ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ দুপচাঁচিয়া থানা শাখা

  • Home
  • Bangladesh
  • Dupchanchia
  • ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ দুপচাঁচিয়া থানা শাখা

ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ দুপচাঁচিয়া থানা শাখা দেখা হবে রাজপথে, কথা হবে স্লোগানে।

ইসলামী আন্দোলনে যোগ দিয়েই সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন,  সাবেক রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহবর্তমানে তিনিইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আ...
23/10/2025

ইসলামী আন্দোলনে যোগ দিয়েই সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন, সাবেক রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহ
বর্তমানে তিনি
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেছেন ।
বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রদূত দের সাথে ইসলামী আন্দোলন এর সাক্ষাৎ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন তিনি ।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সমর্থক

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদে এর  সাথে যুক্তরাষ্ট্রের আইআরআই (IRI) প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ। ২২ অক্টোবর সকাল ১১টায় রাজধানীর হোটেল...
23/10/2025

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদে এর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের আইআরআই (IRI) প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ।

২২ অক্টোবর সকাল ১১টায় রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে বাংলাদেশে সফররত যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) প্রতিনিধিদল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন৷

সাক্ষাতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাজনৈতিক দর্শন, দলীয় কাঠামো, চলমান কার্যক্রম, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রস্তুতি, সংসদ সদস্য প্রার্থিতা নির্ধারণ প্রক্রিয়া, নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ এবং তরুণদের সম্পৃক্ততা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

প্রতিনিধি দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আসনভিত্তিক সমঝোতার ধারাবাহিক প্রচেষ্টা সম্পর্কে অবহিত হয় এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সাথে চলমান সংলাপ ও সমঝোতা প্রক্রিয়া সম্পর্কেও দলের প্রতিনিধি দল তাঁদের অবহিত করেন।

সাক্ষাতে প্রতিনিধি দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অগ্রগতি, স্বচ্ছতা ও সংগঠনগত শৃঙ্খলার প্রশংসা করেন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক প্রফেসর ড. বেলেল নুর আজিজি, সাবেক রাষ্ট্রদূত ও আন্তর্জাতিক বিষয় উপদেষ্টা জনাব গোলাম মসিহ, ইসলামী যুব আন্দোলনের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ইমতিয়াজ আহমেদ সজল, আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য সচিব মো. রাজন সিকদার।‌

ইন্টারন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইন্সটিটিউট (IRI) প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন:
ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের বোর্ড অব ডিরেক্টর ক্রিস্টোফার জে. ফাসনার,
ইন্দো-প্যাসিফিক সিকিউরিটি প্রোগ্রাম (CNAS) এর সিনিয়র ফেলো ও পরিচালক লিসা কার্টিস, গণতান্ত্রিক নির্বাচন ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়া বিশেষজ্ঞ জেসিকা কিগান, রেসিডেন্ট প্রোগ্রাম ডিরেক্টর স্টিভ সিমা, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট (NDI) এর প্রোগ্রাম ডিরেক্টর জামি স্পাইকারম্যান,পরামর্শক জন ফ্লুহার্টি, পরামর্শক ড্যারিন বিইলেকি, প্রোগ্রাম পরামর্শক অমিতাভ ঘোষ।

পীর সাহেব চরমোনাই এর সাথে ফি*লি/স্তিনি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎস্বাধীন ফি/লি*স্তিন প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে বাংলাদেশ সর্বদা পাশে ছি...
19/08/2025

পীর সাহেব চরমোনাই এর সাথে ফি*লি/স্তিনি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

স্বাধীন ফি/লি*স্তিন প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে বাংলাদেশ সর্বদা পাশে ছিলো এবং থাকবে
-পীর সাহেব চরমোনাই

আজ ১৮ আগস্ট ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে (৫৫/বি পুরানা পল্টন) এ বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রামাদান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

বিকাল চারটায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, বাইতুল মা/ক*দিস আমাদের প্রাণ ও মর্যাদার সাথে সম্পৃক্ত। ফি/লি*স্তিনি জনগণের সাথে যে নির্মমতা চলছে তা সহ্য করার মতো না। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ফি #লি #স্তি*নের ব্যাপারে সর্বদা সোচ্চার। আমাদের পক্ষে করণীয় সবকিছু করতে আমরা বদ্ধ পরিকর।

বৈঠকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব মাওলানা ইউনুস আহমদ, যুগ্মমহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডক্টর বেলাল নুর আজিজি।

ইটের বদলে-পাটকেল এইভাবেই দিতে হয় !Shah Iftekhar তারিক ভাই🔥ইসলামী মৌলবাদ জিন্দাবাদ।
18/08/2025

ইটের বদলে-পাটকেল এইভাবেই দিতে হয় !
Shah Iftekhar তারিক ভাই🔥

ইসলামী মৌলবাদ জিন্দাবাদ।

17/08/2025
17/08/2025

বাংলাদেশের প্রথম স্বৈরশাসক
কে?

