Concerned Peoples Organization

Concerned Peoples Organization CPO, A student based non political voluntary Organization. If u interest, you can join with us.

এই পেজ এ পোষ্ট করার নিয়মাবলী (অবশ্যই পড়বেন, অন্যথায় আপনাকে Remove/ Ban করা হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবেন না)::

১। অবশ্যই আপনার পোষ্টটি সুন্দর, শুদ্ধ এবং রুচিশীল ভাষায় হতে হবে।

২। আপনার লেখাটি সচেতন মুলক কোন ঘটনা, সাম্প্রতিক সত্য বা রুচিশীল সংবাদ, মজার ঘটনা বা গল্প, আবিস্কার, তথ্য-প্রযুক্তি কথন, প্রাকৃতিক অথবা দর্শনীয় দৃশ্য বা স্থানের বর্ননা অথবা ফটো হতে হবে।

৩। নিজের এলাকার চলমান সত্যনিষ্ঠ সংবাদ, অ

সংঙ্গতি, সফল ঘটনা, সফল ব্যক্তিত্ত্ব, গুণী ব্যক্তিত্ত্ব, সামাজিক-সংস্কৃতিক-ধর্মীয় অথবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বর্ননা কিংবা সফলতা, ঐতিহাসিক স্থাপনার বর্ননা ছাড়াও নিজের লেখা ছড়া, কবিতা, সৃষ্টিশীল রচনা বা প্রবন্ধ হতে হবে।

৪। কোন অবস্থাতেই রাজনৈতিক আলোচনা বা সমালোচনা গ্রহনযোগ্য নয়।

৫। কোন ব্যক্তি বা ধর্মকে হেয় করে পোষ্ট দেয়া সম্পূর্ন নিষিদ্ধ।

৬। ব্যক্তিগত, জাতীয়, সামাজিক বা ধর্মীয় উত্‍সবে শুভেচ্ছা বক্তব্য বা ফটো দেয়া যাবে।

৭। সকল প্রকার অশ্লীল ছবি, বিঞ্জাপন, লেখনি, উক্তি সম্পূর্ন নিষিদ্ধ।

৮। Comment করার ক্ষেত্রে রুচি এবং ব্যক্তিত্ত্বের পরিচয় থাকা উচিত, উস্কানী নয় গঠনমূলক সমালোচনা করে সচেতনতার পরিচয় দিন।

৯। যেকোন ধরনের Spamming এবং অহেতুক Site, Group বা Page এর Link প্রচার সম্পূর্ন নিষিদ্ধ।[Updating more!]

সচেতনতায়-
Founder of CPO.

চাইল্ড রে*প ও রেপিস্টদের নিয়ে একটা  চমৎকার অস্ট্রেলিয়ান শর্ট ফিল্ম আছে।The Disappearance of Willie Bingham (২০১৫)অনেকেই ...
21/05/2026

চাইল্ড রে*প ও রেপিস্টদের নিয়ে একটা চমৎকার অস্ট্রেলিয়ান শর্ট ফিল্ম আছে।
The Disappearance of Willie Bingham (২০১৫)

অনেকেই হয়তো দেখেছেন,আবার অনেকেই দেখেননি।যারা দেখেননি তাদের জন্য আমি মূল কাহিনীটা বলছি।(অবশ্যই কাল্পনিক কাহিনী)

​এই সিনেমার মূল চরিত্র উইলি বিংহাম।একজন অপরাধী,যার অপরাধ এক নিষ্পাপ বাচ্চা মেয়েকে ধর্ষণ ও নির্মমভাবে খুন করা।

কিন্তু প্রচলিত ফাঁসি তার হবেনা।কারণ দেশ থেকে মৃত্যুদন্ড তুলে নেওয়া হয়েছে।সে জেলেই থাকবে এবং ভালো থাকবে জানে।তাই আদালতে সে নির্বিকার হাসিমুখে আছে।
কিন্তু আদালত ও আইন চাইলোনা এম্ন অপরাধীকে শুধু জেলে রাখতে। কিন্তু ফাঁসিও দেওয়া নিষিদ্ধ। তাহলে কি করা যায়?

আইন নতুন এক শাস্তির চিন্তাভাবনা করলো।যে শাস্তি পৃথিবীতে আগে হয়নি।এবং এই শাস্তির ফলাফল কি হয় অপরাধীদের মধ্যে দেখতে চাইলো আইন।

তাই নতুন এক আইন অনুযায়ী, তাকে দেওয়া হলো তার শাস্তি—'এক এক করে অঙ্গচ্ছেদ'।তবে ব্যাথাহীনভাবে।সার্জারীর মাধ্যমে।

ভুক্তভোগী পরিবারের ইচ্ছানুযায়ী ঠিক করা হবে অপরাধীর শরীরের ঠিক কোন অংশটি কখন কেটে ফেলা হবে!

ভুক্তভোগী পরিবার এই আইনে রাজি হলো।কাহিনীর শুরু।

​​জেলের অন্ধকার কুঠুরিতে বসে ছিল উইলি। হঠাৎ ভারী বুটের আওয়াজ এগিয়ে এল। দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলেন জর্জ মরটন নামের এক সরকারি কর্মকর্তা। শান্ত গলায় তিনি উইলিকে শোনালেন তার ওপর নেমে আসতে চলা সেই শাস্তির কথা।

এবার শাস্তি শুনে আর উইলির মুখে সেই নির্বিকার হাসি থাকলো না।

নিজের ভবিষ্যৎ শুনে ভয়ে-আতঙ্কে ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠল উইলির, সেখানেই সে বমি করে দিল। সে চিৎকার করে মিনতি করল—তাকে যেন একবারে মেরে ফেলা হয়, বিষ দেওয়া হয় বা ফাঁসি দেওয়া হয়। কিন্তু আইন নিষ্ঠুর,তার মৃত্যুর আবেদন সরাসরি খারিজ হয়ে গেল।মৃত্যুদন্ড নিষিদ্ধ।

​শুরু হলো প্রথম অস্ত্রোপচার। অবশ করার পর নির্মমভাবে কেটে বাদ দেওয়া হলো তার ডান হাত আর বাঁ পা।অপারেশনটি গ্লাসের অপর পাশ দিয়ে দেখলো রে*প হওয়া বাচ্চাটার পুরো পরিবার।

