SKS Foundation

SKS Foundation SKS Foundation: Striving for a Sustainable Change It started development work for the poor and marginalized people through different program interventions.

SKS Foundation is a long reputed national NGO engaged in service delivery and rights based activities for disadvantaged hardcore poor people for their quality life and livelihoods. With this exposure, the expectation from civil society, private and public organizations remain high such that SKS Foundation provides a top quality service to the increasing numbers of very poor and chars dwellers in B

angladesh since 1987. The growth and development of SKS Foundation is the joint effort of a few local self-devoted young men and women, social workers from various academic disciplines. Our Mission:

SKS Foundation works with the poor communities in order to improve socio-economic status, promote gender equality and bring positive changes in the society through close collaboration with government line departments, local government and administration, civil societies, NGOs, private sectors, development partners and other stakeholders.

বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত।বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে করণীয় নির্ধারণে এক গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ১৬ এপ্রিল ২০২৬,...
16/04/2026

বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত।

বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে করণীয় নির্ধারণে এক গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ১৬ এপ্রিল ২০২৬, গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় ফুলছড়ি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সমাবেশের আয়োজন করে এসকেএস ফাউন্ডেশন। এসকেএস ফাউন্ডেশন ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত Community-based Resilience, Women’s Empowerment and Action (CREA) প্রকল্পের আওতায় এ গণসমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

সমাবেশে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ, বিশেষকরে চরাঞ্চলের বাসিন্দারা অংশ নেন। তাঁরা বাল্যবিয়ের পেছনের বাস্তব সমস্যাগুলো তুলে ধরেন। বক্তারা বলেন, শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে বাল্যবিয়ে অনেকাংশে বন্ধ করা সম্ভব। কিন্তু যেখানে উচ্চ বিদ্যালয়ের অভাব রয়েছে, সেখানে কিশোরীদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া কঠিন। ফলে অনেক ক্ষেত্রে বাল্যবিয়ের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই বাল্যবিয়ে রোধে আগে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ শুধু সরকারের বা প্রশাসনের একার পক্ষে সম্ভব নয়। সরকার ইতোমধ্যে এ বিষয়ে আইন প্রণয়ন করেছে এবং শাস্তির বিধান রেখেছে। তবে জনসচেতনতা ছাড়া এই সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। তিনি এ বিষয়ে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ফুলছড়ি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিলন কুমার বর্মনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মনোয়ার হোসেন এবং ফুলছড়ি থানার উপ-পরিদর্শক মো. মশিউর রহমান।

আজ ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ- বাংলা নববর্ষ। নতুন বছরকে বরণ করার এই মুহূর্তে বাঙালি জাতি আনন্দে, উৎসবে ও ঐতিহ্যের আবহে উদযাপন...
14/04/2026

আজ ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ- বাংলা নববর্ষ। নতুন বছরকে বরণ করার এই মুহূর্তে বাঙালি জাতি আনন্দে, উৎসবে ও ঐতিহ্যের আবহে উদযাপন করছে পহেলা বৈশাখ। এটি বাঙালি চেতনার কেন্দ্রবিন্দু, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক অনন্য মেলবন্ধন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব বাঙালি যুগ যুগ ধরে এ দিনটিকে পালন করে আসছে । এটি আমাদের আত্মপরিচয়, বাঙালিয়ানার এক গর্বিত বহিঃপ্রকাশ।
এসকেএস ফাউন্ডেশন বিশ্বাস করে- সংস্কৃতি চর্চার মধ্য দিয়েই গড়ে ওঠে মানবিক, সচেতন ও প্রগতিশীল সমাজ। বাংলা নববর্ষ সেই চর্চাকে শানিত করে চলেছে তার আপন মহিমায়। এই সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে প্রতিষ্ঠানটি নানা আয়োজনে উদযাপন করছে বাংলা নববর্ষ।
নতুন স্বপ্ন, সম্ভাবনা ও প্রেরণাকে কেন্দ্র করে এসকেএস ফাউন্ডেশন বরণ করে নিচ্ছে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে একযোগে অংশ নিয়েছে বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রায়। পাশাপাশি, বাংলা নববর্ষের অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে আরও গভীরভাবে ধারণ ও ছড়িয়ে দিতে এসকেএস ফাউন্ডেশন দিনটির তাৎপর্য তুলে ধরে দৈনিক মাধুকর পত্রিকায় বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেছে।

