YES- Young Energetic Sociologist

YES- Young Energetic Sociologist Yes- Young Energetic Sociologist is a Voluntary organization under the department of Sociology, Govt. BL College Khulna.

15/08/2018
আমন্ত্রণ রইল অাগামীকাল ০৯, ০৮, ২০১৮ ইং সকাল ১০.০০ টা.....
08/08/2018

আমন্ত্রণ রইল অাগামীকাল ০৯, ০৮, ২০১৮ ইং সকাল ১০.০০ টা.....

20/05/2018

হাসিখুশী মুখ দেখলেই মনটা ভালো হয়ে যায়। কখনও কখনও হাসি দিয়ে শত্রুকেও আপন করা যায়। চলুন জেনে নিই, কিভাবে সবসময় হাসিখুশী থাকবেন।
------------------------------------

১. চলাফেরায়, কাজের ফাঁকে সবসময় হাসিখুশী থাকার জন্য বেশি বেশি অনুশীলন করুন।

২. অন্যের সাথে তুলনা না করে নিজের কাজকে সেরা ভাবুন, প্রয়োজনে আরও ভালো করার চেষ্টা করুন।

৩. মন থেকে নেতিবাচক চিন্তা দূর করুন।

৪. সম্পত্তি কিংবা টাকা-পয়সার চেয়ে অভিজ্ঞতাকে বেশি উপভোগ করুন।

৫. অন্যের প্রতি আপনি কৃতজ্ঞ প্রকাশ করুন।

৬. অন্যের অনুকরণ না করে নিজের মধ্যে সুখ খুঁজুন।

৭. রাতে সঠিক সময়ে পরিপূর্ণভাবে ঘুমান।

৮. নিজের সাধ্যের মধ্যে অন্যকে সাহায্য করুন।

৯. সবসময় নিজের পছন্দ ও মতামতকে গুরুত্ব দিন।

১০. আপনার মধ্যে পুঞ্জিভুত শক্তির উপর দৃষ্টি দিন।

22/04/2018

জেনে রাখুন
সরকারী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সম্পকে তথ্য ।

১. হাসপাতালে যে অপরিচিত লোকটি আপনার
ঘনিষ্ট হিসাবে ডাক্তারকে পরিচয় দিবে, সে লোকটি
একজন দালাল। শুরুতেই মার্ক করে রাখুন। এড়িয়ে চলুন।

ক) দালাল টাকা চাইবে। বলবে, ডাক্তারকে টাকা দিলে ডাক্তার ভাল করে দেখবে। আসলে মিথ্যে কথা। এই টাকা দালাল তার পকেটে ঢুকাবে। সরকারী হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের দেখার জন্য ডাক্তার কখনই টাকা নেয়না।

খ) ডাক্তার বা নার্স সরকারি সাপ্লাইয়ের বাইরে ঔষধের লিস্ট দিলে দালাল বলবে, আসেন আমার পরিচিত দোকান আছে। কম দামে কিনে দেবো। তার সাথে গেলে সে আপনার সব টাকা মেরে দিবে। হসপিটালের সীমানার ভিতরে যে ঔষধের দোকান আছে সেখান থেকে ঔষধ কিনুন। প্রতারণার শিকার হবেননা।

গ) রোগীর পরীক্ষা/নিরীক্ষার প্রয়োজন হলে সরাসরি আপনার রোগীর দায়িত্বরত ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করুন কোথায় করাতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়ার পর নিজে গিয়ে পরীক্ষা/নিরীক্ষা করাবেন। দালালকে সাথে নিবেননা। দালালের কথা শুনলে আপনাকে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ টাকা গুনতে হবে।

২. জরুরী বিভাগ থেকে ভর্তির পর কাগজটি নিজ হাতে বহন করে নিজের ওয়ার্ডে যাবার অভ্যাস করুন। তা নাহলে বহনকারী লোকটি আপনাকে বড়সড় খরচ করিয়ে শুইয়ে দিতে পারে।

