Project WE

Project WE Project WE are a media through which many backward women can develop themselves successfully. Project WE fight for their rights.

Women can be trained in technical, self-empowerment,self-development via this project.

প্রোজেক্ট উই-এর গোল্লাছুটের প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপন!  শিশুদের হাসিমুখে উপহার সামগ্রী তুলে দিতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত...
01/10/2024

প্রোজেক্ট উই-এর গোল্লাছুটের প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপন! শিশুদের হাসিমুখে উপহার সামগ্রী তুলে দিতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এ ছোট্ট মুহূর্তগুলোই আমাদের আগামীর পথচলার প্রেরণা। শিশুরাই আমাদের ভবিষ্যৎ, তাদের সুরক্ষা ও সেবা আমাদের সবার দায়িত্ব।

ভারতের নির্মিত বাঁধগুলোর কারণে বাংলাদেশের উপর সৃষ্টি হওয়া সমস্যা: ধৈর্যের বাঁধ কি ভেঙে যাচ্ছে এবার?বাঁধ সাধারণত উন্নয়ন...
22/08/2024

ভারতের নির্মিত বাঁধগুলোর কারণে বাংলাদেশের উপর সৃষ্টি হওয়া সমস্যা: ধৈর্যের বাঁধ কি ভেঙে যাচ্ছে এবার?

বাঁধ সাধারণত উন্নয়নের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়, যা জলবিদ্যুৎ উৎপাদন, সেচ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণের মতো সুবিধা দিয়ে থাকে। তবে, যখন বাঁধগুলো নিচের দিকের অঞ্চলগুলোর ওপর প্রভাব বিবেচনা না করেই নির্মাণ করা হয়, তখন তা প্রতিবেশী অঞ্চলের জন্য উল্লেখযোগ্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই সমস্যাটি বিশেষভাবে স্পষ্ট হয়ে ওঠে ভারতের নির্মিত বাঁধগুলোর ক্ষেত্রে, যা বাংলাদেশের নদীগুলির প্রাকৃতিক প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করে আসছে এবং প্রতিনিয়ত পরিবেশগত, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমস্যা সৃষ্টি করছে। সেরকমই এক বিশাল সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে বর্তমানে ভারতের টম্বরু বাঁধ খুলে দেওয়ার কারণে বাংলাদেশের কুমিল্লা, নোয়াখালী ও ফেনীর মতো জায়গায়।

বাংলাদেশ ও ভারত ৫৪টি আন্তঃসীমান্ত নদী ভাগ করে নিয়েছে, যার মধ্যে গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই নদীগুলি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা কৃষি, পানীয় জল এবং দেশের বিশাল বদ্বীপীয় বাস্তুতন্ত্রকে সহায়তা করে। তবে, ভারতের উজানে বাঁধ ও ব্যারেজ নির্মাণের ফলে এই নদীগুলির প্রাকৃতিক প্রবাহ পরিবর্তিত হয়েছে, যা বাংলাদেশের জন্য বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি করেছে।

সবচেয়ে বিতর্কিত কাঠামোগুলির মধ্যে একটি হলো ফারাক্কা ব্যারাজ, যা ১৯৭৫ সালে ভারতের গঙ্গা নদীর উপর নির্মিত হয়েছিল, যেটি বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে মাত্র ১৮ কিলোমিটার দূরে। এই ব্যারেজটি গঙ্গার জলকে হুগলি নদীতে সরিয়ে দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল, যাতে কলকাতা বন্দরের প্রবাহ উন্নত হয়। তবে, এই পানি সরানোর কারণে বাংলাদেশের উপর গুরুতর প্রভাব পড়েছে। সবচেয়ে প্রত্যক্ষ প্রভাব হলো শুকনো মৌসুমে গঙ্গার প্রবাহের উল্লেখযোগ্য হ্রাস। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (BWDB) তথ্য অনুযায়ী, ফারাক্কা ব্যারাজ নির্মাণের পর থেকে শুকনো মৌসুমে গঙ্গার প্রবাহ ৬৫% হ্রাস পেয়েছে। এই প্রবাহ হ্রাসের ফলে কয়েকটি নেতিবাচক প্রভাব দেখা গেছে, যেমন:

