04/01/2026
নিচের এই গ্রাফটিতে ৯টি দেশের নাম দেয়া আছে। এখানে দেখছেন কোন দেশের কত ‘বিলিয়ন ব্যারেল’ তেলের মজুত আছে - (ভেনিজুয়েলা ৩০৩, সৌদিআরব ২৬৭, ইরান ২০৯, কানাডা ১৬৩, ইরাক ১৪৫, আবরআমিরাত ১১৩, কুয়েত ১০২, রাশিয়া ৮০, আমেরিকা ৭৪, লিবিয়া ৪৮ বিলিয়ন ব্যারেল তেল)। মজুত থাকা তেলের শীর্ষ ৯টি দেশের মধ্যে আমেরিকার স্থান ৯ নাম্বারে। আর রাশিয়া আছে ৮ নাম্বারে।
এবার একটু ভিন্নভাবে বলি, এই ৯টি দেশের মধ্যে ‘রাশিয়া’ বাদে বকি ৮টি দেশই কোন না কোনভাবে আমেরিকার সামরিক ছাতার নীচে বা তাদের নিয়ন্ত্রণে আছে। রাশিয়াকেও আমেরিকা ইউক্রেন যুদ্ধের মাধ্যমে খন্ড-বিখন্ড করতে চেয়েছিল কিন্তু পারেনি। সেটা করতে পারলে বিশ্বে শক্তিসম্পদে তারা হতো নিয়ন্ত্রণহীন এক শক্তি।
এই ৯টি দেশের ইরাক ও লিবিয়ার পরিণতি কি হয়েছে তা আমাদের সবার জানা। ক্ষমতাধর আমেরিকা ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে সস্ত্রীক তাদের বেডরুমের বিছানা থেকে রাতের অন্ধকারে তুলে নিয়ে গেছে। এখন সিরিয়ালে আছে ইরান। আর তাদেরকেও তারা খরচের খাতায় রেখেছে এবং শীঘ্রই তা জেনে যাবেন। তাদের নকশায় সেখানে ভিতর থেকেই পরিবর্তনটা আসবে।
বিশ্বের সব দেশেই মিরজাফরের মতো কিছু বিশ্বাসঘাতক ও বেঈমান মানুষ থাকে। ভেনিজুয়েলাতেও আছে, নোবেল পুরষ্কার পাওয়া কুলাঙ্গার মাচাদো ও অলিগার্করা তাদের সোনার দেশটাকে তারা দীর্ঘমেয়াদে অস্থিতিশীল ও গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিলো। আর ঐ দেশের রাষ্ট্রীয় সম্পদকে মার্কিন বহুজাতিক লুটেরা তেল কোম্পানিদের হাতে তুলে দিল।