Life is a Flowing River

Life is a Flowing River A trusted community page for life................................

06/07/2025

"বাবা, আমি মানুষের মাংস খেতে চাই!"
একটি ছোট শকুন তার বাবাকে বলে বসলো।
বাবা শকুন বলল, "ঠিক আছে, সন্ধ্যার পর নিয়ে আসব।"
সন্ধ্যা হলে সে উড়ে গিয়ে এক টুকরো শুকরের মাংস এনে বাসায় রাখল।
ছানা বলল, "এটা তো শুকরের মাংস! আমি তো মানুষের মাংস চাই!"
বাবা শকুন হেসে বলল, "আচ্ছা ঠিক আছে, আরেকটু অপেক্ষা করো।"
পরে আবার সে উড়াল দিল, এবার এক মৃত গরুর মাংস এনে ছানার সামনে রাখল।
ছানা বিরক্ত হয়ে বলল, "আবার ভুল! এটা তো গরুর মাংস! মানুষের মাংস কোথায়?"
বুঝেশুনে এবার শকুন দু’টি মাংসের টুকরো মুখে করে উড়ে গেল। একটি টুকরো কে একটি মসজিদের পাশে এবং অন্য টুকরো কে একটি মন্দিরের পাশে ফেলে দিয়ে চলে এল।
কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হলো বিশৃঙ্খলা। মানুষ ধর্মীয় উত্তেজনায় এমনভাবে লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ল যে, শত শত মানুষ প্রাণ হারাল।
গাছে বসে বাবা-ছেলে শকুন নেমে এলো। এবার তারা সত্যিকারের মানুষের মাংস খেতে লাগল।
ছানা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, "বাবা, এত মানুষের মৃতদেহ কোথা থেকে এলো?"
বাবা শকুন শান্তভাবে উত্তর দিল, "মানুষ নিজেদেরকে ‘সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব’ বলে দাবি করে, কিন্তু ধর্ম আর রাজনীতির নামে তাদের ব্যবহার করানো সবচেয়ে সহজ। তারা নিজেরাই নিজেদের ধ্বংস করে দেয়।"
ছানা বলল, "ধর্মকেই ব্যবহার করলে কেন? রাজনীতি করলেই তো হতো!"
বাবা হেসে বলল, "রাজনীতি সময় নেয়, ধীরে ধীরে আগুন ছড়ায়। কিন্তু ধর্ম? সেটা আবেগের জায়গা—এক চিমটি ছিটালেই বিস্ফোরণ ঘটে! তুমি তো আজই খেতে চেয়েছিলে, তাই তাড়াতাড়ি কাজ সেরে ফেললাম।"
ছানা বলল, "তুমি তো খুব চালাক বাবা!"
বাবা বলল, "আমি কিছুই না, আমি তো শুধু মানুষের কাছ থেকেই শিখেছি। যখন এরা সরাসরি ক্ষতি করতে পারে না, তখন ধর্ম বা রাজনীতিকেই অস্ত্র বানায়!"
Collected

30/06/2025

শিশুদের সামনে সাবধানে কথা বলুন!!
১. অপমান নয়
শিশুর সামনে কাউকে অপমানজনক বা গালিভরা ভাষায় কিছু বলবেন না। এতে শিশু শিখে যায় রূঢ়ভাবে কথা বলাটাই স্বাভাবিক। সে নিজেও পরবর্তীতে সেই রকম ভাষা ব্যবহার করতে পারে।

২. তর্ক নয়
পরিবারের কোনো দ্বন্দ্ব বা ঝগড়া শিশুর সামনে করা উচিত নয়। শিশুর মনে এতে অস্থিরতা ও ভয় ঢুকে পড়ে। তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে এবং সম্পর্ক নিয়ে নেতিবাচক ধারণা গড়ে তোলে।

৩. সত্য বলুন
শিশুদের সামনে মিথ্যা বললে তারা মনে করে মিথ্যা বলা স্বাভাবিক। ফলে তাদের চারিত্রিক গঠনে সততার অভাব দেখা দিতে পারে। সত্য বলা শিখিয়ে দিন ছোটবেলা থেকেই।

