শিশু অধিকার ও নিরাপত্তা - শিঅনি

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • শিশু অধিকার ও নিরাপত্তা - শিঅনি

শিশু অধিকার ও নিরাপত্তা - শিঅনি শিশু অধিকার ও নিরাপত্তা (শিঅনি) । Children are vulnerable in terms of basic need, right, safety and security. SHIONI will be vocal in this aspect.

New experiences characterize the childhood stage where children learn mainly through observing their surrounding environment and people. Unfamiliarity makes a child's world to appear full of real and imaginary dangers. Unfamiliarity generates common feelings of insecurity, both physical and emotional. Without the appropriate parental guidance, children can undergo psychological disturbances that put them at the risk of leading unhealthy lives.

10/03/2026

We condemned such brutal and barbaric killing of children.

03/02/2026

Epstein Files: শিশু নির্যাতন ও যৌন বিকৃতির নথি
--------------------------------------------------------------
Epstein Files হলো যুক্তরাষ্ট্রের Department of Justice (DOJ) কর্তৃক প্রকাশিত লাখ লাখ পৃষ্ঠা নথি, ইমেইল, ভিডিও ও ছবি — যা যৌন পাচার, নাবালিকা নিযুক্তি এবং জেফ্রি এপস্টিন–এর সংশ্লিষ্ট তদন্তের অংশ হিসেবে তৈরি হয়েছিল। এর প্রকাশ Epstein Files Transparency Act নামে ২০২৫ সালে পাশ হওয়া আইনের কারণে বাধ্যতামূলক হয়েছে। এই ফাইলগুলোতে বিভিন্ন সময়, বিভিন্ন ঘটনায় এপস্টিনের যোগাযোগ, যোগাযোগের ইমেইল, আর্থিক রেকর্ড, সাক্ষীদের বিবরণ, তদন্ত নথি ইত্যাদি আছে। আমেরিকার Department of Justice (DOJ) প্রায় ৩ মিলিয়ন পৃষ্ঠা, সহ ১৮০,০০০ ছবি ও ২,০০০ ভিডিও–র বেশি ডেটা প্রকাশ করেছে — যা এপস্টিনের সঙ্গে সম্পর্কিত মামলা ও তদন্তের নথি হিসেবে চালু ছিল। এতে ইমেইল, আর্থিক তথ্য, যোগাযোগের তালিকা ইত্যাদি রয়েছে এবং এর অনেক অংশ আগে জানা ছিল না।

ঘনিষ্ঠ সংযোগগুলোর তালিকায় বড় বড় নাম যেমন: ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইলন মাস্ক, বিল গেটস, হাওয়ার্ড লুটনিক, পিটার ম্যান্ডেলসন, প্রিন্স এন্ড্রু, নরেন্দ্র মোদি ইত্যাদি আলোচনায় এসেছে (তবে এদের সম্পর্কে অপরাধ প্রমাণের নয়, শুধু নথিতে সম্পর্ক/যোগাযোগের বর্ণনা আছে)।

এপস্টিনের মালিকানাধীন ক্যারিবিয়ান দ্বীপ “Little St. James”–কে বহু ভুক্তভোগী ও সাক্ষী যৌন নির্যাতনের কেন্দ্র হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
সেখানে কিশোরীদের আনা হতো ব্যক্তিগত জেট ও ইয়টে করে। কিছু নথিতে বলা হয়, দ্বীপে গোপন নজরদারি ব্যবস্থা ছিল—যা ব্ল্যাকমেইলের সন্দেহ আরও বাড়ায়। এখানেই বিভিন্ন প্রভাবশালী অতিথির যাতায়াতের অভিযোগ ওঠে, যদিও সব নামের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণ হয়নি। এই দ্বীপ–সংক্রান্ত অভিযোগগুলোই এপস্টিন কেসকে আন্তর্জাতিক কেলেঙ্কারিতে রূপ দেয়।
এপস্টিন কাণ্ড আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়—ক্ষমতা আর অর্থ এক হলে, ন্যায়বিচারও কখনো কখনো নীরব হয়ে যায়।
এটা শুধু আমেরিকার গল্প নয়।