১. কৃষি পতন: বাংলাদেশের কৃষি, যা সেচের জন্য গঙ্গার উপর অতি নির্ভরশীল বলা চলে তার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পানির প্রবাহ হ্রাসের ফলে ধানের মতো প্রধান ফসলের উৎপাদন কমে গেছে। খরার সময়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায়, যখন আগে থেকেই কমে যাওয়া প্রবাহ আরও হ্রাস পায়, যার ফলে ব্যাপক ফসলহানি ঘটে।
২. লবণাক্ততা বৃদ্ধি: মিঠা পানির প্রবাহ হ্রাসের কারণে সমুদ্রের লবণাক্ত পানি আরও দূরে প্রবেশ করতে পেরেছে, যার ফলে মাটি ও পানির লবণাক্ততা বেড়ে গিয়েছে। এর ফলে কৃষিজমি অযোগ্য হয়ে পড়েছে এবং মিঠা পানির মাছের সংখ্যাও হ্রাস পেয়েছে, যা স্থানীয় খাদ্য ও অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। BWDB-এর তথ্যমতে, দক্ষিণ বাংলাদেশের প্রায় ১৫ লাখ হেক্টর আবাদি জমি লবণাক্ততার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
৩. ভূগর্ভস্থ পানি হ্রাস: নদীর নিম্ন প্রবাহের কারণে ভূগর্ভস্থ পানির পুনঃভরণও হ্রাস পেয়েছে, কারণ পানির স্তর নেমে যাওয়ায় পরিষ্কার পানির জন্য মানুষের কাছে সহজলভ্যতা কমে গেছে।
৪. বন্যা বৃদ্ধি: পানির প্রবাহ হ্রাসের পাশাপাশি বর্ষার সময়ে বন্যার পরিমাণ বেড়েছে। উজানে বাঁধ ও ব্যারেজ নির্মাণ নদীগুলির প্রাকৃতিক পলির প্রবাহে বিঘ্ন ঘটিয়েছে। এই পলি নদীর তলদেশ ঠিক রাখা এবং অতিরিক্ত ক্ষয় প্রতিরোধ করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পলি প্রবাহ কমে যাওয়ায় নদীর তলদেশে সিল্ট জমা হয়ে পানি স্তর বাড়ছে এবং বর্ষার সময় বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে।

১৯৮৮ এবং ১৯৯৮ সালে, বাংলাদেশ ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যার সম্মুখীন হয়, যখন দেশের ৬০% এরও বেশি অংশ নিমজ্জিত ছিল। যদিও ভারী বৃষ্টিপাত একটি কারণ ছিল, উজানের বাঁধের কারণে পরিবর্তিত প্রবাহ গতিবিধি পরিস্থিতি আরও খারাপ করেছে। এই বন্যায় ১৯৯৮ সালে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে।

এছাড়াও আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হলো তিস্তা নদী নিয়ে চলমান বিরোধ, যেটি ভারতের সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। ভারত তিস্তার উপর বেশ কয়েকটি বাঁধ নির্মাণ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে তিস্তা ব্যারাজ, যেটি সেচ ও জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য পানি সরিয়ে দেয়। এর ফলে শুকনো মৌসুমে তিস্তার প্রবাহ বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

পানির প্রবাহ হ্রাস ও লবণাক্ততা বৃদ্ধির পরিবেশগত প্রভাব অত্যন্ত গভীর। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন এবং ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট সুন্দরবন বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। লবণাক্ততা বৃদ্ধির কারণে এই সংবেদনশীল বাস্তুতন্ত্রের উপর চাপ পড়েছে, যার ফলে জীববৈচিত্র্য হ্রাস পাচ্ছে। সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল প্রাণী যেমন রয়েল বেঙ্গল টাইগার, এখন হুমকির মুখে পড়েছে।সামাজিকভাবে, এসব বাঁধের প্রভাব ধ্বংসাত্মক। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় হাজার হাজার মানুষ তাদের জীবিকা হারিয়ে বাধ্যতামূলকভাবে স্থানান্তরিত হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জলবায়ু উদ্বাস্তুদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ইতিমধ্যেই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

