এগারোখান পরিবার - Egarokhan Family

এগারোখান পরিবার - Egarokhan Family Our Facebook Group
https://www.facebook.com/groups/egarokhan
Contract with us
Email:- [email protected]

মল্লিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সম্মানিত স্বত্বাধিকারী এবং এগারোখান পরিবারের পরম বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষী বিদ্যুৎ কুমার সান্যাল...
04/05/2026

মল্লিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সম্মানিত স্বত্বাধিকারী এবং এগারোখান পরিবারের পরম বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষী বিদ্যুৎ কুমার সান্যাল মহোদয়কে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন! 🌹

​স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি অর্জন করেছেন আমেরিকান অ্যাক্রেডিটেশন কমিশন ইন্টারন্যাশনাল (AACI) কর্তৃক আন্তর্জাতিক সম্মাননা। তাঁর এই বৈশ্বিক স্বীকৃতি আমাদের এগারোখান পরিবারের জন্য অত্যন্ত গর্বের ও আনন্দের।

​বিদ্যুৎ কুমার সান্যাল মহোদয় কেবল একজন সফল উদ্যোক্তাই নন, তিনি আমাদের এগারোখান পরিবারের প্রতিটি পদক্ষেপে একজন অকৃত্রিম বন্ধুর মতো ছায়া দিয়ে আসছেন। তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্বে মল্লিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠুক—এই আমাদের প্রত্যাশা।
​আমরা তাঁর ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের উত্তরোত্তর সাফল্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

​শুভেচ্ছান্তে,
এগারোখান পরিবার 🤝

"স্নেহভাজন পারুল দাসের মৃত্যুতে তোমাকে ভুলবো না"​বিমল বিশ্বাস, রাজনীতিবিদ ও লেখক​১৯শে জুন পারুল দাসের স্বামী কার্তিক বিশ...
23/04/2026

"স্নেহভাজন পারুল দাসের মৃত্যুতে তোমাকে ভুলবো না"
​বিমল বিশ্বাস, রাজনীতিবিদ ও লেখক

​১৯শে জুন পারুল দাসের স্বামী কার্তিক বিশ্বাসের কাছ থেকে জানলাম পারুল আর কথা বলতে পারছে না। প্রথমেই কার্তিক বিশ্বাসকে বলতে বাধ্য হলাম পারুলের মৃত্যু এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। ২০২৩ সালের ২২শে জুন সকাল ৯টা ৪৭ মিনিটে হাতিয়াড়ার বাড়ি এককালীন পৌরসভার ক্যাশিয়ার শচীন বিশ্বাস আমাকে ফোনে জানালো ৮টা ৪৫ মিনিটে পারুল দাস মৃত্যুবরণ করেছে।

শচীন বিশ্বাসের স্ত্রী ও কার্তিক বিশ্বাস পারুল দাসের মৃত্যুর খবর পেয়ে যশোরের উদ্দেশ্যে বাসযোগে রওনা দিয়েছে। ৯টা ৫৭ মিনিটে আমি কার্তিক বিশ্বাসকে ফোন করলাম। কার্তিক বিশ্বাস তখনও পর্যন্ত যশোর পৌঁছায়নি। পথিমধ্যে কার্তিক বিশ্বাসের সাথে শুধু এতটুকুই কথা হলো নড়াইল সদর উপজেলার রামনগর চর শ্মশানে পারুল দাসকে কবরস্থ করা হবে। যথারীতি ২১শে জুন রামনগর চর শ্মশানে কবরস্থ করা হয়েছে।

​পারুল দাসের মৃত্যু কার্তিক বিশ্বাস ও তাদের দুই কন্যা, জামাতা ও আমার কাছে কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না। প্রায় ২ বছর যাবৎ পারুল দাস ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিল। ৭২/৭৩ বছর বয়সে এই মৃত্যু আজ আর স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে মেনে নেওয়া কঠিন। যেহেতু আধুনিক প্রযুক্তি ও চিকিৎসাশাস্ত্র মানুষের মৃত্যুকে প্রলম্বিত করতে পারছে। যদিও ঘাতক ব্যাধি ক্যান্সারের চিকিৎসা আজও পর্যন্ত নিশ্চিত গ্যারান্টি দেবার পর্যায়ে পৌঁছায়নি।

