আমরা করব জয়

আমরা করব জয় Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from আমরা করব জয়, Nonprofit Organization, Jessore.

আন্তর্জাতিক নদী কৃত্য দিবস ২০২৬ আয়োজনে: বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বা পাওয়া যশোর অঞ্চল এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় "বাঁচাও নদ...
13/03/2026

আন্তর্জাতিক নদী কৃত্য দিবস ২০২৬
আয়োজনে: বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বা পাওয়া যশোর অঞ্চল
এবারের প্রতিপাদ্য বিষয়
"বাঁচাও নদী বাঁচাও মানুষ "
আগামীকাল শনিবার ১৪ মার্চ সকাল ১০ঃ৩০ মিনিট এ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মানববন্ধন
স্থান : ভৈরব নদীর পাড় কাঠেরপুর ব্রিজের দক্ষিণ পশ্চিম পাশে আপনারা সকলে আমন্ত্রিত।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায় বিচার সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার ...
08/03/2026

আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬
এবারের প্রতিপাদ্য বিষয়
আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায় বিচার
সুরক্ষিত হোক
নারী ও কন্যার অধিকার

৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সার্কিট হাউজের সামনে মানব বন্ধন এর আয়োজন করা হয় টিআইবি ও সনাক এর পক্ষ থেকে।

দুপুর ১২ ঘটিকায় জেলা এনজিও ও এডাপ যশোর জেলা কমিটির পক্ষ থেকে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয় এ সময় যশোর জেলায় কর্মরত ভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করেন।

দুপুর ১২.৩০ মিনিনিটে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সভাকক্ষ অমিতাক্ষর এ জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর যশোরের উদ্যোগে প্রবন্ধ পাঠ,কুইজ প্রতিযোগিতা, অদম্য পাঁচ নারীকে সম্মাননা সহ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় সভাপতিত্ব করেন সুযোগ্য জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মাদ আশেক হাসান মহদয়।

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ বাংলা ইশারা ভাষা দিবস । র‍্যালি আলোচনা সভা ও সহায়কউপ করন বিতরন। প্রতি পাদ্য ইশারা ভাষার ব্যবহার বাক...
08/02/2026

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ বাংলা ইশারা ভাষা দিবস । র‍্যালি আলোচনা সভা ও সহায়ক
উপ করন বিতরন। প্রতি পাদ্য ইশারা ভাষার ব্যবহার
বাক শ্রবণ প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার।

যশোর শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত ক্ষণিকা পিকনিক স্পট দীর্ঘদিন ধরে শহরবাসীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনোদন ও প্রাকৃতিক অবকাশকেন্...
22/01/2026

যশোর শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত ক্ষণিকা পিকনিক স্পট দীর্ঘদিন ধরে শহরবাসীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনোদন ও প্রাকৃতিক অবকাশকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। দুঃখজনক হলেও সত্য, সড়ক ও জনপদ বিভাগের আওতাধীন এই পিকনিক স্পটটি গত প্রায় ২৫ বছর ধরে জনসাধারণের জন্য অন্যায়ভাবে বন্ধ করে রাখা হয়েছে।
এই পিকনিক স্পটের ভেতরে রয়েছে একটি ঐতিহ্যবাহী দীঘি, যা ইতিহাস অনুযায়ী খান জাহান আলী (রহ.) তাঁর সৈন্যদলে দিয়ে স্থানীয় জনগনের সুপেয় পানির চাহিদা পূরণের জন্য খনন করেছিলেন। এ দীঘি ও এর আশপাশের প্রাচীন বৃক্ষরাজি বহু পাখি ও বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাসস্থল হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করে আসছে।
বর্তমানে আশঙ্কাজনকভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, সড়ক ও জনপদ বিভাগ এই পিকনিক স্পটটির স্থলে গ্যারেজ, টার্মিনালসহ বিভিন্ন তথাকথিত উন্নয়নমূলক স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা করতে যাচ্ছে, যা বাস্তবায়িত হলে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক স্থান চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
ক্ষণিকা পিকনিক স্পট যশোর শহরের মানুষের জন্য অন্যতম প্রধান বিনোদন কেন্দ্র। বিনোদন মানুষের একটি মৌলিক সামাজিক অধিকার—কিন্তু দুঃখজনকভাবে শহরবাসী আজ এই অধিকার থেকে বঞ্চিত। এ ধরনের উন্নয়ন পরিবেশ, ইতিহাস ও জনস্বার্থবিরোধী।
এই প্রেক্ষাপটে, যশোরের মানুষের সার্বিক স্বার্থ রক্ষায় বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), যশোর জেলা কমিটি একটি শক্তিশালী নাগরিক আন্দোলন গড়ে তোলার প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। যার মূল লক্ষ্য হবে ক্ষণিকা পিকনিক স্পট ও এর প্রাকৃতিক-ঐতিহাসিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ।
এ বিষয়ে সচেতন নাগরিক সমাজ, পরিবেশপ্রেমী, রাজনৈতিক ব্যাক্তি বর্গ, সাংবাদিক, আইনজীবী, শিক্ষক ও সকল শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের পরামর্শ, সহযোগিতা ও সুচিন্তিত মতামত একান্তভাবে কাম্য।

গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ক মতবিনিময় সভা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অমিত্রাক্ষর সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্...
19/01/2026

গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ক মতবিনিময় সভা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অমিত্রাক্ষর সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব শারমীন এস মুরশিদ, মাননীয় উপদেষ্টা, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
মতবিনিময় সভা শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে গণভোটের মক ভোটিংয়ের আয়োজন করা হয় এবং রাএে ৮ ঘটিকায় সার্কিট হাউজে মাননীয় উপদেষ্টা মহোদয়ের সাথে যশোরে সার্বিক পরিস্থিতি ভোট এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।উপদেষ্টা মহোদয়ের সাথে সাক্ষাৎকার উদ্যোগ গ্রহণ করেন উলাসী সৃজনী সংঘের নির্বাহী পরিচালক খন্দকার আজিজুল হক মনি এবং তার নেতৃত্বে এখানে অংশগ্রহণ করেন ৮ টি প্রতিষ্ঠান।

17/01/2026

নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কমিউনিটি উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষি-বাস্তুতত্ত্ব (Agroecology) প্রসার
সারসংক্ষেপ (Abstract)
বিশ্ব খাদ্য ব্যবস্থা বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশগত অবক্ষয়, জীববৈচিত্র্য হ্রাস এবং খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার মতো একাধিক সংকটে আক্রান্ত। শিল্পভিত্তিক, উচ্চ ইনপুট নির্ভর কৃষি ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্য মাত্রায় গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন, বাস্তুতন্ত্র ধ্বংস এবং অনিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের জন্য দায়ী; একই সঙ্গে এটি ক্ষুদ্র কৃষক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অসমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এই প্রেক্ষাপটে কৃষি-বাস্তুতত্ত্ব (Agroecology) একটি সমন্বিত বিকল্প হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, যা পরিবেশগত নীতি, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং স্থানীয় জ্ঞানকে একত্রিত করে খাদ্য ব্যবস্থার রূপান্তর ঘটায়।
এই সেমিনার পেপারটি বিশ্লেষণ করে দেখায় কীভাবে কমিউনিটি-নেতৃত্বাধীন উদ্যোগ কৃষি-বাস্তুতত্ত্বকে প্রসারিত করে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে পারে এবং একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বৈশ্বিক পর্যায়ে কৃষি-বাস্তুতত্ত্বের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বের প্রেক্ষাপটে, বাংলাদেশে শিসুক (SHISUK) কর্তৃক বাস্তবায়িত কমিউনিটি এন্টারপ্রাইজ অ্যাপ্রোচ (CEA)–এর অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করে দেখানো হয়েছে যে, কমিউনিটি শাসন ও সমষ্টিগত উদ্যোগের ভিত্তিতে কৃষি-বাস্তুতত্ত্ব কীভাবে একটি প্রকৃতিনির্ভর, অ-বাজারভিত্তিক জলবায়ু সমাধান হিসেবে কাজ করে। এই বিশ্লেষণে জলবায়ু অভিযোজন, প্রশমন (mitigation) সহ-লাভ, বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার, খাদ্য নিরাপত্তা এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারে কৃষি-বাস্তুতত্ত্বের অবদান তুলে ধরা হয়েছে।
১. ভূমিকা