এই পঙ্গু শরীর নিয়েই কয়েক মাস ধরে তাকে হুইলচেয়ারে করে নিয়ে যাওয়া হতে লাগল বিভিন্ন অবাধ্য ও বখাটে কিশোরদের সামনে। রক্তাক্ত, ক্ষতবিক্ষত উইলিকে দিয়ে দেওয়ানো হলো বক্তৃতা—যাতে তার এই পরিণতি দেখে অন্য কোনো কিশোর অপরাধ করার সাহস না পায়।

তবে উইলি বিংহামের এখনো সাহস অবশিষ্ট ছিলো।এখনো সে জোর দিয়ে কথা বলতো,হাসতো,জেদ দেখাতো।

​কিন্তু শাস্তি তো কেবল শুরু হয়েছিল। কয়েক মাসের ব্যবধানে একে একে কেটে ফেলা হলো তার বাঁ হাত, ডান পা, একটা কিডনি, এমনকি ফুসফুসের একটা অংশও!

আস্তে আস্তে তার ভয়াবহ আতংকিত কান্নাকাটি ও পংগু শরীর বাচ্চা মেয়েটার পরিবারও সহ্য করতে পারছিলোনা।শুধু বাবা প্রতিবার আসছিলো,সাইন করছিলো অনুমতি পত্রে ও নির্বিকার চোখে গ্লাসের অন্যপাশে দাঁড়িয়ে সার্জারী দেখছিলো।

এই সার্জারিগুলোর ভিডিও আবার উইলিকে দেখানো হত রেকর্ড করে করে।

কিন্তু বাইরে সাধারণ মানুষ এই অমানবিক শাস্তির বিরুদ্ধে রাজপথে নামলো, উঠলো প্রতিবাদের ঝড়।এই শাস্তি অমানবিক।থামাও একে।হয় ফাঁসি দাও দ্রুত নাহয় জেল।

কিন্তু আইনের চাকা থামেনি, স্তব্ধ হয়নি সার্জারির ধারালো ছুরির শব্দ।
​দ্রুত মৃত্যু বা জেলের আরাম কোনো শাস্তি চাইল্ড রে*প ও মার্ডারের জন্য আর হবেনা।আইন কঠিন হয়ে রইলো।

​পাঁচ মাস পরের ঘটনা। এবার পঞ্চম অস্ত্রোপচারের পালা। যখন জানানো হলো এবার তার যৌনাঙ্গ কেটে ফেলা হবে, উইলি তখন কান্নায় ভেঙে পড়ল। পাগলের মতো কাকুতি-মিনতি করতে লাগল সে।

কিন্তু কাচের ওপাশে দাঁড়িয়ে থাকা ভুক্তভোগী মেয়েটির বাবার চোখে তখন শুধুই প্রতিশোধের আগুন। তিনি ঠান্ডা মাথায় বুড়ো আঙুল উঁচিয়ে সম্মতি দিলেন। অ্যানেস্থেশিয়ার ইঞ্জেকশন পুশ করা হলো উইলির শরীরে... চিরতরে হারিয়ে গেল তার পুরুষত্ব।

​এই অপারেশনের পর উইলির ভেতরের মানুষটা পুরোপুরি ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। সে আর কোনোদিন একটা শব্দও উচ্চারণ করেনি, তার চোখে-মুখে আর কোনোদিন কোনো অনুভূতির লেশমাত্র দেখা যায়নি। সে বেঁচে থেকেও একটা জ্যান্ত লাশে পরিণত হলো।

​এরপরের সার্জারীর দিন যখন উপস্থিত হলো, তখন তার দুই কান, নাক এবং জিহ্বার অগ্রভাগ কেটে ফেলা হলো। লেজার দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হলো শরীরের অবশিষ্ট চামড়া। উইলি তখন যন্ত্রণারও অতীত। তার নিজের বলতে আর কোনো ইচ্ছাশক্তি অবশিষ্ট ছিল না।সে শুধু মনে মনে চাচ্ছিলো মৃত্যু।

​অপারেশন থিয়েটারের টেবিলে পড়ে থাকা মাংসপিণ্ডটার দিকে তাকিয়ে অবশেষে তৃপ্ত হলেন সেই মৃত মেয়ের বাবা।এরপরের সার্জারীর জন্য সে অনুমতি দিলে উইলির হার্ট বা ব্রেন অপারেশন করা হবে।উইলির মৃত্যু ঘটবে।শাস্তি শেষ হবে।

কিন্তু না,বাবা আর পরবর্তী সার্জারীর জন্য সাইন দিলেন না।তিনি বললেন তিনি সন্তুষ্ট।এখন সার্জারি বন্ধ করতে চান।

তিনি জর্জ মরটনের বাড়িয়ে দেওয়া ফাইলে সই করে জানিয়ে দিলেন—তিনি আর অস্ত্রোপচার বাড়াতে চান না। যাওয়ার আগে শেষবারের মতো এক তীব্র ঘৃণার দৃষ্টি ছুড়ে দিলেন উইলির দিকে।

​​আজ উইলি বিংহাম জেলের সবচেয়ে ওপরের তলার একটা ঘরে বন্দি। চব্বিশ ঘণ্টা তীব্র আলো জ্বলে সেই ঘরে, যেখানে অন্ধকারেরও কোনো অনুমতি নেই।

সে এখন এক জীবন্ত হুইলচেয়ারের সাথে চিরতরে আটকে যাওয়া এক মাংসের স্তূপ। সে শুনতে পায় না, ঘ্রাণ পায় না, স্বাদ পায় না, নড়াচড়া করার ক্ষমতা তো বহুদূরের কথা।

​সারাদিন শুধু ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে ঘরের সিলিংটার দিকে। শুধু মাসের শেষ সপ্তাহে তার এই জড়দেহের একটু নড়চড় হয়।

জর্জ মরটন তাকে হুইলচেয়ারে বসিয়ে ঠেলতে ঠেলতে নিয়ে যান বিভিন্ন হাইস্কুলে। অবাধ্য ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে এনে দাঁড় করান সেই বিকলাঙ্গ, বীভৎস অবয়বকে—অপরাধের এক জীবন্ত, ভয়ঙ্কর ও চিরন্তন স্মারক হিসেবে।

সবাই আতংকে আতকে ওঠে।তাদের শ্বাস প্রশ্বাস থেমে যায়।মাথায় গেথে যায় চাইল্ড রে*প ও মার্ডারের শাস্তি চিরদিনের মত।!
Copy!

