদাহরণ-
নবী ইবরাহীম মেহমানকে গরুর মাংসের কাবাব (১১:৬৯; ৫১:২৬) খাওয়াতে পারেন নি; আল্লাহ বলেছেন তাজা মাছ আহার করতে (১৬:১৪; ৩৫:১২)। আর নবী মুসা মাছ (18:63) খেতে পারেন নি।
আমাদের দেশীয় ফল আমড়া, পেঁপে, শশা, কলা, পিঁয়াজ, রসুন, ক্ষিরা, জামবুরা, পেয়ারা, তাল, নারকেল, ধনে পাতা, লেটুস পাতা, পুদিনা পাতা, লেবু, আম, কাঠাল, বেল, কদবেল, ডালিম, আঙ্গুর, খেুজর, আপেল, কমলা, স্ট্রবেরি, কামরাঙ্গা, জলপাই, লটকন, ড্রাগন, সবেদা, কাঠল, লিচু, মিষ্টি আলু, সাদা আলু, বেত, জাম, জামরুল, তরমুজ, বাঙ্গি, বরবটি, গাজর, টমেটো, ফুল কপি, ক্যাপসিকাম ইত্যাদি কাঁচা খান, সামান্য রুটি বা ভাতের সাথে- ভাতের ৪/৫ গুণ কুচি কুচি করে কেটে ৩/৪ রকমের ফল দিয়ে সালাদ খান (২/৩টি আমড়া, ১টি আপেল, ১টি শশা, ১ ফালি পেঁপে, ২টি খেজুর ছোট ছোট করে ভাতের মতো বা ফালি ফালি করে খান, শেষে একটি কলা খান)। একবার খেয়ে দেখেন। বিশুদ্ধ পানি, সামর্থ থাকলে ডাব, আখ বা আখের রস বা, মধু ও দুধ পান করুন।
লাউ, চাল কুমড়া, মিঠা কুমড়া, করলা, উজতে, ঝিঙে, চিচিঙগা, পালং শাক, ওল কপি, বাঁধা কপি, পটল ইত্যাদি অর্ধ সিদ্ধ খান। চাল-ডাল, ছোলা রাতে ভিজিয়ে রাখুন, কাঁচা বা অর্ধ সিদ্ধ খান। প্রকৃতির অনুসরণ হিসেবে মাটির কলস বা জগ, মাটির গ্লাস, মাটির প্লেট, রান্নার জন্য মাটির হাঁড়ি ব্যবহার করতে পারেন। গায়ে মাখা সাবানের পরিবর্তে সরিষার খৈল ব্যবহার করতে পারেন। অর্ধ রান্নার জন্য সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন।
খচর অনেক কম। যেমন- বর্তমানে ১ কেজি গরুর মাংসের পরিবর্তে কমপক্ষে ১০০টি কলা, ২ কেজি সাধরণ খেজুর/আঙ্গুর/ডালিম, ৩ কেজি আপেল, ৫ কেজি চিনা বাদাম, দেশীফল ২০ কেজি আমড়া, ২৫ কেজি শশা, ১০ কেজি টমেটা, ১০/১২ কেজি পেয়ারা, ৩০ কেজি কাঁচা পেঁপে, ২০ কেজি পিঁয়াজ, ১০ কেজি রসূন, ১২ কেজি আম, ১৫ কেজি কামরাঙ্গা, ২০ কেজি পুদিনা বা ধনে পাতা কিনতে পারবেন।
ইচ্ছা হলে (৬:১১৫-১১৬; 18:29; ৪১:৪০-৪২; ২৫:৭৭) আপনারা (৫:৪৮; ১৪:১; ২:২৫৭; ৬১:২-৪) যিকরুল্লাহ বা আল্লাহর উপদেশ (২৯:৪৫; ৫০:৪৫) মেনে চলতে পারেন। আল হামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন।