চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র

চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র উন্নত রুচি চাই, বিকশিত জীবন চাই। সমাজপ্রগতির আন্দোলনের পরিপূরক সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তোলাই "চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের" উদ্দ্যেশ্য...

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতারিখ- ১৯/১২/২৫ ইংঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানট সংস্কৃতি ভবন ও উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় কা...
19/12/2025

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
তারিখ- ১৯/১২/২৫ ইং

ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানট সংস্কৃতি ভবন ও উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ভাঙ্গচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ক্ষোভ ও নিন্দা জ্ঞাপন

চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্দ্রাণী ভট্টাচার্য এক বিবৃতিতে বলেন- 'গণঅভ্যুত্থান ও তৎপরবর্তী সক্রিয় ও সাহসী ভূমিকা পালনকারী ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই। প্রতিবাদ বিক্ষোভে উত্তাল গোটা দেশ। কিন্তু আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করলাম বিক্ষোভের নামে একদল উগ্র গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানট সংস্কৃতি ভবন ও উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ভাঙ্গচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। ওসমান হাদীর হত্যার ঘটনার সাথে কোন প্রকার সম্পর্ক না থাকলেও খুবই উদ্যেশ্যমূলকভাবে এসকল সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং কয়েকটি সংবাদপত্র কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করে। আমরা দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা এসকল সাংস্কৃতিক সংগঠন কার্যালয়ে আক্রমণের তীব্র নিন্দা জানাই। আমরা অবাক হয়ে লক্ষ্য করছি ঘোষণা দিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে এসকল হামলা অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটলেও সরকার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করে নি। সরকারের এই ভুমিকা অত্যন্ত নিন্দনীয়। সাংস্কৃতিক সংগঠনসমুহে এধরনের হামলা দেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি চর্চার জন্য হুমকি। আমরা অবিলম্বে এধরণের হামলা বন্ধে এবং হামলা, ভাংচুর, লুটপাট, অগ্নিসংযোগে জড়িতদের গ্রেফতার করতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহবান জানাই। '

বার্তা প্রেরক-
সুস্মিতা রায়
সদস্য, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতারিখ- ২৪/১১/২৫ ইংবাউল শিল্পী আবুল সরকারের মুক্তি দাবি চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রেরপালাগানের মাধ্যমে ধর্ম অব...
24/11/2025

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
তারিখ- ২৪/১১/২৫ ইং

বাউল শিল্পী আবুল সরকারের মুক্তি দাবি চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের

পালাগানের মাধ্যমে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গত ১৯ নভেম্বর রাতে মাদারীপুরের একটি গানের আসর থেকে বাউল শিল্পী আবুল সরকারকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। পরে 'তৌহিদী জনতার' চাপে দ্রুতগতিতে করা মামলায় তাকে কারাগারে পাঠায় আদালত। দেশের প্রখ্যাত একজন বাউল শিল্পীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদ ও মুক্তির দাবি জানিয়ে এক বিবৃতিতে চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্দ্রাণী ভট্টাচার্য সোমা বলেন- 'পালাগান আমাদের দেশের সমৃদ্ধ সঙ্গীত ধারার অন্যতম অংশ। পালাগানে শিল্পীরা বিভিন্ন দার্শনিক বিষয় নিয়ে গানের মাধ্যমে বিতর্ক করে শ্রোতাদের বিনোদন দেন এবং সচেতন করেন। সেরকম 'জীব-পরম' পালার একটি ছোট অংশের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ছড়িয়ে আবুল সরকারের বিরুদ্ধে মব তৈরি করা হয়েছে এবং তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমরা একজন শিল্পীর গানের পূর্বাপর পরিপ্রেক্ষিত বিবেচনা না করে মবের প্ররোচনায় গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা জানাই। গত কয়েকবছরে এভাবে অনেক শিল্পীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, গানের আসরে হামলা করা হয়েছে, শারিরীকভাবে আঘাত করা হয়েছে। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তীতে মাজারে হামলা, ভাংচুর, গানের আসরে হামলা অনেকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। পূর্বের আওয়ামীলীগ সরকারও এসকল হামলা মামলার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয় নি। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী অন্তরবর্তী সরকারও হামলা, আক্রমণ, মামলা বন্ধ করার কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। বরং অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে সরকার মব সৃষ্টিকারীদের পক্ষ অবলম্বন করছে। আমরা অনতিবিলম্বে ভিন্নমতাবলম্বী মানুষের ধর্মীয় সাংস্কৃতিক চর্চার উপর মধ্যযুগীয় এই আক্রমণ বন্ধের এবং মিথ্যা অভিযোগে আটককৃত বাউল শিল্পী আবুল সরকারের মুক্তির দাবি জানাই। '

