Save The Nature Of Bangladesh - চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা

  • Home
  • Bangladesh
  • Hathazari
  • Save The Nature Of Bangladesh - চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা

Save The Nature Of Bangladesh - চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এদেশের পরিবেশ প্রকৃতি জলবায়ু ও জীববৈ?

Our Nature Our Right - Save The Nature Join The fight স্লোগানকে ধারন করে এদেশের পরিবেশ প্রকৃতি জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার মহান শপথে যখন দেশে পরিবেশ রক্ষায় সমৃদ্ধ পরিবেশ আইন ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় বন্যপ্রাণী সংরক্ষন আইন ছিলনা তখনই এদেশের সবুজ সারথী দেশপ্রেমিক সেচ্ছাসেবী তরুণদের নিয়ে ২০০৫ সালের ৫ ই জুন প্রকৃতির বন্ধু আ.ন.ম.মোয়াজ্জেম হোসেনের নেতৃত্বে Save The Nature Of Bangladesh নামের দেশের সর্ববৃ

হৎ পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রাতিষ্টানিক ভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রমের সূচনা হয়। সারাদেশের স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃতি প্রেমী ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে নিয়ে স্রোতের বিপরীতে পরিবেশ প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সারাদেশে শুরু হয় সম্মিলিত প্রতিরোধ, আজ হাজারো দেশপ্রেমিক স্বপ্নবাজ তরুণ্যের একটাই লক্ষ্য We are fighting for the bright tomorrow.....

এদেশের সুজলা সুফলা শস্য-শ্যামলা প্রকৃতির সবুজ ছায়ায় জন্ম নিয়েছে নজরুল, সুকান্ত, পল্লী কবি জসীম উদ্দিন ও বনলতা সেনের মত প্রকৃতি প্রেমী কবিরা । ভাবতেও খারাপ লাগে ভূমিদস্যু হায়েনাদের লুলুপ দৃষ্টি আজ প্রকৃতির অন্যতম প্রধান উপাদান গাছ-পালা, নদী-নালা, পাহাড়-পর্বত সহ সবখানে। তারা তাদের ক্ষুদ্র ব্যাক্তি-স্বার্থকে চরিতার্থ করার কু-মানসে পাহাড় কেটে ডেকে আনছে পরিবেশের বিপর্যয়।

অন্যদিকে দেশের বন ও বন্যপ্রাণী নিধনের মহোৎসব যেন সমগ্র মানচিত্র জুড়ে, যেখানে একটি দেশের মোট আয়তনের ২৫ ভাগ বনভূমি থাকার কথা সেখানে নেমে আসে সেখানে অঞ্চলভেদে ১০-১৫ ভাগে তাও প্রাকৃতিক বনভূমিকে ধ্বংস করে এদেশের প্রকৃতি পরিবেশ বিনাশী যে গাছে ফুল হয়না, ফল হয়না, পাখি বসেনা, প্রকৃতি পরিবেশের কোন উপকারে আসেনা, বনের ইকোসিস্টেম ধ্বংস করে এমন প্রেসক্রিপশন নির্ভর আকাশমনি, ইউক্যালিপটাস বা সেগুনের মত ক্ষতিকর বৃক্ষের মুনাফালোভী সামাজিক বনায়ন প্রকল্প ।
এতে বিপন্ন ও বিলুপ্তির হুমকির মুখে পড়ে দেশের হাজারো বন্যপ্রাণী, যারা এদেশের প্রকৃতি পরিবেশ ও ইকোসিস্টেম সমৃদ্ধ করে। দেশের বর্ধিত জনসংখ্যার চাপে মানুষ বনের জমি দখল করেই ক্ষান্ত হয়নি বরং কেটে সাফ করেছে প্রাকৃতিক পাহাড় ও বনভূমিকে, বনের মাঝেই আজ শত শত ইটভাটা ও করাত কল, প্রতিনিয়ত ইটভাটায় পুড়ছে বনের কাঠ ও কৃষি জমির উর্বর টপ সয়েল, যেন সর্বত্র প্রকৃতি বিনাশী এক যুদ্ধ প্রশাসন ও রাজনৈতিক পৃষ্টপোকতায়। বনের বিপন্ন আশ্রয়হীন অসহায় বন্যপ্রাণী ধরে এনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিনোদনের নামে গড়ে তোলা হয় চিড়িয়াখানা বা মিনি চিড়িয়াখানা। তারই একটি অংশ দেশের বিভিন্ন সিমান্ত অঞ্চল হয়ে নিয়মিত পাচার হয় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে। সেই সাথে দেশীয় ও অতিথি পাখি, বন মোরগ, হরিণ হয়ে উটে পচন্দের মুখরোচক সুস্বাদু খাবারে।

