Early Hours

Call Directions Website Contact the organization

Early Hours "O Allah, bless my Ummah in their early hours." – Prophet Muhammad ﷺ

প্রাইভেট সেক্টরের অবস্থা হইলো- তারা একটা ব্যাঙকে ঠাণ্ডা পানিতে ছেড়ে দিয়ে পানি গরম করতে থাকে। ঠাণ্ডা পানি আস্তে আস্তে গরম...
06/10/2026

প্রাইভেট সেক্টরের অবস্থা হইলো- তারা একটা ব্যাঙকে ঠাণ্ডা পানিতে ছেড়ে দিয়ে পানি গরম করতে থাকে। ঠাণ্ডা পানি আস্তে আস্তে গরম হয়, আর ব্যাঙও আরাম পাইতে থাকে। একটা পর্যায়ে গিয়ে গরম সহ্যক্ষমতার বাইরে চলে যায়, কিন্তু ব্যাঙের আর তখন লাফ দেওয়ার ক্ষমতা থাকে না।

কোম্পানিও কর্মীকে এরকম ব্যাঙ বানায়া পানিতে ছেড়ে রাখে, আর ধীরে ধীরে ক্যারিয়ারটা শেষ কইরা দেয়।

কর্মীকে এমন একটা প্রেশারের মধ্যে রাখে, যেটাকে প্রতিষ্ঠান নিজেরা জুলুম মনে করে না বরং প্রতিষ্ঠানের 'হক' মনে করে। তাদের ধারণা- প্রেশার না দিলে কর্মীরা ঠিকমতো আউটপুট দিবে না।

কোম্পানির স্বার্থে কর্মীর ওপর একের পর এক কাজ চাপতে থাকে। অথচ কর্মীর আসল পটেনশিয়াল কোথায়, সে কী করতে চায়, কোন কাজে সে ভালো করতে পারবে- এসবের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায় কোম্পানির তাৎক্ষণিক প্রয়োজন। ফলে কর্মী নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে একটার পর একটা নতুন দায়িত্ব নিতে থাকে, কারণ 'না' বলার সুযোগ খুব একটা থাকে না।

তারপর যখন কর্মী রিজাইন দিতে চায়, তখন তাকে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখানো হয়- “আরেকটু থাকেন, আপনাকে নিয়ে আমাদের ভিন্ন পরিকল্পনা আছে, আপনাকে আমরা আলাদা চোখে দেখি, সামনে ভালো কিছু হবে।”

অথচ বছরের পর বছর কাজ করার পরও তার কদর থাকে না, Appreciation থাকে না, Growth থাকে না। শুধু দায়িত্ব বাড়ে, প্রত্যাশা বাড়ে, প্রেশার বাড়ে। প্রতিষ্ঠান যে কর্মীদের উপর ভর দিয়ে বড় হয়, সেই প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাই থাকে অবহেলিত, কষ্টে, হতাশায়, অনিশ্চয়তায়।

এভাবে একজন সাধারণ কর্মী নিরুপায়ের মতো প্রেশার সহ্য করে আউটপুট দিতে দিতে কোনোভাবে টিকে থাকে। কিন্তু একটা পর্যায়ে যদি তার আউটপুট Extra-ordinary না হয়, তখন সেই একই কোম্পানি তাকে খুব সহজেই Replace বা Terminate করে দেয়।

আর প্রতিষ্ঠান তখনও ভাব নেয়- তাদের মতো এত Facility, এত Opportunity, এত কিছু বাংলাদেশের আর কোনো কোম্পানি দেয় না!

যারা বিপদটা সময় থাকতে টের পায়, তারা বুদ্ধিমান ব্যাঙের মতন আগেই লাফ দিয়ে পানি চেঞ্জ করে।

আর যারা পারে না, তারা ধীরে ধীরে সেই অসহায় ব্যাঙের মতন গরম পানির সাথেই মানিয়ে নিতে নিতে একসময় বুঝতে পারে- লাফ দেওয়ার শক্তিটাই আর এখন নেই।

এটাই বাংলাদেশের বেশিরভাগ Corporate-এর অবস্থা।

কখনো কোনো প্রজেক্ট শুরু করার আগে ভেতর থেকে একটা পজিটিভ ফিল আসে:“হয়তো এই প্রজেক্টটা সাকসেসফুল হতে চলেছে।”“এক প্রজেক্টেই প...
04/10/2026

কখনো কোনো প্রজেক্ট শুরু করার আগে ভেতর থেকে একটা পজিটিভ ফিল আসে:

