FAIR

FAIR FAIR | Friends Association for Integrated Revolution
A leading rights-based NGO in Kushtia, Bangladesh, since 1995. It's established on 10 May 1995.

We empower women, children, and Dalits through advocacy, education, and the FAIR Zakat Fund to build a society free from discrimination. FAIR is a human rights-based non-profit organization that has been working to establish the dignity and rights of marginalized section people in our society. Having duly registered with the Department of Social Services & NGO Affairs Bureau of GoB, the organizati

on started its operation in 1996 for the marginalized and excluded communities. At present, FAIR is working to promote science education in secondary school and madrasa through educational institution-based science club and its capacity building; to uphold rights and dignity for Dalit people through Community based initiatives and organizational capacity building; to establish legal rights for Women & Children; to create job opportunities for marginalized youth and women through vocational education and skill development training. In Additional, to provide assistance to open a bank account for Tk 10 to reduce the tendency to go astray of the working and street children and through protects money to hard work and creates a saving attitude among them. FAIR has taken various initiatives to help the affected people at the beginning of Pandemic Covid-2019. A platform called Durjog Protirodhe Samajik Uddog, Kushtia, was formed by Involving people of various professions in the society to help the disaster peoples affected by pandemic. Through this platform, FAIR has been distributing emergency food and materials including masks, sanitizer, soap, water soap, spray machines, and leaflets to pandemic affected people. Now the distribution of masks and registration of vaccinations continues.

কুষ্টিয়ায় ‘ফেয়ার স্বাবলম্বী উদ্যোগ’: রিকশা পেয়ে নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখছেন জগতির ফজলু মোল্লানিজস্ব প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া: ক...
04/05/2026

কুষ্টিয়ায় ‘ফেয়ার স্বাবলম্বী উদ্যোগ’: রিকশা পেয়ে নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখছেন জগতির ফজলু মোল্লা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়ার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক মুক্তি ও স্থায়ী কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এক অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ফ্রেন্ডস অ্যাসোসিয়েশন ফর ইন্টিগ্রেটেড রেভল্যুশন (ফেয়ার)। সোমবার, ৪ মে ২০২৬ তারিখে সংস্থাটির ‘ফেয়ার স্বাবলম্বী উদ্যোগ কর্মসূচি’-র আওতায় কুষ্টিয়া শহরের জগতি ২ নং কলোনীর বাসিন্দা ফজলু মোল্লাকে একটি রিকশা প্রদান করা হয়। ফেয়ার-এর শুভাকাঙ্ক্ষীদের যাকাত ও বিশেষ অনুদানের মাধ্যমে গঠিত তহবিলের সহায়তায় এই জীবনোপকরণটি তুলে দেওয়া হয়েছে, যার মূল লক্ষ্য হলো পিছিয়ে পড়া মানুষকে দারিদ্র্যের বৃত্ত থেকে মুক্ত করে আত্মনির্ভরশীল করে তোলা।

রিকশা প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে ফজলু মোল্লার হাতে এই সম্পদটি তুলে দেন সংস্থার শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। এসময় উপস্থিত ছিলেন ফেয়ার-এর প্রধান উপদেষ্টা মো. নজরুল ইসলাম, সাবেক চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট মঞ্জুরী বেগম, ভাইস-চেয়ারম্যান তাজনিহার বেগম এবং সংস্থার পরিচালক দেওয়ান আখতারুজ্জামান। অনুষ্ঠানে ফজলু মোল্লার মা মোছা. রমেছা খাতুন উপস্থিত ছিলেন, যিনি তার সন্তানের স্থায়ী আয়ের পথ তৈরি হতে দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং এই মহতী উদ্যোগের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এ প্রসঙ্গে ফেয়ার-এর পরিচালক দেওয়ান আখতারুজ্জামান বলেন, এই কর্মসূচিটি কেবল একটি উপকরণ হস্তান্তরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি মূলত আগামী ৫ বছরের মধ্যে এক হাজার মানুষকে স্বাবলম্বী করে তোলার একটি সুদূরপ্রসারী ও টেকসই পরিকল্পনার অংশ। কর্মসূচির প্রতিটি পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত প্রতিবেদন সংগ্রহ এবং মাঠ পর্যায়ে কঠোর তদারকির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে যাতে প্রান্তিক এই জনগোষ্ঠী সত্যিকার অর্থেই খাদ্যের নিরাপত্তা, চিকিৎসা ও সুশিক্ষা নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি সম্মানজনক জীবনমান লাভ করতে পারে।

#ফেয়ার #স্বাবলম্বী_উদ্যোগ #কর্মসংস্থান #কুষ্টিয়া

শুভ নববর্ষ!নতুন বছর বয়ে আনুক সুখ ও সমৃদ্ধি। সকলকে বৈশাখী শুভেচ্ছা।শুভেচ্ছান্তে:ফেয়ার (FAIR)বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হাদী...
13/04/2026

শুভ নববর্ষ!
নতুন বছর বয়ে আনুক সুখ ও সমৃদ্ধি। সকলকে বৈশাখী শুভেচ্ছা।
শুভেচ্ছান্তে:
ফেয়ার (FAIR)
বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হাদী গ্রন্থাগার
কর্মযোগ

“ঈদ হোক দুঃখ ভুলে নতুন আশার সূচনা। আসুন, আমরা একসাথে দাঁড়াই মানুষের পাশে। ঈদ মোবারক।”
20/03/2026

“ঈদ হোক দুঃখ ভুলে নতুন আশার সূচনা। আসুন, আমরা একসাথে দাঁড়াই মানুষের পাশে। ঈদ মোবারক।”

মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সম্মানে ‘ফেয়ার’-এর ইফতার ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতনিজস্ব প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া (১৩ মার্চ, ২০২৬)...
13/03/2026

মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সম্মানে ‘ফেয়ার’-এর ইফতার ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া (১৩ মার্চ, ২০২৬): কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক উন্নয়নমূলক সংস্থা ফেয়ার (Friends Association for Integrated Revolution)-এর উদ্যোগে এক আনন্দঘন ও আধ্যাত্মিক পরিবেশে ইফতার ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার কুষ্টিয়ার হাটশহরিপুরস্থ বায়তুল কুরআন মাদ্রাসা ও লিল্লাহ বোর্ডিং প্রাঙ্গণে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সম্মানে এই মহতী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন ফেয়ার-এর পরিচালক দেওয়ান আখতারুজ্জামান, সংস্থার অর্থসচিব ওবাইদুর রহমান এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও অত্র মাদ্রাসার পৃষ্ঠপোষক আব্দুল মজিদ মোল্লা, মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ মাওলানা মোঃ মোমিনুল ইসলাম। এছাড়াও মাদ্রাসার সহকারী প্রধান শিক্ষক মাওলানা মোঃ মতিউর রহমানসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী এই আয়োজনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। পবিত্র রমজানের এই সন্ধ্যায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে পুরো মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ এক উৎসবমুখর ও আত্মিক পরিবেশে রূপান্তরিত হয়।

ইফতারের ঠিক পূর্ব মুহূর্তে দেশ, জাতি এবং মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের উত্তরোত্তর সাফল্য ও মঙ্গল কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন অত্র মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ মাওলানা মোঃ মোমিনুল ইসলাম। তিনি যার বিশেষ অবদান ও উছিলায় এই ইফতারের আয়োজন সম্ভব হয়েছে, তার ও তার পরিবারের সবার কল্যাণ কামনায় মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ প্রার্থনা করেন। একইসাথে তিনি সামাজিক উন্নয়নে নিবেদিত সংস্থা ফেয়ার-এর উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও সাফল্য কামনা করেন।

দীর্ঘকাল ধরে কুষ্টিয়া অঞ্চলে সুবিধাবঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে ফেয়ার। সংস্থার সংশ্লিষ্টরা জানান, কেবল সামাজিক উন্নয়নই নয়, বরং ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধা, সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করা এবং মানবিক দায়বদ্ধতা থেকেই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য এই বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে। সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই ধরনের কল্যাণমূলক উদ্যোগ আগামীতেও অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে সংস্থাটি।

সাফল্যের গল্প: লিজা খাতুন — একটি গ্লাসের র‍্যাক ও এক অদম্য মায়ের ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইসারসংক্ষেপ: কুষ্টিয়ার চর থানাপাড়ার খা...
22/02/2026

সাফল্যের গল্প: লিজা খাতুন — একটি গ্লাসের র‍্যাক ও এক অদম্য মায়ের ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই

সারসংক্ষেপ: কুষ্টিয়ার চর থানাপাড়ার খাস জমিতে ছোট খুপড়ি ঘরে বসবাস করা ২৮ বছর বয়সী লিজা খাতুন। চার সদস্যের অভাবের সংসারে নিজের এক ইঞ্চি জমিও নেই। নদীর ধারে খোলা পরিবেশে পিঠা বিক্রি করে সংসার চালানো এই নারীর জীবনে পরিবর্তন এনেছে ফেয়ার (FAIR)-এর সামান্য সহায়তা। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থেকে স্বাস্থ্যসম্মত ব্যবসায় উত্তরণের মাধ্যমে লিজা আজ তাঁর দুই সন্তানের পড়াশোনা আর উন্নত ভবিষ্যতের কারিগর।

অভাবের সাথে লিজার আজন্ম যুদ্ধ:
কুষ্টিয়া শহরের চর থানাপাড়ায় বসবাস করা ২৮ বছর বয়সী লিজা খাতুন দারিদ্র্যের এক নির্মম বাস্তবতার নাম। নিজস্ব কোনো জমি-জায়গা নেই; চরের খাস জমিতে একটি ছোট খুপড়ি ঘরে ৪ জন সদস্য নিয়ে তাঁর বসবাস। পরিবারের উপার্জন বৃদ্ধির তীব্র ইচ্ছা থেকে তিনি গড়াই নদীর ধারে শীতকালীন পিঠা বিক্রি শুরু করেন। কিন্তু পুঁজির অভাবে তাঁর ব্যবসাটি ছিল অত্যন্ত নাজুক।

অনিশ্চিত ‘খোলা’ পরিবেশ ও জীবিকার সংকট:
লিজা আগে খোলা পরিবেশে রাস্তার ধারে পিঠা বিক্রি করতেন। কোনো ঢাকনা বা সুরক্ষা না থাকায় ধুলোবালি সরাসরি খাবারের ওপর পড়ত। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হওয়ায় ক্রেতারা আসতে চাইত না। ফলে তাঁর দৈনিক আয় কমে যায় এবং সন্তানদের পড়াশোনার খরচ জোগানো অসম্ভব হয়ে পড়ে। সম্মানজনক জীবিকার তাগিদে লিজা যখন দিশেহারা, তখনই তাঁর পাশে দাঁড়ায় ফেয়ার (FAIR)।

ফেয়ার (FAIR)-এর ছোঁয়া ও নতুন জীবনের শুরু:
লিজার এই সংগ্রাম দেখে বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন-এর আর্থিক সহায়তায় ফেয়ার (FAIR) তাঁর হাতে তুলে দেয় কাঠ দিয়ে তৈরি একটি উন্নত গ্লাসের র্যাক। এটি কেবল একটি আসবাব নয়, বরং লিজার ব্যবসার মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার হাতিয়ার। এই র্যাক ব্যবহারের ফলে এখন তাঁর খাবারগুলো সুরক্ষিত ও স্বাস্থ্যসম্মত থাকে।

ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ:
ফেয়ার (FAIR) কেবল লিজা খাতুনের কর্মসংস্থানই নিশ্চিত করেনি, বরং তাঁর মাধ্যমে সমাজের সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যের নিশ্চয়তাও তৈরি করেছে। আগে খোলা পরিবেশে খাবার বিক্রির ফলে যে স্বাস্থ্যঝুঁকি ছিল, আধুনিক গ্লাসের র্যাক ব্যবহারের মাধ্যমে তা পুরোপুরি দূর হয়েছে। এর ফলে লিজার ব্যবসায় যেমন পেশাদারিত্ব এসেছে, তেমনি ভোক্তারাও এখন ধুলোবালি ও জীবাণুমুক্ত নিরাপদ খাবার গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন। এটি প্রমাণ করে যে, সঠিক সরঞ্জামের মাধ্যমে একজন উদ্যোক্তা যেমন সচ্ছল হতে পারেন, তেমনি তিনি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরিতেও ভূমিকা রাখতে পারেন।

বর্তমানে লিজার সাফল্য ও আগামীর স্বপ্ন:
ক্রেতার সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে লিজার দৈনিক আয় এখন অনেকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ৪ সদস্যের পরিবারের সব চাহিদা মিটিয়ে তিনি এখন নিয়মিত সঞ্চয় করছেন। তাঁর দুই সন্তান এখন নিয়মিত পড়াশোনা করছে। লিজা এখন আর শুধু একজন দরিদ্র নারী নন, তিনি একজন আত্মবিশ্বাসী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা।

“আগে খোলা পরিবেশে খাবার বিক্রি করতাম, ধুলোবালির ভয়ে অনেক গ্রাহক আসত না। এখন গ্লাসের র্যাক থাকায় সবাই নির্ভয়ে খায়, বিক্রিও অনেক বেড়েছে। এখন আমি সন্তানদের মানুষ করার স্বপ্ন দেখি।” > — লিজা খাতুন

আপনার যাকাত: একটি পরিবারের স্থায়ী মুক্তির উপায়:
লিজা খাতুনের এই বদলে যাওয়া জীবনই প্রমাণ করে যে, সঠিক সরঞ্জাম পেলে দরিদ্র মানুষ ভিক্ষা নয়, স্বাবলম্বী হতে চায়। আমাদের চারপাশে এমন অনেক লিজা আছেন, যারা স্রেফ একটি র্যাক বা সামান্য পুঁজির অভাবে অন্ধকারে পড়ে আছেন।

আমাদের আকুল আবেদন: প্রতি বছর আপনি যাকাতের টাকা দিয়ে শাড়ি বা লুঙ্গি বিতরণ করেন, যা দারিদ্র্য দূর করতে পারে না। কিন্তু আপনার সেই যাকাতের অর্থ যদি ফেয়ার যাকাত ফান্ড-এর মাধ্যমে লিজাদের মতো সংগ্রামী মায়েদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়, তবে সেই পরিবারটি চিরতরে স্বাবলম্বী হয়ে যায়। আপনার একটি মহৎ সিদ্ধান্ত একটি পরিবারকে ‘যাকাত গ্রহণকারী’ থেকে ভবিষ্যতে ‘যাকাত দাতা’ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে।

💰 সরাসরি যাকাত প্রদানের মাধ্যম:
• বিকাশ (মার্চেন্ট): ০১৮৫৬ ৪৪২ ৪৯৬
• বিকাশ/নগদ (পার্সোনাল): ০১৭১২ ৬১৯ ১৭৬
• ব্যাংক অ্যাকাউন্ট: সোনালী ব্যাংক পিএলসি, এনএস রোড শাখা, কুষ্টিয়া।
• অ্যাকাউন্ট নম্বর: ৩০২০৫০৩০০০০১৯
#দারিদ্র্যবিমোচন

20/02/2026

ফেয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে সকল ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।

"আপনার যাকাত: একটি পরিবারের স্থায়ী মুক্তির চাবিকাঠি"সারসংক্ষেপ: আমাদের সমাজে বিধবা ও প্রতিবন্ধী নারীরা কেবল অর্থনৈতিকভাব...
17/02/2026

"আপনার যাকাত: একটি পরিবারের স্থায়ী মুক্তির চাবিকাঠি"

সারসংক্ষেপ: আমাদের সমাজে বিধবা ও প্রতিবন্ধী নারীরা কেবল অর্থনৈতিকভাবেই বঞ্চিত নন, বরং সামাজিকভাবেও চরম অবহেলিত। কুষ্টিয়া অঞ্চলের এই অবহেলিত জনগোষ্ঠীর আত্মমর্যাদা পুনরুদ্ধার এবং টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করতে 'SME-Nari' প্রকল্প কীভাবে একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনছে, তা নিয়েই এই বিশ্লেষণমূলক নিবন্ধ। আপনার যাকাত কীভাবে একজন নারীর জীবন থেকে 'অভিশাপ' শব্দটিকে মুছে দিয়ে 'উদ্যোক্তা' শব্দটিকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে, তা জানুন।

অবহেলার অন্ধকার বলয়: বিধবা ও প্রতিবন্ধী জীবনের রূঢ় বাস্তবতা
বাংলাদেশের গ্রামীণ ও শহরতলী জনপদে একজন নারী যখন বিধবা হন কিংবা জন্মগত বা দুর্ঘটনাবশত প্রতিবন্ধকতার শিকার হন, তখন তাঁর জীবন এক নিদারুণ যুদ্ধের ময়দানে পরিণত হয়। আমাদের সামাজিক প্রেক্ষাপটে তাঁরা কেবল দারিদ্র্যের শিকার নন, বরং কুসংস্কার ও সামাজিক বিচ্ছিন্নতার শিকার।

পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে একজন বিধবা মা যখন সন্তানদের নিয়ে অথৈ সাগরে পড়েন, তখন তাঁর কাছে 'সাহায্য' বা 'ত্রাণ' সাময়িক স্বস্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদী কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারে না। অন্যদিকে, শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে সমাজের চোখে যারা 'অক্ষম', তাদের মেধা ও শ্রমকে কাজে লাগানোর সুযোগ খুবই সীমিত। এই জনগোষ্ঠী বাধ্য হয়ে ভিক্ষাবৃত্তি বা অন্যের করুণার ওপর বেঁচে থাকে, যা তাদের আত্মমর্যাদাকে ধূলিসাৎ করে দেয়।

SME-Nari কেন অপরিহার্য? ত্রাণ নয়, বরং সক্ষমতার সৃষ্টি
প্রথাগত যাকাত ব্যবস্থায় শাড়ি বা সামান্য অর্থ প্রদান এই নারীদের দারিদ্র্য থেকে মুক্তি দিতে ব্যর্থ। ফেয়ার (FAIR)-এর 'SME-Nari' প্রকল্প ঠিক এই জায়গাতেই কাজ করে। আমরা বিশ্বাস করি, ছাবিনা খাতুন বা বেবী খাতুনদের মতো নারীরা স্রেফ করুণার পাত্র নন; সঠিক সরঞ্জাম এবং দক্ষতা পেলে তাঁরাও হতে পারেন একেকজন দক্ষ উদ্যোক্তা।

কেন এই বিশেষায়িত প্রজেক্ট অপরিহার্য?
• স্থায়ী আয়ের উৎস: একটি সেলাই মেশিন বা একটি আধুনিক ভ্রাম্যমাণ ভ্যান কেবল একটি বস্তু নয়; এটি একটি চলমান উপার্জনের চাকা যা বছরের ৩৬৫ দিন সচল থাকে।
• শারীরিক সীমাবদ্ধতাকে জয়: একজন প্রতিবন্ধী নারী যখন বসে কাজ করার মতো কারিগরি সরঞ্জাম পান, তখন তাঁর শারীরিক সীমাবদ্ধতা আর ব্যবসায় বাধা হয়ে দাঁড়ায় না।
• সামাজিক মর্যাদা পুনরুদ্ধার: একজন নারী যখন নিজের উপার্জনে সন্তানদের পড়াশোনা করান এবং অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসা নিশ্চিত করেন, তখন সমাজ তাঁকে আর 'অসহায়' বলে গণ্য করে না, বরং 'অনুপ্রেরণা' হিসেবে দেখে।

একটি সেলাই মেশিন বনাম একটি নতুন জীবনের গল্প:
ছাবিনা খাতুনের কথাই ধরা যাক—শারীরিক প্রতিবন্ধকতা যাঁকে একসময় গৃহবন্দী করে রেখেছিল, আপনার যাকাতের অর্থে পাওয়া একটি ভ্রাম্যমাণ ভ্যান আজ তাঁকে শহরের রাস্তায় একজন গর্বিত ব্যবসায়ীর পরিচয় দিয়েছে। একইভাবে, একজন বিধবা মা যখন একটি উন্নত মানের সেলাই মেশিন পান, তখন তিনি শুধু কাপড় সেলাই করেন না, তিনি মূলত তাঁর সন্তানদের ভবিষ্যৎ বুনন করেন।

আপনার যাকাতের অর্থ যখন SME-Nari প্রকল্পের মাধ্যমে একটি সরঞ্জামে রূপান্তরিত হয়, তখন তা হয়ে ওঠে একটি পরিবারের সারাজীবনের উপার্জনের গ্যারান্টি।

আপনার যাকাত: একটি টেকসই মানবিক বিনিয়োগ:
যাকাতদাতার উদ্দেশ্য হওয়া উচিত এমনভাবে দান করা, যেন গ্রহণকারীর অভাব চিরতরে ঘুচে যায়। আপনি যখন আপনার যাকাত দিয়ে একজন বিধবা বা প্রতিবন্ধী নারীকে একটি কর্মসংস্থানের উপকরণ কিনে দেন, তখন আপনি মূলত একটি পবিত্র সামাজিক দায়িত্ব পালন করছেন যা শরীয়াহর মূল দর্শনের সাথে সংগতিপূর্ণ।

একটি আকুল আহ্বান: এই রমজানে আপনার যাকাতের প্রতিটি পয়সা হোক অবহেলিত নারীদের আত্মমর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়ার হাতিয়ার। আসুন, আমরা তাঁদের হাতে ত্রাণ তুলে না দিয়ে তুলে দেই স্বাবলম্বী হওয়ার চাবিকাঠি। আপনার একটি ছোট সিদ্ধান্ত কুষ্টিয়ার শত শত বিধবা ও প্রতিবন্ধী নারীকে দিতে পারে একটি নতুন ঠিকানা।

💰 আপনার যাকাত প্রদানের মাধ্যম:
• বিকাশ (মার্চেন্ট): ০১৮৫৬ ৪৪২ ৪৯৬
• বিকাশ/নগদ (পার্সোনাল): ০১৭১২ ৬১৯ ১৭৬
• ব্যাংক অ্যাকাউন্ট: সোনালী ব্যাংক পিএলসি, এনএস রোড শাখা, কুষ্টিয়া। অ্যাকাউন্ট নম্বর: ৩০২০৫০৩০০০০১৯

#যাকাত

যাকাত কি কেবল সাময়িক সাহায্য, নাকি দারিদ্র্য বিমোচনের স্থায়ী সমাধান?প্রতি বছর রমজান এলে আমাদের চারপাশে যাকাতের শাড়ি বা...
16/02/2026

যাকাত কি কেবল সাময়িক সাহায্য, নাকি দারিদ্র্য বিমোচনের স্থায়ী সমাধান?

