27/05/2026
পবিত্র ঈদুল আযহা আমাদের শেখায় ত্যাগ, সহমর্মিতা ও মানবতার মহান শিক্ষা। কুরবানির পশুর মাধ্যমে শুধু ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতাই নয়, বরং ত্যাগের সংস্কৃতি চর্চার মধ্য দিয়ে সমাজে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও দায়িত্ববোধ গড়ে ওঠে। একইসাথে আমাদের সবার উচিত কুরবানির পশুর বর্জ্য সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করা। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলা, দ্রুত পরিষ্কার করা এবং পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা আমাদের নাগরিক দায়িত্ব।
আসুন, ত্যাগের মহিমার পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন ও সচেতন সমাজ গড়তেও একসাথে কাজ করি।