কিশোরগঞ্জ জেলা ঢাকা বাংলাদেশে

কিশোরগঞ্জ জেলা ঢাকা বাংলাদেশে কিশোরগঞ্জ ঢাকা বাংলাদেশে Kishoreganj, Dhaka, Bangladesh

কিশোরগঞ্জ জেলা ও উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের ফোন নাম্বার!
21/11/2025

কিশোরগঞ্জ জেলা ও উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের ফোন নাম্বার!

তেলিচাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকউপজেলা কটিয়াদী, কিশোরগঞ্জজমিদাতা: বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোহাম্মদ বজলু রহমান সাহেব
02/11/2025

তেলিচাড়া কমিউনিটি ক্লিনিক

উপজেলা কটিয়াদী, কিশোরগঞ্জ

জমিদাতা: বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোহাম্মদ বজলু রহমান সাহেব

নবুরিয়া, ডুয়াইগাওঁ, পিরিজপুর, বাজিতপুর, কিশোরগঞ্জ ।
02/11/2025

নবুরিয়া, ডুয়াইগাওঁ, পিরিজপুর, বাজিতপুর, কিশোরগঞ্জ ।

কটিয়াদী দরগাহ কেন্দ্রীয় কলামহাল জামে মসজিদ
30/12/2024

কটিয়াদী দরগাহ কেন্দ্রীয় কলামহাল জামে মসজিদ

কটিয়াদী উপজেলার মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকাকটিয়াদী উপজেলায় মহান মুক্তিযুদ্ধে যেমন দীর্ঘ হ...
29/12/2024

কটিয়াদী উপজেলার মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা

কটিয়াদী উপজেলায় মহান মুক্তিযুদ্ধে যেমন দীর্ঘ হয়েছে বীর শহীদদের তালিকা তেমনি রয়েছে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর সেনানী যোদ্ধাদের দুঃসাহসিক অভিযান।

কটিয়াদী থেকে সর্বপ্রথম যে একদল তরুণ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তাদের মধ্যে মসূয়ার চরআলগী গ্রামের মহিউদ্দিন কাঞ্চন, আব্দুল মালেক মাষ্টার, আচমিতার অষ্টঘড়িয়া গ্রামের আব্দুস ছালাম ওরফে সেলু মাল, আব্দুস ছাত্তার ও মো. হারুন অন্যতম।

দ্বিতীয় দলটিতে ৩৬ জনের আগরতলা রাজ্যের লেবুছড়া ও আম্পিনগর ক্যাম্পে মেজর কে এম শফিউল্লাহ ৩নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অন্তর্ভূক্ত হন। এ দলে অন্যান্য যোদ্ধাদের মধ্যে মসূয়ার চর আলগী গ্রামের আব্দুর রহিম (কবি আবিদ আনোয়ার), চান্দপুর পাছপাড়া গ্রামের তুলসী কান্তি রাউত, জালালপুর চরপুক্ষিয়া গ্রামের আব্দুল আজিজ, লোহাজুরী দশ পাখি গ্রামের আব্দুল কাদির, মসূয়া ফুলদী গ্রামের মতিউর রহমান খান, বৈরাগীরচরের কলিম উদ্দিন, জালালপুর ঝিরারপাড় গ্রামের কামরুজ্জামান কামু ও লোহাজুড়ী বাহেরচর গ্রামের সদরুল মাস্টার অন্যতম।

এই দলের সাহসী মুক্তিযোদ্ধা কামরুজ্জামান কামু একাত্তরের ১৭ নভেম্বর গচিহাটা রেললাইনে পাক হানাদার বাহিনীর সাথে সংঘটিত সম্মূখ যুদ্ধে শহীদ হন।

২৪ এপ্রিল ১৯৭১ কিশোরগঞ্জ থেকে শতাধিক পাকসেনা কটিয়াদী সদরে এসে উপস্থিত হয়। প্রথম দিনেই অন্তত ৯ জন নিরীহ বাঙ্গালীকে গুলি করে হত্যা করে। কটিয়াদী এলাকায় যে সব পাক সেনা চলাচল করতো তাদের হেডকোয়ার্টার ছিলো কিশোরগঞ্জ সদর।

