লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ
ক) লক্ষ্যঃ
কর্ম এলাকার আর্থ-সামাজিক অবস্থার কাঙ্খিত পরিবর্তন সাধনের জন্য স্থায়ীত্বশীল উন্নয়নের মাধ্যমে,আত্ননির্ভরশীল সুখী ও সমৃদ্ধশালী অবক্ষয়মুক্ত সমাজ গঠন করা। ইহা অরাজনৈতিক, অলাভজনক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সেচ্ছাসেবী সংস্থা । এই সংস্থা প্রতিবন্ধী, কৃষক, শ্রমিক, মজুর, ছাত্র, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক তথা সর্ব শ্রেণীর লোক নিয়ে গঠিত হবে এবং সর্ব শ্রেণীর উন্নয়নের জন্য কার্যক্রম প
রিচালনা করবে।
খ) উদ্দেশ্যঃ
(১) শিশু কল্যাণঃ এলাকার গরীব শিশু-কিশোরদের অক্ষরদান দেয়ার জন্য গণশিক্ষা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা এবং শিশুদের খেলাধুলার পাশাপাশি সু-স্বাস্থ্য নিশ্চিত কল্পে ফ্রি চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং শিশুদের বাল্য বিবাহ রোধে সভা-সেমিনার ও গনসচেতনতা সৃষ্টি করা।
(২) যুব কল্যাণঃ এলাকার গরীব সমপ্রদায়ভূক্ত যুবকদের বিভিন্ন প্রশিক্ষনের মাধ্যমে আত্ননির্ভরশীলতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বেকারত্ব দুর করা।
(৩) নারী কল্যাণঃ এলাকার দুঃস্থ্য মহিলাদের স্ববলম্বি করে গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করা এবং কুঠির শিল্পস্থা পন করা। পাশাপাশি যৌতুক প্রথার মূল উৎপাটন করা। প্রয়োজনে যৌতুক বিহীন গন বিবাহের আয়োজন করা এবং পনূর্বাসনের ব্যবস্থা করা।
(৪) শারীরিক ও মানসিক অসমর্থ ব্যক্তিদের কল্যাণঃ প্রতিবন্ধীদের প্রশিক্ষনের মাধ্যমে আত্ম-কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।
(৫) পরিবার পরিকল্পনাঃ জনসংখ্যা বৃদ্ধির নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে পরিবার পরিকল্পনা কাজ করা এবং নারী ও শিশু নির্যাতন রোধ করা। পরিবার পরিকল্পনাসহ পরিকলল্পিত পরিবার গঠনে সহায়তা।
(৬) সমাজ বিরোধী কার্যকলাপ হইতে জনগণকে বিরত রাখিবার উদ্দেশ্যে চিত্ত-বিনোদন কর্মসূচী।
(৭) নাগরিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করিবার উদ্দেশ্যে সামাজিক শিক্ষা, বয়স্কদের শিক্ষা ব্যবস্থা ।
(৮) কারামুক্ত কয়েদীদের কল্যাণ ও পূনর্বাসনঃ আয়বর্ধক কাজে উদ্ভুদ্ধ করা।
(৯) কিশোর অপরাধীদের কল্যাণঃ যে সকল কিশোর অপরাধী আছে তাদের লেখাপড়া ও খেলাধুলার মাধ্যমে মান উন্নয়ন করা।
(১০) ভিক্ষুক ও দুঃস্থদের কল্যাণঃ ভিক্ষা ভিত্তি বন্ধ করে প্রশিক্ষনের মাধ্যমে আর্ত-কর্মসংস্থা নের এবং পনূর্বাসনের ব্যবস্থা করা।
(১১) সামাজিক অসমর্থ ব্যক্তিদের কল্যাণঃ চিত্ত বিনোদনের ব্যবস্থা করা এবং বৃদ্ধদের সেবা যত্ন করা এবং ঔষধ-পত্রের ব্যবস্থা করা।
(১২) সমাজকল্যাণ কার্যে প্রশিক্ষণঃ যে কোন সেবামূলক কাজে জনগনকে উদ্ভুদ্ধ করা এবং জনগনকে সেবামূলক কাজে সহযোগিতা করা। এমনকি খাদ্য দ্রব্যকে বিষ মুক্ত রাখা ও কৃষকদেরকে কেমিক্যাল ব্যতিত ফসল উৎপাদানে সাহায্য কর।
(১৩) সমাজকল্যাণ সংস্থা সমূহের সমন্বয় সাধনঃ নিবন্ধনকৃত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সমূহের সমন্বয়ে জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক দিবস সমূহে সহায়তা করা।
(১৪) খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচী গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা।
(১৫) সরকারের উন্নয়ন মূলক সংস্থা সমূহের সহায়ক শক্তি হিসাবে কাজ করা। গণ-শিক্ষা গ্রহণে বয়স্কদের উদ্ধুদ্ধ করা, উন্নত প্রযুক্তির কৃষি, মৎস্য চাষ, হাঁস মুরগী পালন, হস- ও কুটির শিল্প স্থাপন, হেচারী ও নার্সারী সহ অন্যান্য কার্যক্রম সম্মন্ধে গ্রামবাসীর মধ্যে জ্ঞান দানের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডে আমন্ত্রন করা এবং সভা ও সেমিনারের আয়োজন করা। পরিবার পরিকল্পনার মাঠকর্মীদের সাথে সমন্বয় সাধন করে পরিকল্পিত পরিবার গঠনে জনগনকে উদ্ধুদ্ধ করা।
(১৬) আধুনিক ও উন্নমানের প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা এবং স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা।
(১৭) স্বাস্থ্য বিষয়ক সকল প্রকার সচেতনতা জোরদার করা, প্রয়োজেন প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা, দাতব্য চিকিৎসালয় ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প স্থা পন করা এবং মা ও শিশু স্বস্থ্য পরিচর্যা বাস-বায়নের জন্য সেবা প্রতিষ্ঠান, মাতৃ মঙ্গল কেন্দ্র স্থাপন করা, প্রসুতি মা ও শিশুদের পুষ্টিহীনতা দুরীকরণের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা করা। প্রয়োজনে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ স্বাস্থ্য কর্মী গঠন করা।
(১৮) স্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষার্থে পল্লী জনগনের জন্য স্বল্প ব্যায়ে সৌর বিদ্যুৎ ও বায়োগ্যাস প্লাট স্থা পন,টেকসই স্যানিটেশন পদ্ধতির ব্যবস্থা করা।
(১৯) দেশের দুর্ভিক্ষ, বন্যা, ঘুর্ণিঝড়, ভূমি কল্প, মহামারী, অনাবৃষ্টি, অতিবৃষ্টি, সকল প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগে সাহায্য সামগ্রী নিয়ে দুঃস্থ’ ও ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে এগিয়ে যাওয়া এবং তহিবল বৃদ্ধি ও সংরক্ষনার্থে দান, ক্রীড়া, লটারী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও পরিবেশ বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্থদের পূনর্বাসনে জাতি ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করা।
(২০) সদস্যদের যৌথ প্রচেষ্ঠায় সদস্যদের ট্রেনিং প্রদান করা।
(২১) হত দরিদ্র লোকজন কে নিয়ে আয়বর্ধক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা।
(২২) সংস্থা র প্রয়োজনে যুগোপযোগী প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা।