FAIR

Call Directions Website Contact the organization

FAIR FAIR | Friends Association for Integrated Revolution
A leading rights-based NGO in Kushtia, Bangladesh, since 1995. It's established on 10 May 1995.

We empower women, children, and Dalits through advocacy, education, and the FAIR Zakat Fund to build a society free from discrimination. FAIR is a human rights-based non-profit organization that has been working to establish the dignity and rights of marginalized section people in our society. Having duly registered with the Department of Social Services & NGO Affairs Bureau of GoB, the organization started its operation in 1996 for the marginalized and excluded communities. At present, FAIR is working to promote science education in secondary school and madrasa through educational institution-based science club and its capacity building; to uphold rights and dignity for Dalit people through Community based initiatives and organizational capacity building; to establish legal rights for Women & Children; to create job opportunities for marginalized youth and women through vocational education and skill development training. In Additional, to provide assistance to open a bank account for Tk 10 to reduce the tendency to go astray of the working and street children and through protects money to hard work and creates a saving attitude among them. FAIR has taken various initiatives to help the affected people at the beginning of Pandemic Covid-2019. A platform called Durjog Protirodhe Samajik Uddog, Kushtia, was formed by Involving people of various professions in the society to help the disaster peoples affected by pandemic. Through this platform, FAIR has been distributing emergency food and materials including masks, sanitizer, soap, water soap, spray machines, and leaflets to pandemic affected people. Now the distribution of masks and registration of vaccinations continues.

দারিদ্র্য কোনো প্রাকৃতিক নিয়ম নয়, এটি মানুষের সৃষ্ট এবং সঠিক পদক্ষেপ ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমেই এটি নির্মূল করা সম...
17/10/2026

দারিদ্র্য কোনো প্রাকৃতিক নিয়ম নয়, এটি মানুষের সৃষ্ট এবং সঠিক পদক্ষেপ ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমেই এটি নির্মূল করা সম্ভব।"

আজ ১৭ই অক্টোবর — আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য বিমোচন দিবস।

এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য: "সবার জন্য নিরাপদ আবাসন"।

ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও বৈষম্যমুক্ত সমাজ গঠনে আসুন আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে হাত বাড়িয়ে দিই। সবার জন্য একটি সুন্দর, নিরাপদ ও মর্যাদাশীল জীবন নিশ্চিত করাই হোক আমাদের আজকের অঙ্গীকার। 🤝

জুপিটার সায়েন্স ক্লাবের বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাড়াদী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান মেলা, অলিম্পিয়াড, বিতর্ক ও পরিচ্ছন্নতা ...
15/10/2026

জুপিটার সায়েন্স ক্লাবের বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাড়াদী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান মেলা, অলিম্পিয়াড, বিতর্ক ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত

১৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে কুষ্টিয়ার বাড়াদী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে জুপিটার সায়েন্স ক্লাবের আয়োজনে দিনব্যাপী এক বর্ণাঢ্য ও প্রাণবন্ত বিজ্ঞান উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিজ্ঞান মেলা, গণিত ও ফিজিক্স অলিম্পিয়াড, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, দেয়ালিকা প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিদ্যালয় আঙিনা পরিচ্ছন্নতা অভিযান, এই বহুমুখী কর্মসূচিতে পুরো দিন মুখরিত ছিল পুরো বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি এক উৎসবমুখর রূপ নেয়।
দিনব্যাপী এই পুরো আয়োজনের মূল আকর্ষণ ও বিভিন্ন ইভেন্ট তদারকি, পর্যবেক্ষণ এবং বিচারকার্য পরিচালনা করেন বাড়াদী মাধ্যমিক বালিকা

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ক্লাবসমূহের সভাপতি মোঃ আরিফুর রহমান। এছাড়া অনুষ্ঠানটি সফলভাবে পরিচালনা করেন বিজ্ঞান ক্লাবের মেন্টর শিক্ষক মোঃ নাজমুল হোসেন, ইব্রাহিম হোসেন এবং রুস্তুম হোসেন। উন্নয়ন সংস্থা 'ফেয়ার'-এর পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন প্রকল্প কর্মকর্তা কৌশিক আহমেদ এবং স্বেচ্ছাসেবক মেন্টর এস এম তানজিল আলম।
সভাপতির বক্তব্যে বাড়াদী মাধ্যমিক বালিকা

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ক্লাবসমূহের সভাপতি মোঃ আরিফুর রহমান ৪টি বিশেষায়িত ক্লাবের কর্মসূচি ও গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে বলেন, "আমাদের বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত **সায়েন্স ক্লাব, ম্যাথ ক্লাব, ফিজিক্স ক্লাব এবং ডিবেট ক্লাব। এই চারটি বিশেষায়িত ক্লাবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বহুমুখী প্রতিভা বিকশিত হচ্ছে। সায়েন্স ক্লাবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে প্রজেক্ট তৈরি ও বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের সাথে যুক্ত হচ্ছে, ম্যাথ ক্লাব ও ফিজিক্স ক্লাবের মাধ্যমে তাদের গাণিতিক ও পদার্থবিজ্ঞানের ভীতি দূর হয়ে অলিম্পিয়াডের উপযোগী করে গড়ে উঠছে, এবং ডিবেট ক্লাবের মাধ্যমে তাদের মাঝে যুক্তি ও বাচনভঙ্গি শক্তিশালী হচ্ছে। আজকের এই মেলা, অলিম্পিয়াড, দেয়ালিকা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান প্রমাণ করে যে আমাদের মেয়েরা শুধু পড়ার টেবিলে নয়, সামাজিক ও ব্যবহারিক কার্যক্রমেও সমানভাবে পারদর্শী।"

