An-Naaba Foundation

Directions

An-Naaba Foundation Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from An-Naaba Foundation, Nonprofit Organization, Shailkupa, Jhenaidah, Jhenida.

❝এটি একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক আর্থ-সমাজ সেবামূলক স্বেচ্ছাসেবী ইসলামি সংগঠন।❞

মূলমন্ত্র: সেবাই শান্তি, ঐক্যই শক্তি।
প্রতিষ্ঠাকাল: ২রা অক্টোবর ২০২২ খ্রি.
ঠিকানা: ভাটই বাজার, শৈলকুপা, ঝিনাইদহ-৭৩২০।

FB group: আন-নাবা ফাউন্ডেশন™

আলহামদুলিল্লাহ, ছুম্মা আলহামদুলিল্লাহ!ছবির এই আমড়া ফলটি “আন-নাবা ফাউন্ডেশন” এর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি তে রোপিত একটি গাছে ধরা...
22/08/2026

আলহামদুলিল্লাহ, ছুম্মা আলহামদুলিল্লাহ!

ছবির এই আমড়া ফলটি “আন-নাবা ফাউন্ডেশন” এর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি তে রোপিত একটি গাছে ধরা প্রথম ফল। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার কাছে প্রার্থনা করি- “তিনি যেন গাছটিতে অনেক ফল দান করেন এবং পাখি ও ছায়া প্রদানের মাধ্যমে সাদাকায়ে জারিয়া অব্যাহত রাখেন। অকালে বৃক্ষটি যেন ঝড়ে না যায়। আমিন।”

াবা_ফাউন্ডেশন #বৃক্ষরোপন_কর্মসূচি #নতুন_ফল #প্রথম_ফল #আমড়া An-Naaba Foundation

আল্লাহ যার কল্যাণ চান তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন।
15/05/2026

আল্লাহ যার কল্যাণ চান তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন।

রবকেভরসা করো…তিনি জানেন—কখন তোমার জন্যকোনটি সবচেয়ে কল্যাণকর।তুমি শুধু ধৈর্য ধরো,দু'আ করতে থাকো—কারণআল্লাহ যখন দান করেন,ত...
11/05/2026

রবকে
ভরসা করো…

তিনি জানেন—
কখন তোমার জন্য
কোনটি সবচেয়ে কল্যাণকর।

তুমি শুধু ধৈর্য ধরো,
দু'আ করতে থাকো—

কারণ
আল্লাহ যখন দান করেন,
তখন তিনি
সেরাটাই দান করেন।

🤍 “নিশ্চয়ই আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী।”

সালাউদ্দীন আইয়ুবী রহ. কেনো ৩০০০ আলেমকে হত্যা করেন? এবং হারাম শরীফের একজন ইমাম। সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহ. বাইতুল মুকাদ্দাস জয়...
10/04/2026

সালাউদ্দীন আইয়ুবী রহ. কেনো ৩০০০ আলেমকে হত্যা করেন? এবং হারাম শরীফের একজন ইমাম।

সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহ. বাইতুল মুকাদ্দাস জয় করার পরে সবাই যখন বিজয় উৎসব পালনে ব্যস্ত, তখন সালাউদ্দিন আইয়ুবী গভীর চিন্তায় নিমগ্ন। তার চিন্তার কারণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, বাইতুল মুকাদ্দাস জয় হয়েছে কিন্তু এখনও এমন শত্রু আমাদের মাঝে রয়ে গেছে যাদেরকে খুঁজে বের করতে না পারলে বাইতুল মুকাদ্দাস আমরা বেশিদিন আমাদের কাছে রাখতে পারবো না।