৪. সমালোচনা নয়
অন্যের দোষ বা খারাপ দিকগুলো শিশুদের সামনে বেশি বলা উচিত নয়। এতে শিশুদের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব গড়ে ওঠে এবং তারা অন্যকে মূল্যায়নের বদলে দোষ ধরতে শেখে।

৫. ভয় দেখাবেন না
শিশুদের ভুল করলে ভয় দেখিয়ে নয়, বরং ধৈর্য ধরে বুঝিয়ে বলা উচিত। ভয় দেখালে তারা আত্মবিশ্বাস হারায় এবং নিজের ভুল স্বীকার করতে ভয় পায়।

৬. অর্থকথা নয়
পরিবারের অর্থনৈতিক সমস্যা নিয়ে শিশুর সামনে আলোচনা না করাই ভালো। এতে তাদের মনে দুশ্চিন্তা বা অনিরাপত্তার অনুভব তৈরি হয়, যা মনঃসংযোগ ও বিকাশে বাধা দেয়।

৭. তুলনা নয়
শিশুকে অন্য কারো সঙ্গে তুলনা করা তাদের আত্মসম্মান ও আত্মবিশ্বাসে আঘাত করে। প্রত্যেক শিশু আলাদা, তাদের নিজের মতো গড়ে ওঠার সুযোগ দেওয়া উচিত।

৮. গঠনমূলক প্রশংসা
শিশুকে প্রশংসা করুন, তবে সেটা হোক গঠনমূলক ও উৎসাহমূলক। অকারণে বাড়াবাড়ি প্রশংসা করলে তা তাদের বাস্তববোধ কমিয়ে দিতে পারে।

৯. ব্যক্তিগত কথা নয়
দাম্পত্য কলহ বা ব্যক্তিগত গোপন কোনো বিষয় শিশুর সামনে আলোচনা করা ঠিক নয়। এতে তারা মানসিকভাবে চাপ অনুভব করে এবং অপ্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে বিভ্রান্ত হয়।

১০. ভদ্র ভাষা ব্যবহার করুন
আপনার ব্যবহৃত ভাষা যেন সবসময় ভদ্র ও পরিশীলিত হয়। শিশুরা যা শুনে, তাই শেখে। তাই অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করলে তারাও তা অনুসরণ করতে পারে।

১১. ধর্ম নিয়ে নেতিবাচকতা নয়
শিশুর মনে সব ধর্মের প্রতি সম্মানবোধ গড়ে তুলুন। কোনো ধর্ম নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করলে তারা অসহিষ্ণু হয়ে উঠতে পারে।

১২. নেগেটিভ খবর নয়
খুন, ধর্ষণ বা ভয়ংকর কোনো ঘটনা শিশুকে বলা উচিত নয়। এতে তারা আতঙ্কিত হয় ও রাতে ঘুমের সমস্যা হতে পারে।

১৩. রূপ নিয়ে কটুক্তি নয়
কাউকে কালো, মোটা বা অন্য কোনো বাহ্যিক বিষয় নিয়ে উপহাস করবেন না। এতে শিশুর মনেও একই ধরণের বিচারবোধ জন্মায়, যা পরবর্তীতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

১৪. ভুলে রাগ নয়
শিশু ভুল করলে তার ওপর চিৎকার বা শাস্তি না দিয়ে ধৈর্য ধরে বোঝান। এতে তারা নিজের ভুল বুঝতে ও সংশোধন করতে শেখে।

১৫. নিন্দা নয়
অন্য কারো পেছনে সমালোচনা বা নিন্দা করবেন না। শিশুরা মনে করে এটি স্বাভাবিক আচরণ এবং তারা অন্যদের সম্মান করতে শেখে না।

১৬. উপেক্ষা নয়
শিশুর কথা গুরুত্ব দিয়ে শুনুন। এতে তারা বুঝতে পারে যে তাদের কথা মূল্যবান, যা আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।

১৭. ভয় দেখিয়ে নিয়ন্ত্রণ নয়
শিশুকে শাসনের পরিবর্তে যুক্তি দিয়ে বোঝান। ভয় দেখিয়ে নিয়ন্ত্রণ করলে তারা শুধু সাময়িকভাবে কথা শুনবে, মনের ভেতর বিদ্রোহ জমবে।