দিনব্যাপী প্রতিযোগিতাসমূহের মধ্যে কুরআন তেলাওয়াত, হামদ-না’ত ও কবিতা আবৃত্তি: সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত উৎসাহের সাথে অংশগ্রহণ করে। কুরআন তেলাওয়াত ও হামদ-না’ত প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা চমৎকার সুর ও সাবলীল পরিবেশনা উপস্থাপন করে বিচারকমণ্ডলীর প্রশংসা অর্জন করে। এছাড়া কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় প্রতিযোগীরা তাদের নান্দনিক বাচনভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করে।
বিজ্ঞান কুইজ প্রতিযোগিতা: ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি এবং নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের দুটি পৃথক গ্রুপে বিজ্ঞান কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিবেশে বিজ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়ে তাদের মেধার স্বাক্ষর রাখে।
গণিত ও ফিজিক্স অলিম্পিয়াড: শিক্ষার্থীদের গণিত ও পদার্থবিজ্ঞানের গভীর জ্ঞান এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য গণিত ও ফিজিক্স অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হয়। জুনিয়র ও সিনিয়র উভয় গ্রুপে শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে চমৎকার নৈপুণ্য প্রদর্শন করে।
বিজ্ঞান প্রজেক্ট ও দেয়ালিকা প্রদর্শনী: শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও সৃজনশীলতার প্রকাশ ঘটে বিজ্ঞান প্রজেক্ট প্রদর্শনীতে। পরিবেশবান্ধব ও কারিগরি বিভিন্ন বিষয়ের ওপর তৈরি প্রজেক্টগুলো সকলের নজর কাড়ে। পাশাপাশি, বিজ্ঞানভিত্তিক নানা তথ্য ও চিত্রায়ন নিয়ে শিক্ষার্থীরা আকর্ষণীয় দেয়ালিকা প্রদর্শন করে।
বিতর্ক প্রতিযোগিতা: "কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতার জন্য হুমকি নয় বরং নতুন সম্ভাবনার দ্বার" এই সমসাময়িক ও উদ্দীপনামূলক বিষয়ের ওপর একটি জমজমাট বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পক্ষে ও বিপক্ষে যুক্তি-খণ্ডন এবং চমৎকার যুক্তিনির্ভর বাচনভঙ্গির মাধ্যমে বিতার্কিকরা এক প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করে, যেখানে বিচারকমণ্ডলীর মূল্যায়নে বিজয়ী দল শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে।
উৎসবের শেষ পর্যায়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিদ্যালয় আঙিনা পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়, যেখানে শিক্ষার্থীরা স্বহস্তে বিদ্যালয়ের আশপাশ পরিষ্কার করে জনসচেতনতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। পরিশেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে দিনব্যাপী এই বিজ্ঞান উৎসবের সফল সমাপ্তি ঘটে।
উল্লেখ্য, কুষ্টিয়া সদর উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে বিজ্ঞান শিক্ষা জনপ্রিয়করণ এবং বিজ্ঞান ক্লাবগুলোকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে মানবাধিকার সংস্থা ‘ফেয়ার’ (FAIR)-এর বাস্তবায়নে এবং ‘বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন’ (BFF)-এর সহযোগিতায় “বিজ্ঞান শিক্ষা উন্নয়ন ও বিজ্ঞান ক্লাবসমূহকে টেকসইকরণ (PSE-SSC)” প্রকল্প পরিচালিত হয়ে আসছে।

আলামপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে 'জগদীশ চন্দ্র বসু সায়েন্স ক্লাব'-এর উদ্যোগে বিজ্ঞান মেলা, বিতর্ক ও কুইজ প্রতিযোগিতা অন...
10/10/2026

আলামপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে 'জগদীশ চন্দ্র বসু সায়েন্স ক্লাব'-এর উদ্যোগে বিজ্ঞান মেলা, বিতর্ক ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