সীমান্তবর্তী নদীগুলোর উপর ভারতের নির্মিত বাঁধগুলো বাংলাদেশের উপর উল্লেখযোগ্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে, যার মধ্যে বর্তমান কুমিল্লা, নোয়াখালী ও ফেনীর বিপর্যয় সর্বশেষ চাক্ষুষ প্রমাণ। এই সমস্যাগুলি মোকাবিলায় একটি সহযোগিতামূলক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন, যেখানে উভয় দেশ একসাথে কাজ করে বাঁধ নির্মাণের সুবিধাগুলি এবং নিচের দিকে থাকা সম্প্রদায়গুলির চাহিদার মধ্যে ভারসাম্য নিশ্চিত করবে। কিন্তু বহু বছর ধরে বাংলাদেশিরা ভারতের পানে চেয়ে থেকেও আজ পর্যন্ত কোনো সমাধান পেয়ে ওঠেনি। আস্তে আস্তে মানুষের ধৈর্যের বাঁধও ভেঙে যাচ্ছে। এই অবস্থায় সবার প্রত্যাশা, মানুষের ধৈর্যের বাঁধ না ভাঙুক, শীঘ্রই দৃষ্টিগোচর একটি সমাধান আসুক।

প্রতিটি প্রাণী পৃথিবীর ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রাণীদের প্রতি অবহেলা এবং ক্ষতি সাধন প্রকৃতি ...
20/08/2024

প্রতিটি প্রাণী পৃথিবীর ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রাণীদের প্রতি অবহেলা এবং ক্ষতি সাধন প্রকৃতি এবং তার ফলাফলা স্বরুপ ক্ষতিগ্রস্ত করে সমগ্র পৃথিবীকে।

মানুষের মতো প্রাণীরাও যন্ত্রণা, ভয় এবং আনন্দ অনুভব করতে সক্ষম। তাদেরকে নিষ্ঠুরতা ও শোষণ থেকে রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। প্রাণীর অধিকার শুধু নির্যাতন থেকে রক্ষা করাই নয় বরং তাদের স্বতন্ত্র মূল্যকে স্বীকৃতি দেওয়া। তাদের অবস্থান সম্পর্কে অবগত থাকা।

তাই সরকার কতৃক প্রাণীর প্রতি সহিংসতা, নির্যাতন ও অবহেলার বিরুদ্ধে আইন প্রণয়ন ও তার যথোপযুক্ত প্রয়োগ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে দিতে হবে বিশেষ নজরদারি।

চলুন, পরিবর্তন আনি। প্রাণী নিপীড়নের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলি, নৈতিক অনুশীলনকে সমর্থন করি Project WE এর সঙ্গে এবং সদয় হই প্রাণীদের প্রতি।

The Humanitarian Crisis of Undemocratic RuleA lack of democracy is fundamentally a humanitarian crisis because it direct...
19/08/2024

The Humanitarian Crisis of Undemocratic Rule

A lack of democracy is fundamentally a humanitarian crisis because it directly undermines human rights, fuels violence, and destabilizes societies. The recent events in Bangladesh vividly illustrate this. Prime Minister Sheikh Hasina's resignation and the subsequent chaos underscore the severe consequences of an undemocratic regime.

When a government operates without democratic constraints, it often resorts to authoritarian measures to maintain power, as seen in Bangladesh. The government’s violent response to protests—resulting in over 440 deaths and widespread brutality—demonstrates how the absence of democratic mechanisms leads to human suffering. In a democracy, dissent can be expressed through legal channels and addressed through dialogue. However, under an autocratic regime, dissent is frequently met with repression and violence, depriving individuals of their basic rights and safety.

The brutality of the state forces, including the use of live ammunition against unarmed protesters, reflects a disregard for human life and dignity. This kind of violence not only results in immediate physical harm but also inflicts long-term psychological and social trauma on communities. It creates an environment where fear and oppression replace freedom and justice, further exacerbating the humanitarian crisis.

Furthermore, the economic instability that follows political turmoil is a significant humanitarian concern. In Bangladesh, the economic disruption caused by the unrest, including inflation and unemployment, affects millions of ordinary people. Economic hardship often exacerbates poverty, limits access to essential services, and increases vulnerability, thereby deepening the humanitarian crisis.

