Darus-Salaam Masjid

Darus-Salaam Masjid Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Darus-Salaam Masjid, Charitable organisation, Lp Square, Chittrali Bazar, khalishpur, Khulna.

তাকবিরে তাশরিক একটি ওয়াজিব আমল।আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন,ﻭَ ﺍﺫْﻛُﺮُﻭﺍ ﺍﻟﻠّٰﻪَ ﻓِﯽْۤ ﺍَﯾَّﺎﻡٍ ﻣَّﻌْﺪُﻭْﺩٰﺕٍ অর্থাৎ আর তোম...
18/06/2024

তাকবিরে তাশরিক একটি ওয়াজিব আমল।
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন,

ﻭَ ﺍﺫْﻛُﺮُﻭﺍ ﺍﻟﻠّٰﻪَ ﻓِﯽْۤ ﺍَﯾَّﺎﻡٍ ﻣَّﻌْﺪُﻭْﺩٰﺕٍ

অর্থাৎ আর তোমরা আল্লাহকে স্মরণ কর (আইয়ামে তাশরীকের) নির্দিষ্ট দিনগুলোতে।সূরা বাকারা (১) : ২০৩

একাধিক সাহাবা-তাবেয়ীন থেকে প্রমাণিত আছে যে, তারা নয় তারিখ আরাফার দিন ফজর থেকে তের তারিখ আসর পর্যন্ত তাকবীর পড়তেন। তন্মধ্যে হলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব, আলী ইবনে আবি তালিব,আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. যুহরী, মাকহুল, সুফিয়ান সাওরীসহ প্রমুখ সাহাবা-তাবেয়ীগণ।
তাকবীরে তাশরীকের জন্য বিভিন্ন শব্দ হাদীসে উল্লেখ হয়েছে। তন্মধ্যে সর্বোত্তম ও সর্বজনবিদিত পাঠ হল,
ﺍﻟﻠﻪ ﺃﻛﺒﺮ، ﺍﻟﻠﻪ ﺃﻛﺒﺮ، ﻻ ﺇﻟﻪ ﺇﻻﺍﻟﻠﻪ ﻭﺍﻟﻠﻪ ﺃﻛﺒﺮ، ﺍﻟﻠﻪ ﺃﻛﺒﺮ ﻭﻟﻠﻪ ﺍﻟﺤﻤﺪ .
মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, হাদীস ৫৬৯৬-৯৯; আল আওসাত, ইবনে মুনযির ৪/৩৪৯; এলাউস সুনান ৮/১৫৬; বাদায়েউস সানায়ে ১/৪৫৮
,
নয় যিলহজ্ব হতে তের যিলহজ্ব আছর পর্যন্ত মোট তেইশ ওয়াক্তের নামাযের পর একবার করে তাকবীরে তাশরীক বলা ওয়াজিব। জামাতে নামায পড়া হোক বা একাকি, পুরুষ বা নারী, মুকীম বা মুসাফির সকলের উপর ওয়াজিব।
, ﻋﻦ ﺑﻦ ﻋﺒﺎﺱ : ﺃﻧﻪ ﻛﺎﻥ ﻳﻜﺒﺮ ﻣﻦ ﻏﺪﺍﺓ ﻳﻮﻡ ﻋﺮﻓﺔ ﺇﻟﻰ ﺁﺧﺮ ﺃﻳﺎﻡ ﺍﻟﺘﺸﺮﻳﻖ
হযরত ইবনে আব্বাস রাঃ আরাফার দিন তথা ৯ ই জিলহজ্বের ফজর থেকে আইয়ামে তাশরীকের শেষ দিন পর্যন্ত পর্যন্ত তথা ১৩ ই জিলহজ্ব [আসর নামায] পর্যন্ত তাকবীরে তাশরীক পড়তেন। {সুনানে বায়হাকী কুবরা, হাদীস নং-৬০৭১, মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস নং-৫৬৮১}