গত ০৮ অক্টোবর ২০২৬তারিখে কুষ্টিয়ার আলামপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে জাঁকজমকপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো দিনব্যাপী বিজ্ঞান মেলা, দেওয়ালিকা প্রদর্শনী, কুইজ ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা। বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ক্লাব ‘জগদীশ চন্দ্র বসু সায়েন্স ক্লাব’ ও অন্যান্য সহ-ক্লাবের যৌথ আয়োজনে এবং উন্নয়ন সংস্থা 'ফেয়ার'-এর সহযোগিতায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ উৎসব আয়োজিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন আলামপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোছাঃ কহিনুর আক্তার বানু। আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোঃ আব্দুস সালাম, খন্দকার মওদুদুর রহমান ও মোঃ বিপ্লব হোসেন। এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্শ্ববর্তী বেলঘরিয়া রহিমা খাতুন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল হাকিম, বিজ্ঞান শিক্ষক আশরাফ আলী ও চৈতী সেন এবং দহকুলা মহম্মদ শাহী উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান শিক্ষক মোঃ রাসেল আল মামুন। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত প্রতিনিধি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন উন্নয়ন সংস্থা 'ফেয়ার'-এর কর্মকর্তাবৃন্দ।
মেলা প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের তৈরি বিভিন্ন বিজ্ঞানভিত্তিক উদ্ভাবনী প্রজেক্ট ও প্রদর্শনী দেখার জন্য দর্শনার্থী হিসেবে উপস্থিত হয়েছিল বেলঘরিয়া রহিমা খাতুন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং আলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। আমন্ত্রিত শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি মেলা প্রাঙ্গণে এক বাড়তি আনন্দ ও প্রাণচাঞ্চল্য ছড়িয়ে দেয়।
অনুষ্ঠানে আগত অতিথি বেলঘরিয়া রহিমা খাতুন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল হাকিম তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আজকের এই বিজ্ঞান মেলা আমাদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা অর্জনের ক্ষেত্র তৈরি করেছে। চলতি বছরেই আমাদের বিদ্যালয়টি ‘বিজ্ঞান শিক্ষার উন্নয়ন’ প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। মেলায় শিক্ষার্থীদের তৈরি চমৎকার প্রজেক্টগুলো সরাসরি দেখে আমাদের শিক্ষার্থীদের মনের সুপ্ত ভয় ও দ্বিধা সম্পূর্ণ কেটে গেছে। আমি বিশ্বাস করি, আজকের এই শিক্ষা ও অনুপ্রেরণাকে কাজে লাগিয়ে আমাদের শিক্ষার্থীরাও নিজ বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান চর্চার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। আমাদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের এমন বাস্তবমুখী অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আলামপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও ফেয়ার-এর প্রতি আমরা আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।”
অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্যে আলামপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোছাঃ কহিনুর আক্তার বানু বলেন, “আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান নির্ভর সমৃদ্ধ বাংলাদেশের কাণ্ডারী। প্রথাগত মুখস্থবিদ্যার গণ্ডি পেরিয়ে হাতে-কলমে বিজ্ঞান চর্চা, বিতর্ক ও নিত্যনতুন গবেষণার মাধ্যমে আমাদের বালিকা বিদ্যালয়ের মেয়েরা অনেক দূর এগিয়ে যাবে। সমাজ থেকে কুসংস্কার দূরীকরণ, যুক্তিবাদী চিন্তাধারার বিকাশ এবং আধুনিক মানসিকতা গঠনে বিজ্ঞানের এই ধরনের চর্চা নিরবচ্ছিন্নভাবে অব্যাহত রাখা অত্যন্ত জরুরি।”
দিনব্যাপী এই আয়োজনের মূল আকর্ষণ ছিল শিক্ষার্থীদের তৈরি নানা উদ্ভাবনী বিজ্ঞান প্রজেক্ট প্রদর্শনী, বিজ্ঞানভিত্তিক দেওয়ালিকা প্রদর্শনী, দুইটি গ্রুপে বিভক্ত কুইজ প্রতিযোগিতা এবং শিক্ষার্থীদের তথ্য ও যুক্তিনির্ভর বাচনভঙ্গি প্রদর্শনের জমজমাট একটি বিতর্ক প্রতিযোগিতা। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিষয়ের ওপর পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি-খণ্ডন শেষে বিচারকমণ্ডলীর মূল্যায়নে বিপক্ষ দল বিজয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
প্রতিযোগিতা শেষে বিভিন্ন বিভাগে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। বিতর্ক প্রতিযোগিতার বিজয়ী ও বিজয়ী দলের সেরা বক্তাদের পাশাপাশি কুইজ প্রতিযোগিতার 'ক' গ্রুপে (৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণি) ১ম স্থান অর্জন করে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী বিথী খাতুন, ২য় স্থান অর্জন করে ৮ম শ্রেণির জেবা রাইসা এবং ৩য় স্থান অর্জন করে ৮ম শ্রেণির উম্মে মারিয়া। 'খ' গ্রুপে (৯ম ও ১০ম শ্রেণি) ১ম স্থান অর্জন করে ৯ম শ্রেণির জান্নাত ইসলাম জুঁই, ২য় স্থান অর্জন করে ১০ম শ্রেণির রিয়া খাতুন এবং ৩য় স্থান অর্জন করে ১০ম শ্রেণির অনামিকা খাতুন।
বিজ্ঞান প্রজেক্ট প্রদর্শনীতে 'আদর্শ শহর' প্রজেক্টের চমৎকার উপস্থাপনা দিয়ে ১ম স্থান অর্জন করে ৮ম শ্রেণির জিন্নাতুন্নাহা, 'জ্বালানিবিহীন সেচ প্রকল্প' উপস্থাপন করে ২য় স্থান অর্জন করে ৭ম শ্রেণির মৌমি ও তার দল এবং 'পানি বিশুদ্ধকরণ' প্রজেক্ট প্রদর্শনের জন্য ৩য় স্থান অর্জন করে ৮ম শ্রেণির উম্মে মারিয়া ও তার দল।
দেওয়ালিকা প্রদর্শনীতে 'মানবদেহ' বিষয়ের ওপর নিখুঁত চিত্রায়ন ও তথ্য ফুটিয়ে তুলে ১ম স্থান লাভ করে ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিয়া খাতুন, 'চোখের গঠন' দেওয়ালিকার জন্য ২য় স্থান লাভ করে ৮ম শ্রেণির উম্মে মারিয়া এবং 'বৈশ্বিক উষ্ণতা' বিষয়ের দেওয়ালিকার জন্য ৩য় স্থান অর্জন করে ৯ম শ্রেণির তামাইয়া খাতুন।
উৎসবমুখর পরিবেশে পুরষ্কার বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ ও বিচারকমণ্ডলী শিক্ষার্থীদের সুপ্ত মেধার বিকাশ, যুক্তি ও চিন্তাশক্তির লালন এবং আয়োজনের চমৎকার সুশৃঙ্খলতার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
উল্লেখ্য, কুষ্টিয়া সদর উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে বিজ্ঞান শিক্ষা জনপ্রিয়করণ এবং বিজ্ঞান ক্লাবগুলোকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে মানবাধিকার সংস্থা ‘ফেয়ার’ (FAIR)-এর বাস্তবায়নে এবং ‘বাংলাদেশ ফ্রিডম Foundation’ (BFF)-এর সহযোগিতায় “বিজ্ঞান শিক্ষা উন্নয়ন ও বিজ্ঞান ক্লাবসমূহকে টেকসইকরণ (PSE-SSC)” প্রকল্প পরিচালিত হয়ে আসছে।

৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে কুষ্টিয়ার আব্দালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গ্যালিলিও সায়েন্স ক্লাবের উদ্যোগে ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ...
06/10/2026

৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে কুষ্টিয়ার আব্দালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গ্যালিলিও সায়েন্স ক্লাবের উদ্যোগে ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কুষ্টিয়ার দুর্বাচারা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও প্যাসকেল সায়েন্স ক্লাবের সভাপতি জনাব মোঃ...
29/09/2026

কুষ্টিয়ার দুর্বাচারা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও প্যাসকেল সায়েন্স ক্লাবের সভাপতি জনাব মোঃ বিল্লাল হোসেনের সভাপতিত্বে সায়েন্স ক্লাবসহ মোট ৪টি বিশেষায়িত ক্লাবের ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

19/09/2026

ফেয়ার-এর নির্বাহী পরিষদের অর্থসচিব মো. ওবাইদুর রহমানের শ্রদ্ধেয় মাতা গত রাত ১১:৩০ মিনিটে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আজ বাদ জোহর ছয়রাস্তার মোড় জামে মসজিদে জানাজা নামাজ শেষে কুষ্টিয়া পৌর কবরস্থানে মরহুমার দাফন সম্পন্ন করা হবে।

ফেয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে আমরা মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। মহান আল্লাহ তাআলা তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।

৩০ টি বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ক্লাবসমূহের মেন্টরদের ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে কুষ্টিয়ার কলকাকলী মাধ্যমি...
15/09/2026

