Greater Rangpur-Dinajpur Student Welfare Association, Khulna University

Greater Rangpur-Dinajpur Student Welfare  Association, Khulna University জ্যাগো ব্যাহে কোনঠে সবায়! Branch Name: Agrani Bank PLC
Account Name: Greater Rangpur-Dinajpur Student Welfare Association(GRDA)
Account Number: 0200025519477

13/04/2026

সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা!
শুভ নববর্ষ ১৪৩৩🌼

আজ আমাদের জন্য একটি আনন্দের দিন।Agrani Bank PLC, Khulna University Branch শাখায় আমাদের সংগঠনের নামে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি ...
07/04/2026

আজ আমাদের জন্য একটি আনন্দের দিন।
Agrani Bank PLC, Khulna University Branch শাখায় আমাদের সংগঠনের নামে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি যৌথ ব্যাংক একাউন্ট খোলা হয়েছে।

এটি ছিল আমাদের একটি স্বপ্ন, সংগঠনের নিজস্ব একটি ব্যাংক একাউন্ট থাকবে, যার মাধ্যমে আমরা স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খলভাবে সকল আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবো। আজ সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিয়েছে।
ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি বর্তমান রেজুলেশন অনুযায়ী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সিগনেচার মাধ্যমে পরিচালিত হবে! (সিগনেচার কারী দায়িত্ব হস্তান্তরের সময় পরিবর্তনযোগ্য)

এখন থেকে সংগঠনের সকল ধরনের অর্থ উত্তোলন ও লেনদেন এই ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমেই সম্পন্ন করা হবে। এর মাধ্যমে আমাদের কার্যক্রম আরও গতিশীল, স্বচ্ছ এবং বিশ্বাসযোগ্য হবে এই প্রত্যাশা রইলো।

সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি, যেন আমরা ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে আমাদের কার্যক্রম এগিয়ে নিতে পারি।

Account Name: Greater Rangpur-Dinajpur Student Welfare Association (GRDA)
Branch: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা
Account Number: 0200025519477

আজকের দিনটি আমাদের জন্য ছিল অত্যন্ত আনন্দময় ও অনুপ্রেরণাদায়ক। বৃহত্তর রংপুর-দিনাজপুর ছাত্রকল্যাণ অ্যাসোসিয়েশন, খুলনা বিশ...
06/04/2026

আজকের দিনটি আমাদের জন্য ছিল অত্যন্ত আনন্দময় ও অনুপ্রেরণাদায়ক। বৃহত্তর রংপুর-দিনাজপুর ছাত্রকল্যাণ অ্যাসোসিয়েশন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আমাদের প্রিয় শিক্ষক, কলা ও মানবিক স্কুলের নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ দুলাল হোসাইন স্যারকে আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন পরিসংখ্যান ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক মেনহাজুল আবেদীন স্যার, এস ডাব্লিউ ই ডিসিপ্লিনর শাহারিয়ার জামান শিশির স্যার, বাংলা ডিসিপ্লিনের তোজাম্মেল হক বকুল স্যার, খান বাহাদুর আহছানউল্লা হলের সহকারী রেজিস্ট্রার মো আশিকুর রহমান ভাই, স্কাল্পচার ডিসিপ্লিনের সহকারী রেজিস্ট্রার মোজাম্মেল হক ভাই, পূর্ববর্তী কমিটির সিনিয়রবৃন্দ সহ বর্তমান কমিটির সদস্যবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে স্যার উপস্থিত থেকে আমাদের সংগঠনকে ঘিরে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন। তিনি নতুন নতুন উদ্যোগ গ্রহণের কথা জানান, যা আমাদের সংগঠনকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

বিশেষভাবে স্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব দেন—সাপ্তাহিক মিটিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ বিষয়ের উপর আলোচনা উপস্থাপন করবে। এর মাধ্যমে আমরা বিজ্ঞান, অর্থনীতি, ভূগোল, পরিবেশসহ বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারবো, যা আমাদের সার্বিক উন্নয়নে সহায়ক হবে।