বার্তা প্রেরক-
সুস্মিতা রায় সুপ্তি
সদস্য
চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র
মোবাইল - 01671944224

'লালন সম্রাজ্ঞী' খ্যাত শিল্পী ফরিদা পারভীন আজ মৃত্যুবরণ করেছেন। চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পক্ষ থেকে তাঁর মৃত্যুতে গভীর শ...
13/09/2025

'লালন সম্রাজ্ঞী' খ্যাত শিল্পী ফরিদা পারভীন আজ মৃত্যুবরণ করেছেন। চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পক্ষ থেকে তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছি।

৭৩ বছরের জীবনের দীর্ঘ ৫৫ বছর সঙ্গীতের ভুবনে বিচরণ করেছেন ফরিদা পারভীন। শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে তালিমের মাধ্যমে তাঁর সঙ্গীত জীবন শুরু হয় মাগুরায় ওস্তাদ কমল চক্রবর্ত্তীর তত্ত্বাবধানে। নজরুল গীতি শিখেছেন যত্ন করে একাধিক প্রতিষ্ঠিত সঙ্গীত শিক্ষকের কাছে। ১৯৬৮ সালে রাজশাহী বেতারে নজরুল সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন তিনি। ফরিদা পারভীন লালন চর্চা শুরু করেন স্বাধীনতা যুদ্ধের পরে। ১৯৭৩ সালে তিনি কুষ্টিয়ার লালন সাধক গুরু মোকছেদ আলী সাঁইয়ের কাছে লালনগীতিতে তালিম শুরু করেন। শাস্ত্রীয় সঙ্গীত ও নজরুল গীতিতে অভ্যস্ত ফরিদা পারভীন পরবর্তী সময়ে কেবল লালন গীতিকেই সঙ্গীতচর্চার লক্ষ্য করে নিয়েছেন। হয়ে উঠেছেন 'লালন সম্রাজ্ঞী'। ১৯৭৬ সালে তাঁর প্রথম লংপ্লে রেকর্ড 'অচিন পাখী' বের হয়। প্রয়াত ফরিদা পারভীন লালনগীতি ছাড়াও বহু আধুনিক গান গেয়েছেন। ১৯৮৭ সালে একুশে পদক প্রাপ্ত শিল্পী ফরিদা পারভীনের গাওয়া "তোমরা ভুলে গেছো মল্লিকাদির নাম" বাংলাদেশের শ্রতিমধুর গানগুলোর অন্যতম। যেমনটি "এই পদ্মা, এই মেঘনা"। ২০১৯ সালে শিল্পী ফরিদা পারভীনের সংগীতে ৫০ বছরপূর্তি আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপন করে লালন রিসার্চ অ্যান্ড কালচারাল ফাউন্ডেশন। লালনগীতির চর্চা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে অব্যহত রাখতে তিনি গড়ে তুলেছেন 'অচিন পাখি' স্কুল, যেখানে শিশুদের শেখানো হয় আধ্যাত্মিক শক্তির মর্ম ও গান। তিনি লালনের গানকে সাধারণ শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভুমিকা রাখেন। তাঁর গায়কীর মাধ্যমে লালনের গানের অসাম্প্রদায়িক, মানবিক বাণী ও সুর পৌঁছে দিয়েছেন মানুষের হৃদয়ে।
আমরা তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই।

যতীন সরকারের মৃত্যুতে চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানাই।                                         বিশিষ্ট ...
13/08/2025