৩০ টি বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ক্লাবসমূহের মেন্টরদের ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে কুষ্টিয়ার কলকাকলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো ৩০ টি বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ক্লাব পরিচালনা ও টেকসইকরণ বিষয়ক মেন্টরদের প্রথম ত্রৈমাসিক সভা। বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন (বিএফএফ)-এর সহায়তায় এবং মানবাধিকার সংস্থা ‘ফেয়ার’-এর আয়োজনে পরিচালিত “বিজ্ঞান শিক্ষার উন্নয়ন এবং বিজ্ঞান ক্লাবসমূহকে টেকসইকরণ প্রকল্প (পিএসই-এসএসসি)”-এর অধীনে সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন কলকাকলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লায়লা ইয়াসমিন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানের প্রতি অনুরাগী করে তুলতে প্রথাগত ক্লাসরুমের বাইরে এ ধরনের সক্রিয় ক্লাবের ভূমিকা অপরিসীম। ফেয়ার ও বিএফএফ-এর এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের সুপ্ত মেধা ও উদ্ভাবনী ক্ষমতা বিকাশে বড় অবদান রাখছে। শিক্ষক সংকট বা সময়ের ব্যস্ততার মাঝেও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব যেন আমাদের বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ক্লাবটি সবসময় সক্রিয় থাকে এবং শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ব্যবহারিক শিক্ষা ও সৃজনশীল কাজের সুযোগ পায়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রকল্পের প্রথম ধাপে বিস্তারিত বিষয়াবলী তুলে ধরে আলোচনা করেন ফেয়ার-এর পরিচালক দেওয়ান আখতারুজ্জামান। তিনি প্রকল্পের উদ্দেশ্য, রূপরেখা এবং আগামী দিনের বাস্তবায়নাধীন কর্মসূচিগুলোর তিনটি ধাপ বিশদভাবে ব্যাখ্যা করেন।

এরপর স্লাইডভিত্তিক প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন প্রকল্প কর্মকর্তা কৌশিক আহমেদ। তিনি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বিজ্ঞান, গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও বিতর্ক ক্লাবগুলোর নিয়মিত দ্বিমাসিক সেশন পরিচালনা, অলিম্পিয়াড আয়োজন, বিশেষায়িত দেয়ালিকা প্রকাশ এবং বিজ্ঞান শিক্ষা তহবিল গঠনের কৌশলসমূহ মেন্টর শিক্ষকদের সামনে তুলে ধরেন।

পরবর্তী মুক্ত আলোচনায় প্রকল্প বাস্তবায়নের বাস্তব কৌশল ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে উপস্থিত মেন্টর শিক্ষকবৃন্দ নিজেদের মতামত ব্যক্ত করেন। আলোচনার একপর্যায়ে শিক্ষক সংকট ও নিয়মিত ক্লাসের ব্যস্ততার বিষয়গুলোকে প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এ বিষয়ে কলকাকলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হাসানুর রহমান বলেন, শিক্ষক সংকট এবং নিয়মিত ক্লাস রুটিন মেইন্টেন করা তাদের জন্য কিছুটা চ্যালেঞ্জ।

অন্যদিকে, ঝাউদিয়া বাজার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ হাফিজুর রহমান প্রকল্পের ইতিবাচক প্রভাব তুলে ধরে বলেন, বিদ্যালয়ে নানা প্রতিকূলতা তৈরি হলেও প্রধান শিক্ষক ও বিজ্ঞান শিক্ষকরা আগ্রহী থাকলে বিজ্ঞান ক্লাব সবসময় সক্রিয় থাকে এবং ফেয়ার-এর এই টেকসই প্রকল্পের কারণে তাদের বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান শিক্ষার মান অনেক উন্নত হয়েছে।

সভায় উপস্থিত মেন্টর শিক্ষকবৃন্দ নিজ নিজ বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান ক্লাবগুলোকে আরও গতিশীল করা এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে বিজ্ঞানমনস্কতা ছড়িয়ে দেওয়ার নতুন অঙ্গীকার ব্যক্ত করে সভা শেষ করেন।

বিজ্ঞানমনস্ক ও আধুনিক শিক্ষায় নতুন দিগন্ত কলকাকলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ‘ইলেকট্রন সায়েন্স ক্লাব’-এর আত্মপ্রকাশ ​বিজ্ঞানভীতি...
06/09/2026

বিজ্ঞানমনস্ক ও আধুনিক শিক্ষায় নতুন দিগন্ত কলকাকলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ‘ইলেকট্রন সায়েন্স ক্লাব’-এর আত্মপ্রকাশ ​বিজ্ঞানভীতি দূরীকরণে মূল বিজ্ঞান ক্লাবের পাশাপাশি গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও বিতর্ক ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন

​অদ্য , ৩ সেপ্টেম্বর শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবই নির্ভর শিক্ষার পাশাপাশি প্রাকটিক্যাল জ্ঞান, বৈজ্ঞানিক যুক্তিবোধ, সৃজনশীলতা ও আত্মপ্রকাশের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কুষ্টিয়ার কলকাকলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক সাধারণ সভা ও ৪টি বিষয়ভিত্তিক ক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করা হয়েছে।
​বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন (বিএফএফ)-এর সহযোগিতায় এবং উন্নয়ন সংস্থা ‘ফেয়ার’ (FAIR) পরিচালিত ‘বিজ্ঞান শিক্ষা উন্নয়ন এবং বিজ্ঞান ক্লাবসমূহকে টেকসইকরণ প্রকল্প (PSE-SSC)’-এর আওতায় এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের মূল ‘ইলেকট্রন সায়েন্স ক্লাব’-এর পাশাপাশি গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও বিতর্ক ক্লাবের নতুন কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন লাভ করে।
​অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বিদ্যালয়ের সম্মানিত প্রধান শিক্ষক মোছাঃ লায়লা ইয়াসমিন বলেন,
​“আধুনিক সভ্যতার প্রতিটি পদক্ষেপে বিজ্ঞানের স্পর্শ বিদ্যমান; বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি ছাড়া কোনো জাতির প্রকৃত উন্নয়ন বা অগ্রগতি কল্পনা করা সম্ভব নয়। শিক্ষার্থীদের পুঁথিগত জ্ঞানকে প্রাকটিক্যাল অভিজ্ঞতায় রূপ দিতে এবং তাদের সুপ্ত মেধার পরিমার্জন ঘটাতে আমাদের বিদ্যালয়ে 'ইলেকট্রন সায়েন্স ক্লাব' সহ আরও তিনটি বিষয়ভিত্তিক শাখা ক্লাবের যাত্রা শুরু হলো। যুগের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের পরিধি সম্প্রসারিত করতেই আমরা এই বিশেষ উদ্যোগের সাথে যুক্ত হয়েছি। আমার বিশ্বাস, এই ক্লাবগুলোর মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীদের মেধার সার্বিক বিকাশ ঘটবে। প্রান্তিক পর্যায়ে এমন একটি দূরদর্শী কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য আমি 'বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন' (বিএফএফ) ও উন্নয়ন সংস্থা 'ফেয়ার'-কে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।”

