ঘটক বাড়ি কুলচারা

ঘটক বাড়ি  কুলচারা 🏠 ঘটক বাড়ি কুলচারা
💍 বিবাহের জন্য পাত্র–পাত্রী সন্ধান
🕌 ইসলামিক শরিয়াহ অনুযায়ী
🔒 সম্পূর্ণ গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়
📍 কুলচারা ও আশেপাশের এলাকা
📩 যোগাযোগ: ইনবক্স

07/02/2026

আসসালামু আলাইকুম
আমি কুলচারা এলাকায় বিশ্বস্তভাবে
পাত্র–পাত্রী খোঁজার কাজ করে থাকি।
✔ অবিবাহিত
✔ ডিভোর্সি
✔ বিধবা/বিপত্নীক
ইসলামি নিয়ম মেনে, পারিবারিক সম্মান ও গোপনীয়তা বজায় রেখে কাজ করা হয়।
প্রয়োজনে ইনবক্স করুন।
ঘটক বাড়ি কুলচারা

25/09/2024
09/09/2024

র‌য়েল বেঙ্গল টাইগার ক‌বে ব‌লে‌ছি‌লো, "আমা‌কে বাংলা‌দে‌শের জাতীয় পশুর মর্যাদা দি‌তে হ‌বে" ? ‌দো‌য়েল কি হ‌তে চে‌য়ে‌ছি‌লো এদে‌শের জাতীয় পা‌খি? ইলিশ কি ঘুষ খাইয়ে‌ছি‌লো তা‌কে জাতীয় মাছ বানা‌তে? শাপলা কিংবা কাঁঠা‌লের মামা-খালুরাও প্রভাব খাটায়নি তা‌দের জাতীয় ফুল-ফল বানা‌তে। আম গাছটাও বায়না ধ‌রে‌নি তা‌কে জাতীয় গাছ বল‌তে।

রবীন্দ্রনাথও ব‌লে‌নি তার লেখাকে বাংলা‌দে‌শের জাতীয় সংগীত বানা‌তে। যারা বা‌নি‌য়ে‌ছে তারাও রবীন্দ্রনা‌থের অনুম‌তি নেয়‌নি। কারণ বাংলা‌দে‌শের জ‌ন্মের বহু আগেই সে পটল তু‌লে‌ছে।

কিন্তু যারা ওসব ক‌রে‌ছে তারা তা‌দের চিন্তা-চেতনা, আবেগ-অনুভূ‌তি আর ক্ষমতার সং‌মিশ্রণেই ক‌রে‌ছে।

আজ আপনা‌দের হা‌তে ক্ষমতা আছে তাই আপনারা আপনা‌দের চিন্ত‌া-‌চেতনা, আবেগ-অনুভূ‌তি থে‌কে য‌দি ম‌নে ক‌রেন কুত্তা,কাউয়া, গেন্ধা, ক‌লা, পুঁ‌টি কিংবা কচুগাছ‌কে জাতীয় পশু, পা‌খি, ফুল, ফল, মাছ, গাছ বানা‌বেন তা‌তে কি যায় আসে? ক‌রে ফে‌লেন।

শুধু ম‌নে রাখ‌বেন। "লা‌খো শ‌হি‌দের র‌ক্তে কেনা দেশটা কা‌রো বা‌পের না। কারো স্বামীর না।" এক মা‌ঘে ‌যেমন শীত যায় না, এক আগ‌ষ্টে তেমন যুগ যায় না। আগষ্ট প্রতিবছরই ঘু‌রে ফি‌রে আসে।

সবাইতো গান বিষারদ! ঐগানটা‌তো সবাই শু‌নে‌ছেন। "প্রথমত আমি তোমা‌কে চাই, দ্বিতীয়ত আমি তোমা‌কে চাই, তৃতীয়ত আমি তোমা‌কে চাই, শেষ পর্যন্ত তোমা‌কে চাই , , ,"

বহুবার প্রেমিকার হাত ধ‌রে আবে‌গে গদগদ হ‌য়ে হয়‌তো এগানটা গে‌য়ে শু‌নি‌য়ে‌ছেন। কিন্তু আপ‌নি কি জা‌নেন এ গানটায় গী‌তিকার কা‌কে চে‌য়ে‌ছেন? গী‌তিকার এক সাক্ষাৎকা‌রে নি‌জের মু‌খেই ব‌লে‌ছেন সে '‌সিগা‌রেট' কে চায়। কোন প্রেমিকার উদ্দে‌শ্যে সে এ গানটি লি‌খেন নি।