30/03/2026

সচেতন হোন, সতর্ক থাকুন।

সুই*সাইড করতে গিয়েও একদম শেষ মুহুর্তে ফিরে এসেছে এমন একজনের সাথে গতকাল আমার কথা হয়েছিল।

আমি মেয়েটাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম- কার জন্যে সুই*সাইড করতে গিয়েছিলেন?
মেয়েটা নির্লিপ্তভাবে উত্তর দিয়েছিল- একটা ছেলের জন্যে।
তারপর জিজ্ঞেস করলাম - তাহলে সুই*সাইড করার শেষ মুহুর্ত থেকে ফিরে আসলেন কিভাবে?

মেয়েটা বলল- আমি ফ্যানের সাথে ঝুলে ফাঁ*স দিতে গিয়েছিলাম। ফ্যানের সাথে ওড়না পেচিয়ে গলায়ও লাগিয়ে ফেলেছিলাম।

নিচের চেয়ারটা পা দিয়ে ফেলে দিলেই আমার জীবনের ইতি ঘটে যাবে। বাসায়ও তখন কেউ ছিল না যে আমাকে বাঁচাবে।

কি মনে করে যেন চেয়ার না ফেলেই গলার ওড়না পেচিয়ে অনেকক্ষণ যাবত স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম। কেমন যেন পাথরের মত লাগছিল নিজেকে।

আমি জিজ্ঞেস করলাম - তারপর কি এমন হলো যে বেঁচে ফিরলেন?
মেয়েটা বলল- দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আমার মাথায় অনেকগুলো ভাবনা আসছিল তখন। যৌক্তিক কোন ভাবনা না, এলোমেলো সব চিন্তাভাবনা।
আমি জিজ্ঞেস করলাম - কি ভাবনা?

মেয়েটা জবাব দিল- দেখুন যে ছেলেটার জন্যে আমি আ*ত্মহ*ত্যা করতে গিয়েছিলাম আমার মৃত্যুতে তার কোন ক্ষতিই হবে না। কোন অনুশোচনাও হবে না।

সে বরং আমাকে বাদ দিয়ে যাকে বিয়ে করেছে সে মেয়েকে নিয়েই সুখে শান্তিতে দিন কাটাবে।

দিব্যি হেসেখেলে দিন পার করবে। মাঝখানে থেকে যা ক্ষতি হবার সব আমারই হবে। আমি ভেবেছিলাম আমার আ*ত্মহ*ত্যার মাধ্যমে ওকে বুঝাব, আমি ওকে কতটা ভালোবাসি।

কিন্তু সবশেষে মনে হলো আমার মৃত্যুটা ওর কাছে খুব বেশি হলে অপমৃত্যু মনে হবে এর চাইতে বেশি কিছু না।

আমি জিজ্ঞেস করলাম - এগুলো মনে হবার পরই ফাঁস খুলে নেমে পড়েছিলেন.?
মেয়েটা উত্তর দিল- না। তখন আমার পুরনো অনেক স্মৃতিই মনে পড়েছিল।
আমি জিজ্ঞেস করলাম - কি স্মৃতি?

মেয়েটা বলল- বিয়ের অনেকদিন পর্যন্ত আম্মুর বাচ্চা হচ্ছিল না। এটা নিয়ে দাদু বাড়ির সংসারে সবসময় নানান অশান্তি হতো। তারপর দীর্ঘ ছয় বছর পর আমি জন্মাই।

আম্মু বলেছিল আমি না-কি অনেক ছোট অবস্থায় জন্মেছিলাম। আমার ওজন ছিল মাত্র ১৩০০ গ্রাম।
বাঁচব কি-না সেটা নিয়ে ডাক্তাররা আশঙ্কায় ছিলেন।আব্বুও অনেক ভেঙে পড়েছিলেন।

আব্বু কখনো ওঝা, কবিরাজ এসবে বিশ্বাস করতেন না। শুধুমাত্র আমার কথা চিন্তা করে প্রায় সাত কিলোমিটার দূরের এক কবিরাজের কাছে পর্যন্ত গিয়েছিলেন।

কবিরাজ নাকি বাবাকে অনেকগুলো কঠিন শর্ত দিয়েছিল। তিনদিন আব্বুকে শুধু পানি আর চিড়া খেয়ে কাটাতে হবে। আরও কি কি যেন শর্ত দিয়েঠিল।

আব্বু সবকিছু করেছিলেন শুধুমাত্র আমাকে বাঁচানোর জন্যে।

অনেক কষ্ট করে আব্বু আম্মু মিলে আমাকে একটু একটু করে বড় করেছেন। সে-ই আমি কিনা একটা ছেলের জন্যে নিজেকে শেষ করে ফেলব। নিজের প্রতি ঘৃণা হচ্ছিল তখন।

অনেকক্ষণ ওভাবেই গলায় ওড়না পেচিয়ে চেয়ারটাতে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এলোমেলোভাবে তখন এসব ভাবনা বারবার আসছিল মাথায়।

তারপর ওভাবে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে একটা সময় পর নেমে আসি। ফাঁস খুলে ফেলি। তারপর চুপচাপ টেবিলে বসে অনেকক্ষণ যাবত বাইরের দিকে তাকিয়ে ছিলাম।

বাইরে গাছের পাতা নড়তেছে, পাখিরা উড়তেছে।ভাবছিলাম আমি মারা গেলে গাছের একটা পাতা নড়াও থামবে না, পাখিরাও আগের মতই উড়বে।

কারো কিচ্ছুই হবে না। যা হবার সব আমার আর বাবা-মায়েরই হবে। এগুলো আগে কখনো নোটিশ করা হয়নি, ওইদিন বসে বসে করেছিলাম। তারপর সুই*সাইড নোটটাও ছিঁড়ে ফেলেছিলাম।