নদী- নালা, খাল-বিল, বনভূমি ধ্বংস করে ভূমিদস্যুরা স্বপ্ন দেখে বরং এখানে কুড়ে ঘর নয়, হবে প্রাসাদোপম অট্টালিকা। উপকূলীয় অঞ্চলের সবুজ বেষ্টনী ম্যানগ্রোভ ফরেষ্ট ও প্যারাবন নিধন করে গড়ে উটে লক্ষ লক্ষ একর চিংড়ি ঘের ও লবন মাঠ । ফলে ইকোসিস্টেম নষ্ট হবার ফলে পর্যটন নগরী ককসবাজার , কুতুবদিয়া উপজেলা বা সাতক্ষীরা সহ দেশের উপকূলীয় এলাকার অধিকাংশ নলকূপ দিয়ে বিশুদ্ধ খাবার পানির বদলে আসছে লবনাক্ত পানি ।
ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠানের নিঃসৃত বর্জ্য সরাসরি গিয়ে পড়ছে নদী ও সাগরে ফলে , ধ্বংস হচ্ছে জীববৈচিত্র্য , ধ্বংস হচ্ছে দেশীয় মাছের প্রজনন ক্ষেত্র সমূহ ।
অন্যদিকে আধুনিক প্রযুক্তি ও উৎকর্ষতা বৃদ্ধি পেলেও দেশের অধিকাংশ ইট পোড়ান হয় বনভূমি উজাড় করে । চলমান পাহাড় কাটার ফলে দেশের অধিকাংশ নদী নাব্যতা হারিয়েছে ।
সরকারের পরিবেশ অধিদপ্তর নামক একটি প্রতিষ্টান থাকলেও জনবল সংকট ও আইনী জটিলতার কারনে তারা পরিবেশ রক্ষায় ফলপ্রসু কোন ভূমিকা রাখতে পারছেনা । পরিবেশ আদালতে মামলা হয় ঠিকই কিন্তু রাজনৈতিক আশ্রয় ও প্রভাবের কারনে ভূমিদস্যুরা উপযুক্ত সাক্ষি প্রমানের অভাবে বেখসুর খালাস পেয়ে দ্বীগুন উৎসাহে পরিবেশ নষ্ট করছে , যার অহ রহ প্রমান রয়েছে ।
অন্যদিকে অব্যাহত পাহাড় কাটা ও বন ভূমি উজাড় করার ফলে বায়ুমন্ডলে র্কাবনডাইঅক্সাইডের পরিমান বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্বের উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে আর এতে মরূ অঞ্চলের বরফ গলতে শরু করেছে ফলে সাগরে পানির উচ্ছতা বৃদ্ধি পাচ্ছে আর এতে করে সাগর উপকূলের দ্বীপ ও দেশ সমূহের ভূভাগ আস্তে আস্তে পানির নীছে তলিয়ে যাচ্ছে এবং বায়ুমন্ডলের উজন স্তর ভেধ করে র্সূযের অতি বেগুনী রশ্ণী সরাসরি পৃথিবীতে এসে পড়ছে ফলে পৃথিবীতে নতুন নতুন রোগ ব্যাধি সৃষ্টি হচ্ছে ।
তাই দেশ বাচাঁতে , প্রকৃতি বাচাঁতে ও পরিবেশ বাঁচাতে এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে Save The Nature Of Bangladesh হয়ে উটে এদেশের মানুষের বিশ্বাস ও আস্তার ঠিকানা তাই আজ এদেশের জনসাধারনের পরিবেশ আইন সর্ম্পকে সচেতনতা বৃদ্ধি ও পরিবেশ রক্ষার র্স্বাথে সচেতন দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের আহবান জানাচ্ছি ।