শুধু পাঁচ ওয়াক্ত ফরযের পর তাকবীরে তাশরীক পড়তে হবে। বিতরের পর এবং অন্য কোনো সুন্নাত বা নফলের পরে পড়ার নিয়ম নেই।
,
তাকবিরে তাশরিকের পটভূমি
বোখারি শরিফের ব্যাখ্যাকার আল্লামা বদরুদ্দীন আইনি (রহ.) বলেন, ‘যখন হজরত ইবরাহিম (আ.) স্বীয় পুত্র ইসমাইলকে জবেহের উদ্দেশ্যে গলায় ছুরি রাখলেন, এদিকে আল্লাহ তায়ালার নির্দেশে হজরত জিবরাইল (আ.) আসমান থেকে একটি দুম্বা নিয়ে দুনিয়াতে আগমন করছিলেন। কিন্তু জিবরাইল (আ.) এর আশঙ্কা ছিলÑ তিনি দুনিয়ায় পৌঁছার আগেই ইবরাহিম (আ.) জবাই পর্ব সমাপ্ত করে বসবেন। ফলে তিনি আসমান থেকে উঁচু আওয়াজে বলে উঠলেন ‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার।’ ইবরাহিম (আ.) আওয়াজ শুনে আসমানের দিকে নজর ফিরাতেই দেখতে পেলেন জিবরাইল (আ.) একটি দুম্বা নিয়ে আগমন করছেন। ফলে তিনি স্বতঃস্ফূর্তভাবে বলে উঠলেন, ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবর।’ পিতার কণ্ঠে এই কালেমা শুনতেই ইসমাইল (আ.) উচ্চারণ করলেন, ‘আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।’ একজন ফেরেশতা আর দুজন আল্লাহর নবীর এ বাক্যমালা আল্লাহ তায়ালার খুব পছন্দ হয়। তাই কেয়ামত পর্যন্ত এই বাক্যমালাকে আইয়ামে তাশরিকে প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর পড়াকে ওয়াজিব করে দিয়েছেন। (ফাতাওয়া শামি : ২/১৭৮)।
২৩৫ নং ফতোয়া

রোববার (১৬ জুন ২০২৪, ৯ জিলহজ) ফজর থেকে শুক্রবার (২০ জুন ২০২৪, ১৩ জিলহজ) আসর পর্যন্ত দিনগুলোকে তাশরিকের দিন।

তাকবিরে তাশরিক সংক্রান্ত মাসায়েল

১. নারীরা এই তাকবিরে তাশরিক নীচু স্বরে আদায় করবেন। উচ্চস্বরে নয়। (হাশিয়া তাহতাবী ১/৩৫৭)

২. ইমাম তাকবির বলতে ভুলে গেলে মুক্তাদিরা ইমামের জন্য অপেক্ষা না করে নিজেরা তাকবির বলবেন। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/১৫২)

৩. প্রত্যেক ফরজ নামাজের সালামের পর পরই কোনো কথাবার্তা বা নামাজ পরিপন্থি কোনো কাজ করার আগেই তাকবিরে তাশরিক পড়তে হবে। (রদ্দুল মুহতার ২/১৮০)

৪. কোনো সময় সবাই বা কেউ কেউ তাকবির বলতে ভুলে গেলে এবং মসজিদ থেকে বের হওয়ার আগেই মনে পড়লে তাকবির আদায় করে নিতে হবে। আর যদি মসজিদ থেকে বের হয়ে যায় তাহলে এই ওয়াজিব ছুটে যাবে। এই ওয়াজিবের কোনো কাজা নেই এবং ওয়াজিব ছেড়ে দেওয়ার কারণে ওই ব্যক্তি গোনাহগার হবেন। (মাবসুত সারাখসী ২/৪৫)

৫. তাশরিকের দিনগুলোতে কোনো ফরজ নামাজ কাজা হয়ে গেলে ওই দিনগুলোর মধ্যে তার কাজা আদায় করলে তাকবির বলা ওয়াজিব। কিন্তু এই কাজা পরবর্তীতে অন্য সময় আদায় করলে তাকবির বলা ওয়াজিব নয়। একই সঙ্গে ৯ জিলহজের আগের কোনো নামাজ তাশরিকের নির্ধারিত দিনগুলোতে আদায় করলে তাকবির বলা ওয়াজিব নয়। (বাদায়েউস সানায়ে ১/৪৬৪)

৬. কোনো ব্যক্তির যদি জামায়াতে নামাজ আদায়কালে প্রথম দিকে এক বা একাধিক রাকাত ছুটে যায়, তাহলে ইমাম সাহেব সালাম ফেরানোর পর ওই ব্যক্তি দাঁড়িয়ে নিজের নামাজ আদায় করার পর তাকবিরে তাশরিক বলবেন।

تقبل الله منا ومنكمতাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম। আল্লাহ সুবহানু তাআলা আমাদের নেক আমল,  ভাল কাজ গুলো কবুল করুন'।...
17/06/2024

تقبل الله منا ومنكم

তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।

আল্লাহ সুবহানু তাআলা আমাদের নেক আমল,
ভাল কাজ গুলো কবুল করুন'।
❤️❤️ ঈদ মুবারাক ❤️❤️