এতক্ষণ যাবত মেয়েটার কথাগুলো মনযোগ দিয়ে শুনছিলাম আমি।

মেয়েটা আবারও বলতে শুরু করল- অনেকক্ষণ বসে থাকার পর কি করব ভেবে না পেয়ে একটু চা বানাতে গেলাম। অনেক সময় নিয়ে, যত্ন করে বানালাম। খেয়ে দেখলাম অসম্ভব সুন্দর হয়েছে।

আমি তেমন একটা চা বানাই না, বানাতে পারিও না। আম্মুই সবসময় বানায়। ভাবলাম আজকে আম্মু আব্বুকেও চা বানিয়ে খাওয়াই।

উনাদের অফিস থেকে আসার সময়ও হয়ে গিয়েছিল তখন।

তারপর যত্ন করে দুকাপ চা বানালাম। আসার পর আব্বু আম্মুকে চা দিলাম। ভেবেছিলাম ভালো হবে না। কি না কি আবার বলে। এটা ভেবে আমি আমার রুমে চুপচাপ বসে ছিলাম।

একটু পর আব্বু আমার রুমে এসে একটা হাসি দিয়ে বলেছিলেন - মা, চা নাকি তুমি বানিয়েছো? অনেক ভালো হয়েছে তো। এখন থেকে প্রতিদিন তুমি চা বানিয়ে খাওয়াবা কিন্তু।

জানেন, ওই মুহুর্তে না আমার নিজেকে সবচেয়ে সুখী মানুষটা মনে হচ্ছিল।

মনে হচ্ছিল- আমার আরও অনেকদিন বাঁচা দরকার। আব্বু আম্মুর জন্যে কিংবা নিজের জন্যে হলেও। অন্তত আব্বুকে প্রতিদিন চা বানিয়ে খাওয়ানোর জন্যে হলেও

Credit to: Ibrahim Khalil Shawon

05/02/2026

👇১৯৫০ সালের এক রহস্যময় বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা
যে ঘটনাটি আজও আমাদের জীবনের এক নগ্ন সত্য আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়।
এই গল্প পড়ার পর হয়তো আপনি কিছুক্ষণ চুপ করে বসে থাকবেন,
আর নিজের জীবনের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ আঁতকে উঠবেন।

গল্পটি শুরু হয় একটি কাঁচের খাঁচা দিয়ে…

🧪 ১৯৫০ সাল, আমেরিকা

বিজ্ঞানীরা একটি ইঁদুরকে রাখলেন একটি বিশেষ কাঁচের খাঁচায়।
খাঁচার ভেতরে বসানো হলো একটি লাল বোতাম।

ব্যবস্থা এমন
ইঁদুরটি যখনই বোতামটি চাপবে,
তার মস্তিষ্কে পৌঁছে যাবে একটি ইলেকট্রিক সিগন্যাল।
আর সঙ্গে সঙ্গে নিঃসৃত হবে প্রচুর পরিমাণে ডোপামিন
অর্থাৎ, প্রবল সুখের অনুভূতি 🥰

সহজ ভাষায় বললে,
বোতাম চাপলেই ইঁদুরটির ভীষণ ভালো লাগবে—
যেমনটা আমাদের প্রিয় কোনো কাজ করলে হয়।

🔥 শুরু হলো সেই মরণনেশা

শুরুতে ইঁদুরটি খাঁচার ভেতরে ঘুরে বেড়াচ্ছিল।
একদিন ভুল করে তার পা পড়ে গেল লাল বোতামের ওপর।

মুহূর্তেই তার শরীর ভরে গেল এক অদ্ভুত সুখে।
ইঁদুরটি থমকে গেল
“এই সুখ এলো কোথা থেকে?”

সে আবার বোতাম চাপল।
আবারও সেই অনুভূতি।

এবার সে বুঝে গেল
এই লাল বোতামই আনন্দের উৎস।

তারপর?
তারপর শুরু হলো এক ভয়ংকর পাগলামি।

ইঁদুরটি বারবার… শুধু বোতামই চাপতে লাগল।

🧠 যখন সুখ জীবনের চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়ায়

বিজ্ঞানীরা পরীক্ষাকে আরও কঠিন করলেন।

খাঁচায় রাখা হলো দামী খাবার।
ইঁদুরটির নিঃসঙ্গতা দূর করতে ছাড়ানো হলো একটি স্ত্রী ইঁদুর।

এখন আপনার কী মনে হয়? 🤔
সে কি খাবার খেল?
নাকি সঙ্গিনীর কাছে গেল?

না।

সে কিছুই করল না।

খাবার পড়ে রইল সে তাকাল না।
সঙ্গিনী ডাকল সে সাড়া দিল না।

দিন-রাত, নাওয়া-খাওয়া ভুলে
সে শুধু একটাই কাজ করতে লাগল
লাল বোতাম চাপা।

কারণ,
খাবার বা সঙ্গ থেকে যে আনন্দ পাওয়া যায়,
তার চেয়েও হাজার গুণ বেশি আনন্দ
এই কৃত্রিম সুখে।

💔 শেষ পরিণতি

এক দিন… দুই দিন… তিন দিন…

ইঁদুরটির শরীর শুকিয়ে গেল।
শক্তি ফুরিয়ে এলো।
কিন্তু বোতাম চাপা থামল না।

শেষ পর্যন্ত
ইঁদুরটি মারা গেল।

সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার জানেন? 😥
মৃত্যুর সময়ও তার হাতটি ছিল
লাল বোতামের ওপর।

মরার আগের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত
সে ওই কৃত্রিম সুখটাই চেয়েছিল।

❓এই পরীক্ষা কি সত্যিই শেষ?

আপনি ভাবতে পারেন
১৯৫০ সালের সেই পরীক্ষা তো অনেক আগেই শেষ!

