Islamic Community Development Foundation, JSTU

Islamic Community Development Foundation, JSTU "ইতিহাসের আলোকে, ঐতিহ্যের পথে—সংস্কারের দৃঢ় প্রত্যয়ে।"

প্রশ্ন-১১২ : সম্মানিত শায়খ! সুন্নাহকে ও সুন্নাহপ্রেমীকে সম্মান করা, সুন্নাহ শিক্ষা লাভ করা এবং সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করা এ...
21/12/2024

প্রশ্ন-১১২ : সম্মানিত শায়খ! সুন্নাহকে ও সুন্নাহপ্রেমীকে সম্মান করা, সুন্নাহ শিক্ষা লাভ করা এবং সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করা এবং বিদআত ও বিদআতপন্থীদেরকে ঘৃণা করার বিষয়ে আপনার দিকনির্দেশনা চাচ্ছি

উত্তর : আমরা নিজের আত্মা এবং আমাদের ভাইদেরকে যে উপদেশ প্রদান করি তা হলো তাক্বওয়া বা আল্লাহভীরুতা অর্জন করা[1]
সালাফে সালেহীনের মানহাজ আঁকড়ে ধরা, বিদআত এবং বিদাতীদের থেকে সতর্ক থাকা, সহীহ ‘আকীদা এবং সহীহ ‘আকীদা বিরোধী বিষয়াবলি সম্পর্কে শিক্ষা লাভ করা। ‘ইলম ও ‘আকীদাগত বিষয়ে গ্রহণযোগ্য এমন আলিমদের নিকট থেকে শিক্ষা অর্জন করা এবং মন্দ দাঈদের থেকে সতর্ক থাকা যারা হকের সাথে বাতিলের সংমিশ্রণ করে এবং জানা সত্ত্বেও সত্যকে গোপন করে।[2] অথবা যে মূর্খরা না জেনেও হক দাবি করে তাদের থেকে সতর্ক থাকা।[3] কেননা তারা ইষ্টের চেয়ে অনিষ্টই বেশি সাধন করে থাকে। আল্লাহই তাওফিকব দাতা।[4]
[1]. এটা পূর্ববতী ও পরবর্তী সবার জন্য আল্লাহর নির্দেশ। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
{ وَلَقَدْ وَصَّيْنَا الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ مِنْ قَبْلِكُمْ وَإِيَّاكُمْ أَنِ اتَّقُوا اللَّهَ }
আর তোমাদের পূর্বে যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তাদেরকে এবং তোমাদেরকে আমি নির্দেশ দিয়েছি যে, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। (সূরা আন-নিসা আয়াত নং ১৩১)
তিনি রসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকেও তাকওয়া অর্জনের জন্য আদেশ প্রদান করেছেন, আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
{ يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ اتَّقِ اللَّهَ }
হে নাবী, আল্লাহকে ভয় করো। (সূরা আহযাব আয়াত নং ০১)
সকল মুমিনের প্রতি নির্দেশ প্রদান করে বলেন,
{ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَآمِنُوا بِرَسُولِهِ }
হে মুমিনগণ তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং তাঁর রসূলের প্রতি ঈমান আনো। (সূরা হাদীদ আয়াত নং ২৮)
{ يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ }
হে মানুষ, তোমরা তোমাদের রবকে ভয় কর, যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এক নফ্স থেকে (সূরা আন-নিসা ১)।

[2]. এটা ইয়াহুদীদের গুণ। তারা হক সম্পর্কে জানত। তারা এও জানত যে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত সত্য নাবী। এতদসত্ত্বেও তারা তাকে মিথ্যারোপ করে অভিশপ্ত হয়েছে। আর তারাই হলো গযবপ্রাপ্ত।
[3]. এটা খ্রিষ্টানদের গুণ। তারা স্পষ্ট জ্ঞান ও হিদায়াত ছাড়াই ইবাদত করে থাকে সুতরাং তারা পথভ্রষ্ট। আব্দুল্লাহ ইবনে মুবারাক (রহ.) বলেন, আমাদের আলিমদের মধ্য থেকে যারা বিপথগামী হয় তাদের মাঝে ইয়াহুদীদের সাথে যে ব্যক্তি ভ্রষ্ট হয় তার মাঝে খ্রিষ্টানদের সাদৃশ্য বিদ্যমান রয়েছে। আর তারাই হলো পথভ্রষ্ট।
[4]. উমর ইবনে আব্দুল ‘আযীয (রহ.) বলেন, যে ব্যক্তি ‘ইলম ছাড়াই আমল করে সে ভালোর চেয়ে মন্দই বেশি করে থাকে (জামি‘উ বায়ানিল ‘ইলমি ওয়া ফাদ্বলিহী পৃ. ৫৪)।

সংগৃহীত:
বই : মানহাজ (আল-আজবিবাতুল মুফীদাহ) নিত্য নতুন মানহাজ সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নের উপকারী।
জবাব শাইখ ড. ছলিহ ইবনে ফাওযান আল ফাওযান হাফি.