৩.ডিউটি ডাক্তাররা (ইন্টার্ন বা ইউনিটের সিএ, রেজিস্টার) উচ্চশিক্ষিত ও হাইলি কোয়ালিফাইড।
সেখানে গিয়ে নিজের ক্ষমতা, শিক্ষাগতযোগ্যাতা,
স্মার্টনেসের প্রমান দিতে যাবেন না। আপনি যতটুকু ভদ্রলোক হবেন, তারা তার চাইতে বেশি ভদ্রলোকের মত আপনাকে চিকিৎসা দিবে।

৫. হাসপাতালের সব সিরিয়াস রোগীর চিকিৎসা শুরু হয় ইন্টার্ন/সিএ/রেজিস্টারের হাত দিয়েই। তারা জানে
কিভাবে রোগীকে দ্রুত সময়ে প্রাণরক্ষাকারী চিকিৎসা
দেওয়া হয়। বড় স্যার কবে দেখবে, কেন এখনো ডাক্তার আসছে না বলে বোকামীর পরিচয় দিবেন না। কর্তব্যরত ডাক্তাররা অনেক বেশি ব্যস্ত থাকেন। তাদের বিরক্ত করবেননা। তারা আপনার রোগীর ব্যপারে অবশ্যই অবগত এবং আপনার রোগীর সব দায়িত্বও তার উপর।

৬. শুক্রবার হাসপাতালের প্রফেসর রাউন্ড বন্ধ থাকে। এইদিন বড় ডাক্তার পাবেননা। এসময় বড় ডাক্তার আসবেনা কেন বলে কর্তব্যরত ডাক্তারকে বিরক্ত করবেননা। ডাক্তার দেখে নাই বলে কাউকে বিব্রত
করবেন না।

৭. হাসপাতাল থেকে সাপ্লাইকৃত ঔষুধ ডাক্তাররা দিবে
না। সংশ্লিষ্ট ঔষুধের জন্য নার্স বা ইনচার্জকে
ভদ্রভাষায় বলুন।

৮. রোগীর পাশ থেকে আপনার সমস্ত আত্মীয়স্বজনকে
সরিয়ে ফেলুন। তারা রোগীর কোন কল্যানে আসবে না। তাদের জন্য চিকিৎসা দেরি হয়, এমনকি রোগী মারা যেতে পারে। যত মানুষ কম তত রোগীর সুস্থ্য হবার সম্ভাবনা বেশি।

৯. সরকারী হাসপাতালে বেড এর জন্য ঘ্যানঘ্যান
করবেন না। এখানে কেউ বেড দখল করে শুয়ে
থাকেনা। সবাই অসুস্থ্য রোগী। সেখানে মুচি ডোম শুয়ে
থাকলেও তাকে নামিয়ে আপনাকে উঠানো যাবেনা।
বেড না থাকলে একজন ডাক্তারের মা নিজে অসুস্থ্য হয়ে আসলেও তাকে মেঝেতেই থাকতে হবে। সকল রোগী সমান। বেড ও মেঝের সবাইকে সমান চিকিৎসা দেওয়া হয়।

১০. কোন রাজনৈতিক পরিচয় দেবার চেষ্টা করবেন না। মনে রাখবেন, ঝামেলা এড়ানোর জন্য সকল ডাক্তার ঐ রোগীর কাছে যেতে অনীহা প্রকাশ করে। দিনশেষে ক্ষতিটা আপনারই।

১০. আপনার রোগীকে ডাক্তার বারবার কেন দেখছেনা সেজন্য ডাক্তারকে বিরক্ত করবেননা। মনে রাখতে হবে হসপিটালে প্রত্যেকটা রোগীর ব্যপারে ডাক্তার সম্পুর্ন ওয়াকিফহাল এবং রোগীদের যে কোন ক্ষতির জন্য ডাক্তাররা দায়ীত্বশীল। রোগীরা হাসপাতালে আসার পর ডাক্তাররা খারাপ রোগী এবং সেইফ রোগী আলাদা করে ফেলেন। যারা সেইফ তাদের কাছে কম যান এবং যারা খারাপ তাদের কাছে বারবার যান। খারাপ এবং সেইফ রোগীর লিস্ট ডাক্তারদের হাতেই আছে। যা আপনি জানেন না।

