Orphan Research Center

Orphan Research Center Orphans Live a Helpless Life. Family & Society have denied their Rights.

Orphan Life will not be Helpless & Orphans will be Good in the World, that's Research Topic.

সুমন.....  এই অঞ্চলের এতিম অসহায়ের একটি নাম৷ জন্মের আগেই বাবা মারা যায় এবং জন্মের কিছুদিন পরেই মা মারা যায়। এটি একটি ঐতি...
08/06/2026

সুমন.....
এই অঞ্চলের এতিম অসহায়ের একটি নাম৷
জন্মের আগেই বাবা মারা যায় এবং জন্মের কিছুদিন পরেই মা মারা যায়। এটি একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।
সেদিন তার বিয়ে হলো, সেটাও একটা দীর্ঘ যুদ্ধে ফলে। জনশ্রুতি আছে সে তার নানীর দুধ বা ছাগলের দুধ খেয়ে বেচে ছিল। তার কপালে গরুর দুধও জুটেনি।
নানা বাসায় ছোটকালটা বেড়ে ওঠা, যেকটা দিন নানা বাড়িতে ছিল চরম অবহেলায় কেটেছে তার৷ নানী তাকে ভালোবাসতো কিন্তু মামা বা মামীর অবহেলা তাকে ব্যথিত করেছে জীবনকে অতিষ্ঠ করেছে৷
বিয়ে হয়েছে তার খালাতো বোনের সাথে কিন্তু মামাতো বোনের সাথে বিবাহ না হওয়াতে চরম ভাবে ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হচ্ছে জীবনের সব যায়গায়। জনশ্রুতি আছে তার বাবাকে মরতে হয়েছে ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে তেমনি ভাবে মায়ের মৃত্যুও নানাবিধ পারিবারিক সামাজিক কারণে হয়েছে। সেই ষড়যন্ত্র জীবন থেকে কাটছে না এখনো। পুরো জীবনভর একটা জীবন ষড়যন্ত্রের শিকার। বিবাহ হয়েছে ঠিকই ঘর সংসার হবে ঠিকই কিন্তু সংকট আর ষড়যন্ত্র পিছু হটছে না৷ সহযোগিতা জীবনে অধরা।
আমরা চেষ্টা করছি জীবনকে সহজ করতে, যাতে পরিবারে সুখ আর স্বাচ্ছন্দ অনাবিল আসে। তার যুদ্ধটা সবাই মিলে করবো, আমাদের এ যুদ্ধে প্রজন্মকে জিতিয়ে রাখতে হবে। এ যুদ্ধ সামাজিক শান্তির যুদ্ধ, এ যুদ্ধ মানবিকতার যুদ্ধ।
সাহস আর আত্মশক্তি জাগ্রত করতে হবে বেচে থাকার জন্য। এতিম যারা জীবন তাদের চারিদিকে সংকটে সমস্যায় জঞ্জালে পরিপূর্ণ। সব জঞ্জাল সরায়ে সংকট মোকাবিলা করে সমস্যাকে দূরীভূত করে জীবন সহজ করতে হবে। সমাজ সুন্দর করতে হবে।
সুমন এর সামনে এখন বহুবিধ চ্যালেঞ্জ। প্রতিবেশী পরিবার সমাজ সবার সাথে যুদ্ধ করে টিকে থাকা। বয়স অল্প, শিক্ষা কম, সহযোগিতা কম, বিবাদ ও বিভেদ বেশি। নানা-নানি তার সাথে আছে কিন্তু মামার সাথে অনেক দ্বন্দ্ব বিগ্রহ হিংসা বিদ্বেষ রয়েছে। মামা এ মামা বিভিন্নকারণে হিংস্র মনোভাব পোষণ করে বেড়ায়। সমাজকে লেলিয়ে দেয়।
নিজে অধিকার বঞ্চিত হয়ে আছে। তার বাবার অধিকার একেবারেই সে পায়নি এখানো, তার মায়ের অধিকার সামান্য পেলেও তোষণের মাধ্যমে আদায় হয়। সবমিলিয়ে একটা অগোছালো জীবন। এই অগোছালো জীবন তার নিজের কারণে হয়নি সেটা কপালের লিখন৷ বাকি জীবনটা অগোছালো দিশেহারা নানহয়ে গোছালো সুন্দর পরিপাটি হোক সেটার জন্য আমরা দিক নির্দেশনা দেব সবসময়।
অত্র অঞ্চলে সুমন একটা নজির হোক এটাই আশাবাদ।