এটা সব রাষ্ট্রের জন্য সতর্কবার্তা—বাংলাদেশের জন্যও।শিশু ও নারীর নিরাপত্তা কোনো বিলাসিতা নয়,এটাই রাষ্ট্রের নৈতিকতার আসল পরীক্ষা।বড় নাম, বড় পদ—আইনের ঊর্ধ্বে হলে
রাষ্ট্র শক্তিশালী নয়, ভেতরে ভেতরে দুর্বল হয়।
ন্যায়বিচার দেরি হলে ইতিহাস ক্ষমা করে না।
আর সত্য চাপা দিলে, একদিন তা আরও ভয়ংকর হয়ে ফিরে আসে।

এপস্টিন নেটওয়ার্কে—কিশোরীদের প্রলোভন দেখানো হয়েছে। টাকা, সুযোগ বা ভয় দেখিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।এক ভুক্তভোগীকে দিয়ে আরেক ভুক্তভোগী সংগ্রহ করানো হয়েছে। এটা শুধু যৌন অপরাধ নয়, এটা শিশু পাচার ও সংগঠিত শোষণ—যা আন্তর্জাতিক শিশু অধিকার আইন অনুযায়ী গুরুতর অপরাধ।
৩/২/২০২৬

05/01/2026
কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আইন উপদেষ্টার এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। সকলকে এ ব্যাপারে সোচ্চার হওয়া উচিত।https://...
05/01/2026

কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আইন উপদেষ্টার এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। সকলকে এ ব্যাপারে সোচ্চার হওয়া উচিত।

https://thecitysignal.com/news/jnmsnde-bys-17-rimaandde-thrimaa-jaannaat-surbhii-/?fbclid=IwY2xjawPIgaNleHRuA2FlbQIxMQBzcnRjBmFwcF9pZAwzNTA2ODU1MzE3MjgAAR5uwm4eZK6zZ4dHa70snxxp8zIPSqsJ5qMgtuZzzP71pxpxfJDhfWH7c06z4w_aem_xFUcafmXNFERXwYPHtOL2Q

জন্মনিবন্ধন সনদ অনুযায়ী বয়স মাত্র ১৭ বছর-অর্থাৎ আইনগতভাবে একজন কিশোরী।  অথচ তহরিমাকে প্রাপ্তবয়স্ক দেখিয়ে ...

11/06/2025

"কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি" (Sexual Harassment at Workplace)

যৌন হয়রানি কর্মক্ষেত্রে একটি লুকায়িত কিন্তু অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা। এটি শুধু নারীদের জন্যই নয়, যেকোনো লিঙ্গের মানুষকে মানসিক, শারীরিক ও সামাজিকভাবে বিপর্যস্ত করতে পারে। বাংলাদেশসহ পৃথিবীর অনেক দেশে নারীরা কর্মক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকার হন, যা তাঁদের পেশাগত অগ্রগতি ও আত্মবিশ্বাসে প্রভাব ফেলে। কয়েকদিন আগে জানতে পারলাম একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ষাটোর্ধ্ব এক কর্মকর্তা তার এক নারী সহকর্মীকে নিয়ে একই গাড়িতে অন্য একটি অফিসে যাওয়ার সময় গায়ে হাত দেয়। যদিও ঐ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।

যৌন হয়রানির সংজ্ঞা ও ধরন:

যৌন হয়রানি বলতে বোঝায়—অসৌজন্যমূলক মন্তব্য, দৃষ্টিভঙ্গি, স্পর্শ, ইঙ্গিত, বার্তা কিংবা আচরণ যা ভুক্তভোগীকে অস্বস্তিকর ও অপমানজনক পরিস্থিতিতে ফেলে। কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি ও সুরক্ষা আইন ২০২৪: মোতাবেক যৌন হয়রানি হল শিকারের লিঙ্গ বা লিঙ্গের উপর ভিত্তি করে এক প্রকার হয়রানি । এটি আপত্তিকর যৌনতাবাদী বা যৌন আচরণ, মৌখিক বা শারীরিক ক্রিয়াকলাপ, ঘুষ, জবরদস্তি এবং আক্রমণ পর্যন্ত জড়িত থাকতে পারে। জাতিসংঘসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের আইনে বর্তমানে যেভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এ অপরাধকে, তার একটা সোজাসুজি বাংলা দাঁড়াবে—এমন সব অনাকাঙ্ক্ষিত শারীরিক, মৌখিক, অমৌখিক বা অন্য কোনো যৌন প্রকৃতিবিশিষ্ট বা লিঙ্গভিত্তিক আচরণ, যা কোনো ব্যক্তির জন্য অনিরাপদমূলক, হুমকিস্বরূপ, অস্বস্তিকর, অপরাধমূলক, বিব্রতকর অথবা অপমানজনক বলে যুক্তিসংগতভাবে প্রতীয়মান হয়। যৌন হয়রানিমূলক আচরণের মূল উপাদানটি হলো, যে ব্যক্তির প্রতি এই আচরণ করা হয়েছে, তার কাছে আচরণটি অনাকাঙ্ক্ষিত বা অনভিপ্রেত।