সুরা হাশরের শেষ তিন আয়াত ( বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ) هُوَ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَ...
07/06/2024

সুরা হাশরের শেষ তিন আয়াত ( বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ)

هُوَ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ هُوَ الرَّحْمَنُ الرَّحِيمُ (22) هُوَ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْمَلِكُ الْقُدُّوسُ السَّلَامُ الْمُؤْمِنُ الْمُهَيْمِنُ الْعَزِيزُ الْجَبَّارُ الْمُتَكَبِّرُ سُبْحَانَ اللَّهِ عَمَّا يُشْرِكُونَ (23) هُوَ اللَّهُ الْخَالِقُ الْبَارِئُ الْمُصَوِّرُ لَهُ الْأَسْمَاءُ الْحُسْنَى يُسَبِّحُ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ [الحشر:22-24]

উচ্চারণ : হুআল্লা হুল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়া, আলিমুল গাইবী ওয়াশ শাহাদাদি, হুয়ার রাহমানুর রাহিম। হুআল্লা হুল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল মালিকুল কুদ্দুসুস সালামুল মু’মিনুল মুহাইমিনুল আজিজুল জাব্বারুল মুতাকাব্বির। ছুবহানাল্লাহি আম্মা য়ুশরিকুন। হুআল্লাহুল খালিকুল বা-রিউল মুছাওয়িরু লাহুল আসমাউল হুসনা। ইউছাব্বিহু লাহু মা ফিস-সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্; ওয়া হুয়াল আজিজুল হাকিম।

অর্থ : ‘তিনিই আল্লাহ তাআলা, যিনি ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই; তিনি দৃশ্য ও অদৃশ্যকে জানেন, তিনি পরম দয়ালু, অসীম দাতা।’ (২২) ‘তিনিই আল্লাহ তিনি ব্যতিত কোনো উপাস্য নেই। তিনিই একমাত্র মালিক, পবিত্র, শান্তি ও নিরাপত্তাদাতা, আশ্রয়দাতা, পরাক্রান্ত, প্রতাপান্বিত, মাহাত্মশীল। তারা যাকে অংশীদার করে আল্লাহ তা' আলা তা থেকে পবিত্র।’ (২৩) ‘তিনিই আল্লাহ তাআলা, স্রষ্টা, উদ্ভাবক, রূপদাতা, উত্তম নামগুলো তারই। নভোমণ্ডলে ও ভূমণ্ডলে যা কিছু আছে, সবই তার পবিত্রতা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাময়। (সুরা হাশর, আয়াত : ২৪)

সুরা হাশরের শেষ তিন আয়াতের ফজিলত সম্পর্কে বিভিন্ন হাদিস বর্ণিত হয়েছে। মাকাল বিন ইয়াসার (রা,) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি সকাল বেলা তিন বার “আউজুবিল্লাহিস সামীয়িল আলীমি মিনাশ শাইতানির রাজীম” পড়বে। এরপর সুরা হাশরের শেষ তিন আয়াত তিলাওয়াত করবে। আল্লাহ তাআলা উক্ত ব্যক্তির জন্য ৭০ হাজার ফেরেস্তা নিযুক্ত করেন; যারা উক্ত ব্যক্তির জন্য সন্ধ্যা পর্যন্ত মাগফিরাতের দোয়া করতে থাকে। আর এ সময়ের মাঝে যদি লোকটি মারা যায়, তাহলে সে শহীদের মৃত্যু লাভ করবে। আর যে ব্যক্তি এটি সন্ধ্যার সময় পড়বে, তাহলে তার একই মর্যাদা রয়েছে।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৩০৯০; আবু দাউদ, হাদিস : ২৯২২; মুসনাদ আহমদ, হাদিস : ১৯৭৯৫; কানজুল উম্মাল, হাদিস : ৩৫৯৭)

"যে ব্যক্তি পছন্দ করে যে, সে দোযখ থেকে নিস্তার লাভ করে জান্নাত প্রবেশ করবে সে ব্যক্তির জন্য উচিত, যেন তার মৃত্যু তার কাছ...
07/06/2024

"যে ব্যক্তি পছন্দ করে যে, সে দোযখ থেকে নিস্তার লাভ করে জান্নাত প্রবেশ করবে সে ব্যক্তির জন্য উচিত, যেন তার মৃত্যু তার কাছে সেই সময় আসে, যে সময় সে আল্লাহতে ও পরকালে ঈমান রাখে। আর লোকেদের সাথে সেইরূপ ব্যবহার করে যেরূপ ব্যবহার সে নিজের জন্য পছন্দ করে।"( মুসলিম৪৮৮২)