গী‌তিকার কী‌ ভে‌বে লি‌খে‌ছেন সেটা তার ব‌্যাপার। আপ‌নি কি ভে‌বে গাইছেন সেটা আপনার ব‌্যাপার।

রবীন্দ্রনাথ কী‌ ভে‌বে "আমার ‌সোনার বাংলা আমি তোমায় ভা‌লোবা‌সি" লি‌খে‌ছে সেটা তার ব‌্যাপার। যারা এটা‌কে বাংলা‌দে‌শের জাতীয় সংগীত এর মর্যাদা দি‌লেন তারা কী‌ ভে‌বে দি‌য়ে‌ছেন সেটা তা‌দের ব‌্যাপার। আপ‌নি এখা‌নে শিকড় খু‌ঁজে বেড়া‌চ্ছেন? কী অদ্ভূত মূর্খতা!

সংগৃহীত

Sell post... ওজন ৪-৫ কেজি। fixed price 230৳ স্থান বড়কুলচারা...০১৯১৯৬৩৩৩৯৬
16/01/2024

Sell post... ওজন ৪-৫ কেজি। fixed price 230৳
স্থান বড়কুলচারা...
০১৯১৯৬৩৩৩৯৬

10/02/2019

Assalamualaykum.....
******************-*--
আসছে আগামী ১৪ ফ্রেবুয়ারি ভালোবাসা দিবস, এই সম্পর্কে কিছু না লিখলে নয়, আশা করি সকলের ভালো লাগবে।
প্রশ্নঃ 1) ভালোবাসবেন কাকে???
★কোন ভালোবাসা হালাল আর কোনটা হারাম??
প্রশ্নঃ 2) কি করলে আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়া যাবে???
উত্তরঃ ১) নবী ﷺ বলেনঃ যে ব্যাক্তি আল্লাহর জন্য কাউকে ভালোবাসলো, আল্লাহর জন্য কাউকে ঘৃনা করলো, এবং আল্লাহর জন্য কাউকে দান করলো, এবং আল্লাহর জন্য বিরত থাকলো, সে যেনো তার ঈমানকে পরিপূর্ণ করে নিল। সুবহানআল্লাহ (আবু-দাঊদ শরীফ)
★হালাল বৈধ ভালোবাসা, যে ভালোবাসায় আল্লাহ এবং রাসুল ﷺ রাজি খুশি থাকে, তাহলে বুঝে নিবেন ওই ভালোবাসা হালাল, যেমনঃ স্বামী স্ত্রীর, পিতা-মাতা, ভাই বোন ইত্যাদি যা বৈধ।
হে যুবক তুমি কি জানো তোমার একটু সুখ তোমার একটা মুসলিম বোনের সারা জীবনের কান্নার কারণ হতে পারে.....
তা কি কখনো ভেবেছো....?
ও আমার প্রিয় ভাই, ও আমার আপু তুমি কি জানো, তুমি তুমার পিতা-মাতার কত আদরের সন্তান, তুমাকে নিয়ে তারা কত স্বপ্ন দেখে তুমি কি সেটা বুঝো???
BF এর দু চার টা মিষ্টি কথা, আর ফুসকা খেয়ে তুমি কেনো তোমার দেহ লুটতে দেবে???
তুমি কি জানো? GF কে স্পর্শ করা হাতের যিনা, কিস করা lip & অন্তরের যিনা, বাকি কথা না ই বললাম। পার্কে, হোটেলে, গুপ্ত নিরিবিলি যায়গায় যাচ্ছো তুমি কি ভেবেছো গোপনে গেলে কেউ দেখবে না?? তাই ভেবেছো??? তুমি কি জানো অন্ধকারে বা দিনের বেলা তুমি যা ই করো সেটাও ফেরেস্তাগন সব সময় রেকর্ড করে রাখেন। (পড়ে দেখো- সূরা ক্বাফ ১৭-১৮)