The lack of democratic governance also means that accountability is compromised. In the absence of democratic institutions, those responsible for human rights abuses and political violence are rarely held accountable. This impunity perpetuates a cycle of violence and abuse, leaving victims without justice and further eroding trust in governance.

In summary, a lack of democracy precipitates a humanitarian crisis by enabling violence against civilians, destabilizing economies, and undermining the mechanisms of justice. The situation in Bangladesh vividly illustrates how the absence of democratic values leads to severe human suffering and instability, highlighting the urgent need for genuine democratic reforms to restore peace, justice, and stability.

বছর আসে, বছর যায়, কিন্তু বাংলাদেশের চা শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মান বদলায় না। দেশে ১৬৩টি চা বাগানে প্রায় লক্ষাধিক শ্রমিক কা...
17/08/2024

বছর আসে, বছর যায়, কিন্তু বাংলাদেশের চা শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মান বদলায় না। দেশে ১৬৩টি চা বাগানে প্রায় লক্ষাধিক শ্রমিক কাজ করে, যার মধ্যে মৌলভীবাজারেই রয়েছে ৯২টি বাগান। এই জেলায় প্রায় ৭০ হাজার নিয়মিত শ্রমিক কাজ করেন, তাদের সিংহভাগই নারী। তবে, তাদের ন্যায্য মজুরি ও জীবনমানের উন্নয়ন এখনও নিশ্চিত হয়নি।

পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, ২০২৩ সালে বাংলাদেশে রেকর্ড ১০ কোটি ২৯ লাখ কেজি চা উৎপাদন হয়েছে, যা ১৮৪ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। তবুও শ্রমিকদের পারিশ্রমিক ও অধিকার আজও বঞ্চিত। নারী শ্রমিকরা প্রতিদিন ১৫০-২০০ টাকা রোজগার করলেও তা দিয়ে সংসার চালানো কঠিন। আবার পুরুষ শ্রমিকরা একই কাজের জন্য ৩০০-৪০০ টাকা পান। তবে সেটিও আন্তর্জাতিক মানদন্ডের তুলনায় একেবারেই অগ্রহণযোগ্য।

চা শ্রমিকরা দাবি করছেন, তাদের বাসস্থানের জায়গা যেন নিজেদের নামে করা হয়। আশার কথা হলো বিগত সরকার ইতোমধ্যে ২৬৫ জন চা শ্রমিককে ঘর দিয়েছে এবং ৩৫ হাজার শ্রমিককে প্রতি বছর ৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দিচ্ছে। কিন্তু এখনও অনেক শ্রমিক মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বর্তমান সরকারের উচিত চা শ্রমিকদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, যেন তারা উন্নত জীবনযাপন করতে পারে এবং তাদের প্রতি সব ধরনের বৈষম্য দুর হয়।

বর্তমান প্রজন্ম এই দেশকে সংস্কার করার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে। তাই সকল সাধারণ মানুষেরও কিছু জিনিস মেনে চলা উচিত যার মাধ্যমে...
14/08/2024

বর্তমান প্রজন্ম এই দেশকে সংস্কার করার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে। তাই সকল সাধারণ মানুষেরও কিছু জিনিস মেনে চলা উচিত যার মাধ্যমে সুস্থ সুন্দর দেশ গড়ে তোলা সম্ভব।


রাষ্ট্রের প্রতি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ইতিহাস, তাদের সংগ্রাম ও অবদান অনস্বীকার্য। এই আদিবাসী দিবসে,   দৃঢ়ভাবে তাদের পাশে দাঁড়...
09/08/2024

রাষ্ট্রের প্রতি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ইতিহাস, তাদের সংগ্রাম ও অবদান অনস্বীকার্য। এই আদিবাসী দিবসে, দৃঢ়ভাবে তাদের পাশে দাঁড়াচ্ছে, যারা স্বীকৃতি ও ন্যায়ের জন্য প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে লড়াই করে আসছে। রাষ্ট্র সংস্কারের এই সময়ে, আমরা সবাইকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে, আদিবাসী কণ্ঠস্বর আর কখনোই উপেক্ষিত হতে দেওয়া যাবে না।