একটা প্রতিষ্ঠান...  এতিম কল্যাণে নিবেদিত। এতিম গবেষণার কাজটা আমাদের করতে হবে। এতিমের কল্যাণ করতে এতিম গবেষণা খুবই গুরুত্...
08/06/2026

একটা প্রতিষ্ঠান...
এতিম কল্যাণে নিবেদিত।
এতিম গবেষণার কাজটা আমাদের করতে হবে। এতিমের কল্যাণ করতে এতিম গবেষণা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই কাজটা আমরা শুরু করেছি এর শেষ কোথায় আমাদের জানা নাই। এতিম কল্যাণকে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছে পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও বৈশ্বিক শান্তির জন্য। কারণ বিশ্বে প্রতিটি প্রান্তেই দ্বন্দ্ব বিগ্রহ প্রতিনিয়ত বেড়েই যাচ্ছে এ-র ফলে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ সংঘাত বিদ্যমান এজন্য এতিম অসহায়ের সংখ্যা দিনদিন বেড়েই যাচ্ছে। বিশ্বে যুদ্ধ যতই চলুক আর যতই মানুষের অসহায়ত্ব বাড়তে থাকুক মানুষ হিসেবে অসহায়ত্ব নিবারণে মানুষের দায়িত্ব পালন করবে মানুষই। আমরা পরিবারকে, সমাজকে, রাষ্ট্রকে তথাপি বিশ্বকে বোঝাতে চাই মানুষের দুনিয়ায় মানুষ জন্য মানুষই সহযোগী উপকারী। সুন্দর শান্তিময় সমাজ গঠনে মানুষ ভুমিকা রাখবে মানুষের নিরাপত্তা মানুষই দেবে৷ সমাজ যতই অধঃপতনে নামুক না কেন এর শেষ বিন্দুতে আমরা দাড়িয়ে আছি মানুষের কল্যাণে। আমাদের গবেষণার বিষয়বস্তু মানুষের অসহায়ত্বের সাথে যুদ্ধ করে মানুষের কল্যাণ। মানুষ যখন অসহায় হয় তখন সে মানুষের অসহায়ত্ব বুঝে। এই উপলব্ধি যেন মানুষের জীবনে শিক্ষা হয় এবং সেই শিক্ষাকে জীবনে কাজে লাগিয়ে মানুষের অসহায়ত্ব নিবারণে জীবনের দায়িত্ব পালন করে সেজন্য আমাদের যত শ্রম। প্যারেন্ট হাউজ - এতিম গবেষণার কাজটা করে যাচ্ছে এতিম কল্যাণে নিবেদিত থেকে। এতিম গবেষণা মূলত সামাজিক আন্দোলন যা সামাজিক কল্যাণের জন্য।

মসজিদুল ইসলাম....  বাবা হারা এতিম সন্তান, মা অসুস্থ। পারিবারিক অনেক সীমাবদ্ধতা নিয়ে অতিকষ্টে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবার চেষ...
08/06/2026