শহীদদের রক্ত আজও আমায় কাঁদায়লেখক- আহমাদ আবদুল কাইয়ূম১৫ আগস্ট ২০০২। ইতিহাসে এক কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। কেননা সেদিন ক্ষমতা...
15/08/2025

শহীদদের রক্ত আজও আমায় কাঁদায়
লেখক- আহমাদ আবদুল কাইয়ূম

১৫ আগস্ট ২০০২। ইতিহাসে এক কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। কেননা সেদিন ক্ষমতায় থাকা ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী সরকারের হিংস্র আঘাতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কর্মী হাফেজে কুরআন মাদরাসা ছাত্রদের নির্মমভাবে শহীদ হতে হয়েছে। ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার দোহাই দিয়ে ক্ষমতায় গিয়ে ইসলামের ধারক-বাহক হাফেজে কুরআন ও আলেমদের খুন করে কি মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল তারা? আল্লাহর ঘর মসজিদ ভাঙ্গার প্রতিবাদ করা কি অপরাধ? একটি মসজিদ ভাঙ্গাকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত।
ঘটনার স্থল রাজধানী ঢাকার মালিবাগ টিএন্ডটি বায়তুল আজিম জামে মসজিদ। যা বর্তমানে শহীদী মসজিদ নামে নামকরণ করা হয়েছে। বিরানব্বই ভাগ মুসলমানের দেশে আল্লাহর ঘর মসজিদ ভেঙ্গে তদস্থলে মার্কেট নির্মাণ করার দুঃসাহস মেনে নেয়নি আদর্শিক কাফেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ। সেদিন ইশা ছাত্র আন্দোলন ছাড়া মাঠে প্রতিবাদ করার কেউ ছিল না। দেশে জোটের রাজনীতির চর্চার কারণে ইসলামপন্থি সংগঠনগুলো জোটে সম্পৃক্ত থাকায় আল্লাহর ঘর মসজিদ ভাঙ্গার মত মহা অপরাধের প্রতিবাদটুকুও তারা করতে পারে নি। অপরদিকে নো আওয়ামীলীগ, নো বিএনপি ইসলাম ইজ দ্যা বেস্ট, এই নীতিতে বিশ্বাসী ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ কারো কাছে মাথা বিক্রি করেনি। সেজন্য তাদের কাউকে জমা-খরচও দিতে হয় না। সকল সরকারের অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রচণ্ড প্রতিবাদ ও বিক্ষোভে ফেটে পড়ে আদর্শিক কাফেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ। আর সে কারণেই আল্লাহর ঘর মসজিদ ভেঙ্গে মার্কেট নির্মাণ করার স্বপ্ন বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেয়নি সংগঠনটি। আল্লাহর বাণী, “যে ব্যক্তি আল্লাহর ঘর মসজিদসমূহে তাঁর নাম উচ্চারণ করতে বাধা দেয় এবং সেগুলোকে উজার করার চেষ্টা করে তার চাইতে বড় অত্যাচারী আর কে?’’
(সূরা বাকারা- ১১৪)

কুরআনে বর্ণিত নির্দেশ জালিমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে শহীদী কাফেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কর্মী শহীদ হাফেজ আবুল বাশার, শহীদ রেজাউল করীম ঢালী, শহীদ ইয়াহইয়া, শহীদ জয়নাল আবেদীনকে নির্মমভাবে খুন হতে হয়। আনসারের গুলিতে আহত হয় আরো ৬০জন। মসজিদ রক্ষার আন্দোলনে গুলি চালিয়ে শহীদ করার ঘটনা বিশ্বে বিরল। অথচ ইসলামী মূল্যবোধের ধ্বজাধারী বিএনপি ও দলীয় সন্ত্রাসীর গুলিতে এই হত্যাকাণ্ড মুসলিম উম্মাহকে মর্মাহত ও ব্যথিত করেছে। ইতিহাসে মুসলমান কেন, অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের মাঝেও এমন ঘটনা বিরল। পরস্পর হিংসাপরায়ণ ও বিরোধপূর্ণ হয়ে নিজেদের উপাসনালয় ভেঙ্গে দিয়েছে। এর আগের সরকার (আওয়ামীলীগ) ফতোয়াকে কেন্দ্র করে বি-বাড়ীয়ায় আটজন হাফেজে কুরআনকে শহীদ করেছে। শহীদ হাফেজদের রক্তের উপর পা দিয়ে ২০০১ সালে ইসলামী মূল্যবোধের সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে শহীদের খুনের বিচার না করে আরো চারজনকে শহীদ করে দেশবাসী বিশেষ করে ইসলামী জনতাকে মর্মাহত করেছে।