তার কথার প্রয়োজনীয়তা কেউ অনুভব করতে পারলনা। সালাউদ্দীন আইয়ুবী তার অত্যন্ত বিশ্বস্ত সেনাদের নিয়ে খুবই গোপনে নতুন একটি গোয়েন্দা বিভাগ গঠন করলেন। যাদেরকে আটককৃত ইহুদিদের গোয়েন্দা বিভাগের সেনাদের থেকে পাওয়া তথ্য দিয়ে ট্রেনিং দিলেন। সেনারা ফিলিস্তিনে এক ইমামের কাছে গেলেন, লোকজন যার প্রশংসায় ভরপুর,ইসলামি স্কলার, শায়েখ এবং অত্যন্ত আমলদার ও পরহেজগার হিসেবে তার সুখ্যাতি পুরো ফিলিস্তিন জুড়ে।

একদিন তিনি তাফসিরের আলোচনা করছিলেন তার মসজিদে। এ সময় দুজন অপরিচিত আগন্তুক আসলো। তারাও খুব গভীর মনোযোগ দিয়ে তার তাফসির আলোচনা শুনলো। আলোচনা শেষে তারা ইমামের সামনে গিয়ে প্রশ্ন করলো, সূর্য কখন ওঠে? ইমাম জবাব দিল, যখন বৃষ্টি থেমে যায়। অপরিচিত আগন্তুক আবার প্রশ্ন করলো, বৃষ্টি কোন দিক থেকে আসে? ইমাম উত্তর দিল, ঝড়ো হাওয়ার দিক থেকে। এভাবে আরো কয়েকটি প্রশ্ন এবং তার উত্তর নিল।

উপস্থিত মুসল্লিরা এগুলো বুঝলো না। তারা চলে যাওয়ার পর ইমাম সাহেব আগন্তুকদের নিয়ে তার ঘরে প্রবেশ করলেন। ঘরে গিয়ে ইমাম তাদের সাথে তার নিজের পরিচয়ে কথা বলতে শুরু করলেন। ইমামের স্ত্রী আগন্তুকদের মদ পরিবেশন করতে দিলেন। আগন্তুকরা ইমামের সাথে বিস্তারিত কথা বলা শুরু করলো। ইমাম কবে থেকে এখানে, মানুষের মধ্যে কি কি ফিৎনা ছড়িয়েছে, মানুষের ঈমানের মধ্যে চিড় ধরাতে কতটুকু সক্ষম হয়েছে ইত্যাদি বিষয়ে কথা হতে লাগলো।

ইমামও অত্যন্ত আগ্রহের সাথে কিভাবে মানুষের মাঝে ফিৎনা তৈরি করেছে, কিভাবে মাসআলাগত বিরোধ লাগাচ্ছে, কিভাবে এর মাঝেও ইহুদি পণ্ডিতের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করেছে, কিভাবে মানুষকে জিহাদ থেকে বিমুখ রাখছে, কিভাবে ইহুদিদের ক্ষমতার ভয় মুসলিমদের মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছে— সব বলতে লাগলো। মোটামুটি প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়ার পরে আগন্তুকরা তাদের মাথার পাগড়ি খুললো এবং উপরের জামা খুললো। এটা দেখে ইমাম এবার ভয়ে পালাতে চাইলো কারণ এই আগন্তুকরা ছিল হযরত সালাউদ্দীন আইয়ুবীর সেই গোয়েন্দা বিভাগের সেনা। তারা তাকে ধরে নিয়ে গেল এবং তাকে হত্যা করলো।

এভাবে হযরত সালাউদ্দীন আইয়ুবী তিন হাজার ইহুদি আলেম হত্যা করেছিল। যারা মূলত ইহুদি কিন্তু ইসলামি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে মানুষের মধ্যে ফিৎনা ছড়ানোই ছিল তাদের মূল কাজ।

বিশ্বের মানচিত্রে খুব কম মানুষই আবির্ভূত হন যারা কম শক্তি সম্পূর্ণ হয়েও অ'স্ত্রে সজ্জিত শত্রুদের ঘুম হারাম করে দেন অল্প ...
10/04/2026