১১. রোগী খাবে কি... বলে বারবার বিরক্ত করবেন না।
যদি স্যালাইন চলে তাহলে ভেবে নিন তাকে আলাদা
করে খাওয়াতে হবেনা। খাবার বন্ধ রাখা হয় রোগীর
ভালোর জন্যই।খাবার প্রয়োজন হলে ডাক্তার নিজেই বলবে রোগীকে খাওয়ানোর জন্য।

১২. ক্যানুলা খুলে গেছে, স্যালাইন অফ কেন, ঔষুধ কখন খাবে, কিভাবে খাবে, ঔষুধটা চেক করে দিন তো.... এগুলোর জন্য ডাক্তারকে বিরক্ত করবেননা। এই প্রশ্নগুলো নার্সকে ভদ্রভাষায় জিজ্ঞাসা করুন।
সাধারণত এগুলো তাদের দায়িত্ব। তারা শিক্ষিত ও
অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। তাদের সম্মান করুন। এইগুলা ডাক্তারের কাজ নয়।

১৩. যেকোন পুরুষ ডাক্তারকে ডক্টর বা'স্যার' ও
মহিলা ডাক্তারকে ডক্টর বা 'ম্যাম/ম্যাডাম' বলে সম্বোধন করুন। একইভাবে মহিলা ও পুরুষ নার্সকে সিস্টার-ব্রাদার বলুন। আয়া বা কর্মচারীদের মামা ও খালা হিসাবে সম্বোধন করবেন। এগুলো আপনাকে ছোট করবে না বরং সম্মানীয় বানাবে। ডাক্তার, নার্স ও কর্মচারীরাও আপনাকে সাহায্য করবে।

১৪. থুথু ও পানের পিক নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলুন। জায়গা না থাকলে মাঝেমাঝে গিলে খাবার অভ্যাস করুন। :) আপনি হাসপাতাল যতটুকু নোংরা করবেন, বাকী সবাই আপনার ফেলানো থুথু দেখে সেখানে থুথু ফেলে ভাসিয়ে দিবে। অপরাধের শুরুটা কিন্তু আপনিই করলেন।

১৫. লিফট ম্যান/ট্রলি ম্যান/গেইট ম্যান টাকা নিলো কেনো এসবের জন্য চ্যাঁচামেচি করবেননা। মনে রাখবেন কিছু বিষয় মেনে নেওয়াই মঙ্গল।

১৬. ডাক্তার যদি বলে রক্ত লাগবে তাহলে কোন রকম প্রশ্ন না করে চুপচাপ রক্ত সংগ্রহ করুন। সংগ্রহ করতে ব্যার্থ হলে ডাক্তারের কাছে বিনয়ের সাথে সাহায্য চান।প্রতিদিন ডাক্তাররা নিজের রক্ত দিয়ে অনেক রোগীর জীবন বাচান বিনা টাকায়।

১৭. ডাক্তার যদি রোগী রেফার্ডের কথা বলে তাহলে এক মুহূর্ত দেরী না করে রোগীকে উন্নত চিকিৎসার স্বার্থে রোগীকে নির্দিষ্ট হসপিটালে নিয়ে যাবেন। হাসপাতালের ডাক্তারদের উপর বিশ্বাস
রাখুন। আপনি শুধুই লাভবানই হবেন।

১৮. রোগী মারা গেলে ডাক্তারকে গালিগালাজ না
করে স্বস্ব ধর্মের সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করুন।
ডাক্তার একজন মানুষ। তিনি শুধু চেষ্টা করতে পারেন।

১৯. অধিক জনসংখ্যা,চিকিৎসা সামগ্রীর অপ্রতুলতা ও অনাকাঙ্ক্ষিত অব্যবস্থাপনার জন্য আপনার কাঙ্ক্ষিত সেবা অনেক সময় নাও পেতে পারেন। এর জন্য চিৎকার/চ্যাঁচামেচি/মারামারি না করে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে স্ব স্ব অবস্থান থেকে কাজ করে যান।

