SKS Foundation

SKS Foundation SKS Foundation: Striving for a Sustainable Change It started development work for the poor and marginalized people through different program interventions.

SKS Foundation is a long reputed national NGO engaged in service delivery and rights based activities for disadvantaged hardcore poor people for their quality life and livelihoods. With this exposure, the expectation from civil society, private and public organizations remain high such that SKS Foundation provides a top quality service to the increasing numbers of very poor and chars dwellers in B

angladesh since 1987. The growth and development of SKS Foundation is the joint effort of a few local self-devoted young men and women, social workers from various academic disciplines. Our Mission:

SKS Foundation works with the poor communities in order to improve socio-economic status, promote gender equality and bring positive changes in the society through close collaboration with government line departments, local government and administration, civil societies, NGOs, private sectors, development partners and other stakeholders.

প্রতিটি হাসি, প্রতিটি স্মৃতি আর আপনাদের আন্তরিক সমর্থনই SKS Inn-কে 𝐑𝐞𝐬𝐨𝐫𝐭 হিসেবে বিশেষ করে তোলে। আপনাদের ভালোবাসা, আস্থা...
10/06/2026

প্রতিটি হাসি, প্রতিটি স্মৃতি আর আপনাদের আন্তরিক সমর্থনই SKS Inn-কে 𝐑𝐞𝐬𝐨𝐫𝐭 হিসেবে বিশেষ করে তোলে। আপনাদের ভালোবাসা, আস্থা ও সমর্থনেই SKS Inn আজ South Asian Travel Awards 2026 (SATA) -এর মনোনীতদের তালিকায়। যা আপনাদের ভালোবাসারই স্বীকৃতি। এই মনোনয়নকে চূড়ান্ত সাফল্যে রূপ দিতে আপনাদের মূল্যবান ভোট ও সমর্থন একান্ত কাম্য।

আপনাদের প্রতিটি ভোট শুধু একটি সংখ্যা নয়; এটি SKS Inn এর প্রতি আপনাদের বিশ্বাসের প্রতিফলন। চলুন, একসাথে এই সম্মান অর্জনের পথে এগিয়ে যাই।

নিন্মে উল্লেখিত তিনটি ক্যাটেগরিতে আপনার মূল্যবান ভোট কনফার্ম করতে নিচের লিংকগুলোতে ক্লিক/ট্যাপ করুন:

𝟏. 𝐋𝐞𝐚𝐝𝐢𝐧𝐠 𝐅𝐚𝐦𝐢𝐥𝐲 𝐑𝐞𝐬𝐨𝐫𝐭
https://southasiantravelawards.com/vote/2260/sks-inn-resort-2026?category_id=78

𝟐. 𝐌𝐨𝐬𝐭 𝐑𝐨𝐦𝐚𝐧𝐭𝐢𝐜 𝐑𝐞𝐬𝐨𝐫𝐭
https://southasiantravelawards.com/vote/2260/sks-inn-resort-2026?category_id=18

𝟑. 𝐋𝐞𝐚𝐝𝐢𝐧𝐠 𝐄𝐜𝐨-𝐅𝐫𝐢𝐞𝐧𝐝𝐥𝐲 𝐑𝐞𝐬𝐨𝐫𝐭
https://southasiantravelawards.com/vote/2260/sks-inn-resort-2026?category_id=77

একটি ইমেইল অ্যাড্রেস ব্যবহার করে উল্লিখিত তিনটি ক্যাটেগরিতেই একবার করে ভোট প্রদান করা যাবে।

আপনার একাধিক ইমেইল অ্যাড্রেস থাকলে, প্রতিটি ইমেইল ব্যবহার করে পুনরায় তিনটি ক্যাটেগরিতেই ভোট দিতে পারবেন।

আপনার সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।

আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস।প্রকৃতি নিজেই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। প্রাণীরা পরিবেশে কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করে। গাছপালা স...
05/06/2026

আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস।

প্রকৃতি নিজেই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। প্রাণীরা পরিবেশে কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করে। গাছপালা সেই কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে অক্সিজেন নিঃসরণ করে, যা প্রাণীকুল গ্রহণ করে জীবন বাঁচায়। প্রকৃতির এই পারস্পরিক নির্ভরশীলতার বাস্তবতায় সচেতন থেকে মানুষকেও জলবায়ু ও পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে এ বছরের পরিবেশ দিবস উদযাপনে। “Inspired by Nature. For Climate. For Our Future.” এই প্রতিপাদ্য বা আহ্বানকে কেন্দ্র করে আজ ৫ জুন বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬।