এছাড়াও উপস্থিত অন্যান্য সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দও আমাদের উদ্দেশ্যে মূল্যবান দিকনির্দেশনা প্রদান করেন, যা আমাদের আগামী পথচলায় অনুপ্রেরণা জোগাবে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিক স্কুলের নতুন ডিন আমাদের উত্তরবঙ্গের অধ্যাপক ড. মো. দুলাল হোসাইন স্যার। স্যারকে GRDA এ...
05/04/2026

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিক স্কুলের নতুন ডিন আমাদের উত্তরবঙ্গের অধ্যাপক ড. মো. দুলাল হোসাইন স্যার। স্যারকে GRDA এর পক্ষ থেকে অভিনন্দন!
স্যার বাংলা ডিসিপ্লিনের প্রধান হিসাবে দায়িত্বরত অবস্থায় ডিন হিসাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়!

📚 **কথা সংগ্রহ উৎসব–২০২৬**✨ **বিচারক মণ্ডলী পরিচিতি**আমাদের বহুল প্রতীক্ষিত “কথা সংগ্রহ উৎসব–২০২৬” আয়োজনকে আরও গৌরবময় কর...
29/03/2026

📚 **কথা সংগ্রহ উৎসব–২০২৬**
✨ **বিচারক মণ্ডলী পরিচিতি**

আমাদের বহুল প্রতীক্ষিত “কথা সংগ্রহ উৎসব–২০২৬” আয়োজনকে আরও গৌরবময় করে তুলতে যুক্ত হয়েছেন সম্মানিত বিচারকবৃন্দ।

🖋কবিতা আবৃত্তি
অধ্যাপক ড. মো. দুলাল হোসাইন
প্রধান, বাংলা ডিসিপ্লিন

📖 ছোট গল্প লিখন
ড. মো. সানাউল ইসলাম
অধ্যাপক, সয়েল, ওয়াটার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ডিসিপ্লিন

🎤 মুভি রিভিউ
ড. মো. মেনহাজুল আবেদীন
সহযোগী অধ্যাপক, পরিসংখ্যান ডিসিপ্লিন

তাদের মূল্যবান অভিজ্ঞতা ও নিরপেক্ষ বিচার আমাদের আয়োজনকে করবে আরও সমৃদ্ধ ও সার্থক।

⚡খুব শীঘ্রই "কথা সংগ্রহ উৎসব–২০২৬" এর ফলাফল প্রকাশ করা হবে!!

সবাইকে সঙ্গে থাকার আমন্ত্রণ রইল।

সেগমেন্ট: মুভি রিভিউ মুভির নাম: জয়যাত্রা আমার কাছে “জয়যাত্রা” শুধু মুক্তিযুদ্ধের সিনেমা নয়—এটা আমার বাবার মুখে শোনা সেই ...
26/03/2026

সেগমেন্ট: মুভি রিভিউ

মুভির নাম: জয়যাত্রা

আমার কাছে “জয়যাত্রা” শুধু মুক্তিযুদ্ধের সিনেমা নয়—এটা আমার বাবার মুখে শোনা সেই সব গল্পের মতো, যেখানে যুদ্ধ ছিল না অ্যাকশনের, ছিল না বীরত্বগাথার; ছিল শুধু মানুষের ভয়, দিশেহারা ছুটে চলা আর বাঁচার অদ্ভুত এক জেদ।