উপরের আলোচনাটি শুধুমাত্র সরকারী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অভিজ্ঞতা থেকে আপনাদের সুবিধার জন্য আলোচনা করা হয়েছে। এর সাথে অন্যান্য সরকারী হাসপাতাল, প্রাইভেট হাসপাতাল কিংবা প্রাইভেট চেম্বারের বিষয় গুলি গুলিয়ে ফেলে অযথা কথা বাড়াবেননা আশা করি।

ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন।।

#সংগৃহীত

14/04/2018

ইয়েস এর পক্ষ থেকে সবাইকে বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ এর শুভেচ্ছা "শুভ নববর্ষ" ! সবার সুস্বাস্থ্য ও নিরাপদ জীবন কামনা করছি। সবাই অনেক ভালো থাকুন এবং খুশী থাকুন!

ধন্যবাদান্তে

এম এম মেহেদী হাসান নিরব
সভাপতি
ইয়াং এর্নাজেটিক সোসিওলজিস্ট।

04/04/2018

শিক্ষণীয় একটি গল্প ঃ
-------------
এয়ারপোর্টে একটা তরুণ ছেলে বসে আছেন। কিছুক্ষণ পরে আরেকজন তরুণী তার পাশেই এসে বসলেন। দুজনই প্লেন ছাড়ার সময়ের জন্য অপেক্ষা করছেন।

এরমধ্যে তরুণীটি একটা বড় বিস্কিট (কুকিজ) এর প্যাকেট খুলে বিস্কিট খাচ্ছে। তরুণ ছেলেটিও একই প্যাকেট থেকে বিস্কিট খাচ্ছে!
তরুণীটি একটু বিরক্ত হওয়া শুরু করলো।
"এটা কোন ধরণের অভদ্রতা, আরেকজনের বিস্কিটের প্যাকেট থেকে না বলেই বিস্কিট খেয়ে নিচ্ছে!"
তরুণ ছেলেটি আরও একটা বিস্কিট নিলো। তরুণটিও আরেকটা নিলো।
তরুণীটা বিরক্ত থেকে বিরক্ত হতে থাকলো।
আর ভাবলো,
"কীরকম অসভ্য এই তরুণ ছেলেটি। কোন দেশের অসভ্যভুত। গডই জানে ভালো।"
বিরক্তির চরম সীমায়। মনে মনে তরুণ ছেলেটিকে যা ইচ্ছে তাই বলেই যাচ্ছে।
মেজাজ খারাপের চরম সীমায় পৌঁছে গেলো।

যখন খেতে খেতে মাত্র একটি বিস্কিট অবশিষ্ট থাকলো।
তরুণ ছেলেটি সেই বিস্কিটটা নিজে নিলো,
এবং সেটিকে দু টুকরো করে তরুণীটিকে অর্ধেক দিলো এবং নিজে অর্ধেক খেলো।

তরুণীটি তখন তার সহ্যের সব সীমা ছাড়িয়ে গেলো।
"আরে হারামির বাচ্চা! আমার বিস্কিট এতক্ষণ না বলে খেয়ে নিলি, আর আবার শেষ বিস্কিটটার অর্ধেক দিয়ে ভদ্রতা দেখাচ্ছিস, যতসব অসভ্য দেশের অসভ্য নাগরিক!"

এরমধ্যে তরুণ ছেলেটির প্লেন ছাড়ার সময় হয়ে গেলো। এবং সে চলে গেলো।
তরুণীটির প্লেন ছাড়তে তখনো দেরি।

সে তার ব্যাগ থেকে একটা বই বের করার জন্য ব্যাগ খুললো।
ব্যাগ খুলেই সে চমকে গেলো,
লজ্জায় তার চেহারা লাল হয়ে গেলো।
নিজেকে তার ভীষণ ছোটো মনে হতে লাগলো।
কারণ কী জানেন?
সেই তরুণ ছেলেটির জন্য। যে তরুণ ছেলেটি তাকে শেষ বিস্কিটেরও অর্ধেকটা দিয়েছিলো।

ঠিক একই রকম বিস্কিটের প্যাকেটটি তার ব্যাগের মধ্যেই রয়ে গেছে। তরুণীটি যখন বুঝলো আসলে সে নিজের মনে করে তরুণ ছেলেটির বিস্কিটই সে খেয়েছে!

ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। সেই তরুণ তখন তার গন্তব্যের প্লেনে উঠে গেছে।

এর নাম Paradigm Shift. কমিউনিকেশনে প্যারাডাইম শিফট বলতে বুঝায় , আপনি এমন কিছু ভাবছেন, আসলে তা হয়তো তা না এবং আসলের উলটো বুঝে আপনি একসময়ে লজ্জা পাবেন।

উপরের গল্পটি একটা বিখ্যাত গল্প। গল্পটি অনেকেই জানি। গল্পটি আমাদের বদলে দিতে পারে।

যা ভাবছি, তা কি ঠিক ভাবছি?
ভাবছেন, কেউ আপনার ক্ষতি করতে চাইছে, অথচ সে আপনার মঙ্গলের জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করে যাচ্ছে।

কমিউনিকেইশন গ্যাপ তৈরি হওয়ার একটা বড় কারণ Paradigm Shift.

আপনি যখন জানবেন, তখন যেন এয়ারপোর্টের সেই তরুণীর মতো না হয়।
খুব যেন দেরি না হয়ে যায়।

দৈনন্দিন জীবনে প্রতিটা সম্পর্কে, অন্যকে আঘাত করার সময়, অন্যকে ত্যাগ করার সময় এই Paradigm Shift মনে রাখলে বহু ক্রাইসিসের মধ্যেও ভালো থাকবেন।

ভালো থাকতে হলে একরৈখিক ধারণা একটা শত্রু। শুনতে হয় সব পক্ষ থেকে, ভাবতে হয় চারপাশ থেকে।

#সংগৃহীত

31/03/2018

স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা
---------------------------
আলহামদুলিল্লাহ।বাংলাদেশের চানাচুর,তিউনিশিয়ান খেজুর ,জার্মানির ব্রেড আর ইটালিয়ান কফি দিয়ে করলাম আজকের সকালের নাশতা।দুপুরে খেয়েছি অসাধারণ খাবার মুরগী বোনা দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ।রাতে খেয়েছি মিক্সড ভেজিটেবল, চিংড়িমাছ, মসুরি ডাল,পিঁয়াজু, চানা বুট, আলু চপ এবং এক গ্লাস দুধ।রাতে ব্রাশ করলাম বিশ্বের সেরা ব্রান্ড জার্মানির তৈরি Sensodine টুথব্রাশ এবং Sensodine টুথ পেষ্ট দিয়ে।সেরা ব্রান্ডের জুতা পরেছি এবং পরেছি ইটালিয়ান শার্ট,প্যান্ট আলহামদুলিল্লাহ।

সেজন্য মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহর কাছে কায়মনোবাক্যে কৃতজ্ঞতা আদায় করছি শির অবনত চিত্তে।আজ যদি একটু খেয়াল করে দেখি তাহলে দেখব আমি আপনি কত সৌভাগ্যবান মানুষ।আজ বিশ্বের ৭৯৫ মিলিয়ন মানুষ পর্যাপ্ত খাবার পায়না।অর্থাৎ বিশ্বের সর্বমোট নয় জনের মাঝে ১জন মানুষ পর্যাপ্ত খাবার খাচ্ছে না।আজ বিশ্বের ১২.৯ শতাংশ মানুষ অপুষ্টির শিকার।

এই অবস্থায় আল্লাহ যে আমাদের এত নিয়ামত দিয়েছেন সে জন্য কি তার কাছে সেভাবে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি? উত্তর হবে নিশ্চয় না বোধক।

আমি আপনি যারা ছাদের নিচে আরামে জীবন যাপন করছি সেটা কি একটু ভেবে দেখেছি বিশ্বের কত কোটি মানুষ খোলা আকাশে দিনযাপন করছেন।বিশ্বের ১.৬ বিলিয়ন মানুষ পর্যাপ্ত বাসস্তানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত।