১৫ আগস্ট ২০০২ বৃহস্পতিবার মালিবাগের সামনে মসজিদ রক্ষার দাবীতে অনুষ্ঠিতব্য মিছিলে পুলিশ ও আনসারের গুলিতে শহীদ হওয়ার ঘটনায় আমি কয়েকজন সাথীকে নিয়ে মালিবাগ ঘটনাস্থলে গিয়ে শহীদদের না দেখলেও তাদের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত এ দৃশ্য দেখে নিজেকে ঠিক রাখতে পারছিলাম না। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে চার শহীদের লাশ দেখে চোখের পানি সংবরণ করতে পারিনি। রক্তমাখা জামাসহ লাশের প্রতিচ্ছবি আজো ভেসে ওঠে চোখের সামনে। আর লাশ থেকে বেহেস্তের খুশবু আজো আমাকে নাড়া দেয়। আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় হযরত সাহাবায়ে কিরামের কথা। তাদের তাঁজা রক্তে আজো দীন টিকে আছে। মহান আল্লাহর বাণী, “যারা আল্লাহর পথে মৃত্যুবরণ করে তাদেরকে মৃত বলো না; বরং তারা জীবিত। তোমরা তা বুঝতে পার না।” (সূরা আল বাকারা)

আসলেই সেদিন শহীদদের লাশ দেখে মনে হয়নি তাঁরা মৃত। তাদের চেহারা আলোকিত ও হাস্যোজ্জ্বল। মনে হয় তাঁরা ঘুমিয়ে আছে। শহীদ ভাইদের কথা মনে হলে আজও নিরবে আত্মা কেঁদে উঠে, অশ্রুসিক্ত হয়ে যায় মন তখন ঠিক থাকতে পারি না। যারা আমাদেরকে ঋণী করে রেখেছে তাদের জন্য যখন কিছু করা না যায় তখন ব্যথিত ও মর্মাহত না হয়ে পারি না। শহীদদের জন্য আমাদের করার কিছু আছে। আর তা হলো শহীদী তামান্নায় উজ্জীবিত হয়ে দীন প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা আরো শাণিত করা। মসজিদ রক্ষার আন্দোলনে শাহাদাত বরণকারী চারশহীদের ঘটনায় পুরো মুসলিম উম্মাহ ব্যথিত হলেও জোটভুক্ত উলামায়ে কিরামের মধ্যে কোন প্রকার প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়নি। তার কারণ ছিল ক্ষমতার মোহ বা লোভ। মন্ত্রীত্ব পাবার লোভ। কিন্তু আফসোস, আজ তাদের মুখ থেকে বের হয় “হক্বের পতাকাবাহী ও আদর্শিক পরিবর্তনের রূপকার পীর সাহেব চরমোনাই” সম্পর্কে অশালীন মন্তব্য। পীর সাহেব চরমোনাই নাকি দিনে সরকারের বিরুদ্ধে মিছিল করে আর রাতে সরকারের সাথে বৈঠক করেন। আমি জানি না, এমন মন্তব্য তারা নিজেদের স্বভাব-চরিত্র ও বৈশিষ্টের আলোকে করেন কিনা। তবে মিথ্যা ধারণা করা নেহায়েত অন্যায়। একথা সত্য, সংগঠন যত বড় হবে তার বিরুদ্ধে তত অপপ্রচার বাড়বে। কেননা, হিংসুকরা জ্বলে-পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে। দিন দিন দেশের সর্বস্তরের ছাত্র জনতা, পেশাজীবী মানুষ এই কাফেলায় শরীক হচ্ছে। ঘটনার পরদিন ১৬আগস্ট ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রের উদ্যোগে গণজমায়েত ছিল রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে। তাতে হযরত পীর সাহেব চরমোনাই (রহ.) প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রেখেছিলেন। সেখানে তিনি জোট সরকারের কাছে চার দফা দাবী পেশ করেছিলেন। ১. খুনী তৌফিক, ছাত্রদল নেতা হানিফসহ খুনিদের গ্রেপ্তার করে অবিলম্বে বিচার, ২. খালেদা জিয়াকে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা, ৩. সরকারী জায়গায় যত মসজিদ আছে ঐ সকল জায়গাকে মসজিদের নামে ওয়াক্ফকরণ এবং ৪. শহীদ পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। কিন্তু কোন দাবীই মানেনি জোট সরকার। মসজিদের নির্মাণ কাজ করলেও তা বন্ধ। দীর্ঘ কয়েক বছরেও মসজিদের কাজ সম্পূর্ণ করতে পারেনি।