আমরা ২০২৪ এর আন্দোলন এবং অন্তর্বর্তী সরকারকে আন্তরিকভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক হওয়ার দৃঢ় আহ্বান জানাই, যাতে সমস্ত পরিচয় জাতি, ধর্ম, বা লিঙ্গ নির্বিশেষে সম্মানিত হয়। মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করে, বৈচিত্র্যের পক্ষের মানুষদের আমাদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে আনা উচিত। আসুন, আদিবাসীদের অবদানকে সম্মান জানিয়ে এমন একটি দেশ গড়ে তুলি যা প্রতিটি সম্প্রদায়ের সঠিক ও সুষম মূল্যায়ন করে।

আজকের এই আদিবাসী দিবসে এর পক্ষ থেকে দেশের সকল আদিবাসী জনগোষ্ঠীকে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।

World Youth Skills Day, celebrated on July 15, shines a spotlight on the importance of empowering young people with esse...
15/07/2024

World Youth Skills Day, celebrated on July 15, shines a spotlight on the importance of empowering young people with essential skills for the modern workforce. This year is marked with the theme of “Youth Skills for Peace and Development”.

In today's fast-changing world, having the right skills can make all the difference. Training for youth not only fosters innovation but also builds resilience, empowering youth to succeed in their careers.

By investing in youth skills, we create a brighter, more prosperous future for communities worldwide. Stay connected with Project WE. Let's support our youth and unlock their full potential!

ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হোক পবিত্র ঈদুল আযহা। আপনার প্রতিটি মুহুর্ত হোক আনন্দময় এবং রঙিন। Project WE এর পক্ষ থেকে সবাইকে...
16/06/2024

ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হোক পবিত্র ঈদুল আযহা। আপনার প্রতিটি মুহুর্ত হোক আনন্দময় এবং রঙিন। Project WE এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই ঈদের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক ❤️

আজকের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পৃথিবীতে প্রতি দশ শিশুর একজন শ্রমিক (তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ)।‘শিশুশ্রম’ (Child...
12/06/2024

আজকের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পৃথিবীতে প্রতি দশ শিশুর একজন শ্রমিক (তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ)।

‘শিশুশ্রম’ (Child Labour) দাস প্রথারই একটি বর্তমান সংস্করণ। শিশুদের কম পয়সা দিয়ে বেশি পরিশ্রম করানো যায়। তাছাড়া শিশু শ্রম অবৈধ; তাই সরকার নির্ধারিত সুযোগ-সুবিধা যেমন নিরাপদ কাজের পরিবেশ, নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা ইত্যাদির কিছুই শিশু শ্রমিকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় না। ফলে, এতে মালিকের লাভ ও সুবিধা দুটোই বেশি।

মালিকপক্ষ শুধু শিশুদের শ্রম শোষণ করেই ক্ষান্ত থাকে এমনটি নয়। অল্প বয়সে কাজে যোগ দিয়ে একটি শিশু তার শৈশবকে হারিয়ে ফেলে; অথচ নিরাপদ ও সুষ্ঠু মানসিক বিকাশের যথাযথ পরিবেশ পাওয়াটা একটি শিশুর জন্মগত অধিকার। মানবাধিকারের অস্বীকৃতি ছাড়াও শিশুর অন্যতম মৌলিক অধিকার, ’প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা’ থেকেও তাকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এই অশিক্ষিত থাকার অভিশাপ সারাজীবন বয়ে বেড়ায় একটি শিশু। এমনকি দারিদ্রের কারণে ভবিষ্যতে নিজের সন্তানদেরকেও স্কুলে না পাঠিয়ে ইট-ভাটা কিংবা মোটরসাইকেল গ্যারেজে কাজে পাঠাতে বাধ্য হয় সে।