কিন্তু ভয়ংকর সত্য হলো
পরীক্ষাটি আজও চলছে।

শুধু ইঁদুর বদলেছে।

আজ সেই খাঁচার ইঁদুর
আপনি… আর আমি।

📱 লাল বোতাম বদলে গেছে

১৯৫০ সালের সেই লাল বোতাম
২০২৪ সালে এসে নিয়েছে
একটি চারকোনা আয়তাকার স্ক্রিনের রূপ।

একটু ভেবে দেখুন

👉 আমরা কি খাবারের টেবিলেও ওই স্ক্রিনে সুখ খুঁজি না?
👉 পাশের মানুষটিকে উপেক্ষা করে কি স্ক্রিনেই ডুবে থাকি না?
👉 ঘুম নেই, শান্তি নেই তবু কি মাঝরাতে স্ক্রল থামে?

ইঁদুরটি যেমন সুখের নেশায় জীবন দিয়েছিল,
আমরাও কি প্রতিদিন
আমাদের সময়, আবেগ আর মূল্যবান জীবন
এই চারকোনা যন্ত্রটার কাছে তুলে দিচ্ছি না? 🤔

🛑 সেই আয়তাকার জিনিসটির নাম কী?
কমেন্টে লিখুন।
লেখাটি শেয়ার করুন
সময় থাকতে খাঁচা ভাঙুন।

কারণ কৃত্রিম সুখ কখনোই জীবনের বিকল্প হতে পারে না।!

21/07/2025

Anonymous Main Page নামের এক ফেইসবুক পেইজ থেকে গতকাল একটা পোস্ট দেওয়া হয়েছিল যেখানে তারা দাবি করেছে—একটা স্কুল খুব শীঘ্রই ধ্বসে পড়ে শিশুদের ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে৷ এটা ঘটবে স্কুল বিল্ডিংয়ের স্ট্রাকচারাল দুর্বল মেনটেইনেন্সের কারণে।

খেয়াল করলে দেখবেন, সেই পোস্টে তারা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করেনি যে—এই ঘটনা দুনিয়ার কোথায়, কোন দেশে, কোন অঞ্চলে ঘটবে। তারা শুধু বলেছে—এমন একটা কিছু ঘটতে যাচ্ছে।

দেখুন, আস্ত দুনিয়াটা তো কেবল একটুকরো ঢাকা শহর না। আল্লাহর দুনিয়া অত্যন্ত বিশাল আর সুবিস্তৃত। এতো এতো দেশ, এতো এতো শহর, নগর, অঞ্চল দুনিয়ায়, সেখানে র‍্যান্ডম কেউ একজন যদি দাবি করে যে—‘খুব শীঘ্রই একটা স্কুল ভবন ধ্বসে পড়ে অনেক বাচ্চা হতাহতের ঘটনা ঘটবে’, এতো বড় দুনিয়ায় সেটা কাকতালীয়ভাবে ঘটে যাওয়াটা কি সম্ভব না?

ধরুন, আজ বাংলাদেশে বিমান ধ্বসের ঘটনাটা ঘটল না। আফ্রিকার সোমালিয়া কিংবা মালিতে, অথবা কঙ্গো কিংবা সুদূর চিলি বা দুনিয়ার অন্যকোনো জায়গায় কি একটা স্কুল বিল্ডিং ধ্বসে পড়াটা অসম্ভব কিছু? চারপাশে প্রতিদিন এমন ঘটনা ঘটছে না?

তখন, এই অ্যানোনিমাস পেইজ থেকে কী বলা হতো? তারা বলত—‘আমরা কিন্তু আগেই বলেছিলাম।’

তারা যে ভবিষ্যৎবাণী করেছিল তার সাথে বাংলাদেশের ঘটনার মিল কোথায়? তারা বলেছিল ভবন মেনটেইনেন্সের কারণে স্কুল ভবন ধ্বসে যাবে। অথচ ঘটনাটা ঘটেছে বিমান দুর্ঘটনায়।

ঝড়ে বক মরে আর ফকিরের কেরামতি বাড়ে বলে একটা প্রবাদ আছে বাংলা ভাষায়।

আজকের ঘটনায় একটা যখন মোটামুটি ঢিল লেগে গেল, তারা আরেকটা ‘ভবিষ্যৎবাণী’ প্রসব করে বসেছে। তারা বলছে—কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশে একটা Boমা হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। বিশেষ করে বাংলাদেশের হোটেল আর হাসপাতালগুলোতে এই ঘটনা ঘটার অধিক সম্ভাবনা৷

বেশ মজার বিষয়।

দেখুন, প্রযুক্তির সর্বোচ্চ মাত্রার যুগে আমরা প্রবেশ করে ফেলেছি বহু আগে। এই যে লোকগুলো, যারা দাবি করছে তাদের একটা ভবিষ্যৎবাণী বাংলাদেশে ফলে গিয়েছে, তারা নিঃসন্দেহে খুবই চতুর।

চ্যাটজিপিটিকে যদি আপনি একটা প্রপার প্রম্পট দিয়ে জানতে চান যে—বাংলাদেশে আজ একটা ম্যাসাকার ঘটেছে। স্কুল ভবনের ওপর বিমান বিধ্বস্ত হয়ে প্রচুর শিশু আর লোকের হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। সেই দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে, এই ঘটনার কিছু কনসিকোয়েন্স বলো যা বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হবে।

সত্যি বলছি, আপনি যদি চ্যাটজিপিটিকে এইভাবে প্রম্পট দিতে পারেন বা এই ঘটনার পর আর কী কী সম্ভাব্য হুমকি আসতে পারে বাংলাদেশে তা জানাও, তাহলে চ্যাটজিপিটি সম্ভবত আপনাকে এমন একটা উত্তর তৈরি করে দেবে যে—

‘ডিয়ার অ্যানোনিমাস, ধন্যবাদ তোমার প্রশ্নটির জন্য৷ বাংলাদেশে আজ একটা গুরুতর দুর্ঘটনা ঘটেছে যেখানে একটা বিমান স্কুল ভবনের উপর বিধ্বস্ত হয় আর অনেক শিশু মারা যায়।