শহীদ হাফেজ আবুল বাশারের পরিচয়
নাম- হাফেজ আবুল বাশার। পিতা- হাফেজ আব্দুস সাত্তার। গ্রামের বাড়ি- পিরোজপুর সদর থানার খলিশাখালী। পাঁচভাই একবোনের মধ্যে সে বড়। তার মাও একজন হাফেজা। আবুল বাশার ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর জনশক্তির দ্বিতীয় পর্যায়ের অর্থাৎ কর্মী ও খিলগাঁও থানার দায়িত্বশীল ছিল। ছাত্র আন্দোলনের সকল কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করার কারণে সকলেই তাঁকে ভালোভাবে চিনত। শহীদ হওয়ার পর তাঁর গ্রামের বাড়িতে গিয়ে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের তৎকালীন মুহতারাম মহাসচিব মাও. নূরুল হুদা ফয়েজী ও ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দ সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
হাফেজ আবুল বাশার মালিবাগ মাদ্রাসার মেধাবী ছাত্র ছিল। ইসলামী আন্দোলনের বই পড়া ছিল তাঁর নেশা। লেখালেখির প্রতি ছিল প্রচণ্ড ঝোঁক। শহীদ আবুল বাশারের পুরো পরিবারই আলেম পরিবার। তাঁর ৩ভাই হাফেজ, ছোটভাইও হিফজ খানায় পড়ে। বোনও মাদরাসায় পড়ুয়া। শহীদ হওয়ার পর শহীদ বাশারের মা-বাবার অনুভুতি আমাদের যুগিয়েছে নতুন প্রেরণা।

পিতার অনুভূতি :
শহীদ আবুল বাশারের পিতা হাফেজ আব্দুস সাত্তার বলেন, “আল্লাহ তা’য়ালা আমার ছেলেকে শহীদ হিসেবে কবুল করেছেন এর চাইতে সৌভাগ্য আর কি হতে পারে? তিনি বলেন, আবুল বাশার অত্যন্ত নম্র-ভদ্র ও খোশ মেজাযের ছিল। তাকে নিয়ে আমার গর্ব হয় যে, আল্লাহর ঘর মসজিদ রক্ষার আন্দোলনে সে শহীদ হয়েছে। আমি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানাই। শহীদদের রক্তের পথ ধরে এদেশে ইসলামের পতাকা উড্ডীন হবে এ প্রত্যাশা করছি। আমি শহীদ আবুল বাশারের জন্য জালিম সরকারের কাছে কোন বিচার চাই না, আমি আল্লাহর কাছে বিচার দিয়েছি। তিনি ছাত্র আন্দোলনের ভাইদের উদ্দেশ্যে বলেন, আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠা করতে হলে রক্ত দেয়া ও রক্ত নেয়ার কোন বিকল্প নেই। তিনি শহীদদের পথ ধরে দীন প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করার জন্য সকলকে আহবার জানান। শহীদ আবুল বাশার ছাত্র আন্দোলনের কর্মী হওয়ায় তিনি শুকরিয়া জ্ঞাপন করেন।”