অর্থাৎ, একটি শিশু শ্রমিক মূলত দারিদ্র্যের ফাঁদে আটকা পড়ে যায়, যে ফাঁদ কেটে বের হওয়াটা এক জীবনে তার পক্ষে সম্ভব হয় না। এমনকি তার ছেলেপুলেও একই গোলকধাঁধায় ঘুরপাক খেতে থাকে। তাই আমরা বলতে চাইছি, ‘শিশুশ্রম’ নেহাৎ মামুলি ব্যাপার নয়। এই সংকটের শিকড় পুঁজিবাদী উৎপাদন ব্যবস্থার গভীরে গিয়ে পৌঁছেছে; সমাধানও তাই সেখান থেকেই খুঁজতে হবে। সম্পদের অসম বন্টন, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় শ্রম শোষণ, আইন বাস্তবায়নে অনীহা ও দুর্নীতি, সমাজের অর্থনৈতিক কাঠামোর নিচের স্তরের মানুষের জীবনমানের বহুমুখী উন্নয়ন, শিশুর সুষ্ঠু শৈশব ও শিক্ষার নিশ্চয়তা ইত্যাদির মাধ্যমেই কেবল এই সংকট মোকাবিলা করা যেতে পারে। সব কথার শেষ কথা, আজকের শিশুই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। আর এই ভবিষ্যতের নির্মাতা আমরা সবাই।

সাধারণ শিশু নাকি অসাধারণ নায়ক?গ্রিসের প্রাচীন শহর ট্রইজেনে, এথ্রো নামে এক নারীর ঘরে থিসিয়াসের জন্ম। থিসিয়াসের জন্মের আগে...
11/06/2024

সাধারণ শিশু নাকি অসাধারণ নায়ক?

গ্রিসের প্রাচীন শহর ট্রইজেনে, এথ্রো নামে এক নারীর ঘরে থিসিয়াসের জন্ম। থিসিয়াসের জন্মের আগেই তার পিতা, এথেন্সের রাজা এগাস মারা যান। মারা যাওয়ার পূর্বে এগাস তাঁর জুতা ও তরবারি একটি বিশাল পাথরের নিচে রেখে যান এবং থিসিয়াসের মা এথ্রোকে বলে যান, যখন তাদের সন্তান পাথর তুলে জুতা ও তরবারি বের করার মতো সামর্থ্য অর্জন করবে তখন সে যেনো এথেন্সে যায়।

থিসিয়াস ট্রয়জানের মানুষের মধ্যে জ্ঞান ও পরিচর্যায় বেড়ে উঠে এবং একসময় তার বাবার জুতা ও তরবারি সংগ্রহ করতে সমর্থ হয়। ফলশ্রুতিতে তার এথেন্স যাত্রারম্ভের সময়ও চলে আসে। এথেন্স যাওয়ার পথে সে পেরিফিটস, সাইনিন ও ভয়ানক শূকর ফেয়ার মতো দানবকে পরাজিত করে।

বীরের বেশে এথেন্সে পৌঁছানোর পর সেখানে তিনি এক অদ্ভূত সমস্যা দেখতে পান। সেখানকার মানুষেরা এক ভয়ংকর প্রাণীর কারণে তটস্থ যাকে নির্দিষ্ট সময় পরপর সাতজন যুবক এবং সাতজন যুবতী প্রদান করতে হতো ভক্ষণ করার জন্য। থিসিয়াস তাদের সমস্যা শুনে নিজে একজন হয়ে ঐ ভয়ংকর প্রাণীর কাছে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। পথিমধ্যে তাকে বয়োজ্যেষ্ঠ্য লোকজন বাস্তব অভিজ্ঞতা জানান ঐ প্রাণী সম্পর্কে। পরিশেষে এক প্রলয়ঙ্কারী যুদ্ধের পর থিসিয়াসের জয় হয় এবং এথেন্সের মানুষ সেই ভয়ংকর প্রাণীর হাত থেকে উদ্ধার পায়।

সম্পূর্ণ গল্পটি পড়ার পর মনে হতে পারে এটি থিসিয়াস নামের এক নায়কের গল্প। আসলে তা নয়, এটি প্রতিটি শিশু কীভাবে একেকজন নায়ক হিসেবে বেড়ে উঠতে পারে তার গল্প। প্রতিটি শিশুর জন্ম হয় অনন্য সব প্রতিভা নিয়ে। সেই প্রতিভা যখন পরিবারের সদস্য, সমাজের লোকজন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সহপাঠীদের সঠিক সংস্পর্শ পায় তখন তা নায়কোচিত প্রতিভায় রূপ নেয়। যেমনটা হয়েছিলো থিসিয়াসের ক্ষেত্রে। তার মা এবং ট্রয়জনের মানুষজন থিসিয়াসকে এমনভাবে তৈরি করেন যাতে সে পাথর তোলার জন্য সামর্থ্যবান ও কৌশলী হয়। আবার পাথর তোলার মতো সামর্থ্যবান হওয়ায় তার এথেন্সের সেই ভয়ংকর প্রাণীকে মারার মতো শক্তিও তৈরি হয়ে যায় বলা যায়। শুধু দরকার ছিলো একটু দিকনির্দেশনা যা সে পায় এথেন্সের বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষদের কাছে। যদি থিসিয়াসকে তার মা পাথর তোলার মতো একটি লক্ষ্য তৈরি করে না দিতো বা তার শহরের মানুষজন অন্যের সন্তান বলে জ্ঞান বৃদ্ধিতে অবদান না রাখতো বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সুশিক্ষা না দিতো তাহলে সে কখনোই নায়ক হিসেবে উঠে আসতে পারতোনা।

