ছাত্রশিবির ফেনী শহর

Directions Website Contact the organization

ছাত্রশিবির ফেনী শহর সম্মানিত সুধী! বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ফেনী শহর শাখার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে আপনাকে স্বাগত!

মানুষের পরিচয়
আমরা মানুষ, আশরাফুল মাখলুকাত তথা সৃষ্টির সেরা জীব। মহান আল্লাহ অসংখ্য ছোট-বড় সৃষ্টির মধ্যে মানুষকে সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। সব সৃষ্টিকেই তিনি একটি নিয়মের অধীনস্থ করে দিয়েছেন। কিন্তু মানুষকে তিনি ইচ্ছার স্বাধীনতা দিয়েছেন। মানুষ যা চায় তাই করতে পারে। এ স্বাধীনতা দেয়ার সাথে সাথে তিনি মানুষকে করেছেন তাঁর খলিফা বা প্রতিনিধি। মানুষ সৃষ্টির আগে তিনি ফেরেশতাদের ডেকে বলেন, “আমি পৃথিবীতে আমার খলিফা বা প্রতিনিধি প্রেরণ করব।” (সূরা আল বাকারা-৩০) খলিফার কাজ হচ্ছে মনিবের প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করা এবং পরে প্রতিনিধি হিসেবে তাঁরই কাছে জবাবদিহি করা।

জীবন বিধান ইসলাম
আল্লাহ মানুষকে দুনিয়ায় পাঠালেন। সাথে দিলেন তাঁর পক্ষ থেকে হেদায়াত। মানুষ যখনই তাঁর দেয়া হেদায়াত ভুলে পথভ্রষ্ট হয়েছে তখনই আল্লাহ পাঠিয়েছেন নবী বা রাসূল। সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ (সা); তিনি খাতামুন্নাবিয়্যিন, সাইয়্যেদুল মুরসালিন। তাঁর পরে আর কোন নবী আসবে না। তিনি মানুষের কাছে নিয়ে এসেছেন হেদায়াত গ্রন্থ আল-কুরআন। আল্লাহর মনোনীত একমাত্র জীবনব্যবস্থা ইসলামকে তাঁর মাধ্যমে পরিপূর্ণতা দান করা হয়েছে। আল্লাহ বলেন, “আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম এবং আমার নেয়ামত পূর্ণ করলাম।” (সূরা আল মায়েদা-৩)

মুসলমানের পরিচয়
ইসলাম অর্থ আত্মসমর্পণ করা। তাই মানুষের মধ্যে যারা ইসলাম কবুল করে বা আল্লাহর কাছে সম্পূর্ণরূপে আত্মসমর্পণ করে তাদের বলা হয় ‘মুসলিম'। কেবল মুসলমানের ঘরে জন্ম নিলেই কেউ মুসলমান হয় না, যতক্ষণ না সে ঈমান আনে ও ইসলামের বিধি-বিধান মেনে চলে। আবার কাফের মুশরিকদের ঘরে জন্ম নিয়েও কেউ যদি ঈমান আনে এবং ইসলামের বিধি-বিধান মেনে চলে তবে সেও মুসলিম হিসেবে গণ্য হয়। মানুষের মধ্যে মুসলিমরা সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি। কুরআনের ভাষায়, “তোমরাই হলে সর্বোত্তম জাতি, মানবজাতির কল্যাণের জন্যই তোমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে। তোমরা সৎকাজের নির্দেশ দান করবে ও অন্যায় কাজে বাধা দেবে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে।" (সূরা আলে ইমরান-১১০) অন্য স্থানে বলা হয়েছে, “তোমাদেরকে মধ্যমপন্থি জাতি হিসেবে সৃষ্টি করা হয়েছে, যেন তোমরা মানুষের জন্য সত্যের সাক্ষ্য হতে পারো।” (সূরা আল বাকারা-১৪৩)