মসজিদুল ইসলাম....
বাবা হারা এতিম সন্তান, মা অসুস্থ। পারিবারিক অনেক সীমাবদ্ধতা নিয়ে অতিকষ্টে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অসহায় এতিমের জীবন যুদ্ধ বড়ই নিষ্ঠুর। বড় ছেলে হওয়ায় তিনভাই দুবোন ও মায়ের চাহিদা মেটাতে সবসময়ই হিমশিম খেতে হয়েছে। মানুষের হুমকি ধামকি অনেক সহ্য করতে হয়েছে। পারিবারিক ও সামাজিক অনেক রকম প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে আজ একটা যায়গায় দাড়ানোর চেষ্টা করছে। একটা বোনকে বিয়ে দিয়েছে আরও একটা বোন আছে বিবাহ উপযুক্ত মায়ের অসুস্থতা এবং ছোটভাইদের পড়ালেখার খরচ চালানো সবমিলিয়ে চিন্তা করতে সে এখন হাডের রোগী। এতো চাপ নেওয়া তার পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু চাপ নিতে না চাইলেই কি আর এড়ানো সম্ভব! সে যে দায়িত্বশীল ব্যক্তিত্ব। জীবন হয়তো এলোমেলো হ্নে কিন্তু বেচে থাকতে দায়িত্বের প্রতি সে যত্নশীল। মেজোর একটা অপারেশন করা লাগবে হাডে,, পেসমেকার বসাতে হবে৷। অনেক টাকার প্রয়োজন কিন্তু ডাক্তার তাকে কাহারো সাথে কথা বলতে নিষেধ করেছে। হয়তো তার অপারেশন হবে পেসমেকার লাগানো হবে। জীবন যাত্রায় সবার সহযোগিতা থাকবে। সবকিছু ঠিকঠাক হবার পথ খুলে যাবে৷ তার একটা জীবন সংসার হবে। সংসারে অন্য সবার পরিবার হবে। এটাই আশাবাদ। আমরা চেষ্টা করছি তার পাশে থাকবার তার জীবনকে সহজ করবার। এটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। যুদ্ধ করে সে প্রতিষ্ঠিত হোক একটা নজির হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হোক। সমাজে সবার কাছে আমাদের বিনীত অনুরোধ মসজিদুল এর বেচে থাকার শক্তি জোগাতে। একটা কল্যাণমূলক সমাজ গঠনের। যাতে সমাজের মানুষ একে অপরের পরিপূরক হবে।
মসজিদুল তার অসুস্থতা কেটে ওঠে দাড়াক, পারিবারিক ও সামাজিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত হোক। তোমার দায়িত্ব গুলো তুমি পালন করবে, তোমাকে আল্লাহ রক্ষা করবে। তুমি মানুষের চিন্তা করবে তোমার চিন্তা মহান আল্লাহ করবে। তোমার জীবন হবে অবিস্মরণীয়।।। তুমি অবিসংবাদিত হবে।

12/05/2026

ঈদ আনন্দের, বিনোদনের, শান্তি- সুখের...
ঈদ আনন্দের করতে আমরা সব রকম চেষ্টা করে যাচ্ছি। এবারের ঈদে আমরা কয়েকজন একসাথেই ঈদের নামাজ আদায় করেছি সবার সাথেই কোলাকুলি করেছি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছি আলাপ আলোচনা করেছি৷। বেশ ভালো লেগেছে আমাদের এই ঈদ আয়োজন। সবাই বেশ উপভোগ করেছে আনন্দ পেয়েছি৷ এই জামাতের ঈমাম সাহেবের সাথে আমাদের একটা দূরত্ব ছিল সেটা থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পেরেছি।। আমার এই সমাজের কিছু লোকের সাথে আমাদের কিছু দূরত্ব ছিল সেটা থেকে আমরা দূরত্ব কমাতে পেরেছি।।
এভাবে আমাদের ভবিষ্যৎ প্লান আছে সারা দেশের এতিমের পারিবারিক ও সামাজিক সব রকম এর সমস্যা ও জটিলতা সমাধানের পথ খুঁজে পাবো, নিশ্চয়। যাতে এতিমেরা সমাজে সবার সাথে মিলে-মিশে বসবাস করতে পারবে, আনন্দ নিয়ে জীবন কাটাতে পারবে। এতিমের পরিবার চায় এতিমদের অত্যাচার জুলুম বঞ্চনা অবহেলা করতে। পরিবার সেটা সমাজিক সমস্যায় রুপান্তর করে ফেলে।। আমাদের সেই যায়গায় কাজ করতে হবে যাতে এতিম পরিবার এতিমকে সমাজে ও পরিবারে সমস্যায় ফেলে অবান্তর ও অবাঞ্চিত করতে না পারে৷
এতিমের জীবনে সমস্যা আর কিছু না, এতিমের পরিবার চায় না এতিম ভালো থাকুক সুখে থাকুক। তারা চায় এতিমেরা সমস্যা ও জটিল জীবন যাপন করুক মানে জীবনে ভালো না থাকুক। প্যারেন্ট হাউজ সেই যায়গায় কাজ করে যাতে এতিমের উন্নত জীবন যাপন করুক।। সবার সাথে মিলে-মিশে বসবাস করতে।

12/05/2026

আমরা এই মাটির সন্তান।
একই পরিবারের একই সমাজের।
একই গোষ্ঠীর একই জামাতের একই গাত্রের।
কিন্তু আজ আমাদের আলাদা একটা পরিচয় হয়েছে৷
আমরা এখন প্যারেন্ট হাউজ এর সদস্য এতিম। একটা সময় আমাদের উপর অনেক অন্যায় অত্যাচার জুলুম হতো। আজ অনেক দিন এসব বিষয়ে কাজ করে আজ এই যায়গায় আমরা পৌঁছেছি। যাতে সমাজের সব লোক আমাদের সম্মান দেয় ভালোবাসে সেটার জন্য আমাদের অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। আমরা কয়েকজন আলাদাভাবেই এখানে ঈদের নামাজ পড়তে এসেছি অনেক মজা ও আনন্দ করেছি এটা আমাদের প্লান ছিল, আমরা সবার দৃষ্টিতে পড়তে পেরেছি। সবাই আমাদেরকে সেভাবে নিয়েছে যাতে আমরা তাদের জন্য কাজ করতে পেরেছি এবং তারা আমাদের ভালোবেসেছে। এই কাজটা আমাদের দায়িত্ব ছিল, যাতে সমাজে সবার সাথে আমরা মিলেমিশে থাকতে পারি। একটা সমাজে সবাই বাস করে মিলেমিশে থাকে যদিও অনেক ঝগড়াঝাটি ক্রন্দল থাকে। তবে এতিমেরা সমাজে ঠিকমতো বসবাস করতে পারে না যদিও এই পরিবার ও সমাজের সন্তান। এই পরিবার ও সমাজ এতিমদেরকে এলাকা ছাড়া পরিবার ছাড়া সমাজচ্যুত করে, অনেক সময় দেশেও থাকতে দেয় না।
আমাদের দায়িত্ব সমাজের সাথে নিকো করে এতিমের রিহ্যাবিলিটেশন করার৷ এতিম এই পরিবারের এই সমাজের এই গোত্রের এই গোষ্ঠীর এই জামাতের তাই সবার সাথে মিলে-মিশে এতিমেরা থাকবে। এটি আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার, এজন্য আমাদের দায়িত্ব অগ্রণী থাকবে।

এতিম গবেষণা কেন্দ্র.... প্যারেন্ট হাউজ মূলত এতিম কল্যাণে কাজ করে। এতিমের কল্যাণ করতে হলে আগে এতিম নিয়ে গবেষণার কাজটি করত...
12/05/2026

এতিম গবেষণা কেন্দ্র....
প্যারেন্ট হাউজ মূলত এতিম কল্যাণে কাজ করে। এতিমের কল্যাণ করতে হলে আগে এতিম নিয়ে গবেষণার কাজটি করতে হবে। সেজন্য আমরা এতিম গবেষণায় মনোযোগ দিয়েছি। এতিমের আবার প্রকারভেদ রয়েছে, সেজন্য আমাদের এতিমের ক্লাসিফিকেশন করা লেগেছে৷ যাহোক সেসব অনেক বিষয়।। এতিম গবেষণা বা এতিম কল্যাণে কাজ আমরা এই পরিবার বা সমাজেই করবো তাই এই সমাজকে নিয়েও আমাদের কাজ করতে হবে। অর্থাৎ একটির সাথে অপরটি পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত। এতিম কল্যাণের লাজটা সমাজের সবকিছুর সাথে সম্পৃক্ত। এতিমের কল্যাণ শুধুমাত্র এতিমের সেবা বা সহযোগিতা মাধ্যমে শুধু করতে পারবেন না৷ এক্ষেত্রে আপনাকে পুরো একটা সমাজকে নিয়ে আপনাকে কাজ করতে হবে৷
এজন্যই আমরা সমাজের সব স্তরের কাজের মধ্যে ওপেন স্কুলের কাজটা গুরুত্বের সাথে করার চেষ্টা করছি। এই শিশুরাই আগামীর ভবিষ্যৎ, তারা যসি তাদের মানসিকতায় এতিম কল্যাণের কাজটাকে ভালোবাসে তাহলে একটা সমাজে সব এতিম ভালো থাকবে৷ এদের বয়সী যারা আছে তাদের মধ্যে যারা এতিম আছে তারা বেচে থাকার সহজ সুযোগ পাবে।
এতিম কল্যাণে কাজটা সমাজের জন্য দেশের জন্য।

আতাউর রহমান অনেক জটিল একটা জীবন অতিবাহিত করছে।। ছোটবেলায় মা-বাবা হারানো মানুষটি আজ একেবারেই অনেক দূরে অবস্থান করছে। পরিব...
12/05/2026