​সহকারী শিক্ষক মো. হাসান আলী তাঁর বক্তব্যে বলেন,​“শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়ন ও বিজ্ঞানমনস্ক প্রজন্ম গড়ে তুলতে উন্নয়ন সংস্থা ‘ফেয়ার’ দীর্ঘদিন ধরে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এ বছর কলকাকলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এ বছর ক্লাবগুলোর কার্যক্রমকে বিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, গণিত ও বিতর্ক—এই চার পৃথক শাখায় বিন্যস্ত করায় পুরো প্রক্রিয়াটি শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক বেশি সুনির্দিষ্ট, আনন্দদায়ক ও সহজবোধ্য হবে। আমি সকল শিক্ষার্থীর প্রতি আহ্বান জানাই—তোমরা বিজ্ঞানকে ভীতির চোখে না দেখে কৌতূহল ও ভালোবাসার সাথে গ্রহণ করো। সময়ের সঠিক ব্যবহার ও নিয়মিত অনুসন্ধিৎসার মাধ্যমে বিজ্ঞানভীতি জয় করা সম্ভব। এই চর্চা তোমাদের জ্ঞানের পরিধি বহুগুণ বাড়িয়ে তুলবে।”

​নবগঠিত চার ক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদ
​ইলেকট্রন বিজ্ঞান ক্লাব:
কলকাকলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ‘ইলেকট্রন সায়েন্স ক্লাব’-এর কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন প্রধান শিক্ষক মোছাঃ লায়লা ইয়াসমিন এবং সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ঋদ্ধি সাহা। সাধারণ সম্পাদক পদে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আল আরাফাত জীম এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোঃ ওয়াফিফ হক নাহিদ দায়িত্বপ্রাপ্ত। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে রয়েছেন সহকারী শিক্ষক মোঃ নাজিম উদ্দিন এবং কার্যকারী সদস্য (শিক্ষক) হিসেবে যুক্ত আছেন সহকারী শিক্ষক রিমা রহমান। ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ৮ম শ্রেণির মাহজাবিন সুবাহ্, প্রচার সম্পাদক ৮ম শ্রেণির মোছাঃ নুপুর খাতুন এবং প্রকাশনা ও ডকুমেন্টেশন সম্পাদক ৯ম শ্রেণির মোঃ তামজিদ। কমিটির সাধারণ কার্যকরী সদস্যরা হলেন: সেজুতি আক্তার জ্যোতি (১০ম শ্রেণি), মাহফুজা আক্তার (৯ম শ্রেণি), ফারদিন আল-আমিন (৭ম শ্রেণি), লাবিব আহমেদ (৭ম শ্রেণি), আব্দুল্লাহ আল মুস্তাকিম (৬ষ্ঠ শ্রেণি) এবং তালহা তাহসিন (৬ষ্ঠ শ্রেণি)।

​গণিত ক্লাব:
গণিত ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি প্রধান শিক্ষক মোছাঃ লায়লা ইয়াসমিন এবং সহ-সভাপতি ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ঋদ্ধি সাহা। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী তামজিদ এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোঃ ওয়াফিফ। কোষাধ্যক্ষ পদে দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী শিক্ষক মোঃ হাসানুর রহমান এবং কার্যকারী সদস্য (শিক্ষক) হিসেবে আছেন সহকারী শিক্ষক মোঃ নাজিম উদ্দিন। সাংগঠনিক সম্পাদক ৮ম শ্রেণির তানভীর রহমান, প্রচার সম্পাদক ৮ম শ্রেণির মোছাঃ সানজিদা আক্তার এবং প্রকাশনা ও ডকুমেন্টেশন সম্পাদক ৯ম শ্রেণির আল-আরাফাত জীম। কমিটির কার্যকরী সদস্যরা হলেন: সোহানুর রহমান (১০ম শ্রেণি), মায়াবি আক্তার (৯ম শ্রেণি), ফারদিন আল-আমিন (৭ম শ্রেণি), মোঃ আব্দুল্লাহ (৭ম শ্রেণি), তালহা তাহসিন (৬ষ্ঠ শ্রেণি) এবং সিনথিয়া মল্লিক (৬ষ্ঠ শ্রেণি)।

​পদার্থবিজ্ঞান ক্লাব:
পদার্থবিজ্ঞান ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি প্রধান শিক্ষক মোছাঃ লায়লা ইয়াসমিন এবং সহ-সভাপতি ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ঋদ্ধি সাহা। সাধারণ সম্পাদক ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সেজুতি আক্তার এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সোহানুর রহমান। কোষাধ্যক্ষের দায়িত্বে আছেন সহকারী শিক্ষক মোঃ হাসানুর রহমান এবং কার্যকারী সদস্য (শিক্ষক) হিসেবে রয়েছেন সহকারী শিক্ষক মোঃ নাজিম উদ্দিন। সাংগঠনিক সম্পাদক ৮ম শ্রেণির তানভীর রহমান, প্রচার সম্পাদক ৮ম শ্রেণির মোছাঃ সানজিদা আক্তার এবং প্রকাশনা ও ডকুমেন্টেশন সম্পাদক ৯ম শ্রেণির তামজিদ। কমিটির কার্যকরী সদস্যরা হলেন: স্বর হাসান (১০ম শ্রেণি), আদিবুর রহমান (৯ম শ্রেণি), ফারদিন আল-আমিন (৭ম শ্রেণি), মোঃ আব্দুল্লাহ (৭ম শ্রেণি), তালহা তাহসিন (৬ষ্ঠ শ্রেণি) এবং আব্দুল্লাহ আল মুস্তাকিম (৬ষ্ঠ শ্রেণি)।