বিশ্বের মানচিত্রে খুব কম মানুষই আবির্ভূত হন যারা কম শক্তি সম্পূর্ণ হয়েও অ'স্ত্রে সজ্জিত শত্রুদের ঘুম হারাম করে দেন অল্প সংখ্যক কিছু যো'দ্ধা নিয়ে। তাদেরই একজন ছিলেন ওমর আল মুখতার, যাকে ইতিহাস লিপিবদ্ধ করেছে "মরুসিংহ" নামে...❤️

১৯১১ থেকে ১৯৩১, টানা ২০ বছর তিনি ইতালীয় সা'ম্রাজ্য'বাদ ও ঔ'প'নিবেশিক আ'গ্রা'সনের বিরুদ্ধে অদম্য সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছিলেন। যখন বড় বড় শক্তিগুলো হার মানছিল, তখন তিনি মরুভূমির বালুঝড় হয়ে লড়েছেন। তার গেরিলা কৌশলের কাছে ইতালীয় জেনারেলরা পরাজিত হয়েছে অনেকবার।

এটা ভাবা কঠিন যে, ৭৩ বছর বয়স পর্যন্ত তিনি ঘোড়ার পিঠে থেকে লড়াই চালিয়ে গিয়েছিলেন। বয়সের ভার তার সাহসে বিন্দুমাত্র আঁচড় কাটতে পারেনি, এমনকি শান্ত, হাস্যোজ্জ্বল এবং দৃঢ়ভাবে এগিয়ে গিয়েছিলেন ফাঁসির মঞ্চের দিকেও!

স্মরণ করছি ওমর আল মুখতারকে যখন ফাঁসির কাষ্ঠে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন তার আবৃত্তিকৃত পবিত্র আল কুরআনের সূরা আল-ফজরের ২৭ ও ২৮ নম্বর আয়াত: "হে প্রশান্ত আত্মা! তুমি তোমার পালনকর্তার কাছে ফিরে যাও সন্তুষ্ট ও সন্তোষভাজন হয়ে"।

মুসনাদের আহমাদে রাসূল সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পবিত্র ইরশাদ বর্ণিত হয়েছে—“কোনো মুসলিম যখন প্রথমবার কোনো নারীর সৌ...
10/04/2026

মুসনাদের আহমাদে রাসূল সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পবিত্র ইরশাদ বর্ণিত হয়েছে—
“কোনো মুসলিম যখন প্রথমবার কোনো নারীর সৌন্দর্যের প্রতি দৃষ্টি পড়ার পর স্বীয় দৃষ্টি নত করে নেয়, আল্লাহ্‌ তাআলা তার ইবাদতে স্বাদ দান করেন।” (১)

তাবারানী শরীফে দৃষ্টি সরিয়ে নেয়া সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে :
“যে আমার ভয়ে কুদৃষ্টি পরিহার করে আমি তাকে এমন ঈমান দান করি যার স্বাদ সে অন্তরে অনুভব করে।” (২)

কতই-না লাভজনক সওদা! কু-দৃষ্টির অস্থায়ী ও কৃত্তিম স্বাদ পরিহারে ঈমানের স্থায়ী মিষ্টতা ও স্বাদ লাভ হয়। এ থেকে প্রমাণিত হয় যে, আল্লাহ্‌ তাআলা এমন ব্যক্তির অন্তরে প্রশান্তি ঢেলে দেবেন। তা ছাড়া নিয়মও এটাই যে, আমলের প্রতিদান অনুরূপ জিনিস দিয়েই দেয়া হয়। সুতরাং যে পরনারীকে দেখার স্বাদ বর্জন করবে আল্লাহ্‌ তাআলা তাকে ইবাদত ও ঈমানের পরম স্বাদ দান করবেন।

(১) মুসনাদু আহমাদ, ২২২৭৮।
(২) তাবারানী, মু' জামুল কাবীর, ১০/১৭ হাদীস নং ১০৩৬২।

— বই : এখন যৌবন যার, পৃষ্ঠা নং- ৫৭-৫৮।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,"আল্লাহ যখন জান্নাত ও জাহান্নাম সৃষ্টি করলেন, তখন জিবরাঈল (আ.)-কে জান্নাতের দিকে পাঠিয়ে বললেন, 'যাও...
10/04/2026