শুভেচ্ছান্তে
আ.ন.ম.মোয়াজ্জেম হোসেন
চেয়ারম্যান
Save The Nature Of Bangladesh

12/03/2026

যে গাছে ফুল হয়না, ফল হয়না, পাখি বসেনা, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি, ১৮ কোটি মানুষের ঘনবসতিপূর্ণ দেশে পাহাড় ও সমতলে রাষ্ট্রের টাকায় এই গাছ রোপন বন্ধ হোক ?

26/02/2026
26/02/2026
26/02/2026
26/02/2026
26/02/2026

বন্যহাতির বাসস্থান নিশ্চিহ্ন করতে KEPZ এর পাহাড় ও প্রাকৃতিক বন ধ্বংসের মহোৎসব রুখো .......
#বনের_পশু_থাকুক_বনে_মানবিকতা_জাগুক_মনে
#দক্ষিণ_চট্টগ্রামে_নির্বিচারে_প্রকৃতি_হত্যার_বিচার_চাই
ভূমি আইনে পাহাড় ও টিলা শ্রেণীর জমি বন্ধোবস্তী না দেওয়ার বিধান লঙ্ঘন করে পরিবেশ উপদেষ্টার ইন্দনে প্রায় আড়াই হাজার একর হাতি ও হাজারো বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য পাহাড় টিলা সমৃদ্ধ প্রকৃতিক বনের জমি চট্টগ্রাম আনোয়ারা কোরিয়ান ইপিজেড এর নামে দেওয়া বরাদ্দ অবিলম্বে বাতিলের দাবী জানাচ্ছি।
পরিবেশ অধিদপ্তর-Department of Environment-DOE
#কেইপিজেড_থেকে_হাতি_সরানোর_অপচেষ্টা_রুখো
#অবশেষে_থলের_বেড়াল_বিরেয়ে_এল⁉️
১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের মধ্যে কেইপিজেড স্থাপনের চুক্তির প্রেক্ষিতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান ইয়াংওয়ান চট্টগ্রামে কেইপিজেড স্থাপনের অনুমোদন পায় ১৯৯৯ সালে। কিন্তু ২৫ বছর ধরে ভূমির নিবন্ধন না পেলেও গত ইন্টেরিম সরকার বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন, বন আইন ও পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করে দেওয়া বনভূমি বরাদ্দ বাতিলের দাবীতে শিঘ্রই রাজপথে নামবে Save The Nature of Bangladesh
#বাঁচাও_বন_ও_বন্যপ্রাণী

26/02/2026

সুনামগঞ্জ থেকে উদ্ধার করা মেছোবাঘটি সুস্থ আছে, বন বিভাগের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
#বনের_পশু_থাকুক_বনে_মানবিকতা_জাগুক_মনে #বন্যপ্রাণীর_প্রতি_সহিংসতা_রুখো #বাঁচাও_বন_ও_বন্যপ্রাণী

24/02/2026

হে আল্লাহ ওদের হেদায়েত দাও, পবিত্র রমজান মাসে যারা সংযম দেখাতে ব্যার্থ বরং নির্মম আচরন করেছে বনের হাতিগুলো পুড়িয়ে মারতে তাদের তুমি কখনো ক্ষমা করনা।

 #জৈবসন্ত্রাস_থেকে_বাঁচতে_চিড়িয়াখানা_বর্জন_করুন বিভিন্ন অঞ্চলের বন্যপ্রাণী চিড়িয়াখানায় রাখার ফলে ও চিড়িয়াখানার দর্শনার্থ...
05/01/2026