কিন্তু
আজ মানুষ ভুলে গেছে তার পরিচয়। মুসলমান বিস্মৃত হয়েছে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য। ফলে জলে-স্থলে সর্বত্র চলছে অনাচার, অবিচার ও অশান্তির প্রবলস্রোত। মানুষে মানুষে চলছে হানাহানি, কাটাকাটি ও হিংসা-বিদ্বেষ। অসংখ্য বনি আদম অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান ও চিকিৎসার অভাবে ধুঁকে ধুঁকে মরছে। মানবরচিত বিভিন্ন মতবাদ যেমন সমাজতন্ত্র, বস্তুবাদ, সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদ, নাস্তিক্যবাদ ও ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের ধ্বজাধারীদের অসারতা এবং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় তাদের চরম ব্যর্থতা সকলের সামনে আজ দিবালোকের মতো ফুটে উঠেছে। পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থার কারণে শোষণ ও বৈষম্য প্রকট আকার ধারণ করেছে। রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে চলছে সভ্যতা বিধ্বংসী মারণাস্ত্রের প্রতিযোগিতা। যাদের মুখে শোনা যায় শান্তি ও মানবাধিকার রক্ষার অমিয় বাণী তারাই দেশে দেশে চালাচ্ছে আগ্রাসন এবং ধ্বংসযজ্ঞ। নির্যাতিত ও নিপীড়িত অসহায় মানুষ আল্লাহর নিকট ফরিয়াদ করছে মুক্তির জন্য। মুসলমানদের অবস্থাতো আরো করুণ; ফিলিস্তিন, কাশ্মির, মিয়ানমার, আফগানিস্তান, ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে মুসলমানদের রক্ত নিয়ে হোলি খেলছে ইসলাম বিদ্বেষী শক্তি। দিকে দিকে মুসলমানদের উপর চলছে ইসলাম বিরোধী শক্তির নিষ্ঠুর নিধন অভিযান। এ ব্যাপারে মুসলমানদের কোন ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা নেই, নেই কোন কার্যকর পদক্ষেপ। তাই মুসলমানদের বিরুদ্ধে দিন-দিন ষড়যন্ত্র তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। যদিও দেশে দেশে ইসলামী পুনর্জাগরণ আন্দোলন আশার নবদিগন্ত উন্মোচন করছে।

একদিন
সব মানুষকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। ফিরে যেতে হবে মহান আল্লাহর কাছে। কিয়ামতের প্রবল প্রলয়ে সমস্ত কিছু ধ্বংসের পর মানুষের ভাল-মন্দের বিচারের সময় এসে যাবে। সেদিন অবশ্যই সকলকে দুনিয়ায় থাকা অবস্থায় তার ভূমিকা ও কাজ সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে। সেদিন যাদের ভাল কাজের পরিমাণ বেশি হবে তারাই মুক্তি পাবে, পুরস্কার হিসেবে পাবে চির শান্তির জান্নাত। আর যাদের মন্দ কাজের পাল্লা ভারী হবে, তারা পাবে অবর্ণনীয় আজাবে ভরপুর চির দুঃখের জাহান্নাম। আল্লাহ তায়ালা বলেন, “তারপর যার (ভালো কাজের) পাল্লা ভারী হবে, সে মনের মতো সুখী জীবন লাভ করবে। আর যার (ভালো কাজের) পাল্লা হালকা হবে, তার আবাস হবে গভীর খাদ। আর তুমি কি জানো সেটি কি? (সেটি) জ্বলন্ত আগুন।” সূরা আল কারিয়া (৬-১১)

তাই
জাহান্নামের কঠিন আজাব থেকে মুক্তি এবং চিরস্থায়ী জান্নাত লাভের পথনির্দেশনা আল্লাহ নিজেই দিয়েছেন। তাঁর কালামের ভাষায়, “তোমরা আল্লাহর রাস্তায় জান ও মাল দিয়ে সংগ্রাম কর। এটিই হবে তোমাদের জন্য কল্যাণকার, যদি তোমরা বুঝ। তোমাদের গুনাহ ক্ষমা করা হবে, আর তোমাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে; যার তলদেশে আছে ঝর্ণাধারা।” (সূরা আস সফঃ ১১-১২)