সুতরাং এই পরিসংখ্যান থেকে সহজেই অনুমেয় হচ্ছে আল্লাহ আমাদের কত ভালো অবস্থায় রেখেছেন।সেজন্য আমরা মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে সর্বদা শ্রদ্ধাবনত চিত্তে শুকরিয়া আদায় করব।

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের সেই কথাই স্মরণ করে দিচ্ছেন নীচের আয়াতে।

"কাজেই তোমরা আমাকে স্মরণ রাখো, আমিও তোমাদেরকে স্মরণ রাখবো আর আমার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো এবং আমার নিয়ামত অস্বীকার করো না।"
(আল-কুর আন: সূরা বাকারা :১৫২ নং আয়াত)

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সূরা ইব্রাহিম এ সেই নিয়ামত সমুহের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন এভাবে:

وَاِنۡ تَعُدُّوۡا نِعۡمَتَ اللّٰهِ لَا تُحۡصُوۡهَاؕ اِنَّ الۡاِنۡسٰنَ لَظَلُوۡمٌ كَفَّارٌ

"যদি তোমরা আল্লাহর নিয়ামতসমূহ গণনা করতে চাও তাহলে তাতে সক্ষম হবে না।আসলে মানুষ বড়ই বে-ইনসাফ ও অকৃতজ্ঞ।"
(আল-কুর আন : সূরা ইব্রাহীম : ৩৪নং আয়াত)

তাই আসুন আমরা আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কৃতজ্ঞ বান্দা হই এবং তার ইবাদত করি।তাহলে দুনিয়াতে যেমন শান্তিতে এবং তৃপ্তিতে থাকতে পারব তেমনি দুনিয়ার পরে অসীম জীবনে ও শান্তিতে থাকতে পারব ইনশাআল্লাহ।