সিনেমাটা দেখার পর মনে হচ্ছিল, যেন আমি নিজেও সেই নৌকায় বসে আছি। তৌকীর আহমেদ এখানে যুদ্ধ দেখাননি, দেখিয়েছেন যুদ্ধের সবচেয়ে বড় শিকার—সাধারণ মানুষদের। যাদের জীবন এক মুহূর্তের মধ্যে উলটপালট যায়। গ্রামের বাড়ি, গরু-ছাগল, কাঁচা ঘরের গল্প—সব কিছু মুছে যায় যখন পাকিস্তানি হানাদাররা আসে। তারপর শুরু হয় সেই নৌকাযাত্রা। একটা নৌকা, যেখানে ধনী-গরীব, হিন্দু-মুসলমান, যারা আগে কখনো একসঙ্গে বসেও খায়নি, তারা এখন একই কষ্ট ভাগ করে। এটা দেখেই বোঝা যায়, স্বাধীনতা আসলে এত সহজে আসেনি; একটা নৌকার ভেতরেও যেন পুরো বাংলার চেহারা।

হুমায়ুন ফরীদিকে তো ভুলার মতো নয়। তিনি এখানে একদম অন্যরকম। চরিত্রটা ছোট, কিন্তু দারুণ। তাঁর মুখের ভাব, হাসি আর সেই ক্লান্ত চোখ—এসব বারবার ভাবায়। আর বিপাশা হায়াত! তাঁর অভিনয় দেখে আমার চোখ ভিজে গিয়েছিল। একবার একটা দৃশ্যে তিনি নৌকা থেকে নেমে নদীতে দাঁড়িয়ে, পেছন থেকে ডাকছে সবাই, আর তিনি যেন পৃথিবীর সব দুঃখ চোখে ধরে রেখেছেন। সেটা ভোলার না।

ছবিটা বানানোয় অন্যরকম এক সততা আছে। তৌকীর আহমেদ নিজের শৈশবের অভিজ্ঞতা থেকে লিখেছেন, আর সেটা আপনি দৃশ্যে দৃশ্যে টের পাবেন। যুদ্ধের রক্ত-গোলাগুলি দেখানোর চেয়ে তিনি বেছে নিয়েছেন মানুষের চোখের ভাষা। নদীর পানি, কাশবন, গ্রাম বাংলার নির্মল সৌন্দর্য আর তার মধ্যেই বেঁচে থাকার সংগ্রাম—এসব দেখলে মনে হয়, আমরা যেন আমাদেরই কোনো হারানো আত্মীয়ের গল্প দেখছি। তবে সত্যি বলতে, প্রথমবার দেখার সময় আমার কাছে কিছু দৃশ্য ধীর লেগেছিল। সিনেমাটার গতি একটু থিতু। কিন্তু পরে বুঝেছি, ওই ধীরগতির ভেতরেই আসলে গল্পের স্পন্দন লুকানো ছিল। যুদ্ধের সময় তো আর রেসের গল্প নয়, সময় থমকে যায় মানুষের জন্য।

একদম শেষের দিকের দৃশ্যটা এখনো চোখে ভাসে। নৌকাটা যখন পৌঁছে যায়, সবাই ছড়িয়ে যায়। কিন্তু তাদের মুখে স্বস্তি নেই, আছে একটা ফাঁকা ফাঁকা ভাব। কারণ, যুদ্ধ শেষ হলেও ক্ষত থেকে যায়। সিনেমাটা আমাকে শিখিয়েছে, বিজয় মানে শুধু আনন্দ নয়, অনেকের জন্য বিজয় মানে ফিরে পাওয়া ঘরবাড়ি না, বরং না পাওয়ার হিসেব। আমার মতে, “জয়যাত্রা” সেই সব সিনেমার মতো না যেগুলো দেখে আপনি হাততালি দেবেন। এটা দেখে আপনি চুপ হয়ে যাবেন, কিছুক্ষণ শুধু বসে থাকবেন। আর হয়তো ভাববেন আমরা যে আজ কথা বলছি, লিখছি, এ দেশে আছি, এটার দাম কত ছিল।

মুক্তিযুদ্ধের অন্যান্য সিনেমার এটি আলাদা এই অর্থে—এখানে বীর নেই, আছে শুধু মানুষ। আর সেই মানুষগুলোর গল্প বলাটাই আসল সাহস।