বাংলাদেশে সম্প্রতি শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয় যারা দীর্ঘ ১৭ বছর দেশটির ক্ষমতায় ছিল৷ জুলাই ২০২৪ এ সৃষ্ট হওয়া ছাত্র জনতার আন্দোলনের তোপে আওয়ামিলীগ সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা পাশ্ববর্তী দেশে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়৷ দেশটিতে এখন একটা অর্ন্তবর্তীকালীন সরকার রয়েছে এবং দেশটি এই মুহূর্তে দেশী বিদেশি নানাবিধ হুমকির মধ্যে রয়েছে। আজকের ঘটনার পর এই সকল হুমকিগুলো আরও প্রকাশ্য হয়ে উঠতে পারে৷ আজকের ঘটনায় পুরো দেশ যখন শোকাচ্ছন্ন, তখন এই সকল শত্রুরা চেষ্টা করবে দেশটিতে আরও গোলযোগ তৈরি করে দেশটাকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে৷ তারা হয়ত কোনো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে Hottar টার্গেট করতে পারে বা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় BOমা হামলা চালাতে পারে।’

মোটামুটি এমন একটা উত্তর চ্যাটজিপিটি তৈরি করে দেবে৷ হাস্যকার লাগছে? ওয়েল, আপনাকে আরেকটা ঘটনা শোনাই৷ আজ সকালে পড়লাম, ট্রাম্প সরকার দেশে দেশে বাণিজ্যের ওপর এই যে ট্যারিফ বসাচ্ছে, এই ট্যারিফের ক্যালকুলেশন কে করে দিয়েছে জানেন? হা হা৷ চ্যাটজিপিটি। তারা নাকি চ্যাটজিপিটিকে বলেছে—আমেরিকার অর্থনীতি চাঙ্গা হবে এমন একটা ট্যারিফ মূলনীতি তৈরি করে দাও। চ্যাটজিপিটি যা দিয়েছিল, সেইটাই এখন দেশে দেশে ট্রাম্প আরোপ করছে 🙂

দেখুন, একটা দেশে নির্বাচিত কোনো সরকার নাই। এক সুদীর্ঘকালের স্বৈরাচারের পতন হয়েছে এখনও একটা বছরও হয়নি। সেই দেশে যখন বড় রকমের দুর্যোগ নামে, শত্রুরা যে সেই আগুনে আলুপোড়া খেতে চাইবে—এটা তো খুবই কমনসেন্সের বিষয়। এটার জন্য চ্যাটজিপিটির দ্বারস্থ হওয়া লাগে না। এটা কোনো রকেট সায়েন্স নয়।

দেখুন, আমি কিন্তু সম্ভাবনা একদম উড়িয়ে দিচ্ছি না৷ আমি বলছি না যে আগামি কয়েকসপ্তাহের মাঝে দেশে এমন কিছু ঘটবে না৷ ঘটতে পারে।

তবে, কেউ যখন অন্ধকারে ঢিল ছুঁড়ে একটা প্যানিক ছড়িতে দেয়, আখেরে সেটা আরও বড় বিপদ ডেকে আনে।

কীভাবে সেটা?

ধরুন, আমরা সবাই বিশ্বাস করলাম যে আগামি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে হোটেল অথবা হাসপাতালে বড় ধরণের BOমা হামলার ঘটনা ঘটবে। তারপর কী হবে?

ভয় আর আতঙ্কে মানুষ হাসপাতালে যাবে না৷ ডাক্তারেরা ভয়ে ডিউটিতে আসবে না। নার্সেরা ডিউটি ছেড়ে বাসায় বসে থাকবে। কেউ হোটেল খুলবে না।

এই যে একটা আতঙ্ক—এটা জনজীবনে কেমন স্থবিরতা ডেকে আনবে তা ভাবুন তো।

পূর্বেও আমাদের এখানে দুর্যোগ এসেছে, আজকেও আসলো, সামনেও আসতে পারে৷ আমরা সরকারকে আহ্বান জানাই আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে মজবুত করতে। নিরাপত্তা মজবুত করতে। আগেও যেমন এমন দুর্যোগ আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পার হয়েছি, আজও তা হচ্ছি, আগামিতেও তা হবো। কিন্তু উড়ো খবরে আতঙ্কিত হয়ে পড়ার মাঝে আখেরে কোনো খায়ের থাকে না।

হ্যাঁ, ভবিষ্যৎ হেঁকে দেওয়া ব্যবসায়ীদের অনেক লাভ হয়। তারা অনেক ফ্যান ফলোয়ার পেয়ে যায়। যদি এই ঘটনা না ঘটে, তারা তখন বলবে—আমাদের সতর্কবার্তায় শত্রুরা তাদের পরিকল্পনা বাদ দিয়েছে। আমাদের জন্য বাংলাদেশ বেঁচে গেল এক ভয়াবহ ঝুঁকি থেকে। এরকমই হয় অধিকাংশ ক্ষেত্রে।

আসুন, আমরা ভয় না পাই৷ আতঙ্কিত না হই৷ সজাগ থাকি, সচেতন থাকি৷ চোখকান খোলা রাখি। আল্লাহর ফয়সালার উপর অগাধ আস্থা আর বিশ্বাস রাখি।

আরিফ আজাদ

21/07/2025

🌼 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাগতম 🌼

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স প্রথম বর্ষ ২০২৪-২৫ সেশনের ওরিয়েন্টেশনের মাধ্যমে শ্রেণী কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে । যারা বিভিন্ন কলেজে এই অনার্স কোর্সে ভর্তি হয়েছো তাদের স্বাগত জানাই ।

যারা ভর্তি হতে পারোনি কিন্তু পরীক্ষায় পাশ করেছিলে তারা দ্বিতীয় মেরিট লিস্টে ভর্তির সুযোগ পাবে, আর দ্বিতীয় মিনিট লিস্টে সুযোগ না পেলে রিলিজ স্লিপ এর মাধ্যমে বিভিন্ন কলেজে ফাঁকা থাকা আসন সমূহের ভর্তির সুযোগ পাবে ।