ক্রোড়পত্রের লিঙ্কঃhttps://emadhukar.com/?Page=1404202612

শুভ নববর্ষ!
13/04/2026

শুভ নববর্ষ!

বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসা।
13/04/2026

বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসা।

গাইবান্ধায় বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসা ক্যাম্প | Free Medical Camp | Gaibandha News | Somoy TVগাইবান্ধায় দিন...

আজ ৭ এপ্রিল ২০২৬; বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। ‘স্বাস্থ্য সেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সকল প্রাণ’ প্রতিপাদ্যকে কেন্দ্র করে এ বছর দিব...
07/04/2026

আজ ৭ এপ্রিল ২০২৬; বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। ‘স্বাস্থ্য সেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সকল প্রাণ’ প্রতিপাদ্যকে কেন্দ্র করে এ বছর দিবসটি পালিত হচ্ছে।
স্বাস্থ্যসেবায় প্রচলিত অবৈজ্ঞানিক ধারণা আমাদের জীবনকে ফেলে দিচ্ছে ঝুঁকির মুখে। অন্যান্য বিষয়ের মতোই নারীদের মাসিক স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে আমাদের সমাজে রয়েছে অবৈজ্ঞানিক ধারণা, লজ্জা ও সংকোচ। ফলে আমাদের জনগোষ্ঠীর অর্ধেক অর্থাৎ নারীদের জীবনও রয়েছে ঝুঁকিতে। অথচ মাসিক বা ঋতুচক্র কোনো লজ্জার বিষয় নয়; এটি স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া এবং মানবজীবনের ধারাবাহিকতার অন্যতম প্রধান ভিত্তি। তাই প্রয়োজন সচেতনতা, সঠিক জ্ঞান এবং খোলামেলা আলোচনা।

এ বাস্তবতায় এসকেএস ফাউন্ডেশন মাসিক স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে সঠিক জ্ঞান প্রদান করে সচেতনতা সৃষ্টি করে। পাশাপাশি, নারীদের জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসম্মত উপকরণ সহায়তা প্রদান করে তাদের নিরাপদ ও সম্মানজনক জীবনযাপনে সহায়তা করে যাচ্ছে। মাঠপর্যায়ে এই উদ্যোগের পাশাপাশি নীতিনির্ধারণী পর্যায়েও কাজের অংশ হিসেবে এসকেএস ফাউন্ডেশন নিয়মিত বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করে; যেখানে বিশেষজ্ঞ ও অংশীজনেরা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিদ্যমান সমস্যা তুলে ধরে টেকসই সমাধানের উদ্দেশ্যে যুতসই সমাধানের সুপারিশ করেন।
এরই ধারাবাহিকতায় মাসিক স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনা নিয়ে FANSA Bangladesh- এর সচিবালয় এসকেএস ফাউন্ডেশন ১১ মার্চ ২০২৬-এ আয়োজন করে একটি সংলাপ। সংলাপে উঠে আসা বাস্তবতা এ বছরের বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস- এর প্রতিপাদ্যের সঙ্গে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উদযাপনে এসকেএস- এর বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসাবে মাসিক স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অনুষ্ঠিত সংলাপের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিকে কেন্দ্র করে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ হয়েছে বিশেষ ক্রোড়পত্র।
ক্রোড়পত্রের লিঙ্কঃ https://emadhukar.com/?Page=070420264

কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে অর্থ-সহায়তা প্রদান শুরু।গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাজাহার ইউনিয়নে কালবৈশাখী ঝড়ে ...
28/03/2026

কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে অর্থ-সহায়তা প্রদান শুরু।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাজাহার ইউনিয়নে কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে জরুরি আর্থিক সহায়তা দেওয়া শুরু হয়েছে। ২৭ মার্চ ২০২৬, উপজেলা নির্বাহী অফিসার- এর সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শামীম কায়সার লিংকন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত ২টি পরিবারের হাতে Multi-Purpose Cash Grant (MPCG) তুলে দেওয়ার মাধ্যমে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত সরকারি সহায়তার বাইরে নির্বাচিত ৩০০ পরিবারের জন্য জরুরি আর্থিক সহায়তা প্রদান কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।

Start Fund Bangladesh এর সহায়তায় Rapid Response for Storm-Affected Communities প্রকল্পের আওতায় এসকেএস ফাউন্ডেশন এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। যার মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত নির্বাচিত ৩০০ পরিবারকে অর্থ সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি পরিবারগুলোর ঘরবাড়ি পুনর্নির্মাণে প্রয়োজনীয় পরামর্শ সহায়তা একইসঙ্গে দুর্যোগজনিত মানসিক চাপ মোকাবিলা ও সার্বিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তাও প্রদান করা হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানা। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জিন্দার আলী, রাজাহার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, এসকেএস ফাউন্ডেশনের পাবলিক রিলেশনস এ্যান্ড নেটওয়ার্কিং সমন্বয়কারী আশরাফুল আলম, প্রকল্প সমন্বয়কারী হারুন-অর-রশিদ প্রমুখ।

কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সহায়তায় প্রকল্প উদ্বোধন।গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাজাহার ইউনিয়নে কালবৈশাখী ঝড়ে ...
26/03/2026

কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সহায়তায় প্রকল্প উদ্বোধন।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাজাহার ইউনিয়নে কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এসকেএস ফাউন্ডেশন। Start Fund Bangladesh এর সহায়তায় এসকেএস ফাউন্ডেশন Rapid Response for Storm-Affected Communities নামে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। আজ ২৬ মার্চ ২০২৬, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার-এর সভাকক্ষে প্রকল্পটির Inception Meeting বা উদ্বোধনী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শামীম কায়সার লিংকন। প্রধান অতিথি বলেন, “রাজাহার ইউনিয়নে কালবৈশাখী ঝড়ের সাথে শিলাবৃষ্টির কারণে ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি হয়েছে। এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকারি-বেসরকারি সবার সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।“

জরুরী সহায়তার এই প্রকল্পটির আওতায় সরকারি সহায়তার বাইরে থাকা নির্বাচিত ৩০০ পরিবারের প্রত্যেক পরিবার পাবে আর্থিক সহায়তা। রাজাহার ইউনিয়নের ৩ ও ৬ নং ওয়ার্ড– এর কুকরাইল ও দুবলাগাড়ি গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত ও নির্বাচিত ঐ ৩০০ পরিবারের প্রত্যেক পরিবারকে ৬,০০০ টাকা এবং অত্যাধিক ক্ষতিগ্রস্ত ৪০টি পরিবারকে তাদের বাড়ি মেরামত বাবদ আরো ২০,০০০ টাকা বিকাশের মাধ্যমে প্রদান করা হবে। আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ঘরবাড়ি পুনর্নির্মাণে প্রয়োজনীয় পরামর্শ সহায়তা একইসঙ্গে দুর্যোগজনিত মানসিক চাপ মোকাবিলা ও সার্বিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তাও প্রদান করা হবে।

সভায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জিন্দার আলী এবং রাজাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও গনমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা মানবিক এই জরুরী প্রকল্প সহায়তার মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, গত ১৫ মার্চ ২০২৬ গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাজাহার ইউনিয়নে আঘাত হানা কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। সেই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এসকেএস ফাউন্ডেশন Start Fund Bangladesh এর সহায়তায় ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে সহায়তার লক্ষ্যে Rapid Response for Storm-Affected Communities নামে প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান এসকেএস ফাউন্ডেশনের ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামস- এর উপ-পরিচালক খন্দকার জাহিদ সরোওয়ার।

ঈদ মোবারক!
20/03/2026

ঈদ মোবারক!