সূরা আল ফাতিহা (অনুবাদ ও অর্থ সহ)-এর মর্যাদা, বৈশিষ্ট্য ও ফযিলত সমূহ:(সূরা আল ফাতিহা, কুরআন মাজীদে সূরা নং-১, আয়াত-৭, মক...
26/05/2024

সূরা আল ফাতিহা
(অনুবাদ ও অর্থ সহ)-এর মর্যাদা, বৈশিষ্ট্য ও ফযিলত সমূহ:

(সূরা আল ফাতিহা, কুরআন মাজীদে সূরা নং-১, আয়াত-৭, মক্কায় অবতীর্ণ)
(سورة الفاتحة ) সূরা আল ফাতিহা :

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

উচ্চারণ : বিসমিল্লাহির রহমা-নির রহী-ম।

অনুবাদ : শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়,অতি দয়ালু।
In the name of Allah, Most Gracious, Most Merciful.

الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ

উচ্চারণ : আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল ‘আলামীন।

অনুবাদ : যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ্ তা’আলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।

Praise be to Allah, the Cherisher and Sustainer of the worlds;

الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

উচ্চারণ : আররহমা-নির রহী-ম।

অনুবাদ : যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।

Most Gracious, Most Merciful;

مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ

উচ্চারণ : মালিকি ইয়াউমিদ্দী-ন।

অনুবাদ : বিচার দিনের একমাত্র অধিপতি।

Master of the Day of Judgment.

إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ

উচ্চারণ : ইয়্যা-কা না’বুদু ওয়া ইয়্যা-কা নাস্তা‘ঈ-ন।

অনুবাদ: আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।

Thee do we worship, and Thine aid we seek.

اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ

উচ্চারণ : ইহ্দিনাস সির-ত্ব’ল মুস্তাকী-ম।

অনুবাদ : আমাদের সরল পথ দেখাও।

Show us the straight way,

صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّين

উচ্চারণ : সির-ত্বল্লাযী-না আন‘আমতা ‘আলাইহিম। গইরিল মাগদ্বূ-বি ‘আলাইহিম ওয়ালাদ্দ্ব-ল্লী-ন।

অনুবাদ : সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।

The way of those on whom Thou hast bestowed Thy Grace, those whose (portion) is not wrath, and who go not astray.

পবিত্র কুরআন শরীফের গুরুত্বপূর্ণ সূরা ফাতিহা। এ সূরার মাধ্যমেই সূচনা হয়েছে পবিত্র কুরআনের। সূরাটিকে আল কুরআনের সার সংক্ষেপও বলা হয়। এ সূরা নাযিল হয়েছে মানুষের সার্বিক কল্যাণ মুক্তি ও পথ প্রদর্শক হিসেবে। সূরাটি ফজিলত ও বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে অন্য সব সূরার আলাদা।

সূরা ফাতিহার বৈশিষ্ট্য :

১) সূরা ফাতিহা কুরআনের সর্বাধিক মর্যাদাপূর্ণ সূরা। তাওরাত, যবুর, ইনজিল, কুরআন কোনো কিতাবে এই সূরার তুলনীয় কোন সূরা নেই। (বুখারি, মিশকাত - ২১৪২)।

২) সূরা ফাতিহা এবং সূরায়ে বাক্বারাহ’র শেষ তিনটি আয়াত হল আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত বিশেষ নূর, যা ইতিপূর্বে কোনো নবীকে দেওয়া হয়নি। (মুসলিম শরীফ ৮০৬)

৩) যে ব্যক্তি নামাজে সূরা ফাতিহা পাঠ করল না, তার ছালাত অপূর্ণাঙ্গ। রসূলুল্লাহ্ (স:)-এ কথাটি তিনবার বললেন। (মিশকাত - ৮২৩)।

৪) আবু সা‘ঈদ খুদরী (রা:) বলেন, একবার এক সফরে আমাদের এক সাথী জনৈক গোত্র পতিকে শুধুমাত্র সূরায়ে ফাতিহা পড়ে ফুঁ দিয়ে সাপের বিষ ঝাড়েন এবং তিনি সুস্থ হন। (বুখারি - ৫৪০৫)।