#জৈবসন্ত্রাস_থেকে_বাঁচতে_চিড়িয়াখানা_বর্জন_করুন
বিভিন্ন অঞ্চলের বন্যপ্রাণী চিড়িয়াখানায় রাখার ফলে ও চিড়িয়াখানার দর্শনার্থীরা স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে বন্যপ্রাণীর সংস্পর্শে যাওয়ার ফলে বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর দেহ থেকে বিভিন্ন ধরনের পরজীবি ও জীবাণু যেমন মানবদেহে অনুপ্রবেশ করে মানব স্বাস্থ্যের জন্য হুমকির সৃষ্টি করে, তেমনি অপরাপর বন্যপ্রাণীরাও পরজীবি দ্বারা আক্রান্ত হয়। তাই চিড়িয়াখানা বর্জন করার মাধ্যমে

#চিড়িয়াখানা_জৈব_সন্ত্রাসের_অন্যতম_হাতিয়ার
সারাদেশে বিনোদনের নামে চিড়িয়াখানার খাঁচায় বন্দী শত প্রজাতির হাজার হাজার বন্যপ্রাণীদের প্রত্যেকের আলাদা রুচি, খাদ্যাভাস বৈশিষ্ট্য ও বাসস্থান ভিন্নতার কারনে রোগ জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়া ভাইরাসের রুপ প্রকৃতি ও আচরনে বিভিন্নতা রয়েছে। মূলত মানুষ নিজের অজান্তেই চিড়িয়াখানার খাঁচায় বন্দী বন্যপ্রাণীদের সংস্পর্শে গিয়ে তাদের মলমূত্র, লালা, লোম, অঙ্গ প্রত্যঙ্গ, মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর রোগ জীবাণু, ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক সহ বিভিন্ন পরজীবির বাহক হিসেবে জীবিত প্রাণী (মানুষ, পশুপাখি, উদ্ভিদ) মাধ্যমে বা বাতাসের মাধ্যমে ও বন্যপ্রাণীর সংস্পর্শে আসার কারনে মানবদেহে এসব রোগ জীবাণু ছড়ায়। এই জীবাণুর জৈবসন্ত্রাস চালিয়ে মানবজাতির অস্তিত্বকে শুধু বিপন্ন করছে না বরং প্রাণী থেকে মানুষে বা মানুষ থেকে প্রাণীতে স্বপ্রজাতির মধ্যে সংক্রমিত হয়ে সংক্রামক রোগগুলো সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে। মানবসভ্যতা ধ্বংসে এসব চিড়িয়াখানা Bioterrorism বা জৈব সন্ত্রাসের অন্যতম হাতিয়ার। আর তাই এসব চিড়িয়াখানার বন্যপ্রাণী ও তার কর্মচারী উভয় থেকে সংক্রামক রোগ ছড়াতে পারে। Bioterrorism , Zoonotic Diseases , GLEWS সম্পর্কে জেনে চিড়িয়াখানায় যাওয়ার অনুরোধ করছি।

#বন্যপ্রাণী_থেকে_মানবদেহে_ছড়ানো_রোগ
1. SARS, 2. HIV, 3. Nipah virus, 4. Lyme disease, 5. malaria, 6. Ebola 7. West Nile Virus, 8. Severe Acute Respiratory Syndrome. 9. Simian Immunodeficiency Virus. 10. Dengue Hemorrhagic Fever. 11. Novel Coronavirus that causes COVID-19. 13. Plague, 14. Brucellosis, 15. Q_fever. 16. Blastomycosis (Blastomyces dermatitidis). 17. Psittacosis (Chlamydophila 18. Psittaci (Chlamydia psittaci).
19. leptospirosis. 20. Rabies. 21.Tuberculosis.
22. Avian chlamydiosis (psittacosis, ornithosis,
parrot fever). 23. Trichinosis (Trichinella spiralis). 24. Cat Scratch Disease (Bartonella henselae). 25. Histoplasmosis (Histoplasma capsulatum). 26. Coccidiomycosis (Valley Fever). 27. Illness Acquired From Animals
Including E.coli O157:H7, 28. Cryptosporidium parvum, 29.Campylobacter, 30. Salmonella.