প্রতি বছর রমজান এলে আমাদের চারপাশে যাকাতের শাড়ি বা লুঙ্গি বিতরণের ধুম পড়ে যায়। ধর্মীয় এই বিধান পালন করতে গিয়ে আমরা হয়তো সওয়াব আশা করি, কিন্তু একটু গভীর ভাবে ভাবলে দেখা যায়—একটি শাড়ি বা লুঙ্গি কি কোনো দরিদ্র মানুষের জীবনের অভাব চিরতরে দূর করতে পারে? কয়েক মাস পর সেই কাপড়টি যখন ছিঁড়ে যায়, সেই মানুষটি আবারও আগের মতো নিঃস্ব থেকে যান।

এখানেই প্রশ্ন ওঠে—আমরা কি যাকাত দিচ্ছি কেবল দায়মুক্ত হতে, নাকি কোনো একজন মানুষের ভাগ্য বদলে দিতে?

ত্রাণের অস্থায়ী সমাধান বনাম টেকসই পুনর্বাসন:
প্রচলিত যাকাত ব্যবস্থায় আমরা সাধারণত ক্ষুদ্র অংকের টাকা বা সস্তা কাপড় বিতরণ করি, যাকে বলা হয় 'Relief' বা ত্রাণ। এটি মানুষের সাময়িক ক্ষুধা মেটায় ঠিকই, কিন্তু তাকে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র থেকে বের করে আনতে পারে না।

অন্যদিকে, ফেয়ার (FAIR) বিশ্বাস করে যাকাতের প্রকৃত শক্তি নিহিত রয়েছে এর 'টেকসই পুনর্বাসন' মডেলে। আমাদের SME-Nari (এসএমই-নারী) প্রকল্পের মূল ভিত্তি হলো—একজন মানুষকে মাছ দান না করে তাকে মাছ ধরার জাল কিনে দেওয়া এবং মাছ ধরার কৌশল শিখিয়ে দেওয়া।

SME-Nari প্রকল্প কেন বৈপ্লবিক?
আমরা যাকাতের অর্থকে খণ্ড খণ্ড ভাবে বিলিয়ে না দিয়ে তা দিয়ে প্রান্তিক নারীদের জন্য স্থায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করি: ১. উপকরণ সহায়তা: একটি সেলাই মেশিন, একটি ভ্রাম্যমাণ ভ্যান কিংবা হাইজিনিক ফুড-র্যাক একজন মানুষকে সারা বছর আয়ের পথ দেখায়। ২. দক্ষতা উন্নয়ন: কেবল উপকরণ দিলেই হয় না, ব্যবসা পরিচালনার জন্য প্রয়োজন কারিগরি ও ব্যবসায়িক প্রশিক্ষণ, যা ফেয়ার নিশ্চিত করে। ৩. মর্যাদা রক্ষা: ত্রাণ মানুষের হাত পাতার অভ্যাস তৈরি করে, কিন্তু আমাদের মডেল একজন মানুষকে 'উদ্যোক্তা' হিসেবে তৈরি করে তার আত্মমর্যাদা ফিরিয়ে দেয়।

যাকাত গ্রহণকারী থেকে যাকাত দাতা হওয়ার স্বপ্ন:
আমাদের লক্ষ্য অত্যন্ত স্পষ্ট। আমরা কুষ্টিয়া অঞ্চলের এমন সব বেবী খাতুন বা ছাবিনা খাতুনদের খুঁজে বের করি যারা পরিশ্রমী কিন্তু পুঁজিহীন। আপনার দেওয়া যাকাতের একটি ভ্যান বা একটি ছোট দোকানের পুঁজি তাদের আয় বাড়িয়ে দেয় অন্তত ৫০%।

এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব হলো—আজ যিনি অভাবের তাড়নায় যাকাত নিচ্ছেন, তিন থেকে পাঁচ বছর পর তিনি নিজেই স্বাবলম্বী হয়ে সমাজকে যাকাত প্রদান করার সক্ষমতা অর্জন করবেন। এটিই যাকাতের প্রকৃত সার্থকতা।

আপনার একটি সিদ্ধান্ত, একটি জীবনের মোড় পরিবর্তন:
আসুন, এই রমজানে আমরা প্রথাগত ত্রাণ বিতরণের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসি। আপনার যাকাত হোক এমন একটি বিনিয়োগ যা কেবল সওয়াবই দেবে না, বরং সমাজ থেকে দারিদ্র্য মুছে ফেলবে।

আপনার যাকাতের অর্থ ‘ফেয়ার যাকাত ফান্ড’-এ প্রদান করে আপনি সরাসরি একজন প্রান্তিক নারীকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন। আপনার দেওয়া একটি ক্ষুদ্র পুঁজি হতে পারে একটি পরিবারের চিরস্থায়ী মুক্তির আলো।

যাকাত প্রদানের মাধ্যম:
💰 বিকাশ (মার্চেন্ট): ০১৮৫৬ ৪৪২ ৪৯৬
💰 বিকাশ/নগদ (পার্সোনাল): ০১৭১২ ৬১৯ ১৭৬
🏦 ব্যাংক: সোনালী ব্যাংক পিএলসি, এনএস রোড শাখা, কুষ্টিয়া।
হিসাব: ৩০২০৫০৩০০০০১৯

সাফল্যের গল্প: এক অদম্য ছাবিনা ও আপনার যাকাতের ভবিষ্যৎসারসংক্ষেপ: কুষ্টিয়ার উজানগ্রামের খাস জমিতে ছোট খুপড়ি ঘরে বসবাস কর...
16/02/2026