১৮. উপহাস নয়
শিশুর কাজ বা কথা নিয়ে হাসাহাসি করা উচিত নয়। এতে তারা আত্মমর্যাদা হারায় ও নিজেদের প্রকাশে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়ে।

১৯. সম্মান শেখান
শিশুকে শেখান, সব শ্রেণি-পেশার মানুষই সম্মানের যোগ্য। গৃহকর্মী, রিকশাওয়ালা বা অন্য যেকোনো মানুষকে সম্মান করলে শিশুর মূল্যবোধ উন্নত হয়।

২০. ভালোবাসা থাকুক
আপনার প্রতিটি কথায় যেন মমতা ও সহানুভূতি থাকে। শিশুরা ভালোবাসা থেকেই শেখে এবং মানবিক গুণাবলি অর্জন করে।

শিশুদের সামনে কথাবার্তায় সচেতনতা শুধু একটি অভ্যাস নয়, এটি একটি দায়িত্ব। তারা আমাদের প্রতিচ্ছবি। তাদের সামনে সদাচরণ মানেই আগামী প্রজন্মকে ইতিবাচক ও মানবিক করে গড়ে তোলা। আপনার প্রতিটি ভালো কথা, কোমল আচরণই শিশুর ভবিষ্যতের ভিত্তি মজবুত করে।

©

30/06/2025

১) যে দুধ বিক্রি করে সে মানুষের দুয়ারে
ঘোরে, আর.....যে মদ বিক্রি করে মানুষ তার দুয়ারে
ঘোরে।
২) ধনীরা মসজিদ, মন্দিরে ভিতর ভিক্ষা
করে সৃষ্টিকর্তার কাছে আর....গরীবরা মসজিদ, মন্দিরের বাইরে ভিক্ষা
করে পাবলিকের কাছে।
৩) মৃতদিন পালন করা হয় মোমবাতি
জ্বালিয়ে আর.....জন্মদিন পালন করা হয় মোমবাতি
নিভিয়ে।
৪) মানুষকে বাঘ, সিংহের সাথে তুলনা করলে
খুশী হয়।....তবে জন্তু বললে রাগ হয়। বাঘ, সিংহ তবে
কি?
৫) বিশ বছর একটানা পড়লেও পড়ালেখায়
মানুষের নেশা......হয়না।
অথচ বিশদিন ধূমপান কিংবা
বাজে নেশা করলেই......তাতেই মানুষের নেশা হয়ে যায়।
৬) বর যাত্রায় মানুষ যায় আগে আর বর যায়
পেছনে। আর.....শব যাত্রায় লাশ যায় আগে আর মানুষ
যায় পেছনে।
৭) তিক্ত কথা, তিতা জিনিস মানুষের পছন্দ
না।......এমনকি তিতা জিনিসকে পোকাও পছন্দ
করে না।
৮) ভোরে ওঠা খুবই ভালো সেটা মানুষ
করতেই চায় না।.....রাতজাগা খুবই খারাপ।সেটাই মানুষ
করে।
৯) অবৈধ পথের ধনী মানুষ সমাজে
সম্মানীত।......বৈধ পথের গরীব মানুষ সমাজে
অবহেলিত।

পোস্টটা কেমন লেগেছে কমেন্টে জানাবেন।

ছবি: প্রতীকি।

30/06/2025

একদিন বনের গভীরে সিংহ আর সিংহী বেরিয়েছে শিকারে। তাদের দুটি ছোট্ট বাচ্চা নির্জন গুহায় একা পড়ে রইল। সময় পেরিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু সিংহ-সিংহী কোনো শিকার জোগাড় করতে পারল না। বাচ্চাগুলোর পেটে ছুঁচো গন্ধ, চোখে জল—ক্ষুধায় কাতর।

এই দৃশ্য হঠাৎ এক ছাগলের নজরে পড়ে। নিজেও দুর্বল হলেও সে এগিয়ে আসে। বুকের দুধ খাইয়ে সিংহ শাবকদের প্রাণ বাঁচায়। মা-বাবা নেই, কিন্তু এই অচেনা ছাগল এক নিঃশব্দ মাতৃত্বে তাদের জড়িয়ে নেয়।