এরকম হাজারো সংক্রামক রোগের অন্যতম আতুড়ঘর চিড়িয়াখানা। তাই নিজের ও পরিবার সহ মানবজাতি কে রক্ষায় নিজে সতর্ক হই, অপরকে সতর্ক করি। হাজারো আবিস্কৃত, অনাবিস্কৃত সংক্রামক জীবাণুর সংক্রমণ থেকে মানবজাতিকে রক্ষা করতে সমগ্র বিশ্বে শুধুমাত্র বিনোদনের লক্ষ্যে গড়ে তোলা চিড়িয়াখানা বন্ধ করা আজ সময়ের দাবী।

জাতীয় চিড়িয়াখানার খাঁচায় বন্দী অসহায় বন্যপ্রাণীর বেহেস্তী সুখের গল্প, যেন নতুন বোতলে সেই পুরনো মদ
#বন্যপ্রাণীর_টর্চার_সেল_চিড়িয়াখানার_তালিকা
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন-২০১২ অনুযায়ী দেশে বিচরণকারী যেকোনো বন্যপ্রাণী শিকার বিক্রয় ও সংরক্ষণ দণ্ডনীয় অপরাধ। Bioterrorism বা জৈব সন্ত্রাসের অন্যতম হাতিয়ার চিড়িয়াখানার নিষ্টুর পরিবেশে বন্দী হাজারো অসহায় বন্যপ্রাণী
#বন্যপ্রাণীর_টর্চার_সেল_চিড়িয়াখানা_বন্ধ_করুন

দেশের প্রচলিত বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন ২০১২, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ আইন ২০১৭, জীব নিরাপত্তা বিধিমালা ২০১২ ও প্রাণী কল্যান আইন ২০১৯ আইনের পরিপন্থী সকল চিড়িয়াখানা বন্ধ করুন।

একটি অঞ্চলের প্রকৃতি পরিবেশ জলবায়ু জীববৈচিত্র্য সেই অঞ্চলের প্রকৃতির প্রতিটি উপাদানের সম্পূরক হিসেবে কাজ করে, কিন্তু অন্য অঞ্চলের গাছ পালা পশুপাখি জীবজন্তুকে এই পরিবেশে উদ্দেশ্যমূলক প্রবেশের ফলে দুই অঞ্চলের প্রতিটি উপাদানে থাকা ভিন্ন ধর্মী ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস সহ বিভিন্ন পরজীবি একে অন্যকে আক্রান্ত করে যার প্রভাব শুধু প্রকৃতি পরিবেশে সীমাবদ্ধ থাকেনা বরং মানবসভ্যতাকেও প্রভাবিত করে। বিভিন্ন অঞ্চলের বন্যপ্রাণীদের একই পরিবেশে অনুপ্রবেশ ঘটানোর মাধ্যমে ক্ষতিকর প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখতে ও প্রতিটি বন্যপ্রাণীর স্বাধীন স্বত্বা রক্ষা করতে চিড়িয়াখানা নামক বন্যপ্রাণীর টর্চার সেল এর বিপক্ষে Save The Nature of Bangladesh এর সহযোগী সংগঠন Anti Zoo Movement Bangladesh ২০২১ সাল থেকে সাংগঠনিক ভাবে সারাদেশে বিনোদনের নামে গড়ে তোলা সকল বন্যপ্রাণীর টর্চার সেল বন্ধে কাজ করছে।

জৈব নিরাপত্তা ও জীববৈচিত্র্যের স্ব-স্থানিক সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে প্রনিত Convention on Biological Diversity , Convention on International Trade in Endangered Species of Wild Fauna and Flora CITES , Plant Protection Agreement for the Asia and Pacific Regions (PPAP), World Trade Organization Agreement On The Application Of Sanitary and Phytosanitary measures (SPS) এর মত সকল আন্তর্জাতিক কনভেনশন ও প্রটোকল লঙ্ঘন করে স্বাধীনতা পরবর্তী থেকে আজ অবধি হাজার হাজার বন্যপ্রাণী বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়েছে এবং পাশাপাশি দেশের বনভূমি থেকে ধরে এনে বিনোদনের নামে চিড়িয়াখানার খাঁচায় বন্দী করে রাখা হয়েছে। যার কারনে আজ দেশের কোন না কোন চিড়িয়াখানায় প্রতিদিন কোন না কোন বন্যপ্রাণী মৃত্যু বরন করছে আর গোপনে বন থেকে পুনরায় বন্যপ্রাণী ধরে এনে তার শূন্যস্থান পূরন করছে। এসব চিড়িয়াখানার হাজারো অব্যবস্থাপনা প্রতিনিয়ত গণমাধ্যমে উটে এলেও একই প্রক্রিয়ায় বছরের পর বছর বন্যপ্রাণী হত্যা অব্যাহত রয়েছে।