সাফল্যের গল্প: এক অদম্য ছাবিনা ও আপনার যাকাতের ভবিষ্যৎ

সারসংক্ষেপ: কুষ্টিয়ার উজানগ্রামের খাস জমিতে ছোট খুপড়ি ঘরে বসবাস করা বিধবা ছাবিনা খাতুন, যাঁর চলার শক্তি নেই কিন্তু টিকে থাকার এক অদম্য ইচ্ছা আছে। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা আর চরম অভাবকে জয় করে ছাবিনা আজ একজন সফল ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। খোলা জায়গায় অস্বাস্থ্যকরভাবে খাবার বিক্রির দিন শেষ করে, একটি গ্লাসের র্যাক আর টুলের মাধ্যমে তিনি এখন শুধু ব্যবসায়ী নন, বরং তাঁর সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কারিগর। ছাবিনার এই জয় আসলে আপনার যাকাতের সঠিক ব্যবহারের জয়।

প্রতিবন্ধকতা যখন নিত্যসঙ্গী:
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার উজানগ্রামে বসবাস করা মোছা: ছাবিনা খাতুন একজন জীবনযোদ্ধা। তিনি শুধু শারীরিক প্রতিবন্ধীই নন, তিনি একজন বিধবা এবং নিঃস্ব মা। নিজের কোনো এক ইঞ্চি জমি নেই; চরের খাস জমিতে ছোট এক খুপড়ি ঘরে তিনি আর তাঁর সন্তান কোনোমতে মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়েছেন। পায়ে হেঁটে চলাফেরা করতে না পারার সীমাবদ্ধতা তাঁর প্রতিদিনের জীবনকে লড়াইয়ে পরিণত করেছিল। কিন্তু সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে তিনি ভিক্ষাবৃত্তির বদলে বেছে নিয়েছিলেন সম্মানের পথ।

মাদ্রাসার গেট থেকে জীবনের লড়াই:
ছাবিনা একটি মাদ্রাসার সামনে ছোট এক টুকরো জায়গায় বসে ভাজা-পোড়া ও চিপ বিক্রি শুরু করেন। কিন্তু সামান্য পুঁজি আর প্রয়োজনীয় আসবাব না থাকায় ব্যবসাটি চলত খুব ধুঁকে ধুঁকে। ভাজা খাবারগুলো খোলা জায়গায় পড়ে থাকত, যা মাদ্রাসার ছাত্রদের জন্য ছিল বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি। রাস্তার ধুলোবালি আর বসার জায়গা না থাকায় ক্রেতারাও ফিরে যেত। এই সামান্য আয়ে সন্তানের পড়াশোনা আর দুবেলা খাবার জোগাড় করা তাঁর জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

ফেয়ার (FAIR)-এর ছোঁয়া ও স্বপ্নের ডানা:
ছাবিনার এই লড়াইয়ের কথা জানতে পেরে ফেয়ার (FAIR) তাঁর পাশে দাঁড়ায়। প্রকল্পের মাধ্যমে তাঁকে প্রদান করা হয় খাবার রাখার জন্য একটি উন্নত গ্লাসের র‌্যাক, বসার জন্য ৪টি টুল এবং ব্যবসা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় পুঁজি।

এই সামান্য উপকরণের জাদুকরী প্রভাবে বদলে গেল ছাবিনার ব্যবসার পরিবেশ। খাবার এখন ঢাকা থাকে, বসার সুব্যবস্থা দেখে মাদ্রাসার ছাত্র ও পথচারীরা এখন নিয়মিত ছাবিনার দোকানে আসে। তাঁর বিক্রি বাড়ার পাশাপাশি সমাজে তাঁর সম্মানও বেড়েছে বহুগুণ।

মায়ের স্বপ্ন এবং বর্তমান জীবন:
আজ ছাবিনা খাতুন আর অভাবের কাছে পরাজিত নন। তিনি নিয়মিত আয় করছেন এবং সেই আয়ের একাংশ সঞ্চয় করছেন তাঁর ছেলেকে শিক্ষিত করার জন্য। একজন প্রতিবন্ধী বিধবা মা হিসেবে তিনি এখন উজানগ্রামের এক অনুকরণীয় উজ্জ্বল নাম।

“আগে অনেক কষ্ট করে ব্যবসা চালাতাম, ধুলোবালি আর বসার জায়গা না থাকায় ছাত্ররা আসতে চাইত না। এখন গ্লাসের র্যাক আর বসার টুল পাওয়ায় আমার আয় বেড়েছে। আমি আর কিছুই চাই না, শুধু কষ্ট করে হলেও আমার ছেলেকে মানুষ করতে চাই।” — মোছা: ছাবিনা খাতুন

আপনার যাকাত: একটি স্থায়ী পরিবর্তনের আলোকবর্তিকা:
ছাবিনা খাতুনের এই গল্পটি প্রমাণ করে যে, প্রতিবন্ধকতা কোনো বাধা নয় যদি সঠিক সময়ে সামান্য সুযোগ পাওয়া যায়। আমাদের চারপাশে এমন অনেক ছাবিনা আছেন, যাঁরা স্রেফ পুঁজি আর উপকরণের অভাবে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।

আমাদের আকুল আবেদন:
প্রতি বছর আপনার দেওয়া যাকাতের একটি অংশ দিয়ে যদি আমরা ছাবিনা খাতুনের মতো একজন বিধবা ও প্রতিবন্ধী মায়ের হাতে একটি র‌্যাক, কিছু বসার টুল বা ক্ষুদ্র ব্যবসার পুঁজি তুলে দিতে পারি, তবে তাঁর সন্তানকে আর মাদ্রাসার গেটে ক্ষুধার্ত অবস্থায় বসে থাকতে হবে না।