সুরা ফাতিহার বিশেষ মর্যাদা হলো, আল্লাহ্ এটিকে নিজের ও নিজের বান্দার মধ্যে ভাগ করে নিয়েছেন। একে বাদ দিয়ে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা সম্ভব নয়। সেজন্যই এর নাম দেয়া হয়েছে ‘উম্মুল কুরআন’। পবিত্র কুরআন মূলত তিনটি বিষয়ে বিন্যস্ত। তাওহীদ, আহকাম ও নছীহত। সূরায়ে ইখলাছে ‘তাওহীদ’ পূর্ণাঙ্গভাবে থাকার কারণে তা কুরআনের এক তৃতীয়াংশের মর্যাদা পেয়েছে। কিন্তু সূরায়ে ফাতিহায় তিনটি বিষয় একত্রে থাকার কারণে তা ‘উম্মুল কুরআন’ হওয়ার মহত্তম মর্যাদা লাভে ধন্য হয়েছে। (তাফসীরে কুরতুবী - ১৪৮)।

সূরা ফাতিহার ফজিলত :

সুরা ফাতিহার ফজিলত অপরিসীম। এর ফযীলত সম্পর্কে অনেক হাদীছ বর্ণিত হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি নিন্মরূপ।

১) উবাই ইবনু কা‘ব (রা:) বলেন, রসূলুল্লাহ (স:) বলেছেন, ‘আল্লাহ্ উম্মুল কুরআনের মত তাওরাত ও ইনজিলে কিছু নাযিল করেননি। এটিকেই বলা হয়, ‘আস-সাব‘উল মাছানী’ (বারবার পঠিত সাতটি আয়াত), যাকে আমার ও আমার বান্দার মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে। আর আমার বান্দার জন্য তাই রয়েছে, সে যা চাইবে’। - (নাসায়ী শরীফ - ৩১৯)।

২) আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ الله ﷺ مَنْ صَلّى صَلَاةً لَمْ يَقْرَأْ فِيهَا بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَهِيَ خِدَاجٌ

ثَلَاثًا غَيْرُ تَمَامٍ فَقِيلَ لِأَبِي هُرَيْرَةَ إِنَّا نَكُونُ وَرَاءَ الْإِمَامِ فَقَالَ اقْرَأْ بِهَا فِي نَفْسِكَ فَإِنِّي

سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ يَقُولُ قَالَ اللّهُ تَعَالى قَسَمْتُ الصَّلَاةَ بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي نِصْفَيْنِ وَلِعَبْدِي

مَا سَأَلَ فَإِذَا قَالَ الْعَبْدُ ﴿الْحَمْدُ لِلّهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ﴾ قَالَ اللّهُ تَعَالى حَمِدَنِي عَبْدِي وَإِذَا قَالَ

﴿الرَّحْمنِ الرَّحِيْمِ﴾ قَالَ اللّهُ تَعَالى أَثْنى عَلَيَّ عَبْدِي وَإِذَا قَالَ ﴿مَالِكِ يَوْمِ الدِّيْنِ﴾ قَالَ مَجَّدَنِي

عَبْدِي وَاِذَا قَالَ ﴿إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِيْنُ﴾ قَالَ هذَا بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ فَإِذَا

قَالَ ﴿اِهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيْمَ ۝ صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوْبِ عَلَيْهِمْ وَلَا

