25/01/2026
বিজ্ঞপ্তি
সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সি গ্রেড ফার্মাসিস্ট রেজিস্ট্রেশন কোর্স পরিচালনার জন্য আবেদন করা হলে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ৮ই এপ্রিল ২০২৫ তারিখে আরএমপি ওয়েলফেয়ার সোসাইটিকে অনুমোদন প্রদান করা হয়।
উক্ত অনুমোদনের প্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয়ের সচিব বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলকে আরএমপি ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর করার নির্দেশ দেন এবং পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যও নির্দেশনা প্রদান করেন।
কিন্তু বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল কোনো প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ না করে একতরফাভাবে একই দিনে ৬৪তম ব্যাচের সার্কুলার প্রকাশ করে অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম শুরু করে।
এই অবস্থায় আরএমপি ওয়েলফেয়ার সোসাইটি তাৎক্ষণিকভাবে ফার্মেসি কাউন্সিলের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তারা কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। ফলে বাধ্য হয়ে ১৪ই মে ২০২৫ তারিখে আরএমপি ওয়েলফেয়ার সোসাইটি মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশনে রিট পিটিশন দাখিল করে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ডিভিশনের মাননীয় বিচারপতি ফাতেমা নাজিব ও সিকদার মাহমুদুর রাজি আরএমপি ওয়েলফেয়ার সোসাইটির পক্ষে এক মাসের স্টে অর্ডার, রুল নিসি ও ডাইরেকশন প্রদান করেন। কিন্তু এরপরও ফার্মেসি কাউন্সিলসহ সংশ্লিষ্টরা কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করে বিষয়টি এড়িয়ে যেতে থাকে।
পরবর্তীতে ১৭ই জুন ২০২৫ তারিখে হাইকোর্ট মাননীয় বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও শাথিকা হোসাইন পুনরায় এক মাসের স্টে অর্ডার প্রদান করেন। তবুও ফার্মেসি কাউন্সিল কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় ২৭শে জুলাই ২০২৫ তারিখে হাইকোর্ট ডিভিশনের মাননীয় বিচারপতি ফাতেমা নাজিব ও মোঃ হামিদুর রহমান কর্তৃক ছয় মাসের স্টে অর্ডার প্রদান করা হয়, যা ২৬শে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত বলবৎ ছিল।
এই সময়ের মধ্যেও ফার্মেসি কাউন্সিল আরএমপি ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সঙ্গে কোনো প্রকার সমঝোতা করেনি। বরং ৪ই ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল ও বিসিডিএস (BCDS) যৌথভাবে আরএমপি ওয়েলফেয়ার সোসাইটির স্টে অর্ডার ভেকেট
(বাতিল) করার আবেদন করে।
উক্ত ভেকেট আবেদনটি হাইকোর্ট ডিভিশনের মাননীয় বিচারপতি ফাতেমা নাজিব ও ফাতেমা আনোয়ার খারিজ করে দেন এবং রুল শুনানির নির্দেশ প্রদান করেন।
এরপরও ফার্মেসি কাউন্সিল ও বিসিডিএস আরএমপি ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সঙ্গে কোনো সমঝোতায় না আসায় ১৩ই জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে আরএমপি ওয়েলফেয়ার সোসাইটি পুনরায় মহামান্য হাইকোর্টে স্টে অর্ডারের আবেদন করে।
এর প্রেক্ষিতে মাননীয় বিচারপতি ফাতেমা নাজিব ও এএফএম সাইফুল করিম আরএমপি ওয়েলফেয়ার সোসাইটির পক্ষে ছয় মাসের স্টে অর্ডার প্রদান করেন, যা ১৪-০৭-২০২৬ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
সমাধান
বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল যদি আরএমপি ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সঙ্গে সমঝোতায় আসে, তাহলে ৬৪তম ব্যাচের ক্লাস শুরু করা সম্ভব হবে।
উপসংহার
ফার্মেসি কাউন্সিল ও বিসিডিএসের একঘেয়েমি ও গড়িমসিই মূলত ৬৪তম ব্যাচের ক্লাস শুরু না হওয়ার জন্য দায়ী।