​বিতর্ক ক্লাব:
বিতর্ক ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি পদে রয়েছেন প্রধান শিক্ষক মোছাঃ লায়লা ইয়াসমিন এবং সহ-সভাপতি ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ঋদ্ধি সাহা। সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আল আরাফাত জীম এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোঃ ওয়াফিফ হক নাহিদ। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী শিক্ষক নাহিদ আক্তার সাথী এবং কার্যকারী সদস্য (শিক্ষক) হিসেবে রয়েছেন সহকারী শিক্ষক শারমিন নাহার। সাংগঠনিক সম্পাদক ৮ম শ্রেণির সামিয়া আক্তার সুমি, প্রচার সম্পাদক ৮ম শ্রেণির আলিম্বা আহমেদ পরমা এবং প্রকাশনা ও ডকুমেন্টেশন সম্পাদক ৯ম শ্রেণির মোঃ তামজিদ। কমিটির কার্যকরী সদস্যরা হলেন: সেজুতি আক্তার জ্যোতি (১০ম শ্রেণি), মিতালী স্নেহ (৯ম শ্রেণি), জান্নাতুল ফেরদৌস মাহি (৭ম শ্রেণি), তায়েবা খাতুন (৭ম শ্রেণি), তালহা তাহসিন (৬ষ্ঠ শ্রেণি) এবং শারমিন জাহান জুঁই (৬ষ্ঠ শ্রেণি)।

​বার্ষিক সাধারণ সভা ও কমিটি গঠন শেষে ‘ফেয়ার’-এর প্রতিনিধিবৃন্দ নবগঠিত ক্লাবের সকল সদস্যকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বাৎসরিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও সুচারুভাবে দায়িত্ব পালনের ওপর শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি দিকনির্দেশনামূলক পরিচিতি কর্মশালা পরিচালনা করা হয়।

​ #বিজ্ঞানচর্চা #বিজ্ঞানক্লাব

প্রান্তিক বিদ্যালয়ে বিজ্ঞানচর্চার নবদিগন্ত বেলঘরিয়া রহিমা খাতুন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ‘জাবির ইবনে হাইয়ান সায়েন্স ক্ল...
04/09/2026

প্রান্তিক বিদ্যালয়ে বিজ্ঞানচর্চার নবদিগন্ত বেলঘরিয়া রহিমা খাতুন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ‘জাবির ইবনে হাইয়ান সায়েন্স ক্লাব’-এর আত্মপ্রকাশ

​অদ্য, ৩ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান শিক্ষার পরিবেশ আনন্দময় করে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈজ্ঞানিক মনস্তত্ত্ব ও উদ্ভাবনী চিন্তা বিকাশের লক্ষ্যে কুষ্টিয়ার বেলঘরিয়া রহিমা খাতুন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে বার্ষিক সাধারণ সভা ও 'জাবির ইবনে হাইয়ান সায়েন্স ক্লাব'-এর কার্যনির্বাহী পরিষদ পুনর্গঠন করা হয়েছে।
​বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন (বিএফএফ)-এর সহযোগিতায় এবং উন্নয়ন সংস্থা ‘ফেয়ার’ (FAIR) পরিচালিত ‘বিজ্ঞান শিক্ষা উন্নয়ন এবং বিজ্ঞান ক্লাবসমূহকে টেকসইকরণ প্রকল্প (PSE-SSC)’-এর আওতায় এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সম্মানিত প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল হাকিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ ও ফেয়ার-এর প্রতিনিধিবৃন্দ।

সহকারী শিক্ষক মো. আশরাফ আলী তাঁর অভিজ্ঞতা ও অনুভূতির কথা প্রকাশ করে বলেন,​“প্রায় এক বছর আগে একটি বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান মেলায় গিয়ে সেখানকার শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত উদ্ভাবনী কাজ দেখে আমি ভীষণ অনুপ্রাণিত হয়েছিলাম। তখনই মনে আশা জেগেছিল—আমাদের বিদ্যালয়েও যদি এমন বিজ্ঞানচর্চার সুযোগ চালু থাকত! মেলাতেই আমি ‘ফেয়ার’-এর কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলি এবং তাঁরা আমাদের বিদ্যালয়ে কাজ করার আশ্বাস দেন। সেই ধারাবাহিকতায় আজ আমাদের বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান ক্লাবসহ মোট ৪টি ক্লাবের যাত্রা শুরু হলো, যা আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য এক নতুন আশার আলো বয়ে আনবে।”

​অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল হাকিম বিজ্ঞানের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বলেন,​“বিজ্ঞানকে বাদ দিয়ে আধুনিক জীবনে একটি মুহূর্তও স্বস্তির কথা চিন্তা করা সম্ভব নয়। এই যে আমাদের মাথার ওপর ফ্যানটি ঘুরছে, তা-ও বিজ্ঞানেরই অবদান। প্রাত্যহিক জীবনে বিজ্ঞানের অবদান বলে শেষ করা যাবে না এবং বিজ্ঞান ছাড়া আমরা এক পা-ও সামনে এগোতে পারব না। বিজ্ঞানীরা মানবকল্যাণে অসংখ্য আবিষ্কার করেছেন, কিন্তু আমাদের শিক্ষার্থীরা কোথা থেকে সেই চর্চা শুরু করবে বা কীভাবে মৌলিক ধারণা পাবে—সেই উপযুক্ত প্ল্যাটফর্মের অভাব ছিল। আমি মনে করি, বিজ্ঞান ক্লাবই হলো সেই কাঙ্ক্ষিত পথ, যেখানে শিক্ষার্থীরা ছোট ছোট অনুশীলনের মাধ্যমে প্রাকটিক্যাল জ্ঞান লাভ করে বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠবে। বিজ্ঞান ক্লাবই আমাদের শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানের সঠিক পথ দেখাবে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, এই ক্লাবের মাধ্যমে আমাদের প্রান্তিক অঞ্চলের বালিকারা নিজেদের মেধা ও সৃজনশীলতা ফুটিয়ে তুলে বিভিন্ন বিজ্ঞান মেলা ও প্রতিযোগিতা জয় করতে পারবে। এমন একটি যুগোপযোগী ও মহতী উদ্যোগ গ্রহণের জন্য আমি ‘বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন’ এবং উন্নয়ন সংস্থা ‘ফেয়ার’-এর প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।”