এর ধরনগুলো হলো:

মৌখিক হয়রানি: অশালীন মন্তব্য, কটূক্তি, আপত্তিকর প্রশ্ন

অলিখিত হয়রানি: অশ্লীল বার্তা, ইমেইল বা ছবি পাঠানো

শারীরিক হয়রানি: অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ, জোরপূর্বক ঘনিষ্ঠতা

মানসিক চাপ: প্রমোশন বা চাকরি দেওয়ার শর্ত হিসেবে যৌন সুবিধা চাওয়া (quid pro quo harassment)

তীব্র নজরদারি ও আড়ালে অপমানজনক মন্তব্যে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট:

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য বলছে, ২০২৫ সালে শুধুমাত্র জানুয়ারি মাসেই উত্ত্যক্তকারীদের মাধ্যমে ১১ জন নারী যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন। একই প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে যৌন হয়রানির ঘটনা ঘটেছে ১৬৫টি, ২০২৩ সালে ১৪২টি।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ এবং “অ্যাওয়ারনেস বাংলাদেশ” পরিচালিত ২০২০ সালের একটি জরিপ অনুযায়ী, কর্মক্ষেত্রে ৫৮% নারী কর্মী শারীরিক বা মানসিকভাবে হয়রানির শিকার হয়েছেন। এছাড়া প্রায় ৪৩% নারীর কর্মস্থলে যৌন হয়রানির ঘটনাও ঘটেছে।

বাংলাদেশে নারীর কর্মসংস্থানের হার ধীরে ধীরে বাড়লেও, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মপরিবেশ এখনো অনেক প্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত। পোশাক শিল্প, অফিস, হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমনকি মিডিয়া—সবখানেই যৌন হয়রানির ঘটনা প্রায়শ ঘটে।

২০০৯ সালে হাইকোর্ট যৌন হয়রানির সংজ্ঞা নির্ধারণ করে একটি নির্দেশনা দেয়, যেখানে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে অভিযোগ কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে বাস্তবে অনেক প্রতিষ্ঠানে এখনো এই নির্দেশনার সঠিক বাস্তবায়ন নেই। কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি ও সুরক্ষা আইন ২০২৪ প্রণীত ও বাস্তবায়নে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রভাব:

আত্মবিশ্বাস ও মানসিক স্বাস্থ্য নষ্ট হয়

কর্মক্ষেত্র ত্যাগের প্রবণতা তৈরি হয়

কর্মী ও প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক নষ্ট হয়

কর্মক্ষমতা হ্রাস পায়

সামাজিকভাবে অপমানিত ও বিচ্ছিন্ন অনুভব করে ভুক্তভোগী

প্রতিরোধ ও করণীয়:

1. প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা

2. সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ ও ওয়ার্কশপ চালু করা

3. হয়রানির অভিযোগ জানানোর জন্য নিরাপদ ও গোপন ব্যবস্থা রাখা

4. আইন অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ

5. সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমে এই ইস্যু নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা

6. ভুক্তভোগীদের মানসিক সহায়তা ও পুনর্বাসনের সুযোগ সৃষ্টি করা

কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি শুধু একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নয়, এটি একটি সামাজিক ব্যাধি। একটি নিরাপদ ও মর্যাদাসম্পন্ন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে সমাজ, প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্র—সব পক্ষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার। বিশেষ করে নারীদের আত্মমর্যাদা রক্ষায় আমরা যেন কখনো পিছিয়ে না থাকি।