হে যুবক তোমার এই একটু আনন্দময় মুহূর্ত একটা মা বাবার সারা জীবনের স্বপ্ন গুলো কে ভেঙ্গে টুকরা টুকরা করে দিতে পারে.....
তো কি করে হাত ধরো, কি করে কিস করো....???
যা সম্পূর্ণ যিনার মধ্যে আওতাভূক্ত
তখন কি জবাব দিবে যখন তোমার মৃত্যু হবে। সমস্ত প্রকার যিনা হারামঃ আল্লাহ তাআ’লা যিনাকে হারাম ঘোষণা করে বলেনঃ
“তোমরা যিনার কাছেও যাবে না। কেননা তা অত্যন্ত নির্লজ্জ এবং খারাপ কাজ”। [সূরা বনী ইসরাঈলঃ ৩২]
ও যুবক-যুবতী ভাই আপু ইসলামে তো ভালোবাসা নামে কোন দিবস নেই, তাহলে কিভাবে পালন করো???
দিবস নিয়ে না হয় অন্যদিন কথা বলি।
প্রিয় ভাই/প্রিয় আপু তুমি তো এই পোস্ট টি পড়ছো , তুমি তো জানছো, এই গুলি করা হারাম, তো এখন ও যদি না শুধরাও তাহলে তুমি কি কবরে গিয়ে আযাব সইতে পারবা??? শরীর কি কম্পন হয়না??? ভয় কি লাগে না?? যখন মৃত্যু হবে কি জবাব দিবা???
আসো নবী ﷺ এর দেখানো পথে চলি।জান্নাতী মেহমান হই।
আল্লাহ পাক নবী ﷺ কে বলেছেনঃ
বলুন, "আল্লাহ ও রসূলের আনুগত্য প্রকাশ কর। বস্তুতঃ যদি তারা বিমুখতা অবলম্বন করে, তাহলে আল্লাহ কাফেরদিগকে ভালবাসেন না।"
(সূরা আলে-ইমরান ০৩:৩২)
উত্তরঃ২) রাসূল ﷺ কে অনুসরণ করলে আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়া যাবে। সুবহানআল্লাহ!!
আল্লাহ পাক নবী ﷺ কে বলেনঃ
বলুন, "যদি তোমরা আল্লাহকে ভালবাসো, তাহলে আমাকে অনুসরণ কর, যাতে আল্লাহ ও তোমাদিগকে ভালবাসেন এবং তোমাদিগকে তোমাদের পাপ মার্জনা করে দেন। আর আল্লাহ হলেন ক্ষমাকারী দয়ালু।"
(সূরা আলে-ইমরান ০৩:৩১)
নবী ﷺ আরো বলেনঃ "সর্বউত্তম আমল হচ্ছে আল্লাহর জন্য কাউকে ভালোবাসা এবং আল্লাহর জন্য কাউকে ঘৃনা করা।" (আবু-দাঊদ শরীফ)
নবী ﷺ আরো বলেনঃ দুনিয়ার মুহাব্বাত সমস্ত গুনাহের মূল।
আমাদের সকল ভালোবাসাতে যেনো আল্লাহ এবং রাসুল ﷺ রাজি খুশি থাকে।
আল্লাহ পাক সকলকে সহীহ্ বুঝ দান করুন, আমীন।