তাপদাহ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতিঃ কমিউনিটি পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত।গত ১৪ মার্চ ২০২৬ বগুড়া জেলার শাহজাহানপুর উপজেলার শাবরুল ...
16/03/2026

তাপদাহ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতিঃ কমিউনিটি পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত।

গত ১৪ মার্চ ২০২৬ বগুড়া জেলার শাহজাহানপুর উপজেলার শাবরুল ও ওলাহলি গ্রামে এসকেএস ফাউন্ডেশন স্টার্ট নেটওয়ার্ক- এর সহায়তায় তাপদাহ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি জোরদার করতে একটি কমিউনিটি পরামর্শ সভা (Heat Wave Anticipatory Action Community Consultation) আয়োজন করে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বগুড়া সদরের তাপমাত্রার প্রবণতা বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে যে, ২০২৬ সালে বগুড়া জেলা তাপদাহের ঝুঁকিতে থাকা এলাকাগুলোর মধ্যে অন্যতম হতে পারে| এ প্রেক্ষাপটে আয়োজিত এই পরামর্শ সভায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার স্থানীয় মানুষ অংশগ্রহণ করেন। তাঁরা জেলায় তীব্র গরমের অভিজ্ঞতা, ঝুঁকির লক্ষণ, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠী এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।

পরামর্শ সভায় অংশগ্রহণকারীরা জানান, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাপদাহের তীব্রতা ও স্থায়িত্ব আগের তুলনায় বেড়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে তীব্র গরম থাকলে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়ে এবং জীবিকার ওপরও এর প্রভাব পড়ে। বিশেষ করে দিনমজুর, কৃষিশ্রমিক, রিকশাচালক, পরিবহন শ্রমিকসহ বাইরে কাজ করা মানুষ বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। পাশাপাশি বয়স্ক ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতায় ভোগা মানুষদেরও অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

অংশগ্রহণকারীরা জানান, তাপদাহের তীব্রতা তারা দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন লক্ষণ থেকে বুঝতে পারেন, যেমন অত্যন্ত গরম বাতাস, ঘরের ভেতরে অসহনীয় তাপমাত্রা, মাটির তাপ বৃদ্ধি, অতিরিক্ত ঘাম, মাথা ঘোরা, দুর্বলতা এবং মানুষের বেশি অসুস্থ হয়ে পড়া। অনেকেই বলেন, যখন ছায়ায় থাকলেও শিশু ও বয়স্কদের অস্বস্তি কমে না বা পশুপাখি অস্থির হয়ে পড়ে, তখন পরিস্থিতির তীব্রতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

তীব্র গরমের সময় মানুষ সাধারণত বেশি পানি পান করা, দুপুরের সময় বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলা এবং ছায়াযুক্ত স্থানে বিশ্রাম নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে অনেক অংশগ্রহণকারী উল্লেখ করেন যে, দারিদ্র্যের কারণে অনেকের পক্ষে এসব সতর্কতা পুরোপুরি মেনে চলা সম্ভব হয় না; কারণ কাজ বন্ধ করলে তাদের দৈনিক আয়ের ওপর প্রভাব পড়ে।

পরামর্শ সভায় তাপদাহ সম্পর্কিত আগাম সতর্কবার্তা সহজ ভাষায় মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্বের ওপর জোর দেওয়া হয়। অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন, সময়মতো তথ্য পেলে মানুষ আগেই প্রস্তুতি নিতে পারবে এবং ঝুঁকি কমাতে পারবে।

কমিউনিটি সদস্যরা তাপদাহ মোকাবিলায় নিরাপদ পানির ব্যবস্থা, ওরস্যালাইন, তাপজনিত অসুস্থতা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারের জন্য সহায়তা এবং দিনের সবচেয়ে গরম সময় বাইরে কাজ কমানোর মতো বাস্তবসম্মত পদক্ষেপের পরামর্শ দেন।