বর্তমান বিশ্বে খাদ্য ব্যবস্থা একাধিক বৈশ্বিক সংকটের কেন্দ্রে অবস্থান করছে। কৃষি খাত বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের একটি বড় অংশের জন্য দায়ী, বন উজাড় ও জীববৈচিত্র্য হ্রাস ঘটাচ্ছে এবং ক্রমশ রাসায়নিক দূষিত খাদ্য উৎপাদন করছে। অপরদিকে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বন্যা, খরা, লবণাক্ততা ও চরম আবহাওয়ার ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা বিশেষ করে বাংলাদেশসহ জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর কৃষি উৎপাদনকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
জাতীয় ও বৈশ্বিক নীতিনির্ধারণী আলোচনায় কৃষিকে দীর্ঘদিন ধরে প্রধানত অভিযোজনের বিষয় হিসেবে দেখা হলেও, বর্তমানে এ বিষয়ে ক্রমবর্ধমান স্বীকৃতি রয়েছে যে কৃষিকে অবশ্যই জলবায়ু প্রশমনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। প্রচলিত কৃষিতে সামান্য দক্ষতা বৃদ্ধি যথেষ্ট নয়; বরং প্রয়োজন একটি রূপান্তরমুখী দৃষ্টিভঙ্গি, যা উৎপাদন, বাস্তুতন্ত্র, জীবিকা, শাসন ও ভোগ—সবকিছুকে একত্রে বিবেচনা করে। কমিউনিটি উদ্যোগের মাধ্যমে বাস্তবায়িত কৃষি-বাস্তুতত্ত্ব এই পথই দেখায়।
২. কৃষি-বাস্তুতত্ত্ব: ধারণাগত কাঠামো ও প্রাসঙ্গিকতা
কৃষি-বাস্তুতত্ত্ব কেবল একটি জৈব বা কম ইনপুট কৃষি পদ্ধতি নয়; এটি একটি বৈজ্ঞানিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যা খাদ্য ব্যবস্থার নকশা ও ব্যবস্থাপনায় পরিবেশগত নীতিকে প্রয়োগ করে। এর মূল নীতির মধ্যে রয়েছে পুষ্টি উপাদানের পুনঃচক্রায়ন, জীববৈচিত্র্য বৃদ্ধি, মাটির স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার, শক্তির দক্ষ ব্যবহার এবং রাসায়নিক নির্ভরতা পরিহার।
শিল্পভিত্তিক কৃষি যেখানে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ব্যয় সমাজের ওপর চাপিয়ে দেয়, সেখানে কৃষি-বাস্তুতত্ত্ব স্থানীয় বাস্তুতন্ত্র ও কৃষকের জ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। এটি ক্ষুদ্র কৃষক, নারী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে জমি, বীজ ও জীববৈচিত্র্যের অভিভাবক হিসেবে ক্ষমতায়িত করে, খাদ্য সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করে এবং ব্যয়বহুল ও ক্ষতিকর ইনপুটের ওপর নির্ভরতা কমায়।
৩. কৃষি-বাস্তুতত্ত্ব ও খাদ্য ব্যবস্থা রূপান্তরে বৈশ্বিক গতি
৩.১ কৃষি-বাস্তুতত্ত্বের প্রসার
গত এক দশকে কৃষি-বাস্তুতত্ত্ব একটি “বিজ্ঞান, চর্চা ও আন্দোলন” হিসেবে বৈশ্বিক স্বীকৃতি লাভ করেছে। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে FAO-এর আন্তর্জাতিক কৃষি-বাস্তুতত্ত্ব সিম্পোজিয়াম এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। CFS-এর HLPE কর্তৃক প্রণীত ১৩টি নীতি (২০১৯) এবং FAO-এর ১০টি উপাদান কৃষি-বাস্তুতত্ত্ব বাস্তবায়নের জন্য দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
৩.২ খাদ্য ব্যবস্থার গুরুত্ব
IPCC ল্যান্ড রিপোর্ট (২০১৯), IPBES গ্লোবাল অ্যাসেসমেন্ট (২০১৯) এবং IPCC-এর ষষ্ঠ মূল্যায়ন প্রতিবেদন (২০২২) খাদ্য ব্যবস্থা ও ভূমি ব্যবহারের ভূমিকা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। ২০২৩ সালের COP28 ঘোষণায়ও টেকসই কৃষি ও সহনশীল খাদ্য ব্যবস্থার আহ্বান জানানো হয়েছে।
৩.৩ বহুমাত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি
FAO-এর ট্রু কস্ট অ্যাকাউন্টিং অনুযায়ী, বৈশ্বিক খাদ্য ব্যবস্থার গোপন পরিবেশগত ও সামাজিক ব্যয় বছরে ১০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি। কৃষি-বাস্তুতত্ত্ব এই ব্যয় হ্রাসের একটি কার্যকর পথ।
৪. কৃষি-বাস্তুতত্ত্বে কমিউনিটি উদ্যোগের ভূমিকা
বৈশ্বিক নীতিমালা একা খাদ্য ব্যবস্থা রূপান্তর করতে পারে না। স্থানীয় মালিকানা ও কমিউনিটি উদ্যোগই কৃষি-বাস্তুতত্ত্বকে বাস্তবে রূপ দেয়। SHISUK-এর কমিউনিটি এন্টারপ্রাইজ অ্যাপ্রোচ (CEA) জমি ও পানির যৌথ শাসন, ন্যায্য সুবিধা বণ্টন এবং সমষ্টিগত জ্ঞান সৃষ্টির মাধ্যমে কৃষি-বাস্তুতত্ত্বকে শক্তিশালী করেছে।