10/02/2019

দাম্পত্য জীবনে স্ত্রীর কর্তব্য
১. স্বামীর অসন্তুষ্টি থেকে বিরত থাকা।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তিনজন ব্যক্তির নামাজ তাদের মাথার উপরে উঠে না।
(ক) পলাতক গোলামের নামাজ, যতক্ষণ না সে মনিবের নিকট ফিরে আসে।
(খ) সে নারীর নামাজ, যে নিজ স্বামীকে রাগান্বিত রেখে রাত যাপন করে।
(গ)সে আমিরের নামাজ, যার উপর তার অধীনরা অসন্তুষ্ট।”
২. স্বামীকে কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকা।
ইমাম আহমদ ও অন্যান্য মুহাদ্দিস বর্ণনা করেন, “দুনিয়াতে যে নারী তার স্বামীকে কষ্ট দেয়, জান্নাতে তার হুরগণ (স্ত্রীগণ) সে নারীকে লক্ষ্য করে বলে, তাকে কষ্ট দিয়ো না, আল্লাহ তোমার সর্বনাশ করুন। সে তো তোমার কাছে ক’দিনের মেহমান মাত্র, অতি শীঘ্রই তোমাকে ছেড়ে আমাদের কাছে চলে আসবে।”
৩. স্বামীর অকৃতজ্ঞ না হওয়া।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “আল্লাহ তা’আলা সে নারীর দিকে দৃষ্টি দেবেন না, যে নিজ স্বামীর কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে না, অথচ সে স্বামী ব্যতীত স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়।” ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “আমি জাহান্নাম কয়েক বার দেখেছি, কিন্তু আজকের ন্যায় ভয়ানক দৃশ্য আর কোন দিন দেখিনি। তার মধ্যে নারীর সংখ্যাই বেশী দেখেছি। তারা বলল, আল্লাহর রাসূল কেন? তিনি বললেন, তাদের না শুকরির কারণে। জিজ্ঞাসা করা হল, তারা কি আল্লাহর না শুকরি করে? বললেন, না, তারা স্বামীর না শুকরি করে, তার কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে না। তুমি যদি তাদের কারো উপর যুগ-যুগ ধরে ইহসান কর, অতঃপর কোন দিন তোমার কাছে তার বাসনা পূণ না হলে সে বলবে, আজ পর্যন্ত তোমার কাছে কোন কল্যাণই পেলাম না।”
৪. কারণ ছাড়া তালাক তলব না করা।
ইমাম তিরমিজি, আবু দাউদ প্রমুখগণ সওবান রাদিআল্লাহ আনহু থেকে বর্ণনা করেন, “যে নারী কোন কারণ ছাড়া স্বামীর কাছে তালাক তলব করল, তার উপর জান্নাতের ঘ্রাণ পর্যন্ত হারাম।”
৫. অবৈধ ক্ষেত্রে স্বামীর আনুগত্য না করা।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “আল্লাহর অবাধ্যতায় মানুষের আনুগত্য করা যাবে না।” এখানে নারীদের শয়তানের একটি ধোঁকা থেকে সতর্ক করছি, দোয়া করি আল্লাহ তাদের সুপথ দান করুন। কারণ দেখা যায় স্বামী যখন তাকে কোন জিনিসের হুকুম করে, সে এ হাদিসের দোহাই দিয়ে বলে এটা হারাম, এটা নাজায়েজ, এটা জরুরি নয়। উদ্দেশ্য স্বামীর নির্দেশ উপেক্ষা করা। আমি তাদেরকে আল্লাহর নিম্নোক্ত বাণীটি স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি, আল্লাহ তা’আলা বলেন, “যারা আল্লাহর উপর মিথ্যা আরোপ করেছে, কিয়ামতের দিন তাদের চেহারা কালো দেখবেন।” হাসান বসরি রহ. বলেন, “হালাল ও হারামের ব্যাপারে আল্লাহ ও তার রাসূলের উপর মিথ্যা বলা নিরেট কুফরি।”
৬. স্বামীর বর্তমানে তার অনুমতি ব্যতীত রোজা না রাখা।
সহিহ মুসলিমে আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “কোন নারী স্বামীর উপস্থিতিতে তার অনুমতি ব্যতীত রোজা রাখবে না।” যেহেতু স্ত্রীর রোজার কারণে স্বামী নিজ প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত থাকে, যা কখনো গুনার কারণ হতে পারে। এখানে রোজা দ্বারা স্বাভাবিকভাবেই নফল রোজা উদ্দেশ্য। কারণ ফরজ রোজা আল্লাহর অধিকার, আল্লাহর অধিকার স্বামীর অধিকারের চেয়ে বড়।
৭. স্বামীর ডাকে সাড়া না দেওয়া :
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “কোন পুরুষ যখন তার স্ত্রীকে নিজের বিছানায় ডাকে, আর স্ত্রী তার ডাকে সাড়া না দেয়, এভাবেই স্বামী রাত যাপন করে, সে স্ত্রীর উপর ফেরেশতারা সকাল পর্যন্ত অভিসম্পাত করে।”
৮. স্বামী-স্ত্রীর একান্ত গোপনীয়তা প্রকাশ না করা :