আসুন, আপনার পবিত্র যাকাতের অর্থ ‘ফেয়ার যাকাত ফান্ড’-এ প্রদান করুন। আপনার যাকাত হোক এতিম শিশুর শিক্ষা এবং অসহায় বিধবা মায়ের আত্মমর্যাদার হাতিয়ার। আপনার এই ক্ষুদ্র দানেই একটি পরিবার চিরতরে দারিদ্র্যমুক্ত হতে পারে।
________________________________________
💰 সরাসরি যাকাত প্রদানের মাধ্যম:
• বিকাশ (মার্চেন্ট): ০১৮৫৬ ৪৪২ ৪৯৬
• বিকাশ/নগদ (পার্সোনাল): ০১৭১২ ৬১৯ ১৭৬
• ব্যাংক অ্যাকাউন্ট: সোনালী ব্যাংক পিএলসি, এনএস রোড শাখা, কুষ্টিয়া। অ্যাকাউন্ট নম্বর: ৩০২০৫০৩০০০০১৯
বিস্তারিত জানুন:01713919760

সাফল্যের গল্প: এক বেবী খাতুনের ঘুরে দাঁড়ানো এবং আপনার যাকাতের শক্তিসারসংক্ষেপ: কুষ্টিয়ার চড়-থানাপাড়ার ভূমিহীন ও অতিদরিদ...
15/02/2026

সাফল্যের গল্প: এক বেবী খাতুনের ঘুরে দাঁড়ানো এবং আপনার যাকাতের শক্তি

সারসংক্ষেপ: কুষ্টিয়ার চড়-থানাপাড়ার ভূমিহীন ও অতিদরিদ্র বেবী খাতুন, যার ঘর নেই, নেই অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসার পুঁজি—আজ তিনি এক আত্মবিশ্বাসী উদ্যোক্তা। খোলা আকাশের নিচে পিঠা বিক্রির অনিশ্চিত জীবন থেকে একটি আধুনিক ভ্রাম্যমাণ ভ্যানের মাধ্যমে স্থায়ী উপার্জনের পথে তাঁর এই উত্তরণ সম্ভব হয়েছে আপনার দেওয়া যাকাত এবং সঠিক কারিগরি সহায়তায়। বেবীর এই বদলে যাওয়া জীবনই প্রমাণ করে, সঠিক পুনর্বাসন কীভাবে একটি পুরো পরিবারকে অন্ধকারের অতল থেকে আলোর পথে নিয়ে আসতে পারে।

অন্ধকারে ঢাকা এক সংগ্রামী জীবন
বেবী খাতুন কুষ্টিয়া শহরের চড়-থানাপাড়ার এক হতদরিদ্র নারী। তাঁর জীবনের গল্পটি আর দশটা মানুষের মতো মসৃণ নয়। পরিবারে ৬ জন সদস্য, কিন্তু উপার্জনক্ষম মানুষ বলতে শুধু তিনিই। স্বামী শারীরিকভাবে গুরুতর অসুস্থ হওয়ায় কোনো কাজকর্ম করতে পারেন না। নিজস্ব কোনো জমি বা বাড়ি নেই; অন্যের দয়ায় চরের খাস জমিতে একটি খুপড়ি ঘর ভাড়া নিয়ে তাঁদের বসবাস। দুই সন্তানের পড়াশোনার খরচ আর অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসা—সব মিলিয়ে বেবীর জীবন ছিল এক চরম অনিশ্চয়তার নাম।

অনিশ্চিত ‘টেবিল’ থেকে অনিশ্চিত উপার্জন
পরিবার বাঁচাতে বেবী গড়াই নদীর ধারে একটি ভাঙা টেবিল পেতে খোলা জায়গায় সিজনাল পিঠা-পুলি বিক্রি করতেন। কিন্তু খোলা পরিবেশে ধুলাবালির কারণে খাবার অস্বাস্থ্যকর হয়ে পড়ত। ফলে ক্রেতারা আসতে চাইতেন না। বছরের অন্য সময় যখন পিঠার সিজন থাকত না, তখন বেবী বেকার হয়ে পড়তেন এবং ৬ জনের এই বড় পরিবারটি প্রায় আধপেটা খেয়ে দিন কাটাত। সম্মান আর ক্ষুধার লড়াইয়ে বেবী তখন দিশেহারা।

ফেয়ার (FAIR) এবং এক নতুন অধ্যায়

বেবীর এই চরম সংকটে তাঁর পাশে দাঁড়ায় মানবাধিকার ও উন্নয়ন সংস্থা ফেয়ার (FAIR) ও বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন। এসএমই-নারী প্রকল্পের মাধ্যমে বেবীকে প্রদান করা হয় একটি আধুনিক ভ্রাম্যমাণ ভ্যান। এই ভ্যানটি সাধারণ কোনো বাহন নয়, বরং বেবীর জীবনের পরিবর্তনের চাকা। ভ্যানটির ওপর গ্লাসের র‌্যাক স্থাপন করার ফলে খাবার এখন শতভাগ স্বাস্থ্যসম্মত ও সুরক্ষিত।

এখন ধুলোবালি নেই, ক্রেতাদের মনে কোনো শঙ্কা নেই। বেবী এখন সারা বছর নিজের ভ্যানে দেশীয় খাবার ও পিঠা-পুলি বিক্রি করেন। সিজনাল ব্যবসার অনিশ্চয়তা কাটিয়ে তিনি এখন একজন আত্মবিশ্বাসী স্থায়ী উদ্যোক্তা।

সাফল্যের বর্তমান চিত্র

বর্তমানে বেবী খাতুনের দৈনিক বিক্রি ও আয় কয়েক গুণ বেড়েছে। এখন তিনি শুধু স্বামীর চিকিৎসার খরচই জোগান না, বরং তাঁর সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে নিয়মিত পড়াশোনার খরচও ব্যয় করছেন।