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

"আল্লাহ যখন জান্নাত ও জাহান্নাম সৃষ্টি করলেন, তখন জিবরাঈল (আ.)-কে জান্নাতের দিকে পাঠিয়ে বললেন, 'যাও, জান্নাত এবং এর অধিবাসীদের জন্য আমি যা প্রস্তুত করে রেখেছি তা দেখে এসো।'

জিবরাঈল (আ.) গিয়ে জান্নাত এবং এর নেয়ামতসমূহ দেখলেন। এরপর ফিরে এসে বললেন, 'আপনার ইজ্জতের কসম! যে কেউ এর (সুখের) কথা শুনবে, সে অবশ্যই এতে প্রবেশ করতে চাইবে।'

তখন আল্লাহর নির্দেশে জান্নাতকে 'মাকারেহ' (কষ্টকর ও অপছন্দনীয় বিষয়) দিয়ে ঘিরে দেওয়া হলো। এরপর আল্লাহ বললেন, 'আবার যাও এবং দেখে এসো।'

জিবরাঈল (আ.) পুনরায় গিয়ে দেখলেন যে, জান্নাত কষ্টকর বিষয় দিয়ে ঘেরা। তিনি ফিরে এসে বললেন, 'আপনার ইজ্জতের কসম! আমার ভয় হচ্ছে যে, (এত বাধা পেরিয়ে) এখন হয়তো কেউই এতে প্রবেশ করতে পারবে না।'

এরপর আল্লাহ বললেন, 'এবার জাহান্নামের দিকে যাও এবং এর অধিবাসীদের জন্য যা প্রস্তুত রেখেছি তা দেখে এসো।'

তিনি গিয়ে দেখলেন জাহান্নামের আগুন একটির ওপর আরেকটি আছড়ে পড়ছে (ভয়াবহ উত্তাল)। ফিরে এসে তিনি বললেন, 'আপনার ইজ্জতের কসম! এর (ভয়াবহতার) কথা যে শুনবে, সে কখনোই এতে প্রবেশ করবে না।'

তখন আল্লাহর নির্দেশে জাহান্নামকে 'শাহওয়াত' (নফসের কামনা-বাসনা ও প্রলোভন) দিয়ে ঘিরে দেওয়া হলো। এরপর আল্লাহ বললেন, 'আবার যাও এবং দেখে এসো।'

তিনি পুনরায় গিয়ে দেখলেন যে, তা প্রলোভন দিয়ে ঘেরা। ফিরে এসে তিনি বললেন, 'আপনার ইজ্জতের কসম! আমার আশঙ্কা হচ্ছে যে, (প্রলোভনের কারণে) এখন আর কেউই তা থেকে রক্ষা পাবে না, বরং সবাই এতে প্রবেশ করবে।'"

(সূত্র: সুনানে আবু দাউদ,তিরমিযী,নাসাঈ)

জান্নাত এমন সব জিনিস দিয়ে ঘেরা যা মানুষের মন সহজে করতে চায় না। যেমন: কনকনে শীতে ফজরের নামাজ, দান-সদকা, ধৈর্য ধারণ এবং হারাম থেকে বেঁচে থাকা। এধরণের "কষ্ট" সহ্য করলেই জান্নাতে পৌঁছানো সম্ভব।

জাহান্নাম এমন সব প্রলোভন দিয়ে ঘেরা যা মানুষের মন খুব দ্রুত গ্রহণ করে। যেমন: সুদ-ঘুষ, পরনিন্দা, বেহায়াপনা ও আলস্য। মানুষ এই সাময়িক আনন্দের মোহে পড়েই মূলত জাহান্নামের পথে পা বাড়ায়।

জিবরাঈল (আ.)-এর সেই 'আশঙ্কা' আমাদের জন্য একটি সতর্কবার্তা। দুনিয়ার মোহ ত্যাগ করে কষ্টকর হলেও আল্লাহর আনুগত্যের পথে চলাই হলো প্রকৃত সফলতা।