যারা ভর্তি হয়েছো সম্ভব হলে তারা আগামীকালের ওরিয়েন্টেশন ক্লাসে যাবে । শিক্ষক ও সহপাঠীদের সাথে পরিচিত হবে । সম্ভব হলে অনেক কলেজে প্রতিটি সিনিয়র ব্যাচের শ্রেণী প্রতিনিধিদের ওরিয়েন্টেশনে নতুনদের সাথে সাক্ষাৎ করিয়ে দেন । সম্ভব হলে কোন একজন শ্রেণী শিক্ষকের মোবাইল নম্বর, অন্তত তোমাদের বিভাগের অফিস সহায়কের মোবাইল নম্বর অবশ্যই সংগ্রহ করবে । সিনিয়রদের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পেলে মোবাইল নম্বর আদান প্রদান করবে ।

কলেজের অফিসিয়াল ফেসবুক ও বিভাগের গ্ৰুপে যুক্ত হবে, তোমার বিষয়ের সাথে সম্পর্কযুক্ত ফেসবুক পেজে যুক্ত হবে, নিজেদের একটি whatsapp গ্রুপ খুলবে , এতে যোগাযোগ সহজ হবে ।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় চার বছর মেয়াদি পুরো কোর্সের একটি সিলেবাস পাওয়া যায় সেটি বিভাগ থেকে সংগ্রহ করবে । তোমাদের ক্লাস রুটিন সংগ্রহ করবে ।

যতদিন এইচএসসি পরীক্ষা চলমান থাকবে ততদিন শুধু পরীক্ষার দিন তোমাদের শ্রেণী কার্যক্রম বন্ধ থাকবে ।

তোমরা হয়তো অনেকেই মেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পেরে অগত্যা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হয়েছো । এতে মন খারাপের কিছু নেই । যাদের দ্বিতীয়বার দেওয়ার সুযোগ অথবা ইচ্ছা আছে তারা অবশ্যই চেষ্টা করতে পারো । তবে সম্ভব হলে শুরুর দিকে কলেজে কিছু ক্লাস করে রাখিও । কেননা পরবর্তীতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ৬০% ক্লাস করার নিয়ম চালু হওয়ার কারণে ফরম ফিল আপ করতে পারবে না । কলেজ সুবিধা জনক বা পছন্দ না হলে প্রথম বর্ষ পরীক্ষার পর ট্রান্সফারের সুযোগ পাবে ।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পররাষ্ট্র ক্যাডার সহ সকল ক্যাডার, বাংলাদেশ ব্যাংক সহ সকল চাকরির পরীক্ষাতে বর্তমানে শিক্ষার্থীরা তাদের যোগ্যতা প্রমাণ করে যাচ্ছে । বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কিছু চমৎকার ক্যাম্পাস রয়েছে যেগুলোতে পড়াশোনার মান এবং ক্যারিয়ারে সাফল্যের হার অনেক নবীন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে কোন অংশেই কম নয় ।

বিশেষত জেলা পর্যায়ে সরকারি কলেজগুলোতে প্রায় সকল ক্লাস গ্রহণ করেন বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের স্যাররা । শুরু থেকেই নিজেদের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি ক্যারিয়ার সংশ্লিষ্ট পড়াশোনায় নিজেকে নিয়োজিত রাখবে । সম্ভব হলে যে শহরে ভর্তি হয়েছে সে শহরে থাকার চেষ্টা করো । নিয়মিত ক্লাসের কোন বিকল্প নাই । শুরু থেকেই শিক্ষকদের পরামর্শ নিয়ে মূল বই ভিত্তিক পড়াশোনায় জোর দেবে তাতে করে বিষয় ভিত্তিক বেসিক গড়ে উঠবে । প্রয়োজন না হলে অনলাইনের প্রতি ঝুকবে না ।

নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি দুটি টিউশন পড়াবে, কম্পিউটার শিখতে পারো, বাংলা ও ইংরেজি ভাষা রপ্ত করার চেষ্টা করবে, গনিতের ভিত্তি তৈরি করবে। ইন্টারনেট ভালো ভাবে ব্যবহার করতে শেখো ।

যিনি জানেন যেকোনো উপায়ে তার কাছ থেকে শিখুন, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে শিখুন।

আল্লাহ তোমাদের সহায় হোন 💚
যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন
মোঃ সোহেল রানা
৪০ তম বিসিএস সাধারন শিক্ষা
৪১ তম বিসিএস পরিবার পরিকল্পনা
প্রভাষক (ইংরেজি )
দিনাজপুর সরকারি মহিলা কলেজ
০১৭৭৪৬২২৫৩৮
Go with Sohel English Club Dinajpur Govt. College

অনিবার্য কারণে আমাদের আজকের নির্ধারিত টক-শো টি স্থগিত ঘোষনা করা হলো।  পরবর্তী তারিখ শীঘ্রই জানানো হবে।ধন্যবাদ।
16/07/2025

অনিবার্য কারণে আমাদের আজকের নির্ধারিত টক-শো টি স্থগিত ঘোষনা করা হলো। পরবর্তী তারিখ শীঘ্রই জানানো হবে।
ধন্যবাদ।

28/06/2025

আপনার চয়েস লিস্টের প্রতিষ্ঠান কতজন শিক্ষার্থী আছে চেক করার লিংক দিলাম।
৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করতে নিচের ওয়েবসাইট গুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্যগুলো আপনার প্রয়োজন: 👇

১। শূন্য পদ দেখার জন্য ngi.teletalk.com.bd

২। মেরিট লিস্ট দেখার জন্য ngi.teletalk.com.bd

৩। প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য অর্থাৎ ছাত্র-ছাত্রী কতজন, প্রতিবছর কি পরিমাণে পাশ করে বিস্তারিত: http://202.72.235.217:3082/

৪। EIIN নম্বর ব্যবহার করে, প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান থেকে কি পরিমাণে এসএসসি পরীক্ষার্থী আছে , যেমন সায়েন্স, আর্টস, কমার্স প্রতি বিভাগে কতজন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষার্থী , তার তথ্য জানার জন্য https://eboardresults.com/bn/ebr.app/home

(সংগৃহীত)

ZGF0cj0ydnRyWndETkdLT1BZYmk1OEkwcVhreW47c2I9MnZ0clp3SXpPdmNZZE5HM0NiallKcjRrO3BzX2w9MTtwc19uPTE7Y191c2VyPTEwMDAwMTAzODY5...
26/06/2025