সেখান থেকে তারা রেলপথে যাতায়ত করতো। কিশোরগঞ্জ থেকে মাঝামাঝি গচিহাটা এবং মানিকখালী রেলষ্টেশনে নেমে রাজাকার বাহিনী ভ্যানযোগে পৌঁছাতো কটিয়াদী থানা সদরে।

কিশোরগঞ্জ-ভৈরব রেলপথের মধ্যে কটিয়াদী থানাধীন গচিহাটা রেলষ্টেশন থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার উত্তরে ধূলদিয়া রেল সেতুটি তুলনামূলক তৎকালীন সময়ে বেশ বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ। ময়মনসিংহ শম্ভূগঞ্জ রেলসেতুর পর দৈর্ঘ্যরে দিক থেকে এই সেতুটি ছিল দ্বিতীয় বৃহত্তম সেতু।

সেতুর উত্তর পূর্ব পার্শ্বে বর্তমানে দানাপাটুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থাপন করা হয় রাজাকারদের শক্তিশালী ক্যাম্প। সেতুটির নিকটবর্তী দক্ষিণ পাশে গচিহাটা রেলষ্টেশনে স্থাপিত হয়েছিল পাকবাহিনীর একটি শক্তিশালী ট্রেনিং ক্যাম্প।

অন্যদিকে মুক্তিযোদ্ধারা এই রেলসেতুটি ধ্বংস করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেন। কারণ এটি ধ্বংস করলে ঢাকা, পূর্বাঞ্চল এবং উত্তরবঙ্গসহ অন্যান্য এলাকার সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিছিন্ন হয়ে যাবে।

কিন্তু রেলসেতুটিকে কেন্দ্র করে শত্রুপক্ষের নিরাপত্তা বেষ্টনী ছিল খুবই মজবুত এবং সুদৃঢ়। কারণ সেতুর দুই পাড়ে চার কোনায় চার বাংকারে বালির বস্তার ফাঁকে ৪টি ভারী মেশিনগান নিয়ে রাজাকাররা নিয়মিত সতর্ক প্রহরায় নিয়োজিত থাকতো। যে কারণে সেতুটি ধ্বংস করা যেমন ছিল কষ্টসাধ্য তেমনি ঝুকিপূর্ণ।

১২ অক্টোবর ১৯৭১। ধূলদিয়া রেলসেতু অপারেশনের ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণ। কমান্ডার আব্দুর রহিম (কবি আবিদ আনোয়ার) গ্রুপ, হাবিবুল্লাহ খান গ্রুপ, আব্দুস ছাত্তার গ্রুপ, আব্দুর রশিদ গ্রুপ ও আমিনুল হক মাস্টার গ্রুপ সম্মিলিতভাবে ব্রীজ অপারেশনে এগিয়ে আসেন।

এর আগে ত্রিপুরা রাজ্যে অবস্থিত ৩নং সেক্টরের সদরদপ্তর থেকে প্রচুর পরিমাণ টিএনটি স্লাব, জিলাটিন, প্রাইমার কড, ফিউজ, ডোনেটর, অ্যান্টি ট্যাংক মাইন, অজস্র গ্রেনেড এবং অন্যান্য বিস্ফোরক ও অস্ত্র নিয়ে আসা হয় কটিয়াদীতে।

এই সেতুটি ধ্বংস করতে নানামূখী পরিকল্পনার পর এই কঠিন দায়িত্বটি বীর মুক্তিযোদ্ধা তৎকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন শাস্ত্রের ছাত্র আব্দুর রহিম (কবি আবিদ আনোয়ার) এর কাঁধে এসে বর্তায়। তিনি সহযোদ্ধাদের বিস্ফোরক সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা দিতে গিয়ে দেখলেন যে, তারা বিষয়টি বুঝতে বেশ সময় নিচ্ছেন।

সাত্তার গ্রুপের একজন প্লাটুন কমান্ডার তুলসী কান্তি রাউত ছিলেন উচ্চ শিক্ষিত। যুদ্ধের আগে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ছাত্র ছিলেন। থাকতেন জগন্নাথ হলে। তিনি খুব সহজেই প্রশিক্ষণ আয়ত্ব করে নিলেন।