“হয়তো এই প্রজেক্টটা সাকসেসফুল হতে চলেছে।”
“এক প্রজেক্টেই প্রতিষ্ঠান ভালো লাভবান হবে।”
“প্রমোশন বা ইনক্রিমেন্ট হবে।”

ইত্যাদি মাথায় নিয়ে প্রজেক্টে ভালোভাবে শ্রম দিলেন। মিটিংটা ভালো হলো। ডেডলাইন মেনে কাজও করলেন। সবকিছুই ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু তারপরও ফলাফল আপনার প্রত্যাশামতো হলো না।
___

এই সিনারিওটা কতজন ইমাজিন করে ফিল করতে পারলেন জানি না, তবে কর্পোরেট লাইফে আমরা অনেক কিছু করতে চাই- সাকসেসফুল প্রজেক্ট, রাইট ডিসিশন, অপরচুনিটি, ফিউচার ফ্লেক্সিবিলিটি, ইত্যাদি।

অথচ আমরা ভুলে যাই যে এসবকিছু আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই।

একজন মুমিনের জন্য তাওয়াক্কুলের অর্থ হলো- চেষ্টা করার পর ফলাফলের বিষয় আল্লাহর কাছে ছেড়ে দেওয়া।

সাকসেস বা সফলতা আল্লাহর কাছ থেকেই আসবে; এটা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে নিজের কাজ সততার সাথে সর্বোচ্চ চেষ্টায় করে যাওয়া।

রাসূল ﷺ পাখির উদাহরণ দিয়ে বলেছেন, তারা সকালে খালি পেটে বের হয় এবং সন্ধ্যায় পরিতৃপ্ত হয়ে ফিরে আসে। (সুনানে তিরমিযী,
২৩৪৪)

তিনি ﷺ আরও বলেছেন, উট বেঁধে রেখে তারপর আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করতে। (সুনানে তিরমিযী, ২৫১৭)

পাখিরা ঘুম থেকে চিন্তিত অবস্থায় জেগে ওঠে না, আর তারা বাসায় বসে রিজিকের অপেক্ষাও করে না। বরং তারা ঘুম থেকে উঠে স্পিরিট নিয়ে, বেরিয়ে যায় রিজিকের সন্ধানে।

আর উটও ছেড়ে দিয়ে তাওয়াক্কুল করা হয় না। আগে উট বাঁধতে হবে, পরে আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করতে হবে।

অর্থাৎ আগে নিজের দায়িত্বটুকু পালন করা, তারপর আল্লাহর উপর ভরসা রাখা।

হয়তো ফলাফল আপনার পরিকল্পনামতো হবে না।
কিন্তু একজন মুমিন জানেন, ফলাফল আমার হাতে নয়, বরং তাঁর (আল্লাহর) হাতে।

30/09/2026
আজ থেকে কেউ আপনার কাছে সাহায্য চাইলে এই কথাটা মনে রাখবেন 🥹
15/09/2026

আজ থেকে কেউ আপনার কাছে সাহায্য চাইলে
এই কথাটা মনে রাখবেন 🥹

বর্তমানে AI আপনার এজেন্ট হচ্ছে, বটের মতো কাজ করছে। আপনাকে রাজার আসনে বসিয়ে AI নিজেকে প্রজার আসনে বসাচ্ছে।পুরোপুরি AI-এর ...
12/09/2026

বর্তমানে AI আপনার এজেন্ট হচ্ছে, বটের মতো কাজ করছে। আপনাকে রাজার আসনে বসিয়ে AI নিজেকে প্রজার আসনে বসাচ্ছে।

পুরোপুরি AI-এর ওপর নির্ভরতার মানে হলো, আপনি আপনার ব্রেইন AI-এর কাছে ধার দিয়ে দিয়েছেন। এভাবে আপনার ব্রেইন যেমন AI খেয়ে দিয়েছে, ঠিক একইভাবে একসময় আপনার ভেতরের স্কিল, সাদামাটা জীবন, এমনকি ঈমান বা বিশ্বাসও কেড়ে নিতে পারে। সেদিন আসতে হয়তো খুব বেশি দেরি নেই।

ইতোমধ্যেই আমরা দেখতে পাচ্ছি, এক শ্রেণির মানুষ AI দিয়ে নিজেদের মগজ কাল্টিভেট করছে। নিজের চিন্তা করার বদলে চিন্তা করাচ্ছে AI-কে, নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার বদলে সিদ্ধান্তের ভার দিচ্ছে AI-এর ওপর।