আসমা বিনতে ইয়াজিদ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “কিছু পুরুষ আছে যারা নিজ স্ত্রীর সাথে কৃত আচরণের কথা বলে বেড়ায়, তদ্রুপ কিছু নারীও আছে যারা আপন স্বামীর গোপন ব্যাপারগুলো প্রচার করে বেড়ায়?! এ কথা শুনে সবাই চুপ হয়ে গেল, কেউ কোন শব্দ করল না। আমি বললাম, হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল! নারী-পুরুষেরা এমন করে থাকে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এমন করো না। এটা তো শয়তানের মতো যে রাস্তার মাঝে নারী শয়তানের সাক্ষাৎ পেল, আর অমনি তাকে জড়িয়ে ধরল, এদিকে লোকজন তাদের দিকে তাকিয়ে আছে!”
৯. স্বামীর ঘর ছাড়া অন্য কোথাও বিবস্ত্র না হওয়া।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে নারী স্বামীর ঘর ব্যতীত অন্য কোথাও বিবস্ত্র হল, আল্লাহ তার গোপনীয়তা নষ্ট করে দেবেন।”
১০. স্বামীর অনুমতি ব্যতীত কাউকে তার ঘরে ঢুকতে না দেয়া।
বুখারিতে আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “নারী তার স্বামীর উপস্থিতিতে অনুমিত ছাড়া রোজা রাখবে না এবং তার অনুমতি ছাড়া তার ঘরে কাউকে প্রবেশ করতে দেবে না।”
১১. স্বামীর অনুমতি ছাড়া ঘর থেকে বের না হওয়া।
আল্লাহ তা’আলা বলেন, “তোমরা ঘরে অবস্থান কর” ইবনে কাসির রহ. এর ব্যাখ্যায় বলেন, “তোমরা ঘরকে আঁকড়িয়ে ধর, কোন প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হয়ো না।” নারীর জন্য স্বামীর আনুগত্য যেমন ওয়াজিব, তেমন ঘর থেকে বের হওয়ার জন্য তার অনুমতি ওয়াজিব।
স্বামীর খেদমতের উদাহরণ: মুসলিম বোন! স্বামীর খেদমতের ব্যাপারে একজন সাহাবির স্ত্রীর একটি ঘটনার উল্লেখ যথেষ্ট হবে বলে আমার ধারণা। তারা কীভাবে স্বামীর খেদমত করেছেন, স্বামীর কাজে সহযোগিতার স্বাক্ষর রেখেছেন ইত্যাদি বিষয় বুঝার জন্য দীর্ঘ উপস্থাপনার পরিবর্তে একটি উদাহরণই যথেষ্ট হবে, আমার দৃঢ় বিশ্বাস। আসমা বিনতে আবু বকর থেকে সহিহ মুসলিমে বর্ণিত, তিনি বলেন, জুবায়ের আমাকে যখন বিয়ে করে, দুনিয়াতে তখন তার ব্যবহারের ঘোড়া ব্যতীত ধন-সম্পদ বলতে আর কিছু ছিল না। তিনি বলেন, আমি তার ঘোড়ার ঘাস সংগ্রহ করতাম, ঘোড়া মাঠে চরাতাম, পানি পান করানোর জন্য খেজুর আঁটি পিষতাম, পানি পান করাতাম, পানির বালতিতে দানা ভিজাতাম। তার সব কাজ আমি নিজেই আঞ্জাম দিতাম। আমি ভাল করে রুটি বানাতে জানতাম না, আনসারদের কিছু মেয়েরা আমাকে এ জন্য সাহায্য করত। তারা আমার প্রকৃত বান্ধবী ছিল। সে বলল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দান করা জুবায়েরের জমি থেকে মাথায় করে শস্য আনতাম, যা প্রায় এক মাইল দূরত্বে ছিল।” রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যদি নারীরা পুরুষের অধিকার সম্পর্কে জানত, দুপুর কিংবা রাতের খাবারের সময় হলে, তাদের খানা না দেওয়া পর্যন্ত বিশ্রাম নিত না।”
বিয়ের পর মেয়েকে উদ্দেশ্য করে উম্মে আকেলার উপদেশ: আদরের মেয়ে, যেখানে তুমি বড় হয়েছ, যারা তোমার আপন জন ছিল, তাদের ছেড়ে একজন অপরিচিত লোকের কাছে যাচ্ছ, যার স্বভাব চরিত্র সম্পর্কে তুমি কিছু জান না। তুমি যদি তার দাসী হতে পার, সে তোমার দাস হবে। আর এসব বিষয়ের প্রতি খুব নজর রাখবে।
১- অল্পতে তুষ্টি থাকবে।
২– তার তার অনুসরণ করবে ও তার সাথে বিনয়ী থাকবে।
৩– তার চোখ ও নাকের আবেদন পূর্ণ করবে।
৪– তার অপছন্দ হালতে থাকবে না, তার অপ্রিয় গন্ধ শরীরে রাখবে না।
৫– তার ঘুম ও খাবারের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখবে।
৬– মনে রাখবে, ক্ষুধার তাড়নায় গোস্বার উদ্রেক হয়, ঘুমের স্বল্পতার কারণে বিসন্নতার সৃষ্টি হয়।
৭– তার সম্পদ হেফাজত করবে, তার সন্তান ও বৃদ্ধ আত্মীয়দের সেবা করবে।
৮– মনে রাখবে, সব কিছুর মূল হচ্ছে সম্পদের সঠিক ব্যবহার, সন্তানদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা।
নারীর জান্নাত যে পথে—–বইটি থেকে সংগৃহীত ।
লেখক : সানাউল্লাহ বিন নজির আহমদ