সুতরাং
আজকের এই অবস্থায় আমাদের উচিত ইসলাম সম্পর্কে জানা, কুরআন-হাদিস পড়া, মানুষের মুক্তির জন্য আল্লাহর পথে প্রাণান্তকর চেষ্টা চালানো এবং সৎ কাজের আদেশ দেয়া ও অসৎ কাজ হতে বিরত রাখা। কিন্তু এ কাজটি একা একা করা যায় না। এজন্য প্রয়োজন সংঘবদ্ধ প্রচেষ্টা। আল্লাহ বলেন, “তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে সুদৃঢ়ভাবে ধারণ কর: পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না।” (সূরা আলে ইমরান-১০৩) হযরত উমর (রা.) তাই বলেছেন, “সংগঠন ছাড়া ইসলাম হয় না।”

আমাদের দেশের অবস্থা বড়ই নাজুক। দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ এখনও দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাস করছে। মানুষের জীবনে নেই কোন নিরাপত্তা, নেই সুখ, নেই শান্তি, নেই কোন আদর্শের ছবি। আমাদের শিশু কিশোররা গড়ে উঠছে সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ও অনৈতিকতার মধ্য দিয়ে। দুর্নীতি, দুঃশাসন ও মাদকের কালো থাবায় জাতি আজ জর্জরিত। সেক্যুলার ও নৈতিকতা বিবর্জিত শিক্ষাব্যবস্থা জাতিকে নিয়ে যাচ্ছে এক অনিশ্চয়তার দিকে। এ অবস্থা চলতে দিলে জাতির ভবিষ্যৎ গাঢ় অন্ধকারময়। এর হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য প্রয়োজন একদল সচেতন লোকের। তাই মানুষকে আল্লাহর পথে ডাকার জন্য, দেশের তরুণ ছাত্রসমাজকে সৎ, দক্ষ, দেশপ্রেমিক ও আদর্শ চরিত্রবানরূপে গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে ইসলামী সমাজ বিনির্মাণের মহান লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তরুণ ও মেধাবী ছাত্রদের সংগঠন- বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস | ২৮ অক্টোবর ২০০৬, আওয়ামী নৃশংসতা ও ফ্যাসিবাদের উত্থানের দিন। এদিন রাজধানীর পল্টনে আওয়ামী সন্ত্রাস...
26/10/2026

পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস | ২৮ অক্টোবর ২০০৬, আওয়ামী নৃশংসতা ও ফ্যাসিবাদের উত্থানের দিন। এদিন রাজধানীর পল্টনে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের লগি-বৈঠার তাণ্ডবে রচিত হয় মানবসভ্যতার ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক অধ্যায়।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির নিম্নোক্ত কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

কর্মসূচিসমূহ:

🔸 ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন।

🔸 আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন।

🔸 পোস্টারিং, দেয়াললিখন ও গ্রাফিতি অঙ্কন।

🔸 কবর জিয়ারত এবং শহীদ পরিবার ও আহত ভাইদের সঙ্গে সাক্ষাৎ।

🔸 শর্টফিল্ম ও ডকুমেন্টারি তৈরি এবং প্রচার।

🔸 বিশিষ্ট নাগরিকদের কাছে মাসিক ছাত্র সংবাদ–এর অক্টোবর সংখ্যা পৌঁছানো।

🔸 জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ২৮ অক্টোবরের আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন।

🔸 স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় লেখালেখি এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ‘২৮ অক্টোবর ০৬: আওয়ামী নৃশংসতা ও ফ্যাসিবাদের উত্থান’ শীর্ষক ক্যাম্পেইন পরিচালনা।

কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলামের সফর উপলক্ষে শাখা সেক্রেটারিয়েট সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্...
23/10/2026

কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলামের সফর উপলক্ষে শাখা সেক্রেটারিয়েট সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির শহর শাখা ও ফেনী জেলা।


পাঠচক্রের সদস্য ভাইদের নিয়ে এইচআরডি শিক্ষা সফর ২৬     #সফর
23/10/2026

পাঠচক্রের সদস্য ভাইদের নিয়ে এইচআরডি শিক্ষা সফর ২৬


#সফর

সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির পাচঁগাছিয়া ইউনিয়ন শাখার ৯নং ওয়ার্ড।  ...
17/10/2026

সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির পাচঁগাছিয়া ইউনিয়ন শাখার ৯নং ওয়ার্ড।


কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মৃত্যুতে শোক প্রকাশকক্সবাজারের ইনানী মেরিন ড্রাইভের ‘টুপটুপ রেস্তো অ্যান্ড র...
17/10/2026

কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ

কক্সবাজারের ইনানী মেরিন ড্রাইভের ‘টুপটুপ রেস্তো অ্যান্ড রিসোর্টে’ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। আজ শনিবার এক যৌথ শোকবার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে তাঁরা অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।

নেতৃবৃন্দ বলেন, “গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারের ইনানী মেরিন ড্রাইভের রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যসহ এ পর্যন্ত ১০ পর্যটকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রশান্তির খোঁজে বেড়াতে এসে এমন মর্মান্তিক পরিণতি নিহতদের পরিবারগুলোর জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। একই সঙ্গে এ ঘটনা দেশের পর্যটনকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।”

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বৈধ অনুমোদন ছাড়াই কাঠের তৈরি এই রিসোর্টটি পরিচালিত হচ্ছিল। পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণব্যবস্থা, জরুরি বহির্গমনপথ ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও রিসোর্টটি কীভাবে পরিচালিত হয়ে আসছিল, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। এ ধরনের অব্যবস্থাপনার ফলে সৃষ্ট মর্মান্তিক প্রাণহানির দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের পর দীর্ঘ সময় ধরে আগুন জ্বলতে থাকা এবং তা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে না পারার বিষয়টিও অত্যন্ত উদ্বেগজনক।”

নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে অগ্নিকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অনুমোদনহীন রিসোর্ট পরিচালনা এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত না করার জন্য দায়ী রিসোর্ট মালিকপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান। একই সঙ্গে তাঁদের অবহেলায় সংঘটিত এ প্রাণহানির ঘটনায় দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা, নিহতদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গুরুতর আহত পর্যটকদের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

ভবিষ্যতে এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা এড়াতে দেশের সব পর্যটনকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আধুনিক ও সমন্বিত রাষ্ট্রীয় তদারকি ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানান নেতৃবৃন্দ। এ ব্যবস্থার আওতায় হোটেল ও রিসোর্টের অনুমোদন, অগ্নিনিরাপত্তা, নিয়মিত পরিদর্শন এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত কার্যক্রম নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তাঁরা।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বৈধ অনুমোদন ছাড়াই কাঠের তৈরি এই রিসোর্টটি পরিচালিত হচ্ছিল। পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণব্যবস্থা, জরুরি বহির্গমনপথ ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও রিসোর্টটি কীভাবে পরিচালিত হয়ে আসছিল, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। এর ফলে সৃষ্ট মর্মান্তিক প্রাণহানির দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত কক্সবাজারে দীর্ঘ সময় ধরে আগুন জ্বলতে থাকা এবং তা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে না পারার বিষয়টিও অত্যন্ত উদ্বেগজনক। পর্যটকদের জীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হোটেল-রিসোর্টসহ পর্যটনকেন্দ্রের স্থাপনাগুলোতে অগ্নিনিরাপত্তাবিধি অনুসরণ এবং নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।”

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির পাঁচগাছিয়া ইউনিয়ন শাখার  উদ্যেগে আন্তঃওয়ার্ড  ফুটবল টুর্নামেন্ট ২৬ এর আয়োজন করা হয়
16/10/2026

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির পাঁচগাছিয়া ইউনিয়ন শাখার উদ্যেগে আন্তঃওয়ার্ড ফুটবল টুর্নামেন্ট ২৬ এর আয়োজন করা হয়

মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ৬৬তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করায় হাফেজ এহতিশামুল হক হিরা-কে আন্তরিক অ...
11/10/2026

মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ৬৬তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করায় হাফেজ এহতিশামুল হক হিরা-কে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রিড়া সামগ্রী প্রদান করেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির বালিগাঁও ইউনিয়ন শাখা।
09/10/2026

সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রিড়া সামগ্রী প্রদান করেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির বালিগাঁও ইউনিয়ন শাখা।

ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষে ফেনী কম্পিউটার ইনস্টিটিউটে ভর্তি হতে আসা শিক্ষার্থীদের সহায়তায় বাংলাদেশ ইসল...
09/10/2026

ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষে ফেনী কম্পিউটার ইনস্টিটিউটে ভর্তি হতে আসা শিক্ষার্থীদের সহায়তায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ফেনী কম্পিউটার ইনস্টিটিউট শাখার উদ্যোগে বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

ভর্তি কার্যক্রমের ১ম দিনে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রমের চিত্র।

শিক্ষাগুরুর মর্যাদাকাজী কাদের নওয়াজবাদশাহ আলমগীর-কুমারে তাঁহার পড়াইত এক মৌলবি দিল্লির।একদা প্রভাতে গিয়াদেখেন বাদশাহ- শ...
05/10/2026

শিক্ষাগুরুর মর্যাদা
কাজী কাদের নওয়াজ

বাদশাহ আলমগীর-
কুমারে তাঁহার পড়াইত এক মৌলবি দিল্লির।
একদা প্রভাতে গিয়া
দেখেন বাদশাহ- শাহজাদা এক পাত্র হস্তে নিয়া
ঢালিতেছে বারি গুরুর চরণে
পুলকিত হৃদে আনত-নয়নে,
শিক্ষক শুধু নিজ হাত দিয়া নিজেরি পায়ের ধুলি
ধুয়ে-মুছে সব করিছেন সাফ সঞ্চারি অঙ্গুলি।

শিক্ষক মৌলবি
ভাবিলেন, আজি নিস্তার নাহি, যায় বুঝি তাঁর সবি।
দিল্লিপতির পুত্রের করে
লইয়াছে পানি চরণের পরে,
স্পর্ধার কাজ, হেন অপরাধ কে করেছে – কোন কালে !
ভাবিতে ভাবিতে চিন্তার রেখা দেখা দিল তাঁর ভালে।

হঠাৎ কী ভাবি উঠি
কহিলেন, আমি ভয় করি নাক, যায় যাবে শির টুটি,
শিক্ষক আমি শ্রেষ্ঠ সবার
দিল্লির পতি সে তো কোন ছার,
ভয় করি নাক, ধারি নাক ধার, মনে আছে মোর বল,
বাদশাহ শুধালে শাস্ত্রের কথা শুনাব অনর্গল।

যায় যাবে প্রাণ তাহে,
প্রাণের চেয়েও মান বড়, আমি শুনাব শাহানশাহে।

তার পরদিন প্রাতে
বাদশাহর দৃত শিক্ষকে ডেকে নিয়ে গেল কেল্লাতে।
খাস কামরাতে যবে
শিক্ষকে ডাকি বাদশাহ কহেন, 'শুনুন জনাব তবে,
পুত্র আমার আপনার কাছে
সৌজন্য কি কিছু শিখিয়াছে?
বরং শিখেছে বেয়াদবি আর গুরুজনে অবহেলা,
নহিলে সেদিন দেখিলাম যাহা স্বয়ং সকাল বেলা।'

শিক্ষকে কন— 'জাঁহাপনা, আমি বুঝিতে পারি নি, হায়,
কী কথা বলিতে আজিকে আমায় ডেকেছেন নিরালায়?'
বাদশাহ কহেন, 'সে দিন প্রভাতে
দেখিলাম আমি দাঁড়ায়ে তফাতে
নিজ হাতে যবে চরণ আপনি করেন প্রক্ষালন,
পুত্র আমার জল ঢালি শুধু ভিজাইছে ও চরণ।
নিজ হাতখানি আপনার পায়ে বুলাইয়া সযতনে
ধুয়ে দিল নাক কেন সে চরণ, বড় ব্যথা পাই মনে।'

উচ্ছ্বাস ভরি শিক্ষককে আজি দাঁড়ায়ে সগৌরবে,
কুর্ণিশ করি বাদশাহে তবে কহেন উচ্চরবে—
'আজ হতে চির উন্নত হলো শিক্ষাগুরুর শির
সত্যই তুমি মহান উদার বাদশাহ আলমগীর।'

[৫ অক্টোবর, বিশ্ব শিক্ষক দিবস]


Address

Feni

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ছাত্রশিবির ফেনী শহর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to ছাত্রশিবির ফেনী শহর:

Shortcuts

Share