​
​জাবির ইবনে হাইয়ান বিজ্ঞান ক্লাব:
বেলঘরিয়া রহিমা খাতুন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ‘জাবির ইবনে হাইয়ান সায়েন্স ক্লাব’-এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল হাকিম এবং সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোছাঃ জোয়া খাতুন। সাধারণ সম্পাদক পদে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী নুসরত জাহান জুঁই এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী উম্মে হাফসা দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে রয়েছেন সহকারী শিক্ষক মো. আশরাফ আলী এবং কার্যকারী সদস্য (শিক্ষক) হিসেবে যুক্ত আছেন সহকারী শিক্ষক টুটি যেন। ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ৮ম শ্রেণির মোছাঃ সংস্কৃতি খাতুন, প্রচার সম্পাদক ৮ম শ্রেণির জান্নাতুল ফেরদৌস স্নিগ্ধা এবং প্রকাশনা ও ডকুমেন্টেশন সম্পাদক ৯ম শ্রেণির লাবিবা রহমান। এছাড়া কমিটির সাধারণ কার্যকরী সদস্যরা হলেন: সুরভী আক্তার নুপুর (১০ম শ্রেণি), মোছাঃ রজনী খাতুন (৮ম শ্রেণি), মোছাঃ ঐশী খাতুন (৭ম শ্রেণি), লামিয়া খাতুন (৭ম শ্রেণি), হুমায়রা তাবাসসুম (৬ষ্ঠ শ্রেণি) এবং মারুফা খাতুন (৬ষ্ঠ শ্রেণি)।
​বিষয়ভিত্তিক শাখা ক্লাবসমূহ:
মূল বিজ্ঞান ক্লাবের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বহুমুখী মেধা বিকাশের লক্ষ্যে বিষয়ভিত্তিক আরও ৩টি শাখা ক্লাব গঠন করা হয়েছে। বর্তমানে প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল হাকিমকে আহ্বায়ক করে এসব ক্লাবের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই এই শাখা ক্লাবগুলোর পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন ও অনুমোদন সম্পন্ন করা হবে।
​বার্ষিক সাধারণ সভা ও কমিটি পুনর্গঠন শেষে ‘ফেয়ার’-এর প্রতিনিধিবৃন্দ নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদকে শুভেচ্ছা জানান। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ক্লাব পরিচালনা, কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও দায়িত্ব পালনের কৌশল বিষয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি দিকনির্দেশনামূলক সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

​ #বিজ্ঞানচর্চা #বিজ্ঞানক্লাব

বিজ্ঞানমনস্ক প্রজন্ম গড়ার অঙ্গীকারে বেগম হামিদা সিদ্দিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে চার শাখা ক্লাবের আত্মপ্রকাশ​রাদারফোর্ড সায়েন...
04/09/2026

বিজ্ঞানমনস্ক প্রজন্ম গড়ার অঙ্গীকারে বেগম হামিদা সিদ্দিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে চার শাখা ক্লাবের আত্মপ্রকাশ
​রাদারফোর্ড সায়েন্স ক্লাবের ছায়াতলে বিজ্ঞান, গণিত,ফিজিক্স ও বিতর্ক ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন

​অদ্য, ৩ সেপ্টেম্বর শিক্ষার্থীদের মাঝে বিজ্ঞানমনস্কতা, যুক্তিবোধ, সৃজনশীলতা ও নেতৃত্বের বিকাশ ঘটানোর লক্ষ্যে কুষ্টিয়ার বেগম হামিদা সিদ্দিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে ‘রাদারফোর্ড সায়েন্স ক্লাব’-এর কার্যক্রম নতুন মাত্রায় সম্প্রসারিত হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বিদ্যালয়ে মূল বিজ্ঞান ক্লাবের পাশাপাশি গণিত, আইসিটি ও পরিবেশ ক্লাবের পৃথক কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করা হয়েছে।
​বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন (বিএফএফ)-এর সহযোগিতায় এবং উন্নয়ন সংস্থা ‘ফেয়ার’ (FAIR) পরিচালিত ‘বিজ্ঞান শিক্ষা উন্নয়ন এবং বিজ্ঞান ক্লাবসমূহকে টেকসইকরণ প্রকল্প (PSE-SSC)’-এর আওতায় এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানে সীমাবদ্ধ না রেখে ব্যবহারিক বিজ্ঞানচর্চা, যুক্তিনির্ভর চিন্তাধারা, সমস্যা সমাধান ও আত্মপ্রকাশের সুযোগ তৈরি করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

​অনুষ্ঠানে সহকারী শিক্ষক মো. তরিকুল ইসলাম বলেন,​“গ্রামের শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে থাকে—এই প্রচলিত ধারণা ভাঙতে বিজ্ঞানচর্চার বিকল্প নেই। নিয়মিত অনুশীলন ও সঠিক সুযোগ পেলে যেকোনো কঠিন বিষয় সহজ হয়ে ওঠে। তাই বিজ্ঞানভীতি দূর করে শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে গবেষণা ও উদ্ভাবনী চিন্তায় এগিয়ে আসতে হবে। আমরা শিক্ষকরা সবাই মিলে এই চর্চাকে আরও গতিশীল করব।”

​সহকারী শিক্ষক সায়েক মাহমুদ বলেন,​“বর্তমান পরিবর্তনশীল বিশ্বে শুধু পুঁথিগত বিদ্যা যথেষ্ট নয়; শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী জ্ঞানে দক্ষ হতে হবে। বিতর্ক ও বিজ্ঞানচর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যুক্তি উপস্থাপন, তথ্য বিশ্লেষণ এবং কার্যকর যোগাযোগের যোগ্যতা অর্জন করে। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে নিজেকে যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণের বিকল্প নেই।”