10/02/2019

দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের কি কি ক্ষতি হয়, জানলে সবাই বাকী জীবন এই কাজটি করা থেকে বিরত থাকবেন...
দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের কি কি ক্ষতি হয়? জানলে জীবনেও এই কাজটি করবেন না… চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষনায় দেখা যায় যে, দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যেসব মারাত্মক ক্ষতি হয় তা নিম্নরূপঃ
(১) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পেটের উপর কোনো চাপ পড়ে না। ফলে, দূষিত বায়ু বের হতে পারে না। বরং তা উপর দিকে উঠে যায়। ফলে অস্থিরতা বা্ড়ে, রক্তচাপ বাড়ে, হৃদযন্ত্রে স্পন্দন বাড়ে, খাদ্যনালী দিয়ে বার বার হিক্কা আসতে থাকে।
(২) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের থলি সরু ও লম্বা হয়ে ঝুলতে থাকে ফলে প্রস্রাবের দূষিত পদার্থগুলো থলির নিচে গিয়ে জমা হয়। অথচ বসে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের থলিতে চাপ লাগে ফলে, সহজেই ওসব দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায়।
(৩) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে কিডনিতে অতি সহজে পাথর সৃ্ষ্টি হয় ।
(৪) দীর্ঘদিন দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের বেগ কমতে থাকে।
(৫) যারা নিয়মিত দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করেন, তাদের অবশ্যই শেষ জীবনে ডায়াবেটিস, জন্ডিস, কিডনী রোগ হবেই ।
(৬) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যৌনশক্তি কমতে থাকে এবং পুরুষাঙ্গ নরম ও ত্যানা ত্যানা না হয়ে যায় এবং সহজে সোজা ও শক্ত হতে চায় না। উত্তেজনার সময় যদিও শক্ত হয় কিছুক্ষণ পর কিছু বের না হতেই তা আবার ছোট ও নরম হয়ে যায় ।
(৭) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পরিবেশ দূষিত হয়। সেই দূষিত বায়ু আমাদের দেহে প্রবেশ করে বিভিন্ন জটিল রোগের সৃষ্টি করে ।
(৮) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে তার ছিটা দেহে ও কাপড়ে লাগে ফলে তা দুর্গন্ধের সৃষ্টি করে ।
স্বাস্থ্যবিজ্ঞান বলে উপরোক্ত দৈহিক সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আমাদের অতি অবশ্যই বসে প্রস্রাব করা উচিত।
অথচ সর্বশ্রেষ্ঠ স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী মহামনব আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) চৌদ্দশত বছর আগেই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে নিষেধ করেছেন এবং বসে প্রস্রাব করার আদেশ দিয়েছেন।

Address

Kulchara
Jhenida
7320

Telephone

+8801919633396

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ঘটক বাড়ি কুলচারা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to ঘটক বাড়ি কুলচারা:

Share