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে সেই তওফিক দান করুন।

-আমীন।।

#সংগৃহীত

29/03/2018

সুখী জীবনের জন্য ২৫ টি টিপসঃ
---------------------
১. প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন৷
২. নির্জন কোন স্থানে একাকী অন্তত ১০
মিনিট কাটান ও নিজেকে নিয়ে ভাবুন৷
৩. ঘুম থেকে উঠেই প্রকৃতির নির্মল পরিবেশে থাকার চেষ্টা করুন। সারা দিনের করণীয় গুলো সম্পর্কে মনস্থির করুন।
৪. নির্ভরযোগ্য প্রাকৃতিক উপাদানে ঘরে
তৈরি খাবার বেশি খাবেন আর প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খাবেন।
৫. সবুজ চা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
৬. প্রতিদিন অন্তত ৩ জনের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করুন।
৭. গালগপ্প, অতীতের স্মৃতি, বাজে চিন্তা
করে আপনার মূল্যবান সময় এবং শক্তি অপচয় করবেন না। ভাল কাজে সময় ও শক্তি ব্যয় করুন।
৮. সকালের নাস্তা রাজার মত, দুপুরের খাবার প্রজার মত এবং রাতের খাবার খাবেন ভিক্ষুকের মত।
৯. জীবন সব সময় সমান যায় না, তবুও ভাল কিছুর অপেক্ষা করতে শিখুন।
১০. অন্যকে ঘৃনা করে সময় নষ্ট করার জন্য জীবন খুব ছোট, সকলকে ক্ষমা করে দিন সব কিছুর জন্য।
১১. কঠিন করে কোন বিষয় ভাববেন না। সকল বিষয়ের সহজ সমাধান চিন্তা করুন।
১২. সব তর্কে জিততে হবে এমন নয়, তবে
মতামত হিসাবে মেনে নিতে পারেন আবার
নাও মেনে নিতে পারেন।
১৩. আপনার অতীতকে শান্তভাবে চিন্তা করুন, ভূলগুলো শুধরে নিন। অতীতের জন্য বর্তমানকে নষ্ট করবেন না।
১৪. অন্যের জীবনের সাথে নিজের জীবন
তুলনা করবেন না।
১৫. কেউ আপনার সুখের দায়িত্ব নিয়ে বসে নেই। আপনার কাজই আপনাকে সুখ এনে দেবে।
১৬. প্রতি ৫ বছরমেয়াদী পরিকল্পনা করুন
এবং ওই সময়ের মধ্যেই তা বাস্তবায়ন করুন।
১৭. গরীবকে সাহায্য করুন। দাতা হোন,
গ্রহীতা নয়।
১৮. অন্য লোকে আপনাকে কি ভাবছে তা নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার নেই বরং অাপনি অাপনাকে কি ভাবছেন সেটা মুল্যায়ন করুন ও সঠিক কাজটি করুন।
১৯. কষ্ট পুষে রাখবেন না। কারণ সময়ের
স্রোতে সব কষ্ট ভেসে যায় তাই কষ্টের
ব্যাপারে খোলামেলা অালাপ করুন ও ঘনিষ্টদের সাথে শেয়ার করুন।
২০. মনে রাখবেন সময় যতই ভাল বা খারাপহোক তা বদলাবেই।
২১. অসুস্থ হলে আপনার ব্যবসা বা চাকুরী অন্য কেউ দেখভাল করবে না। করবে বন্ধু কিংবা নিকটাত্মীয়রা, তাদের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখুন।
২২. ফেইসবুক অনেক সময় নষ্ট করে।
পোষ্টটি পড়তে পড়তেই অনেক খানি সময় নষ্ট করেছেন। ফেইসবুকে আপনার সময় নির্দিষ্ট করুন।কতক্ষণ সময় থাকবেন এখানে।
২৩. প্রতি রাত ঘুমানোর আগে আপনার জীবনের জন্য বাবা মাকে মনে মনে ধন্যবাদ দিন।
২৪. মনে রাখুনজীবনের কোন কোন ভুলের জন্য আপনি ক্ষমা পেয়েছেন। সেসব ভুল আর যেন না হয় তার জন্য সতর্ক থাকুন।
২৫. আপনার বন্ধুদেরও তথ্যগুলো জানান, যেন তারাও আপনার ভাল দিকগুলো সম্পর্কে জানেন এবং আপনাকে আপনার মত করে চলতে দেয়।

#সংগৃহীত

ফ্রান্সের এক নামকরা ব্যাংকে....ব্যাংক ডাকাতির সময়...ডাকাত দলের সর্দার বন্দুক হাতে নিয়ে সবার উদ্দেশ্যে বললো, "কেউ কোন নড়া...
23/03/2018

ফ্রান্সের এক নামকরা ব্যাংকে....ব্যাংক ডাকাতির সময়...ডাকাত দলের সর্দার বন্দুক হাতে নিয়ে সবার উদ্দেশ্যে বললো, "কেউ কোন নড়াচড়া করবেন না, টাকা গেলে যাবে সরকারের কিন্তু জীবন গেলে যাবে আপনার। তাই ভাবনা চিন্তা করে আপনার পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করুন।"
এই কথা শোনার পর, সবাই শান্ত হয়ে চুপচাপ মাথা নিচু করে শুয়ে পড়েছিল।

এই ব্যাপারটাকে বলে
"Mind Changing Concept”

অর্থাৎ মানুষের ব্রেইনকে আপনার সুবিধা অনুযায়ী অন্যদিকে কনভার্ট করে ফেলা।

সবাই যখন শুয়ে পড়েছিল, তখন এক সুন্দরী মহিলার অসাবধানবশত তার কাপড় পা থেকে কিছুটা উপরে উঠে গিয়েছিল। ডাকাত দলের সর্দার তার দিকে তাকিয়ে চিৎকার করে বলে উঠল, "আপনার কাপড় ঠিক করুন! আমরা ব্যাংক ডাকাতি করতে এসেছি, রেপ করতে না।"

এই ব্যাপারটাকে বলে
"Being Professional”

