20/04/2026
বীরগঞ্জের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি দাবি
দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার পাল্টাপুর ইউনিয়নের ঘটনায় বিবৃতি দিয়েছে জাতীয় আদিবাসী পরিষদ।
তারা বলেছে, আদিবাসীদের কবরস্থান দখলকে কেন্দ্র করে হামলা, গাছ কাটা এবং মন্দির ও প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
এতে পিউস মুরমু ও বিশ্বনাথ সরেন নামে দুই আদিবাসী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
রোববার (১৯ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে জানানো হয়, পাল্টাপুর ইউনিয়নের সনকা খ্রিস্টানপাড়ার আদিবাসী কবরস্থান ও শ্মশান কালী মন্দিরসংলগ্ন জমিতে এ ঘটনা ঘটে।
সংগঠনটির দাবি, ঘোড়াবান্দ গ্রামের কাদেরের ছেলে রেজাউল এবং আজগর সাহাজীর ছেলে আজাদের নেতৃত্বে দেড় থেকে দুইশো ভাড়াটিয়া লোকজন দখলের উদ্দেশ্যে সেখানে যায়।
তারা প্রথমে গাছ কাটার চেষ্টা চালায়। এক পর্যায়ে কবরস্থানসংলগ্ন শ্মশান কালী মন্দিরে ভাঙচুর চালানো হয় এবং মন্দিরে থাকা প্রতিমা ভেঙে পাশের ভুট্টাক্ষেতে ফেলে দেওয়া হয়।
বিবৃতিতে জাতীয় আদিবাসী পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিচিত্রা তির্কি ও সাধারণ সম্পাদক নরেন চন্দ্র পাহান বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই ভূমিদস্যুরা ওই জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার (১৯ এপ্রিল) ভাড়াটিয়া লোকজন এনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে গাছ কেটে জমি দখলের চেষ্টা করা হয়। স্থানীয় আদিবাসীরা প্রতিরোধ গড়ে তুললে হামলায় দুইজন আহত হন।
তারা বলেন, এ ঘটনার পর থেকে এলাকায় আদিবাসীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। অবিলম্বে এ ঘটনার মূলহোতা রেজাউল ও আজাদসহ জড়িতদের গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী আদিবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং কবরস্থান রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার পাল্টাপুর ইউনিয়নের ঘটনায় বিবৃতি দিয়েছে জাতীয় আদিবাসী পরিষদ।