Wafi Social Organization

Wafi Social Organization ওয়াফি সোশ্যাল অর্গানাইজেশন (WSO) অলাভজনক, অরাজনৈতিক ও মানবকল্যাণে নিবেদিত শিক্ষা, দাওয়াহ্ ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান।

26/10/2025

আসসালামু আলাইকুম, আপনারা অবগত আছেন আমরা ( Wafi Social Organization) একটি মাদরাসার নির্মাণ কাজ হতে নিয়েছি, দুঃখের বিষয় ১৫০০০০/- টার্গেট থাকলেও আমরা এখনো ২০০০০ এর ঘর ফেরুতে পারিনা, আপনাদের একান্ত সহযোগিতা কামনা করি।

২০২৪ এর বন্যায়।
27/09/2025

২০২৪ এর বন্যায়।

30/08/2025

একটি মাদরাসা নির্মাণে "ওয়াফি সোশ্যাল অর্গানাইজেশান" ৩০,০০০/- টাকা অনুদান দিয়েছে। মাদরাসাটির কাজ সম্পূর্ণ হতে আরো ১৫০০০০/- টাকা প্রয়োজন এতে আপনাদের সহযোগিতা কামনা করি।

সহযোগিতা করতে যোগাযোগ করুন : রাশেদ হোসেন ইমতিয়াজ এই আইডিতে অথবা 01785-542245 এই হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে।

25/10/2024
25/08/2024

আসসালামু আলাইকুম। 💗

13/04/2024

নিশ্চয় যারা বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে তাদের অভ্যর্থনার জন্য আছে ফিরদাউস বেহেশ্ত।

সূরা : আল কাহাফ,আয়াত : ১০৭

10/01/2024

আমাদের জীবনে একে অপরের ভালোবাসা বিভিন্ন ভাবে জড়িয়ে আছে ।
সেটা সালাম, মুসাফা, মুয়ানাকার মাধ্যমেও হতে পারে ।
হতে পারে একে অপরকে হাদিয়ার
প্রদান করার মাধ্যমে ।

হাদিয়া আদান প্রদান এর মাধ্যমে এক অপরের মাঝে ভালোবাসা গভীর হয় ।
এবং হাদিয়ার দেওয়ার মাধ্যমে বুঝানো হয় সে আপনার কাছে খুবই ভালোবাসার ও কাছের একজন মানুৃষ ।

হাদিয়া বন্ধু-বান্ধবকে দেয়া হলে সেটা হয় মহব্বত-ভালোবাসা বৃদ্ধির মাধ্যম। অভাবগ্রস্ত ব্যক্তিকে দেয়া হলে খেদমত করার মাধ্যমে তার মনতুষ্টি অর্জন হয়। আর কোনো বুজুর্গ আল্লাহওয়ালা সম্মানিত ব্যক্তিকে দেয়া হলে সেটা হবে তার সম্মানের জন্য।

অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হল, সমাজজীবনে পারস্পরিক একনিষ্ঠতাপূর্ণ লেন-দেনের প্রচলন খুবই কমে গেছে। কিছু কিছু বিশেষ মহলে বুজুর্গ, আলেম, পীরদেরকে হাদিয়া দেয়ার প্রচলন কিছুটা আছে। কিন্তু আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশীদেরকে হাদিয়া পাঠানোর প্রচলন প্রায় শূন্যের কোঠায়।

হাদিয়ার ফজিলত সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন
‘যারা তাদের সম্পদ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ব্যয় করে, অতঃপর খোটা বা তুলনা দিয়ে এবং কষ্ট দিয়ে তার অনুগমন করে না। তাদের জন্য রবের কাছে রয়েছে তাদের বিনিময়, তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবে না।’
সূরা বাকারা, আয়াত : ২৬২

হাদিয়া ভালোবাসা বৃদ্ধির মাধ্যম

নবীজি (সা.) বলেন, ‘রাসূল (সা.) বলেন, ‘তোমরা পরস্পর হাদিয়া আদান-প্রদান কর, তাহলে মহব্বত বৃদ্ধি পাবে।’
আল আদাবুল মুফরাদ, হাদিস : ৫৯৪

কারো হাদিয়াকে ছোট করে দেওতেও রাসুল সা. নিষেধ করেছেন
যেমন রাসুল সা. বলেছেন হে মুসলিম নারীগণ! কোন মহিলা প্রতিবেশিনী যেন অপর মহিলা প্রতিবেশিনীর হাদিয়া তুচ্ছ মনে না করে, এমনকি তা ছাগলের সামান্য গোশতযুক্ত হাড় হলেও।
সহিহ বুখারী, হাদিস নং ২৫৬৬

হিংসা দূর করার উপায় হাদিয়া
রাসূল (সা.) বলেন, ‘তোমরা পরস্পরে হাদিয়া বিনিময় কর এর দ্বারা অন্তরের সঙ্কীর্ণতা ও হিংসা দূর হয়ে যায়।’
মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ৯২৫০