পরামর্শ সভায় আরও উঠে আসে যে, তাপদাহ মোকাবিলায় শুধু পরিবারভিত্তিক উদ্যোগই নয়, কমিউনিটি পর্যায়েও প্রস্তুতি প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রতিষ্ঠান, স্বেচ্ছাসেবক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং কমিউনিটি সংগঠনগুলোকে আগাম সতর্কবার্তা ছড়িয়ে দেওয়া, ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।

এই পরামর্শ সভা থেকে প্রাপ্ত মতামত ও অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে তাপদাহ মোকাবিলায় একটি কার্যকর Heat Wave Anticipatory Action পরিকল্পনা প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকরা মনে করেন।

13/03/2026

এসকেএস শুরু করলো লেখাপড়ার পাশাপাশি আবহাওয়া শিক্ষা।

মাসিক স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনায় অংশীজনদের ভূমিকা শীর্ষক সংলাপ অনুষ্ঠিত।FANSA বাংলাদেশ (সচিবালয় এসকেএস ফাউন্ডেশন)- আয়োজি...
11/03/2026

মাসিক স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনায় অংশীজনদের ভূমিকা শীর্ষক সংলাপ অনুষ্ঠিত।

FANSA বাংলাদেশ (সচিবালয় এসকেএস ফাউন্ডেশন)- আয়োজিত “Dialogue on Stakeholders’ Role in MHM Promotion” অর্থাৎ “মাসিক স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনায় অংশীজনদের ভূমিকা” শীর্ষক এ সংলাপ আজ ১১ মার্চ ২০২৬ গাইবান্ধার এসকেএস ইন্‌-এ অনুষ্ঠিত হয়।

মাসিক মানবজাতির অস্তিত্বের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। মাসিক না হলে মানুষের জন্মও সম্ভব নয়। তবুও এই বিষয়টিকে অবহেলা করা হয়- এমন মন্তব্য উঠে এসেছে গাইবান্ধায় অনুষ্ঠিত এক সংলাপে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে গাইবান্ধা সদর উপজেলার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মোঃ নাজমুল হুদা বলেন, ”মাসিক মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য অপরিহার্য একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হলেও সামাজিক সংকোচের কারণে বিষয়টি এখনো খোলামেলা আলোচনায় আসে না। তাই এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি।” বিশেষ অতিথি জেলা শিক্ষা অফিসার মো. আতাউর রহমান বলেন, ”বিদ্যালয়গুলোতে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। তবে সচেতনতা ছাড়া কেবল উপকরণ দিয়ে মানুষের অভ্যাস পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।”

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনায় গাইবান্ধা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা পুলক কুমার চক্রবর্তী বলেন, “মাসিক স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনা নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্যসম্মত উপকরণ ব্যবহার, পরিষ্কার পানি ও সাবানের প্রাপ্যতা এবং নিরাপদ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত না হলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।” তিনি উল্লেখ করেন, দেশে প্রতি ৯ জন নারীর মধ্যে মাত্র ১ জন স্যানিটারি প্যাড বা ন্যাপকিন ব্যবহারের সুযোগ পান। আর গ্রামীণ এলাকার প্রায় ৯০% নারী পুরোনো কাপড়ের টুকরো ব্যবহার করেন। একই সঙ্গে অনেক কিশোরী প্রথম পিরিয়ডের আগে মাসিক সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা পায় না। বন্যা বা অন্যান্য দুর্যোগের সময় এই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রতিবন্ধী নারীরা মাসিক ব্যবস্থাপনায় আরও বেশি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েন।