সংকলিত ১১/৬/২০২৫

মানুষের বিবেক কতটা নিচে নামলে ৮ বছরের একটা শিশুকে এভাবে অমানুষের মত নির্মমভাবে ধর্ষণ করতে পারে।মাগুরায় ৮ বছরের শিশু আছিয়...
08/03/2025

মানুষের বিবেক কতটা নিচে নামলে ৮ বছরের একটা শিশুকে এভাবে অমানুষের মত নির্মমভাবে ধর্ষণ করতে পারে।মাগুরায় ৮ বছরের শিশু আছিয়া বড় বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে বোনের শশুরের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়, ঘটনাটি ৬ মার্চ বৃহস্পতিবারের। এমনকি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত শিশুটির দুলাভাই নিজেও। সম্প্রতি এমন বোমাই ফাটিয়েছেন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়তে থাকা আছিয়ার বড় বোন। ইতিমধ্যে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে শিশুটির বোনের শশুর হিটু শেখ ও স্বামী সজিব হোসেনকে। বর্তমানে শিশুটি ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। আজ তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে এখানে আনা হয়েছে।ভাবতে অবাক লাগে কতটা নির্লজ্জ বেহায়া হলে বাবা ছেলে দুজনে মিলে এভাবে ৮ বছরের একটি শিশুকে ধর্ষণ করতে পারে। লজ্জা লজ্জা, কবে জাগ্রত হবে এসব অমানুষের বিবেক?

আমরা নিন্দা জানাই। দ্রুত বিচার ও শাস্তি কামনা করছি। সেই সাথে শিশুটি দ্রুত আরোগ্য জন্য দোয়া রইল। >>>শিশু অধিকার ও নিরাপত্তা।

We condemned Child Killing. দিনটি ছিল ১৯ জুলাই। বাবা-মা ও বড় ভাইয়ের সঙ্গে রাজধানীর রায়েরবাজারে ১১ তলা ভবনের অষ্টম ফ্লোরে...
20/02/2025

We condemned Child Killing.

দিনটি ছিল ১৯ জুলাই। বাবা-মা ও বড় ভাইয়ের সঙ্গে রাজধানীর রায়েরবাজারে ১১ তলা ভবনের অষ্টম ফ্লোরের ভাড়া বাসার বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল আহাদ। এদিন ঘরের মেঝেতে গরম হাওয়া আর বাইরে চলছিল আন্দোলনের উত্তপ্ততা। বিক্ষোভ করছিলেন নিরস্ত্র কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা। তাদের দমনে গুলি করছিল পুলিশ। তাদের একটি বুলেট আহাদের ডান চোখে লাগে।

সন্তানের শরীর থেকে রক্ত ঝরছিল দৃশ্য দেখে বাবা-মা দিশেহারা। সন্তানকে বাঁচাতে জীবনঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় নেমে এলেও বাধা দেয় আওয়ামী দোসররা। আহাদের রক্তাক্ত চিত্র দেখার পরও তাদের মন কাঁদেনি। মায়ের আর্তনাদে চিকিৎসার জন্য ছেড়ে দেন। কিন্তু ততক্ষণে জীবনপ্রদীপ নিভু নিভু করছিল আহাদের। ২০ জুলাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে শিশুটি মারা যায়।

13/02/2025

শিশু প্ররক্ষাঃ জুলাই-আগস্ট ২০২৪।
-------------------------------------------------

শিশুদের সুরক্ষা দেওয়া জাতিসংঘের ম্যান্ডেট অনুযায়ী সকল দেশের সরকারের দায়িত্ব।
রাজনৈতিক সরকার গুলোর ক্ষমতার লোভের বলি হল একশর (১০০) অধিক শিশু গত জুলাই আগস্ট ২০২৪ আন্দোলনে। সেই সাথে আরো অনেক শিশু আহত হয়ে বিকলাঙ্গ জীবন যাপন করছে। হত্যাকারীদের এখন পর্যন্ত আইনের আওতায় এনে এখনও কোন বিচার হয়নি। এই হত্যাকান্ড সম্পূর্ণরূপে মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং মানবতা বিরোধী অপরাধ। বিক্ষোভ দমনে নৃশংসতা, পদ্ধতিগত নিপীড়নের তথ্য, এবং গুরুতর অধিকার লঙ্ঘনের চিত্র পাওয়া গেছে।