৫. কমিউনিটি-নেতৃত্বাধীন কৃষি-বাস্তুতত্ত্ব ও নিরাপদ খাদ্য
রাসায়নিকনির্ভর কৃষি জনস্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি। কমিউনিটি-নেতৃত্বাধীন কৃষি-বাস্তুতত্ত্ব—
কম্পোস্ট ও জৈব সার ব্যবহার,
স্থানীয় ও রাসায়নিকমুক্ত বীজ সংরক্ষণ,
সমন্বিত ফসল–মাছ–প্রাণিসম্পদ ব্যবস্থা,
স্বল্প সরবরাহ শৃঙ্খল
এর মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করে। এ ক্ষেত্রে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৬. জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কৃষি-বাস্তুতত্ত্ব
৬.১ অভিযোজন
কৃষি-বাস্তুতত্ত্ব জীববৈচিত্র্য, মাটির জৈব পদার্থ ও পানি ধারণক্ষমতা বাড়িয়ে অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৬.২ প্রশমন
রাসায়নিক সার কম ব্যবহারের মাধ্যমে মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইড নির্গমন হ্রাস পায় এবং মাটিতে কার্বন সঞ্চয় বৃদ্ধি পায়। এটি প্রযুক্তিনির্ভর নয়, বরং কৃষকের জ্ঞান ও সমষ্টিগত উদ্যোগভিত্তিক সমাধান।
৭. ন্যায়বিচার ও সমতা
কৃষি-বাস্তুতত্ত্ব ক্ষুদ্র কৃষক, ভূমিহীন ও নারীদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে এবং কার্বন বাণিজ্যিকীকরণ এড়িয়ে স্থানীয় খাদ্য ব্যবস্থায় জলবায়ু সুফল ধরে রাখে।
৮. বাংলাদেশের জন্য নীতিগত তাৎপর্য
বাংলাদেশে কৃষি-বাস্তুতত্ত্বকে জলবায়ু প্রশমন কৌশলের কেন্দ্রবিন্দুতে আনতে প্রয়োজন—
জাতীয় কৃষি-বাস্তুতত্ত্ব কর্মসূচি,
রাসায়নিক সার ও কীটনাশক হ্রাস,
কমিউনিটি-ভিত্তিক বন্যা সমভূমি ব্যবস্থাপনা,
স্থানীয় বীজ ও নারী নেতৃত্বে মাটির ব্যবস্থাপনা,
কমিউনিটি উদ্যোগের জন্য জলবায়ু অর্থায়ন।
৯. উপসংহার
কৃষি-বাস্তুতত্ত্ব আজ আর প্রান্তিক বিকল্প নয়; এটি বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত ও সামাজিকভাবে ন্যায়সঙ্গত খাদ্য ব্যবস্থা রূপান্তরের পথ। বাংলাদেশের জন্য এটি নিরাপদ খাদ্য, কম কার্বন নির্গমন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীলতার একটি সমন্বিত সমাধান। অভিযোজনের গণ্ডি পেরিয়ে পরিবেশ পুনরুদ্ধার ও প্রশমনের পথে এগোনো এখন অপরিহার্য—আর সেই পথই দেখায় কৃষি-বাস্তুতত্ত্ব

আজ যশোরে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ (২৫ নভেম্বর–১০ ডিসেম্বর ২০২৫) উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও জেলা মহিলা বিষয়ক ...
04/12/2025

আজ যশোরে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ (২৫ নভেম্বর–১০ ডিসেম্বর ২০২৫) উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উদ্যোগে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নারী ও কন্যার প্রতি সব ধরনের সহিংসতা বন্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয় অনুষ্ঠানে।

ব্যানারে যে প্রতিপাদ্য ধরা হয়েছে—
“নারী ও কন্যার প্রতি সহিংসতা বন্ধে একযোগে কাজ করি, ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করি”—
তা আজকের সময়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সমাজের সকল স্তরের মানুষ একসাথে দাঁড়ালে নারীর প্রতি সহিংসতা অবশ্যই কমবে।
চলুন, আমরাও নিজ নিজ অবস্থান থেকে নারীর নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় সোচ্চার হই।

Address

Jessore

Telephone

01772774748

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আমরা করব জয় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share