الضَّالِّيْنَ﴾ قَالَ هَذَا لِعَبْدِي وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (স:) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সলাত আদায় করল কিন্তু এতে উম্মুল কুরআন অর্থাৎ সুরাহ্ ফাতিহাহ্ পাঠ করল না তাতে তার সলাত “অসম্পূর্ণ” রয়ে গেল। এ কথা তিনি তিনবার বললেন। এ কথা শুনে কেউ আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন, আমরা যখন ইমামের পিছনে সলাত আদায় করব তখনও কি তা পাঠ করব? উত্তরে তিনি বললেন, হাঁ তখনও তা পাঠ করবে নিজের মনে মনে। কারণ আমি রাসূলুল্লাহ্ (স:)-কে বলতে শুনেছি, “আল্লাহ্ বলেছেন, আমি ‘সলাত’ অর্থাৎ, সূরাহ্ ফাতিহাকে আমার ও আমার বান্দার মধ্যে অর্ধেক অর্ধেক ভাগ করেছি, (এভাবে যে, হামদ ও ছানা আমার জন্য আর দু‘আ বান্দার জন্য)। আর বান্দা যা চায় তা তাকে দেয়া হয়। বান্দা বলে, সব প্রশংসা আল্লাহর যিনি সমস্ত জাহানের প্রতিপালক। তখন আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন, আমার বান্দা আমার প্রশংসা করল। যখন বান্দা বলে, আল্লাহ্ বড় মেহেরবান ও পরম দয়ালু, আল্লাহ্ তখন বলেন, আমার বান্দা আমার গুণগান করল। বান্দা যখন বলে, আল্লাহ্ ক্বিয়ামাতের দিনের হাকীম, তখন আল্লাহ্ বলেন, আমার বান্দা আমাকে সম্মান প্রদর্শন করল। বান্দা যখন বলে, (হে আল্লাহ!) আমরা একমাত্র তোমারই ‘ইবাদাত করি এবং তোমার কাছেই সাহায্য কামনা করি, তখন আল্লাহ্ বলেন, এটা আমার ও আমার বান্দার মধ্যকার ব্যাপার (‘ইবাদাত আল্লাহর জন্য আর দু‘আ বান্দার জন্য)। আর আমার বান্দা যা চাইবে তা সে পাবে। বান্দা যখন বলে, (হে আল্লাহ)! তুমি আমাদেরকে সহজ ও সরল পথে পরিচালিত কর। সে সমস্ত লোকের পথে, যাদেরকে তুমি নি‘আমাত দান করেছ। তাদের পথে নয়, যাদের প্রতি তোমার গযব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে। তখন আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন, এটা আমার বান্দার জন্য, আর বান্দা যা চাইবে, সে তাই পাবে। - (মিশকাত হাদীস - ৮২৩, তিরমিযী -২৯৫৩)

৩) ইবনে আব্বাস (রা:) বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (স:)-এর কাছে জিবরাঈল (আ:) উপস্থিত ছিলেন। হঠাৎ জিবরাঈল (আ:) ওপর দিকে এক শব্দ শুনতে পেলেন এবং চক্ষু আকাশের দিকে করে বললেন, এ হচ্ছে আকাশের একটি দরজা যা পূর্বে কোনদিন খোলা হয়নি। সে দরজা দিয়ে একজন ফেরেশতা অবতীর্ণ হলেন এবং রসূলুল্লাহ (স:)-এর কাছে এসে বললেন, ‘আপনি দু’টি নূরের সুসংবাদ গ্রহণ করুন। যা আপনাকে প্রদান করা হয়েছে। তা আপনার পূর্বে কোন নবীকে প্রদান করা হয়নি। তা হচ্ছে সূরা ফাতিহা এবং সূরা বাক্বারাহর শেষ দু’আয়াত। (মিশকাত - ২১২৪)।

এই সূরাটির ফযীলত ও গুরুত্ব অপরিসীম। আল্লাহ্ যেন আমাদের সকলকেই সূরা ফাতিহার আমল করে সে অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করার তাওফীক দান করেন। আমীন!

বি:দ্র: ভুল হওয়া মানুষের স্বভাবের মধ্যে একটি স্বভাব। আমরা আমাদের সাধ্যানুযায়ী কুরআন সুন্নাহর আলোকে বিভিন্ন কিতাব থেকে তথ্য সংগ্রহপূর্বক এ প্রকাশনাকে সুন্দর সাবলীল ও ত্রুটি মুক্ত রেখে আপনাদের মাঝে দ্বীনের খেদমত হিসেবে উপষ্থাপন করার চেষ্টা করেছি। তারপরও অসাবধানতাবশত কিছু অসংগতি থেকে যাওয়া অসম্ভব নয়। সুতারাং কারো দৃষ্টিতে কোনো অসংগতি ধরা পরলে আমাদেরকে অবগত করার অনুরোধ করছি। ভুল হলে সংশোধন করার অনুরোধ রইল । ইন শা আল্লাহ্ পরবর্তী সংষ্করণে তা সংষোধন করে নেব।

আল্লাহ্ তা‘আলা এ প্রকাশনাকে কবুল করুন । আমীন , ইয়া রব্বুল আলামীন।

মহান আল্লাহ বলেন, ‘যদি তোমরা প্রকাশ্যে দান-সদকা করো, তবে তা কতই না উত্তম। আর যদি গোপনে ফকির-মিসকিনকে দান করে দাও, তবে আর...
16/05/2024

মহান আল্লাহ বলেন, ‘যদি তোমরা প্রকাশ্যে দান-সদকা করো, তবে তা কতই না উত্তম। আর যদি গোপনে ফকির-মিসকিনকে দান করে দাও, তবে আরো বেশি উত্তম। এর মাধ্যমে আল্লাহ তোমাদের মন্দগুলো মোচন করে দেবেন। তোমরা যা করো আল্লাহ তা অবগত আছেন।’ (সূরা বাকারা, আয়াত-২৭১)