- সালমান ফারসি

আপনি আপনার জীবনকে ভালোবাসেন; খুব করে ভালেবাসেন;যে ভালোবাসা একদম নিখাঁদ।এতটাই ভালোবাসেন যে সুস্থ মস্তিষ্কে আপনি চাইবেন না...
09/04/2026

আপনি আপনার জীবনকে ভালোবাসেন; খুব করে ভালেবাসেন;যে ভালোবাসা একদম নিখাঁদ।
এতটাই ভালোবাসেন যে সুস্থ মস্তিষ্কে আপনি চাইবেন না ট্রাকের নিচে চাপা পরে আপনার মৃত্যু হোক, অসুস্হ হলে আপনি ডাক্তারের কাছে যান,ভূমিকম্প হলে আপনি বিল্ডিং থেকে দৌড়ে বের হন, রাস্তার পাশে যেখানে কনস্ট্রাকশন কাজ চলে সেখান দিয়ে যেতে আপনার ভয় লাগে, চুলার আগুন থেকে আপনি দূরে থাকতে চান।
কখনো নিজেকে প্রশ্ন করেছেন জীবনটাকে কেন আপনি এতোটা আগলে রাখতে চান?
- উত্তর একটাই যে জীবনটাকে আপনি ভালোবাসেন।

দুনিয়াতে যে জীবনটাকে এতোটাই ভালোবাসেন, আগলে রাখেন সেই একি জীবনটাকে আখিরাতের জন্য ভালোবাসবেন না?
মানুষের জীবনটা তো অনেকটা Rent a car এর মতো! মালিককে গাড়ির মতো জীবনটাকেও বুঝিয়ে দিতে হয়। কিন্তু আমরা কি করছি জানেন?

-আমরা একটা যান্ত্রিক জীবনের পিছনে ছুটছি ;যার কোন ব্রেক নেই। জীবনের কম্পাসের কাঁটাকে আমরা দুনিয়ার ক্যারিয়ারের দিকে ঘুরিয়ে দিয়েছি।
আল্লাহর সামনে যে আমাদের দাঁড়াতে হবে আমরা অনেকটা ভুলেই গিয়েছি।
কিছু মানুষের জীবনটা এমন যে মিউজিক, মুভি, খেলা,আড্ডার এই চক্রেই আবদ্ধ। এর বাহিরে যে একটা জীবন আছে তা যেন তাদের চিন্তার সাথে সাংঘর্ষিক। আমার কাছে মনে হয় তারা এক "অনুভূতিহীন পাথুরে মূর্তি"।

সাইকোলজির পরিভাষায় একে ডিসেনসিটাইজেশন বলে মানে অনুভূতিহীন অন্তর একসময় শুষ্ক হয়ে যায়।
তৃণলতা বিহীন শুষ্ক প্রান্তরে কেবল প্রতিপালকের স্মরনই কল্যানের বারিধারা নিয়ে আসে।

اَلَا بِذِکۡرِ اللّٰہِ تَطۡمَئِنُّ الۡقُلُوۡبُ

জেনে রাখ, আল্লাহর স্মরণ দ্বারাই অন্তরসমূহ প্রশান্ত হয়’।

[সূরা রাদঃ২৮]

যে আপনি দুনিয়ার ক্যারিয়ার নিয়ে এতোটা সচেতন সেই একি আপনি আখিরাতের ক্যারিয়ার কে কি করে ভুলে থাকতে পারেন। এটা কি আত্মপ্রতারনা নয়?

আরশের স্পিকার সময় শেষ বললেই তো চলে যাবেন। তার আগেই ভেবে দেখুন জীবন নিয়ে জুয়া খেলছেন না তো?

➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖

লেখাঃ শরীফুল ইসলাম।

২৫ রবিউস সানী ১৪৪৪ হিজরী।

Address

Shailkupa, Jhenaidah
Jhenida
7320

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when An-Naaba Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share