#বন্যপ্রাণীর_প্রতি_সহিংসতা_রুখো

অভিনন্দন Save The Nature Of Bangladesh - চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা 'র নব নির্বাচিত নেতৃবৃন্দ।এদেশের প্রকৃতি পরিবেশ জল...
18/12/2025

অভিনন্দন Save The Nature Of Bangladesh - চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা 'র নব নির্বাচিত নেতৃবৃন্দ।

এদেশের প্রকৃতি পরিবেশ জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা শপথে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ প্রান্তরে পরিবেশ আন্দোলনকে বেগবান করতে Save The Nature Of Bangladesh - চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় অদ্য ১৮/১২/২০২৫ ইংরেজি
কায়কোবাদ ইস্তোফা কে সভাপতি, ইমাম হাসান কে সাধারণ সম্পাদক ও মোঃ মনিরুজ্জামান রাজকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে আংশিক কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন Save The Nature of Bangladesh কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের চেয়ারম্যান আ. ন. ম. মোয়াজ্জেম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

নব গঠিত কমিটির নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের গতিশীল নেতৃত্বে চট্টগ্রাম বিভাগের প্রকৃতি পরিবেশ জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় লড়াই বেগবান করবেন সেই প্রত্যাশা করেন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের নেতৃবৃন্দ।






A N M Moazzem Hossain Moazzem Riad Mohammad Siful Islam

17/10/2025

রেললাইনের দুই পাশের কয়েক কোটি পরিবেশের শত্রু আকাশমণি ও ইউক্যালিপটাস অবিলম্বে নির্মূল করুন
েলপথের_ক্ষতিকর_উদ্ভিদ_নির্মূল_করুন
দোহাজারি-কক্সবাজার রেললাইনের দুপাশে পরিবেশ এর শত্রু কয়েক কোটি নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাস ও আকাশমণি গাছ রোপন করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে । এসব গাছে ফুল ফুটে হলুদ হয়ে আছে দীর্ঘদিন ধরে, তাই মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এসব ফুলের রেণু মিশ্রিত বাতাসে ঘন্টার পর ঘন্টা রেল ভ্রমনের ফলে শিশু সহ সব যাত্রীদের শ্বাসকষ্ট, ক্যান্সার ও হৃদরোগে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি রয়েছে শতভাগ। তাই অবিলম্বে এসব ক্ষতিকর উদ্ভিদ নির্মূল করে ভেষজ ঔষধি উদ্ভিদ রোপনের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে ও পরিবেশ অধিদপ্তর এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল লাইনের দুপাশে কোটি কোটি পরিবেশ বিধ্বংসী নিষিদ্ধ উদ্ভিদ ইউক্যালিপটাস ও আকাশমণি ফুলের রেণু থেকে আপনার ফুসফুস রক্ষা করতে নাক মুখ ডেকে রাখুন। সকল যাত্রীদের মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হোক এবং অবিলম্বে এই ক্ষতিকর উদ্ভিদ নির্মূল করুন।

#প্রকৃতি_সুরক্ষা_ও_সবুজায়নের_নামে_ইউক্যালিপটাস_ও_আকাশমনির_মত_হানাদার_বৃক্ষ_রোপন_বন্ধ_হোক
#ইউক্যালিপটাস_নির্মূল_করি_পরিবেশ_রক্ষা_করি
#আকাশমণি_নির্মূল_করি_পরিবেশ_রক্ষা_করি
#ইউক্যালিপটাস_নির্মূল_কর্মসূচী

Address

University Of Chittagong
Hathazari
02-340

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Save The Nature Of Bangladesh - চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Save The Nature Of Bangladesh - চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা:

Share