পরিবেশ সংরক্ষণে এসকেএস ফাউন্ডেশন তার জন্মলগ্ন থেকেই অত্যন্ত সচেতন। মাঠপর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, নানা পরিবেশবান্ধব ও দুর্যোগ প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। পাশাপাশি গণমাধ্যমেও পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষায় প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। তারই অংশ হিসাবে এসকেএস আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবসে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করেছে একটি বিশেষ ক্রোড়পত্র।
ক্রোড়পত্রটির লিংকঃ https://emadhukar.com/?Page=050620264

বন্যা ও নদীভাঙ্গন কবলিত পরিবারের মাঝে কোরবানির মাংস বিতরণ।গাইবান্ধার সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার বন্যা ও নদীভাঙ্গন কবলিত এলা...
29/05/2026

বন্যা ও নদীভাঙ্গন কবলিত পরিবারের মাঝে কোরবানির মাংস বিতরণ।

গাইবান্ধার সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার বন্যা ও নদীভাঙ্গন কবলিত এলাকার ৪ হাজার ২০০ প্রান্তিক পরিবারের মধ্যে কোরবানির মাংস বিতরণ করা হয়েছে। আজ ২৯ মে ২০২৬ সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী, সাঘাটা, মুক্তিনগর, জুমারবাড়ী ও কামালেরপাড়া ইউনিয়ন এবং ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া, ফুলছড়ি, উড়িয়া ও উদাখালী মোট ৯টি ইউনিয়নের প্রান্তিক পরিবারের মাঝে এই মাংস বিতরণ করা হয়।

সাঘাটা ইউনিয়নে এসকেএস রিসোর্ট সেন্টার, জুমারবাড়ীর GKS অফিস ও ফুলছড়ি উপজেলার বুড়াইল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ মাঠ এই তিনটি পৃথক বিতরণ কেন্দ্র থেকে প্রতিটি পরিবারকে দুই কেজি করে মাংস বিতরণ করা হয়। ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশের সহায়তায় এসকেএস ফাউন্ডেশন এই কর্মসূচির আয়োজন করে।

জুমারবাড়ীর GKS অফিস প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত মাংস বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল ওয়ারেছ। জিকেএস-এর নির্বাহী পরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জুমারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম।

অন্যদিকে বুড়াইল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফুলছড়ি উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা কামাল পাশা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বুড়াইল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ-এর অধ্যক্ষ মোঃ ইব্রাহীম আকন্দ সেলিম।

এছাড়া ভরতখালীর এসকেএস রিসোর্ট সেন্টার মাংস বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এসকেএস ফাউন্ডেশনের ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামস এর উপপরিচালক খন্দকার জাহিদ সরোওয়ার ও ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশের সহকারি প্রজেক্ট অফিসার মো. আহসান হাবীব।

এসকেএস ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চরাঞ্চল ও নদীভাঙ্গন কবলিত এলাকার অসহায় পরিবারগুলোর সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষের ভোগান্তি কমাতে এবারেই প্রথম তিনটি পৃথক বিতরণ কেন্দ্র থেকে মাংস বিতরণ করা হয়েছে।

ঈদ মোবারক!
27/05/2026

ঈদ মোবারক!

দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও অভিযোজন মেলা অনুষ্ঠিত। দুর্যোগ মোকাবিলার নানা তথ্য, চিত্র প্রদর্শনী, আলোচনা সভা, সচেতনতামূলক নাটিক...
20/05/2026

দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও অভিযোজন মেলা অনুষ্ঠিত।

দুর্যোগ মোকাবিলার নানা তথ্য, চিত্র প্রদর্শনী, আলোচনা সভা, সচেতনতামূলক নাটিকা, স্টল প্রদর্শনী ও কুইজ প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে গাইবান্ধায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও অভিযোজন মেলা ২০২৬’। জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এসকেএস ফাউন্ডেশন ও কেয়ার বাংলাদেশ যৌথভাবে এ মেলার আয়োজন করে। Promoting Disaster Ready Inclusive Preparedness towards Adaptation (PRODRIPTA) প্রজেক্ট এর আওতায় ১৯ মে ২০২৬ শহরের স্বাধীনতা প্রাঙ্গণে এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক, গাইবান্ধা মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ দুর্যোগ মোকাবিলায় বিশ্বে রোল মডেল। আমাদের সক্ষমতাকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে হলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এবং গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. লোকমান হোসেন দুর্যোগ সম্পর্কে মানুষকে সচেতনতার পাশাপাশি দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও অভিযোজন বিষয়ে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে দুর্গত মানুষের মধ্যে সেতুবন্ধনের উপর গুরুত্বারোপ করেন। এই মেলাকে সেবাদাতা ও সেবাগ্রহীতার মধ্যে সেতুবন্ধ হিসেবেও তারা উল্লেখ করেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন এসকেএস ফাউন্ডেশনের ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামস- এর উপপরিচালক খন্দকার জাহিদ সরোওয়ার। সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন কেয়ার বাংলাদেশের PRODRIPTA & Humanitarian and Climate Action Program এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার এস এম জগলুল রাজিব।

মেলায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, প্রাণিসম্পদ, মৎস্য, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, কেয়ার বাংলাদেশ, এসকেএস ফাউন্ডেশন, ব্র্যাক, ওয়ার্ল্ড ভিশন, ফ্রেন্ডশিপ ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিরসহ সরকারি ও বেসরকারি মোট ২০টি দপ্তর ও সংস্থা প্রদর্শনী স্টলসহ অংশ নেন। মোল্লারচর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. সাইদুজ্জামান সরকার, এসকেএস ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন বিভাগ ও প্রকল্পের কর্মকর্তা এবং ৬টি ইউনিয়নের দুর্যোগ স্বেচ্ছাসেবকসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ মেলায় উপস্থিত ছিলেন।

মেলায় দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রায় সহস্রাধিক দর্শনার্থী বিভিন্ন স্টল পরিদর্শণ ও তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি মেলায় আয়োজিত বিভিন্ন কার্যক্রম উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, গাইবান্ধা বন্যা ও নদীভাঙনপ্রবণ জেলা হওয়ায় এখানকার মানুষের মধ্যে দুর্যোগ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোরই ছিল এই মেলা আয়োজনের উদ্দেশ্য।

কর্মসংস্থান মেলায় চাকুরির সুযোগ পেলেন গাইবান্ধার তরুণেরা।তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে গাইবান্ধায় অনুষ...
09/05/2026

কর্মসংস্থান মেলায় চাকুরির সুযোগ পেলেন গাইবান্ধার তরুণেরা।

তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে গাইবান্ধায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘কর্মসংস্থান মেলা-২০২৬। আজ ৯ মে ২০২৬ শহরের স্বাধীনতা প্রাঙ্গণে এসকেএস ফাউন্ডেশন এই মেলার আয়োজন করে । পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এর সহায়তায় বাস্তবায়িত Recovery and Advancement of Informal Sector Employment (RAISE) প্রকল্পের আওতায় এই মেলার আয়োজন করা হয়।

মেলা উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক, গাইবান্ধা, মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা এবং মেলা উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন এসকেএস ফাউন্ডেশনের অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের পরিচালক যোসেফ হালদার। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) যাদব সরকার। স্বাগত বক্তব্য দেন এসকেএস ফাউন্ডেশনের ফিল্ড অপারেশন সমন্বয়কারী বাহারাম খান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদর রহমান মোল্লা বলেন, তরুণদের বড় স্বপ্ন দেখতে হবে। নিজের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি ভবিষ্যতে অন্যের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) যাদব সরকার বলেন, নেতিবাচক কথায় নিরুৎসাহিত না হয়ে দক্ষতা অর্জনের প্রতি মনোযোগী হতে হবে। নিজেকে গড়ে তুলতে হবে।