হজরত আবু হুরায়রা রা: বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসূল সা: বলেন, ‘যখন কোনো ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে, তার সব আমল বন্ধ হয়ে যায়, তিনটি ব্যতীত- সদকায়ে জারিয়া, উপকারী জ্ঞান অথবা সৎকর্মশীল সন্তান যে তার জন্য দোয়া করে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস-১৬৩১)। ইমাম আন-নববী রহ: এই হাদিসটির ওপর মন্তব্য করতে গিয়ে বলেছেন, ‘সদকায়ে জারিয়া হলো ওয়াকফ।’ (শরহে মুসলিম-১১/৮৫)

‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি, তোমরা জাহান্নাম হতে আত্মরক্ষা কর এক টুকরা খেজুর সাদাকা করে হলেও। (সহিহ বুখারী ১৪১৩ তাওহিদ পাবলিকেসন) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৩৩১)

আসসালামু আলাইকুম,তাহিয়্যাতুল ওজু সম্পর্কিত হাদিস---------‘ওজু’ আরবি শব্দ। অর্থ পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও স্বচ্ছ। পারিভাষিক অর...
07/05/2024

আসসালামু আলাইকুম,

তাহিয়্যাতুল ওজু সম্পর্কিত হাদিস---------

‘ওজু’ আরবি শব্দ। অর্থ পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও স্বচ্ছ। পারিভাষিক অর্থে বিশেষ নিয়মে বিভিন্ন অঙ্গ ধৌত করাকে ওজু বলা হয়। ওজু নামাজের অপরিহার্য শর্ত।
ওজু বা গোসলের পর দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করা-এটাই হলো তাহিইয়্যাতুল ওজু। সেটা ওজু করার পর পরই পড়তে হয়।দিনে রাতে সব সময় ই এ নামাজ আদায় করা যায়। তাহিয়্যাতুল ওজু বা ওজুর অভিবাদন হলো দুই রাকাত নামাজ। এ নামাজের মাধ্যমে বান্দার গুনাহ মাফ হয় এবং মর্যাদা বৃদ্ধি পায়।
ইসলামের তৃতীয় খলিফা উসমান (রা.)। একদিন তিনি ওজুর পানি চাইলেন। ওজু শুরু করে—তিনবার সুন্দর করে দুই হাতের কব্জি পর্যন্ত ধুলেন। তারপর তিন বার কুলি করলেন। নাকে পানি দিয়ে নাক পরিষ্কার করলেন। এরপর তিন বার চেহারা ধুলেন। দুই হাতের কনুই পর্যন্ত ভালোভাবে তিনবার ধুলেন। তারপর মাথা মাসেহ করলেন এবং টাখনু পর্যন্ত পা তিনবার ধৌত করলেন। এরপর বললেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি এভাবে (সুন্দর করে) ওজু করবে, তারপর দুই রাকাত নামাজ আদায় করবে, যাতে (দুনিয়ার) কোনো খেয়াল করবে না, তার পেছনের সকল (ছগিরা) গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। ’ (বুখারি, হাদিস: ১৫৯; মুসলিম, হাদিস: ২২৬)
একদিন ফজরের নামাজের সময় বেলাল (রা.)-কে নবী (সা.) বললেন, ‘বেলাল! আমাকে বল দেখি, ইসলামে দাখেল হওয়ার পর থেকে তোমার কোন্ আমলটি তোমার কাছে (সওয়াবের আশার দিক থেকে) সবচেয়ে উত্তম বলে মনে হয়? কারণ, আমি জান্নাতে আমার সামনে সামনে তোমার জুতার আওয়াজ শুনেছি। ’বেলাল (রা.) বললেন, ‘তেমন কোনো আমল আমার নেই; যার দ্বারা আমি (বিপুল সওয়াবের) আশা করতে পারি। তবে দিবা-রাত্রির যখনই ওজু করি; তখনই সেই অজুর মাধ্যমে যে কয় রাকাত সম্ভব হয়, নামাজ আদায় করি। ’ (বুখারি, হাদিস: ১১৪৯; মুসলিম, হাদিস: ২৪৫৮)
নবী (স) আরো বলেন, যে ব্যক্তি আমার মতো করে ওযু করে দু'রাকআত সালাত আদায় করবে, মনে অন্য কোন চিন্তা আনবে না, আল্লাহ তার পূর্বের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন। (বুখারী: ১৬৪)।