​পারুল দাস ১৯৬৮ সালে এগারোখানের বাকড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করে নার্সিং কোর্সে ভর্তি হয়েছিল। পারুল দাসই হচ্ছে যশোর-নড়াইলের এগারোখানের প্রথম নার্সিং শিক্ষায় পাস করা ব্যক্তি। শুধু তাই নয়— নার্সিংয়ের সর্বোচ্চ মেট্রন পদে উন্নীত হয়েছিল।

কোনো দেন-দরবার বা তদ্বিরে পারুল দাসের প্রমোশন হয়নি। তার যোগ্যতাবলে ও রোগীদের প্রতি মানবিক আচরণ ও সহকর্মীদের সাথে তার সুমধুর আচরণের জন্য সে সকলের কাছেই প্রিয় মানুষ ছিল। মেট্রন পদে থাকাবস্থায়ই পারুল দাস অবসর গ্রহণ করে। অবসরের পর নড়াইলের মাছিদিয়া গ্রামে একটি ক্লিনিকে চাকরিরত অবস্থায় ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে।

​পারুল দাস ব্যক্তি জীবনে অত্যন্ত অমায়িক, বিনয়ী ও ভদ্র মানুষ ছিল। আমার সাথে তার পরিচয় ১৯৮০ সালের প্রথমদিকে সাড়ে পাঁচ বছর কারাগারে বিনা বিচারে আটক আইনে গ্রেফতার থেকে হাইকোর্টের নির্দেশ্রে মুক্তি পাওয়ার পর। কার্তিক বিশ্বাস ছিল বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি (এম-এল) এর একজন সার্বক্ষণিক কর্মী। পার্টি জীবনেই কার্তিক বিশ্বাসের সাথে পারুল দাসের পরিচয় ও সম্পর্ক। সেই সূত্রে কার্তিক বিশ্বাসের সাথে পারুল দাস বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। কার্তিক বিশ্বাস ছিল পারুল দাসের কয়েক বছরের ছোট। যদিও কার্তিক বিশ্বাসের বড়দা প্রয়াত সম্বতনাথ বিশ্বাস আমার সহপাঠী ছিলেন, তবুও কার্তিক বিশ্বাসের সাথে ছাত্রজীবন থেকেই আদর্শিক রাজনৈতিক কারণে আমার সম্পর্ক। কার্তিক বিশ্বাস আমার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও স্নেহের পাত্র।

​আমি কারাগার থেকে বের হওয়ার পর ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত নড়াইল শহরে আমার আশ্রয়স্থল ছিল মাত্র ২টি। নড়াইল শহরে কার্তিক বিশ্বাসের বাসা ও নড়াইল সিটি কলেজের তৎকালীন ইংরেজির প্রভাষক মলয় নন্দীর বাসা। ছাত্রজীবনে আমাদের হাতে গড়ে তোলা নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশ ১৯৭১ সালে পাক-বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে শহীদ হন। অন্যদিকে আমাদের প্রভাবিত অঞ্চল থেকে আমাদেরকে উৎখাতের জন্য মুক্তিবাহিনীর হাতে অনেককেই জীবন দিতে হয়। বাম হঠকারী ভ্রান্ত লাইনের কারণে আমাদের অনেক নেতাকর্মী একদিকে যেমন মৃত্যুবরণ করে, অন্যদিকে অনেকেই বিএনপি ও আওয়ামী লীগে যোগদান করে। ফলে ১৯৮০ সাল থেকে আবার আমাদের প্রায় শূন্য অবস্থান থেকে নড়াইলে পার্টি গড়ে তোলার কাজে আত্মনিয়োগ করতে হয়।

