03/11/2025
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইদানীং কেন্দ্রীয় বিদায়ী সংবর্ধনার নাম করে মিথ্যার আশ্রয়ে রমরমা অর্থ আত্মসাৎ এর ব্যবসা শুরু হয়েছে...!
২০২০ সালে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সকলকে সাথে নিয়ে একটি সুস্থ ধারার সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে আনন্দমুখর পরিবেশে সিনিয়র ব্যাচকে বিদায় দেয়ার প্রত্যয়ে যাত্রা শুরু করে Central Rag Day/কেন্দ্রীয় বিদায়ী সংবর্ধনা "প্রত্যয়ী ১৫"।
প্রথমদিকে সব স্বাভাবিক থাকলেও পরবর্তীতে কিছু কুলা*ঙ্গার সাধারণ শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের টাকায় হওয়া এই সুন্দর আয়োজনটিকে সাধারণ শীক্ষার্থীবিমুখ করে রাজনৈতিক প্রভাবের অপসংস্কৃতি চর্চার কেন্দ্র এবং অবৈধভাবে টাকা আত্মসাৎ ব্যবসার উৎসে পরিণত করে ফেলেছে যার ধারাবাহিকতা দৃশ্যমান।
এসকল কুলা*ঙ্গাররা সাধারণ শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের টাকা এবং বিভিন্ন জায়গায় টাকার হিসাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সত্যকে আড়াল করে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা।
শুধু প্রোগ্রামের সিকিউরিটি বাবদই খরচ নাকি ৩ লক্ষ টাকা, মিডিয়া কভারেজ নাকি ২ লক্ষ টাকা এবং পোস্টার ব্যানারেই নাকি ১ লক্ষ টাকা লাগে এর ওপরে ৭০০০ পার্টিসিপ্যান্ট এর ভন্ডামী তো আছেই ভাবা যায়...!
এগুলো যাদের কাছে উপস্থাপন করে টাকা তোলা হয়েছে তারা বাস্তব প্রোগ্রাম দেখে কী ধারণা নিল যবিপ্রবি সম্পর্কে..? যবিপ্রবির শীক্ষার্থীরা বাটপার, মিথ্যাবাদী, ভন্ড....?
সবচেয়ে আপসোসের বিষয় সাধারণ শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের টাকা অবৈধভাবে অনেকের পকেটে ঢুকছে এবং প্রোগ্রামের আগেই খরচ হয়েছে মদের বোতলে আবার কাউকে কাউকে পারসোনালিও মদের বোতল গিফট করা হয়েছে।
ব্যক্তিগত বা তাদের বাপের টাকা হলে, কেউ পকেটে ভরল নাকি দুধ বেঁচে মদ খেল না কী খেল এতে কারও কোন অভিযোগ বা আপত্তি নেই। কিন্তু সাধারণ শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের টাকা কেন..?
বিভিন্ন সময়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের টাকায় মদের বাজেট কত ছিল এবং যশোরের কোথা থেকে কোন গাড়িতে করে কত বোতল মদ ক্যাম্পাসের পাশে আর আমবটতলায় কোন ফ্ল্যাটে আনা হয়েছিল এগুলো নিয়ে মুখ খুললে আর কিছু ডকুমেন্টস দিলে অনেকের কাপড় নষ্ট হয়ে যাবে।
এসব ভন্ডামী বাটপারি দালালী করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের টাকা আত্মসাৎ করে ফূর্তির উদ্দেশ্য থাকলে কেন্দ্রীয় বিদায়ী সংবর্ধনার আয়োজন করার কোন মানে হয় না, কেন্দ্রীয় বিদায়ী সংবর্ধনা সুস্থ ধারায় আয়োজনের ধারাবাহিকতার জন্য শুরু করা হয়েছিল এমনভাবে বিতর্কিত করার জন্য নয়।
আয়োজনের ধারাবাহিকতায় স্বচ্ছতা থাকলেই কেবল করা উচীত ।
অন্যথায় পরবর্তীতে আবার কেন্দ্রীয় বিদায়ী সংবর্ধনা স্বচ্ছভাবে আয়োজন না করলে এবং একইভাবে ধান্দাবাজি করলে তাদের জন্য সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের গণ জুতা পেটা অপেক্ষা করছে।