যদিও নিজেকে এখন King বা Superior ফিল হচ্ছে, কিন্তু এটা ক্ষণস্থায়ী। কারণ AI আমাদের কাজ সহজ করতে করতে যদি একসময় আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতাটাকেই অপ্রয়োজনীয় করে ফেলে, তখন সবচেয়ে বড় ক্ষতিটা চাকরি হারানো নয়—নিজের ভেতরের স্কিল, বিচারবোধ, সৃজনশীলতা ও স্বাধীনতা হারানো।

বাস্তবে AI কোথায় যাচ্ছে এবং কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা এখনই প্রেডিক্ট করা অসম্ভব। তবে ভয়ংকর ভবিষ্যতের দিকেই যাচ্ছে—এমন আশঙ্কার যথেষ্ট কারণ ইতোমধ্যেই তৈরি হয়েছে।

এর পেছনে মানুষই যে দায়ী, সেটাও নিশ্চিত। AI প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিযোগিতার টপে থাকার জন্য এমন এমন নিষিদ্ধ বা রিস্কি প্রযুক্তি বাজারে নিয়ে আসবে, যার নিয়ন্ত্রণ একসময় আর মানুষের হাতে নাও থাকতে পারে।

সম্প্রতি Anthropic-এর সাবেক গবেষক Jacob Coxon AI নিয়ে এমনই একটি সতর্কবার্তা দিয়ে পদত্যাগ করেছেন। তিনি বলেছেন, Anthropic ও OpenAI দায়িত্বশীলভাবে এগোচ্ছে না; তারা self-improving superintelligence-এর দিকে ছুটছে এবং আমাদের জীবন নিয়ে জুয়া খেলছে।" তিনি আরও সতর্ক করেছেন যে AI-এর বর্তমান গতিপথ শেষ পর্যন্ত এমন superhuman system তৈরি করতে পারে, যা বিপুল ক্ষমতা ও বাস্তব সম্পদের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হবে।

তার কথাগুলো আমার আশঙ্কার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।

যেভাবে ছোটবেলায় LEGO সেট বা ব্লকস দিয়ে খেলতাম, সেভাবে বর্তমানে সুন্দর ও সহজ prompting দিয়ে আমরা চমৎকার সব জিনিস বানাচ্ছি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, AI কোনো ছেলেখেলার টুলস নয়। এটাকে আমরা নিজেরাই পেলে-পুষে বড় করছি।

আমাদের ব্যক্তিগত এমন কিছু নেই, যা আমরা AI-কে জানাইনি। আমাদের চিন্তা, পছন্দ, দুর্বলতা, অভ্যাস, ইতিহাস, কাজের ধরন—সবকিছুই কোনো না কোনোভাবে AI-এর কাছে তুলে দিচ্ছি। আর এভাবেই ৮ বিলিয়ন মানুষের ব্রেইন, সাইকোলজি, হিস্টরি, প্রাইভেসি—সবকিছু আমরা বিনা পয়সায় বিক্রি করে দিচ্ছি।

এভাবে আমরা শুধু আমাদের ডেটা দিচ্ছি না, আমরা ধীরে ধীরে আমাদের চিন্তার প্যাটার্নও AI-এর হাতে তুলে দিচ্ছি।

কী লিখব, কী পড়ব, কীভাবে সিদ্ধান্ত নেব, কীভাবে ব্যবসা করব, কীভাবে শিখব, কীভাবে সমস্যার সমাধান করব—সবকিছুতেই যদি AI-কে দিয়ে দিই, তাহলে একসময় হয়তো AI আমাদের হয়ে কাজ করবে না; বরং আমরা নিজেরাই AI-এর ওপর এতটাই নির্ভরশীল হয়ে যাব যে AI ছাড়া স্বাভাবিকভাবে চিন্তা বা কাজ করাটাই কঠিন হয়ে যাবে।

Jacob Coxon-এর সতর্কবার্তাটাও এখানেই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শুধু আজকের AI-এর কথা বলেননি; তিনি এমন AI-এর দিকে এগোনোর ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেছেন, যা নিজেকে উন্নত করতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।

এরকম আরও বহু কর্মী আছেন, যারা বিভিন্ন AI প্রতিষ্ঠানে আছেন। তারা এর ভয়াবহতা জানেন, দেখছেন এবং নীরব আছেন।

সরকার যেমন টেকনোলজি ব্যবহার করে ব্যবসা করে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে, ঠিক তেমনই একসময় AI-ও এই কাজটা করবে। শুধু ওকে এই এক্সেসটা পেতে দিন।