যতীন সরকারের মৃত্যুতে চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানাই। বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক, চিন্তাবিদ যতীন সরকার বাংলাদেশের সাহিত্যে বিশেষ অবদান রেখে গেছেন। মার্ক্সবাদী দর্শনের নিরিখে বাংলার সংস্কৃতিকে চাক্ষুষ করার প্রথাবিরুদ্ধ লেখনী তাঁকে বিশিষ্ট করেছে। তাঁর বহু প্রবন্ধ দেশের লুপ্তপ্রায় লোকজ সংস্কৃতির গবেষণালব্ধ পুনর্পাঠ। তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অক্লান্ত প্রহরী, অধ্যাপক যতীন সরকার—যিনি শুধু একজন শিক্ষকই নন, ছিলেন এক নির্ভীক সত্যকথক, সংস্কৃতি ও প্রগতির অগ্রদূত। তাঁর প্রয়াণে আমরা হারিয়েছি এক আলোকবর্তিকা, যিনি প্রজন্মের পর প্রজন্মকে চিন্তা, যুক্তি ও মানবিকতার শিক্ষা দিয়েছেন।

তিনি ছিলেন এমন এক বুদ্ধিজীবী, যিনি শব্দের জাদু দিয়ে অন্যায় ও অসত্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। তাঁর কলম ছিল নির্ভীক, আর মন ছিল অনমনীয়। ছাত্র, সহকর্মী, পাঠক—সবাই তাঁকে মনে রাখবে তাঁর সহজ অথচ গভীর বক্তব্য, মমতাময় ব্যবহার ও মানবিক সাহচর্যের জন্য।

আজ তাঁর প্রয়াণ দিবসে চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করছে। যতীন সরকারের স্বপ্ন ও শিক্ষা আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকুক—যেন আমরা সত্য, ন্যায় ও মানবতার পথে অবিচল থাকতে পারি।
শ্রদ্ধাঞ্জলি

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর জন্মবার্ষিকীতে তাঁর সমাধিতে চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন।
25/05/2025

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর জন্মবার্ষিকীতে তাঁর সমাধিতে চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন।

"চলো মিলি একসাথে, ন্যায্যতা ও মর্যাদার পথে" আহ্বান রেখে আগামী ১৬ মে, ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য মৈত্রী যাত্রায় চারণ সাংস্কৃ...
15/05/2025

"চলো মিলি একসাথে, ন্যায্যতা ও মর্যাদার পথে" আহ্বান রেখে আগামী ১৬ মে, ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য মৈত্রী যাত্রায় চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সংহতি জানাই।

ন্যায়, বৈষম্যবিরোধিতা, সমমর্মিতা এবং সকলের সম্মিলিত মুক্তির চেতনার ভিত্তিতে আয়োজিত মৈত্রী যাত্রায় আমরা অংশগ্রহণ করছি। আসুন, আমরা ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণী, পেশা ও লিঙ্গবৈচিত্র্য নির্বিশেষে সমতা, মর্যাদা ও ন্যায়বিচার এর কথা বলি।

13/04/2025
আগ্রাসন বিরোধী গান- কবিতায় বর্ষবরণপহেলা বৈশাখ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ  সকাল ১০ টা,হাকিম চত্বর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
13/04/2025

আগ্রাসন বিরোধী গান- কবিতায় বর্ষবরণ
পহেলা বৈশাখ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সকাল ১০ টা,হাকিম চত্বর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি, ছায়ানট সঙ্গীত বিদ্যায়তনের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও বর্তমান সভাপতি স...
25/03/2025

জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি, ছায়ানট সঙ্গীত বিদ্যায়তনের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও বর্তমান সভাপতি সানজিদা খাতুন মৃত্যুবরণ করেছেন। চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পক্ষ থেকে তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছি।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৬২-র শিক্ষা আন্দোলন এবং তৎপরবর্তী গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও আন্দোলনভিত্তিক সাংস্কৃতিক জাগরণে সানজিদা খাতুন ভূমিকা রেখেছেন। ৭১-এ ভারতে আশ্রয় নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে শিল্পীদের সংগঠিত করার কাজ করেছেন। ১৯৬৭ সালে রমনার বটমূলে ছায়ানটের প্রথম নববর্ষ পালনের দিনটি ছিল, জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের পরিপূরক সাংস্কৃতিক কর্মসূচি। অনেকের সাথে তিনিও সে আয়োজনের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। শিল্পী, শিক্ষক, লেখক, সংগঠক সানজিদা খাতুন দীর্ঘ সময় ধরে সঙ্গীতসাধনা ছড়িয়ে দেবার নিবিড় চেষ্টায় রত ছিলেন। তাঁর বহুমুখী অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বহু পুরষ্কারে তিনি ভূষিত হয়েছেন। বাংলাদেশ অভ্যুদয় সংগ্রামে তাঁর ভূমিকা আমরা বেদনার সাথে, শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি।

প্রখ্যাত গণসঙ্গীত শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের শোক প্রকাশ প্রখ্যাত গণসঙ্গীত শিল্পী প্র...
15/02/2025

প্রখ্যাত গণসঙ্গীত শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের শোক প্রকাশ

প্রখ্যাত গণসঙ্গীত শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায় আজ ১৫ ফেব্রুয়ারি কলকাতার একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে এক বিবৃতি দিয়েছেন চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্দ্রাণী ভট্টাচার্য সোমা। বিবৃতিতে তিনি বলেন- "গণমানুষের শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। আমরা তাঁর সংগ্রামী স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই। প্রতুল মুখোপাধ্যায় ১৯৪২ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। দেশভাগের পর পরিবারের সাথে কলকাতা চলে যান। তিনি আজীবন মেহনতী মানুষের পক্ষে, ন্যায্য আন্দোলনের সমর্থনে, সত্য-সুন্দরের পক্ষে গান রচনা, সুরারোপ ও গেয়েছেন। তাঁর কণ্ঠের বলিষ্ঠতায় মানুষের মধ্যে ছড়িয়েছেন সংগ্রামের উদ্দীপনা। 'আমি বাংলায় গান গাই', 'আলু বেঁচো, ছোলা বেঁচো', 'ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ', 'দু'জনাই বাঙালি ছিলাম', 'ডিঙ্গা ভাসাও' সহ অসংখ্য গান শ্রোতাদের আলোড়িত করেছে। আজীবন গান গেয়ে মানুষের পক্ষে লড়ে যাওয়া শিল্পীর মৃত্যু সাংস্কৃতিক জগতের এক অপূরণীয় ক্ষতি। আমরা তাঁর মত সংগ্রামী শিল্পীর পথ অনুসরণ করে সাংস্কৃতিক সংগ্রাম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।"

স্বাধীনতা পূর্বকালে রচিত সময়ের বিদ্রোহী চেতনার প্রতিফলন- "এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়, এখন যৌবন যার যুদ্ধ...
13/12/2024

স্বাধীনতা পূর্বকালে রচিত সময়ের বিদ্রোহী চেতনার প্রতিফলন-
"এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়,
এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়"-এর রচয়িতা কবি হেলাল হাফিজ মৃত্যুবরণ করেছেন। তাঁর মৃত্যুতে চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গভীর শোক প্রকাশ করে।

উত্তাল ৬৯-র গণঅভ্যুত্থানের গণজাগরণে উত্থিত বজ্রমুষ্টি রূপ 'নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়' কবিতাটি বাংলাদেশের মানুষের মাঝে সংগ্রামের প্রতীক হয়ে উঠে। দীর্ঘ ৭৬ বছরের জীবনে ১৯৮৬ সালে তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ "যে জলে আগুন জ্বলে" সহ ৩টি কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কবি হেলাল হাফিজ জীবনের একটা বড় সময় সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত ছিলেন। তাঁর কবিতায় ঝংকৃত বোধ তাঁকে দ্রোহ ও প্রেমের কবি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
কবি হেলাল হাফিজের মৃত্যুতে আমরা তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।

Address

TSC, University Of Dhaka
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র:

Share