অর্থাৎ আপনি যেটা করতে এসেছেন, ঐটাই করবেন। যতই প্রলোভন থাকুক অন্যদিকে মনোযোগ দেওয়া যাবে না।

যখন ডাকাতরা ডাকাতি করে তাদের আস্তানায় ফিরে এলো.....তখন এক ছোট ডাকাত(MBA পাশ করা) ডাকাত দলের সর্দার(যে Class 5 পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে) -কে বললো, "বস চলেন টাকাটা গুনে ফেলি।"
ডাকাত দলের সর্দার মুচকি হেসে বললো, তার কোনই প্রয়োজন নেই। একটু পরে টিভি ছাড়লেই নিউজ চ্যানেলগুলোই বলে দিবে আমরা কত টাকা নিয়ে এসেছি। 😉

এই ব্যাপারটাকে বলে
"Experience"

অভিজ্ঞতা যে গতানুগতিক সার্টিফিকেট এর বাইরে যেয়েও কাজ করতে পারে, ইহা তার উৎকৃষ্ট প্রমাণ।

ডাকাতরা চলে যাওয়ার সাথে সাথেই, ব্যাংকের কর্মচারি...ব্যাংক ম্যানেজারের কাছে ছুটে এসে বললো, স্যার তাড়াতাড়ি চলেন পুলিশকে ফোন দেই....এখন ফোন দিলে ওরা বেশিদূর যেতে পারবে না।

ব্যাংক ম্যানেজার কর্মচারিকে থামিয়ে দিয়ে বললো, ওদের -কে আমাদের জন্যই এই ২০ মিলিয়ন টাকা নিয়ে যেতে দেওয়া উচিত, তাহলে আমরা যে ৭০ মিলিয়ন টাকার গরমিল করেছি, তা এই ডাকাতির ভিতর দিয়েই চালিয়ে দেওয়া যাবে।

এই ব্যাপারটাকে বলে,
"Swim with the tide"

অর্থাৎ নিজের বিপদকেও বুদ্ধি দিয়ে নিজের সুবিধা হিসেবে ব্যবহার করা।

কিছু সময় পরেই টিভিতে রিপোর্ট আসলো, ব্যাংক ডাকাতিতে ১০০ মিলিয়ন টাকার ডাকাতি। ডাকাতরা সেই রিপোর্ট দেখে বারবার টাকা গুনেও ২০ মিলিয়ন এর বেশি বাড়াইতে পারল না। ডাকাত দলের সর্দার রাগে ক্রুদ্ধ হয়ে বললো,"শালা আমরা আমাদের জীবনের ঝুকি নিয়ে, এত কিছু ম্যানেজ করে মাত্র ২০ মিলিয়ন টাকা নিলাম। আর ব্যাংক ম্যানেজার শুধুমাত্র এক কলমের খোঁচাতেই ৮০ মিলিয়ন টাকা সরিয়ে দিল। শালা চোর ডাকাত না হয়ে পড়াশোনা করলেই ত বেশি লাভ হইত।"

এই ব্যাপারটাকে বলে
"Knowledge is worth as much as gold!"

অর্থাৎ অসির চেয়ে মসী বড়।

ব্যাংক ম্যনেজার হাসছে, কেননা তার লাভ ৮০ মিলিয়ন। ৭০ মিলিয়ন টাকার গরমিল করেও সে আরো ১০ মিলিয়ন টাকা নিজের পকেটে ঢুকিয়ে ফেলেছে।

এই ব্যাপারটাকে বলে,
"Seizing the opportunity/Daring to take risks!"

অর্থাৎ সুযোগ থাকলে তাকে কাজে লাগানোই উচিত। 😉

তাহলে এই ডাকাতিতে লাভ টা হইলো কার? 😛

[ভিনদেশি রম্যরচনা থেকে অনুবাদকৃত]collected Md Mortazul Islam Babu

15/03/2018

Md Mortazul Islam Babu

Address

Department Of Sociology, Govt. BL College Khulna
Khulna
9204

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when YES- Young Energetic Sociologist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to YES- Young Energetic Sociologist:

Share