অগ্রদূত চ্যারিটি (পূর্বে অগ্রদূত ফাউন্ডেশন) বাংলাদেশের একটি অরাজনৈতিক সমাজসেবামূলক সংগঠন। ২০২০ সালের ১৪ এপ্রিল করোনার ভয়াবহ থাবায় বিপর্যস্ত মানুষদের জন্য প্রথম ত্রাণ প্রজেক্ট শুরুর মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে আমাদের এই চ্যারিটি। হাসি ফোটানোর এই অনন্য সুযোগকে আমরা হারাতে চাইনি। কয়েকজন বন্ধু মিলেই একদম প্রাথমিক আলোচনার মাধ্যমে শুরু হয় 'অগ্রদূত ফাউন্ডেশন' নামে আমাদের পথচলা। আর এই পথচলার ধারাবাহিকতায়, আ
পনাদের ভালোবাসায় ও আল্লাহর অনুগ্রহে আজ আমরা এই পর্যায়ে।
অগ্রদূত চ্যারিটি মূলত কয়েকমাস অন্তর নতুন প্রজেক্ট হাতে নেয়। সাধারণত সমাজের ছিন্নমূল, বাস্তুহারা মানুষদের, ছোট ছোট সোনামনি ও শিশুদের প্রাধান্য দিয়েই প্রজেক্ট প্লান করা হয়। চ্যারিটির প্রচেষ্টা থাকে তাদের মুখে অল্প হলেও যেনো তৃপ্তির হাসি ফোটানো যায়। এই প্রজেক্ট প্লান আমাদের পেজে এবং ওয়েবসাইটে ঘোষনা করার পর একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আপনাদের ভালোবাসার সাপোর্ট অর্থাৎ অনুদান নেওয়া হয়। মূলত, অগ্রদূত চ্যারিটির সকল প্রজেক্ট আপনাদের সাপোর্ট এর উপর নির্ভরশীল। অনুদানের উপর ভিত্তি করেই অথবা আমাদের টার্গেট পূরণ হলেই প্রজেক্টপ্লানে ঘোষিত নির্দিষ্টদিনেই আমরা প্রজেক্ট সম্পন্ন করি। একটি প্রজেক্ট চলাকালীন সকল আপডেট আমাদের ফেসবুক পেজে দেওয়া হয়ে থাকে।
তবে আমরা এখন থেকে কিছু চলমান প্রজেক্ট রাখব। বিস্তারিত 'আমাদের পরিকল্পনা' অংশে...
প্রজেক্টঃ
এখন পর্যন্ত আমরা ছোট-বড় মিলিয়ে গত ১ বছরে ৭টিরও অধিক প্রজেক্ট করেছি; যেখানে আমরা হাসি ফোটাতে পেরেছি বেহিসেবি হাজার হাজার অসহায়দের মুখে। প্রতিটি প্রজেক্ট নিয়ে বিস্তারিত আমাদের প্রজেক্ট সেকশনে দেওয়া আছে। আমাদের প্রথম প্রজেক্ট ছিলো 'করোনায় দুঃস্থদের সেবা' যেখানে আমরা ৩৭ পরিবারকে ১ সপ্তাহের বাজার-সদাই করে দেই এবং আমাদের ৭ম প্রজেক্ট গাজায় ইসরায়েলের বর্বতার কারণে
আমাদের পরিকল্পনাঃ
অগ্রদূত চ্যারিটি আগামীতে শুধুমাত্র খাদ্য ও বস্ত্রই নয় বরং মেধাবী দুঃস্থ শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি চালু করবে ইন শা আল্লাহ।
সেই সাথে চালু করা হবে ফ্রী মেডিকেল সেবার মতো স্বাস্থ্যসেবামূলক ক্যাম্পেইন। এছাড়াও বিস্তির্ণ এলাকায় টিউবওয়েল সরবরাহসহ বিভিন্ন প্রকার ক্যাম্পেইন আমাদের আগামী পরিকল্পনাতে রয়েছে।
দরকার আপনাদের সাপোর্টঃ
অগ্রদূত চ্যারিটির কোনো ভলেন্টিয়ার বা প্রশাসক ন্যূনতম পারিশ্রমিক পায় না। আপনাদের অনুদনারের সম্পুর্ণটাই ব্যবহৃত হয় প্রজেক্ট ও চ্যারিটিতে। আর এই অনুদান এর উপর নির্ভর করেই চ্যারিটির প্রজেক্ট এর পরিসরের তারতম্য হয়ে থাকে।