নিহার রন্জন মুখার্জী

বিজিই ২৩

সেগমেন্ট: ছোট গল্প গল্পের নাম: ধরলা নদীর স্রোতে ভেসে যাওয়া দিন কুড়িগ্রামের ধরলার নদীর পাড়ের একটা ছোট গ্রাম।  অনেক সহজ সর...
26/03/2026

সেগমেন্ট: ছোট গল্প
গল্পের নাম: ধরলা নদীর স্রোতে ভেসে যাওয়া দিন

কুড়িগ্রামের ধরলার নদীর পাড়ের একটা ছোট গ্রাম। অনেক সহজ সরল মানুষ গুলোর জীবন যাত্রা। ধরলা নদী স্রোতের সাথে তাদের জীবন যাত্রাও ছুটে চলে। গ্রামের রাস্তায় এখনও দেখা যায় গরু, মহিষের গাড়ি। ছোট বেলাটা কেটে গেছে এই গ্রামের পথে প্রান্তে ঘুরে ঘুরে। সকাল বেলা উঠে বাইরে পড়তে বসতাম, দাদু মাঝে মাঝে পড়ায় দিতো। স্কুলে যাওয়ার আগে বাড়ির আঙ্গিনায় রাবারের বল দিয়ে ক্রিকেট খেলতাম বাড়ির পাশের সব বন্ধদের নিয়ে। কখনও বাতাবিলেবুকে ফুটবল বানায় খেলা শুরু, আবার কখনও প্লাস্টিকের প্যাকেটে ধানের খড় দিয়ে বানানো হতো ফুটবল। খেলা শেষে পুকুরে গোসল, কে সাতার কেটে সবার আগে পুকুরের এপার থেকে ওপারে যেতে পারবে, ডুব দিয়ে পুকুরের নিচ থেকে মাটি তুলে নিয়ে আসতে পারবে। স্কুলেও অনেক ভালো সময় ছিলো। পড়াশোনায় সেরকম মনোযোগ দিতে না পারলেও খেলাধুলায় মনোযোগ একটু বেশি ছিলো।স্কুল শেষে ঘন্টা বাজলেই দৌড় দিতাম বাড়ি দিকে, মনের ভিতর একটাই চিন্তা খেলতে যেতে হবে। খেলার মাঠ আমাদের অনেক ছিলো, কখনো পাশের গ্রামে যাইতাম খেলতে আবার কখনও ধরলা নদীর পাড়ের চরে ফুটবল খেলতে যাইতাম। ধরলা নদীতে মাছ ধরতে যেতাম মাঝে মাঝে। মাছ ধরার যেন এক উৎসব চলতো। গ্রামের সব ছেলেরাই যেত মাছ ধরতে। এক সাথে সবাই নদীতে নেমে যেতো মাছ ধরতে। প্রায় প্রতি বছর আমাদের গ্রামে বন্যা হতো, বন্যা আসলে আমরা অনেক খুশি হইতাম,কারণ স্কুল ছুটি থাকবে কিছুদিন। বন্যার পানিতে মাছ ধরা দেখতে যেতাম। পাট শুকানোর সময় কলাগাছ দিয়ে ইটভাটা গ্রামের কে না বানাতো। সব থেকে মজার ছিলো শীতকালের সকালবেলাটা। সকালে উঠে আগুন পোহাতে বসে শীতে পিঠা খাওয়া হতো। শীতকালে ধান ক্ষেতে ক্রিকেট খেলাটা যেন এখন শুধুই অতীতের স্মৃতি।
ছোট বেলাটা যেন এক রুপকথার গল্পের মতো কেটে গেছে। আজ গ্রাম থেকে অনেক দূরে থাকা হয়, গ্রামের সেই বন্ধু গুলোকে আর দেখা যায় না। সবাই ব্যস্ত নিজের মতো। আমি এখনও খুঁজি আমার সেই হারিয়ে যাওয়া ছোট বেলাটা।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেটে গেছে ৪ বছরের বেশি সময়। ক্যাম্পাসে যখন ২০২২ সালে আসলাম, ভালো লাগতো না ক্যাম্পাস। সব সময় চিন্তা করতাম যদি রংপুরে থাকতে পারতাম তাহলে প্রতি সপ্তাহে বাড়িতে যেতাম। তারপর উত্তর বঙ্গ খুঁজে পেলাম জিআরডিএতে এসে। এলাকার ভাষায় কথা বলতে পারতাম। মানুষগুলোকে নিজের নামের থেকে বেশি আপন মনে হতো। জিআরডিয়ানদের সাথে কেটে গেছে ক্যাম্পাসে ৪ টা বছর। তারাই যেন খুলনায় একটুকরো উত্তরবঙ্গ বানায় রাখছে। যেখানে গেলে নিজেকে খুঁজে পাওয়া যায় উত্তরবঙ্গে।