Link :

প্রশ্ন-১১২ : সম্মানিত শায়খ! সুন্নাহকে ও সুন্নাহপ্রেমীকে সম্মান করা, সুন্নাহ শিক্ষা লাভ করা এবং সুন্নাহ অনুযায়ী আম....

20/12/2024

বাংলাদেশে আহলে হাদীসদের ইলমী ও সালাফিয়্যাতের প্রতিনিধিত্ব যারা করছেন, তাদের সম্পর্কে আমাদের জানাশোনা থাকা দরকার। আজকের পোস্টে এরকম কিছু ব্যক্তির নাম উল্লেখ করব। প্রথমেই বিনয়ের সাথে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আমার সাথে আপনার দ্বিমত হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে আমি সামগ্রিক পর্যালোচনা করেই লেখার চেষ্টা করেছি।

শায়খুল হাদীস ও ইলমী দিক থেকে একদম সর্বোচ্চ স্তরের:
১. শায়খ আব্দুল খালেক সালাফী (জামিআ সালাফিয়্যাহ, রাজশাহী)
২. শায়খ মোস্তফা বিন বাহরুদ্দীন সালাফী (মুহাম্মাদীয়া আরাবীয়া, ঢাকা)
৩. শায়খ আব্দুস সামাদ সালাফী (সাবেক মাবঊস মামলাকা, রাজশাহী)
৪. প্রফেসর একেএম শামসুল আলম (সাবেক সভাপতি, জমঈয়তে আহলে হাদীস)
৫. ডক্টর মুসলেহুদ্দীন (প্রফেসর, ইসলামী আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম)

সালাফিয়্যাতের প্রচার ও প্রসারে যাদের অসামান্য অবদান আছে:
১. ডক্টর আসাদুল্লাহ আল-গালিব (আমীর, আহলে হাদীস আন্দোলন)
২. ডক্টর আবু বকর মুহাম্মদ জাকারিয়া (প্রফেসর, ইবি, কুষ্টিয়া)
৩. ডক্টর আব্দুল্লাহ ফারুক সালাফী (সভাপতি, জমঈয়তে আহলে হাদীস)
৪. ডক্টর মুযাফফর বিন মুহসিন (পরিচালক, দারুল হুদা ইসলামী কমপ্লেক্সে, রাজশাহী)
৫. ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ খান মাদানী (সেক্রেটারি, জমঈয়তে আহলে হাদীস)
৬. শায়খ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ (মহাপরিচালক, জামিআ সালাফিয়্যাহ, রাজশাহী)

সালাফী ত্বলিবুল ইলম তৈরির ক্ষেত্রে ইলমী পর্যায়ে যাদের অসামান্য অবদান রয়েছে:
১. শায়খ ঈসা মিয়া মাদানী (মুহাম্মাদীয়া আরাবীয়া, যাত্রাবাড়ী)
২. শায়খ মাসঊদুল আলম ঊমরী (প্রিন্সিপাল, পাঁচরুখী, নারায়ণগঞ্জ)
৩. শায়খ আব্দুন নুর মাদানী (প্রিন্সিপাল, মিরপুর দারুস সুন্নাহ, ঢাকা)
৪. শায়খ মুশফিকুর রহমান সালাফী (মুহাদ্দিস, দারুল হুদা ইসলামী কমপ্লেক্সে)
৫. শায়খ ইব্রাহিম মাদানী সিলেট (মুহাদ্দিস, মিরপুর দারুস সুন্নাহ)

একাডেমিক, প্রশাসনিক ও সমাজ সংস্কারে যারা ব্যাপক খিদমাত করেছেন:
১. শায়খ মোফাজ্জল হুসাইন মাদানী (ভাইস প্রিন্সিপাল, মুহাম্মাদীয়া আরাবীয়া, যাত্রাবাড়ী)
২. শায়খ ডক্টর মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ মাদানী (মাবঊস, মামলাকা)
৩. মিয়া হাবীবুর রহমান মাদানী (কুয়েত)
৪. শায়খ নুরুল আবসার (মিরপুর দারুস সুন্নাহ, ঢাকা)
৫. ডক্টর ইমামুদ্দীন আব্দুল বাছির (রাজশাহী)