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা পরস্পর মুসাফাহা (কর মর্দন) কর, তা হলে তোমাদের মধ্যকার শত্রুতা দূর হয়ে যাবে। পরস্পর হাদিয়া তোহ্ফা আদান-প্রদান কর, তা হলে পরস্পর ভালবাসা সৃষ্টি হবে এবং বিদ্বেষ দূর হয়ে যাবে।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হাদিস নং ১৬২৭

হাদিয়া নিয়ে লিখা ইতি টানছি
এখানেই ।
আর হে, এই গুনাহগার এর পক্ষ্য থেকে এই লিখাটাও আপনাদের
জন্য হাদিয়া ।

-আমিরুল ইসলাম

06/01/2024

“তোমরা মুহাম্মদী না হানাফী”? এই প্রশ্নটি কি যৌক্তিক? না হাস্যকর?

গোটা পৃথিবীর মুসলিম এলাকায় মুসলমানদের মাঝে বিভ্রান্তি-কোন্দল সৃষ্টি করার জন্য একদল মুসলমানদের ঘরে ঘরে, এলাকায় এলাকায়, মসজিদে মসজিদে গিয়ে বলছে-“তোমরা মুহাম্মদী না হানাফী?”
সাহাবায়ে কিরামের মাঝে এ ব্যাপারে ঐক্যমত্ব ছিল যে, হযরত আবু বকর সিদ্দীক রদ্বিয়াল্লাহু আনহু সবচেয়ে উত্তম ছিলেন। এজন্য কাউকে আবু বকরী বলা হয়না। তারপর হযরত ওমর রদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর ব্যাপারেও কোন মতভেদ ছিলনা। এজন্য কাউকে ওমরী বলা হয়না। হযরত উসমান রদ্বিয়াল্লাহু আনহু এবং হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর ব্যাপারে কিছু ইখতিলাফ ছিল।
জমহুর সাহাবীরা হযরত উসমান রদ্বিয়াল্লাহু আনহু-কে হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে উত্তম বলতেন। স্বাতন্ত্রতার জন্য হযরত উসমানকে উত্তম বলনেওয়ালাদের উসমানী বলা হয়। আর আলীকে উত্তম বলনেওয়ালাদের আলিয়ী বলা হয়।
কিছু তাবেয়ীকে উসমানী এবং আলিয়ী বলার বর্ণনা বুখারী শরীফের ১ নং খন্ডের ৪৩৩ নং পৃষ্টায় আছে।
কুরআনে পাকের ক্বিরাতের মাঝে যখন ইখতিলাফ হয় তখন স্বাতন্ত্রতার জন্য ক্বারী আসেম রহিমাহুল্লাহ এর ক্বিরাত এবং ইমাম হামযাহ রহিমাহুল্লাহ এর ক্বিরাত রাখা হল। এটাকে কেউতো এই উদ্দেশ্য নেয়নি যে, এটা আল্লাহর কুরআন নয়, বরং ক্বারী আসেমের বানানো! হাদিসের মাঝে মতভেদ হলে বলা হয় এটা আবু দাউদের হাদিস আর এটা বুখারীর হাদিস। এই কথার উপরও কেউ কুফরীর নিসবত করেনাতো!

ঠিক এমনি হাল ফিক্বহী বিষয়ে মতভেদের সময় ‘হানাফী” আর “শাফেয়ী” বলাটা। আমরা ঈসায়ীদের বিপরীতে নিজেকে মুসলমান বলি। আহলে বিদআতি খারেজী মুতাজিলীদের বিপরীতে নিজেদের আহলে সুন্নাত বলি। আর শাফেয়ীদের বিপরীতে নিজেদের হানাফী বলি।
যেমন আমরা ভারতীয়দের বিপরীতে নিজেদের বাংলাদেশী বলি। গাজীপুরের বিপরীতে এসে বলি নরসিংদী। নরসিংদী, গাজীপুরী, বাংলাদেশীকে মেনে বলা হয়, ছেড়ে নয়।

আসলে তাদের এই প্রশ্নটিই একটা ধোঁকাবাজি। এরকম প্রশ্ন ফাইজলামী ছাড়া কিছু নয় যে, আজ শনিবার নাকি ৫ তারিখ? আজ নভেম্বর নাকি রবিবার? প্রশ্ন হবে আজ শনিবার নাকি রবিবার? আজ নভেম্বর নাকি ডিসেম্বর? সুতরাং এক্ষেত্রেও প্রশ্ন হবে-“তুমি মুহাম্মদী না ঈসায়ী? তুমি হানাফী না শাফেয়ী?” কিন্তু একথা বলা ভুল এবং হাস্যকর যে, “তুমি পাকিস্তানী না পাঞ্জাবী? আজ নভেম্বর না শনিবার? তুমি হানাফী না মুহাম্মদী?”

সংগৃহীত

26/12/2023

31 night থেকে ইমান রক্ষা করুণ।

Address

BSCIC Industrial Area
Feni
3900

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Wafi Social Organization posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share