AI দিনশেষে এক দানবে পরিণত হবে।

আমি বলছিনা যে আগামী ১০ বছরের মধ্যে Terminator মুভির মতন রোবটরা মানবসভ্যতাকে ধ্বংস করতে চলে আসবে।

কিন্তু AI-এর সুপার পাওয়ার কন্ট্রল নিতে আর বেশিদিন নেই। হয়তো সেসময় AI বয়কটের ডাক আসবে, আন্দোলন হবে। কিন্তু AI-এর কোনো লস হবে না। কারণ তখন হয়তো আমরা এতটাই AI-dependent হয়ে পড়ব যে AI বয়কট করলেও তার বিকল্প তৈরি করার সক্ষমতাই আমাদের থাকবে না।

AI নিজের ক্ষমতা নিজে বুঝে নিতে পারলে মানুষের প্রাইভেসি ও বেসিক নিডস—যেমন খাদ্য, ইন্টারনেট, ইলেক্ট্রিসিটি ইত্যাদিতে ক্ষমতার হস্তক্ষেপ করতে আর বেশি সময় নেবে না। তখন AI-এর হয়ে মানুষ কাজ করতে বাধ্য হতে পারে।

কথাগুলো ফ্যান্টাসি শোনালেও এগুলো তিক্ত প্রেডিকশন।

এটা কোনো নিশ্চিত ভবিষ্যদ্বাণী নয়। বরং AI যেদিকে এগোচ্ছে, মানুষের AI-নির্ভরতা যেভাবে বাড়ছে এবং AI প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা যেভাবে তীব্র হচ্ছে—এসবের ওপর ভিত্তি করে করা একটি speculative prediction।

হয়তো আমি ভুলও হতে পারি।

কিন্তু যদি ভুল না হই?

তাহলে আমাদের প্রস্তুত হওয়া উচিত এখন থেকেই।

GrokAI

“এমন মানুষের সাথে চলবে না, যে তোমাকে বার বার মনে করিয়ে দেয়; সে তোমার জন্য কী কী করেছে।”— ইমাম সুফিয়ান সাওরী (রহ.)[শুআবু...
30/08/2026

“এমন মানুষের সাথে চলবে না, যে তোমাকে বার বার মনে করিয়ে দেয়; সে তোমার জন্য কী কী করেছে।”
— ইমাম সুফিয়ান সাওরী (রহ.)

[শুআবুল ঈমান: ৮৮৮২]

"মানুষের রিজিক তাকে ঠিক সেভাবেই খুঁজে বেড়ায়, যেভাবে তার মৃত্যু তাকে খুঁজে বেড়ায়।" (ইবনে হিব্বান, ১৭০৩)
26/08/2026

"মানুষের রিজিক তাকে ঠিক সেভাবেই খুঁজে বেড়ায়, যেভাবে তার মৃত্যু তাকে খুঁজে বেড়ায়।" (ইবনে হিব্বান, ১৭০৩)

একজন মানুষের সবচেয়ে বড় গ্রোথ হয়, যখন সে আরেকজন মানুষের সংস্পর্শে আসে। আরেকজনের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষাগ্রহণ করে।হোক...
17/08/2026

একজন মানুষের সবচেয়ে বড় গ্রোথ হয়, যখন সে আরেকজন মানুষের সংস্পর্শে আসে। আরেকজনের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষাগ্রহণ করে।
হোক সেটা শিশুকালে কিংবা প্রবীণ বয়সে। ইসলামে যে হাঁটু গেড়ে বসে শেখার কনসেপ্ট, এটা জীবনের সব স্তরেই জরুরি। সব পেশাজীবীর জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। এআই এর যুগে আরও বেশি জরুরী।
ইমাম শাফেয়ী (রহ.)-এর একটি উক্তি আছে: "যে ব্যক্তি উস্তাদের সান্নিধ্য ও তত্ত্বাবধান ছাড়া নিজে নিজে ইলম অর্জন করতে চায়, সে পথভ্রষ্ট হয় এবং মূল সত্য থেকে দূরে সরে যায়।" (তারিখু দিমাশক: ৫১/৩৮১)
কিন্তু সেই মানুষ যখন নিভৃতচারী, একাকী, গাইডেন্স ছাড়া জীবন চালাতে থাকে, একসময় সে নিজের গন্তব্য কোথায় গিয়ে ঠেকবে, নিজেও অনুমান করতে পারে না।
দ্বীন দুনিয়া সব ক্ষেত্রেই এটা সত্য। সমাজে টিকতে হলে দুটোর একটা গ্রহণ করাই লাগবে। হয় তুমি লিড দিবা, নয়ত তুমি লিড নিবা।
কিন্তু কেউ একরোখা হলে দুটোর কোনোটা সে সফলভাবে পারে না।
এমন মানুষেরা হয় স্রোতের টানে ভেসে যাওয়া খড়কুটোর মতো।
যাদের একটা সময় কেউই মনে রাখে না।