​১৯৮০ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সময়কালে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যখনই নড়াইলে গিয়েছি, তখনই কার্তিক বিশ্বাসের বাসা ছিল আমার অন্যতম আশ্রয়স্থল। পারুল দাস তাদের বাসায় থাকাকালীন সময়ে আমি ও আমার সহকর্মীদের যে আপ্যায়ন করত, তা জীবনেও ভোলার নয়। আমাদের ছোটবেলার গোবরা অঞ্চল থেকে শুরু করে এগারোখান অঞ্চলের মানুষের যে খাদ্যাভ্যাস ছিল তা খুবই পছন্দ করতাম আমি। সেই অতীত খাদ্যাভ্যাস ওই অঞ্চলে পারুল দাসদের বাসা ও যশোরে আমাদের পার্টিসূত্রে এক সহযোদ্ধা প্রয়াত চুনীলাল গোলদারের মেয়ে কালীদের বাসায় এখনো পর্যন্ত চালু আছে।

​পারুল দাস বামপন্থী আন্দোলনে নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের জন্য যা করেছে তা আমার সারা জীবন ধরে স্মৃতিতে অম্লান ও অক্ষয় হয়ে থাকবে। সবশেষে পারুল দাসের পরিবার ও স্বজনদের সহমর্মিতা জানিয়ে শেষ করলাম।

আমাদের এগারোখান পরিবারের সন্তান, সজীব দাস (এএসপি)-কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন! বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে যোগদানের পর, লেখক হিসেবে...
22/04/2026

আমাদের এগারোখান পরিবারের সন্তান, সজীব দাস (এএসপি)-কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন! বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে যোগদানের পর, লেখক হিসেবে সাফল্যের নতুন সিঁড়িতে পা রাখার জন্য তোমাকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন।
​আমরা সকলে সজীবের উত্তরোত্তর সাফল্য, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।

18/04/2026

অভিনন্দন ও শুভকামনা

​বাবা পার্থ রায় ও মা চন্দনা মন্ডলের বড় কন্যা, বাকড়ী তথা আমাদের এগারোখান পরিবারের গুণবতী মেয়ে প্রজ্ঞা মামনি। একুশে টিভির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে সে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করেছে। তার এই সাফল্যে আমরা আনন্দিত।

​প্রজ্ঞার জন্য অনেক শুভকামনা এবং আমরা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।

"প্রবাসী"  একটা ফোন এলো-  ওপাশ থেকে একটা পরিচিত আওয়াজ এলো,-- কেমন আছো?   সংক্ষিপ্ত উত্তর দিলাম-ভাল।     কথোপোকথন শুরু হ...
18/04/2026

"প্রবাসী"
একটা ফোন এলো-
ওপাশ থেকে একটা পরিচিত আওয়াজ এলো,-- কেমন আছো?
সংক্ষিপ্ত উত্তর দিলাম-ভাল।
কথোপোকথন শুরু হলো-----
বললাম, সবাই ভালো আছো তো?
হ্যাঁ,আমরা সবাই ভালো।তোমরাও সবাই ভালো আছো নিশ্চয়ই!
হ্যাঁ,সবাই মোটামুটি আছি।
ওপাশ থেকে সম্বোধন করছিলেন বাবু প্রীতিষ কুমার পাঠক মহাশয় (হাতিয়াড়া)।
বললেন--এগারোখান বাকড়ি থেকে পুলকদার (রায়) ফোন এসেছিল,বললেন এগারোখান তোমাদের খুব মনে করে,বিশেষ করে তোমরা যারা বাইরে দেশে-বিদেশে থাকো। বলেছিলেন,তোমরা হয়তো মনে করতে নাও পারো কিন্তু আমরা (এগারোখান) তোমাদের অবশ্যই খুব মনে করি।
কথাটা শুনে একটু থমকে গেলাম,---নিজের ভুল বুঝতে পারলাম,কেননা আমরা বাইরে যারা এসেছি তারা এগারোখানের জন্য কিছুই করতে পারেনি,তাই কিছু বলার সাহস পেলাম না।
মনে দ্বন্দ্ব শুরু হলো কি করেছি আর কি করতে পারব তুচ্ছ মনে শুধু এইটুকুই বললাম।-----
এ প্রবাস মোর অগ্নিসম নিদারুণ জ্বাতনায়,
জ্বলে জ্বলে তিলে তিলে দগ্ধ জ্বাতনায়।
দিনপাত পরিতাপ বীভৎস জ্বাতনা,
হেন দ্বারে নম্রশীর বুবুক্ষ লোচন--
লোমসম কম্পিয়ান হৃদয় অঙ্গন।
যত ভাবি ব্যথা যাবে,তত দেখি শিহরে
ধ্বনিছে কালের ঘড়ি ব্যথা নাহি যাবে রে।
আমার বীভৎস দ্বার খোলে নাহি কোন জন
কি ভ্রম, অপরাধ,আমার এ অভিশাপ?
নিদারুণ দয়াময় করিলে কি অসহায়
ভাসায়ে জীর্ণ তরী কুলে আমি পথ চাই।
আমার এ অকুল সাগর পরাবো কিসে পারাবার?
বেদনায়, যাতনায় ,অস্থির দুরাচার,
ভ্রান্ত নাহি পথ, হয়তো অক্ষম আমি,
কোন বা বহিঃযান দেখাবে পথ আমায়?
আমায় আমি লাঘব করি দুর্বারের ঐ পথ ধরি,
বহিঃযানের ধ্বজাধরি পার হব ওই মহারণ।।