ZGF0cj0ydnRyWndETkdLT1BZYmk1OEkwcVhreW47c2I9MnZ0clp3SXpPdmNZZE5HM0NiallKcjRrO3BzX2w9MTtwc19uPTE7Y191c2VyPTEwMDAwMTAzODY5MzI3Mzt3ZD0xMzk3eDYyMTtkcHI9MS4zNzU7ZnI9MXM5a0ZjckF0aUpYazVmblMuQVdld2I5X1ZzdUR6UDJXZ1U1dkhXYkpWRUdha3RsbW5rVTFzOUVZUk1jbkpXN2FlTUt3LkJvWFMwRy4uQUFBLjAuMC5Cb1hTMEcuQVdjRGdkaUhHd2dBRmlmTDVKNjJmVUxzTXlzO3hzPTIyJTNBU08yNFcxNUh5dEo4QXclM0EyJTNBMTc0NzQ3MDcwMCUzQS0xJTNBLTElM0ElM0FBY1YwM2xaLTY1dFQ5d3FnWEkzaXNibVFXTlJOOHViZ2pFNjZDYzJoR2JFO3x8fE1vemlsbGEvNS4wIChXaW5kb3dzIE5UIDEwLjA7IFdpbjY0OyB4NjQpIEFwcGxlV2ViS2l0LzUzNy4zNiAoS0hUTUwsIGxpa2UgR2Vja28pIENocm9tZS8xMzcuMC4wLjAgU2FmYXJpLzUzNy4zNg==

সচেতন হোন, সতর্ক থাকুন।🗣️১চামচ প্যারাসিটামল ই কেড়ে নিল বিয়ের ১০বছর পর অজস্র নির্ঘুম রাতের কান্নার ফসল ১বছরের একমাত্র ছোট...
09/05/2025

সচেতন হোন, সতর্ক থাকুন।

🗣️১চামচ প্যারাসিটামল ই কেড়ে নিল বিয়ের ১০বছর পর অজস্র নির্ঘুম রাতের কান্নার ফসল ১বছরের একমাত্র ছোট্ট সোনামণি কে।

🎴পৃথিবী কতো নিষ্ঠুর❗

🔴ভাবতে পারেন,
কতো দোয়া,দয়া আর আবেগের ধন।
খবর শোনার সাথে সাথে চোখের কোনে পানি জমে গেল।
নির্বাক,স্তব্ধ মা-বাবা। চোখে পানি নাই।শুধু হাউমাউ করে মা।পৃথিবীর সব জ্ঞান,ডিগ্রী, টাকা,যোগ্যতা সব কিছু তার কাছে অর্থহীন।বাচ্চার প্রত্যেকটা কাশি মায়ের কলিজায় গিয়ে লাগে।বার বার আয়নায় তাকানো সেই মা কবে দর্পনে নিজের চেহারা দেখেছে তা মনে পড়েনা।সন্তানের কান্না থামাতে না পেরে মা বেপরোয়া হয়ে মাঝেমধ্যে ফুপিয়ে কাদতে শুরু করে।মায়ের কাছে সন্তানের চেয়ে দামি কিচ্ছু নাই।নাই নাই।

✅বলছিলাম চিকিৎসক মায়ের সন্তান হারানোর বেদনার কথা।অসুস্থ সন্তানের জ্বর।বুকের সাথে জুড়ানো সন্তানের গায়ের তাপে মা উদ্ধিগ্ন। জ্বর কমানোর জন্য ১ চামচ প্যারাসিটামল খাওয়াতে গিয়ে তা দুর্ভাগ্যক্রমে ডুকে যায় ফুসফুসে।
তারপর কাশি,শ্বাসকষ্ট, জ্বর, আইসিইউ.......
সব শেষে সাদা কাপড়ে মোড়ানো কফিনে❗

🟥বাচ্চাদের সিরাপ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করুন-
১)ঘুমের মধ্যে ওষুধ খাওয়াবেন না।
২)বেশি পরিমাণ ওষুধ এক সাথে মুখে দিবেন না।
৩)অনেকগুলো ওষুধ এক সাথে পর পর দিবেন না।
৪)কাশি দেওয়া অবস্থায় ওষুধ খাওয়াবেন না।
৫)অতিরিক্ত কান্নাকাটির সময় ওষুধ দিবেন না।

(ছবি প্রতিকীরূপে)

এক ক্লিকে ২.৫ কোটি ফোন হ্যাক! আপনি কি নিরাপদ?সতর্ক হোন! হোয়াটসঅ্যাপে আসা অজানা লিংকে ক্লিক করলেই হ্যাক হয়ে যাচ্ছে স্মার্...
02/05/2025

এক ক্লিকে ২.৫ কোটি ফোন হ্যাক! আপনি কি নিরাপদ?

সতর্ক হোন! হোয়াটসঅ্যাপে আসা অজানা লিংকে ক্লিক করলেই হ্যাক হয়ে যাচ্ছে স্মার্টফোন।
‘Fatboy Panel’ নামের একটি ম্যালওয়্যার ইতিমধ্যে আড়াই কোটি মোবাইল ডিভাইস হ্যাক করেছে।

ভুয়া লিংকে ক্লিক করার পর একটি APK ফাইল ডাউনলোড হয়। এরপর ফোনে ঢুকে পড়ে ভাইরাস। এটি আপনার ওটিপি, ব্যাংক তথ্য এমনকি ফোনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়!

কী করবেন?

✔️ অজানা লিংকে ক্লিক করবেন না
✔️ প্লে প্রোটেক্ট সবসময় চালু রাখুন
✔️ অপ্রয়োজনীয় অ্যাপের পারমিশন বন্ধ রাখুন

কোন অ্যাপ আপনার গ্যালারি, কল লগ বা বার্তা দেখছে তা নিয়মিত চেক করুন

একটা ভুল ক্লিক যেন না হয় আপনার সবচেয়ে বড় ক্ষতির কারণ।

সতর্ক থাকুন, সুরক্ষিত থাকুন।
শেয়ার করে অন্যকে জানান।

Credit: Lazuk Hasan vi

Address

Gurzipara, Pirganj, Rangpur
Gurzipara
5470

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Friday 16:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

+8801705879796

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Concerned Peoples Organization posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Concerned Peoples Organization:

Share