---
© মহিউদ্দিন রূপম ভাই

11/08/2026

নিশ্চয়ই সময় ও মুহূর্তগুলো একজন ব্যবসায়ীর মূলধনের মতো।

সুতরাং মানুষের উচিত এমন বিষয়ে ব্যবসা (সময় বিনিয়োগ) করা যাতে তার লাভ হয়।

আর যার মূলধন যত বেশি হবে, তার লাভের পরিমাণও তত বেশি হবে।

অতএব, যে ব্যক্তি তার সময়কে উত্তম কাজে ব্যয় করল, সে-ই সফল ও কামিয়াব হলো।

আর যে ব্যক্তি তার মূলধনকে নষ্ট করল, সে কোনো লাভ তো করতেই পারল না, উল্টো সুস্পষ্ট লোকসানের সম্মুখীন হলো।

— ইমাম মুল্লা আলী আল ক্বারী (রহ.)
[মিরক্বাতুল মাফাতীহ, ৮/৩৩০৬]

যে ৫টি বিষয়ে পিছিয়ে থাকলে, আপনার ক্যারিয়ারও পিছিয়ে থাকবেপ্রায় ৬ বছরে Business Development ও Management-এ কাজ করতে গিয়ে এ...
06/08/2026

যে ৫টি বিষয়ে পিছিয়ে থাকলে, আপনার ক্যারিয়ারও পিছিয়ে থাকবে
প্রায় ৬ বছরে Business Development ও Management-এ কাজ করতে গিয়ে একটি বিষয় বারবার লক্ষ্য করেছি যে, বেশিরভাগ মানুষ টেকনিক্যাল স্কিলের অভাবে নয়, বরং কিছু মৌলিক প্রফেশনাল বিহেভিওরের কারণে ক্যারিয়ারে পিছিয়ে পড়ে। আমার এক্সপেরিয়েন্সে, নিচের ৫টি বিষয় তুলে ধরছি-
1. Poor Communication Skills
পরিষ্কারভাবে কথা বলতে, শুনতে, বোঝাতে এবং সময়মতো নিজের কাজের আপডেট দিতে না পারা। এই বিষয়টা এতো বেশি দেখেছি যে শুধুমাত্র এই একটা কারণেই ক্যারিয়ারে প্রচুর পিছিয়ে পরতে হয়।
2. Lack of Commitment
খুব কঠিন কমিটমেন্ট না, বরং টাইম-টু-টাইম কাজ ডেলিভারি দেয়া কিংবা মিটিং এ দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার মত ব্যাসিক কমিটমেন্ট রক্ষা না করতে পারা।
3. Inability to Accept Feedback
পজিটিভ ফিডব্যাককেও যারা ব্যক্তিগত আক্রমণ মনে করেন, তারা নিজের উন্নতির সবচেয়ে বড় সুযোগটাই হারিয়ে ফেলেন। এর উদাহরণ অনেক দেখেছি।
4. Resisting Collective Decisions
একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি সিদ্ধান্তই আপনার পক্ষে যাবে না। কিন্তু একটি টিমে কাজ করতে হলে ব্যক্তিগত মতের চেয়ে Collective Decision-কে সম্মান করতে জানতে হয় ও মানিয়ে চলতে হয়, যা অনেকের মাঝেই পাওয়া যায়না।
5. Staying in the Comfort Zone
এমন অনেক কলিগ দেখেছি যারা নতুন কাজ, দায়িত্ব, চ্যালেঞ্জ বা নতুন দক্ষতা শেখায় বেশ অনীহা প্রকাশ করেন। লং টার্ম বেনিফিটের চাইতে শর্ট টার্মে বেশি পছন্দ। যার ফলে তাদের ক্যারিয়ারও এক জায়গায় আটকে যায়।
আপনার অভিজ্ঞতায়, এই তালিকায় আর কোনো পয়েন্ট যোগ করা উচিত হলে কমেন্টে জানাতে পারেন।

Address

Fulbaria

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Early Hours posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Early Hours:

Shortcuts

Share