আলোচনায় কর্মপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বক্তব্য রাখেন এসিআই প্লাস্টিকের মানবসম্পদ বিভাগের প্রতিনিধি মো. মতিউর রহমান। তিনি বলেন, শিল্পপ্রতিষ্ঠানে দক্ষ কর্মীর চাহিদা রয়েছে। তবে এক্ষেত্রে শুধু কাজের দক্ষতা নয়, যোগাযোগ ও আচরণগত দক্ষতা দিকেও নজর দিতে হবে।

এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন স্থানীয় নারী উদ্যোক্তা, প্রশিক্ষক ও জয়িতা বিজয়ী হোসেনে আরা বেগম এবং প্রশিক্ষণার্থীগণ। তারা তাদের জীবনের সংগ্রাম, সফলতা ও আত্নপ্রত্যয়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

সমাপনী বক্তব্যে এসকেএস ফাউন্ডেশনের অ্যাডভোকেন্সি অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের পরিচালক যোসেফ হালদার বলেন, দেশে দক্ষ জনশক্তির চাহিদা বাড়ছে। সেই চাহিদা পূরণে এসকেএস ফাউন্ডেশন কাজ করছে।

আয়োজকেরা জানান, ”RAISE প্রকল্পের আওতায় ১২টি ট্রেডে ৮৬৫ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৩০০ জন ইতিমধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন; ২১৯ জন স্ব-কর্মসংস্থানে রয়েছেন। অবশিষ্ট দুই শতাধিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চাকরি প্রার্থীদের জন্যই এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের ১৪টি প্রতিষ্ঠান এই মেলায় অংশগ্রহণ করেন এবং চাকুরিপ্রার্থীদের নিবন্ধন ও তাদের বায়োডাটা সংগ্রহ করেন। চাকুরিপ্রার্থীদের নিবন্ধন ও যাচাই বাছাই শেষে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান মেলা থেকেই নিয়োগপত্র প্রদান করেন।”

‘Rapid Response- Gobindaganj’ প্রকল্পের শিখন কর্মশালা অনুষ্ঠিত।দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের বিষয়ে তথ্য প্রাপ্তি ও সংগ্রহ কঠিন...
07/05/2026

‘Rapid Response- Gobindaganj’ প্রকল্পের শিখন কর্মশালা অনুষ্ঠিত।

দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের বিষয়ে তথ্য প্রাপ্তি ও সংগ্রহ কঠিন, তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহের আন্তরিক সহায়তা থাকলে তা সহজতর হয়, সহজতর হয় সহায়তা কার্যক্রম। সঠিক তথ্যের উপর প্রকল্প যাচাইও সহজতর হয়। ’Rapid Response for Storm-Affected Community in Rajahar Union, Gobindaganj, Gaibandha প্রকল্পের ‘Lesson-Learned Workshop’ অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ ৭ মে ২০২৬। এসকেএস ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এবং Start Fund Bangladesh এর সহযোগিতায় এসকেএস ইন-এর বালাসী সভাকক্ষে এই শিখন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রকল্পের আওতায় রাজাহার ইউনিয়নে ঘটে যাওয়া ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত সরকারি সহায়তার বাইরে থাকা নির্বাচিত ক্ষতিগ্রস্ত ৩০০ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ ও পরামর্শ সহায়তা প্রদান করা হয়। কর্মশালায় সেই প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলায় করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

এসকেএস ফাউন্ডেশনের ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামস- এর উপপরিচালক খন্দকার জাহিদ সরোওয়ার- এর সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম। প্রকল্প বিষয়ক উপস্থাপনা করেন সমন্বয়কারী শাহ মো. হারুন-অর-রশিদ।

কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে দ্রুত সহায়তা পৌঁছানোই প্রধান চ্যালেঞ্জ। এসকেএস ফাউন্ডেশন ও স্টার্ট ফান্ড বাংলাদেশ অত্যন্ত স্বল্প সময়ে ক্ষতিগ্রস্তদের চিহ্নিত করে যেভাবে পাশে দাঁড়িয়েছে, তা প্রশংসনীয়। বিশেষকরে মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছানোর প্রক্রিয়াটি ছিল স্বচ্ছ ও কার্যকর।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দ্রুত সাড়া প্রদানে স্থানীয় ভলান্টিয়ারদের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। তবে দুর্যোগের পরপরই যোগাযোগ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা এবং সঠিক তথ্য সংগ্রহে কিছু সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে। এছাড়া সরকারি ছুটির দিনে বিভিন্ন দপ্তর থেকে তথ্য সংগ্রহ করাও কঠিন হয়ে পড়ে বলে তারা উল্লেখ করেন।
কর্মশালায় উপস্থিত রাজাহার ইউনিয়নের কয়েকজন প্রকল্প অংশগ্রহণকারী তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তারা জানান, ঝড়ে ঘরবাড়ি হারিয়ে যখন তারা দিশেহারা ছিলেন, তখন এই প্রকল্পের আওতায় পাওয়া নগদ অর্থ ও পরামর্শ সহায়তা দিয়ে তারা দ্রুত মাথা গোঁজার ঠাঁই করে নিতে পেরেছেন।

কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবি সংগঠনের প্রতিনিধি, ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য, সাংবাদিক, এসকেএস ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন বিভাগ ও প্রকল্পের কর্মকর্তা, সেভ দ্য চিলড্রেন বাংলাদেশের প্রতিনিধি এবং প্রকল্প অংশগ্রহণকারীগণ অংশ নেন।

বিসিসি ক্যাম্পেইন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কৌশল বিষয়ক আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত।BD Rural WASH for HCD প্রকল্পের বর্তমান অগ্রগ...
28/04/2026

বিসিসি ক্যাম্পেইন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কৌশল বিষয়ক আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত।
BD Rural WASH for HCD প্রকল্পের বর্তমান অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণে অনুষ্ঠিত হলো বিসিসি (বিহেভিয়ার চেঞ্জ কমিউনিকেশন) ক্যাম্পেইন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কৌশল বিষয়ক আঞ্চলিক কর্মশালা। আজ ২৮ এপ্রিল ২০২৬ গাইবান্ধার এসকেএস ইন- এ এসকেএস ফাউন্ডেশন এই কর্মশালার আয়োজন করে। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এর সহায়তায় BD Rural WASH for HCD প্রকল্পের আওতায় কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে এসকেএস ফাউন্ডেশনের ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির শাখা ব্যবস্থাপক ও এরিয়া ব্যবস্থাপকসহ মোট ৯২ জন অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিকেএসএফ-এর মহাব্যবস্থাপক (কার্যক্রম) ও প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. আবদুল মতীন।
এসকেএস ফাউন্ডেশনের অর্থ পরিচালক খোকন কুমার কুন্ডু এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় আরো উপস্থিত ছিলেন এসকেএস ফাউন্ডেশনের ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির পরিচালক এমরান কবির এবং পিকেএসএফ-এর প্রোগ্রাম সাপোর্ট কনসালটেন্ট মো. আসাদুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. আবদুল মতীন বলেন, সবার জন্য স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ও নিরাপদ পানির নিশ্চয়তা প্রদান পিকেএসএফ-এর অন্যতম অগ্রাধিকার। তিনি জানান, উন্নয়ন সহযোগী বিশ্বব্যাংক ও এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পটি ভবিষ্যতে নিজস্ব তহবিল থেকে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে, যা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি)-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
কর্মশালার আলোচনায় বক্তারা বলেন, পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি (ওয়াশ) খাতে মানুষের আগ্রহ ও চাহিদা রয়েছে। সেটিকে জাগিয়ে তুলতে হবে। এক্ষেত্রে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ও আচরণগত পরিবর্তনে প্রকল্পের বিসিসি কার্যক্রম ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে। আর স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ও নিরাপদ পানির চাহিদা তৈরি হলেই এই প্রকল্পের লক্ষ্য অর্জিত হবে।

কর্মশালায় বক্তাগণ বিসিসি কার্যক্রম আরও জোরদার, মাঠপর্যায়ে তদারকি বৃদ্ধি, এবং চাহিদা তৈরিতে কৌশলী হওয়ার উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

অনুষ্ঠানে বিসিসি ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন, স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন স্থাপন ও বিশুদ্ধ পানির সংযোগ সম্প্রসারণে সর্বোচ্চ অবদান রাখায় ১৩ জন ব্যবস্থাপককে সম্মাননা সূচক ব্যাজ প্রদান করা হয়।