আমিন মাস্টার, শাহাবুদ্দিন সরকার ও জজ মিয়া বিস্ফোরকগুলো এগিয়ে দিলেন আব্দুর রহিম এবং তুলসী কান্তি রাউতের হাতে। রেলসেতুটির নিচের দক্ষিণ পাশের দুটি পিলার ধ্বংসের জন্য বিস্ফোরক সংযুক্ত করা হয় দুঃসাহস নিয়ে। দিয়াশলাই দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়ে দৌড়াতে শুরু করলেন।

নদীর পাড়ে উঠতেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ। দাঁড়িয়ে দেখেন রেল, স্লিপার এবং পিলার ধ্বংস পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে।

এরপর দূরে দাঁড়িয়ে থাকা একদল মুক্তিযোদ্ধা এসে আব্দুর রহিম এবং তুলসী কান্তি রাউতকে মাথায় তুলে জয়বাংলা স্লোগান দিয়ে উল্লাস শুরু করেন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্প বনগ্রাম আনন্দ কিশোর উচ্চ বিদ্যালয়ের দিকে রওনা হন।

ধূলদিয়া ব্রীজ অপারেশনে যারা অংশ নিয়ে ছিলেন তাদের অনেকের নাম খুঁজে পাওয়া যায় না। যে কজন মুক্তিযোদ্ধার নাম পাওয়া গেছে তারা হলেন, তুলসী কান্তি রাউত, মতিউর রহমান খান, আব্দুল কাদির, মো. মানিক উদ্দিন, নিবেদন কান্তি রাউত, বিজন কুমার রায়, মো. আশরাফ উদ্দিন ওরফে হিরা মাস্টার, সরকার শাহাবুদ্দিন, কামাল পাশা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা কামরুজ্জামান কামু, বীর আব্দুল মান্নান, শামসুল ইসলাম তুলা, মো. গিয়াস উদ্দিন, সেনা সদস্য ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মো. মনজিল মিয়া, রফিকুল ইসলাম বাসিত, কাজল কুমার দত্ত চোধুরী, সুনিল চন্দ্র সিং, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা নজরুল আলম গেন্দু, সুনিল ঘোষ, মো. হানিফ, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন ভূঁইয়া ওরফে পাশা মিয়া, মো. জিল্লুর রহমান, মো. আব্দুর রহমান, মো. সিদ্দিক হোসেন, মো. লিয়াকত আলী, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা মো. মফিজ উদ্দিন, তরনী সূত্রধর, সরকার আছির উদ্দিন, মো. মুসলিম, মো. আব্দুল হেকিম, মো. শাহজাহান, মো. মজিবুর রহমান, বাদশা মিয়া, আফাজ উদ্দিন, ফখরুল ইসলাম এবং হোসেনপুর থানার নিরাহারগাতি গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম রফিক।

বধ্যভূমি: মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাসে হানাদার পাকবাহিনী কটিয়াদী থানার অসংখ্য বাঙালীকে নির্মমভাবে হত্যা করে । বিভিন্ন গ্রাম থেকে নিরিহ মানুষকে ধরে এনে শারিরিক র্নিযাতনের পর বিভিন্ন বধ্যভুমিতে নিয়ে দলবদ্ধভাবে হত্যা করা হয়।

কটিয়াদীতে ৫টি বধ্যভূমি চিহ্নিত করা হয়। তার মধ্যে কটিয়াদী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন (আঁড়িয়াল খাঁ নদীর পাড়) ১টি, বনগ্রাম ইউনিয়নের কাঁঠালতলী ১টি, ধূলদিয়া রেলব্রীজ সংলগ্ন ১টি, চান্দপুর ইউনিয়নের মানিকখালী ১টি, মন্ডলভোগ ১৫নং রেলব্রীজ সংলগ্ন ১টি। তবে ৩টি বধ্যভূমিতে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হলেও চান্দপুর ইউনিয়নের মানিকখালী এবং মন্ডলভোগে কোন স্মৃতি চিহ্ন নেই।

কটিয়াদী থানার সবচেয়ে বড় বধ্যভূমিটি হচ্ছে কিশোরগঞ্জ-ভৈরব রেলপথের গচিহাটার ধূলদিয়া ব্রীজ সংলগ্ন বধ্যভূমি।

Address

Kishoreganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কিশোরগঞ্জ জেলা ঢাকা বাংলাদেশে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share