যুবক বয়সে যারা অনেক বড় খিদমাতের সুযোগ পেয়েছেন এবং সকল ক্ষেত্রে তাদের অবদান রেখে সেটার প্রমাণ দিয়ে যাচ্ছেন:
১. শায়খ আব্দুল আলীম মাদানী (প্রিন্সিপাল, জামিআ সালাফিয়্যাহ, নারায়ণগঞ্জ)
২. ডক্টর আহমাদ আব্দুল্লাহ সাকিব (সাবেক সভাপতি, আহলে হাদীস যুবসংঘ)
৩. ডক্টর আব্দুল বাসির বিন নওশাদ (একাডেমিক প্রধান, কুল্লিয়াতুল কুরআন, ঢাকা)
৪. শায়খ আব্দুল্লাহিল কাফী মাদানী (সাবেক সভাপতি, শুব্বান)
৫. আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক (মালিক, জামিআহ সালাফিয়্যাহ ও নিবরাস ফাউন্ডেশন)
৬. ডক্টর আব্দুল্লাহিল কাফী মাদানী (হেরিটেজ, বগুড়া)

লেখালেখি ও পত্রিকা সম্পাদনায় যাদের বিশাল অবদান রয়েছে:
১. শায়খ হারুন হুসাইন (গাজীপুর, জমঈয়ত)
২. ডক্টর সাখাওয়াত হুসাইন (সম্পাদক, তাহরীক)
৩. ডক্টর কাবীরুল ইসলাম (সম্পাদক, তাহরীক)
৪. ডক্টর নুরুল ইসলাম (ভাইস প্রিন্সিপাল, মারকায)
৫. ডক্টর বজলুর রহমান (সম্পাদক, ইখলাস)
৬. আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহিম (সম্পাদক, ইখলাস)
৭. আব্দুল্লাহ খোরশেদ (অনুবাদক)

তরুণ কিছু উস্তায পর্যায়ের ত্বলিবুল ইলম:
১. ডক্টর হারুনুর রশীদ ত্রিশালী
২. ডক্টর কাউসার এরশাদ মাদানী
৩. শায়খ আনাস মাদানী মিরপুর
৪. শায়খ রায়হান মাদানী মিরপুর
৫. ডক্টর রেজাউল করীম মাদানী
৬. উস্তায আব্দুল্লাহিল হাদী মিরপুর
৭. শায়খ মুস্তাফিজ (পিএইচডি, হাদীস বিভাগ, মদীনা)
৮. শায়খ আব্দুল্লাহ আল বাকী মদীনা
৯. শায়খ আযহারুল ইসলাম (ভাইস প্রিন্সিপাল, দারুল হুদা)
১০. শায়খ আব্দুল্লাহ আইয়ূব মদীনা
১১. উস্তায আলমগীর কবীর আশরাফ মাদ্রাসাতুন নূর
১২. উস্তায আব্দুল বারী জামিআ সালাফিয়্যাহ, রাজশাহী
১৩. আব্দুল হাসিব মাদানী, জামিআ সালাফিয়্যাহ, রাজশাহী
১৪. উস্তায তানযীল আহমাদ মিরপুর দারুস সুন্নাহ
১৫. ডক্টর আব্দুল মুমিন মাদানী মুহাম্মাদীয়া আরাবীয়া, ঢাকা
১৬. ডক্টর জয়নুল আবেদীন পিএইচডি, দাওয়াহ বিভাগ, মদীনা
১৭. জয়নুল আবেদীন বিন নুমান, মদীনা, রাজশাহী
১৮. শায়খ রবিউল বিন আবুল কালাম, আল-কাসিম, সৌদি
১৯. শায়খ আব্দুর রাজ্জাক, আল-কাসিম, সৌদি
২০. আব্দুল্লাহ মজুমদার (আরবী বিভাগ ঢাবি; উম্মুল কুরা)

আরো উল্লেখ করার মত বেশ কিছু নাম রয়েছে। তবে এখানে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, প্রথমতঃ তারা জ্ঞানের দিক থেকে পাকাপোক্ত। দ্বিতীয়তঃ তারা দ্বীনের জন্য কিছু করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। মহান আল্লাহ সকলের ইলম, আমল ও খিদমাতে বারাকাহ দান করুন। ঐক্যবদ্ধভাবে সালাফিয়্যাতের প্রচার ও প্রসারে একনিষ্ঠ কাজের তৌফিক দান করুন। আমীন!
আপনাদের দৃষ্টিতে আরো কোনো যোগ্য ব্যক্তি থাকলে কমেন্টে দিতে পারেন। তবে বিতর্কের জন্য না। বারাকাল্লাহু ফিকুম!