মায়ের অনুভূতি :
শহীদ হাফেজ আবুল বাশারের মা বলেন, “আবুল বাশার আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে চলে গেল। আবুল বাশার বাড়ি থেকে আসার সময় বলেছিল, আমার হয়তো আর বাড়িতে আসা হবে না। তার মা বলল, তুমি কি বলছ? তখন বাশার বলল, মা আমি পরবর্তীতে যখন আসব তোমার গর্বিত সন্তান হয়ে আসব। তার কথা অনুযায়ী ঠিক সে গর্বিত সন্তান হয়েই বাড়িতে ফিরে গেছে। তাঁর মা বলেছিল, তাহলে কি আমার বাশার আল্লাাহর পক্ষ থেকে এভাবে কোন ইঙ্গিত পেয়েছিল। প্রকৃত শহীদরা কি এভাবে আল্লাহর পক্ষ থেকে ইশারা পেয়ে থাকে? তিনি পীর সাহেব চরমোনাই’র সাথে বাশারের সম্পৃক্ততা থাকায় গর্ববোধ করেন। তেমনিভাবে তাঁর ভাই-বোনেরাও শহীদের ভাই ও বোন হিসেবে পরিচয় দিতে পেরে শুকরিয়া প্রকাশ করেন এবং সহযোগীতা ও খোঁজ খবরের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। ছাত্র আন্দোলনের এই শহীদী কাফেলাকে মনজিলে মকসুদে নিয়ে যাওয়ার জন্য আহ্বান জানান।”

শহীদ রেজাউল করীমের পরিচয়
নাম- মুহাম্মাদ রেজাউল করীম ঢালী। পিতা- আব্দুল আউয়াল ঢালী। গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানার শ্রীনগর গ্রামের ঢালী বাড়ি।

শহীদ রেজাউল করীম ঢালী ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সদস্য ছিল। সদস্য হয়েও ছাত্র আন্দোলনের প্রায় সকল কর্মসূচিতে সে নিয়মিত অংশগ্রহণ করত। শহীদ হওয়ার পর তাঁর গ্রামের বাড়িতে আন্দোলনের আমীর পীর সাহেব চরমোনাই রহ., অধ্যাপক এটিএম হেমায়েত উদ্দিন, তৎকালীন দায়িত্বশীল মুফতি নূর হোসাইন নূরানী, আমি, সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ নেছার উদ্দিন ভাইসহ কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দ গিয়ে শহীদ রেজাউল করীমের কবর যিয়ারত করি। তাঁর মা-বাবা ও আত্মীয় স্বজনকে সান্ত্বনা দেই এবং তাঁর স্মৃতিকে ধরে রাখতে শহীদ রেজাউল করীম স্মৃতি সংসদ ও পাঠাগার প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন হযরত পীর সাহেব রহ.। শহীদ রেজাউল করীম চৌধুরীপাড়া মাদ্রাসার মেধাবী ছাত্র ছিল। শহীদী তামান্না ছিল তার হৃদয়ে জাগ্রত। তাঁর পুরো পরিবারে একমাত্র মাদরাসা পড়ুয়া ছিল সে-ই। রেজাউল করীমরা দুই ভাই-বোন। সে ভাই বোনদের মধ্যে সবার ছোট। বড় আলেম হওয়ার আকাঙ্ক্ষা নিয়েই মাদরাসায় পড়তে এসেছিল। সে নাহবেমীর জামাতের ছাত্র ছিল।

বাবার অনুভূতি:
শহীদ রেজাউল করীম ঢালীর পিতা আব্দুল আউয়াল ঢালী বলেছিলেন, আমার ছেলেকে আল্লাহর পথে দিয়েছিলাম। আল্লাহর পথে নেমে তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে চলে গেছে এতে দুঃখিত হওয়ার কিছু নেই; বরং আমি গর্বিত। পীর সাহেব চরমোনাই’র নেতৃত্বাধীন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সদস্য হওয়ার কথা শুনে তিনি খুশি হন এবং তিনি বলেন, একজন আল্লাহওয়ালা ব্যক্তির সংগঠনে থেকে আমার রেজাউল খাঁটি মানুষ হতে পেরেছিল। পীর সাহেব চরমোনাইসহ ছাত্র আন্দোলনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ তার বাড়িতে যাওয়ায় তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মায়ের অনুভূতি:
রেজাউলের মা বলেছিলেন, ঘটনার ২দিন পূর্বে তার ছোট চাচাতো ভাইকে কোলে নিয়ে বলল, ভাইয়া আমি যদি শহীদ হয়ে যাই তুমি কি কান্না করবে? ছোট ভাই বলল, হ্যাঁ আমি কান্না করব। এ কথাগুলো তাঁর মা শুনতে পেয়ে জিজ্ঞেস করে, রেজাউল তুমি কি বলছ, রেজাউল বলে, হ্যাঁ মা আমি শহীদ হয়ে যেতে পারি। আমাদের মাদরাসার পাশে একটি মসজিদ সন্ত্রাসীরা বন্ধ করে দিয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার সে মসজিদ উদ্ধারের আন্দোলনে যাবো। মা তুমি কি কাঁদবে? মা, তুমি কাঁদলে আমার শহীদী আত্মা কষ্ট পাবে। এ বলে সে ঘটনার আগের দিন বাড়ি থেকে মা-বাবাসহ সকলের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে আসে। তার মা কথাগুলো বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। আবার শান্ত হয়ে শুকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আল্লাহর ঘর মসজিদের জন্য আর যেন কাউকে প্রাণ দিতে না হয়। আমাদের রেজাউলের জন্য দোয়া করবেন।