প্রবাসী -প্রলয় কুমার সরকার

"শম্ভু প্রণাম"           প্রলয় কুমার সরকার,   নমামী শম্ভু নতশীর নম্র,  দানো গো মোরে প্রভু শতাব্দী নম্র।  অন্ধ ,অজ্ঞ ,আভ...
17/04/2026

"শম্ভু প্রণাম"
প্রলয় কুমার সরকার,

নমামী শম্ভু নতশীর নম্র,
দানো গো মোরে প্রভু শতাব্দী নম্র।
অন্ধ ,অজ্ঞ ,আভাজন,অজ্ঞান,
নিরন্ত চিত্তে দানো গো সজ্ঞান।
যত্র,ক্ষুদ্র, ঘৃণান্য অভিশাপ,
নির্মল চিত্তে কর হে পরিতাপ।
ভূতল গভীরে দামিনী দমকা,
আসন্ন বৃত্তে সমগ্র চমকা।
অম্বর সুশোভিত ঝরঝর বারিঝর,
অমল,নিরঞ্জন,শুভাঙ্গী শীরধর।
শখ্য নীলাচল খামোশ মেদিনী,
দুরন্ত পথরার ধমাকা রুধিনী।
দানবীর বাড়াও ভুজাঙ্গ তোমারি,
স্বশংখ বাজিয়ে শুভম আগমী।
দানও হে মোরে প্রভু---
নিরন্ত স্বনামী।
অঙ্গে,অঙ্গে দানো সুষম চমকি,
অন্ধ ,অজ্ঞে দানো দর্শন জ্ঞানানী।
পৌঢ় প্রবীনে দানো ভ্রান্তি সমাদার,
মিলনে রাখো গো শিষ্টে সমাদর।
সর্ব শিষ্টাচারে প্রভু আনো মতি তোমাতে,
নির্ভীক হৃদয়ে শক্তি আনো সবাতে।
রহস্য চিত্তে বসি মূঢ় আমি দিলবার,
শঙ্কা ছাড়ায়ে প্রভু মিলাও হে সংসার।
রুদ্ধ জপাাসনে বসিয়া কঙ্কাল সার,
ডাকিছে তোমারে প্রভু দিয়ে বিনা অবসর।
শুনো হে অভাজনে তুমি হে পারাবার,
উচ্চ,নীচ যত,তত কর হে বরাবর।।

Big shout out to our newest top fans! 💎 Babul Biswas, Rick Biswas, Mridul Kumar BiswasDrop a comment to welcome them to ...
16/04/2026

Big shout out to our newest top fans! 💎 Babul Biswas, Rick Biswas, Mridul Kumar Biswas

Drop a comment to welcome them to our community, fans

Address

Egarokhan
Jessore
7406

Telephone

+8801713905514

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when এগারোখান পরিবার - Egarokhan Family posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to এগারোখান পরিবার - Egarokhan Family:

Share