​সহকারী শিক্ষক হাবিবা খাতুন শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করে বলেন,​“নতুন সদস্যদের প্রতি আমার আহ্বান—তোমরা কোনো ভয় বা সংশয় না রেখে ক্লাবের কার্যক্রমে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেবে। বিগত দিনের অভিজ্ঞতার সাথে নতুনদের মেধার সমন্বয়ে এবং শিক্ষকদের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আমরা আগামীতে আরও পরিকল্পিত ও কার্যকরভাবে ক্লাব পরিচালনা করতে পারব।”

​রাদারফোর্ড সায়েন্স ক্লাবের সাবেক সভাপতি সামিউল তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, নতুন প্রজন্মের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই এই ক্লাবের মূল লক্ষ্য অর্জিত হবে। তিনি নতুন সদস্যদের নিয়মিত কার্যক্রমে যুক্ত থাকার আহ্বান জানান।

​চার ক্লাবের নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ
​গণিত ক্লাব:
গণিত ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন প্রধান শিক্ষক মোঃ শরিফুল ইসলাম এবং সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সোনালি। সাধারণ সম্পাদক পদে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহি এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মরিয়ম দায়িত্বপ্রাপ্ত। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে রয়েছেন সহকারী শিক্ষক মোঃ তরিকুল ইসলাম এবং কার্যকারী সদস্য (শিক্ষক) হিসেবে রয়েছেন সহকারী শিক্ষক রাবিয়া খাতুন। সাংগঠনিক সম্পাদক ৮ম শ্রেণির মাইমুনা, প্রচার সম্পাদক ৮ম শ্রেণির খাদিজাতুল সুফরা এবং প্রকাশনা ও ডকুমেন্টেশন সম্পাদক ৯ম শ্রেণির তুষার। কমিটির কার্যকরী সদস্যরা হলেন: মাইশা নাসরিন (১০ম শ্রেণি), শামীমা (৯ম শ্রেণি), শুভ (৭ম শ্রেণি), মাসুমা (৭ম শ্রেণি), হুমায়রা (৬ষ্ঠ শ্রেণি), রাহাত (৬ষ্ঠ শ্রেণি) এবং জুঁই (৮ম শ্রেণি)।

​বিতর্ক ক্লাব:
আইসিটি ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি প্রধান শিক্ষক মোঃ শরিফুল ইসলাম এবং সহ-সভাপতি ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী রুকাইয়া সামিয়া। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন ৯ম শ্রেণির তুষার চৌধুরী এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক ৮ম শ্রেণির তিন্নি। কোষাধ্যক্ষ পদে দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী শিক্ষক সায়েক মাহমুদ এবং কার্যকারী সদস্য (শিক্ষক) হিসেবে আছেন সহকারী শিক্ষক রাবিয়া খাতুন। সাংগঠনিক সম্পাদক ৮ম শ্রেণির মাইমুনা, প্রচার সম্পাদক ৮ম শ্রেণির আঁখি এবং প্রকাশনা ও ডকুমেন্টেশন সম্পাদক ৯ম শ্রেণির জান্নাতুল রিয়া। কমিটির কার্যকরী সদস্য হিসেবে আছেন: সোনালি (১০ম শ্রেণি), শামীমা (৯ম শ্রেণি), জুনায়েদ (৭ম শ্রেণি), মাসুমা (৭ম শ্রেণি), নোমান (৬ষ্ঠ শ্রেণি), উদয় (৬ষ্ঠ শ্রেণি) এবং উমালি (৮ম শ্রেণি)।

​বিজ্ঞান ক্লাব:
বিজ্ঞান ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি প্রধান শিক্ষক মোঃ শরিফুল ইসলাম এবং সহ-সভাপতি ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সামিউল। সাধারণ সম্পাদক ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাকিব এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী জুঁই। কোষাধ্যক্ষের দায়িত্বে আছেন সহকারী শিক্ষক রাবিয়া খাতুন এবং কার্যকারী সদস্য (শিক্ষক) হিসেবে রয়েছেন সহকারী শিক্ষক মোঃ তরিকুল ইসলাম। সাংগঠনিক সম্পাদক ৮ম শ্রেণির তিন্নি, প্রচার সম্পাদক ৮ম শ্রেণির মারুফা এবং প্রকাশনা ও ডকুমেন্টেশন সম্পাদক ৯ম শ্রেণির মারুফ। কমিটির কার্যকরী সদস্যরা হলেন: আফরোজ খাতুন রজনী (১০ম শ্রেণি), ফাতেমা (৯ম শ্রেণি), শুভ সালমান (৭ম শ্রেণি), মাসুমা (৭ম শ্রেণি), উদয় (৬ষ্ঠ শ্রেণি) এবং সুমাইয়া (৬ষ্ঠ শ্রেণি)।

ফিজিক্স ক্লাব:
পরিবেশ ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি পদে রয়েছেন প্রধান শিক্ষক মোঃ শরিফুল ইসলাম এবং সহ-সভাপতি ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাতেমা। সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মরিয়ম। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী শিক্ষক মোঃ তরিকুল ইসলাম এবং কার্যকারী সদস্য (শিক্ষক) হিসেবে রয়েছেন সহকারী শিক্ষক রাবিয়া খাতুন। সাংগঠনিক সম্পাদক ৮ম শ্রেণির আয়েশা, প্রচার সম্পাদক ৮ম শ্রেণির নুসরাত এবং প্রকাশনা ও ডকুমেন্টেশন সম্পাদক ৯ম শ্রেণির মাহি। কমিটির কার্যকরী সদস্যরা হলেন: আহসান (১০ম শ্রেণি), তুষার (৯ম শ্রেণি), শাফায়েত (৭ম শ্রেণি), জুনায়েদ (৭ম শ্রেণি), নোমান (৬ষ্ঠ শ্রেণি) এবং রাফি (৬ষ্ঠ শ্রেণি)।

​বার্ষিক সাধারণ সভা ও কমিটি গঠন শেষে ‘ফেয়ার’-এর প্রতিনিধিবৃন্দ নতুন কমিটিকে অভিনন্দন জানান। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ক্লাবগুলোর বাৎসরিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও দায়িত্ব পালনের ওপর একটি পরিচিতি ও দিকনির্দেশনামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

​ #বিজ্ঞানচর্চা #বিজ্ঞানক্লাব

Address

45/1 RA Khan Chowdhury Road, Thanapara, Kushtia
Khustia
7000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FAIR posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to FAIR:

Shortcuts

Share