copied from শায়েখ Abdul Hakim মাদানী

মওলানা আবদুল্লাহিল বাকীআজাদী আন্দোলনে বাংলাদেশের অন্যতম উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক, ইসলামী চিন্তাবিদ, বিচক্ষণ রাজনীতিক নেতা ছিলেন...
19/12/2024

মওলানা আবদুল্লাহিল বাকী

আজাদী আন্দোলনে বাংলাদেশের অন্যতম উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক, ইসলামী চিন্তাবিদ, বিচক্ষণ রাজনীতিক নেতা ছিলেন মওলানা আব্দুল্লাহিল বাকী(রহিঃ)। মওলানা বাকী(রহিঃ) প্রখ্যাত সাহিত্যিক, সাংবাদিক, রাজনীতিক ও ইসলামী চিন্তাবিদ মওলানা কাফীর জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা ছিলেন। উভয় ভ্রাতাই উপমহাদেশের মুসলিম রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তি আন্দোলনের ইতিহাসের উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন। জাতির সার্বিক কল্যাণ-চিন্তায় মওলানা কাফীর ন্যায় মওলানা বাকীও ছিলেন নিবেদিত। তিনি অসহযোগ ও খেলাফত আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ১৯৩০ সালে আইন অমান্য করে আন্দোলনে জড়িত হয়ে এ দেশ থেকে ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ অওয়াজ তোলেন। ইংরেজ সরকার তাঁকে কারাগারে নিক্ষেপ করে। ১৪৪ ধারা ভঙ্গের অভিযোগে তাঁকেও অতিরিক্ত জেল ভোগ করতে হয়েছিল। ১৯৩৩ সালে তিনি তৎকালীন বঙ্গবন্ধু শেরে বাংলা মৌলভী এ.কে,. ফজলুল হক সাহেবের প্রজা আন্দোলনে যোগদান করেন। ১৯৩৪ সালে মওলানা বাকী(রহিঃ) ভারতীয় কেন্দ্রীয় ব্যবস্থা পরিষদের সদস্য নিযুক্ত হন। এবং দেশবাসীর অধিকার ও স্বার্থরক্ষার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেন। তিনি সে সময় কৃষক শ্রমিক প্রজা পার্টির সহ-সভাপতি হিসাবে জনগণের অধিকার নিয়ে সংগ্রাম করতেন। মওলানা বাকী ১৯৪৩ সালে মুসলিম লীগে যোগদান করে একে অধিক জোরদার করে তোলেন। ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলার ব্যবস্থা পরিষদের তিনি সদস্য ছিলেন। মওলানা বাকী আজাদী আন্দোলনে যে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছেন, তার দীর্ঘ বিবরণ এখানে সম্ভব নয়। তিনি আজাদী-উত্তরকালেও মুসলিম লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। ১৯৫২ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বার্ধক্যে পৌঁছে ইসলামী শাসনতন্ত্র রচনার ব্যাপারে যথেষ্ট চেষ্টা করেছেন।

Copied from শাইখ ড. মুহাম্মাদ মুসলেহ উদ্দীন স্যারের লেকচার সমগ্র

19/12/2024

The Islamic Community Development Foundation (ICDF) of JSTU is an organization based on the principles of the **Salafi Manhaj, which emphasizes following the Quran and authentic Sunnah according to the understanding of the early generations (Salaf-us-Salih).

The foundation aims to promote Islamic values and community development through education, social welfare, and Dawah (Islamic outreach). It organizes activities such as Islamic lectures, Quranic studies, and humanitarian projects to benefit both students and the broader community.

Key Objectives:
1. Religious Education: To provide accurate Islamic teachings based on the Salafi methodology.
2. Community Welfare: To support underprivileged individuals through charity and social services.
3. Youth Empowerment: To engage students in constructive Islamic practices and leadership development.
4. Unity: To strengthen ties among Muslims within the JSTU campus and beyond, fostering unity under the banner of Islam.

This foundation serves as a platform for spreading authentic Islamic knowledge and values, contributing to the spiritual and social betterment of the community.

Address

Jamalpur Science And Technology University
Jamalpur Sadar Upazila

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Community Development Foundation, JSTU posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share