অতয়েব, একজন শিশুও ঠিক একইভাবে নিজের জীবনের বিভিন্ন জায়গায় নায়কে পরিনত হতে পারে। শুধু দরকার পরিবার, সমাজ ও সহযোগীদের সঠিক দিকনির্দেশনা ও পরিচর্যা।

‘মাইয়া মানুষের আবার বুদ্ধি!’ সমাজের এই বদ্ধমূল ধারণাকে ভ্রান্ত প্রমাণ করে  সাদাকালো ৬৪ খোপে ১৬ ঘুঁটি দ্বারা নিজের বুদ্ধি...
06/06/2024

‘মাইয়া মানুষের আবার বুদ্ধি!’
সমাজের এই বদ্ধমূল ধারণাকে ভ্রান্ত প্রমাণ করে সাদাকালো ৬৪ খোপে ১৬ ঘুঁটি দ্বারা নিজের বুদ্ধিমত্তা ও বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছে বাংলাদেশের এক তরুণী নোশিন আনজুম।

‘দাবা’ শব্দটির সাথে সাথে কল্পিত হয় গালে হাত, কপালে চিন্তার রেখা আর রাজাকে নিয়ে দুই পক্ষের বোঝাপড়া। তবে হাতি, ঘোড়া, সৈন্য নিয়ে রাজ্য সামাল দিয়ে কিস্তিমাত করতে চায় বুদ্ধির জপ্রসার ও বিস্তর চিন্তার ক্ষমতা। তেমনি নোশিন নিজের বুদ্ধির কারবারিতে দাবায় হাতেখড়ি দেওয়ানো তার বাবার রাজাকেও চেকমেট করে সামনে এগিয়ে চলেছে। নোশিন ২০১৮ সালে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত এশিয়ান স্কুল অব চেস চ্যাম্পিয়নশিপে ৫মিনিটের ব্লিটজ দাবায় লড়ে অর্জন করে নিজের প্রথম খেতাব ‘উইমেন ক্যান্ডিডেট মাস্টার’। এরপর ২০১৯ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘এশিয়ান জোনাল চেস চ্যাম্পিয়নশিপ, জোন ৩.২’ টুর্নামেন্টটিতে বাংলাদেশের কিংবদন্তি দাবাড়ু উইমেন ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার রানী হামিদকে হারিয়ে অর্জন করে ‘উইমেন ফিদে মাস্টার’ খেতাব। ২০২২ সালে বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশন কর্তৃক আয়োজিত বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ৪১তম জাতীয় মহিলা দাবা চ্যাম্পিয়নশিপে নোশিন হয় অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন। সর্বশেষ ২৯ মে ওয়ালটন ৪২ তম জাতীয় মহিলা দাবা চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৪-এ নোশিন আনজুম চ্যাম্পিয়ন হয়ে সগৌরবে অর্জন 'ফিদে মাস্টার' খেতাব।

২১০৩ রেটিংধারী এই দাবাড়ুর চোখে শুধু উইমেন গ্র্যান্ডমাস্টার নয়, গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়ার স্বপ্ন। বাবা-মার অনুপ্রেরণা ও নিজের কঠিন পরিশ্রম দিয়ে দাবায় মেয়েদের বিভাগের দৈন্যদশাকে দূর করে বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চায় আত্মবিশ্বাসী এই তরুণী।

Address

Khulna
9100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Project WE posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Project WE:

Share