যেকোন মুসলিম সুন্দর করে ওযু করে অন্তর ও চেহারা পূর্ণ মনোনিবেশ করে দু'রাকআত (তাহিয়্যাতুল ওযূর) সালাত আদায় করবে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে।(মুসলিম, সলাতুল মুমিন পৃ. ১/৩৮৬)

আমরা সকলে আমল করার চেষ্টা করবো ইনশা আল্লাহ।

আসসালামু আলাইকুম,তাহিয়্যাতুল মসজিদ সম্পর্কে হাদিস ------------তাহিয়্যাতুল মসজিদ বা দুখুলুল মসজিদ একটি গুরুত্বপূর্ণ নফল...
06/05/2024

আসসালামু আলাইকুম,

তাহিয়্যাতুল মসজিদ সম্পর্কে হাদিস ------------

তাহিয়্যাতুল মসজিদ বা দুখুলুল মসজিদ একটি গুরুত্বপূর্ণ নফল নামাজ। তাহিয়্যা অর্থ উপহার এবং দুখুল অর্থ প্রবেশ করা। মসজিদে প্রবেশ করেই উপহার হিসেবে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়া হয় বলে এর নাম তাহিয়্যাতুল মসজিদ অথবা দুখুলুল মসজিদ। মসজিদে প্রবেশের আদবস্বরূপ দুই রাকাত নামাজ পড়া খুবই সওয়াবের কাজ।
মসজিদে প্রবেশের পর জামাত শুরু হতে আরও চার-পাঁচ মিনিট বাকি থাকলে আমরা বসে অপেক্ষা করতে থাকি। এ সময় দুই রাকাত নামাজ পড়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত বলে গৃহীত।

মহানবী (সা.) বলেন, “তোমাদের কেউ মসজিদে প্রবেশ করলে সে যেন বসার পূর্বেই দু'রাকআত সালাত আদায় করে।”
(বুখারী: ৪৪, ইফা: ৪৩১, আধুনিক: ৪২৫)

আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নিশ্চয় রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ মসজিদে প্রবেশ করে, সে যেন বসার পূর্বে দু’রাক’আত সালাত পড়ে।
(বুখারী ১ম খণ্ড ৬৩, ১৫৬ পৃষ্ঠা। মিশকাত ৬৮ পৃষ্ঠা। বুখারী আঃ হক হাদীস ২৮৯। বুখারী ইঃফাঃ হাদীস নং ১০৯৪)

بَاب إِذَا رَأَى الْإِمَامُ رَجُلاً جَاءَ وَهُوَ يَخْطُبُ أَمَرَهُ أَنْ يُصَلِّيَ رَكْعَتَيْنِ.
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، قَالَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ جَاءَ رَجُلٌ وَالنَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَخْطُبُ النَّاسَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فَقَالَ ‏"‏ أَصَلَّيْتَ يَا فُلاَنُ ‏"‏‏.‏ قَالَ لاَ‏.‏ قَالَ ‏"‏ قُمْ فَارْكَعْ ‏"‏‏.‏.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (কোন এক) জুমু‘আহর দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের সামনে খুৎবাহ দিচ্ছিলেন। এ সময় এক ব্যক্তি আসলে তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে অমুক! তুমি কি সালাত আদায় করেছ? সে বলল, না; তিনি বললেন, উঠ, সালাত আদায় করে নাও।*
(সহীহ বুখারী ৯৩০, ৯৩১, ১১৬৬; মুসলিম ৭/১৪, হাঃ ৮৭৫, আহমাদ ১৪৯১২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৮৩)

আমরা সকলে আমল করার চেষ্টা করি ইনশা আল্লাহ।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘কিয়ামতের দিন পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর দেওয়া ব্যতীত, কোনো  আদম সন্তান আল্লাহর সম...
14/04/2024

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
‘কিয়ামতের দিন পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর দেওয়া ব্যতীত, কোনো আদম সন্তান আল্লাহর সম্মুখ হতে পা সরাতে পারবে না। তার জীবনকে কোথায় ব্যয় করেছে। যৌবনকে কোথায় ক্ষয় করেছে, সম্পদ কোথায় থেকে অর্জন করেছে এবং কোথায় ব্যয় করছে। আর যা জেনেছে, সে অনুযায়ী কতটুকু আমল করছে।’ (তিরমিজি, হাদিস: ২৪১৬)

Address

Lp Square, Chittrali Bazar, Khalishpur
Khulna
9202

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Darus-Salaam Masjid posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share