27/04/2026

এসকেএস এর সহযোগিতায় গ্লাডিওলাস ফুল চাষে শিল্পী বেগম পরিবারের আলোড়ন সৃষ্টি।

‘Water Rights in Bangladesh’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত।FANSA Bangladesh এবং তার সচিবালয় এসকেএস ফাউণ্ডেশন, ইউনাইটেড ই...
26/04/2026

‘Water Rights in Bangladesh’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত।

FANSA Bangladesh এবং তার সচিবালয় এসকেএস ফাউণ্ডেশন, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’র (ইউআইইউ) CSIRS-UIU এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ITN-BUET- এর যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো ‘Water Rights in Bangladesh’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনার। সেমিনারটি গতকাল ২৫ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার, সকাল ১০টায় ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’র মাল্টিপারপাস হল-এ অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব ফরহাদ হোসেন আজাদ, এমপি। সম্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সমাজ চিন্তাবিদ, ব্র্যাকের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান এবং পিপিআরসি’র প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ পলিসি সাপোর্ট শাখার যুগ্ম সচিব জনাব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মজুমদার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’র ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: আবুল কাশেম মিয়া। সেমিনারে ২টি প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন CSIRS-UIU’র পরিচালক প্রফেসর ড. মো: মুজিবুর রহমান এবং ITN-BUET’র পরিচালক প্রফেসর ড. রওশন মমতাজ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জনাব ফরহাদ হোসেন আজাদ, এমপি, তাঁর বক্তব্যে তিনি দেশজুড়ে ন্যায্য ও টেকসই পানি বণ্টন নিশ্চিত করার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তিনি পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ, জলবায়ু-জনিত প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সরকারের চলমান উদ্যোগগুলোর ওপর আলোচনা করেন। এছাড়াও তিনি, পানি নিরাপত্তা জাতীয় উন্নয়নের সঙ্গে জড়িত এবং তথ্যভিত্তিক নীতি-প্রণয়নের জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাঙ্গন ও নাগরিক সমাজের মধ্যে শক্তিশালী সহযোগিতার আহ্বান জানান।

সম্মানিত অতিথি ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, তাঁর বক্তব্যে তিনি পানির অধিকারকে শুধু একটি সম্পদগত বিষয় হিসেবে নয়, বরং সামাজিক ন্যায়বিচার ও সুশাসনের বিষয় হিসেবে দেখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশে কার্যকর পানি নীতি প্রণয়নে গবেষণা এবং তথ্যভিত্তিক অন্তর্দৃষ্টির ক্রমবর্ধমান গুরুত্বের ওপরও আলোকপাত করেন।

সেমিনারে বক্তারা বিশ্ব পানি দিবস ২০২৬-এর প্রতিপাদ্য ‘পানি ও জেণ্ডারঃ যেখানে পানির প্রবাহ, সেখানেই সমতার বিকাশ’-এর সাথে সঙ্গতি রেখে বাংলাদেশে পানি ব্যবস্থাপনার জন্য একটি অধিকারভিত্তিক পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তার উপর বিস্তারিত আলোকপাত করেন। পাশাপাশি ৭ জন প্যানেল আলোচক বাংলাদেশে পানি অধিকার প্রতিষ্ঠায় অন্তরায় এবং করনীয় সম্পর্কে তাঁদের সুপারিশসমূহ তুলে ধরেন।

সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’র উপাচার্য প্রফেসর ড. মো: আবুল কাসেম মিয়া বলেন, পানি অধিকারের মতো জাতীয় বিষয়াবলীতে গবেষণা, উদ্ভাবন এবং নীতিগত সংলাপ প্রসারে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও তিনি বলেন, এই সেমিনারটি বাংলাদেশে পানি ব্যবস্থাপনার জন্য টেকসই সমাধান তৈরিতে কার্যকর দিক-নির্দেশনা দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, পানি বিশেষজ্ঞ, বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী এবং সাংবাদিকসহ প্রায় ২৫০ জন অংশগ্রহণকারী সেমিনারটি উপভোগ করেন।

Address

Dhanghara
5700

Opening Hours

Monday 09:00 - 05:00
Tuesday 09:00 - 05:00
Wednesday 09:00 - 05:00
Thursday 09:00 - 05:00
Sunday 09:00 - 05:00

Telephone

+88002588877630

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SKS Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to SKS Foundation:

Share