জেনেভা ( ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) – জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের সাবেক সরকার এবং নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাসমূহ, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সহিংস উপাদানগুলোর পাশাপাশি, গত বছরের ছাত্র-নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভের সময় পদ্ধতিগতভাবে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাসমূহের সাথে জড়িত ছিল।
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাক্ষ্য এবং অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে, প্রতিবেদনে একটি সরকারি নীতি উঠে এসেছে যা সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের এবং সমর্থকদের আক্রমণ ও সহিংসভাবে দমন করার নির্দেশ দেয়, যা মানবতাবিরোধী অপরাধের মত উদ্বেগ উত্থাপনকারী এবং জরুরীভাবে আরও ফৌজদারি তদন্তের প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে। প্রতিবেদনটি নির্দেশ করেছে যে নিহতদের মধ্যে ১২-১৩ শতাংশ ছিল শিশু। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিকল্পিতভাবে এবং অবৈধভাবে বিক্ষোভকারীদের হত্যা বা পঙ্গু করার সাথে জড়িত ছিল, এর মধ্যে এমন ঘটনাও ছিল যেখানে লোকদের বিন্দু-শূন্য পরিসীমা থেকে গুলি করা হয়েছিল।প্রতিবেদনে,লিঙ্গ-ভিত্তিক সহিংসতার বিষয়টি নথিভুক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে শারীরিক আক্রমণ এবং ধর্ষণের হুমকি রয়েছে, এর লক্ষ্য ছিল নারীদের বিক্ষোভে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখা।
প্রতিবেদনটি এও খুঁজে পেয়েছে যে পুলিশ এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী শিশুদের হত্যা ও পঙ্গু করেছে, এবং তাদেরকে নির্বিচারে গ্রেফতার, অমানবিক অবস্থায় আটক এবং অত্যাচারের শিকার করেছে। নথিভুক্ত মৃত্যুর ঘটনাগুলোর একটি এমন ছিল, যেখানে ধানমন্ডিতে একজন ১২ বছর বয়সী বিক্ষোভকারী প্রায় ২০০টি ধাতব গুলি ছোঁড়ার কারণে সৃষ্ট অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের কারনে মারা যান। এছাড়াও, নিহতদের মধ্যে ছিল খুব ছোট শিশু যাদেরকে তাদের পিতামাতারা বিক্ষোভে নিয়ে গিয়েছিলেন অথবা যারা পথচারী হিসেবে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। নারায়ণগঞ্জে এমন একটি ঘটনা রয়েছে, যেখানে একজন ছয় বছর বয়সী বালিকাকে তার বাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে একটি বিক্ষোভের সহিংস সংঘর্ষ প্রত্যক্ষ করার সময় মাথায় গুলি করা হয়েছিল।
৫ আগস্ট – বিক্ষোভের শেষ এবং সবচেয়ে প্রাণঘাতী দিনের একটিতে – আজমপুরে পুলিশের গুলিতে আহত ১২ বছর বয়সী একটি ছেলে স্মরণ করে যে, পুলিশ "সব জায়গায় বৃষ্টির মতো গুলি করছিল"। সে অন্তত এক ডজন মৃতদেহ দেখতে পেয়েছিল বলে বর্ণনা করেছে।

প্রতিবেদনে যাই আসুক বর্তমান সরকার দ্রুততম সময়ে এই মানবতা বিরোধী শিশু হত্যার দায়ে জড়িতদেরকে দ্রুত বিচারের আওতায় এনে বিচার করা ও শাস্তি দেওয়া। যদি তারা এই বিচার না করে তাহলে জেন-Z তথা ভবিষ্যৎ জেনারেশন একটা ট্রমাটাইজ পরিবেশে বড় হবে যেটা সমাজের জন্য ভালো কিছু বয়ে আনবে না।

বেলাল তাহের
সাবেক ফ্যাকাল্টি
শিশু প্ররক্ষা, বিপসট ও
আহবায়ক "শিশু অধিকারও নিরাপত্তা"

Address

Road 6, Shamoli Housing, Shekertek, Mohammadpur
Dhaka
1207

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শিশু অধিকার ও নিরাপত্তা - শিঅনি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to শিশু অধিকার ও নিরাপত্তা - শিঅনি:

Share