“আগে ব্যবসা ঠিকভাবে চালাতে পারতাম না, দুবেলা খাবারের চিন্তায় ঘুম হতো না। এখন নিজের ভ্যানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে গ্রাহক সেবা দিতে পারছি। এতে আয়ও বেড়েছে, সম্মানও বেড়েছে। সন্তানদের পড়াশোনা আর অসুস্থ স্বামীর সেবা এখন আমি নিজেই করতে পারি।” — বেবী খাতুন

আপনার যাকাত: একটি পরিবারের স্থায়ী মুক্তির চাবিকাঠি
বেবী খাতুনের এই পরিবর্তনের পেছনে মূল শক্তি ছিল সময়োপযোগী সহায়তা। আমাদের চারপাশে এমন হাজারো 'বেবী' আছেন, যারা সাহায্যের আশায় হাত পাততে চান না, শুধু একটু সুযোগ চান।

একটি আকুল আহ্বান:
প্রতি বছর আমরা যাকাত হিসেবে শাড়ি বা লুঙ্গি বিতরণ করি, যা দারিদ্র্য দূর করতে পারে না। কিন্তু আপনার সেই যাকাতের অর্থ যদি পরিকল্পিতভাবে বেবী খাতুনের মতো একজন অসহায় নারীর হাতে একটি সেলাই মেশিন, একটি ভ্রাম্যমাণ ভ্যান কিংবা ক্ষুদ্র ব্যবসার পুঁজি হিসেবে পৌঁছে দেওয়া হয়, তবে সেই পরিবারটি সারা জীবনের জন্য স্বাবলম্বী হয়ে যায়।

আসুন, আপনার পবিত্র যাকাতের অর্থ ‘ফেয়ার যাকাত ফান্ড’-এ প্রদান করে অসহায় নারীদের দারিদ্র্য বিমোচনে অংশ নিন। আপনার একটি সিদ্ধান্ত একটি পরিবারকে ‘যাকাত গ্রহণকারী’ থেকে ভবিষ্যতে ‘যাকাত দাতা’ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে।

💰 আপনার যাকাত প্রদানের মাধ্যম:
• বিকাশ (মার্চেন্ট): ০১৮৫৬ ৪৪২ ৪৯৬
• বিকাশ/নগদ (পার্সোনাল): ০১৭১২ ৬১৯ ১৭৬
• ব্যাংক অ্যাকাউন্ট: সোনালী ব্যাংক পিএলসি, এনএস রোড শাখা, কুষ্টিয়া। অ্যাকাউন্ট নম্বর: ৩০২০৫০৩০০০০১৯

বিস্তারিত জানুন:01713919760

#যাকাত #দারিদ্র্যবিমোচন

শৈত্যপ্রবাহে শীতার্ত প্রতিবন্ধীদের পাশে ফেয়ারকুষ্টিয়া, ৩১ ডিসেম্বর: চলমান তীব্র শৈত্যপ্রবাহে যখন দেশের প্রান্তিক ও অসহায়...
31/12/2025

শৈত্যপ্রবাহে শীতার্ত প্রতিবন্ধীদের পাশে ফেয়ার

কুষ্টিয়া, ৩১ ডিসেম্বর: চলমান তীব্র শৈত্যপ্রবাহে যখন দেশের প্রান্তিক ও অসহায় মানুষ চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছে, তখন মানবিক সহায়তা নিয়ে শীতার্ত প্রতিবন্ধীদের পাশে দাঁড়িয়েছে অধিকারভিত্তিক উন্নয়ন সংস্থা ফেয়ার (FAIR)। প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এ বছরও ফেয়ার ও কারুযোগ-এর উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

এরই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার তালবাড়িয়া ইউনিয়নে প্রতিবন্ধী এবং সন্ধ্যায় ছেউরিয়া তিলের খাজা শ্রমিক শীতার্তদের মাঝে চাদর বিতরণ করা হয়। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে দরিদ্র বৃদ্ধ, নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে থাকায় এই উদ্যোগ তাদের জন্য স্বস্তির বার্তা নিয়ে আসে।

চাদর বিতরণে ছেউরিয়ায় উপস্থিত ছিলেন ফেয়ার এর পরিচালক দেওয়ান আখতারুজ্জামান ও বিশিষ্ট প্রশিক্ষক তারেক আহমেদ সালাউদ্দিন খান এবং তালবাড়িয়ায় উপস্থিত ছিলেন সবার সাথে গড়বো প্রতিবন্ধী সংস্থা-এর সভাপতি মেহেরুনা সুলতানা রনি এবং ফেয়ার-এর সমন্বয়কারী কে এম হারিসুল আলম। এছাড়াও ফেয়ার-এর পক্ষে সার্বিক সহযোগিতা করেন সংগঠনের কর্মকর্তা কৌশিক আহমেদ, রবিন কুমার দাস ও টুটুল আলী।

ফেয়ার এর সম্মানিত সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের আর্থিক সহায়তায় এই মানবিক কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে। তাদের সহযোগিতার ফলে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগটি আরও গতিশীল ও বিস্তৃত হচ্ছে।

আগামী দিনগুলোতেও প্রতিবন্ধী ও অসহায় প্রান্তিক মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে চলমান শৈত্যপ্রবাহে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে দানশীল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

চলমান শৈত্যপ্রবাহে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে আগ্রহী সকল দানশীল ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও শুভানুধ্যায়ীদের দ্রুত যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হচ্ছে। আপনার সামান্য সহায়তাও একটি মানুষের জীবনে বড় উষ্ণতা এনে দিতে পারে।

যোগাযোগ: ০১৭১২-৬১৯১৭৬ আসুন, আমরা সবাই মিলে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াই—মানবিক দায়িত্ব পালনে একসাথে এগিয়ে আসি।


Address

45/1 RA Khan Chowdhury Road, Thanapara, Kushtia
Khustia
7000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FAIR posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to FAIR:

Share