আরিফ রায়হান আপন
বিজিই-২১

"কথা সংগ্রহ উৎসব-২০২৬" প্রতিযোগিতার তিনটি সেগমেন্টের সাবমিশনের শেষদিন আজ। কিন্তু কয়েকজন প্রতিযোগীর এখনো তাদের লিখন শেষ ন...
25/03/2026

"কথা সংগ্রহ উৎসব-২০২৬" প্রতিযোগিতার তিনটি সেগমেন্টের সাবমিশনের শেষদিন আজ। কিন্তু কয়েকজন প্রতিযোগীর এখনো তাদের লিখন শেষ না হওয়ায় আমরা "কথা সংগ্রহ উৎসব-২০২৬" প্রতিযোগিতার সময়সীমা আগামীকাল ২৬শে মার্চ সন্ধ্যা ৬:০০ ঘটিকা অবদি রেখা হচ্ছে। এখনো যারা অংশগ্রহণ করেননি কিংবা পুনরায় অন্য সেগমেন্টে অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক তাদেরকে আগামীকাল সন্ধ্যা ৬:০০ ঘটিকার মধ্যে সাবমিশনের জন্য বিশেষভাবে বলা হচ্ছে ।
ইতোপূর্বে যারা বিভিন্ন সেগমেন্টে অংশগ্রহণ করেছেন সকলকে Greater Rangpur-Dinajpur Student Welfare Association, Khulna University এর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ!

📧 ইমেইল: [email protected]

🌐 ফেসবুক পেজ লিঙ্ক:
https://www.facebook.com/share/18NB1xGzJJ/

📱 WhatsApp গ্রুপ ইনভাইটেশন লিঙ্ক:
https://chat.whatsapp.com/GonZKxfP8D29dpNYnrIL7U?mode=hqctswa

💡 প্রত্যেক পার্টিসিপেন্ট আমাদের WhatsApp গ্রুপে এড হবেন!

25/03/2026

সেগমেন্ট: কবিতা আবৃতি

নাম:পার্থিব রায়,
আইডি:240704
ডিসিপ্লিন ও ব্যাচ:BGE-25,

25/03/2026

সেগমেন্ট: কবিতা আবৃতি

সৌরভ রায়
ভাস্কর্য ডিসিপ্লিন, ২২ ব্যাচ

24/03/2026

সেগমেন্ট: কবিতা আবৃতি

নাম: বিষ্ণু সাহা
ডিসিপ্লিন: আর্কিটেকচার,
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

23/03/2026

সেগমেন্ট: কবিতা

নাম: অনিন্দিতা বিশ্বাস
ডিসিপ্লিন: এনভাইরোনমেন্টাল সায়েন্স
ব্যাচ : ২৩ ব্যাচ

Address

Khulna University
Khulna
9100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Greater Rangpur-Dinajpur Student Welfare Association, Khulna University posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Greater Rangpur-Dinajpur Student Welfare Association, Khulna University:

Share