প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন গাইবান্ধা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. হারুন অর রশিদ, দৈনিক মাধুকর পত্রিকার সম্পাদক এবং গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সভাপতি কে. এম. রেজাউল হক, এসকেএস স্কুল অ্যান্ড কলেজের উপাধ্যক্ষ ড. অনামিকা সাহা এবং লেখক ও সাবেক অধ্যাপক নাসরিন সুলতানা রেখা। প্যানেল আলোচনায় তাঁরা বলেন, মাসিক স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনা নারীর বিষয় হলেও এখানে পুরুষের সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। মাসিক একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এটা মেনে নিতেই আমাদের সংকোচ রয়েছে। তাই তো এতে পরিবারের কোনো বাজেট থাকে না।” বর্তমানে প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যেও মাসিক শুরু হওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তাই মাসিক স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনাকে গুরুত্ব দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের বই সরবরাহের মতো করে ছাত্রীদের মধ্যে প্যাড বিতরণ করা প্রয়োজন। মাসিককে লজ্জার বিষয় না ভেবে স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া হিসেবে সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করা জরুরি।

মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা জানান, গাইবান্ধার অনেক গ্রামীণ ও চরাঞ্চলে স্যানিটারি প্যাড সহজলভ্য নয়। তাই এসব এলাকায় প্যাড সরবরাহ নিশ্চিত করতে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যবসায়িক উদ্যোগ গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।

FANSA বাংলাদেশ- এর সমন্বয়কারী জেভিয়ার স্কু’র স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া সংলাপে জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ, শিক্ষা বিভাগ, পৌরসভা, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, নারী, যুব ও ইউনিয়ন পরিষদ- এর প্রতিনিধিসহ প্রায় ৪০ জন অংশগ্রহণ করেন। সংলাপে সভাপতিত্ব করেন এসকেএস ফাউন্ডেশনের অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের পরিচালক এবং FANSA Bangladesh- এর কনভেনার যোসেফ হালদার।

আজ ১০ মার্চ ২০২৬, জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস। এ বছর দিবসটি প্রতিপাদ্য “দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব, তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব...
10/03/2026

আজ ১০ মার্চ ২০২৬, জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস। এ বছর দিবসটি প্রতিপাদ্য “দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব, তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব।” বাংলাদেশ দুর্যোগপ্রবণ দেশ। দুর্যোগে মানুষের জীবন ও জীবিকা দুটোই বিপন্ন হয়। তবে সময়োপযোগী প্রস্তুতি ও সচেতনতা এই বিপন্নতা অনেকাংশেই কমিয়ে আনতে পারে। আর এই প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে দেশের তরুণ সমাজ। তারা সচেতন, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সক্রিয় হলে দুর্যোগ প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা সহজ হয়ে যায়।

এসকেএস ফাউন্ডেশন দুর্যোগ প্রস্তুতিতে মাঠপর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো স্থানীয় তরুণদের নিয়ে দুর্যোগ স্বেচ্ছাসেবী দল গঠন। এসব দলের সদস্যরা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর তরুণ, যাদের নির্বাচন করে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে এবং উদ্ধারকাজে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়েছে। তৈরি করা হয়েছে একটি ‘রিসোর্স পুল’।

দুর্যোগ প্রস্তুতিতে একটা বড় কাজ মানুষকে সচেতন করা। সচেতন মানুষই দুর্যোগের আগেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারে। এ কারণে মাঠপর্যায়ে আলোচনা সভা, র‌্যালি ও বিভিন্ন প্রচারণা কার্যক্রমের পাশাপাশি গণমাধ্যমেও সচেতনতামূলক লেখা প্রকাশ করা হচ্ছে। সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়েছে একটি বিশেষ ক্রোড়পত্র।
ক্রোড়পত্রটির লিঙ্কঃ https://emadhukar.com/?Page=100320264

Address

Dhanghara
5700

Opening Hours

Monday 09:00 - 05:00
Tuesday 09:00 - 05:00
Wednesday 09:00 - 05:00
Thursday 09:00 - 05:00
Sunday 09:00 - 05:00

Telephone

+88002588877630

Website

https://www.youtube.com/@SKSFoundation, https://www.instagram.com/sksfoundation.bd/

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SKS Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to SKS Foundation:

Share