আতাউর রহমান
অনেক জটিল একটা জীবন অতিবাহিত করছে।।
ছোটবেলায় মা-বাবা হারানো মানুষটি আজ একেবারেই অনেক দূরে অবস্থান করছে। পরিবার সমাজ তার কাছ থেকে অনেক দূরে৷। জীবন বলতে এখন তার একাকীত্ব ছাড়া আর কিছু নেই৷ বাবা-মা নেই কিন্তু ভাইয়েরা আছে তবুও তার জীবন পরিবার হারা এমনকি বংশ হারা। আবার নিজ সমাজ থেকে অনেক দূরে। বন্ধু সহকর্মী সহপাঠীই এখন তার কাছে আপন ও প্রিয়জন।
আমার সাথে পরিচয় হলো অনেকটা কাকতালীয় ভাবে৷ আমি যে এতিম অসহায় অভিভাবকহীন মানুষ নিয়ে কাজ করছি সেটা সে জানে না আবার আমিও জানি না যে তার বাবা-মা নেই। কিন্তু পরিচয় হয়ে গেল এবং ঘনিষ্ঠতা হয়ে গেল আবার একটা সম্পর্ক যা সারাজীবনের। আমরা সংকল্প করেছি আমাদের এই সম্পর্ক আত্মার হবে এবং একে অপরের আত্মীয়। তার সম্পর্কে বলতে গেলে অনেক কিছু লিখতে হয় আবার অনেক সময় এর ব্যপার।
কারমাইকেল কলেজে লেখাপড়া করেছেন অনার্স মাস্টার্স ইংরেজিতে। যখন তিনি এসএসসি পরিক্ষার্থী তখন তার বাবা মারা যায় সেটাও ছিল এক অনাকাঙ্ক্ষিত পারিবারিক যুদ্ধের মাধ্যমে। মা মারা যায় তার কিছু দিন পরেই....... ভাইয়েরা তাদের নিজেদের এবং নিজেদের পরিবার নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এই সময় তাকে অনেক স্ট্রাগল করে লেখাপড়া চালিয়ে যেতে হয়েছে। বন্ধুরা তাকে অনেকাংশে সহযোগিতা করেছেন যা তিনি স্বীকার করেন৷ জীবনকে খুব কাক্সহ থেকেই তিনি দেখেছেন৷। করুন একটা জীবন তার৷
সামনে ঈদ উল আযহা -২০২৬। তিনি বাড়িতে যাবেন না কারণ তাকে খোঁজ নেওয়ার বা সম্মান দেখানোর লোকের অভাব তাছাড়া চাচা বা জেঠাদের সাথে রয়েছে অনেক দ্বন্দ্ব যা জমিজমা সংক্রান্ত। সেক্ষেত্রে সকল দিক বন্ধ হয়েছে বাড়িতে যাবার পথ বিশেষত ঈদ আনন্দ উপভোগ করবার৷ কি এক অদ্ভুত জীবন তার। যেভাবেই হোক লেখাপড়া কষ্ট করে হলেও চাকুরী পেয়েও জীবনে স্বস্তি নেই আনন্দ নেই অনুভুতি প্রকাশ করবার যায়গা নেই। জীবন এক অস্বস্তির অসহায়। সামনে কি করবেন কোথায় যাবেন কিভাবে জীবন কাটাবেন কোনো আশা ভরসা নেই। যেখানেই পায় জীবনকে রাংগিয়ে নিয়ে নেয়৷ জীবন এক আশ্চর্যের এখানে জীবন এক অসহায়ত্বের।
আমরা এই আতাউর রহমানকে আস্বস্ত করেছি আমরা আপনার পাশে আছি ভয় নেই। আমরা আপনার পাশে আছি সবসময়। এখন থেকে আমরাই আপনার আত্মীয় আপনজন। যেকোনো প্রয়োজনে আমাদেরই ফো দিবেন আমরা আপনার প্রয়োজনে আপনার পাশে রয়েছি।। ভয় পাবেন না... নিজের উপর বিশ্বাস রাখবেন।। আমরা আপনার সবরকম সহায়তা দিতে সদাপ্রস্তুত, ভয় পাবেন৷ জীবন উপভোগ করবেন। ভবিষ্যৎ সব আল্লার জিম্মায় রেখে দিবেন, আল্লাহ আপনার যথেষ্ট আল্লাহ সব৷
আতাউর খুব ভদ্র সজ্জন ব্যক্তিত্বের অধিকারী।
আতাউর এখন জগন্নাথপুরে পিডিবি কর্মরত আছে।,কিন্তু ভবিষ্যতে তার পেশা পরিবর্তন করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ভবিষ্যতে সে একজন আইনজীবী হবে এটি তার স্বপ্ন।
তার স্বপ্ন পূরণ হোক এটি প্রত্যাশা।

Address

Kaimari

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Orphan Research Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share