এদিকে সিংহ-সিংহী ফিরে এলো খালি হাতে। দূর থেকে ছাগলটিকে দেখে ক্ষুধায় ক্ষিপ্ত হয়ে তেড়ে গেল তাকে শিকার করতে। ঠিক সেই মুহূর্তে বাচ্চা দুটি কাঁদতে কাঁদতে চিৎকার করে বলল—“ওকে মারো না! আমাদের খিদে মেটিয়েছে, ও আমাদের প্রাণ বাঁচিয়েছে!”

সিংহ-সিংহী থেমে গেল। শিশুদের কথা শুনে মনের ভেতরে নরমতা এল। ছাগলটির দিকে তাকিয়ে তারা বলল—"তুমি আজ থেকে আমাদের বন্ধু। এই বনে তোমার কেউ ক্ষতি করবে না।"

ছাগল আনন্দে আত্মহারা। সে এখন বনের রাজাদের সাথেই ঘোরে, নিরাপদে চরে বেড়ায়। এমনকি সিংহের পিঠে চড়ে উঁচু গাছ থেকে পাতা খায়। এক সময়ের দুর্বল ছাগল আজ সাহসীদের আশ্রয়ে সম্মানের আসনে।

এই দৃশ্য এক চিল উপর থেকে দেখছিল। মনে হলো—“ছাগল যদি পারে, আমিও পারি।”
পরের দিন চিল দেখতে পেল কিছু ইঁদুরের বাচ্চা কাদায় পড়ে কাঁপছে। তারাও অসহায়, বিপন্ন। চিল তাদের ডানার নিচে আশ্রয় দিলো, শুকনা জায়গায় বসিয়ে রাখল। ভাবল, এদের রক্ষা করলে তারাও একদিন কৃতজ্ঞ হবে।

কিন্তু গল্পটা বদলে গেল। কিছুদিন পর যখন চিল উড়তে গেল, সে দেখল তার ডানার পালকগুলো ছেঁটে গেছে। আর উড়তে পারছে না! ইঁদুরের বাচ্চারা তার ডানার পালক কেটে নিজেদের বাসা বানিয়ে ফেলেছে।

আঘাতে, হতাশায় চিল ছাগলের কাছে গিয়ে কেঁদে বলল—“তুমি উপকার করে সিংহের পিঠে উঠে পড়লে আর আমি উপকার করে ডানা হারালাম কেন?”

ছাগল একবার হেসে বলল—“কার উপকার করছো, সেটা গুরুত্বপূর্ণ। আমি উপকার করেছি সিংহের—যারা সাহসী, যাদের হৃদয়ে কৃতজ্ঞতা থাকে। আর তুমি উপকার করেছো ইঁদুরদের—ভীতু, সুবিধাবাদী, যারা উপকারকে দুর্বলতা ভাবে। সাহসীরা উপকার মনে রাখে, কিন্তু ভীতুরা উপকার ভুলে যাওয়াটাকেই বুদ্ধিমত্তা ভাবে।”

এই গল্প আমাদের জীবনের এক কঠিন সত্য শিখিয়ে দেয়। উপকার করাটা ভালো, কিন্তু তার আগে বিচার করতে হবে—সে ব্যক্তি উপযুক্ত কি না? তার মূল্যবোধ আছে কি না? সব মানুষই সাহায্য পাওয়ার যোগ্য নয়। কারণ কিছু মানুষ কৃতজ্ঞতা বুকে ধারণ করে, আর কিছু মানুষ সেটা পা মুছে ফেলার চাটাই বানিয়ে ফেলে।

তাই পরোপকার করো, তবে চোখ বুজে নয়—চিনে-জেনে, বুঝে। কারণ যদি ভুল জায়গায় উপকার করো, তা একদিন তোমার নিজের পায়ের নিচের মাটি টেনে নিতে পারে।

#শিক্ষনীয়

Address

Gazipur

Telephone

+8801727049754

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Life is a Flowing River posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Life is a Flowing River:

Share