হাফেজ ইয়াহইয়াও মালিবাগের ছাত্র ছিল। তার বাবা একজন প্রখ্যাত আলেমেদীন। আট ভাই ও বোনদের মধ্যে সে ছিল তৃতীয়। ইয়াহইয়া মেধাবী ছাত্র ছিল। তাঁর গ্রামের বাড়ি মোমেনশাহী জেলার ফুলপুর থানার বড়ইকান্দি গ্রামে। জেলা নেতৃবৃন্দ অভিভাবকের সাথে সাক্ষাত করে খোঁজ খবর নিয়েছেন।

শহীদ জয়নুল আবেদীন ছিল নিতান্ত খেটে খাওয়া মানুষ। মেয়ের বিয়ের তারিখ ছিল ২০আগস্ট। একমাত্র মেয়ের বিয়ের টাকা জোগাড় করতে ঢাকায় আত্মীয়-স্বজনদের কাছে এসেছিল সাহায্যের জন্য। ঘটনার দিন মালিবাগ এসেছিল তার ভায়রা ভাইয়ের সাথে সাক্ষাত করতে। কিন্তু ঘাতকদের বুলেট তাকেও রেহাই দেয়নি। বিয়ের টাকার পরিবর্তে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন জয়নাল। জয়নালের গ্রামের বাড়ি ফেনী সদর উপজেলার উত্তর ডুমুরিয়ার মাঝি বাড়ি গ্রামে। তাঁর গ্রামের বাড়িতে গিয়ে শোকাহত পরিবারের সাথে তৎকালীন দায়িত্বশীল মুফতী নূর হোসাইন নূরানী ও আমিসহ জেলা আন্দোলন ও ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ দেখা করেছি। শহীদ জয়নুল এর পরিবারকে সান্ত্বনা দিয়ে তাদের খোঁজ খবর নিই এবং নগদ আর্থিক সহযোগিতাসহ তাঁর মেয়ের বিয়ের খরচ বহন ও ছেলেদের লেখা-পড়ার দায়ভার গ্রহণের ঘোষণা করেন মুফতি নূরানী সাহেব।

সবশেষে বলা যায়, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কর্মীদের শাহাদাতের মধ্য দিয়ে দেশবাসী ও সচেতন ছাত্রদের কাছে এই ম্যাসেজ ও শিক্ষা দেয়া হয়েছে, দীনকে বিজয়ী করতে হলে শহীদী তামান্না বুকে লালন করে ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।

আন্দোলনের এ পথ ভোগের নয়, ত্যাগের। আরামের নয়, কষ্টের। এই ধারাবাহিকতা ঠিক রাখতে পারলে এই কাফেলা একদিন মনজিলে মকসুদে পৌঁছবেই, ইনশাআল্লাহ। শহীদদের পথ ধরে আমরাও যেন জীবন ও রক্ত দিতে পারি সে তামান্না রাব্বুল আলামীনের দরবারে।

আমিন।

প্রকাশ : ছাত্র সমাচার (জুলাই-আগস্ট সংখ্যা ২০১৭)

শেখের বেটিও তার বাপেরে ওলি বানায় ফেলছিল।আজ বংশ সহ দেশান্তরী 🫡
14/08/2025

শেখের বেটিও তার বাপেরে ওলি বানায় ফেলছিল।আজ বংশ সহ দেশান্তরী 🫡

11/08/2025

শায়েখে চরমোনাইয়ের অগ্নিঝরা বক্তব্য!!

Address

Dupchanchia
5880

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ দুপচাঁচিয়া থানা শাখা